শপথের আগেই বড় বাধা: মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ইসিতে নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ ১৭:৫৫:৩৮
শপথের আগেই বড় বাধা: মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ইসিতে নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপি, অনিয়ম ও বেআইনি প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে এই আসনের শপথ গ্রহণ স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে তিনি এই লিখিত আবেদন জমা দেন। শাপলা কলি প্রতীকের এই প্রার্থী দাবি করেছেন, নির্বাচনের দিন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং তাঁর সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিয়েছেন।

আবেদনপত্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ১২টি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে ভোট রিগিং এবং প্রভাব বিস্তারের ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, মির্জা আব্বাসের পরিবার ও কর্মীরা এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ফলাফল আটকে রাখা এবং বাতিলকৃত ভোটকে ধানের শীষের পক্ষে গণনায় অন্তর্ভুক্ত করার মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তাও এসব অনিয়মে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অত্যন্ত আলোচিত এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৭ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পান ৫১ হাজার ৩৯৬ ভোট। অর্থাৎ মাত্র ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটের ব্যবধানে এই জয় নির্ধারিত হয়েছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দাবি, সঠিক তদন্ত হলে এবং অনিয়মগুলো ধরা পড়লে তিনিই বিজয়ী হতেন। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে এবং গেজেট প্রকাশের আগেই বিষয়টি সুরাহা করতে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।

/আশিক


ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ২২:০৫:৪৭
ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর
ছবি : সংগৃহীত

গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পারিবারিক নির্যাতন থেকে সুরক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একটি ঢাল বা সেফগার্ড হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বুধবারিয়া বাজারে এক ভার্চুয়াল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাগুলো মূলত পরিবারের মা-বোনদের দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গ্রামাঞ্চলে নারী সদস্যদের ওপর পুরুষ সদস্যরা নানানভাবে অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতন করে থাকেন, জিম্মি করে থাকেন।

যৌতুকের জন্য কিংবা শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য নানা অজুহাত দেন। ফ্যামিলি কার্ড আমাদের নারীদের জন্য সেফগার্ড।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিশ্রমী নারীরা এই কার্ডের আড়াই হাজার টাকা জমিয়ে একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে জানিয়ে মো. নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের সময় অনেকেই ডিস্টার্ব করলেও সরকার তা বিবেচনায় নেয়নি। সামাজিক সুরক্ষা, কৃষক বা প্রবাসী কার্ড—যোগ্য সবাই পাবেন।

চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল উদ্বোধনের সাথে একযোগে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নদীবেষ্টিত চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চালু করা হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০টি জেলায় একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় বেশ কয়েকটি খাল খনন প্রকল্পসহ রাস্তাঘাট ও ব্রিজের ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। অতীত সরকারের দুর্নীতি ও নামমাত্র কাজের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “বিগত দিনে অনেকেই অল্প কাজ করে সব সাবার করে দিয়েছেন।

এবার খাল খননের সাথে যারা জড়িত থাকবেন, তারা শতভাগ কাজ করবেন। সরকারি টাকায় কাজগুলো মানসম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই দেখতে হবে।”

গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক এবং স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ২১:২৫:৩৫
আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম
ছবি : সংগৃহীত

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির বিরুদ্ধে দেশের গণমাধ্যম বা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি দাবি করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই একই কায়দায় কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এনসিপির এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সারজিস আলম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে মূলত বেগম খালেদা জিয়া ও মেজর জিয়াকে সামনে রেখে। তারেক রহমান তাঁর যোগ্য পিতা-মাতার উত্তরসূরী হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন, তবে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কি না তা তাঁর সিদ্ধান্তের বিষয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আওয়ামী লীগের সময়ে যেভাবে মিডিয়া দখল করা হতো, এখন একই কায়দায় মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; তখন আমরা আগের যে বাংলাদেশ ছিল—সেই বাংলাদেশের লক্ষণ আমরা আবারও দেখতে পাই।"

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতির সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, অভ্যুত্থানের আগেও দেশে চাঁদাবাজি হতো এবং এখনও হচ্ছে। যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, সেই একই কাজ যদি বিএনপির নেতাকর্মীরাও করতে থাকে, তবে আগামীর রাজনীতিতে কেউ আর টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষমতায় আসতে না আসতেই যারা এমন কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের হিসাব টেনে এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক বলেন, নির্বাচনে বিএনপিকে ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দিলেও বাকি অর্ধেক মানুষ কিন্তু তাদের ভোট দেয়নি। আর যারা ভোট দিয়েছে, তারাও ক্ষমতার মাত্র তিন মাস যেতে না যেতেই বিএনপির ওপর চরম হতাশ হয়ে পড়েছে এবং মনে করছে দল নিশ্চিতভাবে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তিনি জনগণকে এই প্রতারণার কথা মনে রেখে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব আতিকুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন এবং জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন প্রমুখ।

/আশিক


ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ১৯:৪৬:৩২
ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "বাংলাদেশ কারো রক্তচক্ষু বা চোখ রাঙানি সহ্য করবে না। বন্ধু, এটা তিতুমীর, হাজী শরীয়তউল্লাহ ও শাহমখদুমের বাংলাদেশ; এই দেশের দিকে কালো হাত বাড়ালে এ দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে।" শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির ভারতে মুসলিমদের নাজেহাল করা এবং বাংলাদেশের দিকে 'লাল চোখ' দেখানোর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের এক-চতুর্থাংশ মরুভূমি হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বর্তমান সরকারের 'পদ্মা ব্যারেজ' ঘোষণার সাধুবাদ জানান, তবে এটি যেন লোকদেখানো না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত 'খাল খনন' কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "খালের পানির উৎস হচ্ছে নদী। নদীই যদি মৃতপ্রায় থাকে, তবে খালের পানি আসবে কোথা থেকে? খাল কাটা কর্মসূচি যদি কেবল জনগণের মানসিক প্রশান্তির জন্য হয়, তবে তা বুমেরাং হবে। আগে নদী বাঁচান, নদী যৌবন ফিরে পাক।"

বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "যে পথ দিয়ে স্বৈরাচার হেঁটেছিল, একই পথ দিয়ে আপনারাও হাঁটছেন। মনে রাখবেন, এ সংসদের মেয়াদ মাত্র আড়াই মাস। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না।

ভালো কাজে আমরা পানির মতো তরল, কিন্তু মন্দ কাজে ইস্পাতের চেয়েও কঠিন হব।" তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে তাদের ইশতেহারে অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে ৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ করেছে, যা তাদের সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সাথে সরাসরি গাদ্দারি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণদের সরকারি দলের একাংশ কর্তৃক ‘শিশু পার্টি’ বা ‘গুপ্ত’ বলে উপহাস করার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি একে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করলে সরকারকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

জামায়াতকে লক্ষ্য করে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক হুমকির জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা স্পষ্ট করে বলেন, "যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়াতে পারে, তাদের ভয় দেখাবেন না। সংসদে কথা বলতে অনুমতি লাগে; যদি সেখানে আমাদের কথা বলতে দেওয়া না হয়, তবে আমরা জনগণের পার্লামেন্টে (রাজপথে) চলে আসব, যেখানে কথা বলতে কারও অনুমতি লাগে না।"

রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এই মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (বীর বিক্রম), জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

/আশিক


আওয়ামী লীগ ফিরলে প্রথম গুলিটি চালাবে তারেক রহমানের ওপর: নাসীরুদ্দীন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ১৯:৩৪:০১
আওয়ামী লীগ ফিরলে প্রথম গুলিটি চালাবে তারেক রহমানের ওপর: নাসীরুদ্দীন
ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ যদি কখনো দেশে ফিরে আসার সুযোগ পায়, তবে তারা প্রথম হামলা বা গুলি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর চালাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার চক্রান্ত ও আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারকে সতর্ক করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তরুণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “যদি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসতে পারে, তাহলে তারা প্রথম কোপ, প্রথমে গুলি চালাবে তারেক রহমানের ওপরে।

আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানা উচিত—সেই সময় তারা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছিল।” তিনি জিয়াউর রহমানের পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ধরনের আপস (কম্প্রোমাইজ) না করার আহ্বান জানান এবং মনে করিয়ে দেন যে তারা সবাই এখনো একই ফ্রন্টে যুদ্ধ করছেন।

সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের সমালোচনা করে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “উন্নয়নের নামে সরকার নানা ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ডগুলোতে যদি সাধারণ মানুষের টাকা না আসে, তবে আমরাও সরকারকে একটা কার্ড দেখাব, আর সেই কার্ডের নাম হলো লাল কার্ড।”

রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নে ঢিলেমি করা হলে সরকারের স্থায়িত্ব সংকটে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যদি আপনি (তারেক রহমান) সংস্কার বাস্তবায়ন না করেন, তাহলে দেশে আপনার গদি থাকবে কি না—সেই নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি না। কারণ জনগণ ভোট ও ম্যান্ডেট দিয়েছে। এই জনগণের বাক্সে যদি কেউ লাথি মারতে চায়, আমরাও তার গদিতে লাথি মারতে কোনো কুণ্ঠাবোধ করব না।”

ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, মওলানা ভাসানী যে রাজশাহী থেকে ভারতের বিরুদ্ধে পানির ন্যায্য অধিকারের ডাক দিয়েছিলেন, বিএনপি আজকে তাঁর সেই ‘মার্কা’ বা রাজনৈতিক ঐতিহ্য চুরি করেছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি বর্তমানে ভারতের বিরুদ্ধে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করছে। যদি তারা ভাসানীর মার্কা ব্যবহার করতে চায়, তবে ভাসানীর আপসহীন নীতিও গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় সেই মার্কা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

যোগদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এনসিপি নেতা সারজিস আলম বলেন, “তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে।” তবে গণঅভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী ধারার মতো বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তারা গভীর শঙ্কিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

/আশিক


ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করেছে এই সরকার: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৩ ১৯:৪৩:৫৬
ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করেছে এই সরকার: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের ‘স্মার্ট কার্ড’ প্রকল্পকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল হিসেবে আখ্যা দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন প্রকল্পগুলোকেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১৩ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, কৃষকের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে সরকারকেও ‘লাল কার্ড’ দেখানো হবে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘শেখ হাসিনা স্মার্ট কার্ডের নামে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে। এখন নতুন প্রকল্প এসেছে—খাল কাটার প্রকল্প, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড। আমরাও কার্ড এনেছি, লাল কার্ড। এগুলো বিফলে গেলে আমরা লাল কার্ড দেখাবো।’ তিনি অভিযোগ করেন, বাজেটে কেবল কার্ড হাতে ধরিয়ে দিলেই হবে না, কৃষক প্রকৃতপক্ষে কতটুকু সুবিধা পাচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ধান কেনার মৌসুমে সরকারি শর্ত এবং অসময়ের অতিবৃষ্টিতে কৃষকের সংকটের কথা উল্লেখ করে এনসিপি নেতা বলেন, ‘ধান মার্কা ক্ষমতায় থাকলেও আসল ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।’ তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ দাবি করেন, যেখানে কৃষকের বাস্তুভিটা থেকে শুরু করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় তিনি ইউনিয়নভিত্তিক সরকারি গুদামঘর চালুর জোরালো দাবি জানান।

নির্বাচন পরবর্তী বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, নির্বাচনের আগে এই সরকার ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বা পানি বন্টন নিয়ে এত বড় বড় ইস্যু থাকার পরও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শক্ত প্রতিবাদ বা অবস্থান দেখা যাচ্ছে না।

/আশিক


সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর  

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ২১:৫২:৫৯
সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর  
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মোরসালিনের কবর জিয়ারত শেষে সীমান্ত হত্যা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে এক আবেগঘন ও কড়া বক্তব্যে তিনি সরকারের সীমান্ত নীতি এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের কার্যকারিতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শেখ হাসিনার নাগরিকত্ব ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “শেখ হাসিনা বাংলাদেশি নাকি ইন্ডিয়ান? যদি বাংলাদেশি হন, তবে তাকে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হোক।” পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সূত্র ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে যে দ্বিচারিতা চলছে, তার স্পষ্ট জবাব জনগণের কাছে থাকা প্রয়োজন।

সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে এক অভিনব পরিকল্পনার কথা জানান এই এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, “আমরা সরকার গঠন করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খন্দকের যুদ্ধের মতো বড় বড় খাল খনন করবো।” তার মতে, এর ফলে মাদক পাচার স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। একইসাথে দেশে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজার অবাধ প্রবেশের জন্য স্বরাষ্ট্র বিভাগের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।

সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে এবং সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দিকে ‘লংমার্চ’ করার হুঁশিয়ারি দেন নাসীরুদ্দীন। কসবা আসার পথে তাকে বিভিন্ন স্থানে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি বাংলাদেশের নাগরিক, আমি কোথায় যাব তা অন্য কেউ ঠিক করে দিতে পারে না।”

/আশিক


কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১২ ২১:৪০:৪৯
কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
ছবি : সংগৃহীত

সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের নতুন করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়।"

ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, একপাশে বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করা হবে আর অন্যপাশে বন্ধুত্বের দোহাই দেওয়া হবে—এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন ভারতের জনগণই এই কাঁটাতারের বিভেদ উপড়ে ফেলে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করবে।

সীমান্ত রক্ষার বিষয়ে সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত রক্ষা করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। সরকার যদি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের জনগণই নিজ হাতে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব তুলে নেবে। একই সাথে ভারতের কাছ থেকে অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি। তিনি সরকারকে এই জাতীয় ইস্যুগুলোতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় ‘শাপলা গণহত্যা’ প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, এক যুগ আগে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়ায় দেশে পরবর্তী সময়েও বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সময়ে অংশগ্রহণকারীদের ‘সন্ত্রাসী বা জঙ্গি’ হিসেবে তকমা দিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখন সময় এসেছে সেসব ঘটনার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার।

/আশিক


অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১১ ১৮:১৯:৪১
অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

পুলিশের দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে নামমাত্র সরকারি বরাদ্দ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দুর্নীতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুন বা ডাকাতির মতো গুরুতর মামলার তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় মাত্র ৬ হাজার টাকা। আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো, হাজার হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তে সরকারি বরাদ্দ মাত্র ৩ হাজার টাকা! একজন তদন্ত কর্মকর্তা কেন নিজের পকেট থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন—এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই চরম আর্থিক টানাপোড়েনই পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করার সংস্কৃতির জন্ম দেয়।

পুলিশ সদস্যদের অমানবিক কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, দিনে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করলেও তাদের কোনো ওভারটাইম বা সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা নেই। সংসদে এই নিয়ে কথা বলার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেও তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। সদস্যদের জন্য মানসম্মত খাবার ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের অধিকার বলে মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য।

জনগণের আস্থা ফেরাতে পুলিশকে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের আইনবহির্ভূত নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সাহস অর্জনের আহ্বান জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। বেআইনি আদেশ না মানায় কোনো সদস্য যেন হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ওপরও জোর দেন তিনি। পরিশেষে তিনি প্রশ্ন রাখেন—সরকার স্বাধীনতা দিতে চাইলেও পুলিশ বাহিনী কি মানসিকভাবে তা নিতে প্রস্তুত?

/আশিক


আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১০ ১৮:১৩:০০
আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ রোববার (১০ মে) রাতেই একটি ফ্লাইটে তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

আসিফ মাহমুদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে অনুষ্ঠিতব্য ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম ২০২৬’-এ তিনি বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন।

সফরকালে আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশ নেবেন। সম্মেলনের মূল আয়োজনের পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এ সময় প্রবাসীদের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসী সমাজের ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এ ছাড়া এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের দক্ষিণ কোরিয়া চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সভা, প্রতিনিধি বৈঠক ও বিশেষ কমিউনিটি কার্যক্রমেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফর ও গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ১৯ মে রাতে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: