প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ১৭:০১:৩৬
প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
ছবি : সংগৃহীত

আজ রমজানের প্রথম দিন। সারাদিন রোজার পর ইফতারে একটু ভিন্নরকম খাবার খেতে ইচ্ছে হতেই পারে। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি ইফতারে রাখতে পারেন সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া।

উপকরণ

আধা কেজি হাড়ছাড়া বুকের মাংস, আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণমতো তেল, ধনে পাতা কুচি একমুঠো, ২টো মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ চা চামচ আদা-রসুন বাটা, কয়েকটা কাঁচা মরিচ, দেড় কাপ বেসন এবং চার চা চামচ চালের গুঁড়ো।

প্রস্তুত প্রণালি

মাংসের টুকরাগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, আদা-রসুন বাটা, লেবুর রস এবং লবণ দিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট দিয়ে চিকেন ম্যারিনেট করে নিন। ৪০ মিনিট ঢেকে রাখুন।

ব্যাটার তৈরি করতে বেসন, চালের গুঁড়ো, লবণ, হলুদ গুঁড়ো এবং পরিমাণমতো পানি একসাথে মিশিয়ে নিন। ব্যাটারটি যেন খুব বেশি পাতলা বা ঘন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

এবার চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে তেল দিয়ে গরম করুন। তেল গরম হলে ম্যারিনেট করা চিকেনের টুকরোগুলো এক এক করে ব্যাটারে ডুবিয়ে তেলে ছাড়ুন। সোনালি না হওয়া পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। ভাজা হয়ে গেলে সসের সাথে গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন পকোড়া। এর সাথে শশা, পেঁয়াজ কেটে সালাদও বানিয়ে দিতে পারেন।

/আশিক


ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ১৮ ১২:৫৮:৩১
ঘরেই বানান মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার
ছবি: সংগৃহীত

গরমের মৌসুম মানেই বাজারজুড়ে কাঁচা আমের ছড়াছড়ি। আর এই সময়টাতেই অনেক পরিবার সারা বছরের জন্য বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরি করে সংরক্ষণ করেন। বিশেষ করে কাঁচা আমের ঝাল আচার বাঙালির খাবারের টেবিলে এক অন্যরকম স্বাদ যোগ করে। গরম ভাত, খিচুড়ি, পোলাও কিংবা ডালের সঙ্গে একটু ঝাল-টক আমের আচার খাবারের স্বাদ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

রান্নাবিদদের মতে, কাঁচা আমের আচার শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করাও সম্ভব। সঠিক নিয়মে তৈরি ও সংরক্ষণ করলে এই আচার মাসের পর মাস ভালো থাকে।

কাঁচা আমের ঝাল আচার তৈরির প্রয়োজনীয় উপকরণ

এক কেজি কাঁচা আমের সঙ্গে প্রয়োজন হবে কালো সরিষা, শুকনো মরিচ, কালোজিরা, পাঁচফোড়ন, মৌরি, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, সাদা ভিনেগার, সরিষার তেল, নাগা মরিচ, লবণ ও চিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আচারের স্বাদ অনেকটাই নির্ভর করে মশলার সঠিক ভারসাম্যের ওপর। বিশেষ করে সরিষার তেল ও নাগা মরিচ আচারে বাড়তি ঝাঁজ ও সুগন্ধ যোগ করে।

প্রথম ধাপ: আম প্রস্তুত করা

প্রথমে কাঁচা আম ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর বীজ ফেলে মাঝারি আকারে কেটে নিতে হবে। অনেকে খোসাসহ ব্যবহার করেন, কারণ এতে আচারের স্বাদ আরও গভীর হয়।

আম কাটার পর কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর কষ কমে যায়। পরে পানি ঝরিয়ে রোদে বা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে, যাতে বাড়তি পানি না থাকে।

দ্বিতীয় ধাপ: মশলার জাদু

একটি শুকনো প্যানে মৌরি, কালো সরিষা, শুকনো মরিচ, কালোজিরা ও পাঁচফোড়ন হালকা ভেজে নিতে হবে। এরপর এগুলো গুঁড়া করে রসুন বাটা ও হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে।

রন্ধনবিশেষজ্ঞদের মতে, মশলা হালকা ভেজে নিলে এর ঘ্রাণ ও স্বাদ আরও ভালোভাবে বের হয়ে আসে।

তৃতীয় ধাপ: আচারের রান্না

সরিষার তেল গরম করে মশলার মিশ্রণ কষিয়ে নিতে হবে। এরপর নাগা মরিচ যোগ করে আরও কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে। পরে শুকনো আমের টুকরো দিয়ে লবণ ও চিনি মিশিয়ে দিতে হবে।

এই পর্যায়ে আলাদা পানি ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ আম থেকেই প্রয়োজনীয় পানি বের হবে এবং সেটাতেই আচার ধীরে ধীরে সিদ্ধ হবে।

মাঝারি আঁচে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। এতে আম নরম হবে এবং মশলার স্বাদ ভেতরে ঢুকে যাবে। শেষে কাঠি দিয়ে কয়েকটি আম হালকা চেপে ভেঙে দিলে আচারের ফ্লেভার আরও গভীর হয়।

কীভাবে সংরক্ষণ করবেন?

আচার পুরোপুরি ঠান্ডা হলে শুকনো ও পরিষ্কার কাচের বোতলে ভরে রাখতে হবে। বোতলের ভেতরে যেন কোনো পানি না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। চাইলে কিছুদিন রোদেও দেওয়া যেতে পারে।

রান্নাবিদদের মতে, আচারের ওপর সরিষার তেলের একটি স্তর থাকলে এটি আরও দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

খিচুড়ি, ভুনা খিচুড়ি, গরম ভাত, ডাল, পোলাও, পরোটা কিংবা ভর্তার সঙ্গে কাঁচা আমের ঝাল আচার অসাধারণ মানিয়ে যায়। অনেকেই আবার বিকেলের নাশতার সঙ্গেও এটি খেতে পছন্দ করেন।

খাবারে বাড়তি টক-ঝাল স্বাদ যোগ করার পাশাপাশি কাঁচা আমের আচার গরমের দিনে রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে। তাই গ্রীষ্ম এলেই ঘরে ঘরে শুরু হয় এই ঐতিহ্যবাহী আচার তৈরির আয়োজন।

সব মিলিয়ে, একটু সময় আর সঠিক উপকরণ থাকলেই খুব সহজে ঘরেই তৈরি করা যায় মজাদার কাঁচা আমের ঝাল আচার। একবার বানালে সারা বছর ধরেই উপভোগ করা যাবে এর টক-ঝাল স্বাদ।


বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৯ ১২:৩৩:৩৫
বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

বাইরে কালবৈশাখীর দাপট আর মেঘলা আকাশ—এমন দিনে বাঙালির রান্নাঘর থেকে খিচুড়ির সুঘ্রাণ আসবে না, তা কি হয়? সাধারণ খিচুড়িকে রাজকীয় স্বাদ দিতে আজই ট্রাই করতে পারেন ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’। সরিষার তেলের ঝাঁঝ আর আচারের টক-ঝাল স্বাদে এই রেসিপিটি আপনার দুপুরের খাবারকে করে তুলবে জিভে জল আনা।

খামখেয়ালি আবহাওয়ায় গরম গরম খিচুড়ির কোনো বিকল্প নেই। আর সেই খিচুড়িতে যদি থাকে ভুনা মাংস আর আচারের টুইস্ট, তবে তৃপ্তি হবে দ্বিগুণ। খুব সহজেই কীভাবে তৈরি করবেন এই পদটি? দেখে নিন বিস্তারিত

প্রয়োজনীয় উপকরণ

চাল ও ডাল: ১ কেজি চাল, ১ কাপ মুগ ও মসুর ডাল (মেশানো)।

মাংস: দেড় কেজি গরুর বা খাসির মাংস (ছোট টুকরো করা)।

আচার: ১ কাপ আম বা জলপাইয়ের টক আচার।

তেল: ১ কাপ খাঁটি সরিষার তেল।

মসলা: ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, হলুদ, ধনিয়া, জিরা ও গরম মসলা গুঁড়া, শুকনো মরিচ, কাঁচামরিচ ও স্বাদমতো লবণ।

প্রস্তুত প্রণালি

১. মাংস তৈরি

প্রথমে ছোট টুকরো করা মাংসগুলো সব মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে রান্না করে নিন। মাংস ভুনা হয়ে গেলে নামিয়ে রাখুন।

২. ডাল ও চাল প্রস্তুতি

মুগ ডাল হালকা ভেজে ধুয়ে নিন। এরপর চাল ও মসুর ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন।

৩. খিচুড়ি রান্না

হাঁড়িতে সরিষার তেল গরম করে চাল-ডাল ও সামান্য মসলা দিয়ে হালকা ভেজে নিন। এবার পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন।

৪. মেশানোর কৌশল

খিচুড়ির পানি যখন চালের গায়ে গায়ে লেগে আসবে, তখন রান্না করা মাংস ওপর দিয়ে ছড়িয়ে দিন। মনে রাখবেন, বেশি নাড়াচাড়া করবেন না, তাতে চাল ভেঙে যেতে পারে।

৫. আচারের টুইস্ট

সবশেষে ওপর থেকে টক আচার ও কাঁচামরিচ ছড়িয়ে দিয়ে দমে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। আচারের গন্ধ ভাতের ভেতরে ঢুকে গেলেই তৈরি আপনার আচারি মাংস খিচুড়ি।

পরিবেশন করুন গরম গরম বেগুন ভাজা, ডিম ভুনা কিংবা স্পাইসি সালাদের সঙ্গে।

/আশিক


গরুর মাংসের একঘেয়েমি কাটাতে ট্রাই করুন এই স্পেশাল ভুনা রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৩ ১১:১৮:৩০
গরুর মাংসের একঘেয়েমি কাটাতে ট্রাই করুন এই স্পেশাল ভুনা রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

সবাই তো সাধারণ কায়দায় গরুর মাংস রান্না করেন, তবে একটু ভিন্ন স্বাদে এবং রেস্টুরেন্ট স্টাইলে টমেটোর টক-ঝাল ফ্লেভারে রান্না করলে তা মুখে লেগে থাকবে অনেকদিন। ঝটপট এবং সহজ পদ্ধতিতে 'টমেটো-বিফ কারি' বা ভিন্ন ঘরানার গরুর মাংস ভুনার এই রেসিপিটি আপনার দুপুরের বা রাতের খাবারে নিয়ে আসবে রাজকীয় স্বাদ। উপকরণের তালিকা এবং বিস্তারিত প্রস্তুত প্রণালি দেওয়া হলো

উপকরণসমূহ

মাংস রান্নার জন্য যা যা প্রয়োজন: গরুর মাংস ১ কেজি, পাকা টমেটো টুকরা (৩-৪টি), পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, আদা ও রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, গরম মসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, আস্ত শুকনা মরিচ (৭-৮টি), স্বাদমতো লবণ ও সামান্য চিনি, সয়াবিন তেল (প্রয়োজনমতো) এবং সাজানোর জন্য লাল কাঁচা মরিচ ফালি (৫-৬টি)।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে মাংসগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটি বড় কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজকুচি দিন এবং বাদামি করে ভেজে নিন। পেঁয়াজ ভাজা হলে এতে সব বাটা মসলা (আদা-রসুন), গুঁড়া মরিচ, ধনেগুঁড়া, আস্ত শুকনা মরিচ এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মশলাটি খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মসলা কষানো হলে এতে পানি ঝরিয়ে রাখা গরুর মাংসগুলো দিয়ে দিন এবং কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ভালো করে কষান।

মাংসের গায়ে মসলা মাখা-মাখা হয়ে এলে তাতে কেটে রাখা টমেটোর টুকরাগুলো দিয়ে দিন। এরপর টমেটোসহ মাংসটি আরও কিছুক্ষণ রান্না করুন। এবার মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে কড়াই ঢেকে দিন। মাংস পুরোপুরি সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে অপেক্ষা করুন।

ঝোল শুকিয়ে মাংস যখন ভুনা ভুনা হয়ে আসবে এবং তেল ওপরে ভেসে উঠবে, তখন ওপর থেকে গোলমরিচের গুঁড়া, ভাজা জিরার গুঁড়া এবং লাল কাঁচা মরিচ ফালি ছড়িয়ে দিয়ে ৫ মিনিট দমে রাখুন। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল চমৎকার স্বাদের ভিন্ন ঘরানার গরুর মাংস। এবার গরম ভাত, পোলাও বা নান রুটির সাথে পরিবেশন করুন।

/আশিক


ঈদের সকালে গৃহিণীদের সেরা চমক; অল্প সময়ে তৈরি করুন শাহী কষা মাংস

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১২:৪৫:৫৫
ঈদের সকালে গৃহিণীদের সেরা চমক; অল্প সময়ে তৈরি করুন শাহী কষা মাংস
ছবি : সংগৃহীত

"ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ..."—জাতীয় কবির সেই অমিয় বাণী মনে করিয়ে দেয় যে, ত্যাগের রমজান শেষে আনন্দ আর উৎসবের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মুসলমানদের কাছে এই দিনটি কেবল উৎসবের নয়, বরং ভ্রাতৃত্ব ও পরম তৃপ্তির। আর বাঙালির ঈদ মানেই রসনা বিলাস। ঈদের সকালে গরম পরোটা, লুচি কিংবা ভাতের সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা স্পেশাল 'কষা মাংস' ছাড়া যেন উৎসবের পূর্ণতাই আসে না।

ঈদের সকালে গৃহিণীদের ব্যস্ততা শুরু হয় সেই সুস্বাদু রান্নার সুবাস দিয়ে। টকদই, বেরেস্তা আর ঘরোয়া মশলার জাদুতে তৈরি এই কষা মাংস বড়দের পাশাপাশি ছোটদেরও ভীষণ প্রিয়। রান্নার বিশেষত্ব হলো ধীর আঁচে মাংসের প্রতিটি তন্তুতে মশলা পৌঁছে দেওয়া, যা স্বাদে যোগ করে নতুন মাত্রা। সময় বাঁচাতে চাইলে অনেক গৃহিণী আগের রাতেই মাংস মেরিনেট করে রাখেন, যাতে ঈদের সকালে ঝটপট রান্না শেষ করে পরিবারের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠা যায়।

স্পেশাল কষা মাংসের সহজ রেসিপি

উপকরণ: ১ কেজি গরু বা খাসির মাংস (ছোট টুকরো), ১/২ কাপ টকদই, ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি, ২ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা, ১ টেবিল চামচ মরিচ ও ধনে গুঁড়ো, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, আস্ত গরম মশলা, তেল, লবণ ও বেরেস্তা।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে মাংসের সঙ্গে টকদই, অর্ধেক আদা-রসুন বাটা ও সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা মেরিনেট করে রাখুন। প্যানে তেল গরম করে গরম মশলা ও পেঁয়াজ লাল করে ভেজে বাকি আদা-রসুন দিন। এবার মাংস দিয়ে উচ্চ আঁচে ৫ মিনিট কষিয়ে ঢাকনা দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে দীর্ঘক্ষণ কষাতে থাকুন যতক্ষণ না তেল উপরে ভেসে ওঠে। মাংস সেদ্ধ হওয়ার জন্য সামান্য গরম পানি দিয়ে মৃদু আঁচে রান্না করুন। ঝোল মাখা মাখা হয়ে এলে ওপর থেকে বেরেস্তা ও গরম মশলার গুঁড়ো ছিটিয়ে নামিয়ে নিন।

/আশিক


ঈদের ভোজে ভিন্ন স্বাদ: গরুর কড়াই গোশতের সহজ রেসিপি দেখে নিন

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১২:২৮:৫৬
ঈদের ভোজে ভিন্ন স্বাদ: গরুর কড়াই গোশতের সহজ রেসিপি দেখে নিন
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের দিন বাড়িতে মাংসের নানা পদের ভিড়ে স্বাদে ভিন্নতা আনতে আপনি সহজেই তৈরি করতে পারেন গরুর কড়াই গোশত। এই পদটি রান্নার বিশেষত্ব হলো এর মশলাদার স্বাদ ও দারুণ সুগন্ধ, যা ঘরোয়া উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এক কেজি গরুর মাংসের জন্য আধা কাপ পিঁয়াজকুচি, এক টেবিল চামচ করে হলুদ ও মরিচ গুঁড়া, এক চা চামচ মাংসের মসলা এবং পর্যাপ্ত গরম মসলা (দারুচিনি ও এলাচ) প্রয়োজন হবে। এছাড়াও রান্নায় স্বাদ ও গ্রেভির ঘনত্ব বাড়াতে এক কাপ টকদই, এক কাপ টম্যাটো কিউব এবং জয়ফল-জয়ত্রী বাটা ব্যবহার করতে হবে।

রান্নার শুরুতে মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি পাত্রে মাংসের সঙ্গে টকদই, লবণ এবং সব বাটা ও গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালোভাবে মেখে ২৫ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখা জরুরি। ম্যারিনেশন শেষে হাঁড়িতে তেল গরম করে তাতে অর্ধেক পিঁয়াজকুচি ও গরম মসলা হালকা বাদামি করে ভেজে ম্যারিনেট করা মাংসটুকু দিয়ে দিতে হবে। মৃদু আঁচে সময় নিয়ে মাংস কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। মাংস পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে যখন তেলের ওপর ভেসে উঠবে, তখন অন্য একটি কড়াইয়ে বাকি পিঁয়াজ, রসুনের কোয়া ও টম্যাটো কুচি ভেজে মাংসের ওপর ঢেলে তিন মিনিট দমে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে জিভে জল আনা কড়াই গোশত।

/আশিক


ইফতারে ভিন্ন স্বাদ পেতে ঝটপট তৈরি করুন মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১২ ১৭:২৫:১১
ইফতারে ভিন্ন স্বাদ পেতে ঝটপট তৈরি করুন মুচমুচে চিকেন স্প্রিং রোল
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারে মুখরোচক খাবারের তালিকায় স্প্রিং রোল একটি অত্যন্ত সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় নাম। মুচমুচে ও স্বাদে অতুলনীয় এই খাবারটি ইফতারের টেবিলে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে। বাড়িতে স্বাস্থ্যকর উপায়ে স্প্রিং রোল তৈরি করতে চাইলে সঠিক উপকরণ ও সঠিক প্রণালি অনুসরণ করা প্রয়োজন।

এই রেসিপিটি তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে ৫০০ গ্রাম হাড়বিহীন মুরগি, ৩ গ্লাস পানি, ৩ টেবিল চামচ ভিনেগার, ৩ টেবিল চামচ মাখন, দেড় চা চামচ আদা ও রসুনের পেস্ট, ৪টি কাঁচা মরিচ কুঁচি, ১টি মাঝারি আকারের পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টেবিল চামচ ময়দা, ১ চা চামচ কালো মরিচ গুঁড়ো, ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো, ১টি মুরগির কিউব (চিকেন কিউব), আড়াই কাপ বাঁধাকপি কুঁচি, ২টি মাঝারি আকারের ক্যাপসিকাম কাটা, ২ কাপ গাজর কুঁচি এবং ১ টেবিল চামচ সয়া সস। এছাড়া রোল তৈরির জন্য ডিম, স্প্রিং রোল শিট এবং ভাজার জন্য সয়াবিন তেল প্রয়োজন হবে।

প্রস্তুত প্রণালি অনুযায়ী, প্রথমে একটি প্যানে মুরগির মাংসের সাথে পানি এবং ভিনেগার মিশিয়ে সেদ্ধ করতে হবে। মাংস নরম হয়ে গেলে পানি থেকে তুলে নিয়ে কুঁচি করে কেটে নিতে হবে এবং সেদ্ধ করা পানি বা চিকেন স্টকটি একপাশে সরিয়ে রাখতে হবে। এরপর অন্য একটি পাত্রে মাখন গলিয়ে তাতে আদা ও রসুনের পেস্ট দিয়ে এক মিনিট ভেজে নিতে হবে। এতে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ কুঁচি যোগ করে উচ্চ তাপে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে যতক্ষণ না পেঁয়াজ নরম হয়ে আসে। এরপর ময়দা মিশিয়ে আরও এক মিনিট রান্না করার পর এতে কালো মরিচ গুঁড়ো, লবণ, লাল মরিচ গুঁড়ো, চিকেন কিউব এবং আগে থেকে সরিয়ে রাখা স্টক যোগ করতে হবে। পুরো মিশ্রণটি উচ্চ আঁচে রান্না করতে হবে যতক্ষণ না পানি শুকিয়ে ঘন হয়ে আসে।

মিশ্রণটি শুকিয়ে এলে এতে কুঁচি করা বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, গাজর এবং সয়া সস মিশিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করে একটি প্লেটে ঢেলে নিতে হবে। ফিলিংটি পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর একটি পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিয়ে স্প্রিং রোল শিটের ভেতর পরিমাণমতো ফিলিং দিয়ে রোল আকারে মুড়িয়ে নিতে হবে। রোলের মুখ বন্ধ করতে ফেটানো ডিম ব্যবহার করা যেতে পারে। সবশেষে গরম ডুবো তেলে রোলগুলো লালচে ও মুচমুচে করে ভেজে তুলে নিতে হবে। ইফতারে পছন্দের সসের সাথে গরম গরম স্প্রিং রোল পরিবেশন করলে তা তৃপ্তি বাড়াবে।

/আশিক


সতেজ থাকতে কমলার শরবত! ইফতারের জন্য ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১১ ১২:৫০:২০
সতেজ থাকতে কমলার শরবত! ইফতারের জন্য ঝটপট তৈরির সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

রোজায় দীর্ঘ সময় উপোস থাকার পর ইফতারে শরীরকে তাৎক্ষণিক সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখার অন্যতম সেরা উপায় হলো এক গ্লাস কমলার শরবত। তাজা কমলার রসের দারুণ স্বাদ আর হালকা মিষ্টতা ক্লান্তি দূর করে মনে প্রশান্তি এনে দেয়। খুব অল্প সময়ে এবং সহজলভ্য উপকরণ দিয়ে ইফতারের শেষ মুহূর্তেও বানিয়ে নেওয়া যায় এই সুস্বাদু পানীয়। যারা প্রাকৃতিকভাবে সতেজ স্বাদ পেতে চান তারা সরাসরি কমলা থেকে রস বের করে পান করতে পারেন। অন্যদিকে যারা ওজন কমাতে আগ্রহী, তারা চিনি এড়িয়ে শুধু আঁশসহ জুস পান করলে বেশি উপকার পাবেন।

এই শরবত তৈরির জন্য পাঁচটি কমলা, স্বাদমতো চিনি এবং পরিমাণমতো পানির প্রয়োজন হবে। প্রথমে কমলাগুলো ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডার বা জুসারের সাহায্যে রস বের করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন কমলার বীজ রসের সঙ্গে মিশে না যায়, কারণ বীজ মিশে গেলে শরবত তিতা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রস বের করা হয়ে গেলে একটি বড় পাত্রে কমলার রস, চিনি, সামান্য লবণ এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। চিনি পুরোপুরি গলে যাওয়া পর্যন্ত মিশ্রণটি ভালোভাবে নাড়তে হবে এবং এরপর এতে পরিমাণমতো ঠান্ডা পানি যোগ করতে হবে। পরিবেশনের সময় গ্লাসে ঢেলে উপরে বরফ কুচি দিয়ে দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য পুদিনাপাতা বা কমলার স্লাইস দিয়ে সাজিয়ে ইফতারের টেবিলে পরিবেশন করা যেতে পারে।

/আশিক


ইফতারে চাই নতুন কিছু? ঝটপট বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিকেন চিজ বল

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১০ ১২:৫৬:০৭
ইফতারে চাই নতুন কিছু? ঝটপট বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে চিকেন চিজ বল
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারের দস্তরখানে প্রতিদিনের চেনা খাবারের ভিড়ে একটু ভিন্নতা আনতে অনেকেই নতুন কিছু খোঁজেন। স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে এবার আপনি ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন মুচমুচে ও সুস্বাদু 'চিকেন চিজ বল'। খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে ঝটপট তৈরি করা যায় এই পদটি, যা ছোট-বড় সবারই পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নেবে। বিশেষ করে রমজানের এই সময়ে ইফতারে ভিন্ন আমেজ দিতে চিকেনের এই আইটেমটি দারুণ একটি সংযোজন হতে পারে।

এই সুস্বাদু খাবারটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ২ কাপ মুরগির কিমা, ১ কাপ কুঁচি করা পনির, ২ টেবিল চামচ মিহি করে কাটা ধনেপাতা, আধা চা চামচ শুকনো ওরিগানো, আধা চা চামচ লাল মরিচের গুঁড়ো এবং স্বাদমতো লবণ। কোটিং বা বলগুলো মুচমুচে করার জন্য লাগবে ১ কাপ ব্রেডক্রাম্বস, ৪ টেবিল চামচ ময়দা এবং ভাজার জন্য পরিমাণমতো সয়াবিন তেল। সব উপকরণ হাতের কাছে থাকলে খুব সহজেই আপনি রান্না শুরু করতে পারেন।

প্রস্তুত প্রণালি অত্যন্ত সহজ। প্রথমে একটি বড় পাত্রে মুরগির কিমার সঙ্গে পনির, ধনেপাতা, ওরিগানো, মরিচ গুঁড়ো এবং লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মসৃণ হয়ে এলে ছোট ছোট বলের আকার দিন। এরপর দুটি আলাদা পাত্রে ২ টেবিল চামচ করে ময়দা নিন। একটি পাত্রের ময়দায় সামান্য জল মিশিয়ে পাতলা পেস্ট তৈরি করুন এবং অন্যটিতে শুকনো ময়দা রাখুন। এখন প্রতিটি চিকেন বল প্রথমে শুকনো ময়দায় গড়িয়ে নিয়ে পাতলা পেস্টের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিন এবং সবশেষে ব্রেডক্রাম্বসে ভালো করে মাখিয়ে নিন।

সবগুলো বল তৈরি হয়ে গেলে চুলায় একটি কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল গরম করুন। তেল গরম হলে সাবধানে চিকেন বলগুলো ছেড়ে দিন এবং সোনালি রঙ ধারণ না করা পর্যন্ত ডুবো তেলে মাঝারি আঁচে ভাজতে থাকুন। ভাজা হয়ে গেলে কিচেন টিস্যুর ওপর তুলে অতিরিক্ত তেল ছেঁকে নিন। গরম গরম সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন মজাদার চিকেন চিজ বল। স্বাস্থ্যকর উপায়ে বাড়িতে তৈরি এই খাবারটি আপনার ইফতারের টেবিলকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

/আশিক


ইফতারে চাই মচমচে বুন্দিয়া? জেনে নিন ঘরে তৈরির সবথেকে সহজ রেসিপি

রান্নাবান্না ও রেসিপি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১২:৩৮:৫১
ইফতারে চাই মচমচে বুন্দিয়া? জেনে নিন ঘরে তৈরির সবথেকে সহজ রেসিপি
ছবি : সংগৃহীত

ইফতারে মিষ্টি খাবারের তালিকায় জিলাপির পাশাপাশি বুন্দিয়া অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম। স্বাদে ভিন্নতা আনতে এবং বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলতে খুব অল্প সময়ে আপনি ঘরেই তৈরি করে ফেলতে পারেন মচমচে ও রসালো বুন্দিয়া। এটি তৈরি করা যেমন সহজ, খেতেও তেমনি সুস্বাদু। নিচে বুন্দিয়া তৈরির পূর্ণাঙ্গ রেসিপি ও প্রস্তুত প্রণালি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

সুস্বাদু এই বুন্দিয়া তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ১ কাপ বেসন, এক চিমটি বেকিং সোডা, সামান্য পরিমাণ পানি (আধা কাপের মতো), এবং ভাজার জন্য পর্যাপ্ত সয়াবিন তেল। বুন্দিয়াকে আকর্ষণীয় করতে আপনি চাইলে এক চিমটি হলুদ এবং এক চিমটি কমলা খাবার রঙ ব্যবহার করতে পারেন, তবে এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। শিরার জন্য আপনার লাগবে পৌনে এক কাপ (এক কাপের চার-তৃতীয়াংশ) চিনি এবং পরিমাণমতো পানি ও সুগন্ধির জন্য এলাচ গুঁড়ো।

প্রস্তুত প্রণালির শুরুতে একটি চালুনির সাহায্যে বেসন ভালো করে চেলে নিতে হবে যাতে কোনো দলা না থাকে। এরপর একটি মিক্সিং বাটিতে বেসন, বেকিং সোডা এবং পানি মিশিয়ে একটি ব্যাটার তৈরি করুন। খেয়াল রাখতে হবে ব্যাটারটি যেন একটু ঘন বা পুরু হয়। এবার আলাদা দুটি ছোট পাত্রে সামান্য ব্যাটার নিয়ে একটিতে কমলা রঙ এবং অন্যটিতে হলুদ রঙ মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে রঙ ছাড়াও সাধারণ বুন্দিয়া তৈরি করতে পারেন। এরপর চুলায় প্যান বসিয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল ঠিকঠাক গরম হয়েছে কি না তা বোঝার জন্য এক ফোঁটা ব্যাটার তেলের ওপর ছেড়ে দিন; যদি সেটি দ্রুত উপরে ভেসে ওঠে তবে বুঝবেন তেল প্রস্তুত।

এখন একটি ছিদ্রযুক্ত চামচ বা বাটি তেলের ওপর প্রায় ছয় থেকে সাত ইঞ্চি উঁচুতে ধরে তাতে ব্যাটার ঢেলে দিন। চামচটি ঝাঁকানোর প্রয়োজন নেই, ব্যাটার নিজে থেকেই ফোঁটায় ফোঁটায় তেলের ওপর পড়তে থাকবে। যদি ব্যাটার তেলের ওপর চ্যাপ্টা হয়ে যায় বা একটির সঙ্গে অন্যটি লেগে যায়, তবে বুঝতে হবে তেল পর্যাপ্ত গরম হয়নি। মাঝারি আঁচে এক মিনিট সময় নিয়ে বুন্দিয়াগুলো হালকা মচমচে বা ক্রিস্পি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে নিন। মনে রাখবেন, প্রতিবার নতুন করে ব্যাটার ঢালার আগে চামচ বা বাটিটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে যাতে ছিদ্রগুলো বন্ধ না থাকে।

সবগুলো বুন্দিয়া ভাজা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে চিনি, পানি এবং এলাচ গুঁড়ো দিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। সিরা ফুটে উঠলে তাতে আগে থেকে ভেজে রাখা রঙিন বুন্দিয়াগুলো ছেড়ে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন যাতে বুন্দিয়াগুলো সিরা শোষণ করে রসালো হয়ে ওঠে। ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল আপনার পছন্দের ইফতারি আইটেম মজাদার বুন্দিয়া।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

কুরবানির চামড়া শিল্প: ন্যায্য মূল্য, বাজার কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের জরুরি প্রয়োজন

বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ জীবিকা এবং ধর্মীয়-সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো কুরবানি ঈদের চামড়া শিল্প। প্রতি বছর... বিস্তারিত