আর্থিক অনটন ও পারিবারিক অশান্তিতে অবচেতন মনে রামিসা খুন

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে বিচারালয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দায়ের করা এক বিশেষ জেল আপিলে নিজের দোষ স্বীকার করে এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি দাবি করেন, সে সময় তীব্র আর্থিক অনটন, চরম পারিবারিক অশান্তি এবং অতিরিক্ত মাদকাসক্তির কারণেই সম্পূর্ণ অবচেতন মনে এই ভয়াবহ অপরাধটি সংঘটিত হয়ে গেছে। নিজের একমাত্র সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং পরিবারের চরম বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরে তিনি আদালতের কাছে প্রাণভিক্ষার আর্জি জানিয়েছেন।
রোববার (১৪ জুন) হাইকোর্ট বেঞ্চে অনুষ্ঠিত জেল আপিল শুনানিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা নিজের সপক্ষে যুক্তি ও সাফাই গেয়ে বলেন, তিনি অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত অসচ্ছল এবং দরিদ্র। পেশাগত জীবনে একটি অটোরিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত ইয়াবাসহ অন্যান্য মরণঘাতী মাদকে তীব্রভাবে আসক্ত ছিলেন। এই মাদকাসক্তির কারণে তাঁর নিজের পরিবারে প্রায় প্রতিদিনই ঝগড়া-বিবাদ ও কলহ লেগেই থাকত। তবে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের পূর্বে তিনি আর অন্য কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কখনো জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন।
আসামি তাঁর জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করেন, শিশু ভিকটিমের সঙ্গে যে পাশবিক ও নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে, তা সম্পূর্ণভাবে তীব্র নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘটেছে। তাঁর ভাষ্যমতে, চরম আর্থিক অভাব, অনবরত পারিবারিক অশান্তি এবং অতিরিক্ত নেশা করার কারণেই ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ও অবচেতনভাবে হয়ে গেছে; ঠিক কীভাবে যে এই ঘটনাটি ঘটে গেল তা তিনি নিজেও বুঝতে পারেননি। বর্তমানে তাঁর একমাত্র ছেলের পড়াশোনা ও পরিবারের সামগ্রিক ভরণ-পোষণ করার মতো দ্বিতীয় আর কোনো অভিভাবক নেই উল্লেখ করে তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করেন।
অন্যদিকে, এই জঘন্য মামলার অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এবং প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে জেল আপিলে খালাস চেয়ে আবেদন করেছেন। এর আগে গত ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নিজেদের ফাঁসির দণ্ড মওকুফের আবেদন জানিয়ে জেল আপিল করেন এই দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। রোববার হাইকোর্ট আসামিদের করা এই জেল আপিলটি পরবর্তী আইনি শুনানির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন।
/আশিক
উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৮ বিভাগেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
আগামী পাঁচ দিনজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অত্যন্ত ভারী বর্ষণ ও বজ্রঝড়ের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যা উপকূল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি কিছুটা পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা, দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড় অঞ্চলে অবস্থান করছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে আরও অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর একটি অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহের কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পরদিন শুক্রবার রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং বাকি বিভাগগুলোর কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার ও রবিবার একই ধারাবাহিকতায় দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ রংপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেটে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে। তবে উপকূলীয় এবং দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য বিভাগেও ক্ষণস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ পাত হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে কিংবা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিনের বর্ধিত সতর্কবার্তায় বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা সারাদেশে জারি থাকার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
/আশিক
গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত প্রাক্তন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গাজী নজরুল ইসলামের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর গাজী নজরুলের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের দেওয়া একের পর এক বয়ানে বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে। ওবায়দুরের অভিযোগ, ওই বিতর্কিত সম্পর্কটি গোপন রাখতে এবং বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মাসুম বিল্লাহকে প্রথম শ্রেণির ঠিকাদারি লাইসেন্স প্রদানসহ সরকারি নানা দরপত্রের মাধ্যমে কোটিপতি বানিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল।
গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংসদে চাকরির সুনির্দিষ্ট প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, বিপুল অর্থ ও সম্পদের লোভে তরুণীর পরিবার প্রথমে এ সম্পর্কের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। ওবায়দুর নিজেকে ওই তরুণীর আপন মামা এবং একই সাথে গাজী নজরুলের গাড়িচালক বলে পরিচয় দেন। তিনি আরও জানান, মেয়েটির বাবা মাসুম বিল্লাহ সম্পর্কে গাজী নজরুলের নিকটাত্মীয় হন। ইতিপূর্বে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হলে গাজী নজরুল ইসলাম উক্ত তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেন।
তবে ঘটনার পেছনে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ রয়েছে। গাজী নজরুলের দাবি ছিল, ১৩ জুলাই ঢাকার একটি অফিসে তাঁকে জিম্মি করে টাকা আদায় করা হয় এবং এই ভিডিও ফাঁসের পেছনে মূলত তাঁরই গাড়িচালক ওবায়দুরের সরাসরি হাত রয়েছে। অন্যদিকে ওবায়দুর গত ২১ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় গাজী নজরুলসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ভাগনির সাথে অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ করা এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে তাঁর ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।
ওবায়দুরের বয়ান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই গাজী নজরুল নিয়মিত পল্লবীতে ওই তরুণীর বাসায় যাতায়াত করতেন। পরবর্তীতে এমপি হোস্টেলে সরকারি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পেলেও তিনি প্রায়শই ওই বাসাতেই অবস্থান করতেন। ওবায়দুল যখন এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেন, তখন মেয়েটির বাবা মাসুম বিল্লাহ তাঁকে সাফ জানিয়ে দেন যে রাজনৈতিক সুযোগ-সুবিধা আদায়ের জন্য নজরুলকে হাতে রাখা জরুরি। এরপরই মাসুম বিল্লাহর নামে ‘মাসুম এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি প্রথম শ্রেণির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স করিয়ে দেওয়া হয় এবং এলজিইডি ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বড় বড় কাজের টেন্ডার পাইয়ে দিতে তদবির শুরু হয়।
গোপন ভিডিও ধারণ প্রসঙ্গে ওবায়দুর জানান, নজরুলের নির্দেশে সাময়িকভাবে ভাড়া নেওয়া একটি বাসায় তিনি নিজ উদ্যোগে একটি গোপন রেকর্ডিং ডিভাইস স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তিনি সেটি সেখান থেকে সরিয়ে নেন এবং এর পরপরই একটি চক্র নজরুলের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করতে শুরু করে। ওবায়দুর আরও অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি গোপন রাখতে তাঁকেও একটি বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার এবং রাজনৈতিক পদে আসীন করার প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে ভিডিও প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট তরুণী একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছেন। তরুণীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৭ জুন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দুই পরিবারের সর্বসম্মত উপস্থিতিতেই গাজী নজরুলের সাথে তাঁর ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ে সম্পন্ন হয় এবং উক্ত অনুষ্ঠানে নজরুলের প্রথম স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে মগবাজারের অফিসে একটি ষড়যন্তমূলক পরিস্থিতি তৈরি করে তাঁদের একান্ত ব্যক্তিগত ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিটি পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে, যার সঠিক সত্যতা নির্ধারণে আইনি তদন্ত প্রক্রিয়ার ফলের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।
/আশিক
রাত ১টার মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, ১ নম্বর সংকেত
দেশের ১৩টি অঞ্চলের উপর দিয়ে আজ রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ সতর্কবার্তার কথা জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
একই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই সময়ে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
/আশিক
কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার

শিমুল হোসেন
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) ব্যুরো
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুরে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর উদ্যোগে স্মার্ট কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর এলাকার ৭১৪টি পরিবার স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পেয়েছে।সোমবার (২৭ জুলাই) দক্ষিণ শ্রীপুর বাজারে মেসার্স আলহাজ ট্রেডার্স মার্কেট সংলগ্ন টিসিবি ডিলার পয়েন্টে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
স্মার্ট টিসিবির অনুমোদিত ডিলার আবুবকর সিদ্দীকের তত্ত্বাবধানে কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে সুষ্ঠু ও শৃঙ্খল পরিবেশে পণ্য বিক্রি করা হয়।প্রতিটি প্যাকেজে ছিল ২ কেজি ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম লাক্স সাবান, ১২৫ গ্রাম লন্ড্রি সাবান এবং ৫০০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার। প্রতিটি প্যাকেজের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৫১৮ টাকা।বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শ্মশান কুমার মণ্ডল।
এ সময় তিনি বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্মার্ট কার্ডভিত্তিক এ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে অনিয়ম কমার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সহজেই তাদের প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন।
পণ্য গ্রহণে আসা উপকারভোগীরা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে টিসিবির এ কার্যক্রম নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। তারা সরকারের এ উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি

মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
রাজনীতি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; রাজনীতি হলো আদর্শের জন্য দীর্ঘ আত্মত্যাগ, জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে জনগণের অধিকার আদায়ের অবিরাম লড়াই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিরোধী মতের ওপর যে দমনপীড়ন চালানো হয়েছে, তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি। চরম দুঃসময়েও রাজপথ ছাড়েননি এই ইউনিটের সভাপতি, সাংবাদিক মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া। শত মামলা, হামলা, পুলিশি হয়রানি ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে তাঁরা টিকিয়ে রেখেছিলেন দলীয় অস্তিত্ব।
ভয়ার্ত রাত ও পুলিশের তাড়া: যে জীবনের নাম ছিল টিকে থাকার লড়াই
গত ১৫-১৬ বছর ধরে গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়ার জীবন ছিল এক অবর্ণনীয় রোমহর্ষক অধ্যায়। আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিএনপি করার অপরাধে তাঁদের জীবনে নেমে এসেছিল বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। গায়েবি মামলার মারপ্যাঁচ, পুলিশি তল্লাশি আর দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর প্রতিদিনের হামলা-মামলার খড়্গ—সব মিলিয়ে তাঁদের নিজ ঘরে ঘুমানোর অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
পুলিশের ভয়ে রাতের পর রাত ঘরের বাইরে, ঝোপঝাড় কিংবা আত্মগোপনে কাটাতে হয়েছে। কিন্তু শত নির্যাতন, পরিবার-পরিজনের কান্না আর জীবননাশের প্রকাশ্য হুমকিও তাঁদের মনোবল ভাঙতে পারেনি। দিনের পর দিন পালিয়ে বেড়ালেও যখনই সুযোগ এসেছে, তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মিছিল, পিকেটিং কিংবা দলীয় কর্মসূচি পালনে তাঁরা ছিলেন অগ্রগামী।
এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের ছায়া হয়ে পাশে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. দুলাল সরকার, মো. হুমায়ুন, মুন্না মেম্বারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যেমন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী এবং নিবেদিতপ্রাণ সাধারণ কর্মীরা। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাঁরা একসঙ্গে দলীয় কার্যক্রম টিকিয়ে রেখেছিলেন। তাঁদের সকলের একটাই পণ ছিল—‘যেভাবেই হোক, এই ইউনিয়নকে বিএনপির একটি অজেয় দুর্গে পরিণত করব।’ সেই স্বপ্নের বীজ তাঁরা রোপণ করেছিলেন চরম বিপন্নতার মধ্য দিয়েই।
অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের প্রতীক: সভাপতি ও সম্পাদকের অবদান
ইউনিয়নের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন সেই দুঃসময়ের সাহসী গল্প। তাঁরা জানান, যখন দলের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন কিংবা রাজনৈতিক চাপে নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তখন সভাপতি সাংবাদিক মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া ছিলেন গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির বটবৃক্ষ। শত প্রলোভন ও হুমকির মুখেও তাঁরা দলের সঙ্গে বেইমানি করেননি।সাংবাদিকতা পেশার আড়ালে মাসুদ রানা যেমন সত্য প্রকাশে ছিলেন আপসহীন, তেমনি রাজনৈতিক ময়দানেও ছিলেন অকুতোভয়। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া ছিলেন প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখসারির যোদ্ধা। পুলিশের রিমান্ড, হামলা এবং কারাবাসের ভয় তাঁদের টলাতে পারেনি। নিজ ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে দলীয় নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে তাঁরা ছিলেন সদা তৎপর।
৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ও নেতাকর্মীদের মনে বড় প্রশ্ন
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটে। দেশজুড়ে বইছে মুক্তির হাওয়া। কারাবন্দি ও নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীরা ফিরে পেয়েছেন মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নেওয়ার অধিকার। ইউনিয়নের ঘরে ঘরে এখন আনন্দের জোয়ার। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে এক গভীর প্রশ্ন—যাঁরা দলের দুঃসময়ে রক্ত ও শ্রম দিয়েছেন, মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে বছরের পর বছর বাড়িছাড়া ছিলেন, দলের দুর্দিনেও যাঁরা তৃণমূলের হাল ধরে রেখেছিলেন, ৫ আগস্টের পর সেই ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন কি দল করবে?
ইউনিয়নের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের স্পষ্ট দাবি, হাইব্রিড বা সুযোগসন্ধানীরা যেন কোনোভাবেই নতুন পরিস্থিতিতে দলে অনুপ্রবেশ করে ছড়ি ঘোরাতে না পারে। দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার কারিগর মাসুদ রানা ও মোহাম্মদ জিয়ার মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের কাঁধেই সংগঠনের পূর্ণ নেতৃত্ব এবং সঠিক মূল্যায়ন অর্পিত হওয়া উচিত।
আগামীর প্রত্যয়: দুর্গে পরিণত করার স্বপ্ন
সব প্রতিকূলতা আর না পাওয়ার বেদনাকে পাশ কাটিয়ে সভাপতি মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া এখনো স্বপ্ন দেখেন একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী বিএনপির। তাঁদের লড়াই কেবল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার ছিল না, লড়াই ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার। সাংবাদিক মাসুদ রানা এবং মোহাম্মদ জিয়ার কণ্ঠে আজ একটাই প্রতিধ্বনি—‘স্বৈরাচারের আমলের জুলুম-অত্যাচার আমরা সহ্য করেছি কেবল দলের আদর্শকে ভালোবেসে। আমাদের রক্তে গড়া এই ইউনিয়নকে আমরা বিএনপির এমন এক দুর্গে রূপান্তর করব, যেখানে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার কখনো ম্লান হবে না।’
গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির এই নেতারাসহ দুর্দিনের লড়াকু সৈনিকদের আত্মত্যাগের গল্প শুধু একটি ইউনিটের ইতিহাস নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের নির্যাতিত তৃণমূল রাজনীতির এক অকৃত্রিম প্রতিচ্ছবি। সঠিক মূল্যায়ন আর ভালোবাসার মাধ্যমে এই ত্যাগী নেতাদের সম্মান জানানোই এখন দলের নৈতিক দায়িত্ব।
শর্ত সাপেক্ষে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর অনুমতি
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে হাসপাতালটিকে পুনরায় তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখা থেকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এতে স্বাক্ষর করেছেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনার মাধ্যমে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং তাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। পরবর্তীতে সেই তদন্ত কমিটির জমা দেওয়া প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্তাবলি মেনে চলায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।
হাসপাতালটি সচল রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে তিনটি প্রধান শর্ত বেধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর সব আইনি বিধান কঠোরভাবে মেনে চলা এবং লাইসেন্সের শর্ত পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব শর্ত পালনে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৯ জুলাই আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা তদন্তের পর প্রত্যাহার করা হলো।
/আশিক
ফরিদপুরে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানে সোলার লাইট চুরি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন এলাকা

সাজ্জাদ হোসেন সাজু
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় রাতের আঁধারে মাদকসেবীসহ অপরাধীদের অবাধ বিচরণ বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে কবরস্থানে স্থাপিত সোলার লাইটের প্যানেল, ব্যাটারি ও সোলার তার চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কবরস্থানের নিরাপত্তা ও রাতে আগত মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেখানে সোলার লাইট স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগে দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে সোলার লাইটের প্যানেল, ব্যাটারি ও সংযোগ তার চুরি করে নিয়ে যায়। এতে কবরস্থানটি বর্তমানে সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই রাতের বেলায় কবরস্থানের আশপাশে মাদকসেবীদের আনাগোনা রয়েছে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় তারা নির্বিঘ্নে সেখানে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কবর জিয়ারত করতে আসা মানুষজন ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে থাকেন।
একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, কবরস্থান একটি পবিত্র স্থান। কিন্তু সেখানে চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত সোলার লাইট পুনঃস্থাপন, কবরস্থানের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নিয়মিত নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সালাম মুন্সি বলেন, “হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানটি আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান। কিন্তু পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর এখানে মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সোলার প্যানেল, ব্যাটারি ও তার চুরি হয়ে যাওয়ায় পুরো কবরস্থান অন্ধকারে ডুবে আছে। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এখানে নতুন করে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করুক, যাতে মানুষ নিরাপদে কবর জিয়ারত করতে পারে এবং কোনো অপরাধী এই স্থানকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করতে না পারে।”
এলাকাবাসী আরও জানান, কবরস্থানের পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তারা চুরির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি কবরস্থানে পুনরায় আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানের নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধ করা যাবে।
উত্তাল বঙ্গোপসাগর: আরও শক্তি সঞ্চয় করছে মৌসুমি নিম্নচাপ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে অবশেষে মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এটি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাত্র ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি ৪৪ কিলোমিটার এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে আবহাওয়া দপ্তরের জারি করা এক বিশেষ বুলেটিনে এই পূর্বাভাসের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আবহাওয়া কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি অধিক ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় (২০.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) একটি শক্তিশাল মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
রোববার দুপুর ১২টার উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায়, নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আফরোজা সুলতানা আরও উল্লেখ করেন, নিম্নচাপটি ক্রমাগত উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরসহ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা কিংবা প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে।
বর্তমানে নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বাতাসের ধারাবাহিক সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া হিসেবে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের আশপাশের সামুদ্রিক অঞ্চল বেশ উত্তাল রয়েছে।
উদ্ভূত বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে আগের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রেখে তা দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে বিলম্ব না করে দ্রুত উপকূলে ফিরে আসতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার কড়া পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
বৃষ্টির দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় সারা দেশে টানা বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আগামী অন্তত পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশের নানা প্রান্তে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে শুরু করে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শনিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষর করা এক আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্যের কথা জানানো হয়।
সংস্থার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি নামতে পারে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
পরবর্তী চার দিনের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এ সময়ে বৃষ্টির পরিধি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে বুধবার নাগাদ তাপমাত্রার তেমন কোনো পরিবর্তন না-ও হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস আরও উল্লেখ করেছে, এই পাঁচ দিন অতিক্রম হওয়ার পরও দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় বিশেষ করে নিম্নাঞ্চল ও ভারী বর্ষণপ্রবণ এলাকার বসবাসকারী মানুষদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, মধ্যপ্রাচ্যকে কী বার্তা দিচ্ছে 'বাহরাইন শিল্ড'?
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
- একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
- নেতৃত্বের রদবদল: বিসিবির বোর্ড সভায় নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের ঘোষণা
- আর্জেন্টিনা ম্যাচে প্রটোকল ভেঙে এমবোলোকে লাল কার্ড: আইএফএবি
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- মাঠে ও সেটে সমান দাপট, শুটিং স্পটে মেসির 'ভামোস' রহস্য উন্মোচন
- উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৮ বিভাগেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- শ্রীমঙ্গলের পর বাহুবলে আবার বাধা: সড়কের ওপরই বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী, দেশের বাজারে উল্টো পতন
- পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের পথে এনসিপি নেতারা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- দুই যুদ্ধ একসূত্রে: ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত কি এখন মহাযুদ্ধে রূপ নিচ্ছে?
- যে ভুলের কারণে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট
- বৈঠকের আগেই চটলেন ট্রাম্প: তোপের মুখে নেতানিয়াহু
- হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় সারজিস ও নাসীরুদ্দীনের গাড়িবহরে হামলা
- টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান বিএসটিআইয়ের
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক মুক্তির একদিন আগেই স্টার সিনেপ্লেক্সে আসছে নতুন ‘স্পাইডার-ম্যান’
- চুক্তি না হলে ইরানের 'পিকেক্স মাউন্টেন' পরমাণু কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
- এলসির চাপ ও তীব্র চাহিদায় ব্যাংকগুলোতে বাড়ল ডলারের দর
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- রাত ১টার মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, ১ নম্বর সংকেত
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- জাপানের ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- মিরপুরে টিসিবির লাইনে মর্মান্তিক দেয়াল ধস, প্রাণ হারালেন ২ জন
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- যুক্তরাজ্যে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মেজবান অনুষ্ঠিত
- স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
- ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা বাড়ল
- ২০৩০ বিশ্বকাপ ঘিরে ফিফার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, খেলা হবে ৬ দেশে
- সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ২০৩৬ সালের মধ্যে অর্থের প্রয়োজনই ফুরিয়ে যাবে: ইলন মাস্ক
- জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে বিদেশের লিগে নতুন শুরুর সামনে শামীম
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা দল টিকিয়ে রাখার রাজনৈতিক কৌশল: ব্যারিস্টার পার্থ
- লেবাননে হামলা না থামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নয়: মোজতবা খামেনি
- হজ ২০২৭: প্রাথমিক নিবন্ধনের বিস্তারিত নিয়ম জারি করল সরকার
- শর্ত সাপেক্ষে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর অনুমতি
- অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: শামা ওবায়েদ
- পুলিশকে জনবান্ধব করতে ‘পুরস্কার ও তিরস্কার’ নীতি বহাল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
- দেশের ২৬টি টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক, ইএসডিওর গবেষণায় উদ্বেগ
- ফরিদপুরে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানে সোলার লাইট চুরি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন এলাকা
- আবারও বাড়ল বিশ্ববাজারে তেলের দাম
- তেল রপ্তানি বন্ধ হলে কাউকেই ছাড় দেবে না ইরান
- আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণ কিনবেন আজ? দেখে নিন ভরিপ্রতি সর্বশেষ দাম
- কমনওয়েলথ গেমস থেকে দ্য হানড্রেড, আজকের সূচি
- গ্রেফতারের পর মোদিকে কড়া বার্তা রাহুল গান্ধীর
- বিশ্বকাপ ও গোল্ডেন বল জয়ের পরই রদ্রির জন্য বড় দুঃসংবাদ
- রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে যা জানিয়েছে রয়টার্স
- ইরানের জব্দ অর্থ এবার জাহাজের ক্ষতিপূরণে!
- শুক্রবার রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
- নজরুলকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অটল সরকার: মির্জা ফখরুল
- আইনের ফাঁকফোকর নাকি সংবিধানের দোহাই? বহিষ্কৃত এমপির ভাগ্য নির্ধারণে জটিলতা
- দেবীদ্বার ইউসুফপুরে ভিডব্লিউবি সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ ও চাল বিতরণ








