তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় বিশাল চমক: বাদ পড়লেন একঝাঁক জ্যেষ্ঠ নেতা

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনকাল শেষে আজ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বাংলাদেশে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক রাজকীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর এই নতুন সরকারে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আরও ৪৯ জন, যার মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই শপথ বাক্য পাঠ করান। এ সময় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ যেমন ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিসহ বিদেশি মেহমান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হন।
তারেক রহমানের এই নতুন মন্ত্রিসভায় এক বড় ধরনের চমক লক্ষ্য করা গেছে। এবারের মন্ত্রিসভায় অনেক তরুণ ও প্রথমবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে (এমপি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা আগামীর নেতৃত্ব তৈরিতে দলের এক বিশেষ কৌশল হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে নতুন এই প্রশাসনে চমক যেমন ছিল, তেমনি ছিল বড় ধরনের অনুপস্থিতিও। দীর্ঘ সময় রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকা বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা এবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি। এই তালিকায় রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির হেভিওয়েট সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান। এছাড়া আমানউল্লাহ আমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুও নতুন এই সরকারের অংশ হননি।
মন্ত্রিপরিষদে স্থান না পাওয়া এই জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অনেকেই অতীতে বিএনপি সরকারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছিলেন। তবে নজরুল ইসলাম খান, শামসুজ্জামান দুদু এবং রুহুল কবির রিজভী কখনোই সরকারের কোনো মন্ত্রী পদে আসীন হননি। অভিজ্ঞ ও পোড়খাওয়া এসব নেতাকে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখার বিষয়টি নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষ ও অভিজ্ঞদের একটি অংশকে হয়তো দল পরিচালনা বা সংসদীয় অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে বিএনপি। রাজপথের লড়াই থেকে উঠে আসা এই বিশাল রাজনৈতিক শক্তির মধ্য থেকে কাকে কোন দায়িত্বে রাখা হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিশ্লেষণ অব্যাহত রয়েছে।
নবনির্বাচিত এই সরকারের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো রাষ্ট্র সংস্কার এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের সরব উপস্থিতি এবং বিদেশি নেতাদের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিকভাবে এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আজ বিকেলে দক্ষিণ প্লাজার সেই আলো ঝলমলে পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দলের সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত সরকারের যুগে পদার্পণ করলো। এখন দেখার বিষয়, প্রবীণদের অভিজ্ঞতা আর নবীনের শক্তিকে সমন্বয় করে তারেক রহমানের এই মন্ত্রিসভা আগামীর বাংলাদেশকে কোন পথে নিয়ে যায়।
/আশিক
হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসি দিলেই বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ভারতে বসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানাভাবে বাংলাদেশের মানুষকে উত্যক্ত ও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন এবং তাঁকে অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাতে পারলেই সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা চিরতরে বন্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার আমঝোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক খাদেমুলের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কড়া কথা বলেন।
সীমান্তবর্তী এলাকায় দাঁড়িয়ে ওপার বাংলার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ও কট্টরপন্থী আগ্রাসনের কঠোর সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তারা বাংলাদেশিদের অত্যন্ত নীচু জাতি হিসেবে বিবেচনা করে এবং সেখানে মুসলমানদের ওপর সুনির্দিষ্টভাবে অত্যাচার চালাতে চায়। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের আপামর মানুষের ওপর ও সীমান্তের নিরীহ নাগরিকদের ওপর নগ্ন আগ্রাসন চালিয়ে আসছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, ভারত আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়া এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ করার মাধ্যমে চারদিকে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে এবং এখন ক্ষমতার জোরে এটি আরও বড় আকারে চালাতে চাইবে, যা রুখতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এখনই শক্ত অবস্থান নিতে হবে। বাংলাদেশের যুবসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে ভারতের একটি সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ‘প্রজেক্ট’ বা পরিকল্পনা রয়েছে দাবি করে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, বাংলাদেশের তরুণরা যখন রাজনৈতিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে, তখন ভারত সরকার একটি বিশেষ নীল নকশা হাতে নিয়েছে।
তারা ফেনসিডিল ও ইয়াবার মতো মারাত্মক সব মাদক এ দেশে পাচার করে আমাদের যুবসমাজকে সুপরিকল্পিতভাবে নষ্ট করতে চায়, যাতে সহজেই বাংলাদেশকে কবজা করা যায়; এবং তারা প্রতিনিয়ত এই অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দল-মতের ঊর্ধ্বে ওঠার তাগিদ দিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, “আপনারা যে যার মতো রাজনীতি করেন, তাতে সমস্যা নেই। বিএনপি, এনসিপি কিংবা জামায়াত—যার যার দল করুন, কিন্তু যখন প্রশ্ন আসবে সীমান্তের মানুষের নিরাপত্তার, তখন আমাদের একটাই দল, আর তা হলো ‘বাংলাদেশ’। সরকার যদি নিজেকে প্রকৃত জাতীয়তাবাদী দাবি করে, তবে দিল্লির সামনে তাদের মেরুদণ্ড সোজা করতে হবে।”
তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করে বলেন, বর্ডার ক্রাইসিস ও চোরাচালানের সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের ভেতরে থাকা কিছু অসাধু পক্ষ জড়িত রয়েছে; এই চক্রগুলো যদি নিজেদের শুধরে নেয়, তবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কোনোভাবেই আমাদের ওপর গুলি চালানোর সাহস পাবে না। ঐতিহাসিক কুড়িগ্রামের বড়াইবাড়ি সীমান্তে বিএসএফকে বিজিবির (তৎকালীন বিডিআর) দাঁতভাঙা জবাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি হুঙ্কার ছাড়েন, ভারতীয় বাহিনী চীনের সঙ্গে শক্তিতে পারে না, আর আমাদের সীমান্ত পাহারা যদি ঠিক থাকে তবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গেও কোনোদিন পেরে উঠবে না।
ঐতিহাসিক উক্তি ও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনৈতিক দর্শনের তুলনা টেনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দিতে বলেছিলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন—‘ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা’। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বর্তমানে যিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছেন, তাঁর হাতে অদৃশ্য এক গোলামির জিঞ্জির পড়ে গেছে। আমাদের দায়িত্ব হলো আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে সেই গোলামির জিঞ্জির থেকে মুক্ত করে দেশের স্বাধীনতার আসল পতাকা তাঁর হাতে তুলে দেওয়া।”
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে নাসিরুদ্দিন বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনীতির মূল দুটি বড় গুণ ছিল—একটি তীব্র জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং অপরটি ধর্মীয় ও ইসলামী মূল্যবোধ। এই দুটোর সফল সংমিশ্রণ ঘটিয়েই তিনি এ দেশে স্বৈরাচারবিরোধী সফল গণতন্ত্রের ডাক দিয়েছিলেন। তবে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক শক্তির কড়া সমালোচনা করে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে, বর্তমানে যারা নিজেদের জাতীয়তাবাদী শক্তি বলে দাবি করছে, আমরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাঝে জাতীয়তাবাদী চেতনা কিংবা মৌলিক ইসলামী মূল্যবোধের কোনোটিই দেখতে পাচ্ছি না; এরা কার্যত এক প্রকার গণতন্ত্রকে এরই মধ্যে হত্যা করেছে।
ভবিষ্যতে এনসিপি ক্ষমতায় গেলে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে একটি চরম শক্তিশালী ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দেন। এই সীমান্ত সফরে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক রাসেল আহমেদ, দলীয় নেতা রকিসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দীর্ঘ রাজনৈতিক নীরবতা ভেঙে আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত দ্রুত এবং ‘মাথা উঁচু করে’ বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতীয় প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’কে দেওয়া এক বিশেষ ও একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রূপরেখা, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় কথা বলেছেন।
সাক্ষাৎকারে নিজের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক টিকে থাকা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, “অতীতে বহুবার আমাকে সশরীরে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগকে দমন করা যায়নি।” তাঁর দাবি, সৃষ্টিকর্তা তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বলেই তিনি আবারও দেশে ফিরে জনগণের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।
আওয়ামী লীগের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক নিপীড়ন প্রসঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরও দলকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু আওয়ামী লীগ ফিনিক্স পাখির মতো আরও শক্তিশালী হয়ে রাজনীতিতে ফিরে এসেছিল।
তিনি দাবি করেন, দেশে এখনো দলের বিপুলসংখ্যক সমর্থক ও নেতাকর্মী অক্ষত রয়েছেন এবং তাঁরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিজেদের মতো করে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। একই সঙ্গে দল আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হয়ে রাজপথে ফিরে আসবে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় হোমওয়ার্ক ও প্রস্তুতি বর্তমানে নীরবে চলছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ স্বেচ্ছায় বা আনন্দের আতিশয্যে দেশ ছাড়েননি; বরং জীবন বাঁচানোর তাগিদে এবং চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেকেই বাধ্য হয়ে বিদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশে বর্তমানে অসংখ্য নেতাকর্মী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হত্যা ও রাজনৈতিক মামলার শিকার হচ্ছেন।
বর্তমানে বিদেশে থাকা দলের শীর্ষ ও মধ্যম সারির নেতারা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের এই অস্থিতিশীল মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরছেন বলেও দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিনের সংবেদনশীল ইস্যু ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ‘ভারতপন্থি’ হওয়ার অন্ধ অভিযোগ তুললেও, দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো চুক্তির একটি প্রমাণও আজ পর্যন্ত কেউ দেখাতে পারেনি।”
এই প্রসঙ্গে তিনি তাঁর সরকারের আমলে সম্পাদিত ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি চুক্তি, আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং স্থলসীমান্ত (ছিটমহল) চুক্তির মতো যুগান্তকারী বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় এবং প্রতিটি দ্বিপক্ষীয় দরকষাকষিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।
/আশিক
ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন
আগামীতে অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য আনুষ্ঠানিক মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীরসাহেব চরমোনাই)।
প্রার্থীদের নাম ঘোষণাকালে দলের আমির স্পষ্ট করে জানান, “সারাদেশে যেকোনো স্থানীয় নির্বাচনে আমরা এককভাবেই অংশগ্রহণ করব। আমরা কোনো রাজনৈতিক জোটে যাব না।” নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (DNCC) দলটির হয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (DSCC) মেয়র পদে লাঙল চিহ্নের বিরুদ্ধে লড়বেন দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা শেখ ফজলুল করিম মারুফ। দুই সিটিতে একক প্রার্থী দেওয়ার এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজপথের পর এবার নির্বাচনী মাঠেও নিজেদের একক শক্তির জানান দিল চরমোনাই পীরের দল।
/আশিক
ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ নারীদের জন্য সেফগার্ড: নুরুল হক নুর
গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পারিবারিক নির্যাতন থেকে সুরক্ষার হাতিয়ার হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ একটি ঢাল বা সেফগার্ড হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের বুধবারিয়া বাজারে এক ভার্চুয়াল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাগুলো মূলত পরিবারের মা-বোনদের দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গ্রামাঞ্চলে নারী সদস্যদের ওপর পুরুষ সদস্যরা নানানভাবে অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতন করে থাকেন, জিম্মি করে থাকেন।
যৌতুকের জন্য কিংবা শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য নানা অজুহাত দেন। ফ্যামিলি কার্ড আমাদের নারীদের জন্য সেফগার্ড।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিশ্রমী নারীরা এই কার্ডের আড়াই হাজার টাকা জমিয়ে একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারবেন।
রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রকৃত দুস্থদের মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে জানিয়ে মো. নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের সময় অনেকেই ডিস্টার্ব করলেও সরকার তা বিবেচনায় নেয়নি। সামাজিক সুরক্ষা, কৃষক বা প্রবাসী কার্ড—যোগ্য সবাই পাবেন।
চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল উদ্বোধনের সাথে একযোগে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নদীবেষ্টিত চরবিশ্বাস ও চরকাজল ইউনিয়নে এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম চালু করা হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০টি জেলায় একযোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে গলাচিপা-দশমিনা এলাকায় বেশ কয়েকটি খাল খনন প্রকল্পসহ রাস্তাঘাট ও ব্রিজের ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। অতীত সরকারের দুর্নীতি ও নামমাত্র কাজের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “বিগত দিনে অনেকেই অল্প কাজ করে সব সাবার করে দিয়েছেন।
এবার খাল খননের সাথে যারা জড়িত থাকবেন, তারা শতভাগ কাজ করবেন। সরকারি টাকায় কাজগুলো মানসম্পন্ন হচ্ছে কি না, তা সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই দেখতে হবে।”
গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক এবং স্থানীয় বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আওয়ামী লীগের মতোই মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: সারজিস আলম
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির বিরুদ্ধে দেশের গণমাধ্যম বা মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি দাবি করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই একই কায়দায় কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এনসিপির এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সারজিস আলম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে মূলত বেগম খালেদা জিয়া ও মেজর জিয়াকে সামনে রেখে। তারেক রহমান তাঁর যোগ্য পিতা-মাতার উত্তরসূরী হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন, তবে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগাবেন কি না তা তাঁর সিদ্ধান্তের বিষয়। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আওয়ামী লীগের সময়ে যেভাবে মিডিয়া দখল করা হতো, এখন একই কায়দায় মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়; তখন আমরা আগের যে বাংলাদেশ ছিল—সেই বাংলাদেশের লক্ষণ আমরা আবারও দেখতে পাই।"
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতির সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, অভ্যুত্থানের আগেও দেশে চাঁদাবাজি হতো এবং এখনও হচ্ছে। যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়ে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, সেই একই কাজ যদি বিএনপির নেতাকর্মীরাও করতে থাকে, তবে আগামীর রাজনীতিতে কেউ আর টিকে থাকতে পারবে না। ক্ষমতায় আসতে না আসতেই যারা এমন কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, তাদের হাতে বাংলাদেশ নিরাপদ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় নির্বাচনের হিসাব টেনে এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক বলেন, নির্বাচনে বিএনপিকে ৫০ শতাংশ মানুষ ভোট দিলেও বাকি অর্ধেক মানুষ কিন্তু তাদের ভোট দেয়নি। আর যারা ভোট দিয়েছে, তারাও ক্ষমতার মাত্র তিন মাস যেতে না যেতেই বিএনপির ওপর চরম হতাশ হয়ে পড়েছে এবং মনে করছে দল নিশ্চিতভাবে তাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তিনি জনগণকে এই প্রতারণার কথা মনে রেখে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব আতিকুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব এ বি এম গাজী সালাউদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন এবং জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন প্রমুখ।
/আশিক
ভারতকে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি
ভারতের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "বাংলাদেশ কারো রক্তচক্ষু বা চোখ রাঙানি সহ্য করবে না। বন্ধু, এটা তিতুমীর, হাজী শরীয়তউল্লাহ ও শাহমখদুমের বাংলাদেশ; এই দেশের দিকে কালো হাত বাড়ালে এ দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে।" শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে ১১ দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান বজায় রাখার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির ভারতে মুসলিমদের নাজেহাল করা এবং বাংলাদেশের দিকে 'লাল চোখ' দেখানোর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। ফারাক্কা বাঁধের কারণে দেশের এক-চতুর্থাংশ মরুভূমি হয়ে গেছে মন্তব্য করে তিনি বর্তমান সরকারের 'পদ্মা ব্যারেজ' ঘোষণার সাধুবাদ জানান, তবে এটি যেন লোকদেখানো না হয় সে বিষয়ে সতর্ক করেন।
একই সঙ্গে সরকার ঘোষিত 'খাল খনন' কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, "খালের পানির উৎস হচ্ছে নদী। নদীই যদি মৃতপ্রায় থাকে, তবে খালের পানি আসবে কোথা থেকে? খাল কাটা কর্মসূচি যদি কেবল জনগণের মানসিক প্রশান্তির জন্য হয়, তবে তা বুমেরাং হবে। আগে নদী বাঁচান, নদী যৌবন ফিরে পাক।"
বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, "যে পথ দিয়ে স্বৈরাচার হেঁটেছিল, একই পথ দিয়ে আপনারাও হাঁটছেন। মনে রাখবেন, এ সংসদের মেয়াদ মাত্র আড়াই মাস। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না।
ভালো কাজে আমরা পানির মতো তরল, কিন্তু মন্দ কাজে ইস্পাতের চেয়েও কঠিন হব।" তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে তাদের ইশতেহারে অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় এসে ৪২টি জেলায় প্রশাসক নিয়োগ করেছে, যা তাদের সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সাথে সরাসরি গাদ্দারি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণদের সরকারি দলের একাংশ কর্তৃক ‘শিশু পার্টি’ বা ‘গুপ্ত’ বলে উপহাস করার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি একে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটের রায়কে অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করলে সরকারকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
জামায়াতকে লক্ষ্য করে দেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক হুমকির জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা স্পষ্ট করে বলেন, "যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তায় দাঁড়াতে পারে, তাদের ভয় দেখাবেন না। সংসদে কথা বলতে অনুমতি লাগে; যদি সেখানে আমাদের কথা বলতে দেওয়া না হয়, তবে আমরা জনগণের পার্লামেন্টে (রাজপথে) চলে আসব, যেখানে কথা বলতে কারও অনুমতি লাগে না।"
রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক রফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এই মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ (বীর বিক্রম), জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সারজিস আলমসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
/আশিক
আওয়ামী লীগ ফিরলে প্রথম গুলিটি চালাবে তারেক রহমানের ওপর: নাসীরুদ্দীন
আওয়ামী লীগ যদি কখনো দেশে ফিরে আসার সুযোগ পায়, তবে তারা প্রথম হামলা বা গুলি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর চালাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার চক্রান্ত ও আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারকে সতর্ক করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তরুণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, “যদি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসতে পারে, তাহলে তারা প্রথম কোপ, প্রথমে গুলি চালাবে তারেক রহমানের ওপরে।
আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানা উচিত—সেই সময় তারা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছিল।” তিনি জিয়াউর রহমানের পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ধরনের আপস (কম্প্রোমাইজ) না করার আহ্বান জানান এবং মনে করিয়ে দেন যে তারা সবাই এখনো একই ফ্রন্টে যুদ্ধ করছেন।
সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের সমালোচনা করে এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “উন্নয়নের নামে সরকার নানা ধরনের কার্ড দিচ্ছে। সেই কার্ডগুলোতে যদি সাধারণ মানুষের টাকা না আসে, তবে আমরাও সরকারকে একটা কার্ড দেখাব, আর সেই কার্ডের নাম হলো লাল কার্ড।”
রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নে ঢিলেমি করা হলে সরকারের স্থায়িত্ব সংকটে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যদি আপনি (তারেক রহমান) সংস্কার বাস্তবায়ন না করেন, তাহলে দেশে আপনার গদি থাকবে কি না—সেই নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারি না। কারণ জনগণ ভোট ও ম্যান্ডেট দিয়েছে। এই জনগণের বাক্সে যদি কেউ লাথি মারতে চায়, আমরাও তার গদিতে লাথি মারতে কোনো কুণ্ঠাবোধ করব না।”
ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, মওলানা ভাসানী যে রাজশাহী থেকে ভারতের বিরুদ্ধে পানির ন্যায্য অধিকারের ডাক দিয়েছিলেন, বিএনপি আজকে তাঁর সেই ‘মার্কা’ বা রাজনৈতিক ঐতিহ্য চুরি করেছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি বর্তমানে ভারতের বিরুদ্ধে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি অবলম্বন করছে। যদি তারা ভাসানীর মার্কা ব্যবহার করতে চায়, তবে ভাসানীর আপসহীন নীতিও গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় সেই মার্কা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
যোগদান অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এনসিপি নেতা সারজিস আলম বলেন, “তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মূলত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে সামনে রেখে।” তবে গণঅভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী ধারার মতো বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তারা গভীর শঙ্কিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
/আশিক
ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করেছে এই সরকার: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের ‘স্মার্ট কার্ড’ প্রকল্পকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল হিসেবে আখ্যা দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন প্রকল্পগুলোকেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বুধবার (১৩ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, কৃষকের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে সরকারকেও ‘লাল কার্ড’ দেখানো হবে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘শেখ হাসিনা স্মার্ট কার্ডের নামে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে। এখন নতুন প্রকল্প এসেছে—খাল কাটার প্রকল্প, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড। আমরাও কার্ড এনেছি, লাল কার্ড। এগুলো বিফলে গেলে আমরা লাল কার্ড দেখাবো।’ তিনি অভিযোগ করেন, বাজেটে কেবল কার্ড হাতে ধরিয়ে দিলেই হবে না, কৃষক প্রকৃতপক্ষে কতটুকু সুবিধা পাচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে।
ধান কেনার মৌসুমে সরকারি শর্ত এবং অসময়ের অতিবৃষ্টিতে কৃষকের সংকটের কথা উল্লেখ করে এনসিপি নেতা বলেন, ‘ধান মার্কা ক্ষমতায় থাকলেও আসল ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।’ তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ দাবি করেন, যেখানে কৃষকের বাস্তুভিটা থেকে শুরু করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় তিনি ইউনিয়নভিত্তিক সরকারি গুদামঘর চালুর জোরালো দাবি জানান।
নির্বাচন পরবর্তী বর্তমান সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেন, নির্বাচনের আগে এই সরকার ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বা পানি বন্টন নিয়ে এত বড় বড় ইস্যু থাকার পরও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শক্ত প্রতিবাদ বা অবস্থান দেখা যাচ্ছে না।
/আশিক
সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মোরসালিনের কবর জিয়ারত শেষে সীমান্ত হত্যা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে এক আবেগঘন ও কড়া বক্তব্যে তিনি সরকারের সীমান্ত নীতি এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের কার্যকারিতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শেখ হাসিনার নাগরিকত্ব ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “শেখ হাসিনা বাংলাদেশি নাকি ইন্ডিয়ান? যদি বাংলাদেশি হন, তবে তাকে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হোক।” পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সূত্র ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে যে দ্বিচারিতা চলছে, তার স্পষ্ট জবাব জনগণের কাছে থাকা প্রয়োজন।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে এক অভিনব পরিকল্পনার কথা জানান এই এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, “আমরা সরকার গঠন করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খন্দকের যুদ্ধের মতো বড় বড় খাল খনন করবো।” তার মতে, এর ফলে মাদক পাচার স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। একইসাথে দেশে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজার অবাধ প্রবেশের জন্য স্বরাষ্ট্র বিভাগের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে এবং সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দিকে ‘লংমার্চ’ করার হুঁশিয়ারি দেন নাসীরুদ্দীন। কসবা আসার পথে তাকে বিভিন্ন স্থানে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি বাংলাদেশের নাগরিক, আমি কোথায় যাব তা অন্য কেউ ঠিক করে দিতে পারে না।”
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- একই ভাগে দুই ভাই মিলে কোরবানি দেওয়া নিয়ে কী বলছে ইসলামি শরিয়ত?
- পর্তুগালের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা; ২৭ সদস্যের দলে ৪ গোলরক্ষক
- মেঘনা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তাজ ঢাকায় গ্রেফতার
- নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক চেঙ্গি নদীতে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
- তনু হত্যা মামলায় নতুন গতি: দেশ ছেড়ে কুয়েতে পালালেন সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্য শাহিন
- হিজবুল্লাহর ক্রুজ ড্রোন এখন বড় হুমকি: জরুরি বৈঠক ডেকে পিছু হটলেন নেতানিয়াহু
- ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ এখন আসল গণতন্ত্রের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- বুধবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসি দিলেই বন্ধ হবে সীমান্ত হত্যা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- ইমরান খানকে সরাতে মার্কিন চাপের প্রমাণ দিল ড্রপ সাইট
- মামলা থেকে বাঁচতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা এখন ভুঁইফোঁড় সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
- নিরাপত্তার কড়া দেয়াল ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী: তেজগাঁওয়ে শিশুদের মাঝে অন্য এক তারেক রহমান
- হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে বিকট বিস্ফোরণ
- ইতিহাসের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- দ্রুতই মাথা উঁচু করে দেশে ফিরব: আনন্দবাজারের সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা
- ১৯ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৯ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- টোল না কি কৌশলগত ফাঁদ? হরমুজে ইরানের ক্রিপ্টো-বিমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়
- অযথা হয়রানি ও ঘুষ বাণিজ্যের দিন শেষ: স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনার ঘোষণা তারেক রহমানের
- টাইগারদের চোখ ঐতিহাসিক জয়ে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন শান মাসুদ ও বাবর আজম
- ভূমিকম্পের আশঙ্কায় ফায়ার সার্ভিসের উন্নয়ন ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ঈদের আগে মুসলিমদের গরু কেনা বন্ধ; পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু খামারিদের মাঝে হাহাকার
- খোলা বাজারে ডলার ও পাউন্ডের দামে নতুন রেকর্ড, হু হু করে বাড়ছে টাকার মান
- এক বছরে শেষ হবে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বগুড়ায় মেগা রোডম্যাপ ঘোষণা
- ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের পূর্ণ অধিকার রয়েছে: রাশিয়া
- ইতিহাসের পাতায় নেইমার: কাফু-রোনালদোদের এলিট ক্লাবে হানা দিলেন ১০ নম্বর
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সর্বশেষ সময়সূচি
- আজকের গোল্ড আপডেট: মঙ্গলবার দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে সোনার নতুন দাম
- দিল্লির মানচিত্র ও ভূগোল বদলে দেব ভারতকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর চূড়ান্ত হুমকি
- এক সপ্তাহে বেইজিংয়ে ট্রাম্প ও পুতিন: স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী বিরল ঘটনার সাক্ষী বিশ্ব
- দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিশ্চিত হাম রোগীর গ্রাফ
- চরভদ্রাসনে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১৭ বছর মানুষ মানসিক যন্ত্রণায় ছিল, কথা বলতে পারেনি: সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী
- কোলম্যানকে না বলে দিল বাংলাদেশ: আজ বা কালই আসছে নতুন কোচ
- কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন
- ইরানের রাস্তায় গান কিওস্ক: নারীদের দেওয়া হচ্ছে একে-৪৭ রাইফেল চালনার ট্রেনিং
- ঈদের আনন্দ মাটি করতে পারে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়
- আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন থাকবে ১০ এলাকা
- বাস্তবায়ন নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না কুমিল্লা বিভাগ
- ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল ইসলামী আন্দোলন
- ওয়াশিংটনে ইরানের নতুন সংশোধিত শান্তি প্রস্তাব জমা দিল পাকিস্তান
- পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হচ্ছে ইমাম ও পুরোহিত ভাতা
- দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই গালি দিতেন: সিইসি
- সিলেটে জিততে হলে বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে: জয়ের সুবাসে টাইগাররা
- র্যাবকে এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচালনায় নতুন আইন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার
- ১৮ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- সোনার বাজারে আগুনের হল্কা: নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে ২২ ক্যারেট
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৮ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পুর্নাংগ বিশ্লেষণ
- শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট, ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- কুমিল্লায় সুজনের সভা: গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা
- হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিরল ঐকমত্য
- নবম পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে
- যে ৫ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আশঙ্কা
- রাজধানীতে আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া
- কৃষক কার্ডে মিলবে ১০ সুবিধা, জানাল সরকার








