আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?

আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বছরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূর্যগ্রহণ হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এই গ্রহণটি শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে এটি শেষ হবে। প্রায় আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইএসপিআর তাদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করেছে যে, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে এই সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে না। তবে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, চিলি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় এটি দৃশ্যমান হবে। এমনকি অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ থেকেও এই সূর্যগ্রহণের বিরল দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
যদিও সরাসরি বাংলাদেশ থেকে এটি দেখা যাবে না, তবুও মহাকাশ গবেষণায় আগ্রহী বাংলাদেশিদের জন্য এই সময়সূচিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে মহাজাগতিক দৃশ্যটি দেখতে চান, তাদের জন্য আইএসপিআর-এর এই নির্দিষ্ট সময়সূচি বেশ সহায়ক হবে।
/আশিক
বৃহস্পতির আকার নিয়ে পুরোনো সব হিসাব ভুল: নতুন তথ্য দিল নাসা
সৌরজগতের দানব গ্রহ বৃহস্পতিকে নিয়ে কয়েক দশকের পুরোনো ধারণায় পরিবর্তন আনছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসার ‘জুনো’ মহাকাশযানের সাম্প্রতিক পরিমাপে দেখা গেছে, গ্রহটি আগের ধারণার চেয়ে সামান্য ছোট এবং মেরু অঞ্চলে আগের চেয়ে একটু বেশি চ্যাপ্টা। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের ‘১-বার স্তরে’ নতুন এই পরিমাপ চালানো হয়, যেখানে দেখা যায় গ্রহটির বিষুবীয় ব্যাসার্ধ প্রায় ৭১,৪৮৮ কিলোমিটার এবং মেরু ব্যাসার্ধ ৬৬,৮৪২ কিলোমিটার—যা আগের হিসাবের চেয়ে কয়েক কিলোমিটার কম।
এই নির্ভুল তথ্য পেতে বিজ্ঞানীরা ‘রেডিও অকালটেশন’ নামক একটি আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। এই পদ্ধতিতে জুনো থেকে পাঠানো রেডিও সিগন্যাল যখন বৃহস্পতির ঘন বায়ুমণ্ডল ভেদ করে যায়, তখন সিগন্যালের বাঁক পর্যবেক্ষণ করে তাপমাত্রা ও বায়ুর ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়। এর আগে ১৯৭০-এর দশকে পাইওনিয়ার ও ভয়েজার অভিযানের মাধ্যমে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে গ্রহটির শক্তিশালী বাতাসের প্রবাহ পুরোপুরি বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে সেই হিসাবগুলোতে সূক্ষ্ম ভুলের সুযোগ থেকে গিয়েছিল।
বিজ্ঞানীদের মতে, বৃহস্পতির সঠিক আকার ও আয়তন জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ওপর ভিত্তি করেই গ্রহটির অভ্যন্তরে থাকা কোর বা কেন্দ্র এবং গ্যাসের স্তরগুলোর গঠন আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হবে। একই সাথে, আমাদের সৌরজগতের বাইরে থাকা অন্যান্য ‘গ্যাস জায়ান্ট’ বা গ্যাসীয় দানব গ্রহগুলোর প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা পেতেও নাসার এই নতুন তথ্য বিশাল ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ গবেষণার নতুন এই অধ্যায় বিজ্ঞানীদের সামনে বৃহস্পতির প্রকৃত রূপ আরও স্পষ্ট করে তুলল।
চাঁদাবাজ ধরতে নাসিরুদ্দীনের নতুন সাইট ‘চান্দাবাজ ডট কম’
সারাদেশে চলমান চাঁদাবাজি ও জুলুম রুখতে এক অভিনব ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে 'চান্দাবাজ ডট কম' (chandabaaj.com) নামের একটি বিশেষ ওয়েবসাইট। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এখন থেকে সরাসরি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করতে পারবেন। ওয়েবসাইটটি লাইভ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সারাদেশ থেকে ৮টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী এই উদ্যোগের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে জানান, সংগৃহীত প্রতিটি রিপোর্ট গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, "আপনার এলাকায় চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটলে দেরি না করে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণসহ তাৎক্ষণিক রিপোর্ট করুন। এর মাধ্যমে আমরা অপরাধীদের চিহ্নিত করার পথ সহজ করতে চাই।" নাসিরুদ্দীন আরও দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ বা জুলুমবাজের স্থান হবে না এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ডিজিটাল প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত একটি নাগরিক নজরদারি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে, যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের পরিচয় গোপন রেখেও অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেতে পারেন (যাচাই সাপেক্ষে)। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীর এই 'চাঁদাবাজ বিরোধী' অবস্থান ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক ও পরিবহন খাতে যারা প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজির শিকার হন, তাদের জন্য এই ওয়েবসাইটটি একটি ভরসার জায়গা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে? বন্ধ করুন এই ৫টি ফিচার
স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করা প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্যই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রযুক্তিগত কিছু অসচেতনতার কারণে অনেক সময় ফোনের চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনের মাত্র ৫টি ফিচার বা সেটিংস পরিবর্তন করে দিলে ব্যাটারির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব।
স্মার্টফোনের ব্যাটারি খরচ হওয়ার প্রধান উৎস হলো এর ডিসপ্লে। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা সবসময় সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে তা চোখের জন্য আরামদায়ক স্তরে রাখা উচিত। এ ছাড়া 'অটো-লক' বা 'স্ক্রিন টাইমআউট' সময় কমিয়ে রাখলে ডিসপ্লে দ্রুত বন্ধ হয়ে ব্যাটারি সাশ্রয় করে।
দ্বিতীয়ত, অনেক সময় ব্যবহারকারী অ্যাপ বন্ধ করে দিলেও সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এই 'ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ' অপশনটি সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিলে অপ্রয়োজনীয় চার্জ খরচ বন্ধ হয়।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো 'লোকেশন সার্ভিস'। সব অ্যাপের জন্য সবসময় লোকেশন অন না রেখে কেবল 'অ্যাপ ইউজিং' বা অ্যাপ ব্যবহারের সময় লোকেশন অন রাখার অপশনটি সিলেক্ট করা উচিত। এতে ফোনের জিপিএস হার্ডওয়্যার অনবরত ব্যাটারি খরচ করা থেকে বিরত থাকে।
চতুর্থত, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেলুলার ডেটা বা মোবাইল ডেটার তুলনায় ওয়াইফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করা অনেক বেশি সাশ্রয়ী। কারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক সিগন্যাল খুঁজতে ফোনকে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় করতে হয়। সবশেষে, আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড উভয় ক্ষেত্রেই 'লো-পাওয়ার মোড' বা 'ব্যাটারি সেভার' মোড ব্যবহার করা একটি কার্যকর উপায়। এটি ব্যাকগ্রাউন্ডের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ করে ব্যাটারির আয়ু নিশ্চিত করে। এই সহজ পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে আসবে।
এক সপ্তাহে বড় লাফ! রিজার্ভে নতুন চমক দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। আজ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে, দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করলে দেখা যায় যে, এই রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উল্লেখ্য যে, আইএমএফের এই বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী মূলত দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসাব করা হয়।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস ও নিট—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায়সমূহ বাদ দিলে যে অবশিষ্ট পরিমাণ পাওয়া যায়, সেটিই প্রকৃত নিট রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়। রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক গতির কারণেই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আকাশে আসছে নতুন অতিথি: দেখা মিলবে ধূমকেতু ভিয়ারজোসের
মহাকাশ বিজ্ঞানের এক অনন্য বিস্ময় নিয়ে পৃথিবীর আকাশের দিকে ধীরলয়ে এগিয়ে আসছে নতুন এক অতিথি, যার নাম ধূমকেতু ‘সি/২০২৪ ই১ (ভিয়ারজোস)’। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রথম শনাক্ত হওয়া এই ধূমকেতুটি এখন সৌরজগতের সুদূর প্রান্ত থেকে সূর্যের দিকে যাত্রা শুরু করেছে, যা আগামী কয়েক দিন মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।
বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্যমতে, এই ধূমকেতুটির আদি নিবাস সৌরজগতের একেবারে প্রান্তিক অঞ্চল ‘ওর্ট মেঘ’। বরফ ও ধূলিকণায় ভরা এই বিশাল অঞ্চল থেকেই এর জন্ম। বর্তমানে সূর্যের কাছাকাছি আসার ফলে এর ভেতরের বরফ গলতে শুরু করেছে, যা ধূমকেতুটির পেছনে একটি উজ্জ্বল ও দীর্ঘ লেজ তৈরি করেছে। এই লেজটিই মূলত ধূমকেতুটিকে রাতের আকাশে এক রহস্যময় ও আকর্ষণীয় রূপ দান করেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ টেলিস্কোপ ‘জেমস ওয়েব’ দিয়ে ইতিমধ্যে ধূমকেতুটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই ধূমকেতুর আলোতে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের উপস্থিতি তুলনামূলক অনেক কম। এর থেকে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, ধূমকেতুটি তৈরির সময়ই এই উপাদানের ঘাটতি ছিল অথবা দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার সময় এটি উপাদানটি হারিয়ে ফেলেছে।
দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে বসবাসকারীরা ইতিমধ্যে এই মহাজাগতিক দৃশ্যের দেখা পেয়েছেন এবং অনেক সৌখিন জ্যোতির্বিদ এর চমৎকার ছবিও তুলেছেন। এখন উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতেও এটি দেখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ধূমকেতুটি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করবে। ফলে ওই সময়ের পর থেকে এটি আরও স্পষ্ট ও উজ্জ্বলভাবে দেখা যাবে।
বাংলাদেশের আকাশ থেকে এই ধূমকেতুটি দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশ যদি সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে এবং কৃত্রিম আলোর প্রভাব মুক্ত থাকে, তবে গভীর রাতে বা খুব ভোর রাতে শক্তিশালী দূরবীন বা টেলিস্কোপ দিয়ে এটি দেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে কোথাও কোথাও খালি চোখেও হালকা আলোর আভা দেখা দেওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা রয়েছে।
আকাশে দেখা যাবে দ্বিতীয় শুক্র! চাঁদের বুকে গ্রহাণুর আঘাত নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
মহাকাশ বিজ্ঞানের এক বিরল ও রোমাঞ্চকর ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। একটি বিশালাকৃতির গ্রহাণু, যার নাম ‘অ্যাস্টেরয়েড ২০২৪ ওয়াইআর৪’ (Asteroid 2024 YR4), দ্রুত গতিতে চাঁদের দিকে ধেয়ে আসছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহাণুটি যদি শেষ পর্যন্ত চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে, তবে পৃথিবী থেকে খালি চোখেই সেই অভাবনীয় মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।
বিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গ্রহাণুটির প্রস্থ প্রায় ৬০ মিটার, যা একটি বড় দালানের সমান। মহাকাশ গবেষণার বর্তমান হিসাব বলছে, ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর এই গ্রহাণুটির সঙ্গে চাঁদের সংঘর্ষ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে এই সংঘাতের গাণিতিক হার প্রায় ৪.৩ শতাংশ।
গবেষণায় দেখা গেছে, যদি এই সংঘর্ষটি ঘটে, তবে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ১ কিলোমিটার চওড়া একটি বিশাল গর্ত বা ‘ক্রেটার’ তৈরি হবে। আছড়ে পড়ার মুহূর্তে যে প্রচণ্ড আলোর বিচ্ছুরণ ঘটবে, তা শুক্র গ্রহের মতো উজ্জ্বল হয়ে রাতের আকাশে কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে। শুধু তাই নয়, এর ফলে নির্গত ইনফ্রারেড আলো বা তাপের সংকেত পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা ধরে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে ধরা পড়বে। এই সংঘর্ষে যে বিপুল শক্তির উদ্ভব হবে, তা বড় কোনো বোমা বিস্ফোরণের চেয়েও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্বস্তির খবর হলো, এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য কোনো বিপদ বয়ে আনবে না। প্রাথমিক হিসেবে পৃথিবীতে আঘাত হানার আশঙ্কা থাকলেও, বর্তমান সূক্ষ্ম গণনায় দেখা গেছে আমাদের পৃথিবী পুরোপুরি নিরাপদ। তবে সংঘর্ষের ফলে চাঁদ থেকে ছিটকে আসা ধুলো ও পাথর মহাকাশে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহগুলোর (স্যাটেলাইট) জন্য কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বর্তমানে এই গ্রহাণুটির গতিবিধি ও গঠন প্রকৃতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপকে (James Webb Space Telescope) প্রস্তুত করা হচ্ছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের এক বিশেষ দিনে টেলিস্কোপটি এই গ্রহাণুর ওপর নজরদারি করবে, যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যাবে—চাঁদে আঘাত হানার সম্ভাবনা আদতে বাড়ছে নাকি কমছে।
বৃহস্পতি কি ছোট হয়ে যাচ্ছে? নাসার মহাকাশযান ‘জুনো’র পাঠানো চাঞ্চল্যকর তথ্য
সৌরজগতের দানব গ্রহ হিসেবে পরিচিত বৃহস্পতি সম্পর্কে আমাদের এতদিনের ধারণা বদলে দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান ‘জুনো’। নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য বলছে, বৃহস্পতি গ্রহটি আমরা এতদিন যতটা বড় মনে করতাম, আসলে তা কিছুটা ছোট। শুধু তাই নয়, এর গঠন নিখুঁত গোলকের মতো নয়, বরং অনেকটা চাপা আকৃতির।
নাসার পাঠানো মহাকাশযান ‘জুনো’ এখন পর্যন্ত বৃহস্পতিকে ঘিরে ১৩ বার প্রদক্ষিণ করেছে এবং গ্রহটির অত্যন্ত কাছ দিয়ে উড়ে গিয়ে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, বৃহস্পতির মধ্যভাগ বা ভূ-মধ্যরেখীয় অঞ্চল আগের হিসেবের চেয়ে প্রায় ৮ কিলোমিটার কম চওড়া। অন্যদিকে, গ্রহটির উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চল আগের ধারণার চেয়ে আরও ২৪ কিলোমিটার বেশি চাপা।
এই আকৃতি পরিবর্তনের একটি প্রধান কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বৃহস্পতির প্রচণ্ড শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহকে চিহ্নিত করেছেন। গ্রহটিকে ঘিরে সারাক্ষণ আবর্তিত এই বাতাসের প্রভাব এবারই প্রথম গাণিতিক হিসেবের মধ্যে আনা হয়েছে।
বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’-তে প্রকাশিত এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ‘রেডিও সিগন্যাল পরীক্ষা’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। জুনো থেকে পাঠানো সিগন্যাল যখন বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে পৃথিবীতে আসে, তখন এর গতি ও দিকের সূক্ষ্ম পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে গ্রহের ভেতরের তাপ, চাপ ও ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়েছে। ইতিপূর্বে ১৯৭০-এর দশকের পুরনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যে আকার নির্ধারণ করা হয়েছিল, জুনোর পাঠানো তথ্য তার চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও পরিষ্কার।
মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, এই নতুন তথ্য কেবল বৃহস্পতিকে জানার জন্যই নয়, বরং মহাবিশ্বের অন্যান্য বিশাল গ্রহগুলোর আকার ও বৈশিষ্ট্য বোঝার ক্ষেত্রেও মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে।
মহাকাশ থেকে আসা ৪৪ মিনিটের সেই ছন্দ: নতুন কোনো গ্রহ না কি এলিয়েন সংকেত?
মহাকাশের গভীর থেকে আসা এক রহস্যময় সংকেত বিজ্ঞানীদের কৌতূহল ও বিস্ময়কে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের নিজস্ব গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ের কেন্দ্রভাগ থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ছন্দময় কিছু সংকেত পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে। মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এই প্রথম এমন কোনো বস্তুর সন্ধান মিলল, যা ঠিক ৪৪ মিনিট পরপর নিয়ম করে রেডিও তরঙ্গ ও এক্স-রে বিকিরণ করছে।
বিজ্ঞানীরা এই রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তুর নাম দিয়েছেন ‘এএসকেএপি জে১৮৩২০৯১১’ (ASKAP J18320911)। এটি আমাদের সৌরজগৎ থেকে অনেক দূরে, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ভেতরের অংশে অবস্থিত। নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি এবং অস্ট্রেলিয়ার এএসকেএপি রেডিও টেলিস্কোপ যৌথভাবে এই সংকেতটি শনাক্ত করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বস্তুটির রেডিও তরঙ্গ যেভাবে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাড়ে ও কমে, এক্স-রের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ছন্দ অনুসরণ করা হচ্ছে। এর থেকে বিজ্ঞানীদের ধারণা, উভয় ধরনের সংকেতের উৎস সম্ভবত একই।
এই বস্তুটিকে ‘লং-পিরিয়ড রেডিও ট্রানজিয়েন্ট’ নামক একটি বিরল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সাধারণত পালসার নক্ষত্রগুলো অত্যন্ত দ্রুত ঘোরে এবং সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের ব্যবধানে সংকেত পাঠায়। কিন্তু এই বস্তুটি সংকেত পাঠাতে দীর্ঘ ৪৪ মিনিট সময় নিচ্ছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি রিসার্চের বিজ্ঞানীদের মতে, এটি হয়তো কোনো বিবর্তিত ‘নিউট্রন স্টার’ (অত্যন্ত ঘন নক্ষত্রের অবশিষ্টাংশ) অথবা কোনো শক্তিশালী চুম্বকীয় ধ্বংসাবশেষ হতে পারে। এমনকি এটি সম্পূর্ণ নতুন কোনো মহাজাগতিক বস্তু হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না গবেষকরা। দূর মহাকাশের এই ছন্দময় বার্তা মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাগুলোকে নতুন করে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
ব্যবহৃত ফোন হস্তান্তরের আগে জানুন ডি-রেজিস্ট্রেশন নিয়ম
নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিমকার্ড পরিবর্তন, অন্য কাউকে ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রির আগে অবশ্যই হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। নতুন এই নিয়ম না মানলে ভবিষ্যতে সিম ও হ্যান্ডসেট ব্যবহারে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় বর্তমানে দেশের নেটওয়ার্কে সচল সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় এসেছে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, এখন থেকে কোনো গ্রাহক যদি নিজের নামে নিবন্ধিত হ্যান্ডসেটে নতুন সিম ব্যবহার করতে চান, অন্য কাউকে ফোনটি দিতে চান কিংবা সেটি বিক্রি করতে চান, তাহলে আগে অবশ্যই ফোনটির নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটকে এনইআইআর সিস্টেম থেকে অবমুক্ত বা ডি-রেজিস্টার করতে হবে।
এই ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গ্রাহকের সিম কেনার সময় ব্যবহৃত জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে ব্যবহৃত বা পুরোনো মোবাইল ফোন বিক্রি কিংবা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে।
যেভাবে করবেন মোবাইল ডি-রেজিস্ট্রেশন
ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য গ্রাহকরা দুটি সহজ পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারবেন।
১. এনইআইআর সিটিজেন পোর্টাল ব্যবহার করে
গ্রাহককে neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এনইআইআর পোর্টালে লগ ইন করতে হবে। এরপর ড্যাশবোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইস নির্বাচন করে ‘ডি-রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলে ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
২. ইউএসএসডি কোডের মাধ্যমে
মোবাইল ফোনের কল অপশনে গিয়ে *১৬১৬১# ডায়াল করতে হবে। এরপর নির্দেশনা অনুসরণ করে ডি-রেজিস্ট্রেশন অপশনে প্রবেশ করে প্রক্রিয়াটি শেষ করা যাবে।
বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, ডি-রেজিস্ট্রেশনের সময় গ্রাহকের ফোনে যে সিমটি ব্যবহৃত হচ্ছে, সেটি অবশ্যই তার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। অন্যথায় ডি-রেজিস্ট্রেশন কার্যকর হবে না।
এ ছাড়া ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বরযুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও হালনাগাদ তথ্য জানতে বিটিআরসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিটিআরসির কল সেন্টার নম্বর ১০০ অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।
বিটিআরসি বলছে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার রোধ, গ্রাহকের পরিচয় সুরক্ষা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
- আজকের নামাজের সময়সূচি জানুন এক নজরে
- ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপির ন্যারেটিভ রূপান্তর: ডিজিটাল রাজনীতির নতুন অধ্যায়
- দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
- খুলনায় খুলল আওয়ামী লীগ অফিস: জানাজানি হতেই রণক্ষেত্র শঙ্খ মার্কেট
- ড. ইউনূস বাংলাদেশে জালেম দের পুনর্বাসন করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- চোখে দেখেন না, কিন্তু অন্তরে পুরো কোরআন: ১২ বছরের কিশোরীর অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব
- সাকিব-মাশরাফি কি নির্দোষ? হত্যার মামলা নিয়ে ইশরাক হোসেনের চাঞ্চল্যকর বক্তব্য
- শফিকুর রহমানের পর এবার নাহিদের বাসায় বিএনপি প্রধান
- শপথের আগে নয়া মেরুকরণ: শফিকুর রহমানের বাসায় বিএনপি প্রধান
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য তিতাসের বিশেষ সতর্কতা
- কলম্বোয় ফিরল হ্যান্ডশেক বিতর্ক: যুদ্ধের আগে দুই অধিনায়কের ঠান্ডা লড়াই
- তারেক রহমানের শপথে ওম বিড়লা: বন্ধুত্বের নতুন বার্তা দিচ্ছে ভারত
- কৃষক-শ্রমিকদের অসম্মান মানেই আমার বাবাকে অপমান: জামায়াত আমির
- মঞ্জুর দুর্গে জামায়াতের হানা: যে ভুলে কপাল পুড়ল বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থীর
- শপথের আগেই বড় বাধা: মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ইসিতে নাসীরুদ্দীন
- নির্বাচনের মাধ্যমে আত্মমর্যাদা ফিরল পুলিশের: প্রেস সচিব
- রাষ্ট্রপতি নাকি সিইসি? শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটালেন আইন উপদেষ্টা
- বয়ান বদলের রাজনীতি: বিএনপির নতুন কমিউনিকেশন স্থাপত্য ও আগামীর শাসনচিন্তা
- আদালতের গ্রিন সিগনাল পেলেই ভোট পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ইসি আনোয়ারুল
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- ১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ১৫ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নির্বাচনের পর শেয়ারবাজারে বড় উত্থান, বিনিয়োগকারীর ভিড়
- নির্বাচন ছিল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ: ঢাকাকে বড় স্বীকৃতি দিল রাশিয়া
- আজকের মুদ্রার হার: ডলারের বিপরীতে টাকার মান কত? জেনে নিন বিনিময় হার
- কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে ইমরান খানকে
- ২৭ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে গুচ্ছের ভর্তিযুদ্ধ: প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবেন যেভাবে
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- বদলা নাকি দাপট? হাইভোল্টেজ ম্যাচে ৫টি ব্যক্তিগত দ্বৈরথ কাঁপাবে ক্রিকেটবিশ্ব
- সরকার গঠনের আগেই ঐক্যের বড় বার্তা: আজ শরিকদের মুখোমুখি তারেক রহমান
- ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ
- রমজানে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার গোপন মন্ত্র: পাতে রাখুন এই ৪ ধরনের খাবার
- ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ লড়াই: কেমন হতে পারে দুই দলের চূড়ান্ত একাদশ?
- লোপেরামাইড নাকি ঘরোয়া উপায়? ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কিছু সমাধান
- সরাসরি গ্লিসারিন ব্যবহারেই বিপদ! ত্বকের সুরক্ষায় জানুন সঠিক নিয়ম
- হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা: দক্ষিণ লেবাননে তুমুল উত্তেজনা
- ব্যক্তিগত মুহূর্ত বেচবেন না বিজয়-রাশমিকা: মোটা অঙ্কের অফার নাকচ
- এমপিদের বেতন-ভাতা কত জানেন
- ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
- কোনো দুর্বলতা দেখানোর সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
- আজকের আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ পূর্বাভাস
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- শপথে যে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ
- শপথে থাকছেন কি না মোদি জানা গেল
- রবিবার কেনাকাটায় সতর্কতা জরুরি, বহু মার্কেট বন্ধ আজ
- ঢাকায় আজকের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচি
- মঙ্গলবারই কি শপথ নিচ্ছে নতুন সরকার
- সূর্যাস্ত-সূর্যোদয়সহ আজকের নামাজের সময়সূচী প্রকাশ
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- শেষ হলো ভোটযুদ্ধ: প্রচার শেষে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ মেলাচ্ছেন প্রার্থীরা








