মার্কিন রণতরী হবে কবরস্থান!আমেরিকাকে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখন এক চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নিচ্ছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার এবং বর্তমানে তেহরানের শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের প্রধান 'জলদস্যু' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তিনি সরাসরি মার্কিন নৌবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিশ্বের একমাত্র জলদস্যু হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যাদের হাতে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। তবে এই জলদস্যুদের মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা কোনো যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার চেয়ে কম কিছু নয়।”
রেজায়ি তাঁর বিবৃতিতে গত মাসে ইসফাহানে একটি মার্কিন এফ-১৫ই (F-15E) যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “প্রস্তুত থাকুন, আপনাদের বিমানবাহী রণতরী ও বাহিনীকে আমরা কবরস্থানে পরিণত করব; ঠিক যেমন গত মাসে ইসফাহানে আপনাদের বিমানের ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল।” তাঁর এই বক্তব্যে পরিষ্কার ইঙ্গিত রয়েছে যে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন উপস্থিতিকে ইরান এখন সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে এবং যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের পাল্টা আঘাত হানতে প্রস্তুত।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রেজায়ির এই ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা আরও বাড়িয়ে দেবে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বর্তমানে মার্কিন নৌ-অবরোধের মুখে রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার হুমকি আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে এই হুমকির প্রেক্ষিতে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও, অঞ্চলটিতে নতুন করে সামরিক মহড়া ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের আশঙ্কা বাড়ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
ট্রাম্পের সামনে মাত্র দুটি পথ! আইআরজিসি-র হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে ওয়াশিংটন
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা ইউনিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আইআরজিসি দাবি করেছে, ট্রাম্পকে এখন দুটি কঠিন পরিস্থিতির যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে—হয় তাকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি ‘অসম্ভব সামরিক অভিযানে’ নামতে হবে, আর না হয় ইরানের শর্ত মেনে একটি ‘খারাপ চুক্তিতে’ সই করতে হবে।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে আরও প্রকাশ করেছে যে, তেহরান ইতিমধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা আলটিমেটাম বেঁধে দিয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়েছে।
যদিও কৌশলী কারণে সেই নির্দিষ্ট সময়সীমাটি জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি তারা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পর যদি অবরোধ প্রত্যাহার করা না হয়, তবে হরমুজ প্রণালিসহ ওই অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা শুরু হতে পারে।
বিবৃতিতে বিশ্ব রাজনীতির পটপরিবর্তনের দিকেও ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি। তারা বলছে, বর্তমান সংকটে চীন, রাশিয়া এমনকি ইউরোপের দেশগুলোর অবস্থানেও বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ওয়াশিংটনের একতরফা সামরিক নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের এই শক্ত অবস্থান ট্রাম্প প্রশাসনকে আরও কোণঠাসা করে ফেলছে।
বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের সরাসরি বিরোধিতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরানে সামরিক অভিযান চালানো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের এই কড়া বার্তা ওয়াশিংটনের ওপর চাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা এখন ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখানের পথে ট্রাম্প: যেকোনো সময় হামলার কড়া হুঁশিয়ারি
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা নিরসনে ইরানের দেওয়া ১৪ দফার নতুন প্রস্তাব নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শাফাক নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তেহরানের এই প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। ট্রাম্পের দাবি, গত কয়েক দশকে ইরান বিশ্বজুড়ে যে ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছে, তার তুলনায় তারা এখনো যথেষ্ট মূল্য পরিশোধ করেনি। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখারই ইঙ্গিত দিয়েছেন।
শান্তি আলোচনার আবহেই ট্রাম্প আবারও সামরিক পদক্ষেপের কথা উচ্চারণ করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি পুনরায় কোনো ‘অসদাচরণ’ করে কিংবা খারাপ কিছু করার চেষ্টা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা বা নতুন করে হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না।
উল্লেখ্য, ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাবে ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, অর্থনৈতিক অবরোধ তুলে নেওয়া, জব্দ করা সম্পদ ফেরত এবং ভবিষ্যতে হামলার নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে। তবে তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এখনই নয়, বরং পরে করার প্রস্তাব দিয়েছে—যা ওয়াশিংটনের জন্য বড় এক আপত্তির জায়গা।
বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র 'হরমুজ প্রণালি' এখন এই সংঘাতের ট্রাম্প কার্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে মার্কিন নৌ-অবরোধ ও যুদ্ধের কারণে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস সরবরাহের এই পথটি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর মধ্যেই ইরান হরমুজ প্রণালিতে নতুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর জন্য একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই প্রস্তাবিত আইনে ইসরায়েলি জাহাজের ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং ‘শত্রু’ দেশ হিসেবে চিহ্নিত রাষ্ট্রগুলোর জাহাজের ওপর কঠোর সীমাবদ্ধতা আরোপের কথা বলা হয়েছে। ইরানের এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাব: ট্রাম্পের টেবিলে এখন মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্য
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন করে আশার আলো দেখালেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম 'তাসনিম নিউজ এজেন্সি' জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত দুই মাসের সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখান করে ইরান দ্রুত ও স্থায়ীভাবে যুদ্ধের সমাপ্তি চেয়েছে।
তেহরানের এই ১৪ দফা পরিকল্পনায় আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সব অমীমাংসিত ইস্যু নিষ্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা দিলেও তেহরানের ওপর তাঁর অনমনীয় অবস্থান বজায় রেখেছেন। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, গত ৪৭ বছরের কর্মকাণ্ডের জন্য ইরান এখনও "পর্যাপ্ত মূল্য পরিশোধ করেনি", তাই এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা কম।
ইরানের ১৪ দফার মূল শর্তাবলি
তেহরানের এই প্রস্তাবে কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতি নিয়ে বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো
ভবিষ্যতে ইরানের ওপর কোনো ধরনের সামরিক হামলা না চালানোর লিখিত নিশ্চয়তা।
ইরানের সীমান্তবর্তী ও আশপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানের স্থগিত করা (ফ্রোজেন) সম্পদ অবমুক্ত করা।
গত কয়েক মাসের যুদ্ধের জন্য ইরানকে ক্ষতিপূরণ প্রদান।
লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে শত্রুতা ও যুদ্ধ বন্ধ করা।
হরমুজ প্রণালী ও নৌ-অবরোধ নিয়ে নতুন চাল
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'এক্সিওস'-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের এই প্রস্তাবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র 'হরমুজ প্রণালী' পুনরায় চালুর বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এক মাসের মধ্যে একটি চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের অবসান ঘটাতে হবে। এছাড়া প্রাথমিক চুক্তি সফল হলে পরবর্তী এক মাস ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের এই ১৪ দফা প্রস্তাব মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা। একদিকে যখন ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে সন্দেহের চোখে দেখছেন, অন্যদিকে তেহরান বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে জিম্মি করে নিজেদের দাবি আদায়ে চাপ দিচ্ছে। এখন হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য কি শান্তির পথে হাঁটবে নাকি আরও বড় কোনো ধ্বংসযজ্ঞের দিকে এগোবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
শুধু মিসাইল নয়, ইরানকে রক্ষায় ‘কূটনৈতিক ঢাল’ হয়ে দাঁড়াল রাশিয়া: বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার মাঝে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল রাশিয়া। মস্কো জানিয়েছে, ইরান সংকটের সমাধানের জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে তারা কূটনৈতিক পথকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাশিয়ার মতে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে তা কেবল একটি অঞ্চলের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি করবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের বাজার ও সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মস্কো।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া ইরানের ওপর কোনো ধরনের একতরফা নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ তারা সমর্থন করে না। একই সঙ্গে ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বা অন্য যেকোনো ধরনের বৈরী পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেছে পুতিন প্রশাসন।
তবে রাশিয়া এও স্পষ্ট করেছে যে, তারা এই মুহূর্তে সরাসরি কোনো সামরিক সহায়তায় যাচ্ছে না। কৌশলগত কারণেই রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে আগ্রহী নয়।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। ইউরোপের অনেক দেশ সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে চরম অনীহা প্রকাশ করেছে এবং চীনও প্রথম থেকেই যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে।
এই কূটনৈতিক মেরুকরণ ইরানকে কৌশলগতভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখলেও দেশটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভঙ্গুর অর্থনীতি। দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সংকট তেহরানের জন্য পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে পারে। তা সত্ত্বেও রাশিয়া মনে করে, এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই এবং একমাত্র দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক উদ্যোগই পারে বিশ্বকে বড় কোনো যুদ্ধ থেকে বাঁচাতে।
/আশিক
শান্তি না কি নতুন যুদ্ধ? ট্রাম্পের বার্তার পর উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যে ইরানের পাঠানো যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা দিলেও শুরুতেই তা নাকচ করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, গত ৪৭ বছর ধরে ইরান বিশ্বজুড়ে যে নেতিবাচক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, এই প্রস্তাবে তার বিপরীতে পর্যাপ্ত দায়বদ্ধতা বা মূল্য নিশ্চিত করা হয়নি।
তিনি স্পষ্ট করে লিখেছেন, “আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে এটি গ্রহণযোগ্য হবে।” উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবারও ইরানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ট্রাম্প, যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন যে তেহরানের অফারে তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন।
শান্তি আলোচনার সমান্তরালে ট্রাম্পের মুখে এখন আবার যুদ্ধের সুর। ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি পুনরায় সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি। ট্রাম্পের ভাষায়, “যদি তারা পুনরায় কোনো অসদাচরণ করে কিংবা খারাপ কিছু করার চেষ্টা করে, তবে নিশ্চিতভাবেই হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।” ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করে আরও বড় কোনো সুবিধা আদায় করতে চাইছেন।
এই সংকটের সূত্রপাত হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। টানা ৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল থেকে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।
যদিও ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়েছিলেন, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই স্থিতিশীলতা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানের পাঠানো ১৪ দফার প্রস্তাবটি ওয়াশিংটন এখন কীভাবে সামাল দেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি মূলত তেহরানকে আরও নমনীয় হতে বাধ্য করার একটি কৌশল মাত্র।
/আশিক
ডলারের দিন কি তবে শেষ? চীনা মুদ্রার কাছে হার মানছে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি
বিশ্বের লৌহ আকরিক বা লোহার বাজারে দশকের পর দশক ধরে চলে আসা মার্কিন ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্যে বড় ফাটল ধরালো চীন। এতদিন পর্যন্ত বিশ্বের সর্ববৃহৎ খনি কোম্পানি বিএইচপি (BHP) চীনের কাছে লোহা বিক্রি করত সম্পূর্ণ ডলারে।
তবে চীনের নতুন প্রতিষ্ঠান 'চায়না মিনারেল রিসোর্সেস গ্রুপ' (সিএমআরজি)-এর ক্রমাগত চাপে অবশেষে নতি স্বীকার করেছে অস্ট্রেলীয় এই জায়ান্ট। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, এখন থেকে বিএইচপি-এর জিম্বলবার আকরিক লোহার লেনদেনের ৫১ শতাংশই পরিশোধ করা হবে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে। এর আগে রিও টিন্টো ও ফোর্টেস্কু চীনের শর্ত মেনে নিলেও বিএইচপি-র এই নতি স্বীকার বিশ্ববাজারে বিশেষ বার্তা দিচ্ছে।
এই সাফল্যের পেছনে চীনের কৌশল ছিল অত্যন্ত কঠোর। বিএইচপি শুরুতে ডলারে অনড় থাকলে চীন তাদের আকরিক লোহা আমদানি নিষিদ্ধ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত অচলাবস্থা কাটাতে বিএইচপি-র শীর্ষ কর্মকর্তারা বেইজিংয়ে গিয়ে বৈঠক করেন এবং চীনের নিজস্ব 'বেইজিং আয়রন ওর পোর্ট স্পট প্রাইস ইনডেক্স' মেনে নিতে বাধ্য হন।
শুধু তাই নয়, মার্কিন সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সূচকের পরিবর্তে চীনা সূচক ব্যবহারের পাশাপাশি বেইজিংকে ১.৮ শতাংশ মূল্যছাড়ও দিয়েছে কোম্পানিটি। চীনের জন্য এটি একটি বিশাল প্রতীকী জয়, কারণ এর মাধ্যমে খনিজ সম্পদের আন্তর্জাতিক মূল্য নির্ধারণের নিয়ন্ত্রণ এখন সরাসরি বেইজিংয়ের হাতে চলে এসেছে।
লোহার পাশাপাশি জ্বালানি তেলের বাজারেও এখন ডলার সরিয়ে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ছে। এমনকি গোল্ডম্যান স্যাক্সের মতো শীর্ষস্থানীয় মার্কিন ব্যাংকগুলোও এখন স্বল্প সুদের কারণে চীনের অফশোর ঋণ বাজারের দিকে ঝুঁকছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসার অনিশ্চয়তা এবং ডলারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এড়াতে বিশ্বের অনেক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এখন রেনমিনবি বা ইউয়ানে লেনদেন বাড়াচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে অন্যান্য খনিজ আমদানির ক্ষেত্রেও ডলারের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ফোর্বস।
হরমুজ প্রণালি কি খুলবে? বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি চিন পিং মেগা বৈঠকের আলোচ্যসূচি ফাঁস
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভয়াবহ সংঘাতের পর বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে বেইজিংয়ের দিকে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ১৪ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর আলোচনার প্রধান ইস্যু হবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় সচল করা।
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের দূত ফু কং জানিয়েছেন, এই মুহূর্তের সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য প্রণালিটি খুলে দেওয়া। যদি বৈঠকের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, তবে এটিই হবে দুই পরাশক্তির আলোচনার শীর্ষ অগ্রাধিকার।
এদিকে মার্কিন আইন অনুযায়ী, যুদ্ধের অনুমোদন না পেলে ৬০ দিন পর সরকারকে সামরিক তৎপরতা গুটিয়ে নিতে হয়। সেই সময়সীমা ১ মে শেষ হওয়ার পর ট্রাম্প কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে, গত ৭ এপ্রিলের পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আর কোনো সরাসরি গুলি বিনিময় হয়নি এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘শত্রুতামূলক কার্যক্রম’ আপাতত শেষ হয়েছে।
তবে সরাসরি যুদ্ধ থামলেও স্থায়ী কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি ওয়াশিংটন ও তেহরান। এই অচলাবস্থা কাটাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান এখন ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ করছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, তেহরানের নতুন প্রস্তাব নিয়ে তাঁরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন, যা কুয়েতসহ আরব দেশগুলোও ইতিবাচকভাবে দেখছে।
তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও কড়া সুর পাওয়া যাচ্ছে। ইরানের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে। তাদের অভিযোগ, ওয়াশিংটন কোনো আন্তর্জাতিক আইন বা চুক্তি যথাযথভাবে রক্ষা করে না। ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ও অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নমনীয় হতে রাজি নয়।
যদিও আলজাজিরা দাবি করেছে, ইরান তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি থেকে সরে এসে একটি সংশোধিত প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই টানাপোড়েনের মাঝেই বেইজিং বৈঠক এখন বিশ্ব শান্তির জন্য শেষ আশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
বাংলাদেশ-ভারত ভিসা নিয়ে বড় সুখবর! ফিরছে আগের সেই সহজ যাতায়াত
বাংলাদেশ ও ভারতের পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এল মে মাসের এই প্রথম সপ্তাহ। দীর্ঘ ১৮ মাস নানা টানাপোড়েন ও সীমাবদ্ধতার পর দুই দেশই তাদের পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে। অন্যদিকে, ভারতও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধাপে ধাপে তাদের সব ক্যাটাগরির ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান যখন দিল্লি সফর করেন, তখন তাঁর আলোচনার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা ছিল এই ভিসা সহজীকরণ।
বর্তমানে দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানিয়েছেন যে, নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা ও চেন্নাইসহ ভারতের সব এলাকায় বাংলাদেশের ভিসা কেন্দ্রগুলো এখন সচল। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই তাদের দিক থেকে কার্যক্রম স্বাভাবিক করায় এখন দিল্লির পক্ষ থেকে দ্রুত ফিরতি পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে, বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ভারতের ভিসা সেবাগুলো আগের মতো স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে। গত বছর ডিসেম্বরে এবং চলতি বছরের শুরুতে কারিগরি ও নিরাপত্তা জনিত কারণে ভিসা সেবা সীমিত করা হলেও, এখন দুই দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সব বাধা দূর করা হচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার ওলটপালট: দ্রুত শেষ হচ্ছে আমেরিকার একতরফা দাপটের দিন
ব্রাজিলের প্রভাবশালী রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও ডি আগুইয়ার প্যাট্রিওটা সম্প্রতি এক বক্তৃতায় আধুনিক বিশ্বের এক অন্ধকার ও অনিশ্চিত চিত্র তুলে ধরলেও একই সঙ্গে এক নতুন আশার সুর শুনিয়েছেন। তাঁর মতে, বর্তমান পৃথিবী জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় এবং লাগামহীন সামরিক বাজেটের চাপে পিষ্ট।
তবে এই নৈরাজ্যের মধ্যেই ‘গ্লোবাল নর্থ’ বা উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে একটি স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে। একদিকে রয়েছে একক আধিপত্যবাদী পরাশক্তি (যুক্তরাষ্ট্র), অন্যদিকে দাঁড়িয়ে আছে বহুপাক্ষিকবাদে বিশ্বাসী এক বিশাল বিশ্ব গোষ্ঠী। রাষ্ট্রদূত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অত্যন্ত অজনপ্রিয় এবং অবৈধ যুদ্ধটি প্রমাণ করেছে যে, বিশ্বকে আর কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়।
প্যাট্রিওটার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এক কঠোর বাস্তবতা—আমেরিকার সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অন্ধকার যুগটি এখন দ্রুত সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির সংকটে মার্কিন নৌ-বাহিনীর অসহায়ত্ব ও কৌশলগত ব্যর্থতা আমেরিকার একক আধিপত্যের পতনকে ত্বরান্বিত করেছে।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো এখন উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, নিরাপত্তার জন্য আমেরিকার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে। ইউক্রেন সংকটে ইউরোপের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থতা এবং পারস্য উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোকে দেওয়া মার্কিন নিরাপত্তা বলয়ের ভঙ্গুর রূপ এখন সবার সামনে স্পষ্ট।
ব্রাজিলীয় রাষ্ট্রদূতের মতে, বিশ্বের দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে যে কোনো একটি নির্দিষ্ট শক্তির লেজুড়বৃত্তি না করে বহুমুখী ও বৈচিত্র্যময় বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলাই দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার একমাত্র পথ।
ওয়াশিংটনের একতরফা নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করার প্রবণতাই মূলত তাদের বন্ধুহীন করে তুলছে এবং বিশ্বকে একটি বহু-মেরুকেন্দ্রিক (Multipolar) ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাঁর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আগামীর বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে বড় ধরনের ওলটপালট হতে যাচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মার্কিন রণতরী হবে কবরস্থান!আমেরিকাকে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের
- সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হচ্ছে এলপিজির নতুন মূল্য তালিকা
- ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়: আবহাওয়া অফিসের দীর্ঘমেয়াদী সতর্কতা
- সংস্কারের বদলে নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ
- ট্রাম্পের সামনে মাত্র দুটি পথ! আইআরজিসি-র হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে ওয়াশিংটন
- অ্যাপ নামালেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাফ! সাইবার দস্যুদের নতুন কৌশলে দিশেহারা মানুষ
- ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখানের পথে ট্রাম্প: যেকোনো সময় হামলার কড়া হুঁশিয়ারি
- ৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৩ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৩ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সরকার বা পদ কোনোটিই চিরস্থায়ী নয়: জনপ্রশাসনকে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- মাধ্যমিক শিক্ষায় এআই বিপ্লব! চীন সরকারের সহায়তায় স্কুলে স্কুল বসছে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’
- চিরকাল তারুণ্য ধরে রাখার মূলমন্ত্র: সহজ কিছু অভ্যাসেই ত্বকের বয়স থমকে যাবে
- জেলের বড়শিতে আটকাল কালো ব্যাগ: মিলল যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি ছাত্রীর মরদেহ
- স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাব: ট্রাম্পের টেবিলে এখন মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্য
- ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন: মাঠ প্রশাসনের জন্য একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা
- ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে পারবে না বিএনপি: সারোয়ার তুষার
- শুধু মিসাইল নয়, ইরানকে রক্ষায় ‘কূটনৈতিক ঢাল’ হয়ে দাঁড়াল রাশিয়া: বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র
- কেন আবারও বাড়ছে স্বর্ণের দাম? স্বর্ণের দর বৃদ্ধিতে নতুন মূল্য নির্ধারণ করল বাজুস
- আজ রাজধানীতে কোথায় কোন কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে সতর্ক থাকুন
- আজ রোব্বার ঢাকার যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক ওয়াক্ত
- দুপুর ১টার মধ্যেই ঢাকাসহ ১৩ জেলায় ঝড়ের তান্ডব! ১ নম্বর সতর্কসংকেত জারি
- শান্তি না কি নতুন যুদ্ধ? ট্রাম্পের বার্তার পর উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি
- ডলারের দিন কি তবে শেষ? চীনা মুদ্রার কাছে হার মানছে বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি
- অবিবাহিতদের ক্যানসার ঝুঁকি বেশি! গবেষণায় উঠে এল ভয়ংকর তথ্য
- রাত ১টার মধ্যে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের সতর্কতা: ৭ অঞ্চলে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত
- গোপনে ও প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করছে দুটি দল: নাম না নিয়ে কাদের ইঙ্গিত করলেন প্রধানমন্ত্রী?
- হরমুজ প্রণালি কি খুলবে? বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি চিন পিং মেগা বৈঠকের আলোচ্যসূচি ফাঁস
- ঢাকার যানজট থেকে মুক্তি? পথে আর থামবে না কোনো গাড়ি!
- বাংলাদেশ-ভারত ভিসা নিয়ে বড় সুখবর! ফিরছে আগের সেই সহজ যাতায়াত
- বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার ওলটপালট: দ্রুত শেষ হচ্ছে আমেরিকার একতরফা দাপটের দিন
- মেয়র হলে লাগবে না ময়লার বিল: আসিফ মাহমুদ
- শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝে এমআরটি ক্লাবের খেলনা সামগ্রী বিতরণ
- সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে নতুন ইতিহাস: উদ্বোধন হলো প্রধানমন্ত্রীর মেগা প্রকল্প
- আমি নিজেও একজন কৃষক কুমিল্লায় গর্বের সঙ্গে নিজের পরিচয় দিলেন কৃষিমন্ত্রী
- ইরানের যুদ্ধের গর্জন: ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর চরম উত্তেজনা!
- ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার: পলিথিনে মোড়ানো ছিল নৃশংসতা
- ঘরে ঘরে যাবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী: সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাস্টারপ্ল্যান
- থানায় ওসির রুমে ঢুকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন: ‘দলের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নিলে দায়ী আপনি’
- উইলস লিটল ফ্লাওয়ারে বিচারপতির বিরুদ্ধে শিক্ষক হেনস্তার অভিযোগ: আইনমন্ত্রী যা বললেন
- মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেই শাহজালালের দরগায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- গরমে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়
- ৫ মিনিটে ইন্টারনেটের স্পিড দ্বিগুণ করার উপায়: রাউটার রাখুন সঠিক জায়গায়
- ফ্লোরিডায় মেধাবীদের খুনি কে? পুলিশের বিশেষ অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর মোড়
- পাম্পে গাড়ির লাইনের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে: জ্বালানিমন্ত্রী
- ৮ হাজার মিটারের ৫টি পর্বত জয়: বাবর আলীর হাত ধরে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ
- আজকের টাকার রেট: জেনে নিন প্রবাসী ভাইদের জন্য বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- মধ্যপ্রাচ্যে ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এখন ধ্বংসস্তূপ
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিনিদের রায়: ৬১ শতাংশ নাগরিকই বলছেন এই যুদ্ধ একটি ‘ভুল’
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়








