বরিশালে হাসপাতালে পুলিশ ফাঁকি দিয়ে ডাকাত পালাল, স্ত্রী গ্রেপ্তার

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ০৫ ১১:০৩:০৬
বরিশালে হাসপাতালে পুলিশ ফাঁকি দিয়ে ডাকাত পালাল, স্ত্রী গ্রেপ্তার

বরিশালে ডাকাতি মামলার আসামি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্সের নায়েক মো. আব্দুল্লাহ এ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্যকে লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া আসামির স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পালিয়ে যাওয়া আসামি রাজ্জাক বেপারীর ছেলে সুজন বেপারী (২৫) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উত্তর লেংগুঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রী সাদিয়া (২১) গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন। লাইনে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন— নায়েক মো. আব্দুল্লাহ ও কনষ্টেবল মো. শামীম।

পুলিশ ও মামলার তথ্যে জানা যায়, ২৯ জুন রাতে একটি ট্রলারে ধারালো অস্ত্রসহ ডাকাত দল বাকেরগঞ্জের কারখানা নদী পার হচ্ছিল। জেলেরা তাদের বাধা দিলে তারা অস্ত্র প্রদর্শন করে হুমকি দেয়। জেলেরা একত্রিত হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এরপর শর্শী বাজারে ডাকাত দল পালানোর চেষ্টা করলে চার সদস্যকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। চারজনের পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া সুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সুজনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় চিকিৎসার জন্য। সেখানে থেকে তিনি পালিয়ে যাওয়ার পর তার স্ত্রী সাদিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। বর্তমানে সুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি তদন্তে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্যকে কর্তৃপক্ষ লাইনে প্রত্যাহার করেছে।

সত্য প্রতিবেদন/আশিক


বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা উল্টো মামলা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ

মোঃ ওয়ালিউল্লাহ রাইসুল
মোঃ ওয়ালিউল্লাহ রাইসুল
স্টাফ রিপোর্টার
বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৭ ২১:১০:১৩
বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা উল্টো মামলা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ

পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার ৯নং কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে জমি ও মাছের ঘের সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি মাছের ঘের ও কৃষি জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধের জেরে ৯নং কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়ন বিএনপির ৭নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন ডাকুয়া, নজরুল ডাকুয়া, মন্টু ডাকুয়া, হেলাল ডাকুয়া এবং কয়েকজন নারী সদস্যের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে আওয়ামী লীগ কর্মী হিসেবে পরিচিত ওলি হাফেজের বিরুদ্ধে।

বিষয়টি মীমাংসার জন্য ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ একাধিকবার উদ্যোগ নেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, সমাধানে না এসে ওলি হাফেজ উল্টো ইউনিয়ন আহ্বায়কসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।স্থানীয়দের দাবি, গত দুই দিন আগে মাছের ঘের ও জমির পাশে নারিকেল গাছ থেকে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে মামুন ডাকুয়া ও নারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওলি হাফেজের স্ত্রী ও তার মেয়ে তানজিলা নারীদের চুল টেনে ধরেন এবং হাতে থাকা লাঠি দিয়ে আঘাত করেন।

পরবর্তীতে ঘটনার চিত্র উল্টোভাবে উপস্থাপন করে মামুন ডাকুয়াসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়া ও মারধরের অভিযোগ এনে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তবে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, প্রকৃতপক্ষে হামলার শিকার মামুন ডাকুয়া ও ওই নারীরাই।

এ ঘটনায় বৈঠাকাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সুমন বিশ্বাস জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।


বরিশাল ১: ধানের শীষের অভিজ্ঞতার কাছে কি টিকবে জামায়াতের কৌশল

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ২৬ ১৮:৫১:০৫
বরিশাল ১: ধানের শীষের অভিজ্ঞতার কাছে কি টিকবে জামায়াতের কৌশল
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের উত্তরাঞ্চলীয় প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত বরিশাল ১ বা গৌরনদী আগৈলঝাড়া আসনের রাজনৈতিক উত্তাপ এখন তুঙ্গে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনে এবার ভোটের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। নৌকার অনুপস্থিতিতে এখানে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন এবং জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম।

মাঠের রাজনীতিতে জহির উদ্দিন স্বপন বেশ পরিচিত ও হেভিওয়েট মুখ। বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা একসময় এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সুবক্তা ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করছেন জহির উদ্দিন স্বপনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং দলের তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবার ধানের শীষকে বিজয়ী করতে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এবং মিডিয়াতে সরব উপস্থিতি তাঁকে সাধারণ ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

অন্যদিকে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলামও ছেড়ে কথা বলছেন না। গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ায় জামায়াতের একটি সুশৃঙ্খল ও নীরব ভোটব্যাংক রয়েছে। মাওলানা কামরুল ইসলাম ইসলামি মূল্যবোধ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভোটারদের নজর কাড়ছেন। জামায়াতের নেতাকর্মীরা মনে করছেন সাধারণ মানুষ এবার গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে গিয়ে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মাওলানা কামরুলকেই বেছে নেবে। বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত আগৈলঝাড়া এলাকায় জামায়াত তাদের নতুন কৌশলে সংখ্যালঘুদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে যা বিএনপির জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন বরিশাল ১ আসনে এবার লড়াই হবে মূলত অভিজ্ঞতা বনাম সাংগঠনিক শৃঙ্খলার। জহির উদ্দিন স্বপন যেখানে তাঁর ব্যক্তিগত ক্যারিশমা ও বিএনপির বিশাল সমর্থক গোষ্ঠীর ওপর নির্ভর করছেন সেখানে মাওলানা কামরুল ইসলাম নির্ভর করছেন জামায়াতের ক্যাডারভিত্তিক সাংগঠনিক শক্তি ও নীরব ভোট বিপ্লবের ওপর। গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্যের বদল ঘটাতে এই দুই নেতার লড়াই শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে জহির উদ্দিন স্বপন বনাম মাওলানা কামরুল ইসলামের এই দ্বৈরথ ততই জমে উঠছে।


বরিশালে হুলস্থুল কাণ্ড: পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে ছাত্রদল নেতার পলায়ন

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৫ ২০:৪৩:৩৭
বরিশালে হুলস্থুল কাণ্ড: পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে ছাত্রদল নেতার পলায়ন
বরিশালে ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের আদালতে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল শহরে এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার নামে ওই নেতা গ্রেপ্তার এড়াতে পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে গেছেন। এই ঘটনায় পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাটি শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) গভীর রাতে বরিশাল নগরের ভাটারখাল এলাকায় ঘটেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার বরিশাল মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলা ছিল। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পুলিশের ভাষ্যমতে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পুলিশের একটি দল ভাটারখাল এলাকায় মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে যায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাসুম এবং তার পরিবারের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালায়। প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন লোক এক হয়ে পুলিশের ওপর লাঠি এবং ইট ছুড়তে শুরু করে।

এই হট্টগোলের মধ্যেই এক পর্যায়ে মাসুম পুলিশের হাতে কামড় দেন এবং পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। হামলায় এসআই নাসিম হোসেনসহ তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে একটি নতুন মামলা দায়ের করেছে। টিএসআই মাহাবুব আলম বাদী হয়ে শনিবার কোতয়ালী থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকার রুস্তম হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার, পালিয়ে যাওয়া মাসুমের স্ত্রী রিমি বেগম এবং একই এলাকার রিফাত ও শিল্পি আক্তার।

কোতয়ালী থানার ওসি মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া মাসুমসহ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


পটুয়াখালীতে বিরল কালো পোয়া মাছ ধরা পড়ায় বাজারে ভিড়

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ সেপ্টেম্বর ২৭ ১৮:৩১:৩৭
পটুয়াখালীতে বিরল কালো পোয়া মাছ ধরা পড়ায় বাজারে ভিড়
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্য বন্দরে বিরল প্রজাতির কালো পোয়া মাছ ধরা পড়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামে পরিচিত। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ৪ কেজি ৯০০ গ্রাম ওজনের মাছটি বন্দরের মেসার্স জাবের ফিসে আনা হলে নিলামের মাধ্যমে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এতে মাছটির প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় প্রায় ১৬ হাজার টাকা। খবর ছড়িয়ে পড়লে মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় জমে যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘ফ্রেশ ফিশ কুয়াকাটার মালিক’ পিএম মুসা নিলামে মাছটি কিনে নেন এবং এটি রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর আগেও গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) একই আড়ত থেকে ৪ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের আরেকটি কালো পোয়া তিনি ৭২ হাজার টাকায় কিনেছিলেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা

স্থানীয় জেলেদের কাছে মাছটি দাঁতিয়া নামেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক বাজারে এই মাছের বায়ুথলির (এয়ার ব্লাডার) ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, যা মূলত চীনা ওষুধ এবং প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, কালো পোয়া (Protonibea diacanthus) সাধারণত ১০ থেকে ২৫ কেজি পর্যন্ত ওজনের হতে পারে। বিরল হলেও এরা বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, পটুয়াখালী ও বরিশাল উপকূলে ধরা পড়ে।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “কালো পোয়াকে ব্ল্যাক স্পটেড ক্রোকারও বলা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে জেলেদের জালে দুটি মাছ ধরা পড়েছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক খবর।” তিনি আরও বলেন, সামুদ্রিক মাছ আহরণের সাম্প্রতিক ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞার সুফলেই এখন জেলেরা বেশি মাছ পাচ্ছেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।


বিএনপির হাতেই বাংলাদেশ ও দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষিত: আবু নাসের

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ সেপ্টেম্বর ০৪ ১১:৫২:৪৮
বিএনপির হাতেই বাংলাদেশ ও দেশের গণতন্ত্র সুরক্ষিত: আবু নাসের
ছবি : কালবেলা

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিএনপির ভূমিকার কথা তুলে ধরে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশ ও দেশের গণতন্ত্র বিএনপির হাতেই নিরাপদ। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বরিশালে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে নগরীর টাউন হলে আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর এরশাদের সময়ে সেই গণতন্ত্র আবারও হত্যা করা হয়, যেখান থেকে বেগম খালেদা জিয়া দেশকে উদ্ধার করে পুনরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশের গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৭ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল হিসেবেই এ বছরের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে। তার মতে, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশে পুনরায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।

আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘যতবার বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশজুড়ে শান্তি বিরাজ করেছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পেয়েছে। সুতরাং বিএনপির হাতেই দেশ থাকবে সুরক্ষিত ও নিরাপদ।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, যারা নিজেদের ফায়দা হাসিলের জন্য ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আপস করে দল ভারী করার চেষ্টা করছে, তারা বিএনপির উপকারের বদলে ক্ষতি করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, এসব অপকর্ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। একই সঙ্গে তিনি আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কাজী এনায়েত হোসেন বাচ্চুর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন এবং সদস্য নুরুল আমিনসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম সেলিম।


পাঠ্যবইয়ের বদলে রাজনৈতিক বই: ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুড়িয়ে দিলেন ৩০০ গ্রন্থ

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৮ ২১:২৭:৫১
পাঠ্যবইয়ের বদলে রাজনৈতিক বই: ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুড়িয়ে দিলেন ৩০০ গ্রন্থ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসংক্রান্ত তিন শতাধিক বই পুড়িয়ে দিয়েছেন। সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরের দিকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মূল ফটকের সামনে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী বইগুলো একত্র করে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মুহূর্তের মধ্যে বইগুলো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, পুড়িয়ে ফেলা বইগুলো ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা জীবনী, গবেষণা ও রাজনৈতিক ইতিহাসভিত্তিক।

শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর সারা দেশ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনাসহ স্বৈরাচারী শাসনের সব স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার নির্দেশনা ছিল। তাদের শিক্ষকরা জানিয়েছিলেন যে, লাইব্রেরি থেকে সব বই সরিয়ে ফেলা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীরা দেখেছে যে সেগুলো এখনো বিদ্যমান। তাই ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরি থেকে বইগুলো এনে পুড়িয়ে ফেলেছেন। তারা অভিযোগ করেন, প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এবং লাইব্রেরিতে পাঠ্যবইয়ের সংকটের মধ্যেও রাজনৈতিক বই দিয়ে তাক ভরে রাখা হয়েছে, যা তাদের কোনো কাজে আসে না।

এ বিষয়ে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিল চন্দ্র কির্তুনিয়া বলেন, ‘আমি সম্প্রতি দায়িত্ব নিয়েছি, বই অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা ছিল না। তবে সাবেক অধ্যক্ষ আমাকে জানিয়েছিলেন যে বইগুলো আলাদা করে বেঁধে লাইব্রেরির মধ্যে পরিত্যক্ত স্থানে রাখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা আমাদের জানালে হয়তো কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে সরিয়ে ফেলা যেত।’

/আশিক


মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১৭ ১৪:২৭:২৮
মেহেন্দিগঞ্জে বিএনপি নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট
আগুনে পুড়ে যাওয়া আসবাব। ছবি : কালবেলা

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় প্রয়াত বিএনপি নেতা এ টি এম মতিউর রহমানের বাড়িতে লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার ৬নং বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এ টি এম মতিউর রহমানের মৃত্যুর পর তার সন্তানরা বরিশাল নগরী ও প্রবাসে বসবাস করেন। গ্রামের বাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ ছিল। শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা বাড়িতে ভাঙচুর করে আসবাবপত্র লুট করে। পরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিলে বসতঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী আকলিমা বেগম জানান, ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উঠে তিনি পাশের ঘরে আগুন দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে ঘরের সবকিছু পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মোস্তফা কামাল উদ্দিন হারুন অভিযোগ করেন, তাদের সঙ্গে গ্রামের কিছু লোকের জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের জের ধরেই হামলা ও অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আগুনে তাদের অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আন্দোলনের ভাষণ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, তারপর যা ঘটল…

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১২ ১৯:১৪:২৬
আন্দোলনের ভাষণ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, তারপর যা ঘটল…
ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় সরোয়ার হাওলাদার নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গোলচত্বরে এই ঘটনা ঘটে। আটক সরোয়ার হাওলাদার বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি দাবি করেছেন, বক্তৃতার শেষে অসাবধানতাবশত মুখ ফসকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করেছেন।

আন্দোলনের নেতারা অভিযোগ করেছেন, স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার দাবিতে তাদের চলমান কর্মসূচিকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে সরোয়ার হাওলাদার পরিকল্পিতভাবে এই স্লোগান দিয়েছেন। এ বিষয়ে উভয়পক্ষের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলার সাবেক আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ জানান, আন্দোলনের সময় সরোয়ার হাওলাদার এসে সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শেবাচিম হাসপাতালে তার মাকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করানোর সময় চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং হয়রানির শিকার হন। ক্ষোভ থেকে তিনি আন্দোলনের পক্ষে বক্তব্য দিতে চান।

সোহাগের দাবি, বক্তব্যের শেষে সরোয়ার ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে উপস্থিত জনতার মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হেফাজতে নিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি সিন্ডিকেট তাদের আন্দোলনকে ব্যাহত করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং এরই অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগে, দুদিন আগে আন্দোলনকারীদের ওপর একদল ব্যক্তি হামলা চালিয়েছিল বলেও তিনি জানান।

এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির হোসেন সিকদার বলেন, সরোয়ার হাওলাদারকে হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/আশিক


তিন দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

বরিশাল ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ১০ ১৮:২৩:১৯
তিন দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, দক্ষিণাঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
সেনাবাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। ছবি: সমকাল

বরিশালের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে তিন দফা দাবিতে ১৪ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তারা স্বাস্থ্যখাত সংস্কারসহ বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে সেবার মান উন্নয়নের দাবি করছে। প্রতিবাদীদের ওপর সেনাবাহিনী বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ হয়, কিন্তু তারা বাধা অগ্রাহ্য করে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। অবরোধের কারণে বরিশাল ও পাশ্ববর্তী পাঁচ জেলা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল নিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদারকি বাড়িয়ে দুর্নীতি বন্ধ করা, চিকিৎসকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা ও ডিজিটাল অটোমেশন ও স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক টাস্কফোর্স গঠনসহ স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে।

আজ সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিল। বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা সেখানে পৌঁছালে সেনাবাহিনী বাধা দিতে গেলে ধাক্কাধাক্কি হয়। আন্দোলনকারীরা তা উপেক্ষা করে জিরো পয়েন্টে বসে স্লোগান দেন এবং অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বিকেলে নথুল্লাবাদ গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দাবিগুলো মানতে হবে, না হলে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদত্যাগের আন্দোলন শুরু হবে।

আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহিউদ্দিন রণি, যিনি রেলওয়ের অব্যবস্থার বিরুদ্ধে এককভাবে আন্দোলন শুরু করে দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছেন। রণি জানান, তারা গত ১৪ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালাচ্ছেন, কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিনা উসকানিতে তাদের ওপর আক্রমণ করেছে। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ যেভাবে কোনো আন্দোলনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, সেই নিয়মে আমাদের ওপর নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।’

/আশিক

পাঠকের মতামত: