বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৮:০৪:৩৬
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দলটির নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হচ্ছে।

নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তিনি আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর দেশে ফিরে এভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৬০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিতে যাওয়ায় তারেক রহমান দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। সে তুলনায় তার এই অভিষেক একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।

স্বাধীনতার পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ দায়িত্ব নেন ৪৬ বছর বয়সে। শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে প্রধানমন্ত্রী হন ৫২ বছর বয়সে। নব্বইয়ের দশকে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন ৪৬ বছর বয়সে। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন ৪৯ বছর বয়সে।

বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমান দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাবরণ ও নির্বাসনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন, যা তাকে এক ভিন্ন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে প্রস্তুত করেছে। তারা মনে করছেন, এই দীর্ঘ সময় তাকে রাজনৈতিকভাবে আরও পরিণত করেছে।

নির্বাচনের পর দেশের পুঁজিবাজার ও আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন নতুন সরকারের দিকে। বিশেষ করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় তার নেতৃত্ব কতটা কার্যকর হবে—সেই প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।


হান্নান, আসিফ ও সাদিকদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৪:৪০:৩৮
হান্নান, আসিফ ও সাদিকদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে
ছবি: নিউজ ২৪

নোয়াখালীর হাতিয়া সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নাছির উদ্দীন নাছির, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছেন। সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

তার বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত এমপি হান্নান মাসউদ, এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম–সহ সংশ্লিষ্টদের জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

নাছিরের দাবি, হাতিয়া সম্পর্কিত যে অভিযোগটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে তা ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের শামিল।

তিনি আরও বলেন, প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ২৮ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একই সময়ে অন্যত্র গিয়ে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ যুক্তির পরিপন্থী। হাতিয়া থেকে জেলা সদর হাসপাতালে যাতায়াতে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লাগে—এমন পরিস্থিতিতে একই সময়ে দুই স্থানে উপস্থিত থাকার দাবি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি স্থগিত করেছেন, যা ঘটনাটির ভিন্ন মাত্রা নির্দেশ করে।

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে জনমনে উত্তেজনা সৃষ্টি করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করে অপপ্রচারের দায় স্বীকার করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পর্শকাতর অভিযোগ ঘিরে দ্রুত তথ্য যাচাই ও প্রশাসনিক ব্যাখ্যা না এলে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের প্রভাব রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট নেতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যাখ্যার প্রতীক্ষা চলছে।

-রাফসান


তারেক রহমান জামায়াত আমিরকে দিলেন নির্দিষ্ট ৩টি গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১২:১৬:০৭
তারেক রহমান জামায়াত আমিরকে দিলেন নির্দিষ্ট ৩টি গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী’র আমির ড. শফিকুর রহমান।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসায় যান তারেক রহমান। সাক্ষাতের পর ড. শফিকুর রহমান তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, “তারেক রহমানের এই আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।”

জামায়াত আমির আরও বলেন, “আমি তার আগমনকে স্বাগত জানাই। সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।

সাক্ষাতের সময় আলোচনার বিষয় নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “তারেক রহমান আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা প্রতিরোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমরা এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই।”

ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে আমরা নির্বাচিত সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা দেব, কিন্তু আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনেও আপসহীন থাকব। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে সমর্থন থাকবে, তবে যেখানে জবাবদিহি প্রয়োজন, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকব। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয়, সংশোধন; বাধা নয়, পর্যবেক্ষণ।”

এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, এবং জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতের শুরুতে তারেক রহমান জামায়াত আমিরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

/আশিক


নির্বাচনের ফলাফল গণমাধ্যমে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ০৯:৫১:০৭
নির্বাচনের ফলাফল গণমাধ্যমে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে: জামায়াত আমির
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমে খণ্ডিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই অভিযোগ করেন। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় হতাশ বা বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই, কারণ জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান এক শক্তিশালী জনরায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচনে প্রদত্ত প্রায় ৭ কোটি ভোটের মধ্যে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট ৩৮.৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ নাগরিক এই জোটের ওপর তাদের পূর্ণ আস্থা স্থাপন করেছেন। জামায়াত আমির এটিকে একটি ‘বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ২০০৮ সালে মাত্র ২টি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

তিনি আরও লেখেন যে, দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহিতা ও নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে সংগঠনের কর্মীদের প্রতি শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন লক্ষ্য হলো সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা এবং পরবর্তী নির্বাচনের জন্য সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা। ত্যাগের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক পথচলা নিশ্চয়ই পরিপূর্ণ বিজয় বয়ে আনবে।


ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপির ন্যারেটিভ রূপান্তর: ডিজিটাল রাজনীতির নতুন অধ্যায়

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ২৩:৫৮:৪০
ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপির ন্যারেটিভ রূপান্তর: ডিজিটাল রাজনীতির নতুন অধ্যায়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নানা দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, বয়ানগত মেরুকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমের বিস্তৃত প্রভাব—সব মিলিয়ে এই নির্বাচন কেবল একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি বয়ান-সংগ্রামের ক্ষেত্রেও পরিণত হয়েছিল। এই বহুমাত্রিক বাস্তবতার মধ্যে যে বিষয়টি আলাদাভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তা হলো বিএনপির মিডিয়া সেলের তৈরি সংক্ষিপ্ত রিল ও ভিডিও কনটেন্টসমূহ। এই কনটেন্টগুলো ছিল একই সঙ্গে আকর্ষণীয়, সম্পৃক্ততামূলক এবং অনেক ক্ষেত্রে আবেগঘন। দলীয় নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজ, সংক্ষিপ্ত এবং সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করার পাশাপাশি এগুলো একটি সুপরিকল্পিত ন্যারেটিভ ও কাউন্টার-ন্যারেটিভ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিপক্ষের প্রতিষ্ঠিত ও শক্তিশালী বয়ানকে সরাসরি প্রতিক্রিয়া না দিয়ে বরং নতুন ফ্রেমে পুনর্বিন্যাস করার কৌশল এখানে লক্ষ্য করা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে যেখানে মনোযোগের স্থায়িত্ব কম এবং বার্তার ঘনত্ব বেশি, সেখানে এক মিনিট বা দেড় মিনিটের ভিডিওর মাধ্যমে রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করা নিছক প্রচারণা নয়; এটি কৌশলগত যোগাযোগের পরিশীলিত প্রয়োগ।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, এই কনটেন্ট নির্মাণের অন্যতম কারিগর ছিলেন ড. সাইমুম পারভেজ। তিনি ইউনিভার্সিটি অব সিডনি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির এলিয়ট স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স থেকে ফুলব্রাইট স্কলারশিপের অধীনে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত এক গবেষক। তাঁর গবেষণা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে একাধিক স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক জার্নালে। এর মধ্যে রয়েছে Democratization (২০২১), Perspectives on Terrorism (২০১৯), Terrorism and Political Violence (২০১৮) এবং Political Violence in South Asia (২০১৮) প্রভৃতি। এসব প্রকাশনা তাঁর গবেষণাগত গভীরতা ও বিশ্লেষণী সক্ষমতার স্বাক্ষর বহন করে। টকশোতেও অপতথ্য, আবেগপ্রবণতা ও বাগাড়ম্বরের ভিড়ে ড. সাইমুম পারভেজের সংযত, তথ্যনির্ভর ও বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য আলাদা করে মনোযোগ কেড়েছে। তিনি সাধারণত তাত্ত্বিক কাঠামো, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, যা জনপরিসরে যুক্তিনির্ভর আলোচনার সংস্কৃতি গঠনে সহায়ক।

রাজনৈতিক বাস্তবতায় নির্বাচন-পরবর্তী সময় আরও জটিল। যদি জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক ড. সাইমুম পারভেজের মতো মেধাবী ও মননশীল ব্যক্তিদের দক্ষতা ও প্রজ্ঞা রাষ্ট্রপরিচালনার কাঠামোর ভেতরে যথাযথভাবে কাজে লাগানো সময়ের দাবি। আগামীর বাংলাদেশে একটি বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সমৃদ্ধ, সংযত কিন্তু দৃঢ় রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হলে গবেষক, নীতি-বিশ্লেষক এবং কৌশলগত যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সক্রিয় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য। টেকসই রাজনীতি কেবল স্লোগান, আবেগ কিংবা তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় চিন্তার গভীরতা, নীতির স্বচ্ছতা এবং বিশ্লেষণী প্রজ্ঞার ভিত্তিতে। সেই অর্থে ড. সাইমুম পারভেজের মতো ব্যক্তিত্বদের সম্পৃক্ততা শুধু একটি দলের জন্য নয়, বরং সমগ্র রাজনৈতিক সংস্কৃতির মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

- জামান/১২৮৪৫


ড. ইউনূস বাংলাদেশে জালেম দের পুনর্বাসন করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ২১:৩৩:৩১
ড. ইউনূস বাংলাদেশে জালেম দের পুনর্বাসন করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী 
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ তুলেছেন। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত এক সভায় বক্তৃতাকালে তিনি দাবি করেন, ড. ইউনূস বাংলাদেশে ‘জালেম’দের পুনর্বাসন করছেন এবং তাদের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের অফিস উদ্বোধন করা হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রশাসনকে ব্যবহার করে যে কারচুপি হয়েছে, তাতে ড. ইউনূসের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা রয়েছে যা জাতি চিরকাল মনে রাখবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ড. ইউনূসের সাম্প্রতিক লন্ডন সফর নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সেখানে গিয়ে কী ধরনের আপস করা হয়েছে তার ফলস্বরূপ এই নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ দেখা গেছে। এছাড়া সারা দেশে নারীদের ওপর হামলা এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যদের ওপর জঘন্য হামলার জন্যও তিনি ড. ইউনূসকে দায়ী করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, তাঁরা কাউকে ক্ষমা করার পক্ষপাতী নন এবং প্রতিটি অন্যায়ের বিচার চান।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। নাসীরুদ্দীন দাবি করেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার চাওয়াকে নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা হিসেবে দেখা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ওসমান হাদি হত্যার বিচার সময়মতো হতো, তবে আজ দেশে গণধর্ষণের মতো ঘটনা কিংবা বিএনপির নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর সাহস কেউ পেত না। বাংলার জমিনে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে তিনি সরকারের প্রতি কড়া হুঙ্কার ছেড়েছেন।

/আশিক


শফিকুর রহমানের পর এবার নাহিদের বাসায় বিএনপি প্রধান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ২১:০৪:৫২
শফিকুর রহমানের পর এবার নাহিদের বাসায় বিএনপি প্রধান
নাহিদ ইসলামের বাসায় তারেক রহমান | ছবি : কালবেলা

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক ইতিহাস ও ঐক্যের ইঙ্গিত দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বসুন্ধরার বাসভবনে দীর্ঘ বৈঠক শেষে রাত ৮টায় তিনি বেইলি রোডের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এরপর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি নাহিদ ইসলামের বাসায় পৌঁছান।

এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। জামায়াত আমিরের পর এনসিপি প্রধানের সঙ্গে এই সাক্ষাৎকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী এক ইতিবাচক ধারার রাজনীতির সূচনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের ঠিক আগমুহূর্তে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সাথে তারেক রহমানের এই সরাসরি যোগাযোগ বড় কোনো ঐক্যের পথে ইঙ্গিত দিচ্ছে। বেইলি রোডে নাহিদ ইসলামের বাসভবনে পৌঁছানোর পর সেখানে দুই দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। এই ঝটিকা সফরকে ঘিরে বেইলি রোড এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।

/আশিক


শপথের আগে নয়া মেরুকরণ: শফিকুর রহমানের বাসায় বিএনপি প্রধান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৯:৫২:৫৭
শপথের আগে নয়া মেরুকরণ: শফিকুর রহমানের বাসায় বিএনপি প্রধান
জামায়াত আমিরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান/ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আভাস দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বাসায় পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি জামায়াত আমিরের রাজধানীর বসুন্ধরাস্থ বাসভবনে পৌঁছান। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ঠিক দুদিন আগে এই দুই শীর্ষ নেতার এই সাক্ষাৎকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এর আগে গতকাল শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছিল যে, তারেক রহমান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সন্ধ্যায় তিনি ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে যান। এই আগমনকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত ও বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন।

তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ, মন্ত্রিসভার গঠন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপন্থা নিয়ে দুই নেতার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। নাহিদ ইসলামের পর জামায়াত আমিরের সঙ্গে এই বৈঠক রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে।

/আশিক


কৃষক-শ্রমিকদের অসম্মান মানেই আমার বাবাকে অপমান: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৮:৫২:১৬
কৃষক-শ্রমিকদের অসম্মান মানেই আমার বাবাকে অপমান: জামায়াত আমির
স্মরণসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

নিজে কোনো ধনী পরিবারে নয়, বরং এক কৃষক পরিবারে জন্ম নিয়েছেন উল্লেখ করে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কিশোরগঞ্জের ইটনা ও নিকলী উপজেলায় নির্বাচনী জনসভায় যাওয়ার পথে নিহত দুই কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও স্মরণসভায় অংশ নিয়ে তিনি এই আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কৃষক ও শ্রমিকদের সম্মান না করা মানেই তাঁর নিজের বাবাকে অপমান করা।

সকাল ১০টায় ইটনার শিমুলবাগ দক্ষিণহাটি এলাকায় আয়োজিত স্মরণসভায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষকে সম্মান করা তাঁর একটি ইমানি দায়িত্ব। অনেক মানুষ গরিবের সঙ্গে হাত মেলানোর পর আড়ালে হাত মুছে ফেলেন—এমন আচরণের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমজীবী মানুষের ঘামের গন্ধ তাঁর কাছে আতরের মতো পবিত্র। তিনি বিশেষ করে শিশু এবং দিনমজুর শ্রেণির মানুষের সান্নিধ্যে থাকার আনন্দ তুলে ধরেন এবং শাহ আলমের পরিবারের পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইটনার কর্মসূচি শেষে তিনি নিকলী উপজেলার ছাতিরচরে যান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আব্দুস ছালামের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিতে। উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কটিয়াদী এবং ৮ ফেব্রুয়ারি ইটনায় আয়োজিত দুটি পৃথক নির্বাচনী সমাবেশের সময় ওই দুই কর্মী ও সমর্থক মৃত্যুবরণ করেন। জামায়াত আমির সকাল থেকেই সড়কপথে কিশোরগঞ্জ পৌঁছে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করেন এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ দেখভালের বিষয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


মঞ্জুর দুর্গে জামায়াতের হানা: যে ভুলে কপাল পুড়ল বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৮:৪০:৫৮
মঞ্জুর দুর্গে জামায়াতের হানা: যে ভুলে কপাল পুড়ল বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীর
ছবি : সংগৃহীত

খুলনার রাজনীতির দীর্ঘদিনের এক অভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার বড় ধরনের ওলটপালট ঘটে গেছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আধিপত্য বিস্তার করে জয় পেয়ে আসছিল, সেখানে এবার প্রথমবারের মতো বিজয় পতাকা উড়িয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী এবং সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন জামায়াতের খুলনা মহানগর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং খোদ বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, এই পরাজয়ের পেছনে মূলত কাজ করেছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং দলের দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচনে জয়ী এই আসনে মঞ্জুর ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও এবার তাঁর বলয়ের অতিরিক্ত আত্মতৃপ্তি প্রচারণায় ভাটা ফেলেছিল। টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের মতে, জামায়াতের প্রার্থী যখন ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, মঞ্জু তখন প্রচারণায় ছিলেন অনেকটা নিস্পৃহ। এছাড়া ২০২১ সালে মহানগর কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর থেকে মঞ্জু অনুসারীদের কোন্দল ভোটের মাঠে বড় প্রভাব ফেলেছে।

অন্যদিকে, জামায়াত প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল ছিলেন অত্যন্ত পরিকল্পিত ও কৌশলী। দলটির কর্মীরা অলিগলি এবং নারী ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিল, যা বিএনপির প্রধান সড়ক ও বাজারকেন্দ্রিক প্রচারণার তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক সেকেন্দার আলী খান সাচ্চু নিজেও কোন্দলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খুলনার এই ফল যেমন বিএনপিকে নতুন করে ভাবাচ্ছে, তেমনি জামায়াতের জন্য এটি এক বিশাল আত্মবিশ্বাসের জয় হিসেবে গণ্য হচ্ছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলমের ভাষায়, এই হারের ‘হিসাব মিলছে না’ এবং তাঁরা বিষয়টি নিয়ে গভীর বিশ্লেষণে নেমেছেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: