আমদানি-রপ্তানি সচল রাখতে ঈদের ছুটিতে এনবিআরের নির্দেশনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১৩:৩৮:০৩
আমদানি-রপ্তানি সচল রাখতে ঈদের ছুটিতে এনবিআরের নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্য নিয়ে কাস্টমস হাউসগুলোর কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের ছুটির সময়ও নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম চলমান থাকবে, তবে ঈদের দিন শুল্ক স্টেশনগুলো বন্ধ থাকবে।

সোমবার জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কাস্টমস নীতি) রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাস্টমস হাউস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কার্যক্রম সচল রাখা এবং আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া যাতে ব্যাহত না হয়, সে কারণে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) সাপ্তাহিক ছুটি ও ঈদের সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও সীমিত আকারে কাস্টমস কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা নিতে হবে।

এনবিআর মনে করছে, ঈদের সময় দীর্ঘ ছুটির কারণে যদি কাস্টমস কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকে, তাহলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্থবিরতা সৃষ্টি হতে পারে। এতে ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাস, শিপমেন্ট এবং সরবরাহ চেইন ব্যবস্থাপনায় সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তাই বাণিজ্য প্রবাহ অব্যাহত রাখতে এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনা দেশের প্রধান কাস্টমস হাউসগুলোর কমিশনারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বেনাপোল কাস্টম হাউস, আইসিডি কমলাপুর, মোংলা কাস্টম হাউস এবং পানগাঁও কাস্টম হাউস।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটগুলোকেও একই ধরনের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা (উত্তর), ঢাকা (পশ্চিম), ঢাকা (পূর্ব), ঢাকা (দক্ষিণ), চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর, খুলনা, সিলেট, রংপুর ও কুমিল্লা কমিশনারেট উল্লেখযোগ্য।

বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মূলত বন্দর ও কাস্টমস হাউসের ওপর নির্ভরশীল। ফলে দীর্ঘ ছুটির সময় এসব কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকলে পণ্য খালাসে বিলম্ব হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতা তৈরি হয়। এনবিআরের এই উদ্যোগ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

-রাফসান


বঙ্গভবনে তোড়জোড়: স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ২১:২৫:৪১
বঙ্গভবনে তোড়জোড়: স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
ছবি : সংগৃহীত

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, আগামীকাল দুপুর নাগাদ জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট তিনি তার পদত্যাগপত্র পাঠাবেন।

অন্য একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শারীরিক স্বাস্থ্যগত জটিলতার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে পদত্যাগের এই প্রক্রিয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল কোনো পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পদত্যাগ সংক্রান্ত প্রশ্নকে 'বিব্রতকর' আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, "দেখতে পাবেন..."।

সম্প্রতি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ওঠা গুঞ্জনও নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সুস্থ মস্তিস্কের কোনো মানুষ এ ধরনের কথা বলতে পারে না।"

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও যোগ করেন, "আমি সে সময় অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। ফলে এই গুঞ্জন পুরোপুরি বানোয়াট ও কল্পিত ছাড়া আর কিছুই নয়।"

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবরের মধ্যেই সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসাসেবা নেওয়ার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক গিয়েছিলেন তিনি। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই (রোববার) তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও জরুরি ভিত্তিতে শুক্রবারই তিনি ফিরে আসছেন।

সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, নির্ধারিত সূচি বদলে শুক্রবারই ঢাকায় পৌঁছাবেন স্পিকার।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারকে সম্বোধন করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্র প্রদানের মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারেন।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধানমতে, রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে কিংবা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সেই নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সরে দাঁড়ালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

তবে স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলালেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ খালি হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের ভেতর জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রী ও বিদায়ী নৌপ্রধানের হাত থেকে র‍্যাংক ব্যাজ পরলেন নতুন নৌপ্রধান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ২০:৩১:১৪
প্রধানমন্ত্রী ও বিদায়ী নৌপ্রধানের হাত থেকে র‍্যাংক ব্যাজ পরলেন নতুন নৌপ্রধান
ছবি : সংগৃহীত

প্রদত্ত সংবাদটিতে প্রধানমন্ত্রী এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধানের নামে তথ্যগত গরমিল রয়েছে। বর্তমানে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান ছিলেন এডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। তবে আপনার দেওয়া সংবাদের সম্পূর্ণ তথ্য ও গঠন ঠিক রেখে নিচে পেশাদার বাংলা সংবাদ হিসেবে পুনর্লিখন করা হলো:

নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। তিনি বিদায়ী নৌপ্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান নবনিযুক্ত নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস এডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

ব্যাজ পরানো শেষে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় নৌপ্রধান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রত্যাশা করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, বিমান বাহিনী প্রধান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে বিকেলে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌপ্রধানের দায়িত্ব হস্তান্তর ও গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম কার্যালয়ে কমান্ড হস্তান্তর ও গ্রহণ বইতে স্বাক্ষর করেন। এর মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডের দায়িত্ব বুঝে নেন। হস্তান্তরের সময় নৌ সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভিতে বিশেষ কৃতিত্বের সঙ্গে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা ও সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

সুদীর্ঘ প্রায় চার দশকের কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণমূলক দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি চট্টগ্রাম ও ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, সাবমেরিন কমান্ডার এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া নৌ সদর দপ্তরে পরিচালক (নৌ অপারেশন্স) ও পরিচালক (নৌ পরিকল্পনা) পদসহ বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ ও ঘাঁটির অধিনায়ক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে তিনি লেবানন ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও প্রবাসী বাঙালিদের কল্যাণে তিনি বিশেষ অবদান রাখেন।

দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক (এনবিপি), নৌ-পারদর্শিতা পদক (এনপিপি), জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কারসহ একাধিক পদক ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ও সামরিক কৌশল বিষয়ে তাঁর বেশ কিছু গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নীতির আলোকেই নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। তিনি শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ডের মাধ্যমে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, গবেষণা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমের আধুনিকায়নের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীকে একটি বিশ্বস্ত ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শক্তিতে রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর।

/আশিক


কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানাতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ১৯:৩২:১২
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র বানাতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তর করতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বলবৎ থাকা ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধগুলো পুনর্বিবেচনা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের ওপর ভিত্তি করে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে বিদ্যমান আইনি ও নীতিগত সীমাবদ্ধতাগুলো নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের আইনি বিধিনিষেধ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কতটা বাধা সৃষ্টি করছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যেখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, সেখানে পর্যাপ্ত হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্রের উপস্থিতিও প্রয়োজনীয়। তবে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত রেখেই উন্নয়নের পথ উন্মুক্ত করতে হবে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাজ পরিবেশ রক্ষা করা হলেও এমন কোনো কঠোর নিয়ম থাকা ঠিক নয় যা এই সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে। বিশ্বমানের অবকাঠামো তৈরিতে আন্তর্জাতিক মডেল অনুসরণ করার ওপর জোর দেন তিনি।

দেশের সীমিত ভৌগোলিক আয়তনের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ণের কোনো বিকল্প নেই। শিল্পাঞ্চল, কৃষিজমি ও জলাধার বাঁচিয়ে রাখতে বহুতল বা ভার্টিক্যাল ভবন নির্মাণকে উৎসাহিত করতে হবে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পর্যটন নগরীগুলোও বহুতল ভবন ও আধুনিক নগর পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে।

কক্সবাজার কেন্দ্রিক সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে, রেল সংযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। এসব অবকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে কক্সবাজারকে একটি ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপ দেওয়া হবে। আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে লক্ষ্য রয়েছে, তা অর্জনে কক্সবাজার একটি মূল প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

একই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থমন্ত্রীকে। অঞ্চলটির সার্বিক ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হবে, যা কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন এবং বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা নির্ধারণ, মেরিন ড্রাইভ ও উপকূলীয় বিধিনিষেধ সংস্কারের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়া কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নিরবচ্ছিন্ন নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন ও পানি শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি পুরোদমে চালু হলে অঞ্চলটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বারে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

/আশিক


শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন ফোনালাপের খেসারত? পদত্যাগের চাপে রাষ্ট্রপতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ১৮:১৭:১৩
শেখ হাসিনার সঙ্গে গোপন ফোনালাপের খেসারত? পদত্যাগের চাপে রাষ্ট্রপতি
ছবি : সংগৃহীত

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা না-থাকা নিয়ে রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়। সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার তাঁর কাছেই শপথ গ্রহণ করে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তীতে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাঁর অপসারণ দাবি করলেও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় বিএনপি শুরু থেকেই তাঁকে পদে রাখার পক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিল।

তবে এবার বঙ্গভবনের নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতেই বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে পদত্যাগের বিষয়ে বার্তা বা মৌখিক অনুরোধ জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। বঙ্গভবনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, শুক্রবার দুপুর নাগাদ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করে তা স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বেশ কিছু দিন ধরেই গুরুতর স্নায়ুবিষয়ক (Neurological) জটিলতায় ভুগছেন। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করানো সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্টে বেশ কিছু জটিলতা দেখা গেছে। পদত্যাগের আইনি প্রক্রিয়া শেষেই উন্নত চিকিৎসার তাগিদে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে তাঁর সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।

তবে এই পদত্যাগের পেছনে শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি এক গোপন ফোনালাপের গুঞ্জনও প্রভাব ফেলেছে বলে দেশের একাধিক মূলধারার গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। খবরে বলা হয়, চলতি বছরের ৯ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির লন্ডন সফরকালে তিনি ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সাথে একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাত ধরে এই ফোনালাপের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই মূলত সরকার থেকে তাঁকে সরে দাঁড়ানোর কড়া বার্তা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের উদ্দেশ্যে লিখিত স্বহস্তে স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত (সর্বোচ্চ ৯০ দিন) জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

/আশিক


দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণে চিঠি পাঠালেন নরেন্দ্র মোদি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ১৮:০৭:২৩
দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণে চিঠি পাঠালেন নরেন্দ্র মোদি
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, ভারতের পক্ষ থেকে আসা চিঠিটি প্রয়োজনীয় পর্যালোচনার জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কূটনৈতিক বার্তাটি তুলে ধরেন।

আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে আন্তর্জাতিক জোট ‘ব্রিকস’-এর ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সাধারণত ১১ সদস্য রাষ্ট্রের এই বিশেষ বৈশ্বিক জোটে আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত তাদের পছন্দের বিভিন্ন মিত্র রাষ্ট্রপ্রধানদের বিশেষ অতিথি (Special Guest) হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এই মেগা সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানালেন নরেন্দ্র মোদি।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, “ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্রটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে পৌঁছেছে। আমরা তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।”

অন্যদিকে, উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের মধ্যে গোপন ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন ও চটুল খবরের বিষয়েও কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ স্পষ্টভাবে বলেন, “এই তথাকথিত ফোনালাপের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট বা নির্ভরযোগ্য আনুষ্ঠানিক খবর পৌঁছায়নি। তবে গুঞ্জনটি যদি কোনোভাবে সত্যি হয়ে থাকে, তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের উর্ধ্বতন দপ্তর অবশ্যই তা খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত চালাবে।”

একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আসন্ন ঢাকা সফর নিয়ে ইতিবাচক আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের সাথে বাংলাদেশের বহু পাক্ষিক ও কৌশলগত বাণিজ্য সম্পর্কের জায়গা রয়েছে। মার্কিন দূতের এই সফরের মধ্য দিয়ে দুদেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক, ট্রেড ডিপ্লোমেসি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন এক মাত্রা লাভ করবে এবং বিষয়গুলো আলোচনার টেবিলে প্রাধান্য পাবে।

/আশিক


চীন, রাশিয়া ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ম্যানিলায় বাংলাদেশের বৈঠকের ঝড়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ২১:০৪:২৩
চীন, রাশিয়া ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ম্যানিলায় বাংলাদেশের বৈঠকের ঝড়
ছবি : সংগৃহীত

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী (সেক্রেটারি অব স্টেট) মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলাদা আলাদা দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকগুলোতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান যে, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ (সবার আগে বাংলাদেশ) নীতিই হবে বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনার মূল দিকনির্দেশক।

বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের সাইডলাইনে এসব দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকগুলোতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা বিস্তৃত ক্ষেত্র নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকে যৌথভাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’ আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়। এতে মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন, মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট করিডোর, বিনিয়োগ ও জ্বালানি সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। দুই দেশই যৌথভাবে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেয়।

একই দিন বিকেলে মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ঢাকা-ওয়াশিংটন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার নানা দিক নিয়ে কথা হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মার্কো রুবিও-কে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত ৩৩তম এআরএফ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলন এবং ‘ট্রিটি অব অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন সাউথইস্ট এশিয়া’-র ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

/আশিক


বেসরকারি হজে কত খরচ? প্রকাশ হলো ৩ প্যাকেজ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ১২:৫১:৫৯
বেসরকারি হজে কত খরচ? প্রকাশ হলো ৩ প্যাকেজ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৭ সালের হজ মৌসুমকে সামনে রেখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা, আর সর্বোচ্চ বিশেষ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় সংগঠনের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদারসহ হাবের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সাধারণ হজযাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। তুলনামূলক উন্নত সুবিধাসম্পন্ন দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য রাখা হয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮০ টাকা। অন্যদিকে উন্নত আবাসন ও অতিরিক্ত সেবাসুবিধা বিবেচনায় বিশেষ (স্পেশাল) হজ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা।

হাব জানিয়েছে, সৌদি আরবে আবাসনের অবস্থান, সেবার মান, পরিবহন ব্যবস্থা, অবস্থানকাল এবং অন্যান্য লজিস্টিক সুবিধার ভিত্তিতে প্যাকেজগুলোর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোন প্যাকেজে কী ধরনের আবাসন ও অতিরিক্ত সুবিধা থাকবে, সে বিষয়ে পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সিগুলো বিস্তারিত তথ্য হজযাত্রীদের জানাবে।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজের দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ-১-এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)-এর মূল্য রাখা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।

সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঘোষিত প্যাকেজগুলোর মধ্যে খরচ ও সেবার ধরনে কিছু পার্থক্য থাকলেও উভয় ক্ষেত্রেই সৌদি আরবের নির্ধারিত হজ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগ্রহী হজযাত্রীরা নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা, আবাসন সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় সেবার ধরন বিবেচনা করে প্যাকেজ নির্বাচন করতে পারবেন।

হজ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর নিবন্ধন, কিস্তি পরিশোধ, প্রশিক্ষণ, ভিসা প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়সূচি পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে। তাই হজে আগ্রহীদের সরকারি ঘোষণা এবং অনুমোদিত হজ এজেন্সির নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রাফসান


তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু একনেক সভা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ১১:১৩:২২
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু একনেক সভা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সরকারি বিনিয়োগ কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বৈঠক জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শুরু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সভা শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্প, চলমান কর্মসূচির অগ্রগতি, নতুন প্রকল্পের অনুমোদন এবং সরকারি বিনিয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

একনেক সভা দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়। সাধারণত এসব বৈঠকে অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় সরকার, পানি সম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য খাতের প্রকল্প অনুমোদন, সংশোধন বা ব্যয় বৃদ্ধি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

-রফিক


মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর, স্মৃতিতে আজও রক্তাক্ত ২১ জুলাই

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২১ ১০:১৬:৫৬
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর, স্মৃতিতে আজও রক্তাক্ত ২১ জুলাই
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো আজ, মঙ্গলবার (২১ জুলাই)। গত বছরের এই দিনটি মুহূর্তের মধ্যে একটি প্রাণবন্ত শিক্ষাঙ্গনকে পরিণত করেছিল ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্থানে। এক বছরের ব্যবধানে সময় এগিয়ে গেলেও সেই দুর্ঘটনার স্মৃতি, হারানোর বেদনা এবং বেঁচে ফেরা মানুষের শারীরিক ও মানসিক ক্ষত এখনো রয়ে গেছে গভীরভাবে।

দুর্ঘটনায় বিমানটির পাইলট, একজন শিক্ষিকা এবং ২৮ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৬ জন প্রাণ হারান। এছাড়া বহু শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী আহত হন। আহতদের রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর দগ্ধদের চিকিৎসা চলে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। অনেকেই দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন, তবে তাদের শরীরে এখনো পোড়া ক্ষতের চিহ্ন এবং মনে সেই বিভীষিকাময় দিনের স্মৃতি বহন করে চলেছেন।

ঘটনার পর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। প্রায় তিন মাসের তদন্ত শেষে কমিশন ১৫০ জনের সাক্ষ্য, ১৬৮টি তথ্য-উপাত্ত এবং বিভিন্ন কারিগরি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। প্রতিবেদনে ৩৩ দফা সুপারিশ সংযুক্ত করে তা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেওয়া হয়।

তদন্তে উল্লেখ করা হয়, প্রশিক্ষণ উড্ডয়নের সময় সৃষ্ট কারিগরি ও উড্ডয়নজনিত জটিলতার কারণে পরিস্থিতি পাইলটের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এর ফলেই বিমানটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিধ্বস্ত হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে কমিশন ঢাকার বাইরে বিমানবাহিনীর প্রাথমিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার সুপারিশ করে। পাশাপাশি বরিশাল ও বগুড়া বিমানঘাঁটির রানওয়ে সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নের পরামর্শও দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে ভবন নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ উঠে আসে। তদন্তকারীরা উল্লেখ করেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটি রাজউকের বিল্ডিং কোড পুরোপুরি অনুসরণ করে নির্মিত হয়নি। বিশেষ করে জরুরি নির্গমনের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সিঁড়ি না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী দ্রুত বের হতে পারেননি, যা হতাহতের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিলেন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাভিদ নাওয়াজ দীপ্ত। তাঁর শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। টানা ৯৭ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় তাঁর ৩৬টি অস্ত্রোপচার এবং আটবার স্কিন গ্রাফটিং করা হয়। চিকিৎসকদের দীর্ঘ প্রচেষ্টা এবং পরিবারের মানসিক শক্তির ফলে তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে সক্ষম হন। তাঁর চিকিৎসার দীর্ঘ পথচলা এই ট্র্যাজেডির মানবিক সংগ্রামের অন্যতম প্রতীক হয়ে রয়েছে।

দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় কয়েকজন নিহতের মরদেহ এতটাই পুড়ে যায় যে প্রথমে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। এই প্রক্রিয়া নিহত পরিবারগুলোর জন্য ছিল বেদনাময় হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ দুই দিনের স্মরণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সোমবার দোয়া মাহফিল এবং নিহতদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়। আজ ট্র্যাজেডির দিনটিকে স্মরণ করে প্রতিষ্ঠানের সব শাখায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

উত্তরার দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে আজ নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন, এক মিনিট নীরবতা, দোয়া মাহফিল এবং বিভিন্ন স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং গার্লস গাইডের সদস্যরা অংশ নেবেন।

এক বছর পরও ২১ জুলাই শুধু একটি দুর্ঘটনার তারিখ নয়; এটি অসংখ্য পরিবারের জন্য অপূরণীয় শোক, আহতদের জন্য দীর্ঘ পুনর্বাসনের স্মৃতি এবং দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জননিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ট্র্যাজেডি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে বিমান প্রশিক্ষণ, নগর পরিকল্পনা, ভবন নিরাপত্তা এবং জরুরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই হবে নিহতদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

-রফিক

পাঠকের মতামত: