কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার এখতিয়ার সরকারের নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আইনি কাঠামোর বাইরে থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয়ের সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা কোচিংয়ের দিকে ঝুঁকছে মূলত শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত ও পর্যাপ্ত পাঠদান না পাওয়ার কারণে। তিনি মনে করেন, যদি ক্লাসরুমভিত্তিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও আকর্ষণীয় করা যায়, তবে কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা একসময় এমনিতেই ফুরিয়ে আসবে। পরীক্ষা এবং ভর্তি কার্যক্রমের মধ্যকার দীর্ঘ বিরতি কমিয়ে আনাও কোচিংনির্ভরতা কমানোর একটি উপায় হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বাইরের কোচিং বাণিজ্যে লাগাম টানতে সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ বা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাধ্যমেই অতিরিক্ত পাঠদানের পুরোনো পদ্ধতিকে পুনরায় চালুর কথা ভাবছে। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে নামীদামি কোচিং সেন্টারের ওপর নির্ভরশীলতাও হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুরুতর অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী কিছুটা রসিকতার ছলে বলেন, “আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।” তবে এই মন্তব্যের আড়ালে তিনি মূলত এটিই বোঝাতে চেয়েছেন যে, মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃতিবিহীন কোনো প্রতিষ্ঠানের অপকর্মের দায়ভার শিক্ষা প্রশাসনের ওপর সরাসরি বর্তায় না।
/আশিক
ঢাকাসহ দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের আসল কারণ সংসদে জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী
বিদ্যুৎকেন্দ্রের আকস্মিক কারিগরি জটিলতা এবং বঙ্গোপসাগরের চরম বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজ থেকে কয়লা খালাস প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে সঞ্চালন লাইনে হঠাৎ করেই প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। উৎপাদন কম হওয়ার এই বিশেষ পরিস্থিতির কারণেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে তীব্র লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে বিধি-৩০০ এর আওতায় দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতিতে দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে এ তথ্য জানান দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
সংসদে দেওয়া বিবৃতিতে বিদ্যুৎমন্ত্রী জানান, দেশের একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে হঠাৎ লিকেজ বা ছিদ্র ধরা পড়ায় কেন্দ্রটিকে জরুরি ভিত্তিতে সম্পূর্ণ বন্ধ (ফোর্সড শাটডাউন) করতে হয়েছে। ঠিক একই সময়ে বঙ্গোপসাগর প্রচণ্ড উত্তাল ও আবহাওয়া বৈরী থাকার কারণে কয়লাভিত্তিক আরেকটি প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্রে আমদানি করা কয়লা খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। কয়লার তীব্র সংকটের কারণে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি উৎপাদন ইউনিটও বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই দুটি প্রধান ও আকস্মিক কারণে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থায় একযোগে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে, যা দেশের বর্তমান চাহিদার তুলনায় বড় ঘাটতি। আর এই বিশাল ঘাটতির সরাসরি প্রভাব হিসেবেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চলের পাশাপাশি খোদ রাজধানী ঢাকাতেও জরুরি ভিত্তিতে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বাড়াতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চলমান এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমানের সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিকে একটি সাময়িক জাতীয় সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জাতীয় সংসদের সব সদস্য এবং দেশের সাধারণ জনগণের প্রতি বিশেষভাবে ধৈর্য ধারণের জোরালো আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এই সংকটকালীন সময়টি সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করতে তিনি সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তবে এই ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না জানিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দুই দিনের মধ্যে দেশের এই জরুরি পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। প্রকৌশলীদের চেষ্টায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কারিগরি মেরামত শেষ করে উৎপাদন পুনরায় স্বাভাবিক করা সম্ভব হলে লোডশেডিংও ধীরে ধীরে একদম কমে আসবে।
মন্ত্রী কর্তৃক দেশের এই সংকটকালীন বিদ্যুৎ পরিস্থিতির বিবরণী পেশ করার পর, অধিবেশনের সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিদ্যুৎমন্ত্রীর দেওয়া এই বিবৃতিটি সংসদের কার্যবিধি-৩০০ অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কার্যবিবরণীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেন।
/আশিক
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের 'মাস্টারমাইন্ড' কে? জাতীয় সংসদে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল বিতর্ক
চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল নেতৃত্ব ও এর নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে ছিলেন—তা নিয়ে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে সরকারি দল বিএনপি এবং বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সংসদ অধিবেশনে এই দুই দলের শীর্ষ নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
অধিবেশনে অংশ নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের একটি পূর্ববর্তী বক্তব্যের সূত্র ধরে দাবি করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নেতৃত্বেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সফলতার মুখ দেখেছে। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্ধৃত করে বলেন, শফিকুর রহমান নিজেই অতীতে আন্দোলনের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে তারেক রহমানের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সফল নেতৃত্বের অবদানের কথা স্বীকার করেছিলেন। বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এই ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান সফল হয়েছে বলেই আজ দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়ে এই পর্যায়ে আসতে পেরেছে, তাই নতুন বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে সংকটের কোনো কারণ নেই।
প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর পরই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদ কক্ষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে একক কোনো 'মাস্টারমাইন্ড' বা পরিকল্পনাকারী থাকার তত্ত্বে তিনি মোটেও বিশ্বাসী নন। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই একই অবস্থানে অনড় রয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, সেই কঠিন সময়ে জীবন বাজি রেখে যেসব ছাত্র-জনতার সুনির্দিষ্ট নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে, দেশের মানুষ তাদের সবাইকে অন্তর থেকে সম্মান ও ভালোবাসার চোখে দেখে। তাই অহেতুক একক কৃতিত্ব দাবি করে তাদের সেই অনন্য অবস্থানকে ক্ষুণ্ন না করা এবং বিতর্কিত না রাখা অত্যন্ত জরুরি।
শফিকুর রহমান আরও মনে করিয়ে দেন যে, এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে এক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে মাহফুজ আলমকে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। জামায়াত আমির দাবি করেন, সেই ঘটনার পরপরই তিনিই দেশের প্রথম রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে এই আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব ও গৌরব এককভাবে দেশের বিপ্লবী তরুণ সমাজ এবং ১৮ কোটি সাধারণ জনগণের।
জাতীয় সংসদের এই বাজেট অধিবেশনে দুই পক্ষের এই বিপরীতমুখী অবস্থান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, এর দায়বদ্ধতা এবং সাফল্যের কৃতিত্বের দাবিদার নিয়ে প্রধান দুটি দলের ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরেছে। সরকারি দল যেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ওপর পুরো কৃতিত্ব ন্যস্ত করতে চাইছে, সেখানে বিরোধী দল এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনকে একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণ-আন্দোলন হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর মূল গৌরব সাধারণ ছাত্র-জনতার হাতের মুঠোতেই সুরক্ষিত রাখতে চাচ্ছে।
/আশিক
১৩তম থেকে সরাসরি ৯ম গ্রেড! প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য সংসদে বড় সুখবর
প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড ১৩তম থেকে সরাসরি ৯ম গ্রেডে উন্নীত করার যে পরিকল্পনা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তা আপাতদৃষ্টিতে বড় একটি সংস্কার মনে হলেও এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং আর্থিক হিসাবের মধ্যে বড় ধরনের বৈষম্য ও অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই তথ্য জানান।
প্রথমত, প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন শিক্ষকদের ৯ম গ্রেডে উন্নীত করা হলে সরকারের অতিরিক্ত মাত্র দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা (অথবা জনপ্রতি দেড়-দুই হাজার টাকা, যা বক্তব্যে অস্পষ্ট) ব্যয় হবে, যা প্রস্তাবিত বাজেটে রাখা হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সারা দেশে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন। ১৩তম গ্রেড (মূল বেতন ১১,০০০ টাকা) থেকে সরাসরি ৯ম গ্রেডে (মূল বেতন ২২,০০০ টাকা) উন্নীত করলে মূল বেতনই দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এর সাথে যুক্ত হবে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা। ফলে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া এই সরল আর্থিক হিসাব মাঠপর্যায়ের প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম এবং এটি একটি বড় গাণিতিক ব্লিন্ড স্পট।
দ্বিতীয়ত, যোগ্যতা ও পদোন্নতির নীতিমালা নির্ধারণ না করে রাতারাতি এই গ্রেড পরিবর্তন করা হলে তা সিভিল সার্ভিসের অন্যান্য স্তরে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা ও অসন্তোষ তৈরি করতে পারে। সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদার দূরত্ব কীভাবে সমন্বয় করা হবে, তা এই পরিকল্পনায় স্পষ্ট নয়। আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের যে আশাবাদ প্রতিমন্ত্রী ব্যক্ত করেছেন, তা কেবল বাজেট বরাদ্দ বা গ্রেড ঘোষণার মাধ্যমে সম্ভব নয়; বরং শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
/আশিক
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনে বড় বদল: বাড়ছে শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ
পিতা-মাতার আইনি সুরক্ষা বাড়াতে ২০১৩ সালের ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ সংশোধনের যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে, তা নীতিগতভাবে ইতিবাচক মনে হলেও মূল আইনের কাঠামোগত ব্লিন্ড স্পটগুলো দূর করতে না পারলে এটি কেবল কাগজে-কলমে শাস্তির মেয়াদ বাড়ানোর একটি নিষ্ফল চেষ্টায় পরিণত হবে। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাজমুন নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এই তথ্য জানান।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হলেও, প্রবীণ পিতা-মাতারা নিজেদের সন্তানদের বিরুদ্ধে থানায় বা আদালতে গিয়ে মামলা করার মতো সামাজিক ও মানসিক অবস্থায় থাকেন কি না—সেই মনস্তাত্ত্বিক দিকটি এই আইনি কাঠামোতে পুরোপুরি উপেক্ষিত। কেবল শাস্তির মাত্রা বাড়িয়ে প্রবীণদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, যদি না রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কাউন্সিলিং, পারিবারিক সালিশ বা কোনো সামাজিক ট্রাইব্যুলালের মাধ্যমে বিষয়টির দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়। আইনি জটিলতা ও সামাজিক লজ্জার কারণে অনেক ভুক্তভোগী ব্যবস্থাপনাই নিতে চাইবেন না, ফলে সাজার মেয়াদ বৃদ্ধি কেবল কাগজের বাঘ হয়েই থাকবে।
একই অধিবেশনে নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদার প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতার তালিকায় বিগত আমলের রাজনৈতিক বিবেচনা ও অনিয়মের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। যোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করতে গত ১৯ এপ্রিল থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে যে উচ্চপর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে ‘শুদ্ধি অভিযান’ চালানো হচ্ছে, তা তাত্ত্বিকভাবে প্রশংসনীয়।
তবে মাঠপর্যায়ে এর প্রকৃত বাস্তবায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। গ্রামীণ বা স্থানীয় পর্যায়ে এখনও যারা ডেটা এন্ট্রি এবং প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের সাথে যুক্ত, তাদের রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি পুরোপুরি দূর করা না গেলে এই উচ্চপর্যায়ের কমিটির পক্ষেও কেন্দ্র থেকে নিখুঁত তালিকা করা অসম্ভব। ভুয়ো সুবিধাভোগীদের বাদ দেওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত প্রান্তিক ও নিরক্ষর মানুষ যেন জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করাই এখন মন্ত্রণালয়ের আসল প্রশাসনিক পরীক্ষা।
/আশিক
ই-চালান ও ভ্যাট সংস্কারে কি মিটবে রাজস্ব ঘাটতি? সংসদে সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর বড় আশ্বাস
উন্নয়ন ব্যয়ের হার বৃদ্ধি এবং অনুন্নয়ন খাতের খরচ কমিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ রূপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তবে বাজেটের খাতা-কলমের এই বিশাল পরিসংখ্যানের পেছনে কিছু বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও ব্লিন্ড স্পট রয়ে গেছে, যা সরকার কতটা সামলাতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যায়। রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এই বক্তব্য পেশ করেন।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ১৩.৬% চলে যাচ্ছে অতীত সরকারের ঋণের সুদ পরিশোধে, যা উন্নয়ন বাজেটের ওপর একটি বড় ধরনের কাঠামোগত চাপ। এর বাইরে ভর্তুকি বাবদ ১১% বরাদ্দ রাখা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সাধারণ মানুষের জন্য এই ভর্তুকি কতটুকু সুফল আনবে—তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। যদিও সরকার অনুন্নয়ন ব্যয় ৭২.৭% থেকে কমিয়ে ৬৬.৩% করার এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দের মাধ্যমে উন্নয়নমুখী মানসিকতা দেখিয়েছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের মন্থর গতি এবং অপচয় রোধ করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট কঠোর রূপরেখা এই বক্তব্যে স্পষ্ট নয়।
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ই-চালান এবং ভ্যাট সংস্কারের ওপর ভরসা করে কোনো ঘাটতি হবে না বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করলেও, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতা ও কর ফাঁকি রোধের অতীত ট্র্যাক রেকর্ড এই আশাবাদের সাথে পুরোপুরি মেলে না। ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা আগের চেয়ে কিছুটা কমানো হলেও, ঘাটতি বাজেট পূরণে দেশীয় ব্যাংকিং খাতের ওপর এই বিশাল নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহকে সংকুচিত করতে পারে। পরিশেষে, ৬.৫% প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে কেবল অতীত অভিজ্ঞতা বা নীতিগত সহযোগিতার আহ্বানের চেয়েও বাস্তব অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কঠোর অর্থ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের আসল পরীক্ষা।
/আশিক
বাংলাদেশে চীনের মেগা বিনিয়োগের ছক: বাণিজ্যমন্ত্রীর মুখে নতুন পথ ও পরিকল্পনার কথা
চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাকে করে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি চীনে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ শনিবার (২৭ জুন) সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদানকারী নবীন আইনজীবীদের কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই সম্ভাবনার কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৌশলগত অবস্থানের কারণে আগামী দিনে বাংলাদেশে চীনের বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। চীন ইতোমধ্যে আমাদের সব ধরনের পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়ে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করেছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমাদের সামনে এখন একটাই বড় ও সম্ভাব্য উপায় রয়েছে, যা আমরা বর্তমানে সফলভাবে অনুসরণ করছি; আর তা হচ্ছে বাংলাদেশে বেশি বেশি চাইনিজ বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।
এদিকে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, মাজারের নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক পথ ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাই এই কমিটি নিয়ে নতুন করে কোনো ধরনের বিতর্কের অবকাশ নেই।
এর আগে, নবীন আইনজীবীদের বরণ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, একটি রাষ্ট্রে যদি কোনো কারণে বিচারহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তবে সেখানকার সামাজিক চুক্তি ও আইনের শাসন চরমভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। দেশের সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত মৌলিক অধিকার—যেমন সমতা, বৈষম্যহীনতা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ নাগরিকদের সার্বিক অধিকার বাস্তবায়নে আইনজীবীদের সবসময় অগ্রণী ও সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে।
/আশিক
মানুষ নিজেদের স্বার্থ দেখার জন্যই আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সার্বিক স্বার্থকে অন্য যেকোনো কিছুর ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ তাদের নিজেদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষা করার জন্যই বর্তমান সরকার এবং সংসদ সদস্যদের পবিত্র দায়িত্ব প্রদান করেছে। শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তব্যে নিজের সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক আদর্শ ও অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বিএনপি সর্বদা ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই সুমহান স্লোগানটি ধারণ ও ব্যবহার করে থাকে। তিনি নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সবসময় দেশ এবং দেশের আপামর মানুষের মৌলিক স্বার্থ নিয়ে কথা বলা এবং তা সর্বোচ্চ উপায়ে রক্ষা করার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেন।
সংসদ নেতা তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো আন্তর্জাতিক অর্জন বা সফল দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে যদি দেশের জন্য ইতিবাচক কোনো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই সমগ্র বাংলাদেশ এবং এই দেশের সাধারণ মানুষের যৌথ অর্জন হিসেবে গণ্য হবে। সংসদে তাঁর বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন এবং উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সকল সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার এই চলমান যাত্রায় আইনসভার সবার এই ইতিবাচক ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।
/আশিক
১৭ এমওইউর পর সংসদে ধন্যবাদ পেলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
প্রস্তাব উত্থাপনকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ ও সফল একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ। তাঁর মতে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা ও স্বার্থের ভিত্তিতে আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম দিকের এই বিদেশ সফর শুধু আনুষ্ঠানিক নয়; বরং বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থানের বার্তাও বহন করে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশ বিনিয়োগ, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে। তিনি মনে করেন, এই সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বাস্তববাদী ও স্বার্থভিত্তিক সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।
সফরের চীন অংশকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ সই হয়েছে। এসব সমঝোতার মাধ্যমে অবকাঠামো, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, উন্নয়ন, মানবসম্পদ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন খাতে ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের ভিত্তি তৈরি হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, এসব আলোচনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়া ও দেশে ফেরার সময় জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনৈতিক আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর মতে, এটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সংযম, শালীনতা এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নতুন বার্তা দিয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দেশের মানুষের মধ্যেও তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তিনি জনগণের কল্যাণে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করছেন এবং অতীতের অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি বাদ দিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ, শ্রমবাজার এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরা হয়।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সফরের অর্থনৈতিক দিকগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা জরুরি। তাঁর মতে, মালয়েশিয়া ও চীনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সঙ্গে নতুনভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। তিনি বলেন, বিদেশ সফরের অর্জন তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন সই হওয়া সমঝোতা ও আলোচনার ফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দেন। সংসদে উপস্থিত সদস্যদের সমর্থনে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
সংসদীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, কোনো বিদেশ সফর নিয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। এটি সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রতি সংসদের আনুষ্ঠানিক সমর্থনকে নির্দেশ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুনের সফর শুরু হয় মালয়েশিয়া দিয়ে। সেখানে শ্রমবাজার, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর চীন সফরে তিনি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, বিনিয়োগ আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের কর্মসূচিতে অংশ নেন।
চীন সফরে ১৭টি এমওইউ সই, তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত সংলাপের সম্ভাবনা সব মিলিয়ে সফরটি কূটনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
-রফিক
প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা নিশ্চিত করবে সরকার
প্রতিটি শিশুকে তার প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে সরকার। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনে সরকার আরও সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী ও সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য নতুন পুনর্বাসন কেন্দ্র সিএসএফ সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি বিশেষ মানুষকে অন্য সব নাগরিকের মতো সমঅধিকার ও রাষ্ট্রীয় সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। বাজেট কর্মসূচি, নীতি প্রণয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
ড. এম এ মুহিত জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের যাতায়াত সহজ করতে মেট্রোরেলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর মতে, শুধু চিকিৎসা নয়, চলাচল, শিক্ষা, পুনর্বাসন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি—সব ক্ষেত্রেই বিশেষ মানুষের জন্য সুযোগ বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতিটি জেলায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা পরিবার বা সমাজের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকার বদলে নিজস্ব সক্ষমতা অনুযায়ী বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।
কড়াইল বস্তিতে উদ্বোধন হওয়া নতুন সিএসএফ সেন্টারকে বিশেষ শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ও সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা, থেরাপি, পুনর্বাসন সহায়তা এবং প্রয়োজনভিত্তিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলাদা মনোযোগ, প্রশিক্ষিত সেবাদাতা, পরিবারভিত্তিক সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসা নয়, কমিউনিটি পর্যায়ের সেবা জোরদার করাও জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবারগুলো অনেক সময় আর্থিক, সামাজিক ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকে। তাই স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, যাতায়াত সুবিধা এবং পুনর্বাসন—এই চারটি ক্ষেত্রকে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার চায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা যেন সমাজের মূলধারায় যুক্ত হতে পারে। তাদের জন্য চিকিৎসা ও শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হলে তারা পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সম্পদে পরিণত হতে পারবে।
কড়াইলের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও নিম্নআয়ের এলাকায় এমন পুনর্বাসন কেন্দ্র চালু হওয়াকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার নিয়মিত থেরাপি বা বিশেষায়িত চিকিৎসা নিতে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় পড়ে, তাদের জন্য এই ধরনের কেন্দ্র বড় সহায়তা হতে পারে।
সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত ফিজিওথেরাপি, ভাষা ও যোগাযোগ সহায়তা, পুষ্টি পরামর্শ এবং দৈনন্দিন চলাচলের প্রশিক্ষণ দরকার হতে পারে। তাই পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো শুধু চিকিৎসা নয়, জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিশেষ মানুষদের কল্যাণে নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়াচ্ছে। তাঁর মতে, প্রতিবন্ধিতা কোনো অক্ষমতা নয়; বরং সঠিক সেবা, শিক্ষা ও সামাজিক সহযোগিতা পেলে প্রতিটি শিশুই তার সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পেতে পারে।
অনুষ্ঠানে সরকারি নীতি, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কড়াইলের এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের অন্য এলাকাতেও বিশেষ শিশুদের জন্য একই ধরনের সেবা মডেল সম্প্রসারণের পথ তৈরি হতে পারে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- ফাইনালের পথে সহজ সমীকরণ: আর্জেন্টিনার সামনে কি টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার হাতছানি?
- নাহিদ ইসলাম কোনো ব্যক্তি নয়, একটি ইতিহাস: ড. ইউনূস
- ঢাকাসহ দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের আসল কারণ সংসদে জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের 'মাস্টারমাইন্ড' কে? জাতীয় সংসদে বিএনপি-জামায়াতের তুমুল বিতর্ক
- দীর্ঘ ১০ বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের পর অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
- দিনে-রাতে ২০ থেকে ৩০ বার লোডশেডিং, তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত
- দুই দফার বিদেশি হামলার ক্ষতিপূরণে হাজারো আইনি মামলা করার ডাক দিল ইরান
- টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত জাপান কি পারবে ব্রাজিলের জয়রথ থামাতে?
- ১৩তম থেকে সরাসরি ৯ম গ্রেড! প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য সংসদে বড় সুখবর
- পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনে বড় বদল: বাড়ছে শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ
- ই-চালান ও ভ্যাট সংস্কারে কি মিটবে রাজস্ব ঘাটতি? সংসদে সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর বড় আশ্বাস
- সিরিক দ্বীপে মার্কিন বোমাবর্ষণ বনাম উপসাগরীয় ঘাঁটিতে ইরানি ড্রোন: কোন পথে মধ্যপ্রাচ্য?
- 'এ বছরই দেশে ফিরব' এনডিটিভি সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার বিস্ফোরক ঘোষণা
- ৪৮ দল থেকে টিকে রইল ৩২: দেখে নিন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের সম্পূর্ণ সূচি
- অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান: ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পথ নাকচ করলেন নেতানিয়াহু
- হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
- স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল, ভরি এখন যত টাকায়
- রোববার ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
- আজ কোথায় কী, দিনের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি জানুন
- মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলা
- ভারতে সোনার বাজারে নতুন সংকট, কেন বাড়ছে চোরাচালান?
- যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, ইরানে ফের মার্কিন হামলা
- মেসিকে বিশ্রাম দিয়ে কি বড় রেকর্ড হাতছাড়া করছে আর্জেন্টিনা? জর্ডান ম্যাচে নতুন ছক
- সমঝোতা ভাঙলেই 'দ্রুত ও চূড়ান্ত' জবাব: ওয়াশিংটনকে মোহসেন রেজাইয়ের কড়া আলটিমেটাম
- চাঁদ ও মঙ্গলে মানুষের স্থায়ী বসতি: ৩৭টি বেসরকারি সংস্থাকে নিয়ে নাসার মেগা প্রজেক্ট
- বুয়েটে ‘আবরার ফাহাদ’ হলের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী
- কুমিল্লা হোমনার লটিয়া গ্রামের সামাজিক কবরস্থানে পাশাপাশি ৪টি কবরে দাফন
- জাপানের কাছে হারবে ব্রাজিল, কোয়ার্টারে বিদায় আর্জেন্টিনার! ‘বিশ্বকাপ গুরু’র নতুন বোমা
- এটি একটি বিপর্যস্ত বিশ্বকাপ ফিফা ও ইনফান্তিনোকে ধুয়ে দিলেন ইরানি অধিনায়ক
- বাংলাদেশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে ভারত: চরমোনাই পীর
- ৪১ বছরেও শেষ নয়! ২০৩০ বিশ্বকাপে ছেলের সাথে খেলার ইঙ্গিত রোনালদোর
- জাকাত হলো দেশের অর্থনীতির ‘হিডেন ইকোনমি’: কেন এমন বললেন বিজেপি চেয়ারম্যান?
- কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন কী? বেইজিং সফরের পর সংসদের সামনে অর্থমন্ত্রীর ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে চীনের মেগা বিনিয়োগের ছক: বাণিজ্যমন্ত্রীর মুখে নতুন পথ ও পরিকল্পনার কথা
- ইসলামাবাদ সমঝোতা কি ভেস্তেই গেল? বাহরাইনে ড্রোন হামলার নেপথ্যে কী?
- অন্ধ বিরোধিতার কালচার আমি সমর্থন করি না: জামায়াত আমির
- মানুষ নিজেদের স্বার্থ দেখার জন্যই আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- আভিজাত্যের তকমা হারাচ্ছে ধানমন্ডি: ৩১ বছর পর কোন বড় অ্যাকশনে সরকার?
- সাড়ে ৭ ঘণ্টায় রেকর্ড চূর্ণ: পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল কত কোটি?
- ১৭ এমওইউর পর সংসদে ধন্যবাদ পেলেন প্রধানমন্ত্রী
- প্রতিটি শিশুর চিকিৎসা নিশ্চিত করবে সরকার
- চুক্তির মেয়াদ ১০ দিনও টিকল না: হরমুজে পাল্টা-পাল্টি হামলা, কোন মহাযুদ্ধের মুখে মধ্যপ্রাচ্য?
- পতনের পরই বিশাল লাফ: রেকর্ড ভেঙে এবার কত হলো সোনার ভরি?
- ৬ মাস পর খুলল পাগলা মসজিদের দানবাক্স, ৪৩ বস্তা টাকার গণনা চলছে!
- কাঁটাবনে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ হারালেন দুই আইনজীবীর সহকারী, নেপথ্যে কী?
- রোমের বুকে রক্তক্ষরণ: একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংস হত্যা, নেপথ্যে কী?
- জর্ডানের বিপক্ষে বেঞ্চে মেসি, নকআউটের আগে স্কালোনির বড় সিদ্ধান্ত
- প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে শরীরে কী পরিবর্তন হয়
- নকআউটে ব্রাজিল, কবে-কোথায় ম্যাচ? প্রতিপক্ষ কারা
- রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের নতুন লাফ: দুদিনের মাথায় দামের এই রেকর্ড লাফের পেছনের রহস্য কী?
- ‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ নাজিরপুরে মাদক নির্মূলে মানববন্ধন
- সোনার বাজারে ধ্বস, ১ লাখ ৮২ হাজার টাকায় মিলবে ভরি
- বুধবার বন্ধ থাকবে যমুনা ফিউচার পার্কসহ যেসব মার্কেট
- রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত
- ভূমিকম্পের আগেই ফোনে সতর্কবার্তা, যেভাবে চালু করবেন এই ফিচার
- আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, জেনে নিন সব সময়
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- আশুরার রোজা কেন এত ফজিলতপূর্ণ? জেনে নিন
- সৌদিতে যেতে পারবেন না ৩ দেশের ভ্রমণকারীরা
- বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২: দ্বিতীয় রাউন্ডে যাদের বিপক্ষে খেলতে পারে আর্জেন্টিনা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি, বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আজ রাতে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা, মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে
- মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলা








