বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম: আসছে একগুচ্ছ বড় পরিবর্তন

শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি এবং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০টি অঙ্গরাজ্যের দায়ের করা মামলা এবার জুরি ট্রায়ালের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক ইভন গনজালেস রজার্সের এজলাসে এই ঐতিহাসিক মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হতে চলেছে। ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের দায়ে দায়েরকৃত এ মামলায় বাদীপক্ষ মেটার বিরুদ্ধে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি জরিমানা দাবি করেছে। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সামগ্রিক পরিচালনা পদ্ধতিতে আমূল সংস্কার আনার দাবি জানানো হয়েছে।
মামলার নথিতে অভিযোগ করা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ও ফিচারগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণদের দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে আটকে রেখে মারাত্মক আসক্তি তৈরি করে। অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে প্ল্যাটফর্মগুলোতে লাইক গণনা ব্যবস্থা বাতিল, ইনফিনিট স্ক্রোল বন্ধ, ভিডিওর অটো-প্লেব্যাক অপসারণ, অবাস্তব ইমেজ ফিল্টার নিষিদ্ধ, একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ এবং নির্ধারিত সময় পর মুছে যাওয়া ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজের মতো সুবিধা বাতিলের দাবি তোলা হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের যাচাইকরণ প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মেটা কর্তৃপক্ষ অবশ্য বরাবরই এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে আসছে। তাদের দাবি, তরুণ ব্যবহারকারীদের মানসিক সুরক্ষায় তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং আদালতে নিজস্ব অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করবে।
এর আগে সম্প্রতি নিউ মেক্সিকোর একটি আদালত মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করার পাশাপাশি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর প্রতিষ্ঠান হিসেবেও অভিহিত করেছিল। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ৩০টি অঙ্গরাজ্যের এই সমন্বিত মামলায় মেটা হেরে গেলে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পরিচালনার কাঠামোয় বড় ধরনের স্থায়ী পরিবর্তন আসবে।
/আশিক
অ্যাপ ইনস্টল না করেই সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর উপায় চালু করল ট্রুকলার
স্মার্টফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা ফোনকল শনাক্ত করার পাশাপাশি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা প্রতারণামূলক লিংক, ফোন নম্বর ও বার্তা যাচাইয়ের সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ট্রুকলার। 'স্ক্যাম চেকার' নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট ও অ্যান্ড্রয়েড সেবা উন্মুক্ত করেছে সুইডেনভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে কোনো ধরনের অ্যাপ ইনস্টল করা কিংবা অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করা ছাড়াই ব্যবহারকারীরা সন্দেহজনক তথ্য পরীক্ষা করার সুবিধা পাবেন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই ফিচারটি প্রথম ধাপে ভারতে চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে লাতিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ধাপে ধাপে এটি সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো সন্দেহজনক নম্বর, ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা সম্পূর্ণ মেসেজ কপি করে পেস্ট করে সরাসরি পরীক্ষা করতে পারবেন। কোনো লিংক স্ক্যান করার জন্য জমা দেওয়া হলে সার্ভিসটি সেটির মূল ইউআরএল বের করতে প্রয়োজনে ভেতরের রিডাইরেক্টগুলো একের পর এক খুলবে। এরপর ওয়েব ঠিকানাটির বিস্তারিত তথ্য ট্রুকলারের নিজস্ব ঝুঁকি শনাক্তকরণ ডেটাবেস এবং স্ক্যাম সম্পর্কিত সংকেতগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখে সেটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই পদ্ধতিতে কোনো বার্তা বা মেসেজ পরীক্ষা করার সময় সেটিতে থাকা ফোন নম্বর ও লিংক আলাদা করে বিশ্লেষণ করবে ট্রুকলার।
এই পুরো ঝুঁকি শনাক্তকরণ কার্যক্রমে ট্রুকলার ব্যবহারকারীদের প্রদান করা রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি 'স্ক্যামফিড' মুখ্য ভূমিকা রাখছে। ভারতে বর্তমানে এই স্ক্যামফিডে ২০ হাজারের বেশি সক্রিয় প্রতারণার তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন করে আরও অন্তত ১৩০০টি প্রতিবেদন সেখানে যুক্ত হচ্ছে। ট্রুকলারের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ১৪ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১২.৯ বিলিয়ন মেসেজ পরীক্ষা করে প্রায় ২ কোটি ৩ লাখ বার্তাকে ভুয়া ও বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কোনো ফোন নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির নির্দিষ্ট নাম দেখতে হলে ব্যবহারকারীকে ট্রুকলারের মূল অ্যাপ বা সার্ভিসে সাইন ইন করতে হবে।
ডিজিটাল জগতে সময়ের সঙ্গে প্রতারণার ধরন ও কৌশলে পরিবর্তন আসায় কেবল ফোনকল শনাক্ত করে ব্যবহারকারীকে শতভাগ সুরক্ষার আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্রুকলার জানিয়েছে, বর্তমানে কল ছাড়াও বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ, এসএসএস ও লিংকের মাধ্যমে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছে। ২০২৫ সালের জিএসএমএ জরিপের তথ্যমতে, ভারতের ৪৬ শতাংশ ভুক্তভোগী মেসেজিং অ্যাপ, ৩৭ শতাংশ এসএমএস এবং ৩২ শতাংশ ভয়েস কলের মাধ্যমে প্রতারকদের শিকার হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ বার ওয়েবে সন্দেহজনক লিংক ও ফোন নম্বর যাচাইয়ের কাজ চলে।
ভবিষ্যতে এই স্ক্যাম চেকারে নতুন ধরনের প্রতারণা শনাক্তকরণ ব্যবস্থার পাশাপাশি মেসেজের স্ক্রিনশট আপলোড করে তা সরাসরি বিশ্লেষণের সুবিধা যোগ করার প্রস্তুতি চলছে। ফলে কল আইডেন্টিফিকেশন সেবার পরিধি বাড়িয়ে ভুয়া কল, বার্তা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে কাজ করছে ট্রুকলার।
/আশিক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যে ৫টি প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হতে পারে
প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের প্রভাব দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ কাজকর্ম সম্পন্ন করা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নানান অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও মানুষ এখন ক্রমবর্ধমানভাবে এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তবে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের নির্ভরতা নিয়ে চরম সতর্কতা জারি করেছেন। তাদের মতে, কোনো অবস্থাতেই এআই মানুষের বিকল্প কিংবা প্রকৃত বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না। বিশেষ করে ব্যক্তিগত সৌন্দর্য, মানুষের আবেগ, বুদ্ধিমত্তা কিংবা অর্থসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে এআইয়ের ওপর অন্ধভাবে ভরসা করা বিপজ্জনক হতে পারে।
প্রযুক্তির নানা সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকির কারণে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এআইয়ের মুখোমুখি হওয়া বা এর মতামত চাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে প্রথমেই আসে চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়নের বিষয়টি। পোশাক বা ব্যক্তিগত আকর্ষণ নিয়ে এআই যা বলে, তা সবসময় বাস্তবসম্মত নয়। বেশিরভাগ এআই মডেলকেই ব্যবহারকারীর সঙ্গে ইতিবাচক ও মনোরম ভঙ্গিতে কথা বলার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের বিকল্প হতে পারে না।
একইভাবে আবেগ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায় এআইয়ের মতামত চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া যাবে না। কেউ আপনাকে ভালোবাসে কি না বা কারো মনে আপনার জন্য কী অনুভূতি রয়েছে—এ ধরনের প্রশ্নে এআই হয়তো সহানুভূতিশীল জবাব দেবে, কিন্তু মানুষের জটিল মানসিক অনুভূতি ও আচরণ অনুধাবন করার ক্ষমতা তার নেই। যেকোনো মানসিক সংকট বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে কৃত্রিম যন্ত্রের বদলে বিশ্বস্ত মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
এ ছাড়া নিজের ব্যক্তিগত বুদ্ধিমত্তা, যোগ্যতা কিংবা আত্মমর্যাদা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এআইয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ। বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করার সক্ষমতা থাকলেও এআই কোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব, নিজস্ব ক্ষমতা ও সামগ্রিক মূল্যবোধ সঠিকভাবে পরিমাপ করতে পারে না। ফলে এর কোনো ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্যকে নিজের চূড়ান্ত মূল্যায়ন হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হবে না।
জরুরি অর্থসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও এআইয়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিনিয়োগ, ঋণগ্রহণ বা সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে এআই যেসব পরামর্শ দেয়, তা যাচাই না করে প্রয়োগ করা মোটেও ঠিক নয়। কারণ ব্যক্তির নিজস্ব আর্থিক অবস্থা, স্থানীয় আইনি রূপরেখা এবং পরিবর্তনশীল বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে কেবল একজন পেশাদার আর্থিক পরামর্শকই সক্ষম।
একই সঙ্গে জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সামাজিক সহায়তার বিকল্প কখনো প্রযুক্তি হতে পারে না। কাজের নির্দেশনা বা তথ্য সরবরাহে এআই দক্ষ হলেও বিপদের মুহূর্তে সরাসরি পাশে দাঁড়ানো, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বা মানবিক সহানুভূতি প্রকাশের কাজগুলো এআইয়ের পক্ষে করা অসম্ভব। মূলত উপাত্ত ও অ্যালগরিদমের ওপর ভর করে চলা এআইয়ের নিজস্ব কোনো ইচ্ছা বা অনুভূতি নেই। তাই একে জীবনের প্রধান ভরসা না বানিয়ে শুধুমাত্র একটি সাধারণ সহায়তামূলক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পন্থা।
/আশিক
যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় আইনি পদক্ষেপ: আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ইস্যুতে ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার গুরুতর অভিযোগে বড় ধরনের আইনি চাপে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এবং টিকটকের মাদার কোম্পানি বাইটড্যান্স। তথ্য সুরক্ষায় নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি ফেসবুককে ৪৩টি অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অপরদিকে আলাবামায় বিচারিক শুনানির মুখে টিকটক ও বাইটড্যান্স ১০ কোটি ডলারের আর্থিক সমঝোতা করতে বাধ্য হয়েছে।
নিউ মেক্সিকো রাজ্যের দায়ের করা মামলাটি মূলত আলোচিত কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি ও তথ্যের সার্বিক সুরক্ষা কেন্দ্রিক। জুরি বোর্ড দেখেছে যে, ফেসবুক তাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে তৃতীয় পক্ষের একটি পার্সোনালিটি কুইজের মাধ্যমে প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করতে সাহায্য করেছিল। এসব গোপন তথ্য রাজনৈতিক কনসাল্টিং ফার্ম কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, যা ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়।
আদালত নিশ্চিত করেছেন যে, কেলেঙ্কারি প্রকাশের পরেও ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহকারী থার্ড-পার্টি নিয়ে অনুসন্ধানের বিষয়ে মেটা সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করেছিল এবং কেবল নিউ মেক্সিকোরই প্রায় ২০ লাখ মানুষের সুরক্ষা ইস্যুতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। তবে মেটার মুখপাত্র অ্যালেক্স বার্গোস আদালতের এই রায় প্রত্যাখ্যান করে রায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অপরদিকে, আলাবামায় অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ের করা মামলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত ১০ কোটি ডলার দিয়ে আইনি সমঝোতায় সম্মত হয়েছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক ও বাইটড্যান্স। আলাবামা রাজ্য প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, টিকটকের অ্যালগরিদম অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ ব্যবহারকারীদের কাছে ক্রমাগত ক্ষতিকর ও সহিংস কনটেন্ট পৌঁছে দিয়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। এছাড়া মার্কিন নাগরিকদের তথ্য চীনা সরকারের হাতে পৌঁছানো এবং অ্যাপ স্টোরে ভুয়া রেটিং ব্যবহারের বিষয়ে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অসত্য তথ্যের অভিযোগ আনা হয়।
মামলার সমঝোতার শর্তানুযায়ী, টিকটক রাজ্য প্রশাসনকে চুক্তি অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ আর্থিক অর্থ পরিশোধ করার পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মে পরিবর্তন আনছে। এখন থেকে দৈনিক অ্যাপ ব্যবহারের সময়সীমা সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টায় সীমিত করা, ১৫ মিনিট পরপর বিরতির সুযোগ এবং ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের কঠোর অ্যালগরিদম নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে টিকটক। পূর্বেও শিশুদের গোপনীয়তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাথে ৪০ কোটি ডলার পরিশোধ করে আইনি ঝামেলা চুকিয়েছিল ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটি।
/আশিক
ভুয়া বিজ্ঞাপনের অভিযোগে গ্রাহকদের কোটি কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে আইফোন নির্মাতা
আইফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিচারের সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে গ্রাহকদের মোট ২৫ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের পক্ষ থেকে দায়ের করা একটি শ্রেণিভিত্তিক মামলা বা ‘ক্লাস অ্যাকশন স্যুট’ সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করার অংশ হিসেবে এই বিশাল অর্থ পরিশোধ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
মামলার মূল অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপল তাদের বিজ্ঞাপনে নিজস্ব ভার্চুয়াল সহকারী ‘সিরি’র যেসব আকর্ষণীয় এআই সক্ষমতার প্রচার চালিয়েছিল, বাস্তব ক্ষেত্রে তার অনেক ফিচারই সচল বা উপস্থিত ছিল না। ফলে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক আইফোন কিনতে উৎসাহিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী ও নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন ভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, যা আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। নির্দিষ্ট ও যোগ্য গ্রাহকেরা নির্ধারিত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের ক্ষতির সপক্ষে দাবি পেশ করার পাশাপাশি ইচ্ছে করলে মামলার প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এই নিষ্পত্তির আওতায় কেবল তারাই আসবেন, যারা ২০২৪ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে আইফোন ১৬ সিরিজ, আইফোন ১৫ প্রো এবং আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেলের হ্যান্ডসেট কিনেছেন। তবে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রাথমিক শর্ত হিসেবে গ্রাহককে উক্ত আইফোনের প্রথম বা মূল ক্রেতা হতে হবে এবং ডিভাইসটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের পরিবর্তে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কেনা হতে হবে।
শর্তপূরণকারী যোগ্য গ্রাহকেরা ফোনপ্রতি সর্বনিম্ন ২৫ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেতে পারেন। তবে গ্রাহকভেদে প্রাপ্ত অর্থ বাবদ চূড়ান্ত অঙ্ক কত দাঁড়াবে, তা মোট কতজন গ্রাহক সঠিকভাবে আবেদন জমা দিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স ফাইভ নিউইয়র্কের তথ্য মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমাদান শেষে সম্পূর্ণ চুক্তিটি আইনিভাবে পরিমিত ও পর্যাপ্ত কি না তা খতিয়ে দেখতে আগামী ২০২৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে আনুষ্ঠানিক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
সেপ্টেম্বরের শেষভাগে রাতের আকাশে চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্য
সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের রাতের আকাশে মহাকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে একগুচ্ছ মহাজাগতিক সৌন্দর্য। ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাতের আকাশে শনি গ্রহকে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করার দারুণ সুযোগ থাকছে। এর পাশাপাশি খালি চোখ ও টেলিস্কোপের সাহায্যে দৃশ্যমান হবে শুক্র ও বৃহস্পতি গ্রহ, শরৎকালীন বিশেষ নক্ষত্রমণ্ডল এবং আমাদের নিকটবর্তী অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি। এছাড়া মাসের শেষভাগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার আকাশে উদিত হবে বহুল পরিচিত ‘হারভেস্ট মুন’ বা শরৎকালীন পূর্ণিমার চাঁদ।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, সেপ্টেম্বর মাস শনি গ্রহ পর্যবেক্ষণের জন্য বছরের অন্যতম সেরা সময়। আগামী ৪ অক্টোবরের দিকে গ্রহটি সূর্যের বিপরীত অবস্থানে (অপজিশন) পৌঁছাবে বিধায় সেপ্টেম্বরের শেষভাগ থেকেই সূর্যাস্তের পর থেকে শনি আকাশে ক্রমশ উঁচুতে উঠবে এবং পর্যবেক্ষণের জন্য অত্যন্ত অনুকূল অবস্থানে থাকবে। খালি চোখে এটিকে উজ্জ্বল হলুদ বিন্দুর মতো মনে হলেও সাধারণ বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপ দিয়েই এর চমৎকার বলয় এবং বৃহত্তম উপগ্রহ ‘টাইটান’ অবলোকন করা সম্ভব হবে।
এই পাক্ষিকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪৯ মিনিটে হতে যাওয়া পূর্ণিমা, যা শরৎ বিষুবের নিকটবর্তী হওয়ায় ‘হারভেস্ট মুন’ নামে খ্যাত। দিগন্তের কাছাকাছি থাকার সময় বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবে চাঁদটি সোনালি বা হালকা কমলা আভায় চমৎকার রূপ ধারণ করবে। তবে ২৬ সেপ্টেম্বর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হবে বলে সামাজিক মাধ্যমে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা একেবারেই সঠিক নয়; কারণ ২০২৬ সালের আংশিক চন্দ্রগ্রহণটি ২৭-২৮ আগস্ট ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান ছিল না। এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর চাঁদ প্রথম চতুর্থাংশ পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর উদযাপিত হবে শরৎ বিষুব, যেদিন দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়ে উত্তর গোলার্ধে ধীরে ধীরে রাতের ব্যাপ্তি বাড়তে শুরু করবে।
গ্রহগুলোর মধ্যে সূর্যাস্তের পরপরই পশ্চিম আকাশে ‘সন্ধ্যাতারা’ হিসেবে জ্বলজ্বল করবে উজ্জ্বল শুক্র গ্রহ। অন্যদিকে গভীর রাত ও ভোরের আকাশে পূর্ব দিগন্তে স্পষ্টভাবে দেখা মিলবে সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির।
সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশে নজরকাড়া পেগাসাসসহ শরৎকালীন বিভিন্ন নক্ষত্রমণ্ডলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাবে। পেগাসাসের কাছাকাছি অবস্থিত আমাদের নিকটতম অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণের জন্যও সেপ্টেম্বর অত্যন্ত প্রশস্ত সময়। শহরের কৃত্রিম আলোকদূষণমুক্ত যেকোনো খোলা ও অন্ধকার স্থান থেকে বাইনোকুলার কিংবা টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই মহাজাগতিক দৃশ্যগুলো সবচেয়ে সুন্দরভাবে উপভোগ করা যাবে।
সূত্র: স্কাইম্যাপ, টাইম অ্যান্ড ডেট, স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ, অ্যাস্ট্রোনমি ডটকম
শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই
স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সার্বক্ষণিক চোখ আটকে রাখার অভ্যাস থেকে ব্যবহারকারীদের বের করে এনে প্রযুক্তির সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের ধরন বদলে দিতে নতুন এক বিপ্লবী হার্ডওয়্যার গ্যাজেট তৈরির দিকে এগোচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই। মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বহুল আলোচিত এই নতুন ডিভাইসের সক্ষমতা বাড়াতে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক ক্যামেরা প্রযুক্তির স্টার্টআপ ‘গ্লাস ইমেজিং’কে ৩০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি মূল্যে অধিগ্রহণ করেছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। শিল্প বিশ্লেষকদের জোরালো ধারণা, স্টার্টআপটির উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক ক্যামেরা প্রযুক্তি ওপেনএআইয়ের ভবিষ্যৎ এআই হার্ডওয়্যারে সরাসরি ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে।
‘গ্লাস ইমেজিং’ প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের সাবেক দুই কর্মী জিভ আত্তার ও টম বিশপ। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তাদের উদ্ভাবিত ‘নিউরাল ইমেজ সিগনাল প্রসেসিং’ এআই সফটওয়্যার ক্যামেরার সাধারণ কার্যক্ষমতা প্রায় ১০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি লেন্স ও সেন্সরের প্রথাগত হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা দূর করে ছবির নয়েজ ও ব্লার বা ঝাপসা ভাব কার্যকরভাবে কমিয়ে আনে এবং প্রতিকূল বা স্বল্প আলোতেও ছবির জুমের মান ও সামগ্রিক আউটপুট বহুগুণ নিখুঁত করে তোলে। ওপেনএআইয়ের এই অধিগ্রহণ তাদের রহস্যময় হার্ডওয়্যার ডিভাইস নিয়ে চলমান আলোচনাকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
অ্যাপলের কিংবদন্তি সাবেক প্রধান ডিজাইনার জনি আইভের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বে ওপেনএআইয়ের নতুন এআই ডিভাইস তৈরির খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই প্রযুক্তিবিশ্বে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আগামী বছর সম্ভাব্য বাজারে আসার অপেক্ষায় থাকা গ্যাজেটটিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ‘বিশ্বের এ পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে চমৎকার প্রযুক্তির নিদর্শন’ বলে অভিহিত করেছেন। জনি আইভ ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ডিভাইসটি স্মার্টফোনের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারার সূচনা করবে।
অভ্যন্তরীণ এক কর্মী সভার সূত্রে জানা গেছে, এটি কোনো স্মার্টওয়াচ বা পোশাকে লাগানোর ক্লিপের মতো পরিধানযোগ্য পণ্য নয়; বরং এটি ডেস্কের ওপর রাখা কিংবা পকেটে বহন করার মতো একটি কমপ্যাক্ট ডিভাইস হতে পারে, যা ব্যবহারকারীর পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে সবসময় ‘সম্পূর্ণ সচেতন’ থাকবে। অল্টম্যানের আশা, যুগান্তকারী এই গ্যাজেট ওপেনএআইয়ের বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে উন্নীত করতে বড় ভূমিকা রাখবে; তবে এর চূড়ান্ত রূপরেখা, নাম বা উন্মোচনের সঠিক সময় এখনও গোপনই রয়ে গেছে।
/আশিক
দশকের শেষেই মানবজাতিকে ধ্বংস করতে পারে এআই: পদত্যাগ করে বিস্ফোরক গবেষক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুতগতির বিকাশ এবং ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’ অর্জনের অন্ধ প্রতিযোগিতা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন খোদ প্রযুক্তিটির শীর্ষ গবেষকরা। ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানে জিপিটি-৪ও মডেলের প্রি-ট্রেনিং ধাপে কাজ করা তরুণ গবেষক জ্যাকব কক্সন সম্প্রতি পদত্যাগ করে এক্সে এক বিস্ফোরক পোস্টে জানান, চলতি দশকের শেষ নাগাদ এই অতিমানবীয় ব্যবস্থা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
তাঁর মতে, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিক ঝুঁকি জেনেও মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে এবং এমন এক ব্যবস্থা তৈরি করছে যা নিজে থেকেই নিজেকে উন্নত করতে পারবে। অ্যানথ্রোপিকের প্রধান গবেষক ইভান হুবিঙ্গারও কক্সনের সতর্কবার্তাকে সমর্থন করে জানান, আগামী এক দশকে এআইয়ের মাধ্যমে মানবজাতি ধ্বংসের ঝুঁকি ১০ শতাংশেরও বেশি।
বার্কলের এআই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্টুয়ার্ট রাসেলের মতে, নিয়ন্ত্রণহীন সুপারইন্টেলিজেন্স যদি মানুষকে প্রতিবন্ধক মনে করে, তবে এটি জৈব অস্ত্র তৈরি, পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সতর্কীকরণ ব্যবস্থা হ্যাক কিংবা সামরিক ব্যবস্থায় সাইবার হামলা চালিয়ে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এদিকে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, উনবিংশ শতাব্দীর শিল্প বিপ্লবের মতো বর্তমানেও গুটিকয়েক শীর্ষ প্রযুক্তি জায়ান্ট—যেমন অ্যালফাবেট, মেটা, ওপেনএআই ও এক্সএআই—বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢেলে এই প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দিচ্ছে, যাদের অগ্রযাত্রায় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ‘ব্রেক পেডাল’ নেই।
মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সুপারইন্টেলিজেন্সের উত্থানে হোয়াইট কালার বা বুদ্ধিবৃত্তিক চাকরির অর্ধেকই বিলুপ্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক বেকারত্বের হার বর্তমানের ৪.৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশে নিয়ে ঠেকানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।
/আশিক
ইন্টারনেট বা ডেটা ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহারের ৫টি সহজ উপায়
জরুরি প্রয়োজনে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও বা নেটওয়ার্কহীন দুর্গম এলাকায় অবস্থান করলেও গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব। মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই ছাড়া অফলাইন ম্যাপ ব্যবহারের জন্য পাঁচটি কার্যকর প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ ও সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ইন্টারনেট ছাড়া গুগল ম্যাপ ব্যবহারের মূল উপায়গুলোর মধ্যে প্রথম ও প্রধান কাজ হলো যাত্রার আগেই অ্যাপের প্রোফাইল থেকে ‘Offline maps’ অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় এলাকার মানচিত্র ডাউনলোড করে রাখা। এ ক্ষেত্রে শুধু মূল গন্তব্য নয়, পুরো যাত্রাপথটি ডাউনলোড করা ম্যাপের সীমানার ভেতরে রাখা জরুরি। দ্বিতীয়ত, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও স্মার্টফোনের নিজস্ব জিপিএস (লোকেশন) চালু রাখলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নিজের অবস্থান শনাক্ত করা যায়; যদিও ঘনবসতি বা সুড়ঙ্গে সিগন্যালে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তৃতীয়ত, যাত্রা শুরুর আগেই ইন্টারনেট থাকা অবস্থায় পুরো রুট ও টার্নিং পয়েন্টগুলো একবার দেখে নেওয়া নিরাপদ। চতুর্থত, রাস্তার পরিবর্তন সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত অফলাইন ম্যাপ আপডেট করে নেওয়া উচিত। পঞ্চমে, বাসা বা অফিস থেকে বের হওয়ার আগেই মোবাইল ডেটা বন্ধ করে ডাউনলোড করা ম্যাপ ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা একবার পরীক্ষা করে নেওয়া শ্রেয়।
তবে অফলাইন সংস্করণে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এতে লাইভ ট্রাফিক বা রিয়েল-টাইম যানজট, তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনা বা রাস্তা বন্ধের আপডেট পাওয়া যায় না। এ ছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী বিকল্প রুট বেছে নেওয়া, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কিংবা সাইকেলের জন্য সুনির্দিষ্ট নেভিগেশন সুবিধা অফলাইনে সীমাবদ্ধ থাকে। ডাউনলোড করা সীমানার বাইরে গেলে অ্যাপ আর কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারে না। তাই নির্বিঘ্ন সফরের জন্য আগে থেকেই পুরো পথের ম্যাপ ডাউনলোড ও নিয়মিত হালনাগাদ রাখাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
/আশিক
জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা ও ভবিষ্যৎ এআই: মানব মূল্যবোধ রক্ষা কতটা কঠিন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত বিকাশ একসময় মানব মস্তিষ্কের সক্ষমতাকেও অতিক্রম করতে পারে, অথচ সম্ভাব্য সেই পরিস্থিতির জন্য বৈশ্বিক প্রস্তুতি এখনো অত্যন্ত অপ্রতুল। এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রযুক্তিবিশ্বকে সতর্ক করেছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর প্রধান বিজ্ঞানী জাকুব পাচোকি। অত্যন্ত অগ্রসর পর্যায়ের এআইকে তিনি মানুষের অচেনা এক ‘ভিনগ্রহের বুদ্ধিমত্তা’ বা এলিয়েন মাইন্ডের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ওপেনএআইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগে প্রকাশিত এক লেখায় জাকুব পাচোকি উল্লেখ করেন, যন্ত্রের মেধার যে উল্লম্ফন ঘটছে, তার সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে গোটা বিশ্বকে আরও সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রযুক্তি যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, তার পরিণতি মোকাবেলার মতো প্রস্তুতি মানবসমাজের এখনও নেই। একক কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই বহুমুখী ঝুঁকি সামলানো অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো প্রযুক্তি খাতকেই এ বিষয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যৌক্তিক বিশ্লেষণভিত্তিক এআইয়ের ক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকেই ক্রমাগত নিখুঁত করতে সক্ষম হবে, তখন এর অগ্রগতির গতি আরও তীব্র আকার ধারণ করবে।
প্রযুক্তির ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে ‘রিকার্সিভ সেল্ফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ বা স্বয়ংক্রিয় আত্মউন্নয়ন বলা হয়। এর ফলে মানুষের সরাসরি সাহায্য ছাড়াই এআই নিজে থেকেই নিজের বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতা বাড়িয়ে নিতে পারবে। পাচোকির মতে, মূল সংকটটি তৈরি হবে ঠিক এখানেই। মানুষের সব কাজে এআই পারদর্শী না হলেও নির্দিষ্ট কিছু স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যদি এটি মানুষকে ছাড়িয়ে যায়, তবে বাস্তব জীবনে তার প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।
অত্যন্ত শক্তিশালী এই প্রযুক্তি যেন মানুষের বিরুদ্ধে না গিয়ে মানবকল্যাণে নিয়োজিত থাকে, সেটি নিশ্চিত করাই এখন এআই গবেষণার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই সুরক্ষাব্যবস্থাকে প্রযুক্তিবিদরা ‘এআই অ্যালাইনমেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। পাচোকি স্পষ্ট করেন, এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় সবচেয়ে জরুরি। প্রথমটি হলো ‘গোল অ্যালাইনমেন্ট’, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় এআই কেবল নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভেতরে থেকেই দায়িত্ব পালন করবে। দ্বিতীয়টি হলো ‘ভ্যালু অ্যালাইনমেন্ট’, যা কোনো জটিল ও অনিশ্চিত প্রেক্ষাপটে এআইকে মানুষের নৈতিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাবি করেন, তাদের সাম্প্রতিক মডেল ‘জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা’ পূর্ববর্তী সংস্করণ ‘জিপিটি-৫.৬ সল’-এর তুলনায় নিরাপত্তা ও মানব-মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
সাইবার নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওপেনএআইয়ের এই প্রধান বিজ্ঞানী। তিনি জানান, বিদ্যমান নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে কম্পিউটার সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে এআই মডেলগুলো ইতোমধ্যেই মানুষের দক্ষতাকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করেছে। তাই সংকট তীব্র হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ভবিষ্যতে এমন সক্ষম প্রযুক্তির অসৎ বা ধ্বংসাত্মক ব্যবহার বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এআই যত বেশি স্বয়ংক্রিয় হবে, মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং যন্ত্রের নিজস্ব কার্যকলাপের মধ্যকার পার্থক্যও ততটাই ঘোলাটে হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
ভবিষ্যতে মানুষের বহু দায়িত্ব এআই নিজেই করে ফেলার সামর্থ্য অর্জন করলেও মানুষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা বা ‘হিউম্যান এজেন্সি’ বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন পাচোকি। প্রযুক্তির উত্থানে যেন মানুষের ভূমিকা ও মর্যাদা গৌণ হয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। উন্নত এআই ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সর্বজনীন নিরাপত্তা মানদণ্ড তৈরি না হওয়া পর্যন্ত প্রযুক্তির বিকাশের গতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তর নীতিগত সমন্বয়ের ওপরও জোর দিয়েছেন এই বিজ্ঞানী। সংক্ষেপে, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের সমান্তরালে কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা জোরদার করার স্পষ্ট বার্তা রয়েছে পাচোকির এই মূল্যায়নে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে’: ফেনী থেকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনা: কৃষি মন্ত্রী
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- দেশে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট রোধে ডিসিদের কড়া নির্দেশ
- রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুরে এমপি মিষ্টির নাম, তদন্তে অপরাধী মিললে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেহরানে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক জবাব
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষে প্রথমবার ড্রিলিং, ভূগর্ভে মিলল অস্বাভাবিক বস্তুর সংকেত
- এক দশক পর চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর ও গদর বন্দর ঘিরে নতুন সমীকরণ
- প্রবীণদের বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি ও ফ্যামিলি কার্ডে সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার
- এশিয়ান গেমসে বৃষ্টির থাবা, সেমিফাইনালের আগে নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ
- আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় নতুন মোড়, আদালতে বাদীর বিশেষ আবেদন
- ডলারের দাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে নতুন টানাপোড়েন
- বিইআরসির নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বাড়ল শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই, রাজনীতি শেষ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নীতিতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশসহ ২০ দেশ
- দলীয় বিবেচনা নয়, সর্বজনীন কল্যাণে কাজ করবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: মন্ত্রী জাহিদ হোসেন
- সাত মাসের সংঘাত থামাতে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, নতুন আলোচনার ইঙ্গিত
- দাম বাড়তেই তেল সংকট কীভাবে মিটল? বিপিসির ব্যাখ্যায় অসন্তুষ্ট সংসদীয় কমিটি
- সব পক্ষের মতামতেই আসবে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংবিধান সংশোধনী: সালাহউদ্দিন আহমদ
- চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, নতুন রেকর্ড স্পর্শ করল দেশটির মুদ্রা
- অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের দিনেও ব্রাজিল শিবিরে নতুন অস্বস্তি
- টানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ দিন
- অ্যাপ ইনস্টল না করেই সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর উপায় চালু করল ট্রুকলার
- যুদ্ধ নাকি কূটনীতি? নিউ ইয়র্কে অবস্থানকালে বার্তা দিলেন আব্বাস আরাগচি
- আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন সিদ্ধান্ত পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা
- ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টাকে দুদকের জরুরি তলব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর নিয়ে গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু
- আমরা তেল রফতানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের কেউ বিক্রি করতে পারবে না: ইরান
- একনেক বৈঠকে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দে মেগা সিদ্ধান্ত
- শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়টিকে দ্বিপক্ষীয় দেখছে সরকার, প্রয়োজন নেই যুক্তরাষ্ট্রের
- নেপালে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি
- ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন সতর্কতা
- মার্কিন চাপে কি বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ? মুখ খুললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যে ৫টি প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হতে পারে
- 'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
- জাতীয় নাগরিক পার্টির বড় সিদ্ধান্ত: নতুন জাতীয় দায়িত্বে সারজিস আলম
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- ইরানে আর কখনো বিদেশি আধিপত্য ফিরবে না, আরব সাগর থেকেও তাড়ানো হবে শত্রুদের: খামেনি
- চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও আমদানির নতুন সংকট: বিশেষ প্রতিবেদন
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
- মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা








