ইরান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে: সোনার বাজার এখন নিম্নমুখী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১৮:৫৩:৫৫
ইরান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে: সোনার বাজার এখন নিম্নমুখী
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৯৮৩.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য গোল্ড ফিউচারস ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৯৮৭.৩০ ডলারে নেমেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভসহ বিশ্বের প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়িয়ে কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে পারে। সাধারণত সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়, যা দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ফরাসি বিনিয়োগ ব্যাংক ন্যাটিক্সিসের বিশ্লেষক বার্নার্ড দাহদাহ জানান, তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে ফেড সুদের হার কমানো বন্ধ করতে পারে, যা স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি করছে। এছাড়া এই সপ্তাহে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এবং ব্যাংক অব জাপান বৈঠকে বসবে। সেখানে যুদ্ধকালীন মুদ্রাস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে, যার দিকে তাকিয়ে আছেন বিনিয়োগকারীরা।

/আশিক


ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১০:৫৮:০৭
ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবা কীভাবে পাবেন, জানুন বিস্তারিত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই দীর্ঘ ছুটির সময় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে ব্যাংকের শাখা বন্ধ থাকলেও গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে না।

ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের সময় সাধারণত নগদ অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এই সময়ে এটিএম বুথ, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাই গ্রাহকদের প্রধান ভরসা হয়ে ওঠে। ব্যাংক বন্ধ থাকলেও গ্রাহকেরা এটিএম কার্ড ব্যবহার করে বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। পাশাপাশি পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিন ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা ও লেনদেন করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস যেমন বিকাশ, রকেট ও নগদ—এই সব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু থাকবে। ফলে ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকলেও অনলাইন ও মোবাইলভিত্তিক আর্থিক লেনদেন অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

তবে দীর্ঘ ছুটির সময়ে অনেক সময় এটিএম বুথে নগদ অর্থের সংকট দেখা যায়। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ঈদের ছুটির সময় এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শুধু এটিএম নয়—পিওএস, কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখতে হবে।

বর্তমানে দেশে ব্যাংকিং সেবার ডিজিটাল ব্যবস্থাও দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। অধিকাংশ বেসরকারি ব্যাংক নতুন হিসাব খোলার সময় গ্রাহকদের এটিএম কার্ড প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে। ফলে নতুন গ্রাহকদের প্রায় সবার কাছেই এটিএম কার্ড রয়েছে।

এ ছাড়া অনেক ব্যাংক এখন ক্যাশ রিসাইকেল মেশিন বা সিআরএম স্থাপন করছে, যার মাধ্যমে একই মেশিন ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন ও জমা—দুই ধরনের সেবাই পাওয়া যায়। ফলে গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজ হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে বিভিন্ন ব্যাংকের মোট ১২ হাজার ৭১৩টি এটিএম বুথ এবং ৮ হাজার ৪৮৩টি ক্যাশ রিসাইকেল মেশিন রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৩টি পয়েন্ট অব সেল মেশিন ব্যবহার করে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করা যাচ্ছে।

দেশের ব্যাংকগুলো এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ কোটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করেছে। যদিও একজন গ্রাহকের একাধিক ব্যাংকের কার্ড থাকতে পারে, তবুও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসা গ্রাহকের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন তাৎক্ষণিকভাবে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের কাছে টাকা পাঠানো সম্ভব। ফলে ঈদের ছুটির সময় ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকলেও অর্থ লেনদেনের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার বিস্তার এবং এটিএম ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবার উন্নয়নের ফলে দীর্ঘ সরকারি ছুটির সময়েও আর্থিক লেনদেনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।

-রাফসান


টানা দুই দফা কমল স্বর্ণের দাম: ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তির আমেজ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ০৯:১১:০৬
টানা দুই দফা কমল স্বর্ণের দাম: ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তির আমেজ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধরনের পতনের খবর জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, সোমবার (১৬ মার্চ) সারা দেশে নতুন এই নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই দুই ধাতু। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার দাম কমে যাওয়ায় বাজুস গত শনিবার (১৪ মার্চ) এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

শনিবারের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং রুপায় ২৯২ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর এখন বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। এর আগে গত ১৩ মার্চও স্বর্ণের দাম এক দফা কমানো হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় এটি দ্বিতীয়বারের মতো বড় দরপতন।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দাম কমাও ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৪৩ বার স্বর্ণের দাম এবং ২৭ বার রুপার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম কমানোর প্রবণতা অনেকটা বেশি দেখা যাচ্ছে।

/আশিক


ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ! এখন পাওয়া যাবে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১৯:০৮:৫০
ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা দ্বিগুণ! এখন পাওয়া যাবে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত
ছবি : সংগৃহীত

দেশে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে এবং ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার আরও সহজলভ্য করতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে, যা আগে ছিল ২০ লাখ টাকা। আজ রোববার (১৫ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করেছে। নতুন এই নীতিমালায় ঋণের সীমা দ্বিগুণের পাশাপাশি গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে জামানতহীন ২০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। এর আগে জামানতহীন ঋণের সীমা ছিল ১০ লাখ এবং জামানতের বিপরীতে ছিল ২৫ লাখ টাকা। ব্যাংক হিসেবে জমা টাকার ওপর ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়ানো হয় বলে এটি নিরাপদ জামানত হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ ছাড়া কার্ডধারীরা তাঁদের মোট ক্রেডিট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নগদে উত্তোলন করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে দৈনন্দিন খরচ ও মূল্য পরিশোধে নগদ অর্থের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার নিয়মিত বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের নীতিমালা হালনাগাদ করে এই পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

সুদ ও মাশুলের বিষয়ে নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সর্বোচ্চ সুদ হার হবে ২৫ শতাংশ। এই সুদ শুধুমাত্র বকেয়া বা অপরিশোধিত টাকার ওপর আরোপ করা যাবে, মোট বিলের ওপর নয়। কেনাকাটার ক্ষেত্রে সুদহীন সুবিধা থাকলেও নগদ অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রে এমন কোনো সুবিধা থাকবে না। মাশুলের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কার্ড সচল করার আগে কোনো ধরনের ফি নেওয়া যাবে না এবং বিল পরিশোধে বিলম্ব হলে বিলম্ব ফি মাত্র একবারই আরোপ করা যাবে। এ ছাড়া সুদহার বা অন্য কোনো চার্জ পরিবর্তনের অন্তত ৩০ দিন আগে কার্ডধারীকে লিখিতভাবে বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে তা জানাতে হবে।

গ্রাহক সুরক্ষা ও হয়রানি বন্ধে পাওনা টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও রিকভারি এজেন্টদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই গ্রাহককে মানসিক বা শারীরিক হয়রানি কিংবা হুমকি প্রদান করা যাবে না। এমনকি কার্ডধারীর পরিবার, বন্ধু বা রেফারেন্স দেওয়া ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। পাওনা আদায়ের জন্য ফোন কল বা সরাসরি যোগাযোগ শুধুমাত্র অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

কার্ড হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে দ্রুত ব্লক করার জন্য ব্যাংকগুলোকে ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং বাধ্যতামূলকভাবে ই-টিন সনদ ও পরিষ্কার সিআইবি রিপোর্ট থাকতে হবে। আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং একটি স্বচ্ছ ক্যাশলেস পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ার লক্ষ্যেই এই নতুন নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণ কিনবেন? আজই সেরা সময়! জেনে নিন সব মানের স্বর্ণের নতুন রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ০৯:৫২:২৭
স্বর্ণ কিনবেন? আজই সেরা সময়! জেনে নিন সব মানের স্বর্ণের নতুন রেট
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবথেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে আজ রবিবার (১৫ মার্চ) থেকে এক ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা।

শনিবার (১৪ মার্চ) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবারও স্বর্ণের দাম এক দফা কমানো হয়েছিল।

/আশিক


টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৪ ১০:০০:৫৯
টানা দুই দফায় কমল দাম; স্বর্ণের বাজারে বড় ধসের ইঙ্গিত!
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বড় পতনের মুখে পড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতেই এই সমন্বয় করেছে বাজুস। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল থেকেই সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে।

সংশোধিত মূল্য তালিকায় দেখা যাচ্ছে, এখন থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হবে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ক্ষেত্রে নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা। এর আগে গত ১২ মার্চও স্বর্ণের দাম এক দফায় ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছিল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৪২ বার স্বর্ণের দাম পরিবর্তন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বার দাম বেড়েছে এবং ১৬ বার কমেছে। উল্লেখ্য যে, বিগত ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। স্বর্ণের বাজারে এই অস্থিরতা চললেও রুপার বাজার বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে। বাজারে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি এখনো ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দামও আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

/আশিক


আজ ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময় হার জানুন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৩ ১০:৪১:৩৫
আজ ডলারসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময় হার জানুন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আমদানি–রপ্তানি এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ। এ তথ্য ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক এবং প্রবাসী আয় পাঠানো ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১২৩ টাকা ১২ পয়সা।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুদ্রা ইউরোর বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৮০ পয়সা। আর ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং প্রতি ইউনিটের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৬৪ টাকা ৪৫ পয়সা।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৭ টাকা ২ পয়সা, কানাডিয়ান ডলার ৯০ টাকা ২৪ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ২৫ পয়সা দরে লেনদেন হচ্ছে।

এশীয় মুদ্রাগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েন প্রতি ইউনিটের দাম ৭৭ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবির মূল্য ১৭ টাকা ৯২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার মুদ্রাগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং শ্রীলঙ্কান রুপির মূল্য ২ টাকা ৫৪ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের মুদ্রাগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৮১ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৬৬ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩২০ টাকা ২১ পয়সা দরে নির্ধারিত হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের মুদ্রাগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার প্রতি ইউনিটের দাম নির্ধারিত হয়েছে ৪০০ টাকা ৯০ পয়সা।

এ ছাড়া মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩০ পয়সা এবং সুইডিশ ক্রোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১৩ টাকা ১৬ পয়সা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা–সরবরাহ, বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার যে কোনো সময় আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের কারণে সংশোধিত হতে পারে।

সূত্র: গুগল


আজ থেকে কার্যকর সোনার নতুন দাম, জেনে নিন কত

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৩ ১০:১৮:৪২
আজ থেকে কার্যকর সোনার নতুন দাম, জেনে নিন কত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে, ফলে নতুন দামে এক ভরি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ার কারণে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা ও স্থানীয় বাজারে পাকা সোনার দর বিবেচনা করেই দেশের স্বর্ণের দামে এই সমন্বয় আনা হয়েছে।

স্বর্ণবাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচামালের মূল্য পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই সাধারণত সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মূল্য সমন্বয় দেখা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সোনার দাম কমলে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি গয়নার ব্যবসায়ীরাও কিছুটা স্বস্তি পান। একই সঙ্গে বিয়ে বা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানে স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বাংলাদেশে স্বর্ণের বাজারে বাজুসের নির্ধারিত মূল্যই সাধারণত অনুসরণ করা হয় এবং দেশের অধিকাংশ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান সেই দাম অনুযায়ী স্বর্ণ বিক্রি করে থাকে।

-রফিক


৪০ বারের সমন্বয়ে ২৬ বারই দাম বৃদ্ধি: স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা থামছেই না

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১০:৩০:৫৩
৪০ বারের সমন্বয়ে ২৬ বারই দাম বৃদ্ধি: স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা থামছেই না
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে মূল্যবান এই দুই ধাতুর দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) থেকে কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মানের স্বর্ণের মধ্যে ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর মাত্র একদিন আগে ১০ মার্চ স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। সবশেষ সমন্বয়ে প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বাজুসের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৪০ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬ বারই দাম বেড়েছে এবং মাত্র ১৪ বার কমেছে।

/আশিক


তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়ানোর হুঁশিয়ারি! বিশ্বকে চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ২১:৫২:২৭
তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়ানোর হুঁশিয়ারি! বিশ্বকে চরম সতর্কবার্তা দিল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ এখন বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের জন্য বড় হুমকিতে রূপ নিয়েছে। তেহরানের খাতাম আল-আনবিয়া সামরিক কমান্ড সদর দফতরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বিশ্বকে সতর্ক করে বলেছেন, ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ২০০ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ হাজার টাকার বেশি) পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। জোলফাকারি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তেলের দাম এই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নষ্ট করেছে।

তেহরানের এই শীর্ষ সামরিক মুখপাত্র আরও জানান যে, ইরানের ‘প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা’র নীতি এখন শেষ এবং বর্তমান নীতি হবে ‘আঘাতের বদলে আঘাত’। তিনি ঘোষণা করেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল বা তাদের অংশীদারদের কাছে এক লিটার তেলও পৌঁছাতে দেবে না তেহরান। এমনকি তাদের অনুগত যেকোনো জাহাজ বা ট্যাংকারকে ইরানের পক্ষ থেকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করার চরম হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণার ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে জ্বালানি পরিবহন এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর মতো ‘কার্যত আর কিছুই বাকি নেই’ এবং এই যুদ্ধ ‘খুব শিগগির’ শেষ হতে পারে। বুধবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, যুদ্ধটি বেশ সফলভাবে চলছে এবং মার্কিন বাহিনী মূল ছয় সপ্তাহের পরিকল্পনার চেয়েও অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই দাবির সত্যতা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ এর আগেও বহুবার তিনি নিজের দেওয়া বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: