মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার: বিস্ফোরণে কাঁপল কাতার

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১৬:২২:৩২
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ভয়াবহ বিস্তার: বিস্ফোরণে কাঁপল কাতার
ছবি : সংগৃহীত

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে কাতারের রাজধানী দোহা। দেশটিতে আবারও হামলা চালিয়েছে ইরান। এর ফলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। রাজধানী দোহার আকাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার পর এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাতারের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম সক্রিয়ভাবে আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে আটকে দিতে সক্রিয় হয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, দোহার আকাশে পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক গোষ্ঠীর ওপর হামলা শুরু করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশ ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ইরান ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর ১৯তম দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই অভিযানে ইরানবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে ঠিক কোন স্থানে হামলা চালানো হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল এমন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। এতে তাদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলের সুলাইমানিয়া প্রদেশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আরাবাত, জারকুইজ ও সুরদাশ এলাকার কাছে অন্তত চারটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানি কুর্দি সশস্ত্র সংগঠন কমালার সদর দপ্তর।

/আশিক


মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১২:৫৩:০৭
মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আবারও ইসরায়েল ও মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে এ হামলা শুরু হয়। এর আগে মার্কিন সাবমেরিন এক ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেয়। ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, পুরো অঞ্চলের সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে।

ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের শহরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে এসেছে এবং তেল আবিব ও জেরুজালেমে সাইরেন বাজানো হয়েছে। একই সঙ্গে, ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবোল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সংঘর্ষের কারণে ইরানে ১,০৪৫-এর বেশি, লেবাননে ৭০-এর বেশি এবং ইসরায়েলে ১১ জন নিহত হয়েছেন। ছয় মার্কিন সেনাও নিহত হয়েছেন। যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল বন্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণকারীরা আটকা পড়েছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোও সতর্ক অবস্থানে এসেছে। কাতারে মার্কিন দূতাবাসের আশেপাশের মানুষকে সরানো হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যুদ্ধবিমান দেখা গেছে এবং কুয়েতের উপকূলে বিস্ফোরণ ঘটেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেট বলেছেন, সাবমেরিন থেকে ডুবানো ইরানি যুদ্ধজাহাজের ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৮৭ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইরানের ভবন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত লক্ষ্যবস্তু এবং পারামিলিটারি বাহিনী লক্ষ্য করে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে।

/আশিক


সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইরানে কুর্দিদের অনুপ্রবেশ: তেহরান পতনের লক্ষ্যে শুরু হলো মহাযুদ্ধ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১১:৩৮:০৬
সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইরানে কুর্দিদের অনুপ্রবেশ: তেহরান পতনের লক্ষ্যে শুরু হলো মহাযুদ্ধ
কুর্দি যোদ্ধা। ছবি সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত (৫ মার্চ) ষষ্ঠ দিনে গড়েছে। এরইমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে যোগ দিয়েছে মার্কিন মদদপুষ্ট কুর্দি যোদ্ধারা। ইতোমধ্যে কুর্দি যোদ্ধারা ইরানের সীমান্ত অতিক্রম করেছে। তারা দেশটির বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর জেরুজালেম পোস্ট ও ফক্স নিউজের।

জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ইরাক-ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে পরিচালিত ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলো তেহরানে স্থল অভিযানে অংশ নিয়েছে। এই গোষ্ঠীর হাজার হাজার যোদ্ধা।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কুর্দি যোদ্ধারা ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। তারা ইরানি বাহিনীকে চাপে ফেলতে এবং ইরানজুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য এই প্রস্তুতি নেয়।

জেনিফার গ্রিফিন নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হয়, মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে নিশ্চিত করেছেন যে কয়েক হাজার কুর্দি যোদ্ধা ইরানে ক্রস-বর্ডার স্থল হামলা শুরু করেছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে কুর্দি যোদ্ধারা ইরানের বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থল অভিযান শুরু করেছে। তবে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের অভ্যন্তরে বিদ্রোহীদের সশস্ত্র করছে না। তবে তিনি জানান, মার্কিন সরকারের অন্যান্য অংশও এতে জড়িত থাকতে পারে।

এ ছাড়া হোয়াইট হাউজে দেশটির প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট, ট্রাম্প প্রশাসন কুর্দি যোদ্ধাদের অস্ত্র দিতে সম্মত হয়েছে- এমন রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেন। তবে তিনি বলেছেন, আমি এই ব্যাপারে মন্তব্য করতে পারি যে প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে অনেক পার্টনার, মিত্র এবং নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ট্রাম্প উত্তর ইরাকে আমাদের ঘাঁটি সম্পর্কে কুর্দি নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে ট্রাম্প কোনো পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছেন বলে রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে তা পুরোপুরি মিথ্যা এবং এমনটি লেখা উচিত নয়।

/আশিক


কুয়েত উপকূলে বিস্ফোরণে চুরমার তেলবাহী জাহাজ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ০৯:২৪:০১
কুয়েত উপকূলে বিস্ফোরণে চুরমার তেলবাহী জাহাজ
ছবি : সংগৃহীত

কুয়েতের উপকূলে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও তেল নিঃসরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ মার্চ) গভীর রাতে কুয়েতের মুবারক আল-কাবীর এলাকার দক্ষিণ-পূর্বে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা ব্রিটিশ মেরিটাইম সিকিউরিটি এজেন্সি (ইউকেএমটিও) এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ইউকেএমটিও-এর বিবৃতি অনুযায়ী, ট্যাঙ্কারটির ক্যাপ্টেন জাহাজের বাম পাশে (পোর্ট সাইড) একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনেন এবং একটি ছোট নৌযানকে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখেন। বিস্ফোরণের ফলে জাহাজের একটি কার্গো ট্যাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, এই তেল নিঃসরণের ফলে পারস্য উপসাগরের পরিবেশে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

বিস্ফোরণের পর জাহাজটিতে পানি ঢুকতে শুরু করলেও কোনো অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়নি। জাহাজে থাকা সকল ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। ড্রোনের আঘাতে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনাটি দেশটির জলসীমার বাইরে মুবারক আল-কাবীর বন্দর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে ঘটেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলার ঘটনাটি ঘটল।

/আশিক


ইরানের মিসাইল কি ফুরিয়ে আসছে? পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বিস্ফোরক দাবি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ০৯:১৬:৩৮
ইরানের মিসাইল কি ফুরিয়ে আসছে? পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বিস্ফোরক দাবি
ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত আজ ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। তেহরানের দফায় দফায় মিসাইল হামলার পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রও তাদের আক্রমণ তীব্রতর করেছে। তবে যুদ্ধের এই ডামাডোলের মধ্যেই পশ্চিমা গোয়েন্দারা এক বিস্ফোরক দাবি তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, ইরান যে হারে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে, তাতে করে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের ভাণ্ডার শূন্য হয়ে যেতে পারে।

বুধবার (৪ মার্চ) বেশ কয়েকজন পশ্চিমা গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, ইরান বর্তমানে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার শেষ প্রান্তে অবস্থান করছে। বার্তাসংস্থা এপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী অত্যন্ত সফলভাবে ইরানের মিসাইল লঞ্চারগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। ফলে ইরান থেকে আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিমাণ অনেকটাই কমে এসেছে। যদিও ওই কর্মকর্তার ধারণা, ইরান কৌশলগত কারণে তাদের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র শেষ সময়ের জন্য জমিয়ে রাখতে পারে।

অন্যদিকে, আরেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর হাতে থাকা ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরক্ষা মিসাইলও ফুরিয়ে আসছে। এ কারণে ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে এখন থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে প্রতিরক্ষা মিসাইল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) নতুন করে ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা ইরানে হামলার পরিধি আরও বাড়াচ্ছে। এবারের মূল লক্ষ্যবস্তু হবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, রকেট লঞ্চার এবং শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের অবস্থান। মধ্যপ্রাচ্যের এই রণক্ষেত্র এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

/আশিক


মার্কিন গর্বের পতন: মধ্যপ্রাচ্যে ৭টি যুদ্ধঘাঁটি এখন ইরানি গোলার কবলে

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ২১:৫০:২১
মার্কিন গর্বের পতন: মধ্যপ্রাচ্যে ৭টি যুদ্ধঘাঁটি এখন ইরানি গোলার কবলে
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন থেকে উড্ডয়ন করে ইএ-১৮জি গ্রাউলার যুদ্ধবিমান। গত সোমবার। ছবি: এএফপি

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন শুরুর মাত্র চার দিনেই মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তির মেরুদণ্ড কার্যত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এই স্বল্প সময়ে তেহরানের বিধ্বংসী পাল্টাহামলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার সমমূল্যের অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির এই বিশাল অংকের মধ্যে সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে, যেখানে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার ব্যবস্থাটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুরোপুরি অকেজো হয়ে গেছে। কাতার সরকার ইতোমধ্যেই এই বিশাল ধ্বংসযজ্ঞের খবর নিশ্চিত করেছে।

আনাদোলু এজেন্সির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কুয়েতের আকাশসীমাতেও মার্কিন বাহিনী চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। গত রবিবার নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মারাত্মক ভুলে তিনটি ‘এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল’ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়। যদিও ছয়জন ক্রু প্রাণে বেঁচে গেছেন, তবে এই তিনটি বিমান প্রতিস্থাপনেই পেন্টাগনকে গুনতে হবে প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া বাহরাইনের মানামায় অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে শনিবারের প্রথম দফার হামলায় দুটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ টার্মিনাল ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে, যার আর্থিক ক্ষতি প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার।

ইরান দাবি করেছে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-রুওয়াইস শিল্পনগরে মোতায়েন করা মার্কিন ‘থাড’ (THAAD) অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবস্থার অত্যন্ত শক্তিশালী ‘এএন/টিপিওয়াই-২’ রাডারটি ধ্বংস করেছে। উন্মুক্ত গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ছবিতেও সেখানে বিধ্বংসী আঘাতের প্রমাণ মিলেছে। উল্লেখ্য, এই একটি রাডার ব্যবস্থা তৈরি করতেই খরচ হয় প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক সম্পদের ১ দশমিক ৯০২ বিলিয়ন ডলারের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছে তেহরান।

শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত সাতটি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ইরান সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইনের নৌ সদরদপ্তর, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি, ইরাকের এরবিল ঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দর অন্যতম। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে ইরানি হামলায় ছয় মার্কিন সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। অন্যদিকে, ইরাকের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনায় সোমবার ভোর পর্যন্ত ভয়াবহ আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, সেখানে অন্তত চারটি বড় স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি সৌদি আরব, কুয়েত ও আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোও আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রেহাই পায়নি। রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন আঘাত হানার পর সেখানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়; ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি অনুযায়ী, কমপাউন্ডের ভেতরে থাকা সিআইএ স্টেশনটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েত সিটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে নৃশংস ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সেটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুবাইয়ের মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের দপ্তরেও ড্রোন আঘাত হেনেছে। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন দাপটের এমন শোচনীয় পতন বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

/আশিক


শেষ মুহূর্তে স্থগিত হলো খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১৯:৪৭:৫৩
শেষ মুহূর্তে স্থগিত হলো খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির তিন দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠানটি শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) বার্তাসংস্থা এএফপি এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মূলত জনসমাগমের ব্যাপকতা এবং প্রস্তুতির কিছু জটিলতার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেহরানের ইমাম খোমেনী মোসাল্লায় স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১০টা থেকে এই বিদায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষের অংশগ্রহণের আগ্রহ এবং নজিরবিহীন ভিড়ের আশঙ্কায় বর্তমান অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা চিন্তা করে তা স্থগিত করা হয়েছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদায় অনুষ্ঠানের নতুন সময়সূচি পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এক যৌথ বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রথা অনুযায়ী, দাফনের আগে তেহরানে এই বড় ধরণের বিদায় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। খামেনির মরদেহ তাঁর জন্মস্থান এবং ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই তাঁকে সমাহিত করার কথা রয়েছে। মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজার সংলগ্ন এলাকায়, যেখানে তাঁর বাবা শায়িত আছেন, সেখানেই হয়তো তাঁর শেষ শয্যা হবে। তবে দাফনের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো অজানাই রয়ে গেছে।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের শাসনভার বর্তমানে তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী পরিষদের হাতে রয়েছে। যতক্ষণ না বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) নতুন কোনো সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করছে, ততক্ষণ এই পরিষদই রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম তদারকি করবে।

/আশিক


লঙ্কান সাগরে রহস্যময় সাবমেরিন হামলা: ইরানি জাহাজডুবিতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১৯:১০:২৯
লঙ্কান সাগরে রহস্যময় সাবমেরিন হামলা: ইরানি জাহাজডুবিতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কা উপকূলের নিকটবর্তী গভীর সমুদ্রে একটি ইরানি জাহাজে ভয়াবহ সাবমেরিন হামলার ঘটনা ঘটেছে। লঙ্কান নৌবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আকস্মিক এই হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া হামলার পর জাহাজটি সাগরে তলিয়ে যাওয়ায় এখন পর্যন্ত ১০১ জন আরোহী নিখোঁজ রয়েছেন বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার শিকার হওয়ার পর জাহাজটি দ্রুত ডুবতে শুরু করলে লঙ্কান নৌবাহিনী বুধবার সকাল থেকেই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। উদ্ধারকৃত আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের একাধিক দল নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জাহাজে থাকা আরোহীদের মধ্যে অন্তত ৩০ জনকে দেশটির সামরিক বাহিনী জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে এই সাবমেরিন হামলাটি ঠিক কারা চালিয়েছে বা হামলাকারী সাবমেরিনটি কোন দেশের, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। হামলাকারীর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জাহাজটি ডুবতে শুরু করার আগে দক্ষিণ শ্রীলঙ্কার গলে উপকূল অভিমুখে জরুরি বিপদসংকেত (Distress Signal) পাঠায়। এই সংকেত পাওয়ার পরপরই লঙ্কান কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্ধারকারী জাহাজ ও হেলিকপ্টার নিয়ে অভিযানে নামে। মাঝ সমুদ্রে এমন রহস্যময় সাবমেরিন হামলা আন্তর্জাতিক নৌ-সীমায় নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সূত্র : রয়টার্স


ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আইআরজিসি-র সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১৬:৪৭:১৭
ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে আইআরজিসি-র সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ছবি : সংগৃহীত

ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করা একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) লক্ষ্য করে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর বা আইআরজিসি-র নৌ শাখা। বুধবার ভোরে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে আইআরজিসি এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ হিসেবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ইরানি উপকূল থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার গভীরে ভারত মহাসাগরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারটি অবস্থান করছিল। ওই সময় একটি মার্কিন ট্যাঙ্কার জাহাজ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই ইরানের তৈরি অত্যাধুনিক ‘কদর-৩৬০’ এবং ‘তালাইয়েহ’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইরানি বাহিনী দাবি করেছে যে, ক্ষেপণাস্ত্রের প্রচণ্ড আঘাতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার এবং জ্বালানি ট্যাঙ্কার—উভয় জাহাজেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় সমুদ্রের আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ইরানি সামরিক বাহিনী এই অভিযানকে একটি বিশেষ বার্তা হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, ইরানবিরোধী মার্কিন ও জায়নবাদী শক্তির অব্যাহত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এটি একটি চূড়ান্ত ও দাঁতভাঙা জবাব। ভারত মহাসাগরে সরাসরি মার্কিন রণতরীতে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সামরিক উত্তেজনায় একটি নতুন এবং বিপজ্জনক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: তাসনিম নিউজ


ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী: কানাডার প্রধানমন্ত্রী 

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ১৬:২৯:০৬
ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী: কানাডার প্রধানমন্ত্রী 
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানকে 'আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন' বলে অভিহিত করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। বুধবার (৪ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। কার্নি উল্লেখ করেন যে, এই হামলা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কোনো আইনের তোয়াক্কা না করেই চালানো হয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ বা কোনো মিত্র রাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আগাম আলোচনা না করেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই অভিযান পরিচালনা করেছে। হামলার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের জানমাল রক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত সংঘাত কমিয়ে আনার আহ্বান জানান মার্ক কার্নি।

অন্যদিকে, ইরানে এই হামলার স্বপক্ষে বাইডেন প্রশাসনের কোনো জোরালো যুক্তি নেই বলে দাবি করেছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য প্রমিলা জয়পাল। ইরান পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে আয়োজিত এক ব্রিফিং শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো বড় হুমকি তৈরি করছিল—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আইনপ্রণেতাদের দেওয়া হয়নি। ফলে এই হামলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এদিকে, এই সামরিক আগ্রাসনের ফলে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা 'হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি' (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে অন্তত ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। দিন দিন এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: