তারেক রহমানের ঐতিহাসিক অভিষেক: ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৮ ০৯:০২:৪৬
তারেক রহমানের ঐতিহাসিক অভিষেক: ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি
ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গৌরবময় ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে ১৭তম প্রধানমন্ত্রী (ব্যক্তি হিসেবে ১১তম) হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষা এবং ১৭ বছরের কণ্টকাকীর্ণ রাজনৈতিক প্রবাস জীবন শেষে তাঁর নেতৃত্বে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক অভূতপূর্ব ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গণি। এর আগে সকালেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা জামা ও কালো কোট-প্যান্ট পরিহিত তারেক রহমানকে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী এবং প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। এই অভিষেকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের নারী নেতৃত্বের বলয় ভেঙে প্রথম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলো। তাঁর নবগঠিত মন্ত্রিসভায় দেখা গেছে অভিজ্ঞ প্রবীণ এবং সম্ভাবনাময় তরুণ নেতৃত্বের এক চমৎকার ভারসাম্য। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার ৫০ জন সদস্যই গতকাল শপথ নিয়েছেন। তবে এই মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. খলিলুর রহমানকে, যাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার এই গঠনে একদিকে যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো অভিজ্ঞরা রয়েছেন, তেমনি বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা ড. মঈন খানের মতো দীর্ঘদিনের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল বর্ণাঢ্য এবং আন্তর্জাতিক মানের। সংসদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রীসহ ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, তিন বাহিনীর প্রধান এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যসহ প্রায় ১ হাজার ২০০ আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থলটি মুখরিত ছিল। তারেক রহমান তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে বিকেল ৩টা ৫৮ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে উপস্থিত সুধীবৃন্দ দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর তারেক রহমান সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট দলিলে স্বাক্ষর করেন।

তারেক রহমানের এই মন্ত্রিসভার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর তারুণ্যনির্ভরতা। মন্ত্রিসভার মোট ৫০ জন সদস্যের মধ্যে ৪১ জনই এবারই প্রথম মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় থাকা ২৫ জনের মধ্যে ১৬ জনই নতুন মুখ। এই তালিকায় রয়েছেন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন এবং সাবেক ডাকসু নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির মতো পরিচিত মুখগুলো। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া ২৪ জনের সবাই প্রথমবারের মতো সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এই নতুনদের তালিকায় বিশেষ চমক হিসেবে রয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত নুরুল হক নুর, জোনায়েদ সাকি এবং ববি হাজ্জাজের মতো আলোচিত ব্যক্তিরা। এছাড়া ইশরাক হোসেন ও শামা ওবায়েদের মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী নেতারাও এই মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন।

অভিজ্ঞ নেতৃত্বের ধারায় মন্ত্রিসভায় পুরোনো ৯ জন নেতা জায়গা পেয়েছেন যাঁরা এর আগে খালেদা জিয়ার সরকারে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০০১ সালে কৃষি ও বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া বীরবিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর আগে পানিসম্পদ ও পাটমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও নিতাই রায় চৌধুরী এর আগে এরশাদ ও খালেদা জিয়া উভয়ের আমলেই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। চাঁদপুর থেকে নির্বাচিত আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাঁর পূর্বের সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারও মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে তারেক রহমানের ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বিজয়ী সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনই এবার প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছেন, যা জাতীয় সংসদে এক ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব কাজী আবুল বাশারের মতো জ্যেষ্ঠ নেতারা এই নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়ে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই তারুণ্যনির্ভর মন্ত্রিসভা দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।

/আশিক


আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ২১:৫০:২৮
আইন পেশার উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে সরকারের বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

আইন পেশাকে নতুন প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় ও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ঢেলে সাজানোর কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে ঢাকা ব্যাংকের একটি নতুন সাব-ব্রাঞ্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আইনজীবীদের মানোন্নয়ন, কার্যকর পেশাগত প্রশিক্ষণ এবং বার কাউন্সিলের কার্যক্রমে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এই লক্ষ্য অর্জনের মূল পথ।

সরকারি কর্মকর্তা কিংবা বিচারকদের মতো আইনজীবীদেরও নিয়মতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী জানান, চলতি বছর আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই সহায়তার পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে। তিনি বলেন, সাধারণত সনদ অর্জনের পর নবীন আইনজীবীরা মূলত সিনিয়রদের সঙ্গে কাজ করেই অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তবে কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জ্ঞান ও দক্ষতাকে আরও শাণিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই।

বক্তব্যে দেশের ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী। সব ধরনের শর্ত পূরণের পরেও উদ্যোক্তাদের যথাসময়ে ঋণের অর্থ ছাড় না করে তাঁদের সম্পত্তি মর্টগেজ ও চেক আটকে রাখার প্রবণতাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন এবং এই পদক্ষেপ যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক করেন। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঋণ প্রস্তাবের ফাইলে সই করে পরবর্তীতে আইনি জটিলতায় পড়া ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দেওয়ার উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি।

বার কাউন্সিলের প্রশাসনিক ও আর্থিক কাঠামোকে আরও জবাবদিহিমূলক করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মো. আসাদুজ্জামান জানান, সংস্থায় অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষার পাশাপাশি বহিরাগত অডিটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বার কাউন্সিলকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বা অনিয়মের ক্ষেত্র না বানিয়ে শিক্ষা, মেধা ও পেশাগত দক্ষতার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। আইন মন্ত্রণালয় স্বাধীন এই নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও অনুপ্রেরণাদায়ী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল এবং ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ২১:২৬:১০
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেই জানানো হবে।

এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম জানিয়েছিলেন, এই সম্ভাব্য সফর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ চলছে। তবে বাংলাদেশ মনে করে, সফরের আগে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। মুখপাত্র আরও উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামি এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের দ্রুত ফিরিয়ে দিতে ভারতকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার ভারত তাদের অবস্থান তুলে ধরে জানিয়েছে যে তারা পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ভারতের নতুন করে কিছু বলার নেই এবং হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি কূটনৈতিক ও আইনি নিয়ম মেনেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের পর বাংলাদেশ ক্ষোভ প্রকাশ করলে ভারত স্পষ্ট করেছিল যে সেটি একটি বেসরকারি আয়োজন ছিল এবং এতে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, দুই দেশই অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে চায়। গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন, সীমান্ত নিরাপত্তা, জ্বালানি সহযোগিতা, ভিসা সুবিধা ও বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে উভয় পক্ষই কাজ করছে। তবে দুই দেশের জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অগ্রগতি হলেও এই সফরের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

/আশিক


বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ এবার স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৯:৪১:৫৮
বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ এবার স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
ছবি : সংগৃহীত

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিআরটিসির মহিলা বাস সার্ভিস ‘পিংক বাসে’ পরীক্ষামূলকভাবে যুক্ত করা হয়েছে স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে মহিলা বাস সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চলন্ত বাসে এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগ সফলভাবে প্রদর্শন করা হয়। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) স্টারলিংকের হাই-পারফরম্যান্স ডিভাইস ব্যবহার করে এই সংযোগ স্থাপন ও প্রযুক্তিগত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিএসসিএল জানিয়েছে, চলন্ত গণপরিবহনে উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে দেশের পরিবহন খাতে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহারের কার্যকারিতা যাচাই করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এতে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।

/আশিক


ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৮:১৯:১২
ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশে এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সমগ্র দেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও এনবিআর আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের নেওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এনবিআরের সার্বিক সাফল্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সময়ে দলীয় স্বার্থ, স্বেচ্ছাচারিতা ও বৈষম্যের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া এনবিআরকে এখন জনগণের আস্থাভাজন ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার তাগিদ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, করের বোঝা কেবল বিদ্যমান করদাতাদের ওপর না চাপিয়ে করযোগ্য নতুন ব্যক্তিদের শনাক্ত করে করের আওতা বাড়ানো প্রয়োজন। আধুনিক ও ডাটাভিত্তিক কর প্রশাসন গঠনের মাধ্যমে কর আদায় পদ্ধতিকে হয়রানিমুক্ত ও সহজ করতে হবে, যাতে নাগরিকরা স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত হন। এছাড়া বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তাদের ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, এআই এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের মতো আধুনিক বিষয়ে বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বক্তব্য দেন। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং এনবিআরের প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করেন।

/আশিক


বাণিজ্য বাধা দূর করতে ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ২১:৩৮:৪৩
বাণিজ্য বাধা দূর করতে ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল
ছবি : সংগৃহীত

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান শুল্ক ও বন্দরসংক্রান্ত বাধা নিরসনের লক্ষ্য নিয়ে দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) ১৮ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রতিনিধিদলটি রাজধানী ঢাকায় এসে পৌঁছায়।

সিআইআই-এর মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জীর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে ভারত বায়োটেক, মাহিন্দ্রা গ্রুপ, গোদরেজ ইন্ডাস্ট্রিজ, অরবিন্দ লিমিটেড, ফোর্বস মার্শাল ও অ্যাপোলো হসপিটালসের মতো শীর্ষ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ নির্বাহীরা রয়েছেন।

সফরকালে প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ সরকারের শীর্ষ নীতি-নির্ধারক ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে বৈঠক করবে। এছাড়া মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে তাঁদের একটি যৌথ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গত দুই বছরে বন্দরসংক্রান্ত বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য গতিশীল করতে এই সফরকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

/আশিক


২০২৮-২৯ থেকে নতুন অর্থবছর: ৯ মাসের অন্তর্বর্তী বাজেট ২০২৭-২৮ অর্থবছরে

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ২১:৩৪:৪৯
২০২৮-২৯ থেকে নতুন অর্থবছর: ৯ মাসের অন্তর্বর্তী বাজেট ২০২৭-২৮ অর্থবছরে
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থবছরের বিদ্যমান সময়কাল (১ জুলাই থেকে ৩০ জুন) পরিবর্তন করে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মন্ত্রিসভার গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই পরিবর্তন বাস্তবায়নের জন্য ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে রূপান্তরকালীন (ট্রানজিশনাল) অর্থবছর হিসেবে গণ্য করা হবে, যার মেয়াদ হবে ৯ মাস (১ জুলাই থেকে ৩১ মার্চ)। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গভাবে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর গণনা শুরু হবে।

সরকার জানিয়েছে, প্রচলিত অর্থবছরের শুরুতে (জুলাই-আগস্ট) বর্ষাকাল থাকায় দেশের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হয়, কাজের মান খারাপ হয় এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। নতুন সময়সূচি চালু হলে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই প্রধান প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

এই রূপান্তর কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধান ও ‘জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭’-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে। এছাড়া অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও লেজিসলেটিভ বিভাগের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন এবং সরকারের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে প্রযুক্তিগত হালনাগাদ করা হবে।

/আশিক


বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ১৮:৩৫:৫১
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি: শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগমন সহজতর করতে ভিসা নীতি সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি উল্লেখ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সহজে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন, যা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের ৯০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা এই ফোরামে অংশ নেন।

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বাড়াতে তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) এবং উচ্চতর গবেষণার ওপর জোর দেন। মন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা ও এআইয়ের ব্যবহার প্রসারিত করতে হবে। কিউএস র‍্যাংকিংয়ে দেশের অবস্থান এগিয়ে নিতে গবেষণার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি ‘ক্রস-বর্ডার এডুকেশন’ ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিদেশে থাকা বাংলাদেশি মেধাবীদের ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’-এর মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য দেশের রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, এআইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ইশতিয়াক আবেদিন, কিউএসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জেসন নিউম্যান ও কিউএস ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ড. অশ্বিন ফার্নান্দেজ বক্তব্য দেন।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন মোহাম্মদ বিন সালমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ১৮:১২:৫৫
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন মোহাম্মদ বিন সালমান
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তাঁর হাতে এই আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের এইচ. বিন আবিয়াহ।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সৌদি যুবরাজের পক্ষে রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরকারি সফরের এ আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সফরের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ও কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের পক্ষ থেকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

/আশিক


শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলেও পাবেন না বিলম্ব মার্জনা: ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৬ ২১:২৫:১২
শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলেও পাবেন না বিলম্ব মার্জনা: ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে ‘জানতেন না’ দাবি করে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো বিলম্ব মার্জনা বা তামাদি মওকুফের সুযোগ পাবেন না বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

রোববার ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, পলাতক ব্যক্তিরা ফিরে এসে সাধারণত বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞাত থাকার দাবি তুলে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে শেখ হাসিনাসহ এই মামলার আসামিরা নিয়মিত বক্তব্য দিচ্ছেন এবং সংবাদমাধ্যমে মামলা ডিফেন্ড করছেন। ফলে কার্যক্রম সম্পর্কে তারা অবগত ছিলেন—তা স্পষ্ট এবং এ কারণে ট্রাইব্যুনালে এসে তাদের বিলম্ব মওকুফ চাওয়ার কোনো আইনি সুযোগ থাকবে না।

মামলার বিচারিক অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর প্রায় এক বছর ধরে আইনসম্মত নিয়ম ও পর্যাপ্ত সময় মেনেই ট্রায়াল পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো বা বিলম্ব কোনোটিই করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশি আদালতের পরোয়ানা বা দণ্ডাদেশ থাকলে আইনগতভাবেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করার বিধান রয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: