সিন্ডিকেট বনাম নতুন সরকার: জনমনে স্বস্তি ফেরানোই পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে বিশাল এই জয়ের আনন্দের মধ্যেই দলটির নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিভিন্ন বক্তব্যেও এই অর্থনীতি সচল করার বিষয়টি বারবার উঠে আসছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা হলো বিগত সরকারের আমলে গড়ে ওঠা শক্তিশালী ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক সিন্ডিকেট।
ব্যবসায়ীদের মতে, বিগত ১৬ বছরে মুষ্টিমেয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষের পকেট কেটেছে। শুধু পণ্যের বাজারই নয়, ব্যাংক খাত থেকেও বেনামি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিও নির্ধারিত হতো বিশেষ কিছু শিল্পগোষ্ঠীর ইশারায়। এই সিন্ডিকেট ভাঙার পরামর্শ দিয়ে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, হুট করে কোনো বড় গ্রুপের আমদানি বন্ধ করলে বাজার ধসে পড়তে পারে। তাই আমদানিকারকের সংখ্যা বাড়িয়ে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন নতুন কোনো সিন্ডিকেট তৈরি না হয়।
ব্যাংক খাতের চিত্র আরও ভয়াবহ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশে মোট ঋণের ৩৫ শতাংশের বেশি বা প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা এখন খেলাপি। অথচ ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন খেলাপি ঋণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। বর্তমান এই খেলাপি ঋণের পাহাড় নতুন সরকারের জন্য এক বিশাল আর্থিক বোঝা। এর পাশাপাশি জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২৬ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে তারেক রহমানের সরকারকে।
রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও নতুন সরকারকে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) ক্যাডার বৈষম্য নিয়ে তৈরি হওয়া অস্থিরতার ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসেই রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসায়িক সংগঠন ডিসিসিআইর সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রাহমান মনে করেন, অর্থনীতির এই দুঃসময় কাটাতে দক্ষ লোকের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়াটা অপরিহার্য। অর্থমন্ত্রী বা বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে এমন কাউকে বেছে নিতে হবে, যাঁর সক্ষমতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। সব মিলিয়ে নির্বাচনের জয় উদযাপন শেষে এবার বিএনপির সামনে শুরু হচ্ছে এক কঠিন লড়াই—অর্থনীতির প্রতিটি ঘুণপোকা দূর করে দেশকে উন্নয়নের ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা।
/আশিক
বিদ্যুৎ খাতের নিজস্ব অনিয়ম ও অপচয়ের খেসারত দিতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে পিষ্ট সাধারণ মানুষের ওপর এবার বিদ্যুতের চরম ‘ডাবল ট্রিপল’ ধাক্কা আসছে। গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জোর আলোচনার মধ্যেই এবার বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জ বা হুইলিং চার্জ (Wheeling Charge) এক ধাক্কায় প্রায় ৬০ শতাংশ বাড়ানোর প্রকাশ্য প্রস্তাব দিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)।
সংস্থাটি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের সঞ্চালন ব্যয় বর্তমানের ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে এক লাফে ৪৯ পয়সা করার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক হাই-ভোল্টেজ গণশুনানিতে এই বিস্ফোরক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
গণশুনানিতে পিজিসিবির পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, গ্রিড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ঋণের কিস্তি ও মোটা অঙ্কের সুদ পরিশোধে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতেই এই ১৯ পয়সা বা ৬০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে পিজিসিবির এই হুইলিং চার্জ বৃদ্ধির আবেদনের চেয়েও বড় ধাক্কা এসেছে একই গণশুনানিতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) দেওয়া পাইকারি মূল্যের প্রস্তাব থেকে। পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে, যা বর্তমান দামের তুলনায় প্রায় ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বেশি।
পিডিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম শুনানিতে আর্থিক সংকটের কঙ্কাল বের করে জানান, চলতি অর্থবছরেই পিডিবির সম্ভাব্য ঘাটতি প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা এবং আগামী অর্থবছরে তা আরও বেড়ে ৬৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। ফলে বিদ্যুতের দাম এখনই না বাড়ালে পুরো বিদ্যুৎ খাতই দেউলিয়া বা বড় ধরণের আর্থিক ঝুঁকিতে পড়বে।
বিদ্যুতের পাইকারি দাম ও সঞ্চালন চার্জ একযোগে বাড়ানোর এই আত্মঘাতী উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছেন গণশুনানিতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এবং ভোক্তা অধিকার সংস্থা ক্যাব (CAB) এর নেতারা। গ্রাহক অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের লাগামহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপচয়ের দায় নিজেদের ঘাড়ে না নিয়ে সরকার প্রতিনিয়ত তা সাধারণ গ্রাহকের ওপর চাপাচ্ছে।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে সাধারণ মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এর ওপর আবার বিদ্যুতের দাম বাড়ালে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও কারখানার উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হবে, যা দেশের শিল্প খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে। এদিকে বিইআরসি জানিয়েছে, আজ সঞ্চালন ও পাইকারি দামের শুনানি শেষ হলেও আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাধারণ গ্রাহক বা খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদনের ওপর চূড়ান্ত পৃথক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
/আশিক
৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
অন্তর্বর্তী সরকারের চরম নীতিগত খামখেয়ালিপনা, দীর্ঘসূত্রতা এবং জাতীয় শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অদূরদর্শিতার খেসারত দিচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের ইতিহাসে গত আড়াই দশকের রেকর্ড ভেঙে চলতি ২০২৬ সালে দেশব্যাপী হামের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি মানুষ, যার সিংহভাগই নিষ্পাপ শিশু।
ইতিমধ্যে এই মারাত্মক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৪৭৫ জন শিশু। বিগত আড়াই দশকে দেশে কখনো হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নি; এমনকি ২০২৫ সালে যেখানে মাত্র ১৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল, সেখানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হওয়া এই প্রলয়ংকরী মহাদুর্যোগের প্রধান কারণ—গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকাদানে নজিরবিহীন গাফিলতি ও টিকার কৃত্রিম সংকট। আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ (UNICEF) কার্যালয়ে আয়োজিত এক দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনে খোদ ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এই চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন।
দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই হাই-ভোল্টেজ সংবাদ সম্মেলনে রানা ফ্লাওয়ার্স সরাসরি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত ও দ্রুততম টিকা ক্রয়প্রক্রিয়ায় আকস্মিক ও অবৈজ্ঞানিক পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মতো টিকা আসেনি এবং দেশ চরম ভ্যাকসীন সংকটে পড়েছে। ইউনিসেফ হাত গুটিয়ে বসে ছিল না; তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত ৫টি অফিশিয়াল জরুরি চিঠি পাঠিয়ে সম্ভাব্য ভয়াবহ টিকা-সংকটের কথা স্পষ্ট সতর্ক করেছিল।
শুধু চিঠিই নয়, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে অন্তত ১০টি ধারাবাহিক মিটিংয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা একই আশঙ্কার কথা বারবার জানালেও সরকার তা আমল দেয়নি। এর আগে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়াও এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারকে হাম নিয়ে আগাম সতর্ক করার কথা জানিয়েছিলেন। রানা ফ্লাওয়ার্স বারবার আক্ষেপ করে বলেন, “হামে এই বিপুল পরিমাণ শিশুমৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক।” তবে বর্তমান সময়ে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টিকে তিনি একটি ভালো খবর হিসেবে উল্লেখ করেন।
বর্তমানে টিকার এই মারাত্মক সংকট ও বিপুল শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিসেফ প্রতিনিধি। এই তদন্তে বিশ্ব সংস্থাটি কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহায়তা করবে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় বলেন, “ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে।” তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে বলেন, সরকার চাইলে বৈশ্বিক নিয়ম মেনে নিজস্ব উন্মুক্ত টেন্ডার (Open Tender) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি টিকা ক্রয় করতে পারে; কিন্তু মনে রাখতে হবে, টিকার ব্যাকআপ মজুত সবসময় নিশ্চিত থাকা জরুরি।
উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া শেষ করে দেশে টিকা আনতে কমপক্ষে এক বছর বা তার বেশি সময় লেগে যায়, যেখানে ইউনিসেফের নিজস্ব গ্লোবাল চেইনের মাধ্যমে অতি দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও কিচেন ক্যাবিনেটের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই আজ বাংলাদেশের হাজার হাজার শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
অন্তর্বর্তী সরকারের চরম নীতিগত খামখেয়ালিপনা, দীর্ঘসূত্রতা এবং জাতীয় শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অদূরদর্শিতার খেসারত দিচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের ইতিহাসে গত আড়াই দশকের রেকর্ড ভেঙে চলতি ২০২৬ সালে দেশব্যাপী হামের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি মানুষ, যার সিংহভাগই নিষ্পাপ শিশু।
ইতিমধ্যে এই মারাত্মক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৪৭৫ জন শিশু। বিগত আড়াই দশকে দেশে কখনো হামের সংক্রমণ ৫০ হাজার ছাড়ায়নি; এমনকি ২০২৫ সালে যেখানে মাত্র ১৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল, সেখানে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হওয়া এই প্রলয়ংকরী মহাদুর্যোগের প্রধান কারণ—গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকাদানে নজিরবিহীন গাফিলতি ও টিকার কৃত্রিম সংকট। আজ বুধবার (২০ মে) দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ (UNICEF) কার্যালয়ে আয়োজিত এক দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনে খোদ ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এই চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন।
দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই হাই-ভোল্টেজ সংবাদ সম্মেলনে রানা ফ্লাওয়ার্স সরাসরি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত ও দ্রুততম টিকা ক্রয়প্রক্রিয়ায় আকস্মিক ও অবৈজ্ঞানিক পরিবর্তন আনায় দেশে সময়মতো টিকা আসেনি এবং দেশ চরম ভ্যাকসীন সংকটে পড়েছে। ইউনিসেফ হাত গুটিয়ে বসে ছিল না; তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত ৫টি অফিশিয়াল জরুরি চিঠি পাঠিয়ে সম্ভাব্য ভয়াবহ টিকা-সংকটের কথা স্পষ্ট সতর্ক করেছিল।
শুধু চিঠিই নয়, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে অন্তত ১০টি ধারাবাহিক মিটিংয়ে ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা একই আশঙ্কার কথা বারবার জানালেও সরকার তা আমল দেয়নি। এর আগে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়াও এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারকে হাম নিয়ে আগাম সতর্ক করার কথা জানিয়েছিলেন। রানা ফ্লাওয়ার্স বারবার আক্ষেপ করে বলেন, “হামে এই বিপুল পরিমাণ শিশুমৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক।” তবে বর্তমান সময়ে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টিকে তিনি একটি ভালো খবর হিসেবে উল্লেখ করেন।
বর্তমানে টিকার এই মারাত্মক সংকট ও বিপুল শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউনিসেফ প্রতিনিধি। এই তদন্তে বিশ্ব সংস্থাটি কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহায়তা করবে কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় বলেন, “ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে।” তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়ে বলেন, সরকার চাইলে বৈশ্বিক নিয়ম মেনে নিজস্ব উন্মুক্ত টেন্ডার (Open Tender) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি টিকা ক্রয় করতে পারে; কিন্তু মনে রাখতে হবে, টিকার ব্যাকআপ মজুত সবসময় নিশ্চিত থাকা জরুরি।
উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া শেষ করে দেশে টিকা আনতে কমপক্ষে এক বছর বা তার বেশি সময় লেগে যায়, যেখানে ইউনিসেফের নিজস্ব গ্লোবাল চেইনের মাধ্যমে অতি দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও কিচেন ক্যাবিনেটের ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই আজ বাংলাদেশের হাজার হাজার শিশুকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
পুঁজিবাজার ও এনবিআরসহ পুরো আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি চরম অস্থিরতা ও ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাওয়ায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই সংকটজনক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজার (শেয়ারবাজার), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ব্যাংকসহ সামগ্রিক আর্থিক খাতগুলোকে আমূল বিকেন্দ্রীভূত (Decentralized) করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের মেগা সামিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
ব্যাংকিং খাতের একচ্ছত্র আধিপত্য ও পারিবারিকতন্ত্রের কঠোর সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, “কোনো একক ব্যক্তি নিজেকে ব্যাংকের একচ্ছত্র মালিক দাবি করতে পারেন না। ব্যাংকের প্রকৃত মালিকানা হলো সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের, আর ব্যাংকের ভেতরের মূল অর্থ বা আমানত হলো সাধারণ আমানতকারীদের।” একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বিগত আমলের আর্থিক খাতের খামখেয়ালিপনার বিবরণ দিয়ে বলেন, “অতীতে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক রিপোর্ট বা ব্যালেন্স শিট ছিল চরম খামখেয়ালিপনা ও জালিয়াতিতে ভরা; যার সুবাদে সাধারণ শেয়ার বিনিয়োগকারীরা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হয়েছেন।”
তিনি আরও যোগ করেন, কোনো ধরণের সঠিক সম্পদ বা বন্ধকী মূল্যায়ন (Asset Valuation) না করেই রাজনৈতিক প্রভাবে বড় বড় মেগা ঋণ দেওয়ার কারণেই আজ দেশের ব্যাংকগুলো ইতিহাসের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের (Bad Loans) পাহাড়ে চাপা পড়েছে এবং একের পর এক বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি ও অর্থপাচারের ঘটনা ঘটেছে।
/আশিক
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ অবশেষে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে এবং দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আগের দিন মঙ্গলবার (১৯ মে) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণীতে তিনি বাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের ৬০ লাখ সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন বীর শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে এই বাহিনীর সময়োপযোগী ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “গত ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। তাদের এই অতন্দ্র প্রহরার জন্য আমি পুরো বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই।”
একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই নতুন যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ—‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের দর্শনে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন।”
তিনি উল্লেখ করেন, গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং বহুবিধ সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি সরকারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে ‘তারুণ্যই শক্তির উৎস’ মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, দেশের যুবসমাজকে নিছক জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।
এই স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি আগামী দিনে সবচেয়ে কার্যকর সহায়ক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা ও কৃষি অর্থনীতির বিকাশে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই বাহিনীর দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি।
পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আনসার-ভিডিপির সদস্যদের হাত ধরেই বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে এবং বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে বাহিনীর ৬০ লাখ সদস্যের সাহস ও নিষ্ঠা আগামী দিনের পাথেয় হবে।
/আশিক
ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন আসল গণতন্ত্রের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ অবশেষে নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে এবং দেশে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৬ উপলক্ষে বাহিনীর সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং তৃণমূলের ৬০ লাখ সদস্যকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এই বাহিনীর ৬৭০ জন বীর শহীদের প্রতি গভীর ও বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে এই বাহিনীর সময়োপযোগী ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে লেখেন, “গত ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে। তাদের এই অতন্দ্র ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য আমি পুরো বাহিনীর সর্বস্তরের প্রতিটি সদস্যকে আবারও বিশেষভাবে অভিনন্দন জানাই।”
একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার এই নতুন যাত্রাপথে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দেন, “স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গর্বিত উচ্চারণ—‘আমাদের হাত কোটি হাতিয়ার, অঙ্গীকার আমাদের দেশ গড়বার’ এবং গণপ্রতিরক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের দর্শনে গড়ে ওঠা এই বাহিনীর রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন।” তিনি বলেন, গ্রাম ও শহরে সুরক্ষিত সমাজ কাঠামো গঠন, সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং সরকারের বহুবিধ উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আনসার-ভিডিপি বর্তমান সরকারের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শিল্প-কারখানা, হাসপাতাল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫২ হাজারের বেশি অঙ্গীভূত আনসার সদস্য দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিশ্বাস করে ‘তারুণ্যই শক্তির উৎস’ মন্তব্য করে সরকার প্রধান বলেন, দেশের যুবসমাজকে নিছক সস্তা জনশক্তি নয়, বরং দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আনসার ও ভিডিপি যে সুনির্দিষ্ট চাহিদাভিত্তিক আধুনিক প্রশিক্ষণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা সত্যিই অনন্য।
এই স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের নতুন মডেলে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে আনসার-ভিডিপি আগামী দিনে সবচেয়ে কার্যকর সহায়ক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ সুরক্ষা ও কৃষি অর্থনীতির বিকাশে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ, খাল খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগকালীন সাধারণ জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এই বাহিনীর দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তিনি।
পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আনসার-ভিডিপির গর্বিত সদস্যদের হাত ধরেই বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তিক গ্রাম একেকটি বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও নিরাপদ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।
/আশিক
নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী: তেজগাঁওয়ে শিশুদের মাঝে অন্য এক তারেক রহমান
তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সেখানে অবস্থিত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের (ডে-কেয়ার সেন্টার) কোমলমতি শিশুদের সাথে এক নজিরবিহীন ও প্রাণোচ্ছল সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার কঠিন ও ব্যস্ততম রাজনৈতিক বাস্তবতার বাইরে গিয়ে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সোয়া ১১টায় নিরাপত্তার সব কড়া দেয়াল ভেঙে টানা ১৮ মিনিট শিশুদের সাথে যেন নিজের নির্ভার শৈশবে ফিরে যান সরকার প্রধান।
মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই সেন্টারে প্রবেশের পরপরই প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে চার দেয়ালের ভেতরের কচি কণ্ঠগুলো। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে, কেউ টেনে নিয়ে যায় নিজের খেলনার কাছে, আবার কেউ ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজের হাতে আঁকা ছবি দেখাতে।
প্রধানমন্ত্রীও গভীর মনোযোগ দিয়ে শিশুদের সেসব সৃষ্টিশীল কাজ দেখেন এবং মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসা করেন। এই আনন্দঘন মুহূর্তকে আরও স্মরণীয় করতে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সাথে নিয়ে একটি বড় কেক কাটেন। কেক কাটার আগে রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, “আজকে কার জন্মদিন বলো তো?” তখন শিশুরা একযোগে ‘আংকেল আমার, আংকেল আমার’ বলে চিৎকার করে উঠলে প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, “আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন।
আসো আমরা একসাথে কেক কাটি।” শিশুরা করতালি দিয়ে ‘হ্যাপি বার্থডে’ গেয়ে উঠলে এক শিশু নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রীকে কেক খাইয়ে দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজে শিশুদের হাতে চকলেট, টফি, ললিপপ ও বিশেষ গিফট ব্যাগ তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশু আরিবা তার অনুভূতিতে বলে, “প্রধানমন্ত্রী আংকেল খুব ভালো, খুব সুইট। আংকেলের সাথে মজা করে কেক খেয়েছি।”
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্নার কাছ থেকে শিশুদের সার্বিক যত্ন ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে কী কী খাবার দেওয়া হয় তা বিশদভাবে জানতে চান এবং শিশুদের মানসিক বিকাশের দিকে বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দেন।
এই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত থাকা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ঢাকাসহ সারা দেশে বর্তমানে ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরা দৈনিক সাড়ে ১০ ঘণ্টা প্রাতিষ্ঠানিক সেবা পেয়ে থাকে। তেজগাঁওয়ের এই কেন্দ্রে মোট ৬০ জন শিশুর মধ্যে আজ ৫৫ জন উপস্থিত ছিল। পরিদর্শনের সময় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনও উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, শিশুদের নিষ্পাপ হাসি ও ভালোবাসার চাদরে জড়িয়ে হাত নেড়ে ‘টা-টা’ দিয়ে বিদায় নেন প্রধানমন্ত্রী।
/আশিক
অযথা হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের দিন শেষ: স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার ঘোষণা তারেক রহমানের
ভূমিসেবাকে সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার শতভাগ ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর মেগা উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাধারণ জনগণকে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সহজে ভূমিসেবা পৌঁছে দিতে সব ধরনের কার্যকর ও আধুনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনে তিন দিনব্যাপী দেশব্যাপী ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার বর্তমান সময়ের জন্য অপরিহার্য মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, “ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও সহজ করে জনগণকে সেবা দিতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছে সরকার। নাগরিকরা যাতে কোনো দালালচক্রের খপ্পরে, দুর্নীতি বা অযথা হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।”
এর আগে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছিলেন, এই বিশেষ মেলার মাধ্যমে জনগণকে আধুনিক ভূমিসেবা সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেবা প্রাপ্তি হাতের মুঠোয় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীতে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মানুষের মধ্যে যে নেতিবাচক বা ভীতিকর ধারণা ছিল, বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ে সেই অবস্থা আমূল বদলে দিতে বদ্ধপরিকর।
এ বছর দেশজুড়ে আয়োজিত ভূমিসেবা মেলার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা: সুরক্ষিত ভূমি, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ।’ এবারের মেলার মূল উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে— অটোমেটেড ভূমিসেবা সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা, ভূমি অফিসে সশরীরে না গিয়ে ঘরে বসে ই-নামজারি ও খতিয়ানসহ নাগরিকদের স্মার্ট ভূমিসেবা প্রাপ্তির বিষয়ে ধারণা দেওয়া, মেলা প্রাঙ্গণে সরাসরি ভূমিসেবা প্রদান এবং অটোমেটেড ভূমিসেবা সিস্টেম ব্যবহারে নাগরিকদের উৎসাহিত করা।
এছাড়া ঘরে বসেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদানে উৎসাহিত করে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা, মেলায় ভূমিসেবা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করা এবং সর্বোপরি সামগ্রিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা। আজ থেকে শুরু হওয়া এই মেলা প্রতিটি বিভাগ, জেলা, উপজেলা, রাজস্ব সার্কেল ও জাতীয় পর্যায়ে একযোগে আগামী তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।
/আশিক
ভূমিকম্পের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়ন ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সার্বিক সক্ষমতার উন্নয়ন এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা ও উদ্ধারকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
ফায়ার ফাইটারদের কাজের ঝুঁকি বিবেচনায় তাঁদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি ও সার্বিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে ‘ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ ২০২৬’ এর জমকালো উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্যোগ ও উদ্ধারকাজে এই বাহিনীর ত্যাগের প্রশংসা করে বলেন, “যেকোনো দুর্যোগ কিংবা বিপদে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবার আগে মানুষের পাশে ছুটে যান ফায়ার সার্ভিসের বীর সদস্যরা। তাই তাঁদের পেশাদারিত্ব বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।”
উল্লেখ্য, এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নবীন আড়াই শতাধিক সদস্য পাসিংআউট সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে বাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন। পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন নবীন সদস্যকে বুনিয়াদি পদক এবং বাহিনীতে বীরত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২০ জন সদস্যকে রাষ্ট্রীয় পদক পরিয়ে দেন মন্ত্রী। এছাড়া বিগত তিন বছরের বকেয়া কোটায় আরও ১৩৮ জন ফায়ার ফাইটারকে এই বিশেষ পদকে ভূষিত করা হয়।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ঈদুল আজহার পশুর হাটে মূল আকর্ষণ মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের ৭৬ কেজি ওজনের দানব ছাগল
- ইরান এখন বিশ্বমঞ্চে প্রভাবশালী পরাশক্তি: মোজতবা খামেনি
- এক বছরের অপেক্ষা শেষ: চলতি সপ্তাহেই বাজারে আসছে ট্রাম্প ফোন
- মেলোনিকে মেলোডি চকলেট উপহার মোদির: রোমের বৈঠকের ভিডিও ভাইরাল
- জামায়াতকে এ দেশের মানুষ কখনো ক্ষমতায় বসাবে না: মির্জা ফখরুল
- কোরবানির ঈদের মুখে বিজেপির নতুন নির্দেশিকায় বিপাকে হিন্দু খামারি ও মুসলিম ক্রেতা
- টয়লেটে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যা: পল্লবীর শিশু খুনের রোমহর্ষক জবানবন্দি
- বিদ্যুৎ খাতের নিজস্ব অনিয়ম ও অপচয়ের খেসারত দিতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের
- ৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
- ৫ বার চিঠি ও ১০টি মিটিংয়েও শোনেনি অন্তর্বর্তী সরকার: ইউনিসেফ
- ২০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২০ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২০ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নারীদের সুন্দর ও আকর্ষণীয় শারীরিক গঠন ধরে রাখার ৫টি বৈজ্ঞানিক ও টেকসই উপায়
- রাজনীতিতে অলিখিতভাবে আওয়ামী লীগ ফিরে এসেছে: মাহফুজ আলম
- পুঁজিবাজার ও এনবিআরসহ পুরো আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণের ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ
- বেতন বৈষম্য কমছে: নতুন পে স্কেলে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ঘোষণা ইরানের
- খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভোররাতে ভয়াবহ আগুন; আতঙ্কে হুড়োহুড়ি
- আজ দুপুরের মধ্যে দেশের তিন বিভাগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ করার ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় দেশের বাজারে সোনার মূল্যে বড় ছাড়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সর্বশেষ সময়সূচি
- একই ভাগে দুই ভাই মিলে কোরবানি দেওয়া নিয়ে কী বলছে ইসলামি শরিয়ত?
- পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা; ২৭ সদস্যের দলে ৪ গোলরক্ষক
- মেঘনা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তাজ ঢাকায় গ্রেফতার
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক চেঙ্গি নদীতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- তনু হত্যা মামলায় নতুন গতি: দেশ ছেড়ে কুয়েতে পালালেন সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্য শাহিন
- হিজবুল্লাহর ক্রুজ ড্রোন এখন বড় হুমকি: জরুরি বৈঠক ডেকে পিছু হটলেন নেতানিয়াহু
- ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন আসল গণতন্ত্রের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বুধবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসি দিলেই বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ইমরান খানকে সরাতে মার্কিন চাপের প্রমাণ দিল ড্রপ সাইট
- মামলা থেকে বাঁচতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
- নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী: তেজগাঁওয়ে শিশুদের মাঝে অন্য এক তারেক রহমান
- হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে বিকট বিস্ফোরণ
- ইতিহাসের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- ১৯ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- টোল না কি কৌশলগত ফাঁদ? হরমুজে ইরানের ক্রিপ্টো-বিমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়
- অযথা হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের দিন শেষ: স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার ঘোষণা তারেক রহমানের
- টাইগারদের চোখ ঐতিহাসিক জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন শান মাসুদ ও বাবর আজম
- ভূমিকম্পের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়ন ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঈদের আগে মুসলিমদের গরু কেনা বন্ধ; পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু খামারিদের মাঝে হাহাকার
- খোলা বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দামে নতুন রেকর্ড, হু হু করে বাড়ছে টাকার মান
- এক বছরে শেষ হবে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বগুড়ায় মেগা রোডম্যাপ ঘোষণা
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কুমিল্লায় সুজনের সভা: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিশেহারা পাকিস্তান: সিলেট টেস্টের রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় দিন
- রাজধানীতে আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া








