১০১টি অজুহাতে পকেট কাটছে সিন্ডিকেট! রমজানের শুরুতেই অস্থির কাঁচাবাজার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯ ০৯:৫৯:২৬
১০১টি অজুহাতে পকেট কাটছে সিন্ডিকেট! রমজানের শুরুতেই অস্থির কাঁচাবাজার

পবিত্র মাহে রমজান সংযম ও ত্যাগের মাস হলেও রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এর উল্টো চিত্র ফুটে উঠেছে। ইফতার ও সেহরির অতিপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, কৃষি মার্কেট, মহাখালী কাঁচাবাজার ও জোয়ারসাহারা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবু, বেগুন, শসা, মুরগি ও খেজুরের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি বাজারের দোহাই দিলেও সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগ—অসাধু সিন্ডিকেট চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পকেট কাটছে সাধারণ মানুষের।

ইফতার সামগ্রীতে আগুনের হলকা

ইফতারের অপরিহার্য অনুষঙ্গ লেবুর দাম এখন সাধারণের নাগালের বাইরে। আকারভেদে এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে শুরু করে ১৬০ টাকা পর্যন্ত। বেগুনের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়ে কেজি ঠেকেছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। দেশি শসা ও কাঁচা মরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে; প্রতি কেজি শসা ১৪০ টাকা এবং মরিচ ২৪০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। মোহাম্মদপুর টাউন হলের সবজি বিক্রেতা মো. ইব্রাহিম জানান, আড়তেই দাম চড়া থাকায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে।

পেঁয়াজ, ডাল ও ছোলার বাজার

পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলার দামও কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়ে এখন ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় ঠেকেছে। এছাড়া মসুর ডাল মানভেদে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মুরগি ও মাংসের বাজারে অস্থিরতা

রমজানে চাহিদা বাড়ার অজুহাতে ব্রয়লার মুরগি ২০০-২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারেও তিল ধারণের জায়গা নেই; গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, খামারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের কিছুই করার নেই।

শুল্ক ছাড়েও কমেনি খেজুরের দাম

সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো, এনবিআর থেকে শুল্ক কমানোর ঘোষণা সত্ত্বেও বাজারে কমেনি খেজুরের দাম। উল্টো গত দুই সপ্তাহে মানভেদে খেজুরের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খুচরা বাজারে আজওয়া ৮০০-১৪০০ টাকা, মরিয়ম ১১০০-১৫০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম কোয়ালিটির মেডজুল ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজিকে দায়ী করলেও সাধারণ মানুষ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।

দেশি-বিদেশি ফলের চড়া দর

ফলের বাজারেও একই অস্থিরতা। কলার ডজন প্রতি ৪০-৬০ টাকা বেড়েছে। পেয়ারা ১০০-১৫০ টাকা এবং আনারস পিস প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এই রমজানে পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


গ্যাস সরবরাহে আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৯ ২১:৩০:৩৬
গ্যাস সরবরাহে আবারও বড় ধরনের বিপর্যয়
ছবি : সংগৃহীত

সামান্য কয়েকদিনের স্বস্তির পর ফের তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে পড়েছে দেশ। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে বুধবার বিকাল ৩টা থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে ২১৮ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে। নতুন এলএনজি কার্গো সময়মতো না পৌঁছানো এবং বিদ্যমান মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যা শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও আবাসিক খাতে সংকটকে আরও প্রকট করে তুলছে।

টানা ২৫ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে গত শনিবার সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ ক্ষমতায় এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক চালু হলে সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু নতুন কোনো চালান না আসায় এক্সিলারেট তাদের অবশিষ্ট মজুত থেকে সীমিত আকারে সরবরাহ চালু রাখে। পরবর্তীতে সোমবার থেকে সরবরাহ কমতে শুরু করে এবং বুধবার বিকালে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। জ্বালানি বিভাগের তত্ত্বাবধানে পেট্রোবাংলা এবং রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) এলএনজি আমদানির দায়িত্বে থাকলেও পর্যাপ্ত মজুতের অভাবে প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও টার্মিনালটি সচল রাখা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক খোলা বা স্পট বাজার থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি সংগ্রহের অংশ হিসেবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে একাধিক কার্গোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল। চলতি মাসে অন্তত চারটি চালানের দেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি কার্গোও এসে পৌঁছায়নি, যার কারণে সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মহেশখালীতে এক্সিলারেটের টার্মিনালের দৈনিক সক্ষমতা ৬০ কোটি এবং সামিটের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট। গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি মেরামত শেষে প্রস্তুত হলেও নতুন কার্গোর অভাবে তা চালু রাখা সম্ভব হয়নি।

আগামী বৃহস্পতিবার সামিট টার্মিনালের জন্য একটি এলএনজি কার্গো আসার সম্ভাবনা থাকলেও এক্সিলারেটের নির্ধারিত কার্গোটি পৌঁছাতে ২৩ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ফলে আগামী কয়েক দিন গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করা হয় এবং এর মধ্যে ১০৫ কোটি ঘনফুট আসে এলএনজি থেকে। তবে বুধবার সরবরাহ মাত্র ৫৫ কোটি ঘনফুটে নেমে আসায় দেশের শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় ভোগান্তি বাড়তে শুরু করেছে।

/আশিক


ফেডের সুদের হার ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৯ ১৮:২৯:২৫
ফেডের সুদের হার ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের মান হ্রাস এবং বৈশ্বিক বন্ডের সুদহার কয়েক দশকের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নেমে আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বিদ্যমান থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী মুদ্রানীতির দিকনির্দেশনা বুঝতে নীতিনির্ধারণী বৈঠকের কার্যবিবরণীর দিকে নজর রাখছেন বিনিয়োগকারীরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫৬ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম সামান্য কমে ৪ হাজার ৪১০ দশমিক ৩০ ডলারে নেমেছে।

ডলারের দর প্রায় ১২২ টাকা ধরে হিসাব করলে আন্তর্জাতিক স্পট মূল্যের ভিত্তিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি গ্রাম প্রায় ১৭ হাজার ১০০ টাকা। সেই অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাবে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়ছে প্রায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা, যা প্রায় ২ লাখ টাকার কাছাকাছি। তবে স্থানীয় বাজারে সোনা কিনতে ডলারের বিনিময় হার, ভ্যাট এবং তৈরির মজুরিসহ অন্যান্য খরচ যুক্ত হওয়ায় প্রকৃত বিক্রয়মূল্য আরও বেশি হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দীর্ঘমেয়াদি ঋণের খরচ কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছালে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছিল। তবে বুধবার বন্ডের ওপর চাপ ও ডলারের দর কমে আসায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ আবার বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ফেডের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার জোরালো সম্ভাবনার কারণে সামষ্টিক অর্থনীতি স্বর্ণের অনুকূলে রয়েছে, যা এর দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। বর্তমানে বাজারে ফেডের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সম্ভাবনা ৬৭ শতাংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউবিএসের বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, চলতি মাসে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্রকৃত সুদের হার কমে আসার কারণে মধ্যমেয়াদে ধাতুটির দর আরও বাড়তে পারে। এদিকে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তার জেরে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম তিন সপ্তাহের সর্বোচ্চে উঠেছে। অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম কিছুটা কমলেও প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম সামান্য বেড়েছে।

বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা আছে। এর আগে গত ১৪ আগস্ট ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা দর কমিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

/আশিক


১ জুলাই থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে ধোঁয়াশা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৯ ১৮:২৫:৫৪
১ জুলাই থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে ধোঁয়াশা
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সচিব কমিটির স্বাক্ষর সম্পন্ন হলেও এর আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গত ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকরের ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, কারিগরি জটিলতা এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতার সুরাহা না হওয়ায় চলতি আগস্ট মাসেও গেজেট প্রকাশ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই কাঠামো বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেতন-ভাতা, পেনশন ও গ্র্যাচুইটি খাতে মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। গত ১১ জুন বাজেট ঘোষণার সময় ১ জুলাই থেকে তা কার্যকরের কথা জানানো হয়েছিল। মূলত দীর্ঘ ১১ বছর পর জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নীতিগত অনুমোদন মিললেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কারিগরি দিকটিই এখন প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা মূলত ইএফটি এবং আইবাস প্লাস প্লাস (iBAS++) সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রথম বছরে শুধু বর্ধিত মূল বেতন এবং পরবর্তী বছর থেকে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সফটওয়্যারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, যা গেজেট প্রকাশে বিলম্বের অন্যতম কারণ।

এদিকে ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেল চালুর সময় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কোনো পেশাজীবী যেন বৈষম্যের শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের পর্যালোচনা কমিটি। প্রাথমিক পর্যায়ে দুই ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হলেও বর্তমানে ২০২৬ সালের জুলাইয়ে মূল বেতন ও ২০২৭ সালের জুলাইয়ে অন্যান্য ভাতা কার্যকর করাসহ তিন ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাবও বিবেচনাধীন রয়েছে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন নবম জাতীয় বেতন কমিশন ২০টি গ্রেড অক্ষুণ্ণ রেখে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল। কমিশনের দেওয়া প্রস্তাবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়। যদিও পর্যালোচনা কমিটির আলোচনায় সর্বনিম্ন মূল বেতন ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা করার বিকল্প প্রস্তাবও এসেছে। তবে রাষ্ট্রের সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে চূড়ান্ত গেজেটে এই অংকে পরিবর্তন আসতে পারে।

সার্বিক দিক বিবেচনায় গেজেট প্রকাশের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো নিশ্চিত নয়। দ্রুত সফটওয়্যার ও অন্যান্য কারিগরি দিক সমাধান হলে চলতি আগস্টেই গেজেট প্রকাশের সুযোগ রয়েছে বলে একটি সূত্র জানালেও, ভিন্ন আরেকটি সূত্রের মতে অক্টোবর মাসের আগে এই গেজেট জারি করা কঠিন হতে পারে। ফলে বর্ধিত বেতনের সুবিধা পেতে সরকারি কর্মচারীদের আরও কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে হতে পারে।

/আশিক


বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর দামের সর্বশেষ পরিস্থিতি

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৯:৩১:৩২
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর দামের সর্বশেষ পরিস্থিতি
ছবি : সংগৃহীত

টানা দুই সেশনে বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৯২.৮৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স হয়েছে ৪,৪৪৯.৫০ ডলার।

বাজার বিশ্লেষক রস নরম্যান জানান, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং ডলারের শক্ত অবস্থানের কারণে এই সংশোধন হয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে। এর ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা মন্থর হতে পারে—এমন আশঙ্কায় স্বর্ণের বাজারে সাময়িক বিক্রির চাপ বেড়েছে।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.০৮ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১.৪ শতাংশ কমে ১,৭৪৫.৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ কমে ১,৩১৮.২৯ ডলারে নেমেছে।

এদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

/আশিক


শিক্ষকদের পে স্কেল পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৮:৩২:২১
শিক্ষকদের পে স্কেল পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রণয়নের বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদান অনন্য হওয়ায় তাঁদের বেতন বা মর্যাদা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা উচিত নয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের জীবনমান ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একটি আলাদা বেতনকাঠামো প্রয়োজন। জাতীয় সংসদে শিক্ষকদের বেতন নিয়ে অন্যান্য পেশার সাথে করা তুলনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষকরা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার কারিগর, তাই তাঁদের স্বতন্ত্র মর্যাদার জায়গা থেকেই মূল্যায়ন করতে হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে চলমান আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক বাধার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে প্রধান শিক্ষকসহ বহু পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কাজ করছে। পাশাপাশি দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষার প্রসারে জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


ডলার সংকটের মুখে অবিশ্বাস্য সুখবর: রেমিট্যান্স বাড়ল ৩২ শতাংশেরও বেশি!

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৮ ১৮:১৪:৫৩
ডলার সংকটের মুখে অবিশ্বাস্য সুখবর: রেমিট্যান্স বাড়ল ৩২ শতাংশেরও বেশি!
ছবি : সংগৃহীত

চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ১৭ আগস্ট (সোমবার) এক দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ে (আগস্টের প্রথম ১৭ দিন) রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার; সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ে ৩২.৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্র (১ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত) বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ২১.৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।

/আশিক


নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৭ ১৮:০৮:২০
নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই নতুন বেতনকাঠামোর সংক্রান্ত সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সব সদস্য স্বাক্ষর করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকের ‘নবম জাতীয় বেতন স্কেলে: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান’ অধ্যায়ে এই তথ্য জানানো হয়।

ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর পর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা সমন্বয় করা হতে পারে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেয়। সেখানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কমিটি সার্বিক পর্যালোচনা শেষে এই সুপারিশের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

/আশিক


হরমুজ সংকটেও বাড়েনি তেলের দাম, নেপথ্যে চীনের গোপন চাল

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৬ ১৯:২২:৫১
হরমুজ সংকটেও বাড়েনি তেলের দাম, নেপথ্যে চীনের গোপন চাল
গ্রাফিক্স: ইত্তেফাক

দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসা ওপেক জোটকে ছাপিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে চীন। সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির সংকটের মধ্যেও তেলের বাজারে যে বড় ধরনের ধস নামেনি, তার পেছনে বড় অবদান রেখেছে বেইজিংয়ের কৌশলগত বাজার ব্যবস্থাপনা—এমনটাই উঠে এসেছে দ্য ইকোনমিস্টের এক বিশ্লেষণে।

যুদ্ধের শুরুতে গত ৩০ এপ্রিল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে পৌঁছালেও পরবর্তীতে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। হরমুজ প্রণালি অচল হওয়ার ঝুঁকিতে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল আটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল বিকল্প পথে সরিয়ে নেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের কৌশলগত মজুত ছাড়ার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে চীন। বিশ্বের শীর্ষ আমদানিকারক দেশটি তাদের দৈনিক তেল আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে ৫৫ লাখ ব্যারেলে নিয়ে আসে। একই সঙ্গে নিজস্ব বিশাল মজুত থেকে ব্যবহার, পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা সমন্বয়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখে।

ওপেক মূলত তেল উৎপাদন কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করত। অন্যদিকে চীন বিশ্বের বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে নিজস্ব চাহিদা ও মজুত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য তৈরি করেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে হয়তো একই রকম থাকবে না। ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তার এবং পরিবহন খাতে তেলের চাহিদা কমলে বেইজিংয়ের এই তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। একই সাথে দীর্ঘমেয়াদে একক কোনো দেশ বা জোটের ওপর জ্বালানি নির্ভরতা এড়াতে বিকল্প উৎসের সন্ধান ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

/আশিক


চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে পরিবর্তন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১৫ ২০:৩৬:৩৫
চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে পরিবর্তন
ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর গতকাল শুক্রবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন এলেও চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে তা আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের এই নতুন দামের ঘোষণা দেয় বাজুস।

বাজুসের হালনাগাদ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের ক্ষেত্রে দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে এখন প্রতি ভরির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।

/আশিক

পাঠকের মতামত: