হান্নান, আসিফ ও সাদিকদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৬ ১৪:৪০:৩৮
হান্নান, আসিফ ও সাদিকদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে
ছবি: নিউজ ২৪

নোয়াখালীর হাতিয়া সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নাছির উদ্দীন নাছির, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, এনসিপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি তুলেছেন। সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।

তার বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী-৬ আসনের নবনির্বাচিত এমপি হান্নান মাসউদ, এনসিপির মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম–সহ সংশ্লিষ্টদের জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

নাছিরের দাবি, হাতিয়া সম্পর্কিত যে অভিযোগটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, চিকিৎসক এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে তা ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের শামিল।

তিনি আরও বলেন, প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ২৮ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একই সময়ে অন্যত্র গিয়ে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ যুক্তির পরিপন্থী। হাতিয়া থেকে জেলা সদর হাসপাতালে যাতায়াতে দুই ঘণ্টার বেশি সময় লাগে—এমন পরিস্থিতিতে একই সময়ে দুই স্থানে উপস্থিত থাকার দাবি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি স্থগিত করেছেন, যা ঘটনাটির ভিন্ন মাত্রা নির্দেশ করে।

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে জনমনে উত্তেজনা সৃষ্টি করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করে অপপ্রচারের দায় স্বীকার করতে হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পর্শকাতর অভিযোগ ঘিরে দ্রুত তথ্য যাচাই ও প্রশাসনিক ব্যাখ্যা না এলে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের প্রভাব রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট নেতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যাখ্যার প্রতীক্ষা চলছে।

-রাফসান


মাছ-কার্ড বাদ দিয়ে তারেক রহমানেরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চালানো উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২০ ২২:০৬:০৩
মাছ-কার্ড বাদ দিয়ে তারেক রহমানেরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চালানো উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

দেশে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি, লাগামহীন দুর্নীতি ও সীমান্তের নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সরাসরি দাবি তুলে বলেন, “দেশের নেতৃত্বে থাকা রাঘববোয়ালরাই এখন দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই পরিস্থিতিতে ফ্যামিলি কার্ড বা মাছের পোনা ছাড়ার মতো প্রান্তিক কর্মসূচিতে সময় নষ্ট না করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচিত নিজেই অবিলম্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া।”

আজ বুধবার (২০ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে আয়োজিত ‘জাতীয় অর্থনীতিতে চামড়া শিল্পের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। জাতীয় ওলামা অ্যালায়েন্সের ব্যনারে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর চরম ক্ষোভ উগরে দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “দেশ চালাতে এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর আট বছরের অবুঝ শিশুকে পাশবিকভাবে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যা করা হলো, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শাহ আলী মাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে কারা মব জাস্টিস (Mob Justice) বা তাণ্ডব চালাল—সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে এই প্রশ্নগুলোর কোনো কার্যকর সমাধান বা কঠোর অ্যাকশন আমরা দেখিনি। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেহেতু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রীর নিজেরই এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি ‘ডিল’ করা জরুরি।”

আইন-শৃঙ্খলার পাশাপাশি সীমান্ত পরিস্থিতি ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে আমাদের দেশের নিরীহ নাগরিকরা প্রতিনিয়ত গুলি খেয়ে নিহত হলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবেশি দেশের কাছে একটি কার্যকর ও কড়া কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানাতে পর্যন্ত নজিরবিহীনভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।

এনসিপির এই প্রভাবশালী নেতা আরও অভিযোগ তোলেন যে, দেশের অভ্যন্তরীণ গবাদিপশু ও ডেইরি শিল্প বর্তমানে চরম লোকসানের মুখোমুখি হলেও সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পশুর অনুপ্রবেশ বন্ধে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো কার্যকর কঠোর উদ্যোগ নেয়নি। একই সঙ্গে সরকারের সাম্প্রতিক প্রচারণাকে টার্গেট করে তিনি প্রশ্ন তোলেন—দেশের মূল নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষা ও খনন না করে, চারদিকে কৃত্রিমভাবে লোকদেখানো খাল খনন কর্মসূচির যৌক্তিকতা আসলে কতটুকু?

এদিকে একই অনুষ্ঠানে দেশের চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে কাঁচা চামড়ার সিন্ডিকেট ভাঙা, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়া রপ্তানি সম্প্রসারণসহ গুরুত্বপূর্ণ ৫ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন জাতীয় ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক আশরাফ মাহাদি। আলোচনা সভায় রাজধানীর বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী ও ওলামা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


জামায়াতকে এ দেশের মানুষ কখনো ক্ষমতায় বসাবে না: মির্জা ফখরুল

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২০ ১৮:৩২:৪১
জামায়াতকে এ দেশের মানুষ কখনো ক্ষমতায় বসাবে না: মির্জা ফখরুল
ছবি : সংগৃহীত

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর কলঙ্কজনক ও নেতিবাচক ভূমিকা নিয়ে এবার প্রকাশ্যেই তীব্র আক্রমণাত্মক ও কড়া বক্তব্য দিয়েছেন নবনির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলটির কঠোর সমালোচনা করে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, “ভোটের আগে তারা খুব ঢাকঢোল পিটিয়েছিল যে তারা নাকি ক্ষমতায় এসে গেছে। কিন্তু এদেশের সচেতন মানুষ জামায়াতকে কোনোদিন ক্ষমতায় আনবে না।

কারণ এই জামায়াতে ইসলামী একাত্তরে আমাদের স্বাধীনতার সরাসরি বিরোধী ছিল, পাকিস্তানি দোসর হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এবং আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ঘটিয়েছিল। তাই এ দেশের মাটি ও মানুষ কোনোদিন তাদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসাবে না।” আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের শিবগঞ্জে অবস্থিত পরিত্যক্ত বিমানবন্দর চত্বরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক বোমা ফাটান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের পরিত্যক্ত বিমানবন্দরটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্পেশাল গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কার নীতি ও সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “যারা অবান্তর কথা বলেন যে বিএনপি রাষ্ট্র সংস্কার করতে চায় না, তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথা বলেন। বাংলাদেশে আধুনিক সংস্কারের রূপরেখা আমরাই প্রথম শুরু করেছিলাম। আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০১৬ সালেই প্রথম ‘ভিশন ২০৩০’ (Vision 2030) দিয়ে সংস্কারের ডাক দিয়েছিলেন।

আমরা দীর্ঘ দেড় দশক ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে রক্তাক্ত লড়াই করেছি এবং টেকসই রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ৩১ দফা রূপরেখা আমরাই দেশবাসীকে দিয়েছি। সুতরাং, বিএনপি সংস্কার করবে না বলে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা মিথ্যাচার বন্ধ করুন; জনগণ আপনাদের এই প্রোপাগান্ডা কোনোদিন ক্ষমা করবে না।”

অনুষ্ঠানে এলজিআরডি মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের তরুণ ও জনপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাধারণ মানুষকে যেসব যুগান্তকারী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু করেছে।

তিনি বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেই ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছিলেন—‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ (আমার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে); আর নির্বাচনের মাত্র তিন মাসের মাথায় সেই মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষি কার্ড ও দেশব্যাপী খাল খননসহ সকল উৎপাদনমুখী উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়ে গেছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে। একই পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশ্যে বড় ঘোষণা দিয়ে বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের নিয়ত সম্পূর্ণ পরিষ্কার। আমরা সততার সাথে কাজ করতে চাই।

আমাদের নেতা যেহেতু ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেখানে আর কোনো প্রশ্নই আসে না; অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিমানবন্দরের আধুনিকায়নের কাজ শুরু হবে।” জেলা বিএনপির এই মেগা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

/আশিক


রাজনীতিতে অলিখিতভাবে আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছে: মাহফুজ আলম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২০ ১২:৪৮:০৩
রাজনীতিতে অলিখিতভাবে আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছে: মাহফুজ আলম
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান মাস্টারমাইন্ড এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এক বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, দেশের রাজনীতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগ আবার ‘ফিরে এসেছে’।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ ও আত্মলিপিসম পোস্টে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি, জামায়াত এবং আন্দোলনের সুফলভোগী আমলাতান্ত্রিক চক্রের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘লীগ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি বিশেষ ‘ধর্মতত্ত্ব’। আর সেই ধর্মতত্ত্বে এক শ্রেণির মানুষের বিশ্বাস বা ইমান ফিরে আসার মধ্য দিয়েই দলটির অলিখিত প্রত্যাবর্তন ঘটেছে।

পোস্টে মাহফুজ আলম প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছে, দেখো নাই?’ এরপর তিনি দলটির ফিরে আসার নেপথ্যে এক ডজনেরও বেশি সুনির্দিষ্ট সামাজিক, রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রেক্ষাপট ও ব্লিন্ড স্পট তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যেদিন থেকে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানকে ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেদিনই লীগের প্রথম ব্যাক করার রাস্তা তৈরি হয়।

গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতিত বা মজলুম জনতা যখন আইনের শাসনের তোয়াক্কা না করে ‘মবের শাসনে’ (Mob Justice) আনন্দ পাওয়া শুরু করল, মাজার ভাঙচুর ও ভিন্নমতাবলম্বীদের মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া উগ্রবাদীদের ‘সেফ স্পেস’ বা নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হলো এবং হিন্দুদের ওপর নিপীড়নে সবাই চুপ থাকল—তখনই মূলত আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষ যখন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে ‘ডানপন্থার’ উগ্র উত্থান দেখে ভয় পেয়ে গেল, তখনই লীগের রাজনৈতিক দর্শন আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান আমলাতান্ত্রিক চরিত্র ও রাজনৈতিক দলগুলোর ‘বাঁটোয়ারা’ সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে জুলাই আন্দোলনের এই মাস্টারমাইন্ড লেখেন, “পুরো শাসনব্যবস্থা বিলোপের বদলে যখন ‘ন্যূনতম সংস্কার’ ও ‘ঐকমত্য কমিশন’ নাম দিয়ে জনগণকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও হতাশ করা হলো, তখনই লীগ ব্যাক করেছে।” তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার যখন থেকে ‘পলিটিক্যাল’ চরিত্র হারিয়ে আমলানির্ভর ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ দ্বারা পরিচালিত হওয়া শুরু করল, যার অধিকাংশ লোকই ছিল জামায়াত, বিএনপি কিংবা লীগের ছুপা দালাল; যারা জুলাইকে স্রেফ নিজেদের পরিবার, প্রজন্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে, তখনই মূল সর্বনাশটি হয়েছে।

এছাড়াও ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রের বদলে সংঘতন্ত্রের জয়, বাম-শাহবাগীদের পেটালে এক শ্রেণির মানুষের আনন্দ পাওয়া, জুলাই ঘোষণাপত্র বা সনদ আমলাতন্ত্রের হাতে তুলে দেওয়া এবং কাওয়ালি বা ইনকিলাবি সংস্কৃতির মতো ‘রিগ্রেসিভ’ কালচার দিয়ে জোর করে বাঙালি জাতীয়তাবাদ মোকাবেলার মহড়া শুরু করার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

মাহফুজ আলমের মতে, নির্বাচনি বাঁটোয়ারার স্বার্থে যখন জুলাইয়ের বিচার ও সংস্কারকে কম্প্রোমাইজ (আপস) করে বিএনপি-জামায়াতের ‘বার্গেইনিং টুল’ বা দরকষাকষির হাতিয়ার বানানো হলো এবং জুলাইয়ে মাঠে থাকা বুদ্ধিজীবীদের বাদ দিয়ে ‘জিরো কন্ট্রিবিউশন’ সম্পন্ন গুপ্তদের ক্ষমতারোহণের সুযোগ দেওয়া হলো, তখনই লীগের ফেরার বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়। পোস্টের শেষে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে লেখেন, “লীগ ফেরত আসবে। কারণ, সব দোষ মাহফুজ আলমের।”

/আশিক


হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসি দিলেই বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ২০:২০:৪৭
হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসি দিলেই বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানাভাবে বাংলাদেশের মানুষকে উত্যক্ত ও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন এবং তাঁকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাতে পারলেই সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা চিরতরে বন্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক খাদেমুলের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কড়া কথা বলেন।

সীমান্তবর্তী এলাকায় দাঁড়িয়ে ওপার বাংলার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও কট্টরপন্থী আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা বাংলাদেশিদের অত্যন্ত নীচু জাতি হিসেবে বিবেচনা করে এবং সেখানে মুসলমানদের ওপর সুনির্দিষ্টভাবে অত্যাচার চালাতে চায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের আপামর মানুষের ওপর ও সীমান্তের নিরীহ নাগরিকদের ওপর নগ্ন আগ্রাসন চালিয়ে আসছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ভারত আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়া এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করার মাধ্যমে চারদিকে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে এবং এখন ক্ষমতার জোরে এটি আরও বড় আকারে চালাতে চাইবে, যা রুখতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এখনই শক্ত অবস্থান নিতে হবে। বাংলাদেশের যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে ভারতের একটি সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ‘প্রজেক্ট’ বা পরিকল্পনা রয়েছে দাবি করে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বাংলাদেশের তরুণরা যখন রাজনৈতিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে, তখন ভারত সরকার একটি বিশেষ নীল নকশা হাতে নিয়েছে।

তারা ফেনসিডিল ও ইয়াবার মতো মারাত্মক সব মাদক এ দেশে পাচার করে আমাদের যুবসমাজকে সুপরিকল্পিতভাবে নষ্ট করতে চায়, যাতে সহজেই বাংলাদেশকে কবজা করা যায়; এবং তারা প্রতিনিয়ত এই অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মতের ঊর্ধ্বে ওঠার তাগিদ দিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, “আপনারা যে যার মতো রাজনীতি করেন, তাতে সমস্যা নেই। বিএনপি, এনসিপি কিংবা জামায়াত—যার যার দল করুন, কিন্তু যখন প্রশ্ন আসবে সীমান্তের মানুষের নিরাপত্তার, তখন আমাদের একটাই দল, আর তা হলো ‘বাংলাদেশ’। সরকার যদি নিজেকে প্রকৃত জাতীয়তাবাদী দাবি করে, তবে দিল্লির সামনে তাদের মেরুদণ্ড সোজা করতে হবে।”

তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে বলেন, বর্ডার ক্রাইসিস ও চোরাচালানের সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের ভেতরে থাকা কিছু অসাধু পক্ষ জড়িত রয়েছে; এই চক্রগুলো যদি নিজেদের শুধরে নেয়, তবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কোনোভাবেই আমাদের ওপর গুলি চালানোর সাহস পাবে না। ঐতিহাসিক কুড়িগ্রামের বড়াইবাড়ি সীমান্তে বিএসএফকে বিজিবির (তৎকালীন বিডিআর) দাঁতভাঙা জবাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি হুঙ্কার ছাড়েন, ভারতীয় বাহিনী চীনের সঙ্গে শক্তিতে পারে না, আর আমাদের সীমান্ত পাহারা যদি ঠিক থাকে তবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গেও কোনোদিন পেরে উঠবে না।

ঐতিহাসিক উক্তি ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনৈতিক দর্শনের তুলনা টেনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিতে বলেছিলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন—‘ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে যিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছেন, তাঁর হাতে অদৃশ্য এক গোলামির জিঞ্জির পড়ে গেছে। আমাদের দায়িত্ব হলো আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে সেই গোলামির জিঞ্জির থেকে মুক্ত করে দেশের স্বাধীনতার আসল পতাকা তাঁর হাতে তুলে দেওয়া।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে নাসিরুদ্দিন বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতির মূল দুটি বড় গুণ ছিল—একটি তীব্র জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং অপরটি ধর্মীয় ও ইসলামী মূল্যবোধ। এই দুটোর সফল সংমিশ্রণ ঘটিয়েই তিনি এ দেশে স্বৈরাচারবিরোধী সফল গণতন্ত্রের ডাক দিয়েছিলেন। তবে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক শক্তির কড়া সমালোচনা করে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, বর্তমানে যারা নিজেদের জাতীয়তাবাদী শক্তি বলে দাবি করছে, আমরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাঝে জাতীয়তাবাদী চেতনা কিংবা মৌলিক ইসলামী মূল্যবোধের কোনোটিই দেখতে পাচ্ছি না; এরা কার্যত এক প্রকার গণতন্ত্রকে এরই মধ্যে হত্যা করেছে।

ভবিষ্যতে এনসিপি ক্ষমতায় গেলে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে একটি চরম শক্তিশালী ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দেন। এই সীমান্ত সফরে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক রাসেল আহমেদ, দলীয় নেতা রকিসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৯ ১৭:৫৫:২৩
দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
ছবি : সংগৃহীত

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নীরবতা ভেঙে আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত দ্রুত এবং ‘মাথা উঁচু করে’ বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’কে দেওয়া এক বিশেষ ও একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রূপরেখা, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় কথা বলেছেন।

সাক্ষাৎকারে নিজের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক টিকে থাকা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, “অতীতে বহুবার আমাকে সশরীরে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগকে দমন করা যায়নি।” তাঁর দাবি, সৃষ্টিকর্তা তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বলেই তিনি আবারও দেশে ফিরে জনগণের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

আওয়ামী লীগের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক নিপীড়ন প্রসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরও দলকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু আওয়ামী লীগ ফিনিক্স পাখির মতো আরও শক্তিশালী হয়ে রাজনীতিতে ফিরে এসেছিল।

তিনি দাবি করেন, দেশে এখনো দলের বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও নেতাকর্মী অক্ষত রয়েছেন এবং তাঁরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিজেদের মতো করে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। একই সঙ্গে দল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়ে রাজপথে ফিরে আসবে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক ও প্রস্তুতি বর্তমানে নীরবে চলছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ স্বেচ্ছায় বা আনন্দের আতিশয্যে দেশ ছাড়েননি; বরং জীবন বাঁচানোর তাগিদে এবং চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশে বর্তমানে অসংখ্য নেতাকর্মী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যা ও রাজনৈতিক মামলার শিকার হচ্ছেন।

বর্তমানে বিদেশে থাকা দলের শীর্ষ ও মধ্যম সারির নেতারা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের এই অস্থিতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরছেন বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিনের সংবেদনশীল ইস্যু ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ‘ভারতপন্থি’ হওয়ার অন্ধ অভিযোগ তুললেও, দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো চুক্তির একটি প্রমাণও আজ পর্যন্ত কেউ দেখাতে পারেনি।”

এই প্রসঙ্গে তিনি তাঁর সরকারের আমলে সম্পাদিত ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি চুক্তি, আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং স্থলসীমান্ত (ছিটমহল) চুক্তির মতো যুগান্তকারী বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় এবং প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় দরকষাকষিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।

/আশিক


ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১৮:০৬:১০
ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন
আতিকুর রহমান মুজাহিদ ও শেখ ফজলুল করিম মারুফ

আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আনুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীরসাহেব চরমোনাই)।

প্রার্থীদের নাম ঘোষণাকালে দলের আমির স্পষ্ট করে জানান, “সারাদেশে যেকোনো স্থানীয় নির্বাচনে আমরা এককভাবেই অংশগ্রহণ করব। আমরা কোনো রাজনৈতিক জোটে যাব না।” নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (DNCC) দলটির হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ।

অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (DSCC) মেয়র পদে লাঙল চিহ্নের বিরুদ্ধে লড়বেন দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা শেখ ফজলুল করিম মারুফ। দুই সিটিতে একক প্রার্থী দেওয়ার এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজপথের পর এবার নির্বাচনী মাঠেও নিজেদের একক শক্তির জানান দিল চরমোনাই পীরের দল।

/আশিক


ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ২২:০৫:৪৭
ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর
ছবি : সংগৃহীত

গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পারিবারিক নির্যাতন থেকে সুরক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একটি ঢাল বা সেফগার্ড হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বুধবারিয়া বাজারে এক ভার্চুয়াল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাগুলো মূলত পরিবারের মা-বোনদের দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গ্রামাঞ্চলে নারী সদস্যদের ওপর পুরুষ সদস্যরা নানানভাবে অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতন করে থাকেন, জিম্মি করে থাকেন।

যৌতুকের জন্য কিংবা শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য নানা অজুহাত দেন। ফ্যামিলি কার্ড আমাদের নারীদের জন্য সেফগার্ড।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিশ্রমী নারীরা এই কার্ডের আড়াই হাজার টাকা জমিয়ে একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে জানিয়ে মো. নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের সময় অনেকেই ডিস্টার্ব করলেও সরকার তা বিবেচনায় নেয়নি। সামাজিক সুরক্ষা, কৃষক বা প্রবাসী কার্ড—যোগ্য সবাই পাবেন।

চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল উদ্বোধনের সাথে একযোগে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নদীবেষ্টিত চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চালু করা হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০টি জেলায় একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় বেশ কয়েকটি খাল খনন প্রকল্পসহ রাস্তাঘাট ও ব্রিজের ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। অতীত সরকারের দুর্নীতি ও নামমাত্র কাজের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “বিগত দিনে অনেকেই অল্প কাজ করে সব সাবার করে দিয়েছেন।

এবার খাল খননের সাথে যারা জড়িত থাকবেন, তারা শতভাগ কাজ করবেন। সরকারি টাকায় কাজগুলো মানসম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই দেখতে হবে।”

গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক এবং স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ২১:২৫:৩৫
আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম
ছবি : সংগৃহীত

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির বিরুদ্ধে দেশের গণমাধ্যম বা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি দাবি করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই একই কায়দায় কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এনসিপির এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সারজিস আলম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে মূলত বেগম খালেদা জিয়া ও মেজর জিয়াকে সামনে রেখে। তারেক রহমান তাঁর যোগ্য পিতা-মাতার উত্তরসূরী হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন, তবে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কি না তা তাঁর সিদ্ধান্তের বিষয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আওয়ামী লীগের সময়ে যেভাবে মিডিয়া দখল করা হতো, এখন একই কায়দায় মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; তখন আমরা আগের যে বাংলাদেশ ছিল—সেই বাংলাদেশের লক্ষণ আমরা আবারও দেখতে পাই।"

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতির সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, অভ্যুত্থানের আগেও দেশে চাঁদাবাজি হতো এবং এখনও হচ্ছে। যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, সেই একই কাজ যদি বিএনপির নেতাকর্মীরাও করতে থাকে, তবে আগামীর রাজনীতিতে কেউ আর টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষমতায় আসতে না আসতেই যারা এমন কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের হিসাব টেনে এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক বলেন, নির্বাচনে বিএনপিকে ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দিলেও বাকি অর্ধেক মানুষ কিন্তু তাদের ভোট দেয়নি। আর যারা ভোট দিয়েছে, তারাও ক্ষমতার মাত্র তিন মাস যেতে না যেতেই বিএনপির ওপর চরম হতাশ হয়ে পড়েছে এবং মনে করছে দল নিশ্চিতভাবে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তিনি জনগণকে এই প্রতারণার কথা মনে রেখে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব আতিকুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন এবং জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন প্রমুখ।

/আশিক


ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৬ ১৯:৪৬:৩২
ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "বাংলাদেশ কারো রক্তচক্ষু বা চোখ রাঙানি সহ্য করবে না। বন্ধু, এটা তিতুমীর, হাজী শরীয়তউল্লাহ ও শাহমখদুমের বাংলাদেশ; এই দেশের দিকে কালো হাত বাড়ালে এ দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে।" শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির ভারতে মুসলিমদের নাজেহাল করা এবং বাংলাদেশের দিকে 'লাল চোখ' দেখানোর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের এক-চতুর্থাংশ মরুভূমি হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বর্তমান সরকারের 'পদ্মা ব্যারেজ' ঘোষণার সাধুবাদ জানান, তবে এটি যেন লোকদেখানো না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করেন।

একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত 'খাল খনন' কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "খালের পানির উৎস হচ্ছে নদী। নদীই যদি মৃতপ্রায় থাকে, তবে খালের পানি আসবে কোথা থেকে? খাল কাটা কর্মসূচি যদি কেবল জনগণের মানসিক প্রশান্তির জন্য হয়, তবে তা বুমেরাং হবে। আগে নদী বাঁচান, নদী যৌবন ফিরে পাক।"

বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "যে পথ দিয়ে স্বৈরাচার হেঁটেছিল, একই পথ দিয়ে আপনারাও হাঁটছেন। মনে রাখবেন, এ সংসদের মেয়াদ মাত্র আড়াই মাস। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না।

ভালো কাজে আমরা পানির মতো তরল, কিন্তু মন্দ কাজে ইস্পাতের চেয়েও কঠিন হব।" তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে তাদের ইশতেহারে অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে ৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ করেছে, যা তাদের সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সাথে সরাসরি গাদ্দারি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণদের সরকারি দলের একাংশ কর্তৃক ‘শিশু পার্টি’ বা ‘গুপ্ত’ বলে উপহাস করার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি একে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করলে সরকারকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

জামায়াতকে লক্ষ্য করে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক হুমকির জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা স্পষ্ট করে বলেন, "যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়াতে পারে, তাদের ভয় দেখাবেন না। সংসদে কথা বলতে অনুমতি লাগে; যদি সেখানে আমাদের কথা বলতে দেওয়া না হয়, তবে আমরা জনগণের পার্লামেন্টে (রাজপথে) চলে আসব, যেখানে কথা বলতে কারও অনুমতি লাগে না।"

রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এই মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (বীর বিক্রম), জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ জীবিকা এবং ধর্মীয়-সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কুরবানি ঈদের চামড়া শিল্প। প্রতি বছর... বিস্তারিত