রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার

রমজান মাসে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের পূর্ব সিদ্ধান্ত স্থগিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের এই আদেশের ফলে আগামী ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশের সকল মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে। মূলত রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ছুটি নিশ্চিত করতেই এই কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ধারাবাহিক ধর্মীয় ছুটির কারণে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর আগামীকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) খুলছে স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নির্বাচন উপলক্ষে গত ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি পড়ে। আজ রবিবার শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ফলে আজ পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ক্লাস হয়নি। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই মাঘী পূর্ণিমা এবং ৪ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাতেও ছুটি ছিল।
বার্ষিক ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৪ দিন ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৮ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান শুরু হয়ে ঈদুল ফিতর, জুমাতুল বিদা এবং স্বাধীনতা দিবসসহ কয়েকটি ছুটি মিলিয়ে টানা ১৯ দিন স্কুল বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ে এই ছুটি শুরু হচ্ছে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই। দীর্ঘ এই বিরতির পর আগামী ২৯ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবার নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।
শিক্ষাবর্ষের বাকি সময়ের ছুটির বিষয়ে জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে এবার টানা ১২ দিনের বিরতি থাকবে। এই ছুটি চলবে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত, যার মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লক্ষ্মীপূজা, প্রবারণা পূর্ণিমা এবং ফাতেহা-ই-ইয়াজদহমে এক দিন করে ছুটি থাকবে। যথারীতি প্রতিষ্ঠানপ্রধানের হাতে সংরক্ষিত দুই দিনের ছুটি রাখা হয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক দিবস এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উপলক্ষে নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
/আশিক
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মন্ডলের সরাসরি পরিকল্পনার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, শাপলা চত্বরের সেই অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ জন নিহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেছে, তবে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি কি না তা নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে। গত বছরের ১৪ মে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রেক্ষিতে গত সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ থেকে ডিবি পুলিশ আব্দুল জলিল মন্ডলকে গ্রেপ্তার করে। আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, "তদন্তে উঠে এসেছে যে আব্দুল জলিল মন্ডলের সার্বিক পরিকল্পনাতেই শাপলা চত্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ওইসব বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল।" তিনি আরও জানান, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং নিহতদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। দ্রুতই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
দেশবাসী তাকিয়ে আছে, প্রকল্পের টাকা লুটপাট করলে রক্ষা নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী
দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, সরকারি প্রকল্পের টাকা লুটপাটের বিন্দুমাত্র সুযোগ দেওয়া হবে না এবং এমন কিছু ঘটলে সরকার তা কঠোরভাবে দমন করবে।
নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশবাসী তাকিয়ে আছে আমরা হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প দিয়ে দেশকে কী দিতে পারছি। তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, আগামী ৫ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। ১৯৮১ সাল পর্যন্ত চলমান খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। তবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে বিশেষজ্ঞ এবং প্রকৌশলীদের মাধ্যমে সঠিক খাল বাছাই এবং দক্ষ লোকবল নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক লড়াই এবং জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সরকার হঠাৎ করে ক্ষমতায় আসেনি; ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই শাসনামলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে কোনো প্রকার দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
/আশিক
ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
দেশের ১৩টি জেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বড় একটি অংশে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা এই ঝড়ের সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়তে পারে এমন জেলাগুলোর তালিকায় রয়েছে—ঢাকা, পাবনা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট। আবহাওয়া অফিস এই অঞ্চলগুলোর নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর (পুনঃ) ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে। ছোট নৌযান ও লঞ্চগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে এবং ঝড়ের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়ার অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের বাড়তি অংশ অবস্থান করছে। এছাড়া দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজমান। এই পরিস্থিতির কারণে দেশের সব বিভাগেই আগামী কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী দুই দিন দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
/আশিক
এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট এবং তেলের দাম নিয়ে অস্থিরতার মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক আনুষ্ঠানিক আদেশে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, আগামী এপ্রিল মাসে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। অর্থাৎ, বর্তমান মার্চ মাসের নির্ধারিত দামেই এপ্রিল মাসেও তেল কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।
মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব এনামুল হকের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জানানো হয়, ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা দরে বিক্রি হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের নিয়ম থাকলেও, এপ্রিলের জন্য দাম অপরিবর্তিত রাখার এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়ানোর যে আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সেই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখার এই ঘোষণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই নতুন (অপরিবর্তিত) মূল্য কার্যকর থাকবে।
/আশিক
৫৫% মানুষের চাওয়া কি পূরণ হবে? অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও সশরীরে—এই দুই পদ্ধতির সমন্বয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা চলছে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে একটি পরিসংখ্যান চালিয়েছে যেখানে দেখা গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছেন যেন ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া হয়। তবে পুরোপুরি অনলাইন ক্লাসের বিপক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, "সম্পূর্ণ অনলাইনে গেলে শিক্ষার্থীরা অসামাজিক হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।" তাই সশরীরে ক্লাসের গুরুত্ব বজায় রেখে কীভাবে অনলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।
জ্বালানি তেল সংকটের এই সময়ে স্কুল পর্যায়ের এই দ্বিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিস্তারিত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। সেখানে গঠনমূলক আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান মন্ত্রী। মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব থেকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সচল রাখতেই এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার।
/আশিক
দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
দেশে চলমান ‘মব কালচার’ বা মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আর বরদাশত করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ঘোষণা দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সংসদ অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সময়ের ‘মব কালচার’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান যে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মব কালচারের শিকার হয়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমনকি গত ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি নিজেও এই পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন বলে সংসদে জানান। এই কালচার বন্ধে সরকারের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ কী—তা জানতে চান তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার থাকবে না। বিশেষ করে দাবি আদায়ের নামে মহাসড়ক বা রাস্তা অবরোধ করার যে প্রবণতা আগে দেখা গিয়েছিল, তা আর কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মব এবং সুসংগঠিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে হামলা বা ভাঙচুর করা মূলত পরিকল্পিত অপরাধ, যা মব কালচারের সংজ্ঞায় পড়ে না। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা ও তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা প্রকাশের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া, সেমিনার বা শান্তিপূর্ণ জনসমাবেশ করার অধিকার সবার আছে। সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু মবের দোহাই দিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা অস্থিতিশীলতা তৈরি করাকে কোনোভাবেই সমর্থন করা হবে না।
/আশিক
সংসদে জাইমা রহমান: ভিভিআইপি গ্যালারিতে সরব উপস্থিতি
জাতীয় সংসদের ভিভিআইপি লাউঞ্জে বসে সোমবার (৩০ মার্চ) সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিকেল ৩টায় অধিবেশন শুরু হওয়ার পর তিনি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন এবং সামনের সারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন যে, ব্যারিস্টার জাইমা রহমান অধিবেশনের শুরু থেকেই উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ করে প্রশ্নোত্তর পর্বটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। সংসদ কক্ষে তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য—স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ বিরোধী দলের সদস্যরাও অধিবেশনে অংশ নিচ্ছিলেন।
অধিবেশন চলাকালে জাইমা রহমানের হাতে একটি ল্যাপটপ দেখা যায়, যেখানে তাঁকে বেশ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য যে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনেও তিনি তাঁর মা ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে ভিভিআইপি গ্যালারিতে বসে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তরুণ এই ব্যারিস্টারের ঘন ঘন সংসদে উপস্থিতি এবং সশরীরে সংসদীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ রাজনৈতিক মহলে বেশ ইতিবাচক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
/আশিক
বিগত সরকারের ১৩০০ প্রকল্প এখন কাঠগড়ায়: দুর্নীতির তথ্য ফাঁস করলেন অর্থমনন্ত্রী
জাতীয় সংসদে সোমবার (৩০ মার্চ) বাজেট ও উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করাই এখন বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পূর্ববর্তী সরকারের গৃহীত প্রকল্পগুলোর বেহাল দশা তুলে ধরেন। সরকারি নথির বরাত দিয়ে তিনি জানান, বিগত সরকারের নেওয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশের নিচে। এ ছাড়া প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে, যেগুলোর পেছনে অপচয় ও দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব প্রকল্প আগের মেয়াদে নেওয়া হওয়ায় এ নিয়ে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন, গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে হলে অবকাঠামো উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সরকার এখন এমন সব বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে, যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।
তিনি সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য কোনো কার্যকর উন্নয়ন প্রস্তাব থাকলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পেশ করা যেতে পারে। জনস্বার্থে সেসব প্রকল্প ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতিতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
রাজনীতিতে সৌজন্যের নতুন নজির: বিরোধীদলীয় নেতাকে এগিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় রাজনীতিতে সৌজন্য ও শিষ্টাচারের এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে দুই নেতার এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বেলা ১২টায়, যখন জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা নামাজে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে সংসদ ভবনের দিকে ফেরার পথে বিরোধীদলীয় নেতা কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ তাঁকে নিজ কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট স্থায়ী এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। তবে সবচেয়ে নজরকাড়া মুহূর্তটি ছিল সাক্ষাতের শেষে। আলাপ শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজে বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁর কার্যালয়ের পথ পর্যন্ত খানিকটা এগিয়ে দেন। ক্ষমতার শীর্ষপদে থেকেও এমন বিনয় ও সৌজন্য প্রদর্শন উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করেছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবরই সবাইকে যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার প্রদর্শনে বিশ্বাসী। নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর এই অমায়িক ব্যবহার সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই ঘটনাটি ছিল তাঁর সেই স্বাভাবিক সৌজন্যবোধেরই একটি উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড ডিআইজি জলিল? ট্রাইব্যুনালের বড় তথ্য
- চীনের ৫ দফা প্রস্তাব! ইরান যুদ্ধ থামাতে বেইজিং-ইসলামাবাদ ঐতিহাসিক চুক্তি
- সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
- ৩ মাসে ৫০ বার সমন্বয়! স্বর্ণের বাজারের এই অস্থিরতা থামবে কবে?
- পেনাল্টি বঞ্চিত বাংলাদেশ? রেফারির বাঁশিতেই হারল লাল-সবুজরা!
- মুক্তিযুদ্ধ আমাদের পরিবারের রক্ত আছে: সংসদে আবেগঘন জামায়াতের আমির
- মেজর জেনারেল এসঘাঘি নিহত! সপরিবারে প্রাণ হারালেন ইরানের শীর্ষ সেনাকর্তা
- দেশবাসী তাকিয়ে আছে, প্রকল্পের টাকা লুটপাট করলে রক্ষা নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী
- বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্যের নর্দাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপন
- কুমিল্লার বরুড়ায় দা দিয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক
- এবার ইরাকে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা!
- ঢাকাসহ ১৩ অঞ্চলে কালবৈশাখীর হানা: বজ্রসহ বৃষ্টির বড় আপডেট
- এপ্রিলে বাড়ছে না তেলের দাম!
- সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে চীন-পাকিস্তান জোট! হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের নাটকীয় পিছুটান?
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের শেয়ারবাজারে লোকসানে ১০ কোম্পানি
- ডিএসই গেইনার বিশ্লেষণ, কোন খাতে বেশি লাভ
- যুদ্ধ থামাতে যেসব শর্ত দিল ইরান, বাড়ছে উত্তেজনা
- যুদ্ধের ধাক্কায় দুবাই-আবুধাবি শেয়ারবাজারে বড় পতন
- মার্কিন যুদ্ধবিমান ঠেকাতে আকাশ বন্ধ স্পেনের
- মধ্যপ্রাচ্যে অসংখ্য মার্কিন প্যারাট্রুপার, ইরানের 'খারগ দ্বীপ' কি দখল করবে যুক্তরাষ্ট্র
- তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই টার্গেট! কেন খারগ দ্বীপ দখলের ঝুঁকি নিচ্ছেন ট্রাম্প?
- মাথা ব্যথায় অস্থির? জেনে নিন হুটহাট যন্ত্রণা বাড়ার আসল কারণ
- আপনার শিশু কি নিরাপদ? হামের প্রকোপ রুখতে এখনই যা করা জরুরি
- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? মন ভালো করার ৫টি জাদুকরী কৌশল
- ৫৫% মানুষের চাওয়া কি পূরণ হবে? অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর নতুন ঘোষণা
- আজই কি শেষ ম্যাচ? কাবরেরার বিদায়বেলায় সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি বাংলাদেশ
- ইসরাইলি সংসদে ফিলিস্তিনিদের ফাঁসি আইন পাস: বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া!
- টিকা নেওয়ার আগেই হামে আক্রান্ত বেশিরভাগ শিশু! কপালে চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসকদের
- তেলের দাম কি ২০০ ডলার ছাড়াবে? ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ববাজারে চরম অস্থিরতা
- পৈশাচিকতা! নিজের স্ত্রীকে ১২০ জন পুরুষের হাতে তুলে দিল স্বামী
- বসুন্ধরা সিটি কি আজ বন্ধ? জেনে নিন ঢাকার শপিং মলের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
- তেলের খনি দখলে নিতে মরিয়া ট্রাম্প! ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে উড়াল দিল হাজারো মার্কিন সেনা
- দুবাই বন্দরে রণক্ষেত্র! কুয়েতের তেলবাহী জাহাজে নজিরবিহীন আক্রমণ
- জ্বলছে তেহরান! কেন্দ্রবিন্দুতে ইসরায়েলি বাহিনীর অতর্কিত ও ব্যাপক আক্রমণ
- চলতি বছর ৪৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয়: আজ কততে ঠেকেছে ২২ ক্যারেট?
- যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে মার্কিন জ্বালানি সংকট, দাম বেড়ে নতুন রেকর্ড
- সৌদি থেকে মার্কিন সেনা সরাতে ইরানের আহ্বান
- আইএলওতে তারেক রহমান সরকারের প্রতি ৪৭ দেশের সমর্থন
- ইসরায়েলে তেল শোধনাগারে হামলা, আতঙ্কে বাসিন্দারা
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ম্যাচসহ আজকের খেলার সূচি
- ১৫ জেলায় ঝড়ের সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হামলার দাবি হিজবুল্লাহর
- কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
- খারগ দ্বীপে মার্কিন বুট? ট্রাম্পের হুমকিতে বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধস
- দুই দশক পর ফিরল হামের আতঙ্ক: শিশুদের সুরক্ষায় নতুন সতর্কবার্তা
- দেশে আর থাকবে না মব কালচার: সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া বার্তা
- ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান: গোল্ডিলক্স জোনে মিলল পৃথিবীর মতো ৪৫টি গ্রহ
- স্বর্ণ কিনতে চান? আজই সুযোগ: রেকর্ড হারে দাম কমাল বাজুস
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- পদ্মার গভীরে শনাক্ত ডুবে যাওয়া বাস: উদ্ধারে লড়ছে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- পদ্মার অতলে বাস ট্র্যাজেডি: ২৩ প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো উদ্ধার অভিযান
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- লেনদেন ছাড়াল ৬শ কোটি টাকা: উত্থানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
- ঈদ পরবর্তী বাজারে সোনার বড় ধস: ভরিতে বড় ছাড় দিয়ে সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ
- রিয়াদের ৭০ শতাংশ জ্বালানি মজুদের ওপর আঘাত: যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ কি ইরানের হাতে?
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা








