রাবিতে 'জুলাই চত্বর' স্থাপনের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত বর্ষপূর্তি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসন ঘোষণা করেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি স্মরণে তারা মাসব্যাপী নানা আয়োজনে শামিল হচ্ছে। এ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক, স্মৃতিচারণ, শৈল্পিক ও চিন্তামূলক নানা কর্মসূচির পাশাপাশি ‘জুলাই চত্বর’ নামে একটি স্মারক চত্বরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হয়ে থাকবে।
শনিবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। ঘোষণায় বলা হয়, বর্ষপূর্তির এ আয়োজনে শুধু অতীত স্মরণের চিত্র নয়, বরং তা ভবিষ্যতের জন্য একটি ঐতিহাসিক দায়িত্বশীলতা ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক বিকাশের অংশ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
বর্ষপূর্তি কর্মসূচির প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ১৩ জুলাই বেলা ১১টায় ‘জুলাই চত্বর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে স্থাপিতব্য এই চত্বরটি শুধুমাত্র একটি কাঠামোগত সংযোজন নয়; বরং তা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ছাত্রজনতার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের স্মারক রূপে দাঁড়াবে।
১৫ ও ১৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ ও নাট্য উৎসব। এসব আয়োজনে অংশ নেবেন সেই সময়ের আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতা, শিক্ষক, ভুক্তভোগী পরিবার এবং প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীরা। তারা তুলে ধরবেন আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, রাষ্ট্রের দমননীতি এবং জনগণের প্রতিরোধচেতনার বাস্তব রূপ।
১৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে শিক্ষক সংহতি সমাবেশ, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের মধ্যে গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকাশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ২০ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায় শহীদ পরিবার এবং আহতদের আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে, যা একাধারে মানবিক সংহতি এবং সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে চিহ্নিত হবে।
২৪ জুলাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এবং শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালায় ‘জুলাই কর্ণার’ স্থাপন করা হবে যেখানে জুলাই বিপ্লব সংক্রান্ত দলিল, চিত্র, সংবাদ প্রতিবেদন এবং ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত থাকবে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গবেষণাগারও হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
১ আগস্ট আয়োজন করা হবে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায়। ১ থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং আন্দোলনের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন। ২ আগস্ট থাকবে চিত্রাঙ্কন ও গ্রাফিতি প্রতিযোগিতা, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের শৈল্পিক প্রকাশের মাধ্যমে আন্দোলনের চেতনা তুলে ধরবে।
৩ ও ৪ আগস্ট ‘বিপ্লবকেন্দ্রিক সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’-এর আয়োজন করা হবে। এতে পরিবেশিত হবে প্রতিবাদী গান, আবৃত্তি, পথনাটক এবং স্বাধীন সৃজনধর্মী পরিবেশনা যা আন্দোলনের প্রাণের সঙ্গে যুক্ত থাকা সংস্কৃতিকে জীবন্ত করে তুলবে।
আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হবে একটি স্মারকগ্রন্থ ও অ্যালবাম, যাতে থাকবে সেই সময়কার দৃশ্যপট, নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, শহীদদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত এবং আন্দোলনের রাজনৈতিক তাৎপর্য। এ প্রকাশনা ইতিহাস ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই উদ্যোগকে অনেকেই শুধু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছেন না; বরং এটিকে ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রতি প্রতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি এবং একটি ঐতিহাসিক দায়মুক্তির প্রয়াস হিসেবে বিবেচনা করছেন। আন্দোলনের সময় রাবি ছিল ছাত্রজনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে সংঘটিত হয়েছিল শতশত শিক্ষার্থীর সমাবেশ, মিছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংস হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
এই কর্মসূচিগুলো যেন একদিকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো, অন্যদিকে ইতিহাসের পুনর্লিখন যেখানে ‘জুলাই-আগস্ট’ হয়ে উঠছে নতুন প্রজন্মের জন্য নৈতিকতা, সচেতনতা ও গণতন্ত্রচর্চার প্রতীক।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বর্ষপূর্তি উদযাপন কেবল অতীত স্মরণের এক অনুরণন নয়, বরং তা বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য এক প্রতিশ্রুতি যে রাষ্ট্র, শিক্ষা ও জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক নির্মাণে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ ও সাংস্কৃতিক পুনরাবিষ্কার অপরিহার্য।
-রফিক, নিজস্ব প্রতিবেদক
ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষারত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন করে পড়ালেখা বন্ধ করা, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত না করে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ালে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে নতুন করে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও স্থায়ী জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শনিবার (২২ আগস্ট) দূতাবাসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। বার্তায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার যাবতীয় বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের আইনি ও বৈধ মর্যাদা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দূতাবাসের বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি নিজের পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে পড়ে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া নিজ পাঠ্যক্রম ত্যাগ করে, তবে তার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল করা হবে। পাশাপাশি এমন অনিয়ম ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত পূর্ণকালীন কোর্স চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। তবে কোনো বিশেষ বা জরুরি পরিস্থিতিতে কোর্সের চাপ কমাতে হলে বা অধ্যয়নের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন দেখা দিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পূর্বানুমোদন নেওয়া আবশ্যক।
অনুমোদন ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, নির্ধারিত ক্রেডিটের নিচে কোর্স ড্রপ করে কিংবা অনুমতি ব্যতীত কোনো কাজে যুক্ত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয় বাতিল হতে পারে। একই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এই পরিবর্তনগুলোর তথ্য ‘স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ইনফরমেশন সিস্টেম’ (SEVIS)-এ নথিবদ্ধ করতে বাধ্য থাকে।
এ ছাড়া পাসপোর্টে ভিসার মেয়াদ থাকা মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান বৈধ থাকা নয়। যুক্তরাষ্ট্রে একজন শিক্ষার্থীর বৈধভাবে থাকা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভিসার শর্ত পূরণ এবং নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার ওপর। যেকোনো কারণে শিক্ষার্থী মর্যাদা বা বৈধ অবস্থান নষ্ট হলে পরবর্তী সময়ে মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে রুদ্ধ হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, নির্ধারিত ক্রেডিট মেনে চলা এবং শিক্ষাক্রমে কোনো পরিবর্তন আনার আগে নিজ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে দূতাবাস থেকে ভিসার প্রতিটি শর্ত সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে। ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদনের সুযোগ পাবেন।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার সম্পূর্ণ নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেভাবে আবেদন করতে হবে
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্ধারিত শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট জায়গায় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রপ ডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল পৌঁছাবে। পরের ধাপে বিষয়ের তালিকা দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে 'ফি প্রদান করুন' বাটনে চাপ দিতে হবে। উল্লেখ্য, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।
ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া
বিষয় নির্বাচনের পর মোট ফি প্রদর্শিত হবে। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি প্রদান করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালে যুক্ত নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পুনরায় পোর্টালে এসে 'জমা দিন' বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
বিষয় সংশোধন বা নতুন বিষয় যুক্ত করার নিয়ম
একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী যদি চান অন্য কোনো বিষয় যুক্ত করতে, তবে একই উপায়ে নতুন বিষয় যোগ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে 'মুছে ফেলুন' সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচিত বিষয় বাতিল করা যাবে। তবে একবার ফি পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না এবং জমা দেওয়া ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।
শিক্ষা বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এবার কোনো ম্যানুয়াল বা কাগুজে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কেবল নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।
/আশিক
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আয়োজিত এই সভায় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ৪০৪ জন শিক্ষক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন, তাঁদের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে প্রতিহিংসা না উল্লেখ করে তিনি জানান, আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভিন্নমতাবলম্বী শিক্ষকদের ওপর প্রশাসনিক নজরদারি ও নির্যাতনের কথা স্মরণ করেন। তিনি জানান, সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'সাদা দল'-এর সভায় প্রতিপক্ষের শিক্ষকদের কড়া নজরদারি থাকত এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে হুমকির মুখে রাখা হতো। এত প্রতিকূলতার পরও তৎকালীন সময়ে শিক্ষকরা দমে না গিয়ে রাজপথে নেমেছেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শুরুতে শিক্ষার্থীদের দাবি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার হলেও, সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের কারণে তা চূড়ান্ত রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নৃশংসতার তুলনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল আর ২০২৪ সালে অর্জিত হয়েছে সেই পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার এক নতুন প্রত্যয়।
নতুন বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরের জমকালো সব সমস্যা মাত্র পাঁচ মাসে সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। গুম, খুন ও দমন-পীড়নের অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সবার প্রতি একসঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি কোনো বৈষম্য, নিপীড়ন বা স্বৈরাচার ছাড়াই আইনের মাধ্যমে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
/আশিক
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া। আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই আবেদনের সুযোগ পাবেন। আজ শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফল পুনর্নিরীক্ষণের এই সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত মেয়াদে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন করার পদ্ধতি এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে আগামী ১০ আগস্ট (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের দিন ধার্য রয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা এসএমএস এবং নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের ধারাবাহিক ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারও নির্ধারিত সময়েই ফল ও পুনর্নিরীক্ষণের সূচি প্রকাশ করা হলো।
/আশিক
ঘরে বসেই যেভাবে জানবেন এসএসসির ফলাফল, ১০ আগস্ট প্রকাশের ঘোষণা
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আবদুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীরা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে এবং শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দেখতে পারবেন। এছাড়া সার্বিক ফল দেখার ব্যবস্থা থাকবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ও কমন ওয়েবসাইটগুলোতে।
অনলাইনে যেভাবে ফল দেখবেন
পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের পাশাপাশি eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ফল দেখতে পারবেন।
এসএমএসে ফল দেখার পদ্ধতি
যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ফল পেতে নিচের নিয়মে মেসেজ টাইপ করে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে
সাধারণ বোর্ড: SSC বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর রোল নম্বর ২০২৬
মাদরাসা বোর্ড: SSC MAD রোল নম্বর ২০২৬
কারিগরি বোর্ড: SSC TEC রোল নম্বর ২০২৬
(উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। প্রতি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য।)
উল্লেখ্য, চলতি বছরে গত ২১ এপ্রিল দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ২০ মে। এবার মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে (দাখিল) ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।
/আশিক
উচ্চশিক্ষায় ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করল ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ

শহিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
সম্প্রতি উচ্চশিক্ষায় এক দশক পূর্তি উপলক্ষে ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ (UKMC) ম্যানচেস্টারের হিটন পার্কে বর্ণাঢ্য সামারফেস্ট ২০২৬ আয়োজন করেছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, একাডেমিক অংশীদার, বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সঙ্গীত, খাবারের স্টল, খেলাধুলা ও বিনোদনের নানা আয়োজন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনায় উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে Health Sciences University (HSU)-এর সঙ্গে ইউকেএমসির নতুন একাডেমিক অংশীদারত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এই অংশীদারত্বের আওতায় HSU-স্বীকৃত BSc (Hons) Psychology with Foundation Year কোর্স পরিচালিত হবে, যা মনোবিজ্ঞান, মানসিক স্বাস্থ্য এবং কমিউনিটি সাপোর্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এ সময় ‘UKMC 10 Years of Excellence Anniversary Magazine’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। স্মারক প্রকাশনাটিতে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউকেএমসির এক দশকের অগ্রযাত্রা, সম্প্রসারণ এবং অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টারের লর্ড মেয়র, রচডেলের মেয়র, হাই শেরিফসহ বিভিন্ন একাডেমিক ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাউল এ এস এম শফি মন্ডল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বাউল ডলি মন্ডল, ড. জাহিদুল কবির, জহরা হোসেন জেমি, সর্দার হীরক রাজা, আমির হাশমি, GAMTA, প্রীতম আহমেদ এবং ডাইনামিকসহ বিভিন্ন শিল্পী পরিবেশনা করেন।
ইউকেএমসির ১০ বছরের এই যাত্রার পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বে ইউকেএমসি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকশিত হয়েছে। শিক্ষা খাতে তাঁর এই উদ্যোগ যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
ইউকেএমসির এক মুখপাত্র বলেন, “সামারফেস্ট ২০২৬ শুধু ১০ বছর পূর্তির উদযাপন নয়; এটি আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অংশীদার এবং কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। এই আয়োজন ইউকেএমসির বৈচিত্র্য, ঐক্য ও অগ্রগতির প্রতিফলন।”
২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষা প্রদান করছে। আগামী দিনেও শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
বিস্তারিত:www.ukmc.ac.uk
এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন বার্তা
চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আগামী সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশ করা হতে পারে বলে বিভিন্ন সময়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পরীক্ষার ফল প্রস্তুতির যাবতীয় কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সদস্যদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বোর্ডগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে আগামী সোমবারই নিশ্চিতভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে এখনও শতভাগ নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি সমন্বয় কমিটির দায়িত্বশীল সদস্যরা।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করার জন্য তারা মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পেয়েছেন। তারা ২০ জুলাই বা তার কাছাকাছি সময়েই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা দেখছেন এবং ২০ জুলাইকে প্রধান লক্ষ্য বা ‘টার্গেট’ রেখেই ফল চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত এসএসসি বা সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করার একটি বাধ্যবাধকতা থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও নম্বর ডাটাবেজে যুক্ত করার কাজ দ্রুততার সাথে করা হচ্ছে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য সারা দেশ থেকে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার জন্য ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮6 জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিতে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।
শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেবল এসএসসি নয়, পাশাপাশি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতের কাজও সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ও কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে যেন দেশের এই বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যায়, সে লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আইসিটি সেল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
/আশিক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করল মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ও ঐতিহাসিক ইসলামি বিদ্যাপীঠ মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের বার্ষিক বৃত্তির (স্কলারশিপ) সংখ্যা একলাফে দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বৃত্তির সংখ্যা পূর্বের ১২টি থেকে বৃদ্ধি করে ২৪টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে প্রতি বছর দ্বিগুণ সংখ্যক বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থী এই শতাব্দীপ্রাচীন ও বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ লাভ করবেন।
শনিবার (১১ জুলাই) মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনন্য অর্জনের তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি আতাউল হক আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমামের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী-বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা নাহলা সাইদির সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ ও আল-আজহারের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা ও অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মিসরে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও উচ্চশিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতেই উপদেষ্টা নাহলা সাইদি বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর নেপথ্যের কারণ উল্লেখ করে বলেন, মিসরে নিযুক্ত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের বিশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির কোটা পুনর্নির্ধারণ করেছে। ১২টি আসন থেকে বৃদ্ধি করে এখন থেকে ২৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে প্রতি বছর এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে।
গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে নাহলা সাইদি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা নবপ্রণীত শিক্ষা নীতিমালা, চলমান অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ দূতাবাসকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের প্রতি আল-আজহার কর্তৃপক্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা, সালাম ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বৈঠকে উপস্থিত উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও আল-আজহারের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে শিক্ষা, ধর্মীয় গবেষণা, বৃত্তি প্রদান এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে পারস্পরিক অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বহুমুখী, সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
/আশিক
দুপুরের রেস্তোরাঁয় আকস্মিক অসুস্থতার পর চিরবিদায় নিলেন দেশের গুণী অধ্যাপক
বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে ৮৫ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম গণমাধ্যমকে জানান, দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে মিরপুর-১ নম্বরের একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাকুন্দিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে অধ্যাপনা করেছেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলনে তিনি আজীবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণায় তাঁর অবদান
পত্রিকা সম্পাদনা
তিনি ‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি উচ্চমানের সাময়িকপত্র সম্পাদনা করে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
উল্লেখযোগ্য বই
তাঁর প্রকাশিত ২০টিরও বেশি মৌলিক গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’ এবং ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’।
সম্পাদিত গ্রন্থ
তাঁর সুযোগ্য সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘স্বদেশচিন্তা’-এর মতো একাধিক আকর গ্রন্থ।
স্বীকৃতি
মননশীল প্রবন্ধ ও গবেষণায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮১ সালে তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ লাভ করেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- উপকূলে লঘুচাপের শঙ্কা: আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া নিয়ে পূর্বাভাস
- কোরআনের আদর্শ বাস্তব জীবনে বাস্তবায়নেই মুক্তি মিলবে: জামায়াত আমির
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে ঢাকার ইতিবাচক অবস্থান, গুরুত্ব পাবে জাতীয় স্বার্থ
- রাজনীতি নিছক ক্ষমতা নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পথ: সাইদুর রহমান লিটল
- মেরামতকাজের কারণে রোববার যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না
- ট্রাম্পের হালকা চালের বক্তব্য ও ইরানের কড়া জবাব: উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য
- টেস্টের প্রথম দিন শেষে লড়াইয়ে ফেরার প্রত্যয় বাংলাদেশি পেসারের
- বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্বের ঘোষণা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
- তীব্র গ্যাস সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথে দেশ
- অবসান হচ্ছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির: নতুন মহাসড়ক নির্মাণের উদ্যোগ
- আন্তর্জাতিক ফুটবলে দারুণ সুযোগ: বড় টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ
- দেশের স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির বড় বিপ্লব: সরকারের নতুন ডিজিটাল উদ্যোগ
- পদত্যাগ করলেন তথ্যমন্ত্রী স্বপন
- সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করল বাংলাদেশ
- ভোট না দিয়ে রুমিন ফারহানা বললেন, ‘এটা নির্বাচন নয়’
- সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে বড় খবর
- নতুন রাষ্ট্রপতিকে দল-মতের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান চরমোনাই পীরের
- মারাকানাকে ঘিরে বিশ্বকাপের বিরল রেকর্ড, সামনে নতুন অধ্যায়
- বিপিএল নিয়ে সব ধোঁয়াশার অবসান, যা জানাল বিসিবি
- স্বামীর শেষ বিদায়ে অংশ নিয়ে আবার কারাগারে দীপু মনি
- মির্জা ফখরুলের জয়ে চীন ও যুক্তরাজ্যের অভিনন্দনবার্তা
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগ, তেল পরিবহনে বড় পরিবর্তন
- আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের পর বিএনপিতে নতুন দায়িত্ব পেলেন রিজভী
- দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে উঠে কমল স্বর্ণের দাম
- জামায়াত সুযোগ পেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: নুর
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি ছয় সংসদ সদস্য
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুল, অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন শফিকুর রহমান
- অলি আহমদকে হারিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী মির্জা ফখরুল
- সরকারি অনুদানের চেক গ্রহণ করলেন রেসডোর চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ
- অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টের আগে ডোনাল্ডের মূল্যায়ন
- গ্যাস সরবরাহে আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়
- ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জনের মধ্যে কার্লোসের জন্য ড. ইয়াসির আদ-দোসারির দোয়া
- ইউটিউব কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আসছে বড় পরিবর্তন
- অশ্রুসিক্ত বিদায়ী বক্তব্যে দল ও দেশের প্রতি অঙ্গীকার মির্জা ফখরুলের
- ট্রাম্প সীমা ছাড়লে রক্ষা পাবে না ইউরোপের লক্ষ্যবস্তুও: তেহরানের বার্তা
- ১৮০ দিনের কার্যক্রমে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের অ্যাপ্রুভাল রেটিং প্রকাশ
- চালকহীন পরিবহনে টেসলার নতুন পদক্ষেপ
- দুরেফিশানকে নিয়ে নেটপাড়ায় কটূক্তি, পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন হানিয়া
- ভারতের সঙ্গে সমমর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: রিজভী
- ফেডের সুদের হার ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম
- ১ জুলাই থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে ধোঁয়াশা
- জাতীয় পর্যায়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের ব্যাপক উদ্যোগ
- দীর্ঘ তিন দশক পর রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রস্তুতি
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা
- আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়া নিয়ে অধিদপ্তরের নতুন বার্তা
- বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
- ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ
- ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড
- নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
- অবিলম্বে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করুক ইরান: ট্রাম্প
- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান দিলেন এমপি বকুল
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
- ইরানকে পরমাণু অস্ত্রহীন রাখতে বাড়তি তেলের দামও মেনে নেওয়া যায়: ট্রাম্প
- কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যেসব অভ্যাস বর্জনীয়
- মধ্যরাতের মধ্যে যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে
- ট্রাম্পের মেয়াদে আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি: মার্কিন জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
- দুপুরের আকাশে জ্বলজ্বল করবে তারা: বিরল সূর্যগ্রহণে রেকর্ড গড়বে লুক্সর
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটতে কমপক্ষে দুই বছর লাগবে: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- বরফ গলে নতুন রুট: সুয়েজ ও হরমুজকে কি টেক্কা দিতে পারবে চীন-রাশিয়া?








