শীত শেষ হলেও খুশকির যন্ত্রণায় নাজেহাল? ঘরোয়া এই ৫টি উপায়েই মিলবে মুক্তি

সাধারণত শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে যাওয়ায় মাথার ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে ওঠে, যার ফলে অনেকেরই খুশকির সমস্যা প্রকট হয়। অনেক সময় ছত্রাকজনিত সংক্রমণের কারণে শীত শেষ হলেও এই সমস্যা কমে না। যারা দীর্ঘকাল ধরে খুশকির যন্ত্রণায় ভুগছেন, তারা দামী কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার না করে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক সমাধান বেছে নিতে পারেন। নারকেল তেল, লেবুর রস, অ্যালোভেরা এবং অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের মতো উপাদান মাথার ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চুলকানি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর। নিয়মিত চুলের যত্নে এই প্রাকৃতিক পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে খুশকি থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
খুশকি দূর করতে হালকা গরম নারকেল তেল ও লেবুর রসের মিশ্রণ দারুণ কাজ করে। এর জন্য ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল হালকা গরম করে তাতে সমপরিমাণ লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। মিশ্রণটি ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেললে মাথার ত্বকের চুলকানি কমার পাশাপাশি খুশকি দ্রুত দূর হয়। এছাড়া অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ব্যবহারের মাধ্যমেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সমপরিমাণ পানি ও ভিনেগার মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে শ্যাম্পু করার পর চুলে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে মাথার ত্বকের অম্লতা ও ক্ষারের ভারসাম্য ঠিক থাকে।
মাথার ত্বকের জ্বালাপোড়া ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সরাসরি অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। জেলটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে ত্বক শীতল ও ময়েশ্চারাইজড থাকে। দীর্ঘস্থায়ী খুশকির জন্য মেথি ও দইয়ের প্যাক অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদ্ধতি। মেথি সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে বেটে পেস্ট তৈরি করে তার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে চুলে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেললে চুলের গোড়া মজবুত হয় ও খুশকি পরিষ্কার হয়। এছাড়া নিয়মিত শ্যাম্পুর সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে চুল পরিষ্কার করলে ছত্রাকজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
চুলের সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘরোয়া প্যাকের পাশাপাশি কিছু জরুরি টিপস অনুসরণ করা প্রয়োজন। চুল সর্বদা পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় জিঙ্ক, ভিটামিন বি এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার রাখা জরুরি যা ভেতর থেকে ত্বকের পুষ্টি নিশ্চিত করে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ খুশকি বাড়িয়ে তোলে, তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি চুলের জেল বা হেয়ার স্প্রে ব্যবহার কমিয়ে দিলে খুশকির প্রকোপ থেকে বাঁচা সহজ হয়।
/আশিক
এক মাস আগেই সংকেত দেয় শরীর! স্ট্রোকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন
স্ট্রোক একটি প্রাণঘাতী সমস্যা হলেও অনেক সময় আমাদের শরীর এক মাস আগেই কিছু ছোট ছোট সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। চিকিৎসকদের মতে, এই লক্ষণগুলো শুরুতে শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যুঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
স্ট্রোকের আগে শরীর যে সব সংকেত দেয়
১. হঠাৎ মাথা ঘোরা এবং শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা।
২. হাঁটার সময় বারবার হোঁচট খাওয়া বা পা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা।
৩. চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা অথবা কানে অস্বাভাবিক ভোঁ ভোঁ শব্দ শোনা।
৪. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া, যা সাধারণ ওষুধে সারে না এবং সাথে বমি ভাব থাকতে পারে।
৫. হাত বা পায়ের এক পাশে হঠাৎ দুর্বলতা বা অসাড়তা অনুভব করা।
মিনি স্ট্রোক: বড় বিপদের আগাম বার্তা
অনেক সময় স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কয়েক মিনিটের জন্য দেখা দিয়ে আবার নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘মিনি স্ট্রোক’। এটি মূলত ভবিষ্যতে বড় কোনো স্ট্রোকের স্পষ্ট সংকেত। এক্ষেত্রে মুখ, হাত বা পায়ের একপাশ অবশ হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা চোখের সামনে অন্ধকার দেখার মতো সমস্যা দেখা দেয়। লক্ষণগুলো সেরে গেলেও একে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
স্ট্রোক প্রতিরোধে যা করবেন
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এছাড়া লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা, প্রতিদিন নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং ধূমপান বর্জন করার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
তপ্ত গরমেও চুল থাকবে রেশমি ও ঝলমলে! জেনে নিন ৫টি সহজ টিপস
গরমে ত্বকের পাশাপাশি চুলের অবস্থাও নাজেহাল হয়ে পড়ে। প্রখর রোদ, ঘাম আর ধুলাবালির প্রভাবে চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, খুশকি বা অতিরিক্ত চুল পড়ার মতো সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। তবে একটু সচেতন হয়ে সঠিক উপায়ে যত্ন নিলে এই তপ্ত গরমেও আপনার চুল থাকবে সুস্থ, ঝলমলে ও প্রাণবন্ত।
চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। গরমে মাথার ত্বক বেশি ঘামে বলে ময়লা দ্রুত জমে, তাই সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত।
পাশাপাশি চুলের পুষ্টির জন্য সপ্তাহে ১-২ বার নারকেল বা অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করলে চুল নরম ও মজবুত হয়।
এছাড়া এই সময়ে হেয়ার ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনারের মতো হিট স্টাইলিং টুলস এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ অতিরিক্ত তাপ চুলের রুক্ষতা বাড়িয়ে দেয়।
চুলের বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ পুষ্টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন—মাছ, ডিম ও শাকসবজি চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
এছাড়া সপ্তাহে একদিন ডিম, দই বা অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলে চুল প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। রোদে বের হওয়ার সময় ছাতা বা স্কার্ফ ব্যবহার করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে চুল সুরক্ষিত রাখলে গরমেও চুল থাকবে উজ্জ্বল।
সূত্র : এনডিটিভি
কেন খাবেন পান্তা ভাত? জেনে নিন বৈশাখী এই খাবারের বিস্ময়কর উপকারিতা
পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশের আমেজ। সারা বছর খুব একটা খাওয়া না হলেও বছরের প্রথম দিনটিতে পান্তা ভাত বাঙালির পাত পেড়ে খাওয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে পান্তা ভাত কেবল লোকজ ঐতিহ্যই নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের দারুণ সব স্বাস্থ্যগুণ। দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজে থাকায় ভাতের পুষ্টিগুণ বহুগুণ বেড়ে যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পান্তা ভাত প্রিবায়োটিক এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা অন্ত্রের সংক্রমণ রোধ করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ভাতের পানিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পদার্থ শরীরকে সতেজ রাখে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে বৈশাখের এই প্রখর গরমে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে পান্তা ভাতের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকা ল্যাকটিক এসিড অনিদ্রা দূর করে এবং শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে। যারা কোলেস্টেরল কমানোর চিন্তায় থাকেন, তাদের জন্য পান্তা ভাত একটি আদর্শ খাবার হতে পারে।
পান্তা ভাত তৈরি করাও অত্যন্ত সহজ। আগের রাতের রান্না করা ভাতে পানি দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখলেই সকালে তা খাওয়ার উপযুক্ত হয়। পান্তার সঙ্গে একটু লবণ, পোড়া মরিচ, ডিম ভাজা কিংবা পছন্দের ভর্তা ও মাছ ভাজা থাকলে পহেলা বৈশাখের খাবারের তৃপ্তি ষোলো আনা পূর্ণ হয়।
/আশিক
কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
কফিশপ বা জনাকীর্ণ পার্কের বদলে জেন-জি (Gen-Z) তরুণ-তরুণীদের ডেটিংয়ের জন্য কবরস্থানকে বেছে নেওয়া শুনতে কিছুটা অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ‘ইন্ডিয়া টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে এই নতুন ও সিনেমাটিক ট্রেন্ডের পেছনের চমকপ্রদ কারণগুলো উঠে এসেছে। কোলাহলমুক্ত পরিবেশ এবং গভীর আলাপচারিতার সুযোগ থাকায় এটি এখন জেন-জি প্রজন্মের কাছে নতুন এক রোমান্টিক আবহে পরিণত হচ্ছে।
মূলত শহরজুড়ে ক্যাফে বা রেস্তোরাঁগুলোতে এখন তিল ধারণের জায়গা থাকে না, থাকে মানুষের কৌতূহলী নজর। এর বিপরীতে কবরস্থান দেয় নিঝুম শান্তি এবং পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এখানে নেই কোনো প্রমাণের চাপ বা অস্বস্তিকর নজরদারি, ফলে যুগলরা নির্ভার হয়ে একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারেন।
পুরোনো পাথরের সমাধি আর বড় বড় গাছের ছায়ায় ঘেরা এই নীরব বিষণ্ন পরিবেশটি তাঁদের কাছে হয়ে ওঠে দারুণ ‘নান্দনিক’ বা সিনেমাটিক। অনেকটা ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’ সিনেমার সেই দৃশ্যের মতো, যা তাঁদের নিজেদের গল্পের ‘মেইন ক্যারেক্টার’ বা প্রধান চরিত্র হিসেবে অনুভব করতে সাহায্য করে।
এই ট্রেন্ডের পেছনের মনস্তাত্ত্বিক দিকটি হলো—মৃত্যুর স্মৃতিঘেরা এমন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবেই অগভীর বা অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা কম হয়। বরং মানুষ অবলীলায় জীবন, অস্তিত্ব এবং সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে আলোচনা শুরু করে।
ফলে সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত ও বাস্তব হয়ে ওঠে। যেখানে চারপাশে শুধু শব্দ আর ব্যস্ততা, সেখানে এই নীরবতাকেই সবচেয়ে বড় বিলাসিতা হিসেবে দেখছে বর্তমান প্রজন্ম। ভৌতিক বা অদ্ভুত লাগলেও জেন-জিদের কাছে এটিই এখন ঘনিষ্ঠতার এক নতুন সংজ্ঞা।
/আশিক
ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করেও বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫টি জাদুকরী উপায়
বর্তমানে গ্যাস সংকটের কারণে অনেকেই রান্নার বিকল্প হিসেবে ইন্ডাকশন চুলার দিকে ঝুঁকছেন। তবে মাস শেষে চড়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তাও কম নয়। রান্নার পদ্ধতিতে সামান্য কিছু কৌশল অবলম্বন করলে ইন্ডাকশন চুলায় বিদ্যুতের খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাঁচটি পরিবর্তন আপনার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে
সঠিক বাসনের ব্যবহার
ইন্ডাকশন চুলা মূলত তড়িৎ-চৌম্বকীয় (Electromagnetic) ক্ষেত্রের মাধ্যমে কাজ করে। তাই রান্নার জন্য সবসময় কাস্ট আয়রন বা ম্যাগনেটিক স্টেইনলেস স্টিলের ফ্ল্যাট বা সমান তলা বিশিষ্ট বাসন ব্যবহার করুন। বাসনের তলা যদি অসমান বা আঁকাবাঁকা হয়, তবে শক্তি আদান-প্রদান ব্যাহত হয় এবং প্রচুর বিদ্যুতের অপচয় ঘটে।
রান্নার আগে প্রস্তুতি ও ভেজানো
রান্না শুরু করার অন্তত ৩০ মিনিট আগে চাল, ডাল বা যেকোনো শস্য পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে দানাগুলো আগে থেকেই নরম হয়ে যায় এবং ইন্ডাকশনে বসানোর পর খুব দ্রুত সেদ্ধ হয়। কম সময় চুলা চললে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুতের ইউনিট কম পুড়বে।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ঢেকে রান্না
ইন্ডাকশন চুলা খুব দ্রুত গরম হয়, তাই সবসময় 'ফুল পাওয়ার'-এ রান্না করার প্রয়োজন নেই। পানি ফুটে গেলে বা কড়াই গরম হয়ে গেলে পাওয়ার কমিয়ে দিন। এছাড়া রান্নার সময় সবসময় ঢাকনা ব্যবহার করুন। এতে তাপ ভেতরে আটকে থাকে এবং খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়, ফলে কয়েলকে অতিরিক্ত শক্তি খরচ করতে হয় না।
পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্ট সুইচিং
ইন্ডাকশনের গ্লাস-সেরামিক উপরিভাগ সবসময় পরিষ্কার রাখুন। ময়লা বা পোড়া খাবারের স্তর থাকলে কয়েল এবং বাসনের মধ্যে চৌম্বকীয় শক্তি স্থানান্তরে বাধা সৃষ্টি হয়। এছাড়া রান্না পুরোপুরি শেষ হওয়ার ২-৩ মিনিট আগেই সুইচ বন্ধ করে দিন। বাসনের তলায় যে অবশিষ্ট তাপ থাকে, তা দিয়েই রান্নার শেষ অংশটুকু সম্পন্ন করা সম্ভব।
সচেতনভাবে এই নিয়মগুলো মেনে চললে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করেও আপনি আপনার বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।
/আশিক
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তা? মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল কমানোর সহজ উপায়
গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বাসা-বাড়িতে ফ্যান, এসি এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক ডিভাইসের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই। গ্রীষ্মকালে ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং কিছু অসতর্কতার কারণে বিদ্যুৎ খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তবে কিছু সহজ ও সচেতন পদক্ষেপ নিলে এই বাড়তি বিল অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বিশেষ করে এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির বদলে ২৪–২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখলে প্রতি ১ ডিগ্রি বাড়ার জন্য প্রায় ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায়। এর পাশাপাশি এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং সাথে ফ্যান ব্যবহার করলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় ও এসির ওপর চাপ কম পড়ে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখাও বেশ কার্যকর; দিনের বেলা জানালার পর্দা টেনে রাখলে ঘরে তাপ কম ঢোকে এবং বিকেলে বাতাস চলাচলের সুযোগ দিলে ঘর স্বাভাবিকভাবেই শীতল থাকে।
এছাড়া টিভি, চার্জার বা মাইক্রোওয়েভের মতো ডিভাইসগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে কাজ শেষে প্লাগ খুলে রাখলে অপ্রয়োজনীয় অপচয় রোধ করা যায়।
ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেটি দেয়াল থেকে কিছুটা দূরে রাখা, গরম খাবার সরাসরি ভেতরে না দেওয়া এবং ‘সামার মোড’ ব্যবহার করা জরুরি।
ফিলামেন্ট বা টিউবলাইটের পরিবর্তে এলইডি বাতি ব্যবহার করলে কম শক্তিতে বেশি আলো পাওয়া সম্ভব। ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করলেই মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলে বড় ধরনের সাশ্রয় করা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
/আশিক
গরমে ঘামাচির জ্বালায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন নিমিষেই মুক্তির ৯টি ঘরোয়া উপায়
গরম বাড়ার সাথে সাথেই ত্বকের অন্যতম যন্ত্রণদায়ক সমস্যা হিসেবে দেখা দেয় ঘামাচি, র্যাশ এবং চুলকানি। অতিরিক্ত গরমে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে এই সমস্যা তৈরি হয়, যা শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাইকেই অস্বস্তিতে ফেলে। বিশেষ করে ঘামাচির জায়গায় জামা-কাপড়ের ঘর্ষণ লাগলে জ্বালাপোড়া আরও বেড়ে যায়। এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু কার্যকর সমাধান মেনে চলতে পারেন:
ঘামাচি ও র্যাশ দূর করার ৯টি ঘরোয়া উপায়
১. একটি পরিষ্কার শুকনো কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে ঘামাচির ওপর ১০-১৫ মিনিট ধরে হালকা করে লাগান। এটি নতুন করে ঘাম বসতে দেবে না। দিনে ৩-৪ বার এটি করলে দ্রুত আরাম পাবেন।
২.নিম পাতা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক হিসেবে কাজ করে। নিম পাতার রসের সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে ঘামাচি ও চুলকানি দুই-ই কমে।
৩. বাইরে বের হন বা না হন, সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। ঘাম জমতে না দিলে ঘামাচির ভয় থাকে না।
৪. ঘামাচি তাড়াতে অ্যালোভেরা জেল জাদুর মতো কাজ করে। শুধু অ্যালোভেরার রস অথবা এর সঙ্গে সামান্য কাঁচা হলুদ মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। হলুদের অ্যান্টি-সেপটিক গুণ ত্বককে সুস্থ রাখবে।
৫. এক কাপ ঠান্ডা পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার কাপড় সেই পানিতে ভিজিয়ে ঘামাচির ওপর ১০-১৫ মিনিট আলতো করে মুছে নিন। এতে ত্বকের ঘাম বসে যাওয়া বন্ধ হবে।
৬. গরমে সবসময় হালকা রঙের সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হবে এবং বাতাস চলাচলের ফলে ত্বক সুস্থ থাকবে।
৭. ঘামাচি হলে নখ দিয়ে চুলকানো এড়িয়ে চলুন। চুলকানি কমাতে অ্যালোভেরা, নিম পাতা বা পাতিলেবুর রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে ত্বকে লাগাতে পারেন।
৮. ঘামাচি হলে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো। পাউডার রোমকূপের মুখ বন্ধ করে দিয়ে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৯. শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন।
/আশিক
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামের কারণে শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হওয়া একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা, যা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্গন্ধের মূল কারণ ঘাম নিজে নয়; বরং ত্বকের ওপর থাকা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে ঘামের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলেই এই গন্ধ সৃষ্টি হয়।
দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এই সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকে থাকা জীবাণুর সংখ্যা কমে যায়, ফলে দুর্গন্ধের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। গোসলের পর শরীর সম্পূর্ণ শুকনো রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আর্দ্র পরিবেশ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।
অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ও ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পার্থক্য বোঝা জরুরি। অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট মূলত ঘাম উৎপাদন কমায়, আর ডিওডোরেন্ট দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এবং সাধারণ দুর্গন্ধের ক্ষেত্রে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার কার্যকর হতে পারে।
পোশাক নির্বাচনও এই সমস্যার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুতি, লিনেন বা সিল্কের মতো প্রাকৃতিক তন্তুর কাপড় বাতাস চলাচল সহজ করে এবং ঘাম দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। বিপরীতে সিন্থেটিক কাপড় ঘাম আটকে রেখে দুর্গন্ধ বাড়াতে পারে।
ঘরোয়া পদ্ধতিতেও ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বেকিং সোডা ত্বকের আর্দ্রতা শোষণ করে এবং ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রম কমাতে সহায়তা করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। একইভাবে ভিনেগার জীবাণু ধ্বংসে কার্যকর এবং নিমপাতা ত্বকের টক্সিন দূর করতে সহায়ক।
বগলের লোম পরিষ্কার রাখা দুর্গন্ধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ লোমে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার সহজ হয়। এছাড়া নিয়মিত পোশাক পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজনে ভিনেগার বা বেকিং সোডা মিশ্রিত পানিতে কাপড় ভিজিয়ে ধোয়া দুর্গন্ধ দূর করতে কার্যকর।
খাদ্যাভ্যাসও শরীরের গন্ধে প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, পেঁয়াজ, রসুন এবং লাল মাংস খাওয়ার ফলে শরীরের গন্ধ তীব্র হতে পারে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের টক্সিন বের করতে সহায়তা করে এবং দুর্গন্ধ কমায়।
তবে যদি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করার পরও সমস্যা থেকে যায়, তাহলে তা কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সামগ্রিকভাবে, ঘামের দুর্গন্ধ একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সমস্যা, যা সঠিক পরিচ্ছন্নতা, উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজনীয় যত্নের মাধ্যমে সহজেই কমানো সম্ভব।
মাথা ব্যথায় অস্থির? জেনে নিন হুটহাট যন্ত্রণা বাড়ার আসল কারণ
মাথা ব্যথাকে আমরা অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যাই, কিন্তু এটি যখন অসহ্য হয়ে দাঁড়ায় তখন দৈনন্দিন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনিয়মিত জীবনযাপন এবং ছোটখাটো কিছু অসতর্কতাই মূলত হুটহাট মাথার যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে দায়ী।
তীব্র আলো, বিকট শব্দ কিংবা দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা মাথা ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়, যা সরাসরি মাথায় চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া যাদের মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য রোদ একটি বড় শত্রু। রোদে বের হলে বা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। সর্দি বা কফ জমার ধাত থাকলেও মাথা ভার হয়ে ব্যথা হতে পারে।
মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু নিয়ম মানা জরুরি। ব্যথা শুরু হলে কোনো শান্ত ও অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। এছাড়া সময়মতো খাবার খাওয়া এবং বাইরে বের হওয়ার সময় রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা বা সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত। তবে মনে রাখবেন, ঘন ঘন মাথা ব্যথা হলে নিজে নিজে ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
সূত্র : এবিপি
পাঠকের মতামত:
- ২২ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২২ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন শর্ত
- ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের
- এক লাখ শিক্ষার্থী পাচ্ছে বিশেষ উপহার: জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বিতরণ
- এক মাস আগেই সংকেত দেয় শরীর! স্ট্রোকের লক্ষণগুলো চিনে রাখুন
- পুতিন-ট্রাম্প-নেতানিয়াহু: মানবাধিকারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকছেন কারা?
- হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠক: শেষ মুহূর্তে কেন মত বদলালেন ট্রাম্প?
- মোবাইল ডাটা আর নষ্ট হবে না! গ্রাহক স্বার্থে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার
- একদিকে দাবদাহ, অন্যদিকে বন্যার হানা! বৈশাখের শুরুতেই চরম সংকটে দেশ
- ফুরিয়ে যাচ্ছে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র! ইরান যুদ্ধে পেন্টাগনের ভাণ্ডারে টান
- দাবার চাল এবার ইরানের? জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিশালাকার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন
- আজ বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ! বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- টাকার জন্য প্রাণ গেল জমি বিক্রেতার! দেবিদ্বারে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
- কালী পূজার বাঁশ ফেরতকে কেন্দ্র করে হামলা; কালিগঞ্জে যুবক আহত, থানায় অভিযোগ
- আজকের ঢাকা: কোথায় কী কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- হঠাৎ সুর নরম ট্রাম্পের! অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ল ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সর্বশেষ আপডেট
- প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন থাবা: এবার তেলবাহী বিশাল জাহাজ জব্দ
- তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- তাসকিন-মোস্তাফিজ ছাড়াই নিউজিল্যান্ড বধের পরিকল্পনা! বিসিবির চমক জাগানিয়া স্কোয়াড
- বুধবারের আগেই যুদ্ধের দামামা? ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানে দোদুল্যমান মধ্যপ্রাচ্য শান্তি
- হরমুজের চাবিকাঠি কি তবে ইরানের হাতেই? মার্কিন নৌ-অবরোধের মাঝেই পাল্টে গেল দৃশ্যপট
- জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন
- সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট! দুর্নীতির রহস্য উম্মোচনে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
- বোমাবর্ষণের মানসিকতা নিয়েই এগোবো: ট্রাম্প
- বুধবার টানা ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- মার্কিন অবরোধ গুঁড়িয়ে ইরানি বন্দরে তেলের জাহাজ! সাগরে স্নায়ুযুদ্ধের নতুন মোড়
- বৈদেশিক ঋণের বোঝা কত? সংসদে ঋণের পাহাড়ের তথ্য দিলেন অর্থমন্ত্রী
- বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মসজিদ-গির্জা কিছুই বাদ যাচ্ছে না! সব ধর্ম অবমাননা করে প্রশ্নের মুখে ইসরায়েলি সেনারা
- অবরোধে ধ্বংস হচ্ছে ইরান, জয় আমাদেরই: ট্রাম্প
- বিএনপি জোট শরিকদের সাথে প্রতারণা করেছে: সারজিস আলম
- সন্ধ্যার আগেই বড় ঝড়ের আভাস! দেশের দুই অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের বিশেষ সতর্কতা
- ইসরায়েলি প্রভাবের খবর নাকচ! ইরানের বিষয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় ট্রাম্প
- টানা একদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়!
- ভোরের আলো ফুটতেই কাঁপল রাজধানীসহ সারাদেশ!
- সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- নামাজের সময়সূচি: ২১ এপ্রিল ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আপডেট জানুন
- যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখাবে ইরান: ট্রাম্পের চাপের মুখে গালিবাফের রহস্যময় পোস্ট
- লেবাননে যিশুর মূর্তি ভাঙচুর! উত্তাল মধ্যপ্রাচ্যে এবার ধর্মীয় আবেগে আঘাত
- আজই কি তবে বিশ্বশান্তির দিন? ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা ট্রাম্পের
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- তেলের দামে বড় পতন
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








