রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৭:১৮:২৩
রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
ছবি : সংগৃহীত

রোজার প্রথম দিনেই রাজধানীর বাজারে মুরগির মাংসের দাম বেড়েছে। জাতভেদে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিতে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) কারওয়ান বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। সেই সঙ্গে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা ও খাশির মাংস ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকা ও লাল লেয়ার মুরগি ৩৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজার কিচেন মার্কেটের সততা মুরগির আড়তের কর্মচারী সুমন সাংবাদিকদের বলেন, সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। সপ্তাহখানেক আগে ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন দাম ২০০ টাকা। দেশি মুরগি ৫৮০ থেকে ৬৮০ টাকা থাকলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৭ ১৫০ টাকায়। আর ২৮০ টাকার লাল মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা কেজিতে।

এদিকে বাজারে লেবু ৬০ থেকে ১২০ টাকা হালি, শশা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি ও বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সেই সঙ্গে আলু ২০ টাকা ও পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

/আশিক


শুল্ক ছাড়ের সুফল নেই: জাহাজ ডুবি ও সিন্ডিকেটে উত্তপ্ত খেজুরের বাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১২:৩৪:৪২
শুল্ক ছাড়ের সুফল নেই: জাহাজ ডুবি ও সিন্ডিকেটে উত্তপ্ত খেজুরের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

সরকার আমদানিতে বড় ধরনের শুল্ক ছাড় দিলেও তার সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। পবিত্র রমজানের শুরুতে খেজুরের দাম নাগালের মধ্যে থাকার আশা থাকলেও বর্তমানে তা কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এমনকি গত বছরের তুলনায় এবার খেজুরের দাম আরও বাড়তি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি থাকায় জাহাজ বার্থিং পেতে বিলম্ব হয়েছে, যা সাপ্লাই চেইনকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এর পাশাপাশি থাইল্যান্ড উপকূলে ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ইরাকি খেজুরসহ একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ায় বাজারে বড় ধরনের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কয়েক দিন আগেও যে ইরাকি খেজুর ১৫০ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হতো, বর্তমানে সেই খেজুর ১৮০-১৮৫ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। ১০ কেজির কার্টন পাইকারি ২ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকা হয়েছে।

দেশের মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে সরকার খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করেছে, যা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে শুল্ক কমানোর কারণে দাম কমার কথা থাকলেও অসাধু ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফালোভী কারসাজির কারণে এর প্রতিফলন বাজারে নেই। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খেজুর আমদানিকারক ও বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, "থাইল্যান্ড উপকূলে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ইরাকি খেজুরবাহী একটি জাহাজ ডুবে গেছে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে চার দিনের কর্মবিরতির ফলে সৃষ্ট জাহাজ জটে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয় ইরাকি খেজুরের সরবরাহ কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খুচরা বিক্রেতাদের অধিক মুনাফা করার প্রবণতাই এই অকাল দাম বাড়ার পেছনে বড় কারণ। তবে আমদানিকৃত খেজুরের পরিমাণ চাহিদার চেয়ে বেশি হলে রমজান শুরুর সঙ্গে সঙ্গে বাজার দ্রুতই স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সামগ্রিকভাবে বাজারে খেজুরের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সৌদি আরব, তিউনিসিয়া বা আরব আমিরাতের মতো বড় উৎসগুলো থেকে আসা প্রিমিয়াম খেজুরের দাম সেভাবে বাড়েনি। তবে নিম্নবিত্তের জন্য জনপ্রিয় জাতগুলোর দাম এখন আকাশচুম্বী।

বাজারে খেজুরের বর্তমান মূল্য তালিকা

বস্তা খেজুর (বাংলা খেজুর): ২২০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি।

জাহিদি খেজুর: ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি।

দাবাস খেজুর: ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি।

বরই খেজুর: ৪৮০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি।

কালমি খেজুর: ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি।

সুক্কারি খেজুর: ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি।

মাবরুম খেজুর: ৮৫০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি।

মরিয়ম খেজুর: ১,১০০ থেকে ১,৪০০ টাকা কেজি।

মেডজুল খেজুর: ১,২০০ থেকে ১,৮০০ টাকা কেজি।

/আশিক


নবম পে-স্কেল কি পিছিয়ে যাচ্ছে? যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১১:১২:৪১
নবম পে-স্কেল কি পিছিয়ে যাচ্ছে? যা বললেন নতুন অর্থমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

নবম জাতীয় বেতন কমিশন বা পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার মাঝে নতুন বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও বিবেচনা করে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অর্থমন্ত্রী জানান, সুপারিশগুলো না দেখে এখনই কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়; বরং এটি কতটুকু বাস্তবায়নযোগ্য, তা যাচাই করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে নতুন পে-স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা হবে। গত ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কমিশন চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক এবং আগামী ১ জুলাই (২০২৬-২৭ অর্থবছর) থেকে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার কথা জানিয়েছে।

বর্তমানে দেশের প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর বেতনের জন্য সরকারের ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। কমিশনের নতুন সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হলে সরকারের অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। তবে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, দেশের বর্তমান রাজস্ব ঘাটতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাতের কারণে এই বিশাল আর্থিক ব্যয়ভার বহন করার আগে সরকার অত্যন্ত সতর্কভাবে পা ফেলতে চায়।

/আশিক


১০১টি অজুহাতে পকেট কাটছে সিন্ডিকেট! রমজানের শুরুতেই অস্থির কাঁচাবাজার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ০৯:৫৯:২৬
১০১টি অজুহাতে পকেট কাটছে সিন্ডিকেট! রমজানের শুরুতেই অস্থির কাঁচাবাজার

পবিত্র মাহে রমজান সংযম ও ত্যাগের মাস হলেও রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে। ইফতার ও সেহরির অতিপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মহাখালী কাঁচাবাজার ও জোয়ারসাহারা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবু, বেগুন, শসা, মুরগি ও খেজুরের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি বাজারের দোহাই দিলেও সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ—অসাধু সিন্ডিকেট চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের।

ইফতার সামগ্রীতে আগুনের হলকা

ইফতারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ লেবুর দাম এখন সাধারণের নাগালের বাইরে। আকারভেদে এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে শুরু করে ১৬০ টাকা পর্যন্ত। বেগুনের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়ে কেজি ঠেকেছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। দেশি শসা ও কাঁচা মরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে; প্রতি কেজি শসা ১৪০ টাকা এবং মরিচ ২৪০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। মোহাম্মদপুর টাউন হলের সবজি বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম জানান, আড়তেই দাম চড়া থাকায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে।

পেঁয়াজ, ডাল ও ছোলার বাজার

পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে এখন ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় ঠেকেছে। এছাড়া মসুর ডাল মানভেদে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মুরগি ও মাংসের বাজারে অস্থিরতা

রমজানে চাহিদা বাড়ার অজুহাতে ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারেও তিল ধারণের জায়গা নেই; গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, খামারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই।

শুল্ক ছাড়েও কমেনি খেজুরের দাম

সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো, এনবিআর থেকে শুল্ক কমানোর ঘোষণা সত্ত্বেও বাজারে কমেনি খেজুরের দাম। উল্টো গত দুই সপ্তাহে মানভেদে খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা বাজারে আজওয়া ৮০০-১৪০০ টাকা, মরিয়ম ১১০০-১৫০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মেডজুল ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজিকে দায়ী করলেও সাধারণ মানুষ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।

দেশি-বিদেশি ফলের চড়া দর

ফলের বাজারেও একই অস্থিরতা। কলার ডজন প্রতি ৪০-৬০ টাকা বেড়েছে। পেয়ারা ১০০-১৫০ টাকা এবং আনারস পিস প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই রমজানে পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


টাকার বিপরীতে ডলারের নতুন দর; আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি মুদ্রা বিনিময় হার কত?

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ০৯:৫২:৫০
টাকার বিপরীতে ডলারের নতুন দর; আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি মুদ্রা বিনিময় হার কত?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিনের মুদ্রার বিনিময় হার জানা এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানো এবং আমদানিকারকদের এলসি খোলার ক্ষেত্রে টাকার মান ওঠা-নামা বড় প্রভাব ফেলে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার ১২২ টাকা ১৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান আজ দাঁড়িয়েছে ১৪৫ টাকা ১ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর ১৬৫ টাকা ৮৫ পয়সা।

এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৬ টাকা ৬৬ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ২৯ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে, শ্রমবাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সৌদি রিয়ালের দাম আজ ৩২ টাকা ৫৪ পয়সা এবং কুয়েতি দিনারের মান ৩৯৮ টাকা ৩৯ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি মুদ্রার বিনিময় হার আজ ১ টাকা ৩৪ পয়সা।

মুদ্রা বিনিময়ের এই হার মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যকার লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। তবে গ্রাহক পর্যায়ে অর্থাৎ কোনো ব্যাংক থেকে ডলার কেনা বা মানি এক্সচেঞ্জে খুচরা লেনদেনের সময় এই মূল্যের সামান্য তারতম্য হতে পারে।

এছাড়া চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৭৬ পয়সা এবং জাপানি ইয়েন ০.৭৯ পয়সা দরে আজকের বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে। সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য জেনে লেনদেন করলে আর্থিক ঝুঁকি অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।

(সূত্র : গুগল)


স্বর্ণের বাজারে টানা দরপতন: দুই দফায় কমল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ০৯:৩৬:০৭
স্বর্ণের বাজারে টানা দরপতন: দুই দফায় কমল প্রায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ পাঁচ দফার মধ্যে তিনবারই কমানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। বিশেষ করে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি মোট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমানো হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাজুস জানিয়েছে, নতুন করে ভরিতে আরও ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে, যা আজ বৃহস্পতিবারও (১৯ ফেব্রুয়ারি) কার্যকর থাকবে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে আসায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ৭৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ১১১ টাকা দরে কেনা যাবে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে, স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত হবে। গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী এই মজুরির হার কম-বেশি হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম একবার কমানো হয়েছিল। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৩০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ বার বেড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুপার দাম এ বছর এখন পর্যন্ত ১৭ বার সমন্বয় করা হলেও বর্তমানে তা আগের অবস্থানেই অপরিবর্তিত রয়েছে।

/আশিক


রেমিট্যান্স পাঠাতে জানুন নতুন হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১২:০৪:১২
রেমিট্যান্স পাঠাতে জানুন নতুন হার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বৈদেশিক লেনদেন সহজ করতে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার জানা প্রয়োজন হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী ও প্রবাসী পরিবারগুলোর জন্য।

আজ বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গড় বিনিময় হারও একই পর্যায়ে রয়েছে।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ১৪৪ টাকা ৯৬ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৫ টাকা ০১ পয়সা। ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৫ টাকা ৯২ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৫ টাকা ৯৮ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

এ ছাড়া অন্যান্য প্রধান মুদ্রার হালনাগাদ দর নিচে দেওয়া হলো-

জাপানি ইয়েন: ক্রয় ও বিক্রয় উভয় ক্ষেত্রেই ০.৮০ টাকা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ক্রয় ৮৬.৬৩ টাকা, বিক্রয় ৮৬.৬৮ টাকা

সিঙ্গাপুর ডলার: ক্রয় ৯৬.৮৯ টাকা, বিক্রয় ৯৬.৮৮ টাকা

কানাডিয়ান ডলার: ক্রয় ৮৯.৬৮ টাকা, বিক্রয় ৮৯.৬৯ টাকা

ভারতীয় রুপি: ক্রয় ও বিক্রয় ১.৩৫ টাকা

সৌদি রিয়াল: ক্রয় ৩২.৬১ টাকা, বিক্রয় ৩২.৫০ টাকা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা, বৈদেশিক রিজার্ভের অবস্থা এবং আমদানি-রপ্তানির প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার দর প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়। ফলে ব্যাংক ঘোষিত হার ও খোলা বাজারের দরের মধ্যে সামান্য পার্থক্য দেখা দিতে পারে।

উল্লেখ্য, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার যে কোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বড় অঙ্কের লেনদেনের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ হার জেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

-রফিক


আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ০৯:৪৩:৪৫
আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। দীর্ঘ ঊর্ধ্বগতির পর ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সোনার এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয়, যা আজ বুধবার থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে অলঙ্কার তৈরির এই মূল্যবান ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনা এখন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায় পাওয়া যাবে। এছাড়া অন্যান্য মানের সোনার দামও সমানুপাতিক হারে কমেছে। এখন থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকায় বিক্রি হবে। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন আবার একই পরিমাণে কমিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হলো।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, সোনার এই নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করা বাধ্যতামূলক। এর পাশাপাশি বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরিও ক্রেতাকে পরিশোধ করতে হবে। তবে গয়নার নকশা, শৈল্পিক কারুকার্য এবং মানের তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে। ৯ ফেব্রুয়ারির সমন্বয় অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা, যা আজ থেকে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য আরও সাশ্রয়ী হলো।

স্থানীয় বাজারে সোনার দামের এই ওঠা-নামা মূলত আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং তেজাবি সোনার মূল্যের ওপর নির্ভর করে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সোনার দামের যে অস্থিরতা চলছিল, তাতে এই দরপতন গয়না ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সাধারণ ক্রেতাদের মাঝেও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুমে সোনার দাম কিছুটা কমায় অলঙ্কার প্রেমীদের মধ্যে কেনাকাটার নতুন আগ্রহ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজুস নিয়মিতভাবে বাজার পর্যবেক্ষণ করে সোনার দামের এই সমন্বয় অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে।

/আশিক


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুখবর: রিজার্ভে বড় প্রবৃদ্ধি দেখছে বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ২১:১৪:৪২
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুখবর: রিজার্ভে বড় প্রবৃদ্ধি দেখছে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সংবাদ নিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৩৪ হাজার ৫৩৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই হালনাগাদ ও স্বস্তিদায়ক তথ্যটি জনসমক্ষে প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ যেখানে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার, সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রবর্তিত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উল্লেখ্য যে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভের উভয় পদ্ধতিতেই বড় ধরনের উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে।

সাধারণত একটি দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। এই পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায়গুলো বিয়োগ করলে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় রিজার্ভের এমন প্রবৃদ্ধি দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আত্মবিশ্বাস জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্সের বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী মাসগুলোতে রিজার্ভের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আরও সুসংহত করবে।

/আশিক


বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ২১:০০:৫১
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আকাশছোঁয়া পরিস্থিতির মধ্যে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় তারা মূল্যবান এই ধাতুর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের তথা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, যা আজ মঙ্গলবার থেকেই সারা দেশে কার্যকর হয়েছে।

স্বর্ণের নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, বাজারে ২২ ক্যারেট বাদে অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের বর্তমান বাজারদর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করেই ধাতুটির এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে স্বর্ণের নির্ধারিত এই দামের সঙ্গে অলংকার কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের বাড়তি কিছু খরচও বহন করতে হবে। বাজুসের নিয়ম অনুযায়ী, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। নতুন নির্ধারিত মূল্যের ভিত্তিতে হিসাব করলে দেখা যায়, আজ থেকে এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের অলংকার তৈরি করতে একজন ক্রেতার মোট খরচ পড়বে ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৪ টাকা। এই মোট খরচের মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা স্বর্ণের দাম, ১২ হাজার ৯৪১ টাকা ভ্যাট এবং ১৫ হাজার ৫২৯ টাকা ন্যূনতম মজুরি হিসেবে ধরা হয়েছে।

বাজুস তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, যদিও তারা সর্বনিম্ন ৬ শতাংশ মজুরি নির্ধারণ করে দিয়েছে, তবে অলংকারের নকশা ও কারুকার্যের ভিন্নতা এবং মানের ওপর ভিত্তি করে এই মজুরি কম বা বেশি হতে পারে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং সার্বিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বারবার স্বর্ণের এই মূল্য সমন্বয় করা হচ্ছে। দীর্ঘ ঊর্ধ্বগতির পর এবার সামান্য দরপতন দেশের গহনা ব্যবসায় এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে কেমন প্রভাব ফেলে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

/আশিক

পাঠকের মতামত: