ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন আসল গণতন্ত্রের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ২০:৩৯:২৪
ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন আসল গণতন্ত্রের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ অবশেষে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে এবং দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষে বাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের ৬০ লাখ সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন বীর শহীদের প্রতি গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে এই বাহিনীর সময়োপযোগী ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে লেখেন, “গত ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে। তাদের এই অতন্দ্র ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য আমি পুরো বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই।”

একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই নতুন যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দেন, “স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ—‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের দর্শনে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন।” তিনি বলেন, গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং সরকারের বহুবিধ উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি বর্তমান সরকারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিশ্বাস করে ‘তারুণ্যই শক্তির উৎস’ মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন, দেশের যুবসমাজকে নিছক সস্তা জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক আধুনিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা সত্যিই অনন্য।

এই স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি আগামী দিনে সবচেয়ে কার্যকর সহায়ক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা ও কৃষি অর্থনীতির বিকাশে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই বাহিনীর দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আনসার-ভিডিপির গর্বিত সদস্যদের হাত ধরেই বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তিক গ্রাম একেকটি বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।

/আশিক


নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী: তেজগাঁওয়ে শিশুদের মাঝে অন্য এক তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১৮:৩৯:৩২
নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী: তেজগাঁওয়ে শিশুদের মাঝে অন্য এক তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সেখানে অবস্থিত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের (ডে-কেয়ার সেন্টার) কোমলমতি শিশুদের সাথে এক নজিরবিহীন ও প্রাণোচ্ছল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন ও ব্যস্ততম রাজনৈতিক বাস্তবতার বাইরে গিয়ে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সোয়া ১১টায় নিরাপত্তার সব কড়া দেয়াল ভেঙে টানা ১৮ মিনিট শিশুদের সাথে যেন নিজের নির্ভার শৈশবে ফিরে যান সরকার প্রধান।

মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই সেন্টারে প্রবেশের পরপরই প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে চার দেয়ালের ভেতরের কচি কণ্ঠগুলো। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় নিজের খেলনার কাছে, আবার কেউ ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজের হাতে আঁকা ছবি দেখাতে।

প্রধানমন্ত্রীও গভীর মনোযোগ দিয়ে শিশুদের সেসব সৃষ্টিশীল কাজ দেখেন এবং মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসা করেন। এই আনন্দঘন মুহূর্তকে আরও স্মরণীয় করতে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সাথে নিয়ে একটি বড় কেক কাটেন। কেক কাটার আগে রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, “আজকে কার জন্মদিন বলো তো?” তখন শিশুরা একযোগে ‘আংকেল আমার, আংকেল আমার’ বলে চিৎকার করে উঠলে প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, “আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন।

আসো আমরা একসাথে কেক কাটি।” শিশুরা করতালি দিয়ে ‘হ্যাপি বার্থডে’ গেয়ে উঠলে এক শিশু নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রীকে কেক খাইয়ে দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজে শিশুদের হাতে চকলেট, টফি, ললিপপ ও বিশেষ গিফট ব্যাগ তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশু আরিবা তার অনুভূতিতে বলে, “প্রধানমন্ত্রী আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট। আংকেলের সাথে মজা করে কেক খেয়েছি।”

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্নার কাছ থেকে শিশুদের সার্বিক যত্ন ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে কী কী খাবার দেওয়া হয় তা বিশদভাবে জানতে চান এবং শিশুদের মানসিক বিকাশের দিকে বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দেন।

এই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ঢাকাসহ সারা দেশে বর্তমানে ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা দৈনিক সাড়ে ১০ ঘণ্টা প্রাতিষ্ঠানিক সেবা পেয়ে থাকে। তেজগাঁওয়ের এই কেন্দ্রে মোট ৬০ জন শিশুর মধ্যে আজ ৫৫ জন উপস্থিত ছিল। পরিদর্শনের সময় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনও উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, শিশুদের নিষ্পাপ হাসি ও ভালোবাসার চাদরে জড়িয়ে হাত নেড়ে ‘টা-টা’ দিয়ে বিদায় নেন প্রধানমন্ত্রী।

/আশিক


অযথা হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের দিন শেষ: স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার ঘোষণা তারেক রহমানের

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১২:৪৭:৫৪
অযথা হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের দিন শেষ: স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার ঘোষণা তারেক রহমানের
ছবি : সংগৃহীত

ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার শতভাগ ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর মেগা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাধারণ জনগণকে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সহজে ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে সব ধরনের কার্যকর ও আধুনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী দেশব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার বর্তমান সময়ের জন্য অপরিহার্য মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, “ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও সহজ করে জনগণকে সেবা দিতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে সরকার। নাগরিকরা যাতে কোনো দালালচক্রের খপ্পরে, দুর্নীতি বা অযথা হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।”

এর আগে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছিলেন, এই বিশেষ মেলার মাধ্যমে জনগণকে আধুনিক ভূমিসেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেবা প্রাপ্তি হাতের মুঠোয় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীতে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মানুষের মধ্যে যে নেতিবাচক বা ভীতিকর ধারণা ছিল, বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ে সেই অবস্থা আমূল বদলে দিতে বদ্ধপরিকর।

এ বছর দেশজুড়ে আয়োজিত ভূমিসেবা মেলার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— ‌‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।’ এবারের মেলার মূল উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে— অটোমেটেড ভূমিসেবা সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা, ভূমি অফিসে সশরীরে না গিয়ে ঘরে বসে ই-নামজারি ও খতিয়ানসহ নাগরিকদের স্মার্ট ভূমিসেবা প্রাপ্তির বিষয়ে ধারণা দেওয়া, মেলা প্রাঙ্গণে সরাসরি ভূমিসেবা প্রদান এবং অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেম ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহিত করা।

এছাড়া ঘরে বসেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদানে উৎসাহিত করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা, মেলায় ভূমিসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করা এবং সর্বোপরি সামগ্রিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা। আজ থেকে শুরু হওয়া এই মেলা প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, রাজস্ব সার্কেল ও জাতীয় পর্যায়ে একযোগে আগামী তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।

/আশিক


ভূমিকম্পের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়ন ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১২:২০:০৫
ভূমিকম্পের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়ন ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সার্বিক সক্ষমতার উন্নয়ন এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা ও উদ্ধারকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ফায়ার ফাইটারদের কাজের ঝুঁকি বিবেচনায় তাঁদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে ‘ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ ২০২৬’ এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্যোগ ও উদ্ধারকাজে এই বাহিনীর ত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, “যেকোনো দুর্যোগ কিংবা বিপদে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবার আগে মানুষের পাশে ছুটে যান ফায়ার সার্ভিসের বীর সদস্যরা। তাই তাঁদের পেশাদারিত্ব বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।”

উল্লেখ্য, এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নবীন আড়াই শতাধিক সদস্য পাসিংআউট সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন। পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন নবীন সদস্যকে বুনিয়াদি পদক এবং বাহিনীতে বীরত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২০ জন সদস্যকে রাষ্ট্রীয় পদক পরিয়ে দেন মন্ত্রী। এছাড়া বিগত তিন বছরের বকেয়া কোটায় আরও ১৩৮ জন ফায়ার ফাইটারকে এই বিশেষ পদকে ভূষিত করা হয়।

/আশিক


এক বছরে শেষ হবে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বগুড়ায় মেগা রোডম্যাপ ঘোষণা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১১:৪৮:৪৬
এক বছরে শেষ হবে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বগুড়ায় মেগা রোডম্যাপ ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকারের ভোট শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। পরবর্তী এক বছরের মধ্যে পাঁচটি স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পূর্ণ শেষ করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বগুড়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই মেগা নির্বাচনী রোডম্যাপের কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

কোন নির্বাচনটি আগে অনুষ্ঠিত হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “মূলত বাজেট প্রাপ্তি ও বরাদ্দের ওপর ভিত্তি করেই কোন নির্বাচনটি কোন সময়ে হবে তা চূড়ান্ত করা হবে। তবে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে এই বিশাল প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছি।

এরপর পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে বেশি বাজেটের বড় বড় নির্বাচনগুলো (যেমন পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন) আয়োজন করা হবে।” বগুড়ায় স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সরকারি প্রশাসক নিয়োগ ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রীর এই ঘোষণা দেশজুড়ে স্থবির হয়ে থাকা তৃণমূলের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন হাওয়া দিয়েছে।

/আশিক


১৭ বছর মানুষ মানসিক যন্ত্রণায় ছিল, কথা বলতে পারেনি: সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ২১:২৪:৩৬
১৭ বছর মানুষ মানসিক যন্ত্রণায় ছিল, কথা বলতে পারেনি: সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা রাখতে সংরক্ষিত নারী আসনের দলীয় সংসদ সদস্যদের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে তথ্যসমৃদ্ধ হওয়া এবং সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

আজ সোমবার (১৮ মে) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নবনির্বাচিত নারী এমপিদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী এই কড়া নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, সভায় জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে নারী এমপিদের অত্যন্ত সতর্ক, তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। বিশেষ করে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে কেউ যাতে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেজন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন এবং নিজ নিজ এলাকায় জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিগত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৭ বছর দেশের জনগণ এক ধরনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ছিল, মানুষ মন খুলে কথা বলতে পারেনি।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ এখন সব ধরনের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করছেন।” সভায় উপস্থিত ৩৬ জন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মধ্যে ১৭ জন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংসদের কর্মপদ্ধতি এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অভিমত ব্যক্ত করেন।

সভা শেষে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিষয়ে দলীয়ভাবে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে দলের আদর্শ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে আনুপাতিক হারে বিএনপি এককভাবে ৩৬টি আসন লাভ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নীতি-নির্ধারণী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

/আশিক


দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই গালি দিতেন: সিইসি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১৭:২৭:০৫
দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই গালি দিতেন: সিইসি
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর তীব্র সমালোচনা ও ‘পাতানো নির্বাচন’ (ইঞ্জিনিয়ারড ইলেকশন) সংক্রান্ত বিস্ফোরক বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সিইসি খোলামেলাভাবে বলেন, “উনার এই ধরনের কথা শুনে আমরা একদম অভ্যস্ত।

উনি প্রায়ই আমাদের সঙ্গে দেখা করতেন, অথচ দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই আমাদের গালি দিতেন। এই গালি উনার নতুন নয়।” আজ সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) এর নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে সিইসির উপস্থিতিতেই তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনটি পুরোপুরি এজেন্সির মাধ্যমে ডিসি অফিসে বসে ‘নগ্নভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং’ করা হয়েছে। কক্সবাজারে হামিদুর রহমান আযাদসহ বেশ কয়েকজন প্রার্থীর আসন পাতানো ছকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “ইনশাল্লাহ আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান হলে প্রথমেই আমি এটাতে হাত দিব, নির্বাচন কমিশনটা আপাদমস্তক অর্থাৎ গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পরিবর্তন করব। আমার ফার্স্ট টার্গেট হবে এটা।”

এছাড়া হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হকের আসন এবং নিজের আসনের ব্যালট পেপারে সিলের বৈধতা নিয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ ‘দ্বিমুখী নীতি’ অবলম্বন করেছে বলেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলেন পাটওয়ারী। একই সাথে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রমাণ আন্তর্জাতিক মহলের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এমন মারমুখী বক্তব্যের পর মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বভাবসুলভ শান্ত ভঙ্গিতেই এর পাল্টা জবাব দেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, “মিটিং শেষ করে বাইরে গিয়ে উনি আমাদের গালিগালাজ করলেও আমরা একদমই ক্ষুব্ধ নই। এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।” সিইসি আরও যোগ করেন, নির্বাচন কেমন হয়েছে তা দেশবাসী ও সাংবাদিকরা সরাসরি দেখেছেন।

ব্যক্তিগতভাবে পাটওয়ারীকে পছন্দ করেন উল্লেখ করে সিইসি কিছুটা রসাত্মক সুরেই বলেন, “উনি মুখের ওপরে হক কথা বলেন, তাই উনার এ ধরনের কথা শুনে আমরা অভ্যস্ত।” সিইসি ও রাজনৈতিক নেতার মধ্যকার এই প্রকাশ্য বাগযুদ্ধ ও কড়া মন্তব্য নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

/আশিক


র‌্যাবকে এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচালনায় নতুন আইন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১৭:১৫:৩৮
র‌্যাবকে এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচালনায় নতুন আইন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

র‌্যাবকে একটি প্রকৃত এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দপ্তরে বাহিনীর ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এই বড় ঘোষণা দেন। নতুন এই আইনি কাঠামোর অধীনে বাহিনীর জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও মানবাধিকার রক্ষা পুরোপুরি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনে সম্পূর্ণভাবে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে একটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছি। সেই আইনের অধীনে একটি এলিট ফোর্স থাকবে, যারা দেশের মানুষের নতুন প্রত্যাশা অনুযায়ী জননিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’ বাহিনীটির ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে তিনি জানান, নতুন এই বাহিনীটি র‍্যাবের বর্তমান কাঠামোর সংস্কার হতে পারে, আবার সম্পূর্ণ নতুন নামেও গঠিত হতে পারে; এ বিষয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত চিন্তাভাবনা করছে। তবে সংস্কার বা নাম পরিবর্তন যা-ই হোক না কেন, নতুন আইনে বাহিনীর সুনির্দিষ্ট ‘অথরিটি’ (কর্তৃত্ব) ও ‘রেসপন্সিবিলিটি’ (দায়িত্ব)-র পাশাপাশি ‘ট্রান্সপারেন্সি’ (স্বচ্ছতা) ও ‘অ্যাকাউন্টিবিলিটি’ (জবাবদিহিতা) কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হবে।

বিগত দিনগুলোতে র‍্যাবের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খোলামেলাভাবে বলেন, ‘কয়েকজন কর্মকর্তার অপেশাদার কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র‍্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির দায় পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপানো উচিত নয়।’ তিনি আরও যোগ করেন, অতীতের রাজনৈতিক শাসনামলে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করায় সেগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

সরকার এখন সেই সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে বদ্ধপরিকর। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে মানবাধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে র‍্যাব তার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং জনগণের বাহিনী হিসেবে আস্থা অর্জন করবে।

/আশিক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এনইসি’র মেগা বৈঠক শুরু

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১২:২২:১২
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এনইসি’র মেগা বৈঠক শুরু
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) গুরুত্বপূর্ণ এক মেগা সভা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি শুরু হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং নিশ্চিত করেছে। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সংস্কার ও আগামী বাজেটের গতিপথ নির্ধারণে এই সভাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণী এই সর্বোচ্চ ফোরামের বৈঠকে মূলত আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) নিয়ে বিশদ আলোচনা ও তা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। একই সাথে দেশের সার্বিক অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার গতিশীল করতে ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত রূপরেখা (২০২৬-২০৩০ অর্থবছর)’ শীর্ষক পাঁচ বছর মেয়াদি মেগা অর্থনৈতিক কৌশলপত্রের খসড়া রূপরেখা উপস্থাপন এবং এর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়ার এজেন্ডা রয়েছে।

সভায় নতুন সরকারের প্রভাবশালী নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানসহ এনইসির অন্য সদস্য ও শীর্ষ আমলারা।

/আশিক


জয় ও পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১১:১৬:৫৮
জয় ও পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাকাণ্ডে সহায়তার মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১৮ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে।

এর আগে গত ৩ মে মামলার ষষ্ঠ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট সাক্ষী অসুস্থতার কারণে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে না পারায় শুনানি পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। এই মামলায় জুনাইদ আহমেদ পলক বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

অন্যদিকে সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক থাকায় ট্রাইব্যুনালের নিয়ম অনুযায়ী তাঁর পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম আদালতে আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। গত ২৬ এপ্রিল মামলার পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন করেন আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোসহ অন্য আইনজীবীরা।

প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সরাসরি নির্দেশে ফেসবুকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ান জুনাইদ আহমেদ পলক। এর পরদিন ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র সদস্যরা একযোগে বর্বরোচিত হামলা চালায়।

এছাড়া আন্দোলন দমাতে সারাদেশে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা, মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি দেওয়া এবং গণহত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামিদের এসব পরিকল্পনা ও উসকানিতে রাসেল ও মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন এবং উত্তরায় আরও ৩৪ জন নিহত হন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ আমলে নিয়ে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ জীবিকা এবং ধর্মীয়-সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কুরবানি ঈদের চামড়া শিল্প। প্রতি বছর... বিস্তারিত