৫ মিনিটে ইন্টারনেটের স্পিড দ্বিগুণ করার উপায়: রাউটার রাখুন সঠিক জায়গায়

দামী ইন্টারনেট প্যাকেজ বা হাই-কনফিগারেশনের রাউটার কিনলেই ইন্টারনেটের গতি ভালো পাওয়া যাবে—এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাউটার বসানোর জায়গাটিই এখানে মূল ফ্যাক্টর। ওয়াইফাই সিগন্যাল মূলত রেডিও ওয়েভ, যা চোখে দেখা না গেলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় বাধাগ্রস্ত হয়। দূরত্ব, দেয়াল, আসবাবপত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের কারণে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে, যা আপনার ব্রাউজিং বা গেমিং এক্সপেরিয়েন্সকে ধীর করে দেয়।
যেসব জায়গায় রাউটার রাখা ইন্টারনেটের জন্য ‘বিষ’
১. টিভির পেছনে বা খুব কাছে
স্মার্ট টিভির ধাতব অংশ ওয়াইফাই সিগন্যালকে শুষে নেয়। টিভির পাশে বা পেছনে রাউটার রাখলে সিগন্যাল ড্রপ হওয়া প্রায় নিশ্চিত।
২. বন্ধ আলমারি বা ড্রয়ারের ভেতর
ঘরের সৌন্দর্য রক্ষায় আমরা অনেকেই রাউটারকে ক্যাবিনেট বা আলমারির ভেতর লুকিয়ে রাখি। এতে সিগন্যাল ঠিকমতো ছড়াতে পারে না।
৩. অন্য তলায় বা মেঝেতে
ওয়াইফাই সিগন্যাল সাধারণত ওপর থেকে নিচে ছড়ায়। তাই মেঝেতে বা কার্পেটের ওপর রাউটার রাখলে এর অর্ধেক সিগন্যাল মেঝেই শুষে নেয়।
৪. অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসের পাশে
ওভেন, মাইক্রোওয়েভ বা ব্লুটুথ ডিভাইস যেসব ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে, তা ওয়াইফাই সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়।
সিগন্যাল শক্তিশালী করার গোপন কৌশল
রাউটার রাখার আদর্শ জায়গা হলো ঘরের একদম মাঝখানের কোনো একটি উঁচু এবং খোলা জায়গা। বিশেষজ্ঞরা রাউটারকে অন্তত পাঁচ থেকে ছয় ফুট উচ্চতায় কোনো সেলফে রাখার পরামর্শ দেন। জানালা বা দরজার খুব কাছে রাউটার রাখবেন না, কারণ এতে সিগন্যাল ঘরের বাইরে চলে যায়। আর যদি রাউটারে একাধিক অ্যান্টেনা থাকে, তবে সেগুলো ভিন্ন ভিন্ন দিকে (একটি সোজা, অন্যটি কাত করে) মুখ করে রাখলে ঘরের কোণায় কোণায় সমানভাবে ইন্টারনেট পৌঁছাবে।
সূত্র: জিও নিউজ
দশকের শেষেই মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই: পদত্যাগ করে বিস্ফোরক গবেষক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুতগতির বিকাশ এবং ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ অর্জনের অন্ধ প্রতিযোগিতা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন খোদ প্রযুক্তিটির শীর্ষ গবেষকরা। ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানে জিপিটি-৪ও মডেলের প্রি-ট্রেনিং ধাপে কাজ করা তরুণ গবেষক জ্যাকব কক্সন সম্প্রতি পদত্যাগ করে এক্সে এক বিস্ফোরক পোস্টে জানান, চলতি দশকের শেষ নাগাদ এই অতিমানবীয় ব্যবস্থা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
তাঁর মতে, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিক ঝুঁকি জেনেও মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে এবং এমন এক ব্যবস্থা তৈরি করছে যা নিজে থেকেই নিজেকে উন্নত করতে পারবে। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান গবেষক ইভান হুবিঙ্গারও কক্সনের সতর্কবার্তাকে সমর্থন করে জানান, আগামী এক দশকে এআইয়ের মাধ্যমে মানবজাতি ধ্বংসের ঝুঁকি ১০ শতাংশেরও বেশি।
বার্কলের এআই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্টুয়ার্ট রাসেলের মতে, নিয়ন্ত্রণহীন সুপারইন্টেলিজেন্স যদি মানুষকে প্রতিবন্ধক মনে করে, তবে এটি জৈব অস্ত্র তৈরি, পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা হ্যাক কিংবা সামরিক ব্যবস্থায় সাইবার হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এদিকে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, উনবিংশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের মতো বর্তমানেও গুটিকয়েক শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্ট—যেমন অ্যালফাবেট, মেটা, ওপেনএআই ও এক্সএআই—বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে এই প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছে, যাদের অগ্রযাত্রায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ‘ব্রেক পেডাল’ নেই।
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সুপারইন্টেলিজেন্সের উত্থানে হোয়াইট কালার বা বুদ্ধিবৃত্তিক চাকরির অর্ধেকই বিলুপ্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক বেকারত্বের হার বর্তমানের ৪.৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশে নিয়ে ঠেকানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।
/আশিক
ইন্টারনেট বা ডেটা ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের ৫টি সহজ উপায়
জরুরি প্রয়োজনে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও বা নেটওয়ার্কহীন দুর্গম এলাকায় অবস্থান করলেও গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই ছাড়া অফলাইন ম্যাপ ব্যবহারের জন্য পাঁচটি কার্যকর প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ ও সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ম্যাপ ব্যবহারের মূল উপায়গুলোর মধ্যে প্রথম ও প্রধান কাজ হলো যাত্রার আগেই অ্যাপের প্রোফাইল থেকে ‘Offline maps’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় এলাকার মানচিত্র ডাউনলোড করে রাখা। এ ক্ষেত্রে শুধু মূল গন্তব্য নয়, পুরো যাত্রাপথটি ডাউনলোড করা ম্যাপের সীমানার ভেতরে রাখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও স্মার্টফোনের নিজস্ব জিপিএস (লোকেশন) চালু রাখলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শনাক্ত করা যায়; যদিও ঘনবসতি বা সুড়ঙ্গে সিগন্যালে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তৃতীয়ত, যাত্রা শুরুর আগেই ইন্টারনেট থাকা অবস্থায় পুরো রুট ও টার্নিং পয়েন্টগুলো একবার দেখে নেওয়া নিরাপদ। চতুর্থত, রাস্তার পরিবর্তন সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত অফলাইন ম্যাপ আপডেট করে নেওয়া উচিত। পঞ্চমে, বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগেই মোবাইল ডেটা বন্ধ করে ডাউনলোড করা ম্যাপ ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা একবার পরীক্ষা করে নেওয়া শ্রেয়।
তবে অফলাইন সংস্করণে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে লাইভ ট্রাফিক বা রিয়েল-টাইম যানজট, তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনা বা রাস্তা বন্ধের আপডেট পাওয়া যায় না। এ ছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী বিকল্প রুট বেছে নেওয়া, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কিংবা সাইকেলের জন্য সুনির্দিষ্ট নেভিগেশন সুবিধা অফলাইনে সীমাবদ্ধ থাকে। ডাউনলোড করা সীমানার বাইরে গেলে অ্যাপ আর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারে না। তাই নির্বিঘ্ন সফরের জন্য আগে থেকেই পুরো পথের ম্যাপ ডাউনলোড ও নিয়মিত হালনাগাদ রাখাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
/আশিক
জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা ও ভবিষ্যৎ এআই: মানব মূল্যবোধ রক্ষা কতটা কঠিন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত বিকাশ একসময় মানব মস্তিষ্কের সক্ষমতাকেও অতিক্রম করতে পারে, অথচ সম্ভাব্য সেই পরিস্থিতির জন্য বৈশ্বিক প্রস্তুতি এখনো অত্যন্ত অপ্রতুল। এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রযুক্তিবিশ্বকে সতর্ক করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর প্রধান বিজ্ঞানী জাকুব পাচোকি। অত্যন্ত অগ্রসর পর্যায়ের এআইকে তিনি মানুষের অচেনা এক ‘ভিনগ্রহের বুদ্ধিমত্তা’ বা এলিয়েন মাইন্ডের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ওপেনএআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগে প্রকাশিত এক লেখায় জাকুব পাচোকি উল্লেখ করেন, যন্ত্রের মেধার যে উল্লম্ফন ঘটছে, তার সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে গোটা বিশ্বকে আরও সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রযুক্তি যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, তার পরিণতি মোকাবেলার মতো প্রস্তুতি মানবসমাজের এখনও নেই। একক কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই বহুমুখী ঝুঁকি সামলানো অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো প্রযুক্তি খাতকেই এ বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যৌক্তিক বিশ্লেষণভিত্তিক এআইয়ের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকেই ক্রমাগত নিখুঁত করতে সক্ষম হবে, তখন এর অগ্রগতির গতি আরও তীব্র আকার ধারণ করবে।
প্রযুক্তির ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে ‘রিকার্সিভ সেল্ফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ বা স্বয়ংক্রিয় আত্মউন্নয়ন বলা হয়। এর ফলে মানুষের সরাসরি সাহায্য ছাড়াই এআই নিজে থেকেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। পাচোকির মতে, মূল সংকটটি তৈরি হবে ঠিক এখানেই। মানুষের সব কাজে এআই পারদর্শী না হলেও নির্দিষ্ট কিছু স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যদি এটি মানুষকে ছাড়িয়ে যায়, তবে বাস্তব জীবনে তার প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।
অত্যন্ত শক্তিশালী এই প্রযুক্তি যেন মানুষের বিরুদ্ধে না গিয়ে মানবকল্যাণে নিয়োজিত থাকে, সেটি নিশ্চিত করাই এখন এআই গবেষণার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই সুরক্ষাব্যবস্থাকে প্রযুক্তিবিদরা ‘এআই অ্যালাইনমেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। পাচোকি স্পষ্ট করেন, এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় সবচেয়ে জরুরি। প্রথমটি হলো ‘গোল অ্যালাইনমেন্ট’, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় এআই কেবল নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভেতরে থেকেই দায়িত্ব পালন করবে। দ্বিতীয়টি হলো ‘ভ্যালু অ্যালাইনমেন্ট’, যা কোনো জটিল ও অনিশ্চিত প্রেক্ষাপটে এআইকে মানুষের নৈতিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাদের সাম্প্রতিক মডেল ‘জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা’ পূর্ববর্তী সংস্করণ ‘জিপিটি-৫.৬ সল’-এর তুলনায় নিরাপত্তা ও মানব-মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওপেনএআইয়ের এই প্রধান বিজ্ঞানী। তিনি জানান, বিদ্যমান নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কম্পিউটার সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে এআই মডেলগুলো ইতোমধ্যেই মানুষের দক্ষতাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছে। তাই সংকট তীব্র হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ভবিষ্যতে এমন সক্ষম প্রযুক্তির অসৎ বা ধ্বংসাত্মক ব্যবহার বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এআই যত বেশি স্বয়ংক্রিয় হবে, মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং যন্ত্রের নিজস্ব কার্যকলাপের মধ্যকার পার্থক্যও ততটাই ঘোলাটে হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
ভবিষ্যতে মানুষের বহু দায়িত্ব এআই নিজেই করে ফেলার সামর্থ্য অর্জন করলেও মানুষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বা ‘হিউম্যান এজেন্সি’ বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন পাচোকি। প্রযুক্তির উত্থানে যেন মানুষের ভূমিকা ও মর্যাদা গৌণ হয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত এআই ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বজনীন নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি না হওয়া পর্যন্ত প্রযুক্তির বিকাশের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর নীতিগত সমন্বয়ের ওপরও জোর দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী। সংক্ষেপে, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের সমান্তরালে কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদার করার স্পষ্ট বার্তা রয়েছে পাচোকির এই মূল্যায়নে।
/আশিক
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরি
বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান মূল্য ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের প্রেক্ষাপটে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে কেবল উচ্চ ওয়াটের প্যানেল কিনলেই সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত হয় না; বরং একটি কার্যকর ও টেকসই সোলার সিস্টেম গড়ে তুলতে বিদ্যুতের দৈনিক চাহিদা, সঠিক প্যানেল নির্বাচন, ইনভার্টারের সামঞ্জস্য, প্রয়োজনীয় ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং ছাদের সূর্যালোকের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন।
সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রাথমিক শর্ত হলো গৃহস্থালি বা বাণিজ্যিক যন্ত্রপাতির দৈনিক মোট ওয়াট ও ব্যবহারের সময় হিসাব করে প্রকৃত বিদ্যুতের চাহিদা নির্ধারণ করা। চাহিদা না জেনে বড় প্যানেল কিনলে অতিরিক্ত খরচ বা অকার্যকর ব্যবস্থার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া শুধু ওয়াট দেখলেই চলবে না; আবহাওয়া, তাপমাত্রা ও ছাদের ছায়ার বিষয়টিও উৎপাদনে প্রভাব ফেলে। বাজারে প্রচলিত মনোক্রিস্টালাইন, পলিক্রিস্টালাইন, এন-টাইপ কিংবা বাইফেসিয়ালের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মধ্য থেকে ছাদের জায়গা ও বাজেট অনুযায়ী সঠিক প্যানেলটি বেছে নেওয়া জরুরি।
পাশাপাশি সরাসরি সূর্যালোক পাওয়ার নিশ্চয়তা, অন-গ্রিড, অফ-গ্রিড বা হাইব্রিড ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে মানসম্মত ইনভার্টার এবং প্রয়োজনীয়তা বুঝে সঠিক ক্ষমতার ব্যাটারি নির্বাচন করা আবশ্যক। প্রতিটি উপাদানের মধ্যে সুষম সমন্বয় নিশ্চিত করে অভিজ্ঞ ইনস্টলারের সহায়তায় সোলার সিস্টেম স্থাপন করলে একদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত খরচ এড়ানো যায়, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হয়।
/আশিক
সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহের রহস্য উন্মোচনে বড় মাইলফলকের সামনে বিজ্ঞানীরা
সৌরজগতের সবচেয়ে কম অন্বেষণ করা এবং সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী গ্রহ বুধের রহস্য উন্মোচনে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে বহুল প্রতীক্ষিত যৌথ মহাকাশ মিশন ‘বেপিকোলম্বো’। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) এবং জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির (জেএএক্সএ) এই উচ্চাভিলাষী মিশনটি ২০১৮ সালের অক্টোবরে ফ্রেঞ্চ গায়ানার স্পেসপোর্ট থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রখ্যাত ইতালীয় গণিতবিদ ও প্রকৌশলী জিউসেপ ‘বেপি’ কলম্বোর নামানুসারে পরিচালিত যানটি দীর্ঘ আট বছরের মহাজাগতিক যাত্রায় প্রায় ৬০০ কোটিরও বেশি মাইল পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে বুধের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
সরাসরি যাত্রাপথ বেছে নিলে যানটি অনেক আগেই বুধের নাগাল পেত, তবে তীব্র গতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জই যাত্রাকাল দীর্ঘায়িত করেছে। যানটিকে বুধের কক্ষপথে নিখুঁতভাবে থিতু করার স্বার্থে বুধ গ্রহের গতির সঙ্গে যানের গতিকে সুনির্দিষ্টভাবে সমন্বয় করতে হয়েছে, যা মহাকাশবিজ্ঞানের অন্যতম জটিল কারিগরি প্রক্রিয়া। এছাড়া সূর্যের তীব্র সান্নিধ্যে অবস্থান করায় বুধের দিনের বেলার তাপমাত্রা প্রায় ৪৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। চরম উত্তপ্ত ও প্রতিকূল এই পরিস্থিতি সামাল দিয়েই যানটিকে টিকে থাকতে হচ্ছে।
অভিযানটির অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ ও রোমাঞ্চকর ধাপটি বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এদিন মূল যানটি থেকে আলাদা হয়ে যাবে এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘ট্রান্সফার মডিউল’। এরপর আগামী ২১ নভেম্বর ইএসএ-এর ‘এমপিও’ এবং জাপানের ‘এমআইও’ নামের পৃথক দুটি অরবিটার বুধের নিজস্ব মহাকর্ষীয় বলের টানে গ্রহটির কক্ষপথে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবেশ করবে।
পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আগামী এপ্রিল নাগাদ অরবিটার দুটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহের মূল অভিযান শুরু করবে। ক্ষুদ্র আকৃতির হওয়া সত্ত্বেও বুধ কেন অস্বাভাবিক মাত্রায় ঘন, এর ভূতাত্ত্বিক গঠন কেমন এবং গ্রহটির উপরিভাগের রহস্যময় গহ্বর বা ‘হলোজ’ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে—বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো এসব জটিল মহাজাগতিক প্রশ্নের সুস্পষ্ট উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবেন।
/আশিক
প্রযুক্তিপ্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বড় চমক আনতে পারে অ্যাপল
চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই নিজেদের বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ‘আইফোন ১৮ প্রো’ ও ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’ উন্মোচন করতে পারে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। নতুন এই দুই মডেলে ক্যামেরা প্রযুক্তি, প্রসেসর, ব্যাটারি সক্ষমতা এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্সে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যমে ফোন দুটির সম্ভাব্য দাম, নতুন রং ও স্পেসিফিকেশন নিয়ে নানা তথ্য ফাঁস হয়েছে।
এনডিটিভির বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস থিয়েটারে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের এই প্রো সিরিজ উন্মোচন করা হতে পারে, যা অনুষ্ঠানের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে। বিশেষ করে ব্যবহারকারীদের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাকআপের সুবিধা দিতে প্রো ম্যাক্স সংস্করণে আরও বড় ব্যাটারি এবং সাশ্রয়ী চিপ ব্যবহারের ইঙ্গিত মিলেছে, যদিও অ্যাপল এখনও ব্যাটারির আনুষ্ঠানিক সক্ষমতা প্রকাশ করেনি।
ক্যামেরা প্রযুক্তিতে বড় ধরনের আধুনিকায়নের ইঙ্গিত মিলেছে টম’স গাইডের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, আইফোন ১৮ প্রো মডেলে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপের তিনটি সেন্সরই—মেইন, আল্ট্রা-ওয়াইড ও টেলিফটো—৪৮ মেগাপিক্সেলের হতে পারে। এর পাশাপাশি লেন্স দিয়ে আলো প্রবেশের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ভ্যারিয়েবল-অ্যাপারচার ক্যামেরা ব্যবস্থা যুক্ত করার জোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্বল্প আলোসহ বিভিন্ন পরিবেশে ছবি তোলার নিয়ন্ত্রণ গ্রাহকের হাতে আরও স্পষ্টভাবে তুলে দেবে। তবে বেশ কিছু অতি-উন্নত ক্যামেরা ফিচার কেবলমাত্র শীর্ষ সংস্করণ ‘আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স’-এর জন্য সংরক্ষিত রাখা হতে পারে।
প্রসেসরের ক্ষেত্রে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের ‘এ২০ প্রো’ চিপ ব্যবহারের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক পোর্টাল ম্যাকরিউমার্সের তথ্যমতে, এই চিপটি অত্যাধুনিক ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে পারে, যা প্রসেসিং সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যুতের অপচয় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। ফলে ফোনের সার্বিক পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যাটারির স্থায়িত্বেও বড় উন্নতি দেখা যাবে। এছাড়া ম্যাকওয়ার্ল্ডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন মডেল দুটি ডার্ক চেরি, লাইট ব্লু, ডার্ক গ্রে এবং সিলভার—এই চারটি সম্ভাব্য রঙে বাজারে আনা হতে পারে।
মূল্যের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে প্রযুক্তি পোর্টাল স্মার্টপ্রিক্স ও বিবম গ্যাজেটস জানিয়েছে, ভারতের বাজারে আইফোন ১৮ প্রো-এর প্রারম্ভিক দাম আনুমানিক ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ রুপি হতে পারে। এদিকে ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভাইস দুটির আনুষ্ঠানিক বিক্রি শুরু হওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। তবে মূল্য, রং, ব্যাটারি কিংবা বাজারে ছাড়ার সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি, ফলে বিস্তারিত জানার জন্য প্রযুক্তিপ্রেমীদের চোখ রাখতে হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের অফিশিয়াল ইভেন্টে।
/আশিক
সেবা শেষে এবার বকশিশও দাবি করছে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি
রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন, কফি তৈরি কিংবা ককটেল বানানোর মতো সেবামূলক কাজে রোবটের ব্যবহার এখন আর নতুন কোনো দৃশ্য নয়। তবে কাজের পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় এসব যন্ত্র এখন গ্রাহকের কাছে ‘টিপস’ বা বকশিশও দাবি করছে। যন্ত্রের এমন আর্থিক দাবি নতুন এক নৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—রোবটকে দেওয়া সেই অর্থ শেষ পর্যন্ত কার পকেটে যাচ্ছে? বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি এই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
লাস ভেগাসের একটি স্বয়ংক্রিয় বারে রোবটের তৈরি ১৭ ডলারের ককটেলের সঙ্গে বাধ্যতামূলক ১০ শতাংশ ‘সার্ভিস ফি’ যুক্ত করা হচ্ছে, নিউইয়র্কের রোবট কফি শপে ডিজিটাল টিপ দেওয়ার অপশন রাখা হয়েছে এবং এমনকি নিউয়ার্ক লিবার্টি বিমানবন্দরের সম্পূর্ণ কর্মীহীন কিয়স্কেও পানীয় কেনার সময় টিপস দেওয়ার প্রস্তাব ভেসে উঠছে স্ক্রিনে।
সাধারণত কোনো মানবকর্মীর ভালো সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে বা তাঁর বাড়তি আয়ের সুবিধার্থে মানুষ স্বেচ্ছায় বকশিশ দিয়ে থাকে। তবে রোবটের ক্ষেত্রে সেই টাকা কার হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা নিয়ে রয়েছে চরম অস্বচ্ছতা। বিশ্লেষকদের মতে, রোবটের জন্য নেওয়া টিপসের বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি হয়নি।
ফলে গ্রাহকের দেওয়া এই অর্থ কোথাও প্রতিষ্ঠানের সাধারণ মানবকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলেও, অনেক ক্ষেত্রে তা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত মুনাফা হিসেবে জমা হচ্ছে। লেহাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হলোনা ওকস উল্লেখ করেছেন, কিছু অসাধু প্রতিষ্ঠান রোবটকে সামনে রেখে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া টিপস নিজেদের তহবিলে রেখে দেওয়ার সুযোগ নিচ্ছে, যদিও বিষয়টি প্রমাণের পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন। তবে অনেক প্রতিষ্ঠান এই অর্থ মানবকর্মীদের মাঝে বণ্টন করার কথা জানিয়েছে এবং গ্রাহকদের অসন্তোষের মুখে কেউ কেউ রোবট থেকে টিপসের অপশন পুরোপুরি সরিয়েও নিয়েছে।
সেবা খাতে রোবটের ব্যবহারকারীরা যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, কর্মীসংকটের সময়ে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে কর্মক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে, যার ফলে মানবকর্মীরা টেবিল সার্ভিস বা অন্যান্য জটিল কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির আড়ালে একদিকে যেমন কর্মীদের বিকল্প হিসেবে যন্ত্র বসিয়ে কর্মসংস্থান কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে কম মজুরির চাপ তৈরি হচ্ছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ রোবট বারটেন্ডারকে টিপ দিতে আগ্রহী, তবে সেই অর্থ কোনো মানবকর্মীর কাছে যাবে—এমন নিশ্চয়তা পেলে প্রায় ৪২ শতাংশ গ্রাহক টিপস দিতে রাজি হন।
সামাজিক দায়বদ্ধতা, সেবার স্বীকৃতি কিংবা সহানুভূতি—যেসব মনস্তাত্ত্বিক কারণে মানুষ সচরাচর বকশিশ দেয়, যন্ত্রের ক্ষেত্রে তার কোনোটিই পুরোপুরি খাটে না। প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সাথে সাথে সেবা খাতে এমন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা হয়তো আরও বাড়বে, তবে স্ক্রিনে ভেসে ওঠা টিপসের বিকল্পটি দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়ার ওপর। ফলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবট অর্থ চাইলেও মূল বিতর্কটি থেকেই যাচ্ছে—এই বাড়তি অর্থের সুফল কার কাছে পৌঁছাচ্ছে, যন্ত্রের পেছনে থাকা কর্মীদের কাছে, নাকি প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের কাছে?
/আশিক
বহু প্রতীক্ষিত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হচ্ছে অ্যাপল, রয়েছে বড় চমক
আসন্ন ৯ সেপ্টেম্বর নতুন প্রজন্মের আইফোনসহ একাধিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তিপণ্য উন্মোচনের লক্ষ্যে বিশেষ এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোতে অবস্থিত প্রধান কার্যালয় ‘অ্যাপল পার্ক’-এ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বিশেষ আয়োজনের মূল ভাব বা ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’।
প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এবারের আয়োজনটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করছে নেতৃত্বের পরিবর্তনের কারণে। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়, অর্থাৎ ২০১১ সাল থেকে সফলভাবে অ্যাপলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসা টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন জন টার্নাস। ফলে তাঁর নেতৃত্বে প্রধান হিসেবে অ্যাপলের নতুন কোনো প্রযুক্তিপণ্য উন্মোচনের এটিই হবে সর্বপ্রথম বৈশ্বিক মঞ্চ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, এবারের আয়োজনে মূলত আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স মডেল দুটি আত্মপ্রকাশ করতে পারে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নতুন এই দুটি সংস্করণে বড় কোনো আকস্মিক পরিবর্তন না এনে পূর্ববর্তী ফিচারের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত আইফোন ১৮ মডেলটি এবার নাও দেখা যেতে পারে; বরং আগামী বছরের কোনো এক সময়ে তা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
এবারের অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক ও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বহুল আলোচিত ফোল্ডেবল আইফোন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান স্যামসাংসহ অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে, যেখানে অ্যাপল এখনো পর্যন্ত প্রথাগত কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে অ্যাপল যদি সত্যিই ভাঁজযোগ্য ফোনের ঘোষণা দেয়, তবে তা হবে প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য এক বিশাল বিস্ময়।
স্মার্টফোনের পাশাপাশি আয়োজনে অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং নতুন সংস্করণের অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা প্রদর্শনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে স্মার্ট-হোম প্রযুক্তির আওতায় কয়েকটি নতুন গৃহস্থালি গ্যাজেটও উন্মোচিত হতে পারে। এছাড়া আইওএস ২৭, আইপ্যাডওএস ২৭ এবং ম্যাকওএস গোল্ডেন গেট-এর মতো পরবর্তী প্রজন্মের সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য কবে উন্মুক্ত করা হবে, সেই আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণও একই মঞ্চ থেকে জানানো হতে পারে। নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব, ভাঁজযোগ্য প্রযুক্তি এবং পরবর্তী প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেমের যুগপৎ মেলবন্ধনে ৯ সেপ্টেম্বরের এই ইভেন্টটি অ্যাপলের ইতিহাসে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে।
/আশিক
১০০ মিটারের স্প্রিন্টে অভাবনীয় কীর্তি: রোবটের দৌড়ে বিশ্ব তোলপাড়
মানুষের শারীরিক গতির সক্ষমতাকে রোবট ছাড়িয়ে যেতে পারে কি না, সেই বিতর্ক নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে চীনের তৈরি মানবসদৃশ রোবট ‘তিয়ানগং আল্ট্রা’। বেইজিংয়ে চলমান ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যানয়েড রোবট গেমস’-এর লার্জ-সাইজ ক্যাটাগরির সেমিফাইনালে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে মাত্র ৮.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে বিস্ময়কর এক নতুন রেকর্ড গড়েছে এটি।
এর মাধ্যমে উদ্বোধনী দিনে নিজের গড়া ৯.৩৯ সেকেন্ডের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি রোবটটি কিংবদন্তি স্প্রিন্টার উসাইন বোল্টের ২০০৯ সালের মানব বিশ্বরেকর্ড ৯.৫৮ সেকেন্ডকেও ০.৭২ সেকেন্ডের ব্যবধানে পেছনে ফেলেছে।
বেইজিং হিউম্যানয়েড রোবট ইনোভেশন সেন্টারের উদ্ভাবিত তিয়ানগং আল্ট্রার এমন গতি আসরটির প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৬৬৬টি দলের দুই সহস্রাধিক রোবট ফুটবল, নৃত্য এবং শিল্প কারখানার কাজসহ মোট ৫১টি ভিন্ন ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
তবে দ্রুততম মানবকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এই ঐতিহাসিক দৌড় শেষেই ঘটে এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা। ফিনিশ লাইন অতিক্রমের পর অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে রোবটটি সামনে থাকা একটি পুরু ম্যাটে সজোরে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে এবং এর ভেতরের অংশে আগুন ধরে যায়। এমনকি অন্য একটি সেমিফাইনাল হিটে অংশ নেওয়া আরেকটি রোবট দৌড়ের মাঝপথেই ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর আগে আসরের উদ্বোধনী দিনেও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দৌড় উপহার দেয় তিয়ানগং। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের গতিতে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অনারের রোবট ‘লাইটনিং’কে পরাস্ত করে এটি। ওই হিটে লাইটনিং ৯.৪৭ সেকেন্ড সময় নেয়, যা বোল্টের বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও কম; যদিও এর আগের একটি ট্রায়ালে লাইটনিংয়ের টাইমিং ছিল ৯.৩২ সেকেন্ড।
তিয়ানগংয়ের উন্নতির গ্রাফটি অত্যন্ত লক্ষণীয়, কারণ গত বছর প্রথম আসরে একই ইভেন্টে এটি সময় নিয়েছিল ২১.৫০ সেকেন্ড এবং হিউম্যানয়েড হাফ-ম্যারাথনে ২ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় নিয়ে শীর্ষস্থান পেয়েছিল। এছাড়া ১০০ মিটারের বাইরে ৪০০ মিটারে ৩৮.১৫ সেকেন্ড, ১৫০০ মিটারে ২ মিনিট ২১.৬৪ সেকেন্ড এবং হাইজাম্পে ২.৮৮ মিটারের মতো মানুষের একাধিক বিশ্বরেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি রয়েছে এর ঝুলিতে।
চীনের কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষ বিনিয়োগ তহবিল, ক্লাউড জায়ান্ট বাইদু এবং শাওমির রোবটিক্স ইউনিটের যৌথ অংশীদারিত্বে এই উদ্ভাবনী কেন্দ্রটি পরিচালিত হচ্ছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মোটর এবং আধুনিক সেন্সর প্রযুক্তির সমন্বয়ে এমন হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করে দেশের উৎপাদন, পণ্য পরিবহন ও সেবা খাতে কার্যকরভাবে যুক্ত করাই চীনের মূল লক্ষ্য। এই প্রযুক্তি খাতকে বেইজিং ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও কৌশলগত শিল্প হিসেবে মূল্যায়ন করছে।
তথ্য সূত্র : এনবিসি নিউজ।
পাঠকের মতামত:
- আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ফেডের সুদের হার বাড়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন
- সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনে বড় আঘাত, জ্বালানি বিশ্বে অশনিসংকেত
- শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বড় ঘোষণা
- জুড়ীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটিতে নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, সভা বর্জন
- কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরুর দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের স্মারকলিপি
- তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন
- দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- যে মাঠে অভিষেক সেখানেই জাতীয় দলকে বিদায় বললেন ব্রাজিল কিংবদন্তি নেইমার
- টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য
- দেশের ভেতরে ৩০০ গ্যাসকূপ খনন ও ৫টি এফএসআরইউ করার পরিকল্পনা সরকারের
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়বে জামায়াত
- ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো হতে পারে না: স্পিকার
- ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণের কর মামলায় চেম্বার আদালতের নতুন আদেশ
- সীমান্তে নতুন কৌশল মাদক কারবারিদের, খুলনার সভায় মন্ত্রীর সতর্কতা
- মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- সৌদি ভূখণ্ডে বড় ধরনের সামরিক অভিযান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি
- সাড়ে চার হাজার ইউপিতে ভোট ৭ ধাপে, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর
- সাড়ে চার দশক আগের রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত সংস্থার নতুন তথ্য
- আগামী বছরের হজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি
- ‘শত্রুদের কোনো হুমকিকেই গুরুত্ব দেয় না ইরান’: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইবনুর রেজা
- দেশে অতীতের মতো অন্ধকার যেন আর না আসে: নেতা-কর্মীদের রিজভীর কড়া বার্তা
- এশিয়া কাপের ট্রফি কার হাতে? লঙ্কান বোলারদের উড়িয়ে শুরু ভারতের
- প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে আধুনিক পুলিশিং গড়ে তোলার আহ্বান আইজিপির
- আইবাস প্লাস প্লাসে জটিলতা: নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা
- দশকের শেষেই মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই: পদত্যাগ করে বিস্ফোরক গবেষক
- ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করল এনসিপি
- হারমানপ্রীতের সঙ্গে হাত মেলাননি জ্যোতি: দায় নিতে নারাজ বিসিবি
- গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি
- ৯/১১-র আগেই ভারতে হামলার ছক কষেছিল বিন লাদেন: সিআইএ-র গোপন নথিতে ফাঁস
- একীভূত আয়ারল্যান্ড দেখতে চাই: ডাবলিনে ট্রাম্পের বক্তব্যে তোলপাড় লন্ডন
- দেড় বছরেই অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার: দুর্নীতির পোস্টার বয় আসিফ মাহমুদ
- গ্যাস সংকট কাটাতে নতুন ক্ষেত্রে শেভরনকে বড় বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের নতুন অভিযোগ দুদকে
- যোগ্যতা ছিল না, দুর্নীতির গন্ধ রয়েছে: পুতুলের নিয়োগ নিয়ে তোপ উপদেষ্টার
- বাব আল-মান্দেবে হুথিদের থাবা ও হরমুজে ইরানের কড়া শর্ত: মহায়ুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য?
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সারা বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর: ব্রিকস সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা
- কোনো নাগরিক যেন আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে ব্যবস্থা করেছি: আইনমন্ত্রী
- হজের জন্য বাংলাদেশি পাসপোর্টের কদর তুঙ্গে, দ্রুত সেবার দাবি যুক্তরাজ্যে
- সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম প্রতিস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের
- কালিগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রস্তুতি সভা
- বুকের ব্যথাই শেষ কথা নয়: হার্ট অ্যাটাকের এই লক্ষণগুলো জানেন কি?
- আমদানি ঘাটতির মুখে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি
- নিজের হাতে ভোট থাকলে কাকে দিতেন ব্যালন ডি’অর? জানালেন ডেম্বেলে
- বাব আল-মান্দেব প্রণালি দখল করল হুথিরা
- ডিসেম্বরে না ফিরলে শেখ হাসিনার রাজনীতির মৃত্যু ঘটবে
- কোনো নির্দিষ্ট পরিবারের দেশ নয় বাংলাদেশ, ২০ কোটির মানুষের: বিরোধীদলীয় হুইপ
- লোহিত সাগরের কৌশলগত প্রণালি ঘিরে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা
- দুর্গাপূজায় ইলিশ চেয়ে বাংলাদেশকে চিঠি দিল ভারতের আমদানিকারকরা
- ইরান-আমিরাত দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ব্রিকস সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য: বড় জয় দিল্লির
- শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দর থেকে ফাঁসির মঞ্চে নিতে শহীদ পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস আলম
- অন্তর্বর্তী আমলের চেয়েও খারাপ দিকে যাচ্ছে দেশ, রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি: চরমোনাই পীর
- বিশ্ববাজারে আবারও কমল স্বর্ণের দাম
- হয়রানি করে কোনো কর আদায় নয়, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের নিশ্চয়তা অর্থমন্ত্রীর
- র্যাব অতীত, নতুন স্বচ্ছতায় আসছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি
- শেখ হাসিনার আসতে হবে না, আমরা ধরে আনতে চাই: তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান
- ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় তৎপর দূতাবাস, সংসদে জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- নিজের জীবনের অজানা অধ্যায় প্রকাশ্যে আনলেন ব্ল্যাকপিংকের তারকা
- প্রত্যর্পণে দেশে ফেরা মাত্রই শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে: শামা ওবায়েদ
- সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে মধ্যরাতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
- ব্যালন দ’রের সেরা গোলরক্ষকের সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশ্বকাপের নায়ক ভজিনিয়া ও সিমন
- বল হাতে আলো ছড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি তারকার নতুন মাইলফলক
- রোনালদোকে ছাড়া ব্যালন ডি’অরের ৩০ জনের তালিকা ঘোষণা
- কৃষিমন্ত্রীর মায়ের জানাজা বুধবার বেলা দুইটায় বিজয়পুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠকের বিষয়ে যা জানাল নয়াদিল্লি








