আপনার প্রাইজবন্ডের নম্বরটি মিলেছে কি? জেনে নিন ১২৩তম ড্র-এর ফলাফল

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১৮:১৬:৪৭
আপনার প্রাইজবন্ডের নম্বরটি মিলেছে কি? জেনে নিন ১২৩তম ড্র-এর ফলাফল
ছবি : সংগৃহীত

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছে ০০০১০৩৫ নম্বরটি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

১২৩তম প্রাইজবন্ড ড্র-এর বিস্তারিত ফলাফল

একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত এই ড্র-তে বর্তমানে প্রচলিত ৮৪টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যার মোট ৩ হাজার ৮৬৪টি নম্বর পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। প্রাইজবন্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সিরিজের একই নম্বরের বন্ড সমমানের পুরস্কারের আওতায় আসে। এবারের ড্র-তে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে ০০৪৭৭৪৮ নম্বরটি। এছাড়া ১ লাখ টাকা মূল্যের দুটি তৃতীয় পুরস্কারের নম্বর হলো ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি চতুর্থ পুরস্কারের নম্বর হলো ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪। পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে প্রতিটি সিরিজের ৪০টি নম্বর ১০ হাজার টাকা করে পাবে।

নিয়ম অনুযায়ী, ড্র-এর নির্ধারিত তারিখ থেকে অন্তত ৬০ দিন আগে কেনা প্রাইজবন্ডগুলোই এই ড্র-এর আওতাভুক্ত ছিল। এবারের ড্র-তে ‘কক’ থেকে শুরু করে ‘ঘচ’ পর্যন্ত মোট ৮৪টি সিরিজের বন্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাইজবন্ড বিজয়ীদের পুরস্কারের অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে আয়কর আইন ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, মোট পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করে অবশিষ্ট টাকা প্রদান করা হবে। বিজয়ীরা যেকোনো ব্যাংক বা পোস্ট অফিস থেকে নির্দিষ্ট আবেদন ফর্ম জমা দিয়ে তাদের পুরস্কারের টাকা দাবি করতে পারবেন।

/আশিক


সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার শেষ: নবম পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে শীঘ্রই

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১১:৩৮:৪০
সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার শেষ: নবম পে-স্কেল কার্যকর হচ্ছে শীঘ্রই
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের জোরালো সুপারিশ করেছে নবগঠিত বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক চাপ মোকাবিলায় এটি একবারে না করে কয়েকটি ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই লক্ষ্যে বিশেষ বরাদ্দ রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিশনের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি পুনর্গঠনের পর তারা দ্রুততম সময়ে এই প্রতিবেদন জমা দেয়। সুপারিশে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন (Basic) বৃদ্ধি করা হবে এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন বেতন বৈষম্যের নজির তৈরি হতে যাচ্ছে, যেখানে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত রাখা হয়েছে ১:৮। প্রস্তাবিত কাঠামোতে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

হিসাব অনুযায়ী, নতুন পে-স্কেল পুরোপুরি কার্যকর হলে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর বর্তমান বেতন ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় উন্নীত হবে। ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার পর দীর্ঘ ১১ বছর নতুন কোনো বেতন কাঠামো না আসায় সরকারি চাকরিজীবীরা চরম আর্থিক সংকটে ছিলেন। এখন সরকারের উচ্চপর্যায়ের চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্তের পর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হলে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় কাঁপছে বিশ্ববাজার: টানা ৯ দিন বাড়ল তেলের দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১০:৫২:৫২
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় কাঁপছে বিশ্ববাজার: টানা ৯ দিন বাড়ল তেলের দর
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার জেরে আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার। থমকে যাওয়া শান্তি আলোচনা এবং সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা নবম দিনের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, জুনে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯.৯৪ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও পাল্লা দিয়ে বেড়ে ১০৭.৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা এবং সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ভয় কাজ করছে। মূলত এই অনিশ্চয়তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, যার প্রভাব পড়ছে তেলের দামে। বিশেষ করে ইরানের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারের এই ঊর্ধ্বগতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে যে, বাজারে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দামের ওপর প্রভাব কমাতে তারা ইতিমধ্যে বড় তেল কোম্পানিগুলোর সাথে আলোচনা শুরু করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট নিরসন না হওয়া পর্যন্ত তেলের দাম কমার কোনো লক্ষণ দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।

/আশিক


টানা দুই দিনে বড় দরপতন: স্বর্ণের বাজারে বাজুসের বড় মূল্য সমন্বয়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১০:৪০:১৯
টানা দুই দিনে বড় দরপতন: স্বর্ণের বাজারে বাজুসের বড় মূল্য সমন্বয়
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দরপতনের প্রভাবে দেশের বাজারেও টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে বাজুসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা, যা আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দরপতনের ফলে স্থানীয় বাজারেও তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ ক্রেতাদের স্বস্তির লক্ষ্যে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা। উল্লেখ্য যে, গতকাল বুধবারও (২৯ এপ্রিল) প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছিল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৫৯ বার সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৩২ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৭ বার দাম কমানো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর স্বর্ণের দামে বেশ অস্থিরতা থাকলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কমার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। তবে স্বর্ণের দাম দফায় দফায় কমলেও রুপার বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। বর্তমানে বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা আগের মতোই ৫ হাজার ৪৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দামও অপরিবর্তিত রয়েছে।

/আশিক


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ২১:১৯:৪৫
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) দিনের শুরুতেই টানা তিন সেশনের মতো দরপতনের ফলে স্বর্ণের দাম এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার সংক্রান্ত আসন্ন সিদ্ধান্তের প্রভাবে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে থাকায় এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৩.৫৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার বাজারেও।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কিটকো মেটালসের মতে, ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির বৈঠকের আগে বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগের অবস্থান পরিবর্তন করছেন। মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড বৃদ্ধি এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির যে চাপ তৈরি হচ্ছে, তা স্বর্ণবাজারের জন্য নেতিবাচক সংকেত হিসেবে কাজ করছে। আজ বুধবার মার্কিন সময় দুপুরে ফেডারেল রিজার্ভ তাদের পরবর্তী মুদ্রানীতি ঘোষণা করার কথা রয়েছে। বাজারে প্রবল ধারণা রয়েছে যে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ভবিষ্যৎ নীতি সংক্রান্ত বক্তব্য স্বর্ণের দামের পরবর্তী মোড় নির্ধারণ করবে।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের সামগ্রিক চাহিদা ২ শতাংশ বাড়লেও অলংকার শিল্পে এর চাহিদা কমেছে প্রায় ২৩ শতাংশ। তবে অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের বার ও কয়েনের চাহিদা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ মজুত করার প্রবণতা আগের তুলনায় বেড়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও আজ নিম্নমুখী। রুপার দাম ১.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭১.৯৫ ডলারে নেমেছে এবং প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামেও বড় পতন লক্ষ্য করা গেছে।

সূত্র: রয়টার্স


বিশ্ববাজারের অজুহাতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ১৭:৩৮:০২
বিশ্ববাজারের অজুহাতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

ভোজ্যতেলের বাজারে ফের অস্বস্তির খবর। আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দেশে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দেশের বাজারে ফের বাড়ানো হলো ভোজ্যতেলের দাম। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক জরুরি বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির তেলের নতুন দাম ঘোষণা করেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা।

এছাড়া ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪০ টাকা এবং প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭৯ টাকা। মন্ত্রী জানান, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় আমদানিকারকদের দাবির মুখে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন এই নির্ধারিত দাম আজ থেকেই সারা দেশে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

/আশিক


টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ১২:০৯:৩৩
টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই—উভয় ধরনের তেলের দামই এখন ঊর্ধ্বমুখী। ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য উত্তেজনার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে তেলের মজুত বাড়াতে শুরু করেছেন।

ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন খবরের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে ট্রাম্প প্রশাসনের এই প্রস্তুতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বুধবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় লাফ দেখা গেছে। টানা আট দিন ধরে বাড়ছে তেলের দাম, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫২ সেন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ দশমিক ৭৮ ডলারে। এমনকি জুলাই মাসের সরবরাহের জন্য আগাম চুক্তিতেও দাম ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন তেলের মানদণ্ড ডব্লিউটিআই (WTI) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৭ সেন্ট বা ০.৫৭ শতাংশ বেড়ে ১০০ দশমিক ৫০ ডলারে উঠেছে। গত আট কার্যদিবসের মধ্যে সাত দিনই এই তেলের দাম বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ট্রাম্প প্রশাসন যদি এই নৌপথের আশেপাশে দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধ বজায় রাখে, তবে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ভয়াবহভাবে ব্যাহত হবে। ওপেকের সদস্য দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এমনিতেই বাজারে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ছিল, তার ওপর ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান তেলের দামকে আরও উসকে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হয়, তবে তেলের দাম খুব শীঘ্রই ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা


স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ১০:৩৫:১৮
স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
ছবি : সংগৃহীত

টানা তৃতীয় দিনের মতো দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হলো! মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বাজুস আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম আরও ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গতকালের রেশ কাটতে না কাটতেই আজ বুধবার আবারও স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ভরি প্রতি আরও ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। সব মিলিয়ে গত তিন দফায় স্বর্ণের দাম প্রায় সাড়ে সাত হাজার টাকা কমল।

স্বর্ণের নতুন বাজারদর (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ২,৪২,৪৯৫ টাকা (কমল ২,২১৬ টাকা)

২১ ক্যারেট: ২,৩১,৪৭২ টাকা

১৮ ক্যারেট: ১,৯৮,৪০৫ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ১,৬১,৬০৫ টাকা

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিয়মিত এই সমন্বয় করা হচ্ছে। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হলো, যার মধ্যে ৩২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৬ বার কমেছে।

/আশিক


টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১৯:৫২:০৪
টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

টানা দ্বিতীয়বারের মতো দেশের বাজারে কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ২৩৩ টাকা কমানো হয়েছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন হয়েছে। তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় টানা দ্বিতীয় দফায় এই দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় দাম কমার পর, মাত্র ৫ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় স্বর্ণের দাম মোট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল।

স্বর্ণের নতুন বাজারদর (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ২,৪৪,৭১১ টাকা (কমল ২,২১৬ টাকা)

২১ ক্যারেট: ২,৩৩,৫৭২ টাকা

১৮ ক্যারেট: ২,০০,২১৩ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৩,০৬৩ টাকা

রুপার দামেও স্বস্তি

স্বর্ণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ভরিতে ২৩৩ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই দফায় রুপার দাম মোট কমেছে ৫৮৪ টাকা।

রুপার নতুন বাজারদর (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ৫,৪৮২ টাকা

২১ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা

১৮ ক্যারেট: ৪,৪৯১ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ৩,৩৮৩ টাকা

বাজুসের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৫৭ বার এবং রুপার দাম ৩৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। বাজারের অস্থিরতা গত বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিয়মিত এই সমন্বয় করছে বাজুস।

/আশিক


সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১৪:৩৫:২৩
সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন

স্বর্ণের বাজারে যেন আগুন লেগেছে, তবে সেই আগুনের তাপ দেশভেদে ভিন্ন। আজ ২৮ এপ্রিল, ২০২৬; ঢাকার জুয়েলারি দোকানগুলোতে যখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২,৪৪,৭১১ টাকায় ঠেকেছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশছোঁয়া বুর্জ খলিফার দেশ দুবাই বা মরুবেষ্টিত কুয়েতে চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। একজন সাধারণ ক্রেতা যদি আজ ঢাকা থেকে এক ভরি গয়না কেনেন, আর ঠিক একই মানের গয়না যদি দুবাই বা কাতার থেকে আনেন, তবে তার পকেটে জমা থাকতে পারে প্রায় ৩৬,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা বাড়তি সঞ্চয়। কিন্তু কেন এই আকাশ-পাতাল ব্যবধান? এটি কি কেবল শুল্কের খেলা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গাণিতিক সমীকরণ?

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে স্বর্ণের বাজার সরাসরি আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের সাথে তাল মিলিয়ে চলে। আজ কুয়েতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাংলাদেশি টাকায় মাত্র ২,০৪,৯৮০ টাকা, যা বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ৩৯,৭৩১ টাকা কম। এমনকি সৌদি আরব বা কাতারেও এই ব্যবধান ৩৮ হাজার টাকার আশেপাশে। দুবাই, যাকে বলা হয় ‘সিটি অব গোল্ড’, সেখানেও ভরিপ্রতি দাম বাংলাদেশের চেয়ে অন্তত ৩৬ হাজার টাকা সাশ্রয়ী। এই বিশাল পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো বাংলাদেশের উচ্চ আমদানি শুল্ক এবং ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়ন। মধ্যপ্রাচ্যে স্বর্ণ আমদানিতে করের বোঝা যেমন কম, তেমনি সেখানে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ভ্যাট রিফান্ডের বিশেষ সুবিধা, যা একজন ক্রেতার খরচকে নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেয়।

তবে এই দামের পার্থক্যের পেছনে কেবল ট্যাক্স নয়, কাজ করছে স্থানীয় বাজারের ‘তেজাবী’ স্বর্ণের যোগান ও চাহিদার মনস্তাত্ত্বিক খেলাও। বাংলাদেশে যখনই বিশ্ববাজারে দাম বাড়ে, তার প্রভাব পড়ে মুহূর্তের মধ্যে; কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে স্থানীয় বাজারে তার সুফল পৌঁছাতে সময় লাগে কয়েক সপ্তাহ। এই শ্লথ গতির সমন্বয় সাধারণ ভোক্তাদের পকেট কাটছে প্রতিনিয়ত। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত প্রবাসীদের মাধ্যমে স্বর্ণ আনার প্রবণতা এখন আর কেবল শখ নয়, বরং একটি লাভজনক বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, দেশের বাজারে এই কৃত্রিম উচ্চমূল্য কি শেষ পর্যন্ত বৈধ জুয়েলারি শিল্পকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে? নীতিনির্ধারকরা যদি শুল্ক কাঠামো এবং গোল্ড এক্সচেঞ্জ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নেন, তবে সাধারণ মানুষের কাছে ‘সোনার হরিণ’ কেবল প্রবাসীদের হাত ধরেই আসবে, দেশের দোকানগুলো থেকে নয়।

পাঠকের মতামত: