নিজের জ্বালানি ও নিজের চালক: রাষ্ট্রীয় সুবিধায় তারেক রহমানের না

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৯:৪২:১৬
নিজের জ্বালানি ও নিজের চালক: রাষ্ট্রীয় সুবিধায় তারেক রহমানের না
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ও বিলাসিতা পরিহার করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা এড়িয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব সাদা টয়োটা গাড়ি, ব্যক্তিগত চালক এবং নিজের অর্থে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করে দাপ্তরিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি বুধবার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শেরেবাংলা নগরে জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সচিবালয়ে প্রথম অফিস করতে যাওয়ার সময়ও তিনি এই ব্যক্তিগত গাড়িটিই ব্যবহার করেছেন।

সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রী তাঁর গাড়িবহরের সংখ্যাও নাটকীয়ভাবে কমিয়ে এনেছেন। আগে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের সময় সাধারণত ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ির বহর থাকত, যা এখন কমিয়ে মাত্র ৪টিতে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করছেন না। তবে বিশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান কিংবা বিদেশি অতিথিদের সফরের মতো প্রটোকল মেনে চলার প্রয়োজনে পতাকা ব্যবহারের নিয়ম রাখা হয়েছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে রাজধানীর সড়কে প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকার যে দীর্ঘদিনের প্রথা বা বিধান ছিল, তাও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের স্থান নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিবর্তে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে মন্ত্রীদের সচিবালয় থেকে বারবার যাতায়াত করতে হবে না, যা ভিআইপি মুভমেন্টের কারণে সৃষ্ট যানজট ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমিয়ে আনবে। দায়িত্বের প্রথম দিনেই গুলশানের বাসা থেকে নিজস্ব গাড়িতে যাত্রা শুরু করে সাভার ও শেরেবাংলা নগরের কর্মসূচি শেষ করে সরাসরি সচিবালয়ে পৌঁছান তিনি। ব্যক্তিগত ত্যাগ ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার এমন নজির নতুন সরকারের জনমুখী রাজনৈতিক দর্শনেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

/আশিক


রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: বাংলাদেশে কাল থেকে রোজা শুরু

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৯:০২:৫১
রমজানের চাঁদ দেখা গেছে: বাংলাদেশে কাল থেকে রোজা শুরু
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের পবিত্র মাহে রমজান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এশার নামাজের পর থেকেই দেশের সব মসজিদে শুরু হবে পবিত্র তারাবির নামাজ এবং আজ দিবাগত শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে সিয়াম সাধনা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য দীর্ঘ এক মাসের এই সংযম ও ত্যাগের মাসটি বিশেষ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে এসেছে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজান শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়ার পর কমিটির পক্ষ থেকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে গত ডিসেম্বর মাসে রজব মাসের চাঁদ দেখার মাধ্যমে রমজানের যে আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা ও প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল, তার পূর্ণতা পেল আজকের এই চাঁদ দেখার সংবাদের মধ্য দিয়ে। রজব ও শা’বান মাস শেষ হওয়ার পরই আসে পবিত্র রমজান, যা মুমিনের জীবনে পরম কাঙ্ক্ষিত।

রমজান মাস শুরুর ঘোষণার পরপরই সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য লক্ষ করা গেছে। আগামীকাল প্রথম রোজা হওয়ায় মুসল্লিরা আজ রাত থেকেই তারাবির নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং সংযমের সাথে সিয়াম পালনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চাঁদ দেখার এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক মাসব্যাপী তাকওয়া অর্জনের সাধনায় লিপ্ত হবেন বাংলাদেশের কোটি কোটি মুসলমান।

/আশিক


বেসরকারি বিনিয়োগে ধস ও সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে বিদায়

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৮:৪২:৩৫
বেসরকারি বিনিয়োগে ধস ও সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে বিদায়
ছবি : সংগৃহীত

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকার একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, বিদায়লগ্নে অর্থনীতির ক্ষত আর নানা বিতর্কের বোঝা রেখে গেছে। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র সংস্কারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। তবে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ছাড়া অর্থনীতির প্রায় সব সূচকেই তাঁর শাসনকাল ছিল চরম বিপর্যয়ের। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ড. ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনামলে দেশে নতুন করে আরও প্রায় ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কাতারভুক্ত হয়েছে, যা তাঁর ‘দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর’ বিখ্যাত দর্শনকে খোদ তাঁর নিজ দেশেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ড. ইউনূসের আমলে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৪ শতাংশ থেকে কমে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে নেমেছে, যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই চিত্র সরকারি বিনিয়োগেও; বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার জুলাই-নভেম্বর মেয়াদে ছিল মাত্র ১১ দশমিক ৫ শতাংশ, যা গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেকর্ড। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশে, যা বর্তমানে বিশ্বে সর্বোচ্চ। এছাড়া বিদায়ী সরকার উত্তরাধিকার হিসেবে নির্বাচিত সরকারের ওপর রেখে গেছে প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার বিশাল ঋণের বোঝা। মূল্যস্ফীতির হার মজুরি বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। গবেষক ড. লুবনা তুরীনের মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ও আমদানি সংকুচিত করে রিজার্ভ বাড়িয়ে রাষ্ট্রকে কৃত্রিমভাবে ‘শক্তিশালী’ দেখানোর চেষ্টা হয়েছে, যার মূল্য দিতে হয়েছে দেশের শিল্প খাত ও সাধারণ মানুষকে।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রেও ড. ইউনূসের ভূমিকা সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিল না। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। উল্টো তাঁর শাসনকালজুড়ে মব কালচার বা বিশৃঙ্খল জনরোষের কারণে গণমাধ্যমে আগুন দেওয়া, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মন্দির-মাজার ভাঙচুর এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ও দলিল বিনষ্টের মতো ঘটনা ঘটেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল প্রায় নিষ্ক্রিয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বললেও তাঁর আমলে ভিন্নমতের সাংবাদিকদের কারাগারে যেতে হয়েছে। এমনকি প্রধান উপদেষ্টার পদে থেকে গ্রামীণ ব্যাংক ও তাঁর নিজস্ব স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর মওকুফসহ নানা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা তাঁর সরকারের স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

সবশেষে, ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সুপারিশ সংবলিত গ্রন্থ প্রণয়ন করা হলেও মাঠপর্যায়ে কোনো কার্যকর সংস্কার দৃশ্যমান হয়নি। ড. ইউনূস বিশ্বজুড়ে যে ‘তিন শূন্য’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ) তত্ত্বের প্রচারণা চালিয়ে আসছেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে তার ছিটেফোঁটাও বাস্তবায়ন করতে পারেননি; বরং দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দুটোই বেড়েছে। ১৮ মাস দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি যখন পুনরায় বিশ্বমঞ্চে নিজের পুরনো কর্মে ফিরে যাবেন, তখন এই ব্যর্থতার দায় তাঁর দর্শনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে কতটুকু টিকিয়ে রাখবে, তা নিয়েই এখন সচেতন মহলে বড় জিজ্ঞাসা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন


সেহরি-ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৭:৪৭:০১
সেহরি-ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত। ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, পবিত্র মাসে ধর্মপ্রাণ মানুষের ইবাদত ও স্বস্তির জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানান, প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী সরকারের সব মন্ত্রী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জনগণের বিপুল সমর্থনের প্রতিদান হিসেবে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা প্রভাব বিস্তার বরদাশত করা হবে না। এছাড়া রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ তৎপর থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ডের কার্যক্রম দ্রুত দৃশ্যমান করার বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল দেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ। প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের শ্রমবাজারের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। অতীতে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময় এই বাজার সম্প্রসারণে যে গতি ছিল, তা নানা কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে। এই স্থবিরতা কাটিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্য সফরের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। এছাড়া দেশের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগগুলো দ্রুত কার্যকর করার বিষয়েও প্রথম বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন সরকারের কাজের গতি নিশ্চিত করতে আগামী ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান নুরুল হক নুর। উল্লেখ্য যে, গত মঙ্গলবার জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং রাতেই দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শপথের পর প্রথম দাপ্তরিক দিনেই এমন জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নতুন সরকারের সক্রিয়তা ও জনমুখী অবস্থানেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১৭:৪০:০৫
চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। ছবি : কালবেলা

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে আয়োজিত এক পরিচিতিমূলক সভায় তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত হন, তবে কেবল বিভাগীয় বা প্রশাসনিক শাস্তিতেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে না, সরাসরি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন সরকারের অধীনে দুর্নীতি করে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সভায় আইনমন্ত্রী বিচারকদের সততার গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘ আলোকপাত করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, 'বিচারক' শব্দের সাথেই সততা বিষয়টি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তিনি বিশ্বাস করেন একজন বিচারক মানেই তাঁকে সৎ হতে হবে এবং এর বাইরে ভিন্ন কোনো সংজ্ঞায় বিচারককে সংজ্ঞায়িত করার সুযোগ নেই। সমাজের প্রচলিত 'দুর্নীতিবাজ বিচারক' বা 'দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা'—এ ধরণের তকমা মুছে ফেলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, বিচারকদের সৎ ও অসৎ—এই দুই কাতারে বিচার করার পরিস্থিতি তিনি দেখতে চান না; বিচারক মানেই জনগণের কাছে সততার প্রতীক হতে হবে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত আর্থিক সীমাবদ্ধতার বিষয়েও কড়া বার্তা দেন মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, যাদের কাছে মনে হবে সরকারি চাকরির সীমিত বেতন বা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয়, তাদের এই মহান পেশায় থাকার প্রয়োজন নেই। এমন ব্যক্তিদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা চাইলে ওকালতি পেশায় ফিরে যেতে পারেন, কারণ সেখানে আয়ের ক্ষেত্র বিস্তৃত এবং অবসরের পরও সেই সুযোগ থাকে। তবে সরকারি চাকরিতে থেকে আয়ের অজুহাতে দুর্নীতি করা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে আইনমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মন্ত্রণালয়কে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক হতে হবে। প্রশাসনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ তথা মামলার বিষয়টি সবাইকে মাথায় রেখে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন তিনি। সভায় আইন মন্ত্রণালয়ের উভয় বিভাগের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা এর আগে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে দপ্তরে স্বাগত জানান।

/আশিক


স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় বড় নিয়োগ, আবেদন চলছে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১২:৪০:২৭
স্কুল-কলেজ-মাদরাসায় বড় নিয়োগ, আবেদন চলছে
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সুপারসহ মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি প্রশাসনিক শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা–২০২৬’-এর অনলাইন আবেদন কার্যক্রম চলছে শেষ পর্যায়ে। আগামী বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২৬ কার্যকর হওয়ায় আবেদন প্ল্যাটফর্ম হালনাগাদ করতে সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এনটিআরসিএর পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শূন্যপদের বিস্তারিত চিত্র

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন স্কুল-কলেজে মোট ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এর মধ্যঢ়-

স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪ এবং উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি

উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ ৭৬৮টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৩,৯২৩ এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩,৮৭২টি

নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ৫০৪টি

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন মোট ৩,১৩১টি প্রশাসনিক পদ শূন্য রয়েছে। কামিল, ফাজিল, আলিম ও দাখিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার মিলিয়ে এই শূন্যপদ সৃষ্টি হয়েছে। দাখিল মাদরাসায় এককভাবে সুপার ৮৯১ এবং সহকারী সুপার ১,০০৪টি পদ খালি রয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৯০টি প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদ শূন্য আছে।

আবেদন প্রক্রিয়া

যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীকে নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদ নির্বাচন করতে হবে।

ফরমের সঙ্গে সদ্য তোলা ৩০০×৩০০ পিক্সেল রঙিন ছবি এবং ৩০০×৮০ পিক্সেল স্বাক্ষর আপলোড বাধ্যতামূলক। আবেদন সফলভাবে সম্পন্ন হলে একটি ইউজার আইডি প্রদান করা হবে। এরপর টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে দুই ধাপে এসএমএসের মাধ্যমে ৩৫০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। আবেদন জমার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফি পরিশোধ না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

এনটিআরসিএ জানিয়েছে, এমপিও নীতিমালার সাম্প্রতিক সংশোধনীর আলোকে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়েছে। প্রার্থীদের শিক্ষাগত সনদ, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হবে। ভুল তথ্য প্রদান করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষ নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে এই নিয়োগ প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই শেষ সময়ের ভিড় এড়াতে আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

-রাফসান


বঙ্গভবনে পরিবর্তনের হাওয়া: নতুন রাষ্ট্রপতির অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১১:৪৬:৪৫
বঙ্গভবনে পরিবর্তনের হাওয়া: নতুন রাষ্ট্রপতির অপেক্ষায় রাজনৈতিক মহল
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন। বর্তমানে এই পদে আসীন মোঃ সাহাবুদ্দিন নিজেই তাঁর পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। গত ডিসেম্বর মাসে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছিলেন যে, নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে যথাযথ সম্মান না পাওয়া এবং 'অপমানিত' বোধ করাকে তিনি তাঁর এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। সংবিধান অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ থাকলেও, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও তাঁর নিজের সদিচ্ছার কারণে খুব শীঘ্রই রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সরে দাঁড়ালে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপির ভেতরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং অভিজ্ঞতার কারণে তাঁর নাম জোরালোভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ড. মোশাররফ ছাড়াও স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন সংসদের স্পিকার নির্বাচনের পর এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতির আনুষ্ঠানিক পদত্যাগের পরই এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নেবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে যেহেতু সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন, তাই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এ ক্ষেত্রে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই যে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, তা প্রায় নিশ্চিত।

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে পদত্যাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। যেহেতু বর্তমান রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাই অভিশংসনের মতো জটিল আইনি পথে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন। নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মোঃ সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিলে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। দেশের এই শীর্ষ সাংবিধানিক পদে পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা


সাভারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১১:৩৫:৫২
সাভারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁরা এই শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী শহিদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করেন। তাঁরা উভয় নেতার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। উল্লেখ্য যে, এর আগে মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই তারেক রহমান তাঁর পরিবারসহ মা-বাবার কবর জিয়ারত করেছিলেন। আজ আবারও মন্ত্রিসভাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সাভার স্মৃতিসৌধ ও রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সমন্বিত তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের নিয়মিত টহল এবং মহাসড়কে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর মাধ্যমে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এদিন সকাল থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে প্রবেশ সাময়িকভাবে সীমিত রাখা হয়েছিল।

সাভার ও মাজার জিয়ারতের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে প্রথম কার্যদিবসের দাপ্তরিক কাজ শুরু করবেন। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি সচিবালয়ে পৌঁছাবেন এবং সেখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় করবেন। এরপর বিকেল ৩টায় তাঁর সভাপতিত্বে নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে বিকেল ৪টায় তিনি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা তথা সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিসকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

/আশিক


বন্ধ হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ১১:৩০:৫৩
বন্ধ হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের চূড়ান্ত পর্যায়ে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল পেজ থেকে একটি বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে এই ঘোষণা প্রদান করা হয়। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ‘Chief Adviser GOB (Head of the Government)’ নামের এই পেজটি এখন থেকে আর সক্রিয় থাকবে না। গত ১৮ মাসের দীর্ঘ পরিক্রমায় সরকারের সব কার্যক্রম ও তথ্য প্রচারের প্রধান মাধ্যম ছিল এই পেজটি, যা এখন থেকে ইতিহাসের অংশ হতে যাচ্ছে।

পেজটির বিদায়ী পোস্টে জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, গত দেড় বছর ধরে সাধারণ মানুষের অকুন্ঠ সমর্থন, আগ্রহ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণ এই যাত্রাকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ ও গতিশীল করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আসা গঠনমূলক সমালোচনা ও সহযোগিতাকে সরকার অত্যন্ত সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছে এবং এই পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই ফেসবুক পেজটি খোলা হয়েছিল, যার বর্তমান অনুসারী সংখ্যা ৪৪ লাখেরও বেশি।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই বিদায়ী বার্তার ঠিক আগের দিনই দেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের পরিচালনায় প্রথমে বিএনপি এবং পরে ১১ দলীয় জোটসহ অন্যান্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।

নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ফলে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সব দাপ্তরিক ও প্রচার কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার এই জনপ্রিয় পেজটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। গত ১৮ মাসের উত্তাল রাজনৈতিক সময় এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ আপডেট এই পেজটির মাধ্যমেই দেশ ও বিদেশের মানুষের কাছে পৌঁছাত। নতুন সরকার গঠনের পর এখন থেকে সব সরকারি তথ্য ও আপডেট নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্ধারিত মাধ্যমগুলো থেকে প্রচার করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

/আশিক


তারেক রহমানের ঐতিহাসিক অভিষেক: ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ০৯:০২:৪৬
তারেক রহমানের ঐতিহাসিক অভিষেক: ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি
ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গৌরবময় ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ১৭তম প্রধানমন্ত্রী (ব্যক্তি হিসেবে ১১তম) হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষা এবং ১৭ বছরের কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক প্রবাস জীবন শেষে তাঁর নেতৃত্বে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক অভূতপূর্ব ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি। এর আগে সকালেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা জামা ও কালো কোট-প্যান্ট পরিহিত তারেক রহমানকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। এই অভিষেকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের নারী নেতৃত্বের বলয় ভেঙে প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলো। তাঁর নবগঠিত মন্ত্রিসভায় দেখা গেছে অভিজ্ঞ প্রবীণ এবং সম্ভাবনাময় তরুণ নেতৃত্বের এক চমৎকার ভারসাম্য। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার ৫০ জন সদস্যই গতকাল শপথ নিয়েছেন। তবে এই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. খলিলুর রহমানকে, যাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার এই গঠনে একদিকে যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো অভিজ্ঞরা রয়েছেন, তেমনি বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা ড. মঈন খানের মতো দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল বর্ণাঢ্য এবং আন্তর্জাতিক মানের। সংসদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রীসহ ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, তিন বাহিনীর প্রধান এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থলটি মুখরিত ছিল। তারেক রহমান তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে উপস্থিত সুধীবৃন্দ দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর তারেক রহমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট দলিলে স্বাক্ষর করেন।

তারেক রহমানের এই মন্ত্রিসভার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর তারুণ্যনির্ভরতা। মন্ত্রিসভার মোট ৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৪১ জনই এবারই প্রথম মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় থাকা ২৫ জনের মধ্যে ১৬ জনই নতুন মুখ। এই তালিকায় রয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন এবং সাবেক ডাকসু নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির মতো পরিচিত মুখগুলো। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ২৪ জনের সবাই প্রথমবারের মতো সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এই নতুনদের তালিকায় বিশেষ চমক হিসেবে রয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত নুরুল হক নুর, জোনায়েদ সাকি এবং ববি হাজ্জাজের মতো আলোচিত ব্যক্তিরা। এছাড়া ইশরাক হোসেন ও শামা ওবায়েদের মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী নেতারাও এই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।

অভিজ্ঞ নেতৃত্বের ধারায় মন্ত্রিসভায় পুরোনো ৯ জন নেতা জায়গা পেয়েছেন যাঁরা এর আগে খালেদা জিয়ার সরকারে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০০১ সালে কৃষি ও বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া বীরবিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর আগে পানিসম্পদ ও পাটমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও নিতাই রায় চৌধুরী এর আগে এরশাদ ও খালেদা জিয়া উভয়ের আমলেই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। চাঁদপুর থেকে নির্বাচিত আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাঁর পূর্বের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারও মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বিজয়ী সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনই এবার প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন, যা জাতীয় সংসদে এক ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী আবুল বাশারের মতো জ্যেষ্ঠ নেতারা এই নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই তারুণ্যনির্ভর মন্ত্রিসভা দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: