ঢাকার আজকের নামাজের সময়সূচি: ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার

ইসলামের পাঁচ রুকনের অন্যতম হলো নামাজ, যা ইমানের পর মুসলমানের জীবনে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। কোরআনে ৮২ বার সালাতের উল্লেখ নামাজের মর্যাদা ও তাৎপর্য স্পষ্ট করে। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা একজন মুসলমানের প্রধান দায়িত্ব।
আজ মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ (১৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বাংলা, ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪৭ হিজরি) উপলক্ষে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার পূর্ণাঙ্গ নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঢাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ফজরওয়াক্ত শুরু: ভোর ৫:০৬শেষ সময়: ভোর ৬:২৪আগামীকাল ফজর: ৫:০৫
জোহরওয়াক্ত শুরু: দুপুর ১১:৫১শেষ সময়: বিকেল ৩:৩৪
আসরওয়াক্ত শুরু: বিকেল ৩:৩৫শেষ সময়: বিকেল ৪:৫৩
মাগরিবওয়াক্ত শুরু: সন্ধ্যা ৫:১৪শেষ সময়: সন্ধ্যা ৬:৩২
ইশাওয়াক্ত শুরু: সন্ধ্যা ৬:৩৩শেষ সময়: রাত ৫:০১(তবে মধ্যরাতের আগেই ইশা আদায় করা উত্তম)
বিভাগভেদে সময় সমন্বয়
বিয়োগ করতে হবে:চট্টগ্রাম – ৫ মিনিটসিলেট – ৬ মিনিট
যোগ করতে হবে:
খুলনা – ৩ মিনিটরাজশাহী – ৭ মিনিটরংপুর – ৮ মিনিটবরিশাল – ১ মিনিট
আজকের সেহরি ও ইফতার
সেহরির শেষ সময়: ৫:০০ মিনিটইফতার: সন্ধ্যা ৫:১৪ মিনিট
নফল নামাজের উত্তম সময়
ইশরাক: ৬:৩৯–৮:২৬চাশত: ৮:২৭–১১:৪৪তাহাজ্জুদ: রাত ১০:০০–৫:০১(ইশার নামাজের পর থেকেই সময় শুরু হয়)
আজ তিন নিষিদ্ধ সময়
সূর্যোদয়: ৬:২৫–৬:৩৮
দুপুর: ১১:৪৫–১১:৫০
সূর্য ডোবার আগ মুহূর্ত: ৪:৫৪–৫:১০(তবে প্রয়োজনে আসরের কাজা এগুলোতে পড়া যাবে)
নামাজ শুধুই ইবাদত নয় এটি মানুষকে পবিত্রতা, নিয়মানুবর্তিতা ও স্রষ্টার প্রতি নিবেদনের চর্চায় ফেরায়। আজকের এই সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, ব্যস্ততার মাঝেও আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়াই প্রকৃত সাফল্য।
কোরআনে বর্ণিত মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আফসোস
মৃত্যু-পরবর্তী জীবনের বাস্তবতা কোরআনে বহু জায়গায় স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে মানুষের মুখে উচ্চারিত কিছু গভীর অনুশোচনা ও আর্তনাদ তুলে ধরা হয়েছে, যা দুনিয়ার জীবনে মানুষের ভুল সিদ্ধান্ত, অবহেলা ও গাফিলতির পরিণতি হিসেবে প্রকাশ পায়। কোরআনের এই বর্ণনাগুলো ভবিষ্যতের কোনো কল্পকাহিনি নয়; বরং জীবিত মানুষের জন্য সতর্কবার্তা ও আত্মসমালোচনার আয়না।
কোরআনের সূরা আন-নাবা-এর ৪০ নম্বর আয়াতে এক ভয়াবহ অনুশোচনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে কাফির ব্যক্তি বলবে, “হায়! আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।” এই আক্ষেপ মানুষের অস্তিত্ব নিয়েই গভীর হতাশার প্রতিফলন, যেখানে সে উপলব্ধি করবে যে দুনিয়ার জীবনে পাওয়া সুযোগগুলো সে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেনি।
পরবর্তী আফসোসটি উঠে এসেছে সূরা আল-ফজর-এর ২৪ নম্বর আয়াতে। সেখানে মানুষ বলবে, “হায়! যদি আমি আমার (পরকালের) জীবনের জন্য কিছু আগে পাঠাতাম।” এটি মূলত ইবাদত, নৈতিকতা ও সৎকর্মে অবহেলার স্বীকারোক্তি, যেখানে মানুষ বুঝতে পারবে যে দুনিয়ার সাময়িক অর্জন তাকে পরকালে কোনো উপকারে আসেনি।
সূরা আল-হাক্কাহ-এর ২৫ নম্বর আয়াতে আরেকটি তীব্র অনুশোচনার কথা বলা হয়েছে। সেদিন মানুষ বলবে, “হায়! আমাকে যদি আমার আমলনামা না দেওয়া হতো।” এই আফসোস প্রকাশ করে যে সে নিজেই জানত তার কর্মগুলো শাস্তিযোগ্য, তবুও সে নিজেকে সংশোধনের পথে আনেনি।
ভুল সঙ্গ নির্বাচনের পরিণতি নিয়ে কোরআন অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছে। সূরা আল-ফুরকান-এর ২৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মানুষ তখন বলবে, “হায়! আমি যদি অমুককে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম।” এখানে শয়তান ও কুপ্রবৃত্তির অনুসরণের ফলে মানুষ কীভাবে ধ্বংসের পথে যায়, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতার আফসোস উঠে এসেছে সূরা আল-আহযাব-এর ৬৬ নম্বর আয়াতে। সেখানে বলা হয়েছে, “হায়! আমরা যদি আল্লাহর আনুগত্য করতাম এবং রাসূলের আনুগত্য করতাম।” এটি ইসলামের মৌলিক নির্দেশনা অমান্য করার ভয়াবহ পরিণতির চূড়ান্ত স্বীকারোক্তি।
রাসূলের আদর্শ ও পথ অনুসরণ না করার অনুশোচনা আবারও উঠে এসেছে সূরা আল-ফুরকান-এর ২৭ নম্বর আয়াতে। সেখানে মানুষ বলবে, “হায়! আমি যদি রাসূলের সঙ্গে সঠিক পথ অবলম্বন করতাম।” এই আয়াত সুন্নাহ ও নৈতিক জীবনব্যবস্থাকে উপেক্ষা করার ফলাফল তুলে ধরে।
নেককারদের সঙ্গ ত্যাগ করার আক্ষেপের কথা বলা হয়েছে সূরা আন-নিসা-এর ৭৩ নম্বর আয়াতে। সেখানে মানুষ বলবে, “হায়! আমি যদি তাদের সঙ্গে থাকতাম, তাহলে আমি বিরাট সাফল্য অর্জন করতে পারতাম।” এটি ভালো মানুষের সাহচর্যের গুরুত্বকে কোরআনের ভাষায় সুস্পষ্ট করে।
তাওহিদ বিষয়ে অবহেলার গভীর অনুশোচনা উঠে এসেছে সূরা আল-কাহফ-এর ৪২ নম্বর আয়াতে। সেখানে বলা হয়েছে, “হায়! আমি যদি আমার রবের সঙ্গে কাউকে শরিক না করতাম।” এই আয়াত শিরকের ভয়াবহ পরিণতির একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা।
সবচেয়ে করুণ আর্তনাদটি পাওয়া যায় সূরা আল-আন‘আম-এর ২৭ নম্বর আয়াতে। সেখানে মানুষ বলবে, “হায়! যদি আমাদের আবার দুনিয়ায় ফেরত পাঠানো হতো, তাহলে আমরা আমাদের রবকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতাম না এবং ঈমানদারদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।” কিন্তু কোরআনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই আকুতি সত্ত্বেও দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়া হবে না।
এই নয়টি আয়াত একত্রে কোরআনের একটি শক্তিশালী নৈতিক কাঠামো তুলে ধরে। এগুলো প্রমাণ করে যে দুনিয়ার জীবন কোনো পরীক্ষাহীন সময় নয়; বরং প্রতিটি সিদ্ধান্তের হিসাব পরকালে দিতে হবে। কোরআন এসব অনুশোচনার কথা তুলে ধরে মানুষকে জীবিত অবস্থাতেই আত্মসমালোচনা, সংশোধন এবং সৎপথে ফিরে আসার আহ্বান জানায়।
শালীনতা ও নেয়ামতের চর্চা: ইসলামের বাস্তবমুখী জীবন দর্শনের রূপরেখা
ইসলাম মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনকে এক অনন্য ভারসাম্য, সৌন্দর্য এবং মর্যাদার পথে পরিচালিত করার দিকনির্দেশনা প্রদান করে। কেবল আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম মধ্যপন্থা ও শালীনতাকে মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে, স্রষ্টার দেওয়া অসংখ্য নিয়ামতের যথাযথ ব্যবহার ও তার বহিঃপ্রকাশও একটি ইবাদত, যদি তা অহংকার ও অপচয়মুক্ত হয়। সম্প্রতি ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষকরা এই বিষয়টিকে সমাজের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত জরুরি বলে অভিহিত করেছেন।
নেয়ামতের প্রভাব ও হাদিসের নির্দেশনা
ইসলামী জীবনদর্শনে নিয়ামত গোপন করা নয় বরং তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত একটি হাদিসে এর সুস্পষ্ট রূপরেখা পাওয়া যায়। হাদিসটিতে ইরশাদ হয়েছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে কোনো নেয়ামত দান করেন, তখন তিনি পছন্দ করেন যে সেই নেয়ামতের প্রভাব বান্দার জীবনে ও আচরণে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠুক। আল্লাহ কৃত্রিম দারিদ্র্য এবং লোক-দেখানো অভাব প্রদর্শন করাকে অপছন্দ করেন। একইসাথে বাস্তবে অভাব না থাকা সত্ত্বেও যারা বারবার মানুষকে বিরক্ত করে ভিক্ষা প্রার্থনা করে, তাদের প্রতিও আল্লাহ ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। পরিবর্তে, যারা সংযমী এবং আত্মমর্যাদাবান হয়ে নিজেদের কৃত্রিম অভাব প্রদর্শন থেকে বাঁচিয়ে রাখেন, তাদেরই আল্লাহ ভালোবাসেন। (সূত্র: বায়হাকি)
নেয়ামত চর্চা ও কোরআনের বিধান
আল্লাহ তাআলা যখন কোনো বান্দাকে ধন-সম্পদ বা সামর্থ্য দেন, তখন তার জীবনযাপনে সেই স্বচ্ছলতার ছাপ থাকা বাঞ্ছনীয়। এর অর্থ হলো, একজন ব্যক্তি তার অবস্থা অনুযায়ী পরিচ্ছন্ন ও শালীন পোশাক পরিধান করবেন এবং জীবনযাপনে পরিমিত সৌন্দর্য বজায় রাখবেন। পবিত্র কোরআনের সুরা দুহা-র ১১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘এবং তোমার প্রতিপালকের যে নিয়ামত (পেয়েছ), তার চর্চা করতে থাক।’
তাফসিরবিদদের মতে, আল্লাহর অনুগ্রহের কথা কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রচার করা ইসলামের দৃষ্টিতে প্রশংসনীয়। আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর প্রতি যেসব নিয়ামত দান করেছেন, এই আয়াতে তাঁকে তা প্রচার করার হুকুম দেওয়া হয়েছে। সুতরাং সামর্থ্য থাকার পরও কৃপণতা করা বা জীর্ণবেশে থাকা ইসলামের আদর্শের পরিপন্থী।
কৃত্রিম দারিদ্র্য ও ভিক্ষাবৃত্তির নিন্দা
ইসলাম দুটি আচরণকে কঠোরভাবে নিন্দা করেছে। প্রথমত, নিয়ামত থাকা সত্ত্বেও নিজেকে করুণ ও হীনভাবে উপস্থাপন করা। দ্বিতীয়ত, বাস্তবে অভাবী না হয়েও মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার আশায় নিঃস্বতা জাহির করা। সমাজতাত্ত্বিকদের মতে, এ ধরনের ভান করা হয় সাধারণত নিজের সম্পদ দিয়ে কাউকে সহযোগিতা করার ভয় থেকে অথবা অনৈতিকভাবে অন্যের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার জন্য। এটি আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি চরম অকৃতজ্ঞতা এবং ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা নষ্ট করে।
পাশাপাশি, ব্যস্ত সড়ক বা জনাকীর্ণ স্থানে নাছোড়বান্দা হয়ে ভিক্ষা করার প্রবণতাকেও হাদিসে ‘যন্ত্রণাকারী ভিক্ষুক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। যারা মানুষকে বিব্রত করে বা বিরক্ত করে সাহায্য আদায় করতে বাধ্য করে, তাদের প্রতি ইসলাম বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।
প্রকৃত অভাবী ও আত্মমর্যাদা
যারা সত্যিকারের অভাবী কিন্তু মর্যাদার কারণে হাত পাতেন না, ইসলাম তাদের চেনার ও সহযোগিতা করার বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারাহ-র ২৭৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন, ‘(আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে) উপযুক্ত সেই সব গরিব, যারা নিজেদের আল্লাহর পথে এভাবে আবদ্ধ করে রেখেছে যে (অর্থের সন্ধানে) তারা ভূমিতে চলাফেরা করতে পারে না। তারা যেহেতু (অতি সংযমী হওয়ার কারণে কারো কাছে) সওয়াল করে না, তাই অনবগত লোকে তাদের বিত্তবান মনে করে। তুমি তাদের চেহারার আলামত দ্বারা তাদের চিনতে পারবে। (কিন্তু) তারা মানুষের কাছে না-ছোড় হয়ে সওয়াল করে না।’
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম কোনো বিলাসিতা বা কৃত্রিম দারিদ্র্য—কোনোটিই সমর্থন করে না। বরং আত্মমর্যাদা, ভারসাম্য এবং শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যমে একটি সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনই ইসলামের প্রকৃত ও বাস্তবমুখী শিক্ষা।
নামাজের সময়সূচি: ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামিক জীবনদর্শনে নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ বা সালাত দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে, যা একজন মুসলিমের জন্য ইমান বা বিশ্বাসের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, পরকালে বা কিয়ামতের কঠিন দিনে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দার আমলনামার মধ্যে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামে ওয়াজিব, সুন্নত এবং নফল নামাজেরও বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। তবে জীবনের হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও নির্দিষ্ট ওয়াক্তে ফরজ নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য একটি অপরিহার্য ধর্মীয় দায়িত্ব।
আজ বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি তারিখ। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ ৭ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি সনের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মাস ১ শাবান ১৪৪৭। হিজরি ক্যালেন্ডারে শাবান মাসের আগমন মূলত পবিত্র রমজান মাসের আগমনী বার্তা বহন করে। এই বিশেষ দিনে রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণের মতানুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)
জোহর: দুপুর ১২টা ১১ মিনিট।
আসর: বিকেল ৪টা ০১ মিনিট।
মাগরিব: সন্ধ্যা ৫টা ৩৮ মিনিট।
এশা: রাত ৬টা ৫৬ মিনিট।
ফজর (আগামীকাল বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি): ভোর ৫টা ২৪ মিনিট।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রাজধানী ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য বিভাগ ও জেলার সময়ের কিছুটা তারতম্য ঘটে থাকে। ঢাকার সময়কে আদর্শ ধরে বিভিন্ন বিভাগের মানুষকে নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় যোগ বা বিয়োগ করে সঠিক ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হয়।
যেসব বিভাগের ক্ষেত্রে সময় বিয়োগ করতে হবে
সিলেট: ঢাকার সময়ের চেয়ে ০৬ মিনিট আগে নামাজ আদায় করতে হবে।
চট্টগ্রাম: ঢাকার সময়ের চেয়ে ০৫ মিনিট আগে নামাজ শুরু হবে।
যেসব বিভাগের ক্ষেত্রে সময় যোগ করতে হবে
রংপুর: ঢাকার সময়ের সাথে ০৮ মিনিট যোগ করতে হবে।
রাজশাহী: ঢাকার সময়ের সাথে ০৭ মিনিট যোগ করতে হবে।
খুলনা: ঢাকার সময়ের সাথে ০৩ মিনিট যোগ করতে হবে।
বরিশাল: ঢাকার সময়ের সাথে ০১ মিনিট যোগ করতে হবে।
ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আত্মিক প্রশান্তি এবং ধর্মীয় অনুশাসন বজায় রাখা সম্ভব। সঠিক সময়ে নামাজ আদায়ের এই সূচি সাধারণ মুসুল্লিদের জন্য একটি দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে, যা তাঁদের প্রাত্যহিক ধর্মীয় জীবনকে আরও সুশৃঙ্খল করতে সহায়ক হবে।
রমজান ২০২৬: সেহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করল ইফা
হিজরি ক্যালেন্ডারের পবিত্র রজব মাসের শেষ দিনে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম উম্মাহর জন্য আসন্ন পবিত্র রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের (১৪৪৭ হিজরি) এই সূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সূচি প্রকাশের মধ্য দিয়ে সিয়াম সাধনার প্রস্তুতি শুরু হলো সারা দেশে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে যে, এটি একটি খসড়া সময়সূচি নয় বরং চূড়ান্ত নির্দেশিকা, যা দেশের সব অঞ্চলের মানুষ অনুসরণ করবেন।

প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি যদি প্রথম রমজান শুরু হয়, তবে সেদিন রাজধানী ঢাকায় সেহরির শেষ সময় হবে ভোররাত ৫টা ১২ মিনিট। একই দিনে ইফতারের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে। দেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে জেলাভেদে সময়ের কিছুটা তারতম্য হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়েছে যে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে দূরত্ব অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে অথবা ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে সেহরি ও ইফতার সম্পন্ন করবেন। মূলত বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ঘড়ি অনুযায়ী এই আদর্শ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
পবিত্র রমজানে রোজা পালনের প্রধান শর্ত হলো অন্তরের সংকল্প বা নিয়ত।
রোজার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব তুলে ধরে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন— “হে ঈমানদারগণ, তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন রোজা ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা পরহেজগার তথা খোদাভীরু হতে পার।” (সূরা বাকারা : ১৮৩)। ইসলামের এই গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভটি পালনের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি এবং তাকওয়া অর্জনের আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আরও জানিয়েছে যে, চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রমজান মাসের শুরুর তারিখটি ১৯ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে এক দিন এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে, যা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাঁদ দেখা কমিটির সভার পর নিশ্চিত করা হবে।
নামাজের সময়সূচি: ২০ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ৬ মাঘ ১৪৩২ এবং হিজরি সনের ৩০ রজব ১৪৪৭।
ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে। দিনের পরবর্তী ওয়াক্ত অর্থাৎ আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ০০ মিনিটে।
সূর্যাস্তের সাথে সাথেই মাগরিবের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে এবং আজ ঢাকার জন্য সেই নির্ধারিত সময়টি হলো ৫টা ৪০ মিনিট।
দিনের শেষ জামাত অর্থাৎ এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৬ মিনিটে। নিয়মিত ইবাদতের সুবিধার্থে এই সূচি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত এই সূচিতে আগামীকালের ফজরের নামাজের সময়ও উল্লেখ করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৫টা ২৮ মিনিটে।
নামাজের সময়ের পাশাপাশি দিনের আলোকসজ্জার স্থায়িত্ব ও প্রকৃতির পরিবর্তন বুঝতে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ও জানানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে এবং আগামীকাল বুধবার সূর্যোদয়ের সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে ভোর ৬টা ৪৩ মিনিট। রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় বসবাসকারী মুসলিম উম্মাহর জন্য ইবাদতের সময় ব্যবস্থাপনায় এই সূচি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিবেদনটি প্রস্তুতের ক্ষেত্রে ঢাকার ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরার নির্ভরযোগ্য সূত্রকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এলাকাভেদে নামাজের সময়ের কিছুটা তারতম্য হতে পারে বিধায় ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকার মুসল্লিদের নির্ধারিত সময়ের সাথে সমন্বয় করে নামাজ আদায়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। নিয়মিত এই আধ্যাত্মিক রুটিন বজায় রাখা এবং সঠিক সময়ে জামাতে অংশগ্রহণের জন্য এই সূচিটি অনুসরণ করা প্রয়োজন।
আমিরাতের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ, রমজান শুরু হতে আর কত দিন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশে পবিত্র শাবান মাসের নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার মধ্য দিয়ে রমজান মাস শুরুর আনুষ্ঠানিক দিন গণনা শুরু হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় দিনের আলোতেই নতুন চাঁদের একটি স্পষ্ট ও বিরল ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ–এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শাবান মাস শুরু হওয়ায় আগামী ২৯ বা ৩০ দিন পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার–এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আল খাতিম অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আবুধাবি থেকে ১৪৪৭ হিজরির শাবান মাসের চাঁদের একটি উচ্চমানের ছবি ধারণ করে। এটিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি ব্যতিক্রমধর্মী পর্যবেক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ছবিটি তোলা হয়। সে সময় সূর্য ও চাঁদের মধ্যকার কৌণিক দূরত্ব ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি, যা দিনের আলোতে চাঁদ শনাক্ত করার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য বৈজ্ঞানিক সূচক।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সাধারণত নতুন চাঁদ সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করায় দিনের বেলায় তা শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। চাঁদের আলো তখন খুবই দুর্বল থাকে। তবে ওই দিন আকাশ সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকায় এবং উন্নত ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে চাঁদের অস্তিত্ব তুলনামূলকভাবে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
চাঁদ পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে আল খাতিম অবজারভেটরির বিশেষজ্ঞ জ্যোতির্বিজ্ঞানী দল অংশ নেয়। তারা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টেলিস্কোপ ও ডিজিটাল ফিল্টার প্রযুক্তির মাধ্যমে চাঁদের বিস্তারিত চিত্র সংগ্রহ করেন।
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার জানিয়েছে, ইসলামী জ্যোতির্বিজ্ঞানে এ ধরনের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হিজরি ক্যালেন্ডারের মাস নির্ধারণ, রমজান ও ঈদের সময়সূচি গণনায় এসব তথ্য বড় ভূমিকা রাখে। বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ধর্মীয় ক্যালেন্ডারের হিসাব আরও নির্ভুল করা সম্ভব হয়।
-রাফসান
২০২৬ হজে হজযাত্রী সেবায় নতুন নির্দেশনা
২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী হাজিদের সুষ্ঠু ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে শর্তসাপেক্ষে ১০০ জন হজ গাইড নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ গত ৮ জানুয়ারি জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালার নির্ধারিত শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ সাপেক্ষে এই নিয়োগ কার্যকর হবে। সৌদি আরবের মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফা ও মুজদালিফাসহ হজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থানরত সরকারি হজযাত্রীদের সার্বিক সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব পালন করবেন এসব হজ গাইড।
নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেক হজ গাইডকে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ঢাকার হজ অফিসে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করতে হবে। দায়িত্ব পালনকালে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না এবং এ বিষয়ে কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করা যাবে না বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত হজ গাইডদের জন্য বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ অপরিহার্য করা হয়েছে। প্রত্যেক গাইডকে গড়ে ৪৬ জন (কম বা বেশি) হজযাত্রীর সম্পূর্ণ হজ কার্যক্রমে বাংলাদেশ থেকে যাত্রা শুরু করে সৌদি আরব অবস্থান ও দেশে প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করতে হবে।
হজযাত্রীদের নামের তালিকা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হজ গাইডকে সব হাজিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করতে হবে। এই গ্রুপের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা, প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া এবং হজ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক পরামর্শ প্রদান করতে হবে।
এছাড়া হজ ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করা, টিকা গ্রহণ, পাসপোর্ট সংগ্রহ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হজ অফিসে ভিসার আবেদন দাখিল এবং বিমানের টিকিট সংগ্রহে হাজিদের সহায়তা করার দায়িত্বও হজ গাইডদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
হজের আরকান ও আহকাম সম্পর্কে হাজিদের প্রশিক্ষণ প্রদান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে হজ প্রশাসনিক দল, কাউন্সেলর (হজ) এবং মৌসুমি হজ অফিসারদের তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করাও তাদের দায়িত্বের অংশ।
অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, হজ গাইডরা কোনো হজযাত্রীর ব্যক্তিগত কাজে যুক্ত হতে পারবেন না এবং খাবার কেনা বা অন্য কোনো আর্থিক লেনদেনে অংশ নিতে পারবেন না। হাজিদের সঙ্গে সর্বদা ভদ্র ও নম্র আচরণ করতে হবে এবং এমন কোনো কাজে জড়ানো যাবে না, যাতে সরকার বা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।
হাজি হারিয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো, অসুস্থ হাজিদের দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা এবং জেদ্দা, মক্কা ও মদিনায় অবস্থিত বাংলাদেশ হজ অফিসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখাও গাইডদের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।
নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান ও সফরের সময় দৃশ্যমানভাবে জাতীয় পতাকা বহন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি হাজিদের নিজস্ব ব্যয়ে মক্কা ও মদিনায় জিয়ারত কার্যক্রমে সহায়তা করবেন হজ গাইডরা।
বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পর প্রত্যেক হজ গাইডকে হজ কার্যক্রমের সার্বিক বিবরণ তুলে ধরে একটি লিখিত প্রতিবেদন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।
অফিস আদেশে আরও জানানো হয়, চাকরিরত হজ গাইডদের সৌদি আরবে অবস্থানকাল কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নিজ দপ্তরের ছাড়পত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি হজ গাইড নিজ নিজ গ্রুপের হাজিদের মতোই সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং সৌদি আরবে মোবাইল ও আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ নির্ধারিত ভাতাও প্রদান করা হবে।
-শরিফুল
নামাজের সময়সূচি: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামের মৌলিক পাঁচটি রুকন বা স্তম্ভের মধ্যে ইমান বা বিশ্বাসের পরপরই নামাজের অবস্থান যা পরকালে হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয় এই স্তম্ভটি কেবল একটি ইবাদত নয় বরং এটি পরকালীন মুক্তির অন্যতম চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী হাশরের ময়দানে মানুষের কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব গ্রহণ করা হবে। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ আদায়ের বিধান থাকলেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য। পার্থিব ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন নির্দিষ্ট সময়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে নামাজ আদায় করাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি মোতাবেক ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ এবং ২৯ রজব ১৪৪৭ হিজরি।
রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি অনুযায়ী জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১৩ মিনিটে। দিনের দ্বিতীয় ভাগে আসরের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে।
সূর্যাস্তের সাথে সাথে মাগরিবের আজান হবে ৫টা ৩৮ মিনিটে এবং রাতের প্রধান ইবাদত এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে।
এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার শেষরাত ৫টা ২৪ মিনিটে ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে বলে জানা গেছে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের পার্থক্যের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে রাজধানী ঢাকার সময়ের সাথে কিছুটা যোগ-বিয়োগ করতে হবে যা নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিবেচনা করা জরুরি।
ঢাকার সময়ের সাথে তুলনা করলে দেশের পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে সময় কিছুটা এগিয়ে থাকে। সেই অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দাদের ঢাকার নির্ধারিত সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেট বিভাগের ক্ষেত্রে ৬ মিনিট বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।
অন্যদিকে পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে সময়ের কিছুটা বৃদ্ধি ঘটে যেখানে খুলনা বিভাগে ঢাকার সময়ের সাথে ৩ মিনিট অতিরিক্ত যোগ করতে হবে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ক্ষেত্রে এই পার্থক্যের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি যেখানে ঢাকার সময়ের সাথে যথাক্রমে ৭ ও ৮ মিনিট যোগ করে নামাজ আদায় করতে হবে।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সাথে মাত্র ১ মিনিট যোগ করলেই সঠিক সময় পাওয়া যাবে। ওয়াক্ত অনুযায়ী সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করা ইমানের পূর্ণতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে।
শাবান ও শবেবরাত ২০২৬: জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনায় সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র শাবান মাসের ক্ষণগণনা শুরু ও মহিমান্বিত রজনী শবেবরাতের তারিখ নির্ধারণে আজ রবিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নতুন চাঁদের সন্ধান করা হবে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে পবিত্র রজব মাসের ২৯তম দিন চলছে। ইসলামের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল সোমবার থেকে শাবান মাস শুরু হবে। অন্যথায় রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে নতুন মাস। তবে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শাবান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
সংবাদমাধ্যম গালফ টুডের এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের বরাতে জানানো হয়েছে, বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী আজ রবিবার মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও খালি চোখে বা টেলিস্কোপের মাধ্যমে চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জ্যোতির্বিদদের মতে, আজ নতুন চাঁদের জন্ম হলেও তা সূর্যাস্তের আগেই দিগন্তে মিলিয়ে যাবে। ফলে চাঁদ দেখার জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি আজ পূরণ হচ্ছে না। এই গাণিতিক হিসাব যদি সঠিক হয়, তবে চলতি রজব মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হবে এবং আগামী মঙ্গলবার থেকে শাবান মাস শুরু হবে।
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মেদ শওকত ওদেহ এই বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। তিনি জানান, রবিবার চাঁদ দেখা না গেলেও আগামীকাল সোমবার অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খালি চোখেই শাবানের চাঁদ দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওমান, জর্ডান, সিরিয়া, লিবিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও আলবেনিয়ায় সোমবার সন্ধ্যার আকাশে টেলিস্কোপের মাধ্যমে নতুন চাঁদ স্পষ্ট হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
এই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে পবিত্র শবেবরাতের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও ধারণা পাওয়া গেছে। শাবান মাসের ১৫তম রাতে মুসলমানদের এই বিশেষ ধর্মীয় রজনী পালিত হয়। যদি মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গলবার থেকে শাবান মাস শুরু হয়, তবে সেখানে ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবেবরাত পালিত হবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে যদি সোমবার চাঁদ দেখা যায়, তবে এ দেশেও একই রাতে শবেবরাত হতে পারে। তবে সোমবার যদি দেশের আকাশে চাঁদ দেখা না যায়, তবে বাংলাদেশে শবেবরাত পালিত হবে ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে।
ইসলামি শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার ওপর। আজ সন্ধ্যায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদ দেখার ফলাফল ঘোষণা করবে। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই অগ্রিম বার্তা ধর্মীয় উৎসবের প্রস্তুতি নিতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পাঠকের মতামত:
- স্মার্টফোনেই দেশের ভাগ্য নির্ধারণ? শুরু হলো প্রবাসীদের ঐতিহাসিক পোস্টাল ভোট
- সোনা ও রুপার বাজারে ফের রেকর্ড; কাল থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দর
- বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত বিদ্রোহীদের তালিকা প্রকাশ; তালিকায় শীর্ষ নেতারাও
- ডাইনোসর রাজার দীর্ঘ যৌবন; টি-রেক্স কেন অজেয় ছিল তার নতুন রহস্য উন্মোচন
- পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি? ডায়েটে রাখুন বিশেষ প্রোটিন
- নিমের ছোঁয়ায় উজ্জ্বল ত্বক; ঘরোয়া উপায়েই মিলবে দাগহীন লাবণ্য
- হাঁস চোরকে জেলেও ভরেছি, প্রতীক চোরকেও ছাড়ব না: রুমিন ফারহানা
- নির্ধারিত সময়ের ৩ সপ্তাহ আগেই জমা পড়ল নবম পে স্কেল রিপোর্ট
- পুলিশের পোশাকেই খুনের নেশা ঘাতক
- বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আইসিসির: বিশ্বকাপে কি অনিশ্চিত বাংলাদেশ?
- বিএনপিতে বড় চমক: আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী
- আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের: ফয়জুল করীম
- ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার: নতুন পে স্কেলে কার বেতন কত বাড়ছে?
- ৩০০ আসনেই ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি; আজ মধ্যরাত থেকেই ঘুরবে ব্যালট ছাপার চাকা
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ আজ: আইসিসি সভায় নতুন মোড়
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ আজ: আইসিসি সভায় নতুন মোড়
- ডিএসইতে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন
- দিনশেষে ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণ, কে বাড়ল কে কমল
- লেনদেন শেষে শীর্ষ ১০ দরপতনকারী কারা
- বুধবারের লেনদেনে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নির্বাচনি প্রচারে ত্যাগী নেতাদের সফরসঙ্গী করবেন তারেক রহমান
- কোরআনে বর্ণিত মৃত্যুর পর মানুষের ৯টি আফসোস
- কোন আসনে কে, ইসলামী আন্দোলনের পূর্ণ তালিকা
- প্রতীক পেলেই প্রচারের অনুমতি, কী বলছে ইসি
- নতুন পে স্কেল ২০২৬, আজ চূড়ান্ত সুপারিশ, সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘ডেডলাইন’ ট্যুরে জাপান জয় করল ব্ল্যাকপিংক: টোকিওতে ইতিহাস গড়লেন চার কন্যা
- জামায়াতের পলিসি সামিট ২০২৬, বড় অর্থনৈতিক ঘোষণা
- একদিনে ৫ কোম্পানির বোর্ড সভা, বাজারে সতর্ক নজর
- সাভারে ৬ খুনের নেপথ্যে ভয়ংকর সম্রাট: বেরিয়ে আসছে রোমহর্ষক সব তথ্য
- ডিএসই মিউচুয়াল ফান্ড বাজারচিত্র, কোথায় কত এনএভি
- বিপিএল মাতাতে ঢাকায় উইলিয়ামসন
- নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ: জানুন ঝুঁকি ও সমাধান
- বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিকে পিসিবির চিঠি: নতুন মোড় ক্রিকেটের দ্বন্দ্বে
- শালীনতা ও নেয়ামতের চর্চা: ইসলামের বাস্তবমুখী জীবন দর্শনের রূপরেখা
- দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা গ্যাস বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- আজ ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ২১ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- ভুল থেকেই কি আসে সাফল্য? ব্যর্থতাকে শক্তিতে রূপান্তরের ১২ উপায়
- দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার
- ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করি: তারেক রহমান
- দুই বিশ্বনেতার ব্যক্তিগত মেসেজ প্রকাশ করলেন ট্রাম্প
- ধানের শীষের ঘরে বিদ্রোহীদের হানা; প্রতীক বরাদ্দের দিনেই কি বদলে যাচ্ছে সমীকরণ?
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- নামাজের সময়সূচি: ২১ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী? বের হওয়ার আগে দেখে নিন কর্মসূচির
- প্রতীক বরাদ্দে চূড়ান্ত লড়াইয়ের আমেজ; কাল থেকেই শুরু নির্বাচনী প্রচার
- ভালুকায় পৌর বিএনপির ১নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদারে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত
- ছুটি বাড়ল মাদ্রাসায়, কমল স্কুলে: ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জিতে বড় পরিবর্তন
- গ্যাস সংকটে ত্রাতা ইলেকট্রিক চুলা; ইনডাকশন না ইনফ্রারেড, কোনটি সেরা?
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- দুনিয়ার সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম: ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল বিশ্ববাজার
- ইতিহাসের সর্বোচ্চ শিখরে স্বর্ণের দাম: মঙ্গলবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন মূল্য
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- নতুন পে স্কেল ২০২৬, আজ চূড়ান্ত সুপারিশ, সর্বশেষ যা জানা গেল
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- কুমিল্লা ৪ এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দরকার - নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু








