ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব

আহমেদ ইশতিয়াক
স্টাফ রিপোর্টার (আন্তর্জাতিক)

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধ, ধ্বংস এবং বাস্তুচ্যুতির গভীর সংকটে এবারের ঈদুল ফিতর এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। যে উৎসব সাধারণত আনন্দ, পারিবারিক বন্ধন এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তির প্রতীক, তা এবার বহু মানুষের কাছে পরিণত হয়েছে অনিশ্চয়তা, ক্ষতি এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। বৈরুত থেকে গাজা পর্যন্ত বিস্তৃত এই সংকট দেখাচ্ছে, কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত একটি অঞ্চলের সামাজিক ও মানবিক কাঠামোকে ভেঙে দিতে পারে।
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় আশ্রয়ের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আলা নামের এক শরণার্থী। সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমি থেকে আগত এই মানুষটি একসময় বসবাস করতেন দাহিয়েহ এলাকায়, যা সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলায় লেবাননে ইতোমধ্যে হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। নিজের বাসস্থান হারিয়ে তিনি এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত জীবনে নিপতিত, যেখানে প্রতিদিনের প্রধান লক্ষ্য একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া। এই বাস্তবতায় ঈদের মতো উৎসব তার কাছে অর্থহীন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি আরও গভীর ও বেদনাদায়ক। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান সংঘাতে এই অঞ্চল কার্যত মানবিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে। অব্যাহত হামলা, অবরোধ এবং অবকাঠামোগত ধ্বংসের ফলে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক প্রয়োজনীয়তাও অনেক ক্ষেত্রে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমন বাস্তবতায় ঈদ উদযাপন করা মানুষের কাছে একপ্রকার অসম্ভব অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে।
এই অঞ্চলের অসংখ্য পরিবার আজ এমন এক অবস্থায় রয়েছে, যেখানে উৎসবের আনন্দ নয়, বরং নিরাপত্তা এবং টিকে থাকার প্রশ্নই মুখ্য হয়ে উঠেছে। শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব, নতুন পোশাক কিংবা পরিবারকেন্দ্রিক আনন্দময় মুহূর্তগুলো যুদ্ধের বাস্তবতায় হারিয়ে যাচ্ছে। ঈদের প্রার্থনাও অনেক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শান্তি, নিরাপত্তা এবং একটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায়।
সার্বিকভাবে এবারের ঈদ মধ্যপ্রাচ্যে কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং একটি গভীর মানবিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, যুদ্ধের প্রভাব কেবল ভূরাজনৈতিক বা সামরিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সংস্কৃতি এবং আবেগের গভীরে গিয়ে আঘাত হানে। এই বাস্তবতায় ঈদ হয়ে উঠেছে আশ্রয়, নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য মানুষের এক নীরব আবেদন।
গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উচ্ছ্বসিত ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার (৪ মে) আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশাল এই জয়ের পর দলীয় কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, “গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর—সর্বত্র পদ্ম ফুটেছে। বিহার নির্বাচনের দিনই বলেছিলাম, গঙ্গা বিহার হয়ে গঙ্গাসাগরে যায়, আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।”
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের ৯৩ শতাংশ ভোটদানের হারকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি গণতন্ত্র এবং সংবিধানের জয়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেয়েছে। আজ থেকে বাংলা ভয়মুক্ত হলো এবং সেখানে পরিবর্তনের সূচনা হলো।” নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বিজেপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ দেখা দিয়েছে।
এদিকে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় বিজেপি ১৯৮টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করায় এখন সবার নজর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮৯টি আসনে থমকে যাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন একজন ভূমিপুত্র। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে সবচাইতে এগিয়ে আছেন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তালিকায় আরও রয়েছেন সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এবং স্বপন দাশগুপ্তর মতো নেতারা।
বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মানবিক রাজনীতি’ এবং বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প সত্ত্বেও তৃণমূলের এই ভরাডুবির মূলে রয়েছে মাঠপর্যায়ের পুঞ্জীভূত জনঅসন্তোষ। ২০১১ সাল থেকে ‘বাংলার ঘরের মেয়ে’ হিসেবে মমতার যে আবেগ কাজ করত, এবার তার বিপরীতে বিজেপির সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক গণিত কাজ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো অ-আঞ্চলিক দল হিসেবে বিজেপি সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, যা ভারতীয় রাজনীতিতে ‘পদ্মফুলের উত্থান’ হিসেবে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।
/আশিক
হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
বিশ্বের সবচাইতে স্পর্শকাতর জলপথ হরমুজ প্রণালি এখন এক বিশাল রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার অপেক্ষায়। সোমবার (৪ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এক বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, এটি একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’, যার মাধ্যমে এই অবরুদ্ধ জলপথে আটকে পড়া জাহাজ ও সাধারণ নাবিকদের নিরাপদে বের করে আনা হবে। তবে আলোচনার আড়ালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের বিশাল সামরিক প্রস্তুতি ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে দাবি করেছেন, এই অভিযানে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব পক্ষেরই স্বার্থ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যারা কোনো সংঘাতে জড়িত নয়, তাদের জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’ কিন্তু এই ‘মানবিক’ কাজের জন্য ১৫ হাজার সেনা সদস্য, ১০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান এবং একঝাঁক যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করার বিষয়টি বিশ্লেষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। অনেকেই একে ‘শান্তি মিশন’-এর আড়ালে ইরানের ওপর চরম সামরিক চাপ প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া মানেই বিশ্ব অর্থনীতির হৃদপিণ্ডে রক্তক্ষরণ। বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও এলএনজি এই রুট দিয়ে প্রবাহিত হয়। ইতিমধ্যে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। দীর্ঘমেয়াদে এই অবরোধ ও সামরিক উত্তেজনা বজায় থাকলে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ট্রাম্প তাঁর পোস্টে ইরানকে সহযোগিতার কথা বললেও, একইসাথে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে কোনো বাধার সৃষ্টি হলে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে। অন্যদিকে ইরান ইতিমধ্যে এই জলপথে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। ট্রাম্পের এই ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ কি শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে সমাধান আনবে, না কি পারস্য উপসাগরকে আগুনের কুণ্ডলীতে পরিণত করবে—তা নিয়ে এখন পুরো বিশ্ব চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় পার করছে।
/আশিক
পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলা দীর্ঘ উত্তেজনার মাঝে এবার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করল ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী। সোমবার প্রকাশিত এই মানচিত্রে ইরানের নিয়ন্ত্রিত এলাকার নির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই জলসীমায় তেহরানের অনুমতি ছাড়া যেকোনো বিদেশি সামরিক চলাচলকে সরাসরি ‘আগ্রাসন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
প্রকাশিত নতুন মানচিত্র অনুযায়ী, ইরানের নিয়ন্ত্রিত এলাকাটি পশ্চিমে কেশম দ্বীপের পশ্চিম প্রান্ত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল কোয়াইন পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে, পূর্ব দিকে এই সীমানা ইরানের মাউন্ট মোবারক থেকে ফুজাইরাহ আমিরাত পর্যন্ত একটি রেখা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে ইরান কার্যত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই করিডোরের প্রবেশ ও বের হওয়ার মুখ পুরোপুরি নিজেদের কবজায় রাখার বার্তা দিয়েছে।
ইরানের ‘খাতামুল আনাম্বিয়া (স.) কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর’-এর কমান্ডার মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি এক কঠোর বিবৃতিতে বলেছেন, “হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। যেকোনো নৌ-চলাচল অবশ্যই ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ের মাধ্যমে হতে হবে।” তিনি বিশেষভাবে মার্কিন সেনাবাহিনীকে সতর্ক করে বলেন, কোনো আগ্রাসী শক্তি যদি এই প্রণালির কাছে আসার বা প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তাদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।
ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণার পর ইরানের এই নতুন মানচিত্র প্রকাশ এবং সরাসরি মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি পারস্য উপসাগরে এক ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি কেবল মানচিত্র নয়, বরং ওয়াশিংটনকে তেহরানের দেওয়া এক চূড়ান্ত ‘রেড লাইন’।
/আশিক
তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন এক বাস্তবতার মুখোমুখি বিশ্ব। গত ৬৭ দিন ধরে হরমুজ প্রণালীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে থাকায় বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থা এখন কার্যত পঙ্গু। পারস্য উপসাগরের এই সংকীর্ণ জলপথটি এখন আর কেবল একটি নৌপথ নয়, বরং তেহরানের হাতে থাকা বিশ্বের সবচাইতে শক্তিশালী রাজনৈতিক অস্ত্র। এই অবরোধ প্রমাণ করেছে যে, অস্ত্রের চেয়েও ভৌগোলিক অবস্থান ব্যবহার করে বিশ্ব অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
টানা দুই মাসের বেশি সময় ধরে তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হয়েছে। সমুদ্রপথে বিমা খরচ এবং জাহাজ ভাড়া কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রতিটি পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ খরচ বেড়েছে। তেলবাহী জাহাজের দীর্ঘ সারি আর দীর্ঘ বিকল্প পথে যাতায়াতের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) এখন ভেঙে পড়ার উপক্রমে।
এই সংকট সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। একদিকে নৌবহর মোতায়েন রাখার বিশাল খরচ, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে ওয়াশিংটন এখন দিশেহারা। দীর্ঘদিনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলো এখন দেখছে যে, আমেরিকার সামরিক সুরক্ষা তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ।
এই সুযোগটিকেই কাজে লাগাচ্ছে চীন। বেইজিং এখন মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে নতুন ভরসা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে চীনের ওপর আরও নির্ভরশীল করে তুলছে।
হরমুজের এই নিয়ন্ত্রণ বিশ্বকে এক বহুমেরু ব্যবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। উপসাগরীয় দেশগুলো এখন নিরাপত্তার জন্য কেবল পশ্চিমের দিকে না তাকিয়ে পূর্বমুখী হচ্ছে। ইরানের এই ‘অর্থনৈতিক–ভূরাজনৈতিক সংঘাত’ প্রমাণ করেছে যে, সামরিক শক্তি দিয়ে সব সময় জয়ী হওয়া যায় না। যদি এই অবরোধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বিশ্ব বাণিজ্যের কাঠামো, বিনিয়োগের ধারা এবং কৌশলগত জোটগুলো চিরতরে বদলে যাবে। বিশ্ব এখন কেবল একটি নৌপথ বন্ধ হওয়া দেখছে না, দেখছে নতুন এক বিশ্বব্যবস্থার জন্ম।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
পারস্য উপসাগরে উত্তেজনার এক নতুন ও ভয়ংকর অধ্যায় শুরু হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সোমবার (৪ মে) হরমুজ প্রণালির জাস্ক দ্বীপের কাছে ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি’র থামার নির্দেশ উপেক্ষা করে নৌ-নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করায় জাহাজটিতে হামলা চালানো হয় এবং এর ফলে জাহাজটি পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে।
ইরানের এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমেরিকার পক্ষ থেকে একে ইরানের পক্ষ থেকে ছড়ানো ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের সতর্কবার্তা অমান্য করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই হামলার খবরটি এমন সময় এলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সকাল থেকেই ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ (Project Freedom) শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই প্রকল্পের আওতায় হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া প্রায় ৮৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে বের করে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযান সফল করতে ১৫ হাজার সেনা সদস্য, ১০০টির বেশি যুদ্ধবিমান এবং গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করেছে মার্কিন সেন্টকম।
হরমুজ প্রণালিতে এই উত্তেজনার খবরের সাথে সাথেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। প্রণালীটি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। ট্রাম্প যেখানে দাবি করছেন যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘ইতিবাচক’ হচ্ছে, সেখানে এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি পরিস্থিতিকে আবারও যুদ্ধের কিনারে নিয়ে দাঁড় করিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের যবনিকা ঘটল। ২০১১ সাল থেকে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর এবার বড় ব্যবধানে পরাজিত হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। ‘বাংলার মেয়ে’ হিসেবে যে আবেগের দেওয়াল মমতা তুলেছিলেন, দুর্নীতির অভিযোগ আর প্রশাসনিক স্থবিরতার ধাক্কায় তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল।
নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজেপি ১৯৮টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের ‘ম্যাজিক ফিগার’ (১৪৮) অনায়াসেই পার করে গেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস থমকে গেছে মাত্র ৮৯টি আসনে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির মূল শক্তি ছিল সরাসরি সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ। কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী বা রূপশ্রীর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে তিনি প্রতিটি ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে দেখা গেল, সাধারণ মানুষের সেই ‘মায়া’ আর কাজ করেনি।
মাটির নিচে জমে থাকা পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, বেকারত্ব এবং মাঠপর্যায়ে তৃণমূলের দলীয় ক্যাডারদের দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে মানুষ এবার নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটিয়েছে। রাজনীতির সেই নির্মম আয়নায় আজ ধরা পড়ল যে, কেবল জনকল্যাণের ভাষা দিয়ে সবসময় ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখা যায় না, যদি সেখানে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের অভাব থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। একে কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং বাংলার রাজনৈতিক দর্শনের এক আমূল পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বাম আমলের ৩৪ বছর আর মমতার ১৫ বছর—সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধশতাব্দীর আঞ্চলিক ও বামপন্থী ঘরানার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে বাংলা এখন ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের পথে। ক্ষমতার এই রং বদল যতটা নিশ্চিত ছিল, তার চেয়েও বেশি চমকপ্রদ হলো মমতার মতো একজন জননেত্রীর এমন শোচনীয় পরাজয়।
/আশিক
তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
তামিলনাড়ুর রাজনীতির দীর্ঘদিনের মেরুকরণ ভেঙে এবার নতুন এক শক্তির উত্থান ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন থালাপতি বিজয়ের দলের প্রার্থীরা। কাভুন্দামপালায়ম কেন্দ্রের প্রার্থী কানিমোঝি সন্থোষ সোমবার পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই নির্বাচনে বিজয়ের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই প্রধান ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। তাঁর মতে, মানুষ বিজয়কে কেবল একজন নেতা হিসেবে নয়, বরং হৃদয়ের মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেছে।
সাক্ষাৎকারে কানিমোঝি বলেন, “আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি মানুষ থালাপতির সঙ্গে মানসিকভাবে কতটা গভীরভাবে যুক্ত। এটি বিজয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে।” তিনি আরও জানান যে, ভোট গণনার শুরু থেকে যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে সন্ধ্যা নাগাদ তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের ‘তামিলাগা ভেত্রি কাড়ঘম’ (টিভিকে) এক অভাবনীয় বিজয় উদযাপন করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের এই প্রবল আবেগ এবং কানিমোঝির মতো প্রার্থীরা যেভাবে জয়ের পথ পরিষ্কার হওয়ার দাবি করছেন, তাতে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। আজকের দিনের প্রথমার্ধ শেষ হতেই বিজয়ের দলের এই অগ্রগামিতা তামিল রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির আলোচনার মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। রোববার রাতভর খিয়াম ও কানতারা শহরে সরাসরি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোও কেঁপে ওঠে। আকাশপথে ইসরায়েলি ড্রোনের নিরবচ্ছিন্ন টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েলি সেনারা রাতে ব্রাচিত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ফ্লেয়ার বা আলোকবর্তিকা নিক্ষেপ করে পুরো এলাকা দিনের মতো আলোকিত করে ফেলে, যার পরপরই শুরু হয় ব্যাপক গোলাবর্ষণ। সাফাদ এল বাত্তিখ, ইয়াতের, মাজদেল সেলম এবং চাইতিয়াহ শহরের উপকণ্ঠে বৃষ্টির মতো গোলা আছড়ে পড়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত আকাশজুড়ে ইসরায়েলি ড্রোনের আনাগোনা এবং নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
হামলায় বেশ কিছু আবাসিক ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লেবাননের উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের 'প্রজেক্ট ফ্রিডম' ঘোষণার সমান্তরালে লেবানন ফ্রন্টে এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ইতিমধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের শর্ত দিয়েছে, যা এই নতুন হামলার ফলে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।
সূত্র- আল জাজিরা
তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। সিনেমার পর্দা ছেড়ে রাজনীতিতে নামা জোসেফ বিজয় এখন তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে। সোমবার (৪ মে, ২০২৬) বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, থালাপতি বিজয়ের দল 'তামিলাগা ভেত্রি কাড়ঘম' (টিভিকে) রাজ্যের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-কে পেছনে ফেলে দিয়েছে।
তামিলনাড়ুর ২৩৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। ভারতীয় গণমাধ্যম 'দ্য হিন্দু'-র তথ্য অনুযায়ী, বিজয়ের দল টিভিকে বর্তমানে প্রায় ১০০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এআইএডিএমকে ৭৫টি এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে মাত্র ৫০টি আসনে এগিয়ে আছে। অন্যদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজয় ৮৯টি আসনে লিড দিচ্ছেন। যদিও এখনো চূড়ান্ত ফলাফল আসেনি, তবে প্রাথমিক এই জোয়ার বিজয়ের পক্ষেই কথা বলছে।
ক্যারিয়ারের সেরা সময়েই অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছিলেন থালাপতি বিজয়। ২০২৪ সালে দল গঠনের মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০২৬ সালের এই নির্বাচনেই তিনি বাজিমাত করতে চলেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় উত্থানকে ভারতের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ‘বিজয় বিপ্লব’ হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা বিজয়ের ওপর ভরসা রাখাতেই রাজ্যের প্রথাগত দ্রাবিড় রাজনীতির মেরুকরণ বদলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজয় এগিয়ে থাকলেও লড়াই এখনো শেষ হয়নি। ১১৮টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁকে আরও কিছু আসন নিশ্চিত করতে হবে। যেকোনো সময় এই ফল ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র মতো প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর এই ভরাডুবি তামিল রাজনীতির জন্য এক বিশাল বড় বার্তা। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত থালাপতি বিজয় কি তামিলনাড়ুর মসনদে বসে নতুন কোনো চিত্রনাট্য লেখেন কি না।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
- এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- দেবিদ্বারে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার
- তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
- ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
- ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
- ডলার থেকে রিয়াল: জেনে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা: সব কার্ড আমার কাছে
- যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গ! পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহবাহী বিমান এখন ঢাকায়
- বিশ্ব অর্থনীতি বাঁচাতে ট্রাম্পের তুরুপের তাস: প্রজেক্ট ফ্রিডম নিয়ে উত্তাল পারস্য উপসাগর
- সোমবার রাজধানীর কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- ঢাকাসহ যে ৮ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা
- চেলসি ম্যাচসহ আজ টিভিতে যত খেলা
- বিসিসিআই-এর সাথে ইগো দেখাতে গিয়ে আইসিসির সাথে যুদ্ধ বাঁধাল বিসিবি
- হাকালুকিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ! সোনালী ধান এখন অথৈ পানির
- রেমিট্যান্সে বিশ্বরেকর্ড বাংলাদেশের! দেশে রেমিট্যান্স আসার সব রেকর্ড তছনছ
- স্ক্রিন আসক্তিতে বাড়ছে মানসিক অস্থিরতা: সুস্থ থাকতে আজই বদলান এই অভ্যাস
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- কুমিল্লায় বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম আটক: থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভে উত্তাল শহর
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
- ৩০ দিনের চূড়ান্ত ডেডলাইন! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের অবসান চায় ইরান
- জান্নাতে পৌঁছেও মানুষের মনে আক্ষেপ থাকবে? কেন এই গভীর আফসোস?
- কওমি শিক্ষার্থীরা আলাদা থাকবে না, মূলধারায় ফেরাতে সরকারের নতুন উদ্যোগ
- মার্কিন রণতরী হবে কবরস্থান!আমেরিকাকে চূড়ান্ত যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের
- সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হচ্ছে এলপিজির নতুন মূল্য তালিকা
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন








