১৭ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ১৫:২২:৪৮
১৭ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে Dhaka Stock Exchange PLC-এ লেনদেন শেষে দেখা গেছে, বাজারে দরপতনের প্রাধান্য ছিল স্পষ্ট। দিনশেষে মোট ৩৯৬টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৩১টির দর বেড়েছে, ২৩৮টির কমেছে এবং ২৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

এ ক্যাটাগরিতে ২০৮টি শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৫৯টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ১৩৭টির দর কমেছে এবং ১২টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টি শেয়ারের মধ্যে ২৮টি বেড়েছে ও ৪২টি কমেছে। জেড ক্যাটাগরিতে ১০৮টি শেয়ারের মধ্যে ৪৪টি ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও ৫৯টি নিম্নমুখী হয়েছে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে মোট ৩৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৪টি বেড়েছে এবং ২৭টির দর কমেছে। কর্পোরেট বন্ডে ৪টির মধ্যে ৩টির দর কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে ৬টির মধ্যে ২টি বেড়েছে ও ৪টি কমেছে।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনভর মোট ২ লাখ ৮৪ হাজার ৬২৮টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭ কোটি ৩ লাখ ৪০ হাজার ৯৮টি শেয়ার, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১,২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকারও বেশি।

বাজার মূলধনের হিসাবে ইকুইটি খাতে মোট মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৬ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি। মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ২৫ হাজার কোটির বেশি এবং ঋণপত্র খাতে প্রায় ৩৫ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

ব্লক মার্কেটে সক্রিয় লেনদেন

ব্লক ট্রানজ্যাকশনে ৪০টি কোম্পানির মোট ৭৬টি লেনদেন হয়েছে। প্রায় ৬১ লাখ শেয়ারের বিপরীতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি। ব্লক মার্কেটে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফাইন ফুডস ও পদ্মা অয়েলের মতো শেয়ারে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণ

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের লেনদেনে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল, বিশেষ করে এ ক্যাটাগরি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে। স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া এবং কিছু শেয়ারে সংশোধনী ধারা বাজারে দরপতন বাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, এই সারাংশে দরবৃদ্ধি ও দরপতনের হিসাব ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শেষ ৩০ মিনিটের লেনদেনের গড় দরের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত সর্বশেষ লেনদেনমূল্যের সঙ্গে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে।

-রাফসান


ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ১৫:১০:১৫
ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শেষে সমাপনী মূল্য ও আগের দিনের সমাপনী দরের তুলনায় শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ারের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। দিনভর লিজিং ও আর্থিক খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারে উল্লেখযোগ্য বিক্রির চাপ লক্ষ্য করা গেছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। শেয়ারটির দর ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৪ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে এসেছে, যেখানে আগের দিনের সমাপনী মূল্য ছিল ৫ টাকা ৪০ পয়সা।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ পতন নিয়ে ৪ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মিডাস ফাইন্যান্স লিমিটেড, যার শেয়ার ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ কমে ৬ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেড ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। টেক্সটাইল খাতের জাহিন স্পিনিং লিমিটেড ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ দরপতন নিয়ে তালিকায় জায়গা করেছে।

মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড উভয়টির দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ পতন হয়েছে।

তালিকার দশম স্থানে রয়েছে গ্রিন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড, যার শেয়ারমূল্য ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে ৩ টাকা ৩০ পয়সায় নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের লেনদেনে আর্থিক ও লিজিং খাতে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি ছিল। বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ায় দরপতনের প্রবণতা দেখা গেছে। তারা মনে করছেন, বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে কোম্পানির আর্থিক সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ গেইনার কারা

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭ ১৫:০৬:৩৪
ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ গেইনার কারা
ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে লেনদেন শেষে সমাপনী মূল্য ও আগের দিনের সমাপনী দরের ভিত্তিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দিনশেষে ব্যাংকিং, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল ও বীমা খাতের একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি দেখা গেছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে এবি ব্যাংক লিমিটেড। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের দিনের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কে অ্যান্ড কিউ (বাংলাদেশ) লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার ৫৩০ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে, যা আগের ৪৯২ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা এসিআই লিমিটেড ২২৫ টাকায় দিন শেষ করেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সঙ্গে এসিআই ফর্মুলেশন্স লিমিটেড ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় স্থান পেয়েছে।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে সোনারগাঁও টেক্সটাইলস লিমিটেড, যার শেয়ার ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সায় বন্ধ হয়েছে। পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড ৭ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে ৬ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।

এ ছাড়া আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেড ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ বেড়ে ১০১ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি সেকেন্ড এনআরবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বীমা খাতে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ওষুধ খাতে সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের লেনদেনে বহুমুখী খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে ক্রয়চাপ বৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে। তারা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদি মুনাফার পাশাপাশি কোম্পানির মৌলভিত্তি ও আর্থিক সূচক বিবেচনায় নিয়ে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

-রাফসান


১৬ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৫:১৩:০২
১৬ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ লেনদেন শেষে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। মোট ৩৯৭টি ইস্যুর মধ্যে ২১৮টির দর হ্রাস পায়, বিপরীতে ১৫৩টি বাড়ে এবং ২৬টি অপরিবর্তিত থাকে। আগের দিনের শক্তিশালী উত্থানের পর বাজারে স্বাভাবিক সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

এ ক্যাটাগরিতে ২০৮টির মধ্যে ১১১টির দর কমেছে, যা বড় মূলধনী শেয়ারে বিক্রির চাপ নির্দেশ করে। বি ক্যাটাগরিতে ৮০টির মধ্যে ৪৮টি পতন হয়েছে। জেড ক্যাটাগরিতেও ১০৮টির মধ্যে ৫৯টি কমেছে। কেবল এন ক্যাটাগরিতে একমাত্র লেনদেন হওয়া শেয়ারটির দর বেড়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির মধ্যে ১২টির দর কমে এবং ১৩টি বাড়ে, যা খাতে মিশ্র প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। করপোরেট বন্ডে ৬টির মধ্যে ৩টি বেড়েছে, তবে সরকারি সিকিউরিটিজে ৪টির সবকটিই দরপতনের মুখে পড়ে।

দিনভর মোট ২ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৩টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৮ কোটি ৯১ লাখ ইউনিট এবং মোট টাকার অঙ্ক দাঁড়ায় ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকার বেশি।

বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অংশ ৩ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকার বেশি। আগের দিনের তুলনায় বাজার মূলধনে কিছুটা হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।

ব্লক মার্কেটে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে। বিশেষ করে গ্রামীণফোন–এ ১৪৭ কোটি টাকার বেশি ব্লক লেনদেন বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে।

এছাড়া ফাইন ফুডস, মারিকো বাংলাদেশ, পদ্মা অয়েল কোম্পানি, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স–সহ কয়েকটি কোম্পানিতে বড় অঙ্কের ব্লক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। মোট ২৬টি স্ক্রিপে ৩২২ কোটির বেশি টাকার ব্লক ট্রেড হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের দিনের উল্লম্ফনের পর বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মুনাফা তুলে নেওয়ায় দরপতন হয়েছে। একে স্বাভাবিক ‘প্রফিট টেকিং’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা নির্ভর করবে নতুন সরকারের অর্থনৈতিক নীতিমালা, সুদহার ব্যবস্থাপনা, ডলারবাজারের স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে টেকসই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে করপোরেট আয়ের উন্নতি, সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর তদারকি অপরিহার্য।

-রাফসান


১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৫:০১:১৩
১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এর শীর্ষ ১০ গেইনার তালিকায় ব্যাংক, বিমা ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের শেয়ারগুলো প্রাধান্য পেয়েছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংস্কার এবং ব্যাংকিং খাতে নীতিগত পরিবর্তনের প্রত্যাশা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। আগের দিনের ৫.২ টাকা থেকে বেড়ে শেয়ারটি ৫.৭ টাকায় পৌঁছেছে, যা ৯.৬১ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। দিনভর সর্বোচ্চ ও সমাপনী দর একই থাকায় বোঝা যাচ্ছে শক্তিশালী ক্রয়চাপ ছিল।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এবি ব্যাংক পিএলসি ৮.৬২ শতাংশ বেড়ে ৬.৩ টাকায় লেনদেন হয়েছে। একই হারে উত্থান ঘটেছে আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটদরে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নিম্নমূল্যের ব্যাংক ও ফান্ড ইউনিটে দ্রুত মুনাফার প্রত্যাশায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হয়েছেন।

শিল্পখাতে সোনালি পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস ৭.৫২ শতাংশ বৃদ্ধি নিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। আর্থিক খাতের বাইরে থেকেও এই শেয়ারটির উল্লেখযোগ্য লেনদেন বাজারে বৈচিত্র্য এনেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ৬.৬৬ থেকে ৭.৪ শতাংশ পর্যন্ত দর বৃদ্ধি অর্জন করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে তারল্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতেই এই ফান্ড ইউনিটগুলোর চাহিদা বাড়ছে।

বিমা খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ৭.১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আর্থিক খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন।

বাজার বিশ্লেষণ

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনের পর বিনিয়োগকারীরা অপেক্ষাকৃত কম দামের ব্যাংক ও ফান্ড শেয়ারে পজিশন নিচ্ছেন। তারা মনে করছেন, সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এলে ব্যাংকিং খাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো লাভজনক অবস্থানে ফিরতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য করপোরেট আয়ের উন্নতি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্রিয় তদারকি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

-রাফসান


১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৪:৫৪:৫০
১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চিত্রে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ শীর্ষ ১০ গেইনার তালিকায় ব্যাংক ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা গেছে। নির্বাচনের পর ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতার মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের ক্রয়চাপ এই শেয়ারগুলোর দর বাড়িয়েছে।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি। আগের দিনের সমাপনী দর ৫.২ টাকা থেকে বেড়ে ৫.৭ টাকায় উঠে ৯.৬১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এবি ব্যাংক পিএলসি ৮.৬২ শতাংশ বেড়ে ৬.৩ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, যা ৮.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্পখাতের সোনালি পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস প্রায় ৭.৫২ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আরও রয়েছে ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, যেগুলো ৬.৬৬ থেকে ৭.৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিমা খাতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ৭.১৬ শতাংশ দরবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

বাজার বিশ্লেষণ

বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তনের প্রত্যাশা এবং তারল্য পরিস্থিতির উন্নতির ইঙ্গিত বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় করেছে। বিশেষ করে নিম্নমূল্যের ব্যাংক শেয়ারগুলোতে দ্রুত ক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে।

তবে তারা সতর্ক করেছেন, স্বল্পমেয়াদি উত্থান দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কিনা তা নির্ভর করবে করপোরেট আয়ের অগ্রগতি, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

-রাফসান


১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৫:০৫:৪৩
১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ দেখা গেছে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। দিনশেষে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে ৩৬৪টির দর বৃদ্ধি পায়, মাত্র ২৬টির দর কমে এবং ৪টি অপরিবর্তিত থাকে। সংখ্যার বিচারে বাজারে স্পষ্টভাবে ক্রেতা প্রাধান্য লক্ষ্য করা গেছে।

ক্যাটাগরি ভিত্তিক চিত্র

এ ক্যাটাগরিতে ২০৭টি কোম্পানির মধ্যে ১৯১টির দর বেড়েছে, ১৪টির কমেছে এবং ২টি অপরিবর্তিত ছিল। বি ক্যাটাগরিতে ৮১টির মধ্যে ৭৭টি বেড়েছে। জেড ক্যাটাগরিতেও ১০৬টির মধ্যে ৯৬টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ৩৪টির সবকটির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়। করপোরেট বন্ড খাতে ৪টির মধ্যে ৪টিরই দর কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজে ৩টির মধ্যে ১টির দর বেড়েছে এবং ২টির কমেছে।

লেনদেন ও বাজার মূলধন

দিনভর ২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭৮টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ কোটি ৪২ লাখের বেশি ইউনিটে। আর্থিক মূল্যমান ছিল প্রায় ১,২৭৫ কোটি টাকারও বেশি।

বাজার মূলধন দিনশেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি সেগমেন্টের অংশ প্রায় ৩ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ২ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা এবং ঋণ সিকিউরিটিজ ৩ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ব্লক মার্কেটের চিত্র

ব্লক মার্কেটে ৩৯টি কোম্পানির মোট ৬৪টি লেনদেন সম্পন্ন হয়, যেখানে প্রায় ৩৬ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ১২০ কোটি টাকা। ব্লক মার্কেটে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, লাভেলো আইসক্রিম, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এনসিসি ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে।

বাজার বিশ্লেষণ

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা ও নীতিগত ইতিবাচক সংকেত বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক, বিমা ও বড় মূলধনী শেয়ারে ক্রেতার চাপ বেশি ছিল।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, টেকসই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রাখতে করপোরেট আয় বৃদ্ধি, সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর নজরদারি অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, এই বাজারসারাংশে দর বৃদ্ধি বা হ্রাস হিসাব করা হয়েছে ক্লোজিং প্রাইসের ভিত্তিতে, যা শেষ ৩০ মিনিটের লেনদেনের ওজনভিত্তিক গড়মূল্যে নির্ধারিত।

-রাফসান


১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৫:০২:১৬
১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চিত্র অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও কয়েকটি শেয়ারে দরপতন দেখা গেছে। শীর্ষ ১০ লুজার তালিকায় ব্যাংক, টেক্সটাইল, জুট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার স্থান পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে সামগ্রিক উত্থানের মাঝেও কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ায় এ ধরনের সংশোধন ঘটেছে।

সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি–এর শেয়ারে। আগের দিনের সমাপনী দর ৫২.১ টাকা থেকে কমে ৪৯.৫ টাকায় নেমেছে, যা প্রায় ৪.৯৯ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। দিনের সর্বোচ্চ দর ছিল ৫২.৪ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪৬.৯ টাকা।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিল বাংলা সুগার মিলস, যার শেয়ার ৩.৯৫ শতাংশ কমে ১৩৮.৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা জুট স্পিনার্স প্রায় ৩.৭৮ শতাংশ দর হারিয়ে ২১১.২ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

স্পিনিং খাতের এপেক্স স্পিনিং ৩.৬৫ শতাংশ কমে ২২১.৩ টাকায় নেমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামিক ফাইন্যান্স প্রায় ৩.৬৩ শতাংশ কমে ১০.৬ টাকায় লেনদেন হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা খাতে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ৩.৪৬ শতাংশ দর হারিয়েছে। ব্যাংক খাতে আরও রয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, যার শেয়ার ২.৮৪ শতাংশ কমেছে।

চিনি শিল্পের শ্যামপুর সুগার মিলস প্রায় ২.৫৮ শতাংশ পতন দেখিয়েছে। এছাড়া অটোমোবাইল খাতের আফতাব অটো ও জ্বালানি খাতের নাভানা সিএনজি যথাক্রমে ১.৫৮ ও ০.৯২ শতাংশ দর কমিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সামগ্রিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও কিছু শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা গ্রহণ ও কারিগরি সংশোধনের প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা নির্ভর করবে করপোরেট ফলাফল, তারল্য পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপর।

-রাফসান


১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৪:৫৫:৩২
১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন তথ্য অনুযায়ী ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এ শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের পর বাজারে ইতিবাচক মনোভাব ও শক্তিশালী ক্রয়চাপের কারণে একাধিক শেয়ার দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায়।

সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি হয়েছে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি–এর শেয়ারে। আগের দিনের সমাপনী দর ৮.০ টাকা থেকে বেড়ে ৮.৮ টাকায় উঠে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ দরও ছিল ৮.৮ টাকা।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মোন্নো ফ্যাব্রিকস। শেয়ারটির সমাপনী দর দাঁড়িয়েছে ২৪.৫ টাকা, যা আগের ২২.৩ টাকার তুলনায় প্রায় ৯.৮৭ শতাংশ বেশি। তৃতীয় স্থানে থাকা লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স ১৪.২ টাকা থেকে বেড়ে ১৫.৬ টাকায় উঠে প্রায় ৯.৮৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিমা খাতে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স প্রায় ৯.৮৪ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। প্রযুক্তি খাতের ড্যাফোডিল কম্পিউটারস ৯.৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে পঞ্চম অবস্থানে।

ব্যাংক খাতে আরও রয়েছে এনআরবি ব্যাংক এবং ঢাকা ব্যাংক, যারা যথাক্রমে প্রায় ৯.৭২ ও ৯.৬৩ শতাংশ দরবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ১ প্রায় ৯.৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তালিকায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া ভিএফ স্ট্যান্ডার্ড ও ডিএসএসএল যথাক্রমে ৯.৫৬ ও ৯.৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা, ব্যাংকিং খাতে সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরাগমন এই উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য করপোরেট আয়ের উন্নয়ন ও বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

-রফিক


নির্বাচনের পর শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, বিনিয়োগকারীর ভিড়

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৩:০২:৩৬
নির্বাচনের পর শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, বিনিয়োগকারীর ভিড়
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রথম কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে জোরালো উত্থান দেখা গেছে। রোববার লেনদেন শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ–এর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১০০ পয়েন্টের বেশি বেড়ে যায়। বাজার খোলার প্রথম পাঁচ মিনিটেই অর্ধশতাধিক কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা বা সার্কিট ব্রেকারে পৌঁছে, যা দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর এক নাটকীয় মোড় নির্দেশ করে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া এবং নতুন সরকারের দ্রুত নীতিগত ঘোষণা আসবে—এই প্রত্যাশাই ক্রেতাদের সক্রিয় করেছে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে টানা কয়েক মাস বাজারে তারল্য সংকট, ডলারচাপ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা বিরাজ করছিল। ফলে অনেকেই অবস্থান ধরে রেখে সাইডলাইনে ছিলেন। ফলাফল ঘোষণার পর তারা নতুন করে শেয়ার সংগ্রহে ঝুঁকেছেন।

লেনদেনের সূচনায় ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা এবং বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারে ব্যাপক ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়। ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কর্মকর্তারা জানান, বিক্রেতা তুলনামূলক কম থাকায় দর দ্রুত বাড়তে থাকে। অনেকে এই পরিস্থিতিকে ‘রিলিফ র‍্যালি’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন, অর্থাৎ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ার স্বস্তি থেকেই বাজারে এই তীব্র উল্লম্ফন।

বিশ্লেষকদের মতে, কেবল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নয়—নতুন সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি, সুদহার নীতিতে পরিবর্তন, ডলারবাজারে স্থিতিশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগের ওপরও বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। দ্রুত ও দৃশ্যমান নীতিগত পদক্ষেপ এলে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।

তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন, টেকসই উত্থানের জন্য করপোরেট আয় বৃদ্ধি, বাজারে স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর নজরদারি অপরিহার্য। অতীতে স্বল্পমেয়াদি উল্লম্ফনের পর সংশোধনের নজির রয়েছে তাই বিনিয়োগে সচেতনতা প্রয়োজন।

দীর্ঘদিন পর বাজারে ইতিবাচক গতি ফিরে আসায় ক্ষুদ্র ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর থাকবে আগামী কয়েক সপ্তাহের লেনদেন প্রবণতা এবং সরকারের প্রাথমিক অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দিকে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: