আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?

আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বছরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এই গ্রহণটি শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এটি শেষ হবে। প্রায় আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইএসপিআর তাদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেছে যে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে না। তবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, চিলি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দৃশ্যমান হবে। এমনকি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ থেকেও এই সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
যদিও সরাসরি বাংলাদেশ থেকে এটি দেখা যাবে না, তবুও মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য এই সময়সূচিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে মহাজাগতিক দৃশ্যটি দেখতে চান, তাদের জন্য আইএসপিআর-এর এই নির্দিষ্ট সময়সূচি বেশ সহায়ক হবে।
/আশিক
চাঁদ জয়ের মহাযাত্রা শুরু! সফলভাবে উড্ডয়ন করল নাসার আর্টেমিস ২
দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। বুধবার (১ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে চারজন নভোচারীকে নিয়ে সফলভাবে উড্ডয়ন করেছে নাসার ঐতিহাসিক ‘আর্টেমিস ২’ চন্দ্রাভিযান।
৩২ তলা বিশিষ্ট বিশাল এই রকেটটি যখন কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মহাকাশের পানে যাত্রা শুরু করে, তখন কয়েক হাজার মানুষ এই বিরল মুহূর্তের সাক্ষী হতে সেখানে সমবেত হন। এই মিশনটি মূলত চাঁদে স্থায়ীভাবে মানুষের বসতি স্থাপন এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মহাকাশচারী পাঠানোর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
আর্টেমিস ২ মিশনের চার সদস্যের মধ্যে রয়েছেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। প্রায় ১০ দিনের এই সফরে তারা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে আবারও পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। উড্ডয়নের মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথায় মিশনের কমান্ডার ওয়াইজম্যান ক্যাপসুল থেকে আপ্লুত কণ্ঠে জানান, তারা একটি অপূর্ব চন্দ্রোদয় দেখতে পাচ্ছেন এবং সরাসরি চাঁদের অভিমুখেই এগিয়ে যাচ্ছেন।
উৎক্ষেপণের আগে হাইড্রোজেনের বিপজ্জনক লিকেজ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও নাসা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ৭ লক্ষ গ্যালন জ্বালানি লোড করে কোনো বড় ধরনের ত্রুটি ছাড়াই মিশনটি শুরু করতে সক্ষম হয়েছে।
যাত্রার পরবর্তী ধাপে নভোচারীরা প্রথম এক থেকে দুই দিন পৃথিবীর উচ্চ কক্ষপথে অবস্থান করে মহাকাশযানের জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা, প্রপালশন এবং নেভিগেশন পরীক্ষা করবেন। এরপর ওরিয়ন মহাকাশযানটি শক্তিশালী ইঞ্জিন বার্নের মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করে সরাসরি চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে।
পুরো যাত্রাপথে ওরিয়ন চাঁদকে ঘিরে একটি ‘ফ্রি-রিটার্ন’ ট্র্যাজেক্টরি অনুসরণ করবে, যা ন্যূনতম জ্বালানি ব্যয়ে মহাকাশযানটিকে পুনরায় পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে আনবে। এই পর্যায়ে মহাকাশচারীরা গত কয়েক দশকের মধ্যে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করবেন।
চাঁদকে প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফেরার সময় ওরিয়ন ক্যাপসুলটি প্রায় ৪০,২৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করবে।
নাসার বিজ্ঞান মিশন প্রধান নিকি ফক্সের মতে, বিশ্বের বর্তমান জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ অ্যাপোলো মিশনের সময় জন্মায়নি, তাই আর্টেমিসই হতে যাচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের ‘অ্যাপোলো’। নাসা আশা করছে যে, ২০২৬ সালের এই সফল মিশন আগামীতে চাঁদের মাটিতে পুনরায় মানুষের পা রাখার পথকে সুগম করবে।
সূত্র: আল জাজিরা
চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান
মানুষের মহাকাশ জয়ের ইতিহাসে দীর্ঘ ৫৪ বছর পর এক নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। ১৯৭২ সালে নাসার অ্যাপোলো প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চারজন নভোচারী চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করছেন। কারিগরি জটিলতার কারণে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে উৎক্ষেপণ কয়েক দফা পিছিয়ে গেলেও, নাসা এখন ১ এপ্রিল (বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল) এই ঐতিহাসিক যাত্রার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এবারের অভিযানে নভোচারীরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, বরং তাঁরা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করবেন। এই মিশনে নভোচারীরা পৃথিবী থেকে ৪ লাখ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা ১৯৭০ সালের অ্যাপোলো-১৩ মহাকাশযানের পর মানুষের জন্য মহাকাশে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দেওয়ার নতুন রেকর্ড। নাসা এই বিশাল প্রকল্পের জন্য এ পর্যন্ত প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে চাঁদে সশরীরে অবতরণের লক্ষ্যে ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের সঙ্গে ২৯০ কোটি ডলারের একটি চুক্তিও সম্পন্ন করেছে।
দীর্ঘ সময় পর চাঁদে মানুষের এই আগ্রহ ফিরে আসার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ভারতের চন্দ্রযান-১। ১৯৭০-এর দশকের অ্যাপোলো নভোচারীদের আনা পাথর বিশ্লেষণ করে একসময় বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন চাঁদে পানি বা ভূতাত্ত্বিক সক্রিয়তা নেই।
কিন্তু চন্দ্রযান-১ চাঁদে পানির অস্তিত্ব আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, চাঁদের মেরু অঞ্চলের গভীর গর্তগুলোতে কোটি কোটি টন বরফ রয়েছে, যা থেকে ভবিষ্যৎ মিশনের জন্য হাইড্রোজেন জ্বালানি তৈরি করা সম্ভব। এছাড়া চাঁদে পাওয়া হিলিয়াম-৩ নামক আইসোটোপ ভবিষ্যতে নিউক্লিয়ার ফিউশনের এক অনন্য জ্বালানি হয়ে উঠতে পারে, যা পৃথিবীকে দেবে অফুরন্ত শক্তি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও সংকেতের সন্ধান: আদি মহাবিশ্বের গোপন তথ্য ফাঁস
মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হলেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় ৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে ভেসে আসা এক প্রচণ্ড শক্তিশালী রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার মিরক্যাট (MeerKAT) রেডিও টেলিস্কোপ। বিজ্ঞানীরা এই দানবীয় সংকেতকে বলছেন ‘মেগা-লেজার’ বা ‘হাইড্রক্সিল মেগামেজার’। দুটি বিশাল গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের প্রচণ্ড সংঘর্ষের ফলে এই শক্তিশালী লেজার রশ্মি তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেগা-লেজার হলো মহাকাশে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া এক ধরনের অতি-শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গ। যখন গ্যাসপূর্ণ দুটি বিশাল গ্যালাক্সির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে, তখন সেখানে থাকা হাইড্রক্সিল অণুগুলো একে অপরের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। সাধারণ লেজার যেমন দৃশ্যমান আলো তৈরি করে, এই মেগা-লেজার ঠিক তেমনি অত্যন্ত উজ্জ্বল রেডিও সংকেত তৈরি করে, যা মহাবিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভ্রমণ করতে পারে।
৮০০ কোটি আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা এই সংকেতটি সাধারণত টেলিস্কোপে ধরা পড়ার কথা ছিল না। কিন্তু আলবার্ট আইনস্টাইনের ভবিষ্যদ্বাণী করা ‘গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং’ নামক এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। পৃথিবী এবং ওই দূরবর্তী গ্যালাক্সির মাঝখানে অন্য একটি বিশাল গ্যালাক্সি থাকায় তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনেকটা ‘আতশি কাচের’ মতো কাজ করেছে। ফলে সংকেতটি স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি উজ্জ্বল হয়ে আমাদের কাছে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সংকেতটির উৎস হলো হ্যাটলাস জে১৪২৯৩৫.৩-০০২৮৩৬ নামক একটি সিস্টেম। আমরা বর্তমানে সংকেতটিকে যেভাবে দেখছি, তা আসলে ৮০২ কোটি বছর আগের দৃশ্য। অর্থাৎ, যখন মহাবিশ্বের বয়স ছিল বর্তমানের অর্ধেকেরও কম, সেই সময়ের একটি মহাজাগতিক সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি আমরা আজ শুনতে পাচ্ছি। এই আবিষ্কার মহাবিশ্বের আদি আমলের গ্যালাক্সিগুলোর বিবর্তন এবং তাদের সংঘর্ষের ধরন বুঝতে বিজ্ঞানীদের নতুন পথ দেখাবে।
সূত্র: ডেইলি মেইল
ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধান: গোল্ডিলক্স জোনে মিলল পৃথিবীর মতো ৪৫টি গ্রহ
অসীম মহাকাশে কি আমরা সত্যিই একা? মানুষের এই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা এক চমকপ্রদ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় তারা সৌরজগতের বাইরে এমন ৪৫টি গ্রহের তালিকা তৈরি করেছেন, যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকার মতো উপযুক্ত পরিবেশ থাকতে পারে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় এই আবিষ্কার এলিয়েন লাইফ বা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বিশাল অগ্রগতি।
বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত আমাদের সৌরজগতের বাইরে প্রায় ৬ হাজারের বেশি ‘এক্সোপ্ল্যানেট’ বা বহির্গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। তবে সব গ্রহ প্রাণের জন্য অনুকূল নয়। এই নতুন গবেষণায় মূলত পাথুরে গ্রহগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, কারণ এগুলোতে পানি থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আর পানি থাকা মানেই সেখানে জীবনের প্রাথমিক উপাদান থাকার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হওয়া। তালিকায় থাকা গ্রহগুলোর মধ্যে প্রোক্সিমা সেন্টরি বি, ট্রাপিস্ট-১এফ এবং কেপলার-১৮৬এফ-এর মতো পরিচিত গ্রহের পাশাপাশি টিওআই-৭১৫ বি-র মতো নতুন কিছু গ্রহের নাম উঠে এসেছে।
এই গ্রহগুলোর বিশেষত্ব হলো এগুলো তাদের নক্ষত্রের ‘গোল্ডিলক্স জোন’ বা বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থিত। সহজ কথায়, এই অঞ্চলের তাপমাত্রা খুব বেশি গরম বা খুব বেশি ঠান্ডা নয়, যার ফলে পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে। ইউরোপের গাইয়া মিশন এবং নাসার এক্সোপ্ল্যানেট আর্কাইভের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এই ৪৫টি গ্রহ তাদের নক্ষত্র থেকে প্রায় পৃথিবীর সমান শক্তি বা তাপ পায়।
বিশেষ করে পৃথিবী থেকে ৪০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ‘ট্রাপিস্ট-১’ সিস্টেমে এমন চারটি গ্রহ রয়েছে যা বিজ্ঞানীদের বিশেষভাবে আশাবাদী করে তুলেছে। এছাড়া এলএইচএস ১১৪০ বি নামক গ্রহে প্রচুর পানি এবং নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডলের সংকেত পাওয়া গেছে।
গবেষণায় আরও ২৪টি গ্রহ শনাক্ত করা হয়েছে যেগুলো উপবৃত্তাকার পথে ঘোরার কারণে মাঝেমধ্যে বাসযোগ্য অঞ্চলের ভেতরে প্রবেশ করে। এসব গ্রহ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে বোঝা যাবে ঠিক কতটা বিকিরণ বা তাপ সহ্য করেও একটি গ্রহ প্রাণের অনুকূলে থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই তালিকা ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণার নতুন পথ দেখাবে এবং হয়তো খুব শীঘ্রই আমরা জানতে পারব—মহাজগতের বিশালতায় পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও প্রাণের স্পন্দন আছে কি না।
/আশিক
নাসার হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল বিরল দৃশ্য: অবাক পৃথিবীর বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীরা
মহাকাশের গভীর থেকে এক রোমাঞ্চকর খবর! সাধারণ নিয়ম ভেঙে এক অদ্ভুত আচরণ করছে একটি ছোট ধূমকেতু। মহাকাশবিজ্ঞানীদের অবাক করে দিয়ে Comet 41P (৪১পি) নামের এই ধূমকেতুটি প্রথমে তার ঘোরার গতি কমিয়ে প্রায় থমকে গিয়েছিল এবং বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। নাসার হাবল টেলিস্কোপের পাঠানো তথ্যে এই বিরল দৃশ্য ধরা পড়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই ধূমকেতুটির আদি নিবাস সূর্যের অনেক দূরের বরফময় অঞ্চল ‘কুইপার বেল্ট’-এ। তবে বর্তমানে এটি বৃহস্পতি গ্রহের মহাকর্ষীয় টানে সূর্যের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে এবং প্রতি ৫.৪ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। ২০১৭ সালে সূর্যের কাছাকাছি আসার পর থেকেই এর ঘূর্ণন গতিতে এই নাটকীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। গবেষক ডেভিড জেউইটের মতে, ধূমকেতুর গায়ের বরফ সূর্যের তাপে গ্যাসে পরিণত হয়ে যখন বাইরে বেরিয়ে আসে, তখন তা ছোট ইঞ্জিনের মতো কাজ করে। এই গ্যাসের অসম নির্গমনের ফলেই ধূমকেতুটি দোলনার মতো উল্টো দিকে ঘুরতে শুরু করেছে। মাত্র ১ কিলোমিটার চওড়া ছোট আকারের এই ধূমকেতুটিতে এই প্রভাব অনেক দ্রুত কাজ করছে।
আরেকটি চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, ৪১পি ধূমকেতুটি ধীরে ধীরে তার শক্তি হারাচ্ছে। ২০০১ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে এর গ্যাস নির্গমনের ক্ষমতা প্রায় ১০ গুণ কমে গেছে। অর্থাৎ, এর ভেতরের বরফ ফুরিয়ে আসছে অথবা উপরে ধুলার স্তর জমে এটি নিস্তেজ হয়ে পড়ছে। সাধারণত মহাকাশে এমন পরিবর্তন হতে হাজার বছর লাগলেও ৪১পি-র ক্ষেত্রে তা ঘটছে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে, যা বিজ্ঞানীদের জন্য মহাকাশের রহস্য উন্মোচনের এক অনন্য সুযোগ করে দিয়েছে।
/আশিক
রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা
সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট দেখার সময় বিরক্তিকর ‘লিঙ্ক ইন বায়ো’ খোঁজার দিন এবার শেষ হতে চলেছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং শপিং প্রিয় দর্শকদের জন্য এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে মেটা। এখন থেকে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক রিলস ভিডিওর ভেতরেই সরাসরি যুক্ত করা যাবে শপিং লিঙ্ক। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেট এক প্রতিবেদনে মেটার এই নতুন ফিচারের কথা তুলে ধরেছে।
ইনস্টাগ্রামের এই নতুন সুবিধায় একজন ক্রিয়েটর একটি রিল পোস্ট করার আগেই তাতে ৩০টি পর্যন্ত পণ্যের লিঙ্ক যুক্ত করতে পারবেন। মেটার নিজস্ব কমার্স ক্যাটালগ ছাড়াও এতে অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। দর্শকরা যখন রিলটি দেখবেন, তখন স্ক্রিনে একটি ছোট ‘ব্যানার’ ভেসে উঠবে; যেখানে ট্যাপ করলেই সুপারিশকৃত পণ্যের তালিকা চলে আসবে। এর ফলে দর্শকদের আর কষ্ট করে প্রোফাইলে গিয়ে বায়ো থেকে লিঙ্ক খুঁজতে হবে না, বরং ভিডিও দেখতে দেখতেই পছন্দের পণ্য কেনা সহজ হবে।
মেটা জানিয়েছে, এই সুবিধাটি ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাবে। তবে ফেসবুক ক্রিয়েটরদের জন্য কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে; তারা আপাতত কেবল আমাজনের মতো নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেস পার্টনারদের পণ্যই ট্যাগ করতে পারবেন। এই পরিবর্তনের ফলে মেটা এখন সরাসরি টিকটক ও ইউটিউব শর্টসের সমপর্যায়ে চলে এল। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ক্রিয়েটরদের আয়ের নতুন পথ খুলবে, অন্যদিকে মেটা নিজেও ব্যবহারকারীদের কেনাকাটার পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে তথ্য পাবে, যা তাদের বিজ্ঞাপন ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে।
/আশিক
তথ্য সংরক্ষণে আরও স্মার্ট চ্যাটজিপিটি; লাইব্রেরি ফিচারে বদলে যাবে ব্যবহারের অভিজ্ঞতা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির দুনিয়ায় নিজেদের চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি-তে (ChatGPT) ‘লাইব্রেরি’ (Library) নামক একটি যুগান্তকারী ফিচার যুক্ত করেছে ওপেনএআই। এই নতুন সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন থেকে চ্যাটে আপলোড করা বিভিন্ন ফাইল একটি নির্দিষ্ট ক্লাউড স্টোরেজে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারবেন। এর ফলে পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো বারবার আপলোড করার ঝামেলা ছাড়াই পরবর্তী যেকোনো সময়ে সেগুলোর তথ্য ব্যবহার করা সহজ হবে।
ওপেনএআই জানিয়েছে, নতুন এই ‘লাইব্রেরি’ সুবিধাটি বর্তমানে চ্যাটজিপিটির প্লাস (Plus), প্রো (Pro) এবং বিজনেস (Business) সংস্করণ ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে। সুবিধাটি সক্রিয় হওয়ার পর চ্যাটজিপিটির ওয়েব সংস্করণের সাইডবারে ‘লাইব্রেরি’ নামে একটি আলাদা ট্যাব দেখা যাবে। এই ট্যাবে ব্যবহারকারীর আপলোড করা সাম্প্রতিক সব ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা থাকবে। তবে চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে তৈরি করা ছবিগুলো আগের মতোই ‘ইমেজেস’ ট্যাবে সংরক্ষিত থাকবে; লাইব্রেরি অংশে শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর নিজস্ব আপলোড করা ফাইলগুলোই দৃশ্যমান হবে।
লাইব্রেরি থেকে কোনো ফাইল পুনরায় ব্যবহার করতে চাইলে কম্পোজার মেনুর অ্যাটাচমেন্ট বা অ্যাড বাটনে ক্লিক করে ‘অ্যাড ফ্রম লাইব্রেরি’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। ব্যবহারকারী নিজে থেকে ডিলিট না করা পর্যন্ত এই ফাইলগুলো লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত থাকবে।
মজার ব্যাপার হলো, কোনো নির্দিষ্ট চ্যাট হিস্ট্রি মুছে ফেললেও সেই চ্যাটে ব্যবহৃত ফাইলগুলো লাইব্রেরি থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে না। ফাইল স্থায়ীভাবে মুছতে হলে লাইব্রেরি থেকে নির্দিষ্ট ফাইলটি নির্বাচন করে ট্র্যাশ আইকনে ক্লিক করতে হবে, যা সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে ওপেনএআই-এর সার্ভার থেকে স্থায়ীভাবে অপসারিত হবে।
সূত্র: ব্লিপিং কম্পিউটার
ফেসবুকে রিলস শেয়ারে মাসে আয় সাড়ে ৩ লাখ টাকা: মেটার বড় ঘোষণা
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আয়ের বিশাল সুযোগ নিয়ে এলো মেটা (ফেসবুকের মাতৃপ্রতিষ্ঠান)। এখন থেকে ফেসবুকে রিলস ও পোস্ট শেয়ার করে প্রতি মাসে ৩ হাজার ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকারও বেশি আয় করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ‘ক্রিয়েটর ফাস্ট ট্র্যাক’ নামক নতুন একটি প্রোগ্রামের আওতায় এই বিপুল অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে মেটা। মূলত ইউটিউব ও টিকটকের জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদের ফেসবুকমুখী করতেই মেটার এই বিশেষ উদ্যোগ। মেটার অফিশিয়াল নিউজরুম থেকে জানানো হয়েছে, যারা অন্য প্ল্যাটফর্মে (ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউব) অলরেডি জনপ্রিয়, তারাই এই প্রোগ্রামে অগ্রাধিকার পাবেন।
এই প্রোগ্রামের আওতায় যাদের অন্য প্ল্যাটফর্মে অন্তত ১ লাখ ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে ১ হাজার ডলার এবং যাদের ১০ লাখের বেশি ফলোয়ার রয়েছে, তারা মাসে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত নিশ্চিত আয় করতে পারবেন। নির্বাচিত ক্রিয়েটররা টানা তিন মাস মেটার পক্ষ থেকে এই নিশ্চিত পেমেন্ট পাবেন, তবে শর্ত হলো তাদের নিয়মিত মানসম্মত ‘এলিজিবল রিলস’ শেয়ার করতে হবে। এছাড়া ফেসবুক এসব ক্রিয়েটরের কন্টেন্টের রিচ বাড়াতে বিশেষ কারিগরি সহায়তাও প্রদান করবে। বর্তমানে এই প্রোগ্রামটি আমন্ত্রণভিত্তিক হলেও আগ্রহী ক্রিয়েটররা ফেসবুক অ্যাপের ‘প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ড’ থেকে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করতে পারবেন।
আয়ের সুযোগ শুধু রিলস বা ভিডিওতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; মেটা তাদের মনিটাইজেশন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এখন থেকে ছবি, স্টোরি এমনকি টেক্সট বা লেখা পোস্ট থেকেও টাকা আয়ের সুযোগ থাকছে। মেটার তথ্যমতে, বর্তমানে ফেসবুকের মোট আয়ের ৬০ শতাংশই আসছে রিলস থেকে, আর বাকি অংশ আসছে ছবি ও লেখা থেকে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বিশাল বোনাস ঘোষণা বাংলাদেশের তরুণ ক্রিয়েটরদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে। মেটা ২০২৫ সালে ক্রিয়েটরদের প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পেমেন্ট করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি।
/আশিক
নাসার ধাক্কায় বদলে গেল গ্রহাণুর পথ; মহাকাশ বিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস
মহাকাশ বিজ্ঞানে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের খবর দিচ্ছে নাসার 'ডার্ট' (DART) মিশনের সাম্প্রতিক গবেষণা। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে মানুষ প্রথমবার ইচ্ছাকৃতভাবে একটি মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা খাইয়েছিল, যার প্রভাব বিজ্ঞানীদের আগের সব ধারণাকেই আমূল বদলে দিয়েছে। বিজ্ঞান সাময়িকী 'সায়েন্স অ্যাডভান্সেস'-এ প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেই ধাক্কার ফলে কেবল ছোট গ্রহাণু 'ডাইমরফোস' নয়, বরং পুরো গ্রহাণু জোড়ার সূর্যের চারপাশের কক্ষপথেও পরিবর্তন এসেছে।
এই পরীক্ষায় মহাকাশযানটি গিয়ে ধাক্কা দিয়েছিল ছোট গ্রহাণু ডাইমরফোস-এর সঙ্গে, যা মূলত বড় গ্রহাণু ডিডিমোস-এর চারপাশে ঘোরে। এই দুই গ্রহাণু মিলে একটি ‘বাইনারি সিস্টেম’ তৈরি করেছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এই গ্রহাণু জোড়ার যে ৭৭০ দিনের সময় লাগত, তা এখন এক সেকেন্ডেরও কম সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তিত হয়েছে। যদিও এই সময়টুকু আমাদের কাছে অতি সামান্য মনে হতে পারে, কিন্তু মহাজাগতিক স্কেলে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ডাইমরফোস থেকে ছিটকে যাওয়া পাথর ও ধূলিকণা এই ধাক্কার শক্তিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল, যার ফলে এর কক্ষপথের পথ সামান্য বদলে গেছে।
গবেষকদের মতে, এই পরীক্ষাটি দেখিয়েছে যে মহাকাশে মানুষের সৃষ্ট একটি ছোট পরিবর্তনও দীর্ঘ সময় পরে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে যদি কোনো বিপজ্জনক গ্রহাণু সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, তবে এভাবেই মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা মেরে তার গতিপথ সামান্য বদলে দেওয়া সম্ভব হবে। এতে করে পৃথিবীকে এক বিশাল মহাজাগতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার পথ প্রশস্ত হলো। এই আবিষ্কারটি মূলত পৃথিবীকে গ্রহাণুর সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোন বর্ষণ
- মার্কেট বন্ধের নতুন সময়সূচি! আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের বাজারে নতুন নিয়ম
- বিশ্বজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা! ট্রাম্পের হুমকির পর তেহরানের চরম আলটিমেটাম
- ৪৪ ঘণ্টার রেড অ্যালার্ট! ইরাকের মার্কিন দূতাবাস ঘিরে উত্তেজনার পারদ
- বিস্ফোরণে কাঁপছে বুরুন্ডি! সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন
- যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের
- ঢাকার আবহাওয়া আপডেট, কী থাকবে দিনের চিত্র
- মুমিনের সেরা হাতিয়ার! এই এক শব্দেই ভেঙে পড়ে শয়তানের সব ষড়যন্ত্র
- ক্যানসার দমনে নিমের অবিশ্বাস্য শক্তি! গবেষণায় উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
- ট্রাম্পের দাবি বনাম গোয়েন্দা তথ্য: ইরান কি সত্যিই আমেরিকায় হামলা করতে সক্ষম?
- সিলেটে সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ, বাড়ছে উদ্বেগ
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
- জ্বালানি সংকটের মেঘ কাটছে! কালই চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে ডিজেলের বিশাল চালান
- গরমে ঘামাচির জ্বালায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন নিমিষেই মুক্তির ৯টি ঘরোয়া উপায়
- স্মার্ট কৃষি কার্ড পেতে কী কী লাগবে? জেনে নিন নিবন্ধনের সহজ ধাপ
- ট্রাম্পের ভাষণ শেষ হতেই ইরানের মিসাইল তান্ডব! কাঁপছে ইসরায়েল
- আজ বৃহস্পতিবার: ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন তালিকা
- আইনের তোয়াক্কা নেই! ড. ইউনূসের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
- ১০টি শক্তিশালী মিসাইল! ইসরায়েলের বুক কাঁপিয়ে দিল ইরান
- দেশের ৯ জেলায় কালবৈশাখীর আঘাত! ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- এক লাফে ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা: স্বর্ণের বাজারে আগুন
- চাঁদ জয়ের মহাযাত্রা শুরু! সফলভাবে উড্ডয়ন করল নাসার আর্টেমিস ২
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আপডেট
- “খুব শিগগির শেষ হবে যুদ্ধ”: ট্রাম্পের দাবি, ইরানে মার্কিন সামরিক লক্ষ্য প্রায় অর্জিত
- ইরানের খোলা চিঠি: আমেরিকানদের উদ্দেশে কৌশলগত বার্তা
- হরমুজ প্রণালীর চাবিকাঠি কার হাতে: ট্রাম্পের শর্ত নাকি ইরানের হুঙ্কার?
- আন্দোলন ছাড়া আর পথ নেই: সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির
- স্পেনে মুসলিম বিরোধী স্লোগান! সমর্থকদের কড়া জবাব দিলেন ১৮ বছরের ইয়ামাল
- নদীতে ভাসছে টাকার বস্তা! ভাইরাল ছবির আসল রহস্য ফাঁস
- চাঁদ জয়ে ৪ লাখ কিলোমিটার যাত্রা! শুরু হচ্ছে ঐতিহাসিক মহাকাশ অভিযান
- রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম! ৪ দিনেই দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চ উচ্চতায় দাম
- নানিয়ারচর সেনা জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক পঙ্গু রোগীকে হুইল চেয়ার প্রদান
- ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান! শিক্ষা খাতে বড় বদল আনছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- সংখ্যাগরিষ্ঠরা ভণ্ডামি করছে: সংসদ ছেড়ে ফেসবুকে বিস্ফোরক হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০: নেপাল বধ করে শিরোপার মঞ্চে লাল-সবুজ
- সংসদীয় ইতিহাসে বিরল নজির: সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ সংসদে
- ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
- শত্রুদের জন্য বন্ধ হরমুজ প্রণালি! সাগরে যুদ্ধের নতুন ছক কষছে ইরান
- সংসদে আওয়ামী আমলের পাচারের খতিয়ান দিলেন তারেক রহমান
- কুমিল্লায় সড়কে প্রাণ গেল ৬ জনের
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: দরপতনে এগিয়ে ১০ কোম্পানি
- ০১ এপ্রিল ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আমিরাত? হরমুজ প্রণালি মুক্ত করার বড় পরিকল্পনা
- মেক্সিকোর মাটিতেই ইতিহাস! ৪ দশক পর বিশ্বকাপের টিকিট পেল ইরাক
- হরমুজ প্রণালির মুখে আগুন! ইরানের বাণিজ্যিক বন্দরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা
- রণক্ষেত্র পেরিয়ে ফিরছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ৬ জাহাজ! বড় ঘোষণা ইরানের
- আমিরাতে ড্রোন হামলার ধ্বংসাবশেষে প্রাণ গেল বাংলাদেশির!
- এএন-২৬ এর অভিশপ্ত ইতিহাস! আবারও ২৯টি প্রাণ কেড়ে নিল পুরনো মডেলের বিমান
- বোনের জন্য কেক নিয়ে ফেরা হলো না নিশাতের!
- সোমবারও স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ, রেকর্ড দামে কেনাবেচা
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরিতে বেড়েছে যত
- সোনার বাজারে বড় ধস: দেশের সব জুয়েলারি দোকানে নতুন দাম কার্যকর
- রেকর্ড পতন, মাত্র ২ লাখ ৩০ হাজারে পাচ্ছেন ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা তুঙ্গে: মাত্র কয়েক ঘণ্টায় বদলে গেল সব হিসাব
- ৩১ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- চিরদিনই তুমি যে আমার খ্যাত নায়ক রাহুলের অকাল প্রয়াণ
- ১০ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে নতুন জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- কালিগঞ্জের রতনপুরে জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা, গুরুতর আহত ১ জন
- ভিয়েতনামের গতির কাছে অসহায় লাল-সবুজ: প্রথমার্ধে রক্ষণের বেহাল দশা
- ২৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- তেল আবিবের আকাশে হাজারো কাকের রহস্যময় মহড়া: ইসরায়েলজুড়ে মহাপ্রলয়ের আতঙ্ক
- যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের ডাক: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে লাখো মানুষ
- ২৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
- রিলস ভিডিওতে বৈপ্লবিক ফিচার আনছে মেটা; বদলে যাবে আপনার অভিজ্ঞতা








