পুরানো দপ্তরেই ফিরছেন মির্জা আব্বাস: অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলো নতুন সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিজয়ী হওয়ার পর পুনরায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিএনপির প্রভাবশালী স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর বিকেলেই তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
ঢাকার সাবেক এই সফল মেয়র ইতিপূর্বেও খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত মির্জা আব্বাস ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালীন নগরীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকাকালে তার নেতৃত্বেই ‘ইমারত নির্মাণ বিধিমালা’র মতো গুরুত্বপূর্ণ আইন সংশোধিত হয়। দীর্ঘ ১৮ বছর পর পুনরায় নিজ দপ্তরে ফিরে আসার এই ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার পর নতুন সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৮ বছর পর পুনরায় মন্ত্রিসভায় ফিরছেন প্রবীণ এই রাজনীতিক।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হওয়া মির্জা ফখরুল এর আগে ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পেশাগত জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির মেধাবী ছাত্র ফখরুল শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের হাত ধরে পথচলা শুরু হলেও পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু করা এই নেতা ২০১১ সাল থেকে দলের মহাসচিবের (ভারপ্রাপ্ত ও পূর্ণ) দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দেশব্যাপী বিএনপির আন্দোলন ও নীতিনির্ধারণে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এবার তিনি দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের গুরুদায়িত্ব নিয়ে মন্ত্রিসভায় প্রবেশ করছেন।
/আশিক
অর্থনীতির সংস্কারে অভিজ্ঞ আমীর খসরুর ওপর ভরসা রাখলো বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নির্ভরযোগ্য দলীয় ও প্রশাসনিক সূত্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্বের হাতেই দেশের অর্থনীতির হাল তুলে দিচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকেলেই তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে বঙ্গভবনে শপথ নেবেন এবং তাকে অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও ব্যবসায়িক জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চায় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার।
রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী। তিনি ১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘স্থায়ী কমিটি’র সদস্য এবং দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনীতির বাইরেও অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক খাতে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি নিজ উদ্যোগে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া আমীর খসরু চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি এবং দক্ষিণ এশিয়া এক্সচেঞ্জ ফেডারেশনের প্রথম সভাপতি হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি চট্টগ্রামে দক্ষিণ কোরিয়ার অনারারি কনসাল, সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বাংলাদেশ শিল্প বিভাগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবেও নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এছাড়া সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে থাকছে জামায়াতে ইসলামী, যারা জয় পেয়েছে ৬৮টি আসনে। অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসনে জয়লাভ করেছে। এই নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অর্থমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়াকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে টানা ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ নতুন সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজনৈতিক অঙ্গনের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। দলীয় ও প্রশাসনিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিকেলেই তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ করবেন এবং তাকে গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি তার নির্বাচনী এলাকা মুরাদনগরসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ কুমিল্লা-৩ আসনের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ইতিপূর্বে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া নিজ এলাকা মুরাদনগর থেকে তিনি মোট ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এক অনন্য রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে তার শক্তিশালী জনভিত্তি এবং দীর্ঘ সংসদীয় অভিজ্ঞতা তাকে মন্ত্রিসভার অন্যতম যোগ্য সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কায়কোবাদ বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তিনি মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ইউসুফ সোহেল পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। বিপুল এই জনরায়ের মধ্য দিয়ে তিনি পুনরায় সংসদে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন এবং এখন দেশ পরিচালনার বৃহত্তর দায়িত্বে শামিল হতে যাচ্ছেন।
/আশিক
দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সম্পন্ন
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার নতুন সোপানে পা রেখে আজ শপথ নিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নতুন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে নতুন সংসদের আইনপ্রণেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সংসদীয় দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন।
যথাযোগ্য মর্যাদায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অসংখ্য আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি এ সময় সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম ও এ বিষয়ে দলীয় অবস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তসমূহ সবার সামনে তুলে ধরেন। শপথগ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা নিয়ম অনুযায়ী নিজ নিজ শপথপত্রে সই করেন।
দিনের নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিএনপির সংসদীয় দলের একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকেই আনুষ্ঠানিকভাবে তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা তথা 'সংসদ নেতা' হিসেবে নির্বাচিত করা হবে। সংসদীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন।
নতুন সরকার গঠনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আজ বিকেলেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দপ্তর বণ্টন করা হবে। এরপরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
/আশিক
২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা
ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনামল শেষে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়। আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এর আগে আজ সকাল ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে দুই দফায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন, যার মাধ্যমে দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন করছে।
নতুন মন্ত্রিসভার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, ৩৫ থেকে ৪০ সদস্যের এই মন্ত্রিসভা হবে নবীন, প্রবীণ ও দক্ষ রাজনীতিবিদদের এক অনন্য সমন্বয়। তিন প্রজন্মের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করাই হবে এই সরকারের মূল লক্ষ্য। মন্ত্রিসভায় ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। তবে নতুন সরকারের সামনে রয়েছে পাহাড়সম অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়লগ্নে নতুন সরকারের কাঁধে ২৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণের বিশাল বোঝা চেপেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২৩ লাখ ২৫ হাজার ১৫৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোতেও বড় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। এরই মধ্যে জনপ্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা—মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নাসিমুল গনি। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলা প্রশাসক এবং গুরুত্বপূর্ণ সচিব পদে আরও বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এদিকে, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে গণভোটে সম্মতির পর এখন উচ্চকক্ষ গঠনের আইনি প্রক্রিয়া ও ‘জুলাই সনদ’-এর ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে।
তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট এবং নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা ঢাকা পৌঁছেছেন। আজ দুপুরে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রির ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে, বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে একটি ন্যায়সঙ্গত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গত ১৮ মাসে দেশের মানুষ বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে এবং এই নির্বাচন গণতন্ত্রের নতুন যাত্রার সূচনা করেছে।
প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আসন্ন রমজানের পণ্য সরবরাহ। চট্টগ্রাম বন্দরসীমায় বর্তমানে ভোগ্যপণ্য বোঝাই প্রায় অর্ধশত জাহাজ আটকা পড়ে আছে। নির্বাচন ও কর্মবিরতির কারণে চাল, ডাল, তেল ও চিনির মতো জরুরি পণ্য খালাস না হওয়ায় বাজারে সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর তথ্য অনুযায়ী, নতুন সংসদেও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য বজায় থাকছে; যেখানে প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্যই ব্যবসায়ী এবং এদের মধ্যে ১৩ জন বিলিয়নিয়ারসহ মোট ২৩৬ জন কোটিপতি প্রতিনিধিত্ব করছেন।
/আশিক
অধীনতার চুক্তি করে বিদায় নিচ্ছেন ড. ইউনূস: আনু মুহাম্মদ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক কৃষি চুক্তির কঠোর সমালোচনা করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষকদের করপোরেট পুঁজির শৃঙ্খলে আরও গভীরভাবে আবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, একটি ‘অধীনতার চুক্তি’ সই করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
সোমবার রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে তেভাগা আন্দোলনের কিংবদন্তি নেত্রী ইলা মিত্রের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। আনু মুহাম্মদ বলেন, বর্তমানে কৃষি ব্যবস্থা আর আগের সামন্ততান্ত্রিক অবস্থায় নেই; বরং এটি এখন করপোরেট পুঁজির আগ্রাসনের শিকার। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কৃষিকে স্বাধীন করার বদলে বিদেশি করপোরেট স্বার্থের কাছে আরও বেশি জিম্মি করে দিয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখন মার্কিন কৃষি ও তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থের বাইরে যেতে পারবে না, যা দেশের খাদ্য সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ইলা মিত্রের জীবন ও সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ইলা মিত্র কেবল শ্রদ্ধা বা পূজার বিষয় নন, বরং তার আদর্শকে প্রতিদিনের লড়াইয়ের সাথী করতে হবে। সেলিম আক্ষেপ করে বলেন, ইতিহাসের পাঠ্যবই থেকে ইলা মিত্র ও তেভাগা আন্দোলনের কথা আড়াল করে রাখা হয়েছে, যা ইতিহাসের এক বড় বিকৃতি। তিনি মেহনতি মানুষকে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
গবেষক ও লেখক পাভেল পার্থ বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, যে কৃষক ও তাদের সন্তানেরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রাণ দিল, রাষ্ট্র সেই কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা না করে খাদ্য ব্যবস্থাকে অন্য দেশের জিম্মায় দিয়ে দিয়েছে। কবি সোহরাব হাসানও ইলা মিত্রের প্রতি রাষ্ট্রের অবহেলার কথা তুলে ধরেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, স্বাধীনতার পর এই মহান নেত্রীকে কেন সম্মানজনক নাগরিকত্ব দেওয়া হলো না বা ব্রিটিশ আমলের মিথ্যা মামলা থেকে কেন তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দায়মুক্ত করা হলো না।
এএলআরডি-র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেন যে, ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের আগেই ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহের মাধ্যমে এ দেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু হয়েছিল। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক খুশী কবির ইলা মিত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, যারা মনে করেন নারীরা কিছু করতে পারে না, তাদের ইলা মিত্রের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। অনুষ্ঠানে ইলা মিত্রের জীবন নিয়ে একটি বিশেষ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয় এবং তার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
/আশিক
আজ বিকেল থেকে দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ, দৃশ্যমান হবে যেসব দেশে
চলতি বছরের প্রথম এবং অন্যতম আকর্ষণীয় মহাজাগতিক ঘটনা হিসেবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত হতে যাচ্ছে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। আকাশপ্রেমীদের কাছে এটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর একটি মুহূর্ত, কারণ চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে না পারায় সূর্যের চারপাশ দিয়ে একটি উজ্জ্বল আলোর বৃত্ত তৈরি হয়, যা বিশ্বজুড়ে 'রিং অব ফায়ার' বা আগুনের বলয় হিসেবে পরিচিত। বিরল এই দৃশ্য দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন বিশ্ববাসী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সূর্যগ্রহণের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী এই গ্রহণটি সকাল ৭টা ১ মিনিটে শুরু হবে। সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ স্থায়িত্বকাল হতে পারে ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত। মহাকাশ বিজ্ঞানের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষণটি নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে নানা পর্যবেক্ষণ।
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, এই সূর্যগ্রহণটি মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শুরু হয়ে রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শেষ হবে। তবে দুঃখের বিষয় হলো, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই মহাজাগতিক দৃশ্যটি সরাসরি দেখার সুযোগ থাকছে না। মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে। বিশ্বের যেসব দেশ ও অঞ্চল থেকে এই বিরল 'রিং অব ফায়ার' দেখা যাবে তার মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ।
আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার চিলির অ্যান্টার্কটিক গবেষণার ইয়েলচো ঘাঁটি থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ মহাসাগরে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে এই গ্রহণ শুরু হবে। সর্বশেষ মরিশাসের ভিংট-সিনক দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগরে সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে এই গ্রহণ শেষ হবে। মহাকাশ গবেষক ও পর্যটকরা এই মাহেন্দ্রক্ষণটি সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য এরই মধ্যে নির্দিষ্ট গন্তব্যগুলোতে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন।
/আশিক
ভিসা ছাড়াই ৩৭ দেশে ভ্রমণ সুবিধা বাংলাদেশিদের
বিশ্বের প্রভাবশালী পাসপোর্ট শক্তি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আগের বছরের তুলনায় উন্নত হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত ২০২৬ সালের হালনাগাদ হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন ৯৩তম স্থানে অবস্থান করছে। গত বছর দেশটির অবস্থান ছিল ৯৫তম। অর্থাৎ এক বছরে দুই ধাপ অগ্রগতি হয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই ৩৭টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। এই সুবিধার মধ্যে সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশ, অন-অ্যারাইভাল ভিসা এবং কিছু ক্ষেত্রে ই-ভিসা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সক্ষমতার বিচারে এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হলেও উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান এখনো নিম্নমুখী।
ভিসামুক্ত বা সহজ ভিসা প্রক্রিয়ায় যেসব দেশে বাংলাদেশিরা ভ্রমণ করতে পারবেন, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাহামা, বার্বাডোজ, ভুটান, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, বুরুন্ডি, কম্বোডিয়া, কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জ, কোমোরো দ্বীপপুঞ্জ, কুক দ্বীপপুঞ্জ, জিবুতি, ডমিনিকা, ফিজি, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মাদাগাস্কার ও মালদ্বীপ।
এ ছাড়া মাইক্রোনেশিয়া, মন্টসেরাট, মোজাম্বিক, নেপাল, নিউয়ে, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, শ্রীলঙ্কা, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেইন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাইনস, গাম্বিয়া, তিমুর-লেসতে, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভালু এবং ভানুয়াতুও তালিকায় রয়েছে। এসব দেশের কয়েকটিতে সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে পৌঁছে অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিতে হয় অথবা অনলাইনে ই-ভিসা আবেদন করতে হয়।
সূচকের শীর্ষ অবস্থানে আগের মতোই রয়েছে এশিয়ার রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। তৃতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।
চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন ও সুইজারল্যান্ড। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা ও পর্তুগাল। আর ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে হাঙ্গেরি, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া।
বিশ্লেষকদের মতে, পাসপোর্ট শক্তি সূচক কোনো দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক ভিসা চুক্তি, আন্তর্জাতিক আস্থা ও বৈদেশিক নীতির প্রতিফলন বহন করে। যদিও ৯৩তম অবস্থান এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত দেশের পেছনে, তবুও দুই ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও কূটনৈতিক সক্ষমতার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- পুরানো দপ্তরেই ফিরছেন মির্জা আব্বাস: অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলো নতুন সরকার
- যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
- অর্থনীতির সংস্কারে অভিজ্ঞ আমীর খসরুর ওপর ভরসা রাখলো বিএনপি
- তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
- সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমেদ
- ৭ পাক সেনাকে আটক করে বিএলএ-র মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি
- দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সম্পন্ন
- ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা
- রমজানের প্রস্তুতি: এক মাসের বাজার নিশ্চিন্তে গুছিয়ে রাখার উপায়
- শপথের প্রস্তুতিতে এমপিদের সংসদে আগমন
- সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান
- আবহাওয়া আপডেট: যেমন থাকবে রাজধানী
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া কেন হয় জানুন কারণ
- সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম
- আজ কেনাকাটায় যাওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর বন্ধ মার্কেটের তালিকা
- একই পরিবারের তিন সরকার প্রধান: বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল নজির
- অধীনতার চুক্তি করে বিদায় নিচ্ছেন ড. ইউনূস: আনু মুহাম্মদ
- আজ বিকেল থেকে দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ, দৃশ্যমান হবে যেসব দেশে
- ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ
- ফুটবল-ক্রিকেটে জমজমাট ক্রীড়া সূচি
- আজ টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- নামাজ ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত সময় জানুন আজ
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- ভিসা ছাড়াই ৩৭ দেশে ভ্রমণ সুবিধা বাংলাদেশিদের
- আজ নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন যিনি
- শপথ ঘিরে ঢাকায় বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে এসেছি: প্রধান উপদেষ্টা
- দেশে আবার ভূমিকম্প অনুভূত
- সংসদীয় রাজনীতির নবযুগের অপেক্ষায় দেশ: জামায়াত আমির
- রাষ্ট্র সংস্কারের দলিলে চূড়ান্ত সই: নতুন সূর্যের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
- বিভেদ ভুলে রাজপথে সক্রিয় হওয়ার শপথ নিলেন কালিগঞ্জের বিএনপি নেতারা
- মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের শক্তিশালী প্রমাণ পেল নাসা
- ব্রণমুক্ত ত্বক পেতে ঘরোয়া ৪টি সহজ টিপস
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন
- মুসলিমদের জন্য রমজান মাসের সূচনা: চাঁদ দেখার নিয়ম ও তারিখ
- বগুড়া-৬ আসন ত্যাগ করলেন তারেক রহমান
- বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান
- ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ, বদলে যাবে সমীকরণ
- বিদায় নিলেন উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন
- রমজানজুড়ে ছুটি নিয়ে আইনি টানাপোড়েন, উচ্চ আদালতে বড় পরিবর্তন
- চিকেন্স নেকে ভূগর্ভস্থ রেলপথ: উত্তর-পূর্বে ভারতের বড় কৌশলগত চাল
- কুমিল্লা চান্দিনার নজর কাড়ছে তিন গম্বুজ মসজিদ
- ১৬ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ১৬ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- হান্নান, আসিফ ও সাদিকদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- ঢাকা-১৫ আসনে দাপুটে লিড ডা. শফিকুর রহমানের








