ইফতারের পর ক্লান্ত লাগে? সতেজ থাকার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন

সারাদিন রোজার শেষে মাগরিবের আজান শুনে ইফতার করা হয়। টেবিলে সাজানো নানা পদের খাবার দেখে খাওয়ার আগ্রহ থাকে অনেক বেশি, কারণ আপনি সারাদিনের ক্ষুধার্ত। পেটপুরে মজার সব খাবার তো খেয়ে নিলেন, এরপর ভাবছেন মুহূর্তেই শক্তিশালী হয়ে যাবেন? আপনার প্রত্যাশা এমনটা থাকলেও আসলে তা হয় না। কারণ ইফতার খাওয়ার পরপরই আপনার ক্লান্ত লাগতে শুরু করে।
সারাদিন রোজার শেষে মাগরিবের আজান শোনামাত্রই ইফতারের টেবিলে বসা—এ যেন এক বিশেষ অনুভূতি। সামনে সাজানো নানা পদের খাবার দেখে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। কিন্তু পেটভরে খাওয়ার পরপরই অনেকেরই অদ্ভুত ক্লান্তি ভর করে। এর কারণ হলো দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ করে অতিরিক্ত ও ভারী খাবার খাওয়া। একসঙ্গে বেশি খাবার গ্রহণ করলে তা হজমে শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। ফলে রক্তপ্রবাহের একটি বড় অংশ হজম প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয় এবং শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।
কিছু উপায় মেনে চললেই এড়ানো যাবে ইফতারের পরের এই ক্লান্তি। জেনে নিন উপায়গুলো-
ধীরে ও পরিমিতভাবে খান
ইফতারের সময় টেবিলে সাজানো নানা পদের খাবার থেকে অল্প অল্প করে খেলেও দ্রুত পেট ভরে যায়। কিন্তু সারাদিন রোজার পর একসঙ্গে অনেক ধরনের খাবার খেলে ক্লান্তি অনুভূত হওয়াই স্বাভাবিক। ক্ষুধা থাকলেও হজমের জন্য পেটকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া জরুরি। তাই সব খাবার একবারে না খেয়ে ধাপে ধাপে খান। কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আবার খান। এতে শরীর অতিরিক্ত চাপ অনুভব করবে না এবং খাবারও ভালোভাবে হজম হবে।
হালকা ও সুষম খাবার বেছে নিন
ইফতারে হালকা ও সুষম খাবার বেছে নেওয়া জরুরি, কারণ সারাদিন রোজার পর শরীরকে দ্রুত শক্তি দিতে হলেও হজমে অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ঠিক নয়। তাই খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করে ফলমূল, ছোলা বা ডিমের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, সবজি, সালাদ বা হালকা স্যুপ রাখতে পারেন। এগুলো সহজে হজম হয়, ধীরে ধীরে শক্তি জোগায় এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, তেলচর্বিযুক্ত বা বেশি মিষ্টি খাবার কম খাওয়াই ভালো, কারণ এগুলো হজমে সময় নেয় এবং ইফতারের পর ক্লান্তি বাড়াতে পারে।
পানিশূন্যতা দূর করুন
সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এরপর ইফতারে ডুবোতেলে ভাজা আর বিভিন্ন মসলাদার খাবার খাওয়া হয়। ফলস্বরূপ পানির ঘাটতি পূরণ হয় না। ইফতারের পর প্রচুর পানির দরকার হয় শরীরের। তাই বিভিন্ন ফল, ফলের রস, শরবত, ডাবের পানি ইত্যাদি খান। ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। এতে শরীরে পানির ঘাটতি দূর হবে। সেইসঙ্গে দূর হবে ক্লান্তিও।
অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলুন
ইফতারে অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একসঙ্গে বেশি মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে পরে হঠাৎ কমে যায়, যা ক্লান্তি ও অবসাদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মিষ্টির বদলে খেজুর বা ফলমূল বেছে নিলে শরীরকে ধীরে ধীরে শক্তি দেওয়া হয় এবং হজমও সহজ হয়।
এককাপ চা কিংবা কফি
রোজায় চা কিংবা কফি পানের অভ্যাস বাদ দেন অনেকে। তবে ইফতারের পর ক্লান্তি কাটানোর জন্য এককাপ চা কিংবা কফি পান করতে পারেন। কারণ এ ধরনের পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন আপনাকে ভেতর থেকে সতেজ রাখতে কাজ করে। তবে এই চা কিংবা কফি যেন খুব কড়া না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। সেইসঙ্গে এককাপের বেশি পান না করাই ভালো।
কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন
ইফতারের পরপরই শুয়ে-বসে থাকবেন না। বরং স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন। আমাদের শরীর আমাদের মনের কথা শুনে চলে। তাই নিজেকে ক্লান্ত ভাববেন না। বরং ইফতারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন। এতে ক্লান্তি দূর হবে সহজেই। সেইসঙ্গে হজমও ভালো হবে।
নামাজ পড়ে নিন
ইফতারের শুরুতে একটি খেজুর ও একগ্লাস পানি খেয়ে মাগরিবের নামাজ পড়ে নিন। এতে নামাজ সময়মতো আদায় হয়ে যাবে এবং ততক্ষণে আপনার পেটও খাবার হজমের জন্য তৈরি হবে। নামাজ শেষ করে ইফতারের বাকি খাবার খাবেন। যারা এভাবে খেয়ে অভ্যাস্ত, তারা তুলনামূলক অনেক কম ক্লান্ত হন।
/আশিক
ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন
তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করা বন্ধে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে সমন্বয় করা হবে। এর ফলে যেকোনো বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আগের বৈবাহিক তথ্যাদি সহজেই অনলাইনে যাচাই করে নেওয়া সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর নিকেতনে অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের (কাজী) জন্য আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী এক আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেন। ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক এই বিশেষ কর্মশালায় দেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অনলাইন নিবন্ধন পদ্ধতি পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রতিটি নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এই ডিজিটাল নিবন্ধন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এ উদ্দেশ্যে কাজীদের প্রয়োজনীয় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ে ও তালাকের সব তথ্য ডিজিটাল সার্ভারে সংরক্ষিত থাকলে প্রতারণামূলকভাবে আগের বৈবাহিক অবস্থা গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ বন্ধ হবে। একই সাথে এই পদক্ষেপে সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ ও বেআইনি বহুবিবাহ রোধ করাও অনেকটাই সহজতর হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে এনআইডি, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সাথে বৈবাহিক তথ্য যুক্ত হওয়ায় একজন নাগরিকের সার্বিক পরিচয়ভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত বিয়ে, বিচ্ছেদ ও পরিচয়গত সব তথ্য একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা যাবে।
অনলাইন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি সুফল তুলে ধরে মন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের মৃত্যুর পর সম্পত্তি বা উত্তরাধিকার সূত্রে স্ত্রী-সন্তানদের মধ্যে একাধিক দাবি কিংবা জটিলতা তৈরি হলে নিবন্ধিত ডিজিটাল তথ্য দেখে বৈবাহিক সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করা যাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পারিবারিক বিরোধ ও বিচারালয়ে দীর্ঘমেয়াদি মামলা-মোকদ্দমার ঝোঁক অনেকটাই হ্রাস পাবে, যা শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাবে।
/আশিক
শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রকাশ
মেদ ঝরার পর শরীরের অতিরিক্ত চর্বি আসলে কোথায় উধাও হয়ে যায়—ঘাম হয়ে ঝরে পড়ে, নাকি মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়—এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়। আপাতদৃষ্টে বিষয়টি সাধারণ মনে হলেও এর অন্তরালে রয়েছে বিজ্ঞানের এক নিখুঁত ও চমৎকার রসায়ন, যার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।
মানবদেহে মেদ জমার প্রক্রিয়াটি মূলত শুরু হয় প্রাত্যহিক খাদ্যাভ্যাস থেকে। দৈনন্দিন গৃহীত চর্বিযুক্ত খাবারগুলো মানব পাচনতন্ত্রে গিয়ে ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। শরীর এই ফ্যাটি অ্যাসিডের কিছুটা অংশ কোষ গঠন, গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গগুলো সুরক্ষার কাজে কাজে লাগায়। আর অবশিষ্ট অতিরিক্ত অংশটুকু ট্রাইগ্লিসারাইড যৌগ হিসেবে জমা থাকে ফ্যাট সেলে, যা পরবর্তীতে আকস্মিক শক্তির সংকট দেখা দিলে ব্যবহারের জন্য রক্ষিত থাকে। সাধারণত এই চর্বি চামড়ার নিচের স্তরে এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমতে থাকে।
তবে আসল পরিবর্তন শুরু হয় যখন কোনো ব্যক্তি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা শারীরিক কসরত শুরু করেন। শরীর যখন গৃহীত খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত শক্তি পান না এবং ক্যালরির ঘাটতি সৃষ্টি হয়, তখন হরমোন ও স্নায়বিক সংকেতের প্রভাবে ফ্যাট সেলগুলো সাড়া দিতে শুরু করে। বিজ্ঞানের ভাষায় চর্বি ক্ষয় বা চর্বি ভাঙার এই জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'লাইপোলাইসিস'।
লাইপোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ট্রাইগ্লিসারাইড ভেঙে উৎপন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মূল শক্তির কেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে। সেখানে 'বিটা-অক্সিডেশন' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলো ভেঙে প্রয়োজনীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সামগ্রিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার চূড়ান্ত উপজাত বা বর্জ্য হিসেবে মূলত দুটি উপাদান তৈরি হয়—কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রায়ই ধারণা কাজ করে যে অতিরিক্ত মেদ ঝরা মানেই শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হওয়া। তবে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, মূল বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। চর্বি ক্ষয় হওয়ার পর তার সিংহভাগ অংশই ফুসফুসের মাধ্যমে আমরা যখন শ্বাস ত্যাগ করি, তখন বাতাস থেকে বাতাসে মিলিয়ে যায়। বিজ্ঞানীদের সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়প্রাপ্ত মেদের প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে নিশ্বাসের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। আর অবশিষ্টাংশ বা ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাব এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের আকারে নিষ্কৃত হয়।
তবে এ থেকে দ্রুত নিশ্বাস ফেলে মেদ কমানোর কোনো সুযোগ নেই। অনবরত দ্রুত শ্বাস ফেললেই শরীরে জমানো চর্বি গলে যায় না, কারণ শ্বাস ত্যাগ করা হলো কেবল পোড়া চর্বির বর্জ্য নিষ্কাশনের একটি মাধ্যম, চর্বি পোড়ানোর মূল চালিকাশক্তি নয়। শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বির মজুত কাটাতে হলে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, কায়িক ব্যায়াম এবং পরিমিত সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রেখে ক্যালরির সঠিক ঘাটতি তৈরি করাই একমাত্র বৈজ্ঞানিক উপায়।
/আশিক
দিনভর শারীরিক অলসতা ও ক্লান্তি: চিকিৎসকদের নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ
অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুমের পরও সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর চাঙা লাগে না কিংবা কোনো কাজেই কাঙ্ক্ষিত উৎসাহ পাওয়া যায় না। সারাদিন ধরে শুয়ে-বসে থাকার এই তীব্র প্রবণতা বা অবসাদ সবসময় কেবল আলস্য বা ইচ্ছাশক্তির ঘাটতি নয়, বরং এটি মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিনের অভাবজনিত শারীরিক সংকেত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঝিমুনিভাব বজায় থাকলে মূলত ভিটামিন 'ডি' এবং ভিটামিন 'বি১২'-এর ঘাটতি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা অত্যন্ত জরুরি। অবশ্য এর পাশাপাশি রক্তশূন্যতা (এনেমিয়া), থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা ঘুমের অনিয়মও এ ধরনের শারীরিক অলসতার অন্যতম কারণ হতে পারে।
মানবদেহে ভিটামিন ডি মূলত হাড়, পেশি এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এর অভাব দেখা দিলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, হাত-পা ও হাঁটুতে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয় এবং দিনের বেলাতেও শরীরে সারাক্ষণ ক্লান্তি ভর করে থাকে। অন্যদিকে স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ এবং লোহিত রক্তকণিকা গঠনে ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। বি১২-এর ঘাটতি ঘটলে শরীরে চরম দুর্বলতা ও ক্লান্তি তো আসেই, সেই সাথে হাত-পায়ে ঝিনঝিনি বা অসাড়তা, মাথা ঘোরা এবং কিছু ক্ষেত্রে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা অলসতা বজায় থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শে সিবিসি, সিরাম ফেরিটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং থাইরয়েড (TSH) পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট ঘাটতি নির্ণয় করা সম্ভব। সার্বিক আলস্য কাটিয়ে শরীরকে সতেজ রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর ও ভিটামিনযুক্ত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার গভীর ঘুম নিশ্চিত করা এবং প্রতিদিন হালকা শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
/আশিক
২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হওয়া রোধে যেসব বিষয় জানা জরুরি
একসময় চুল পড়া কিংবা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার একটি স্বাভাবিক সার্বিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে তরুণদের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ পিছিয়ে যাওয়া এবং মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই অকাল চুল পড়ার নেপথ্যে একক কোনো কারণ না থেকে বরং বংশগত কারণ, মানসিক অস্থিরতা, পুষ্টির ঘাটতি কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপনের মতো বহুমুখী প্রভাবকের যৌথ ভূমিকা থাকতে পারে।
ভারতের বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাশি সোনির মতে, তরুণ বয়সে চুল পড়ার কারণগুলো বহুমুখী। তিনি উল্লেখ করেন, বংশগত বা জিনগত প্রবণতা, ক্রমাগত মানসিক চাপ, ভারসাম্যহীন খাদ্যাভ্যাস এবং আধুনিক জীবনের ভুল অভ্যাসের কারণে অকালেই মাথার চুল ঝরে পড়তে পারে।
অকাল চুল পড়ার প্রথম ও অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া বা বংশগত টাক পড়ার সমস্যাকে। ডাক্তার সোনি জানান, জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে মাথার ত্বক ও চুলের ফলিকলগুলো অ্যান্ড্রোজেন হরমোন, বিশেষত ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন (ডিএইচটি)-এর প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। ফলে ধীরে ধীরে ফলিকল সংকুচিত হয়ে চুল পাতলা ও দুর্বল হতে শুরু করে। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেবল মায়ের দিকের পারিবারিক ইতিহাসের ওপর নির্ভর করে না, বরং বাবা-মা উভয় পক্ষের পারিবারিক জিনগত ধারা বিবেচনা করা জরুরি।
দ্বিতীয় প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপ। বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উদ্বেগ, কর্মক্ষেত্রের মাত্রাতিরিক্ত চাপ, বিষণ্নতা, অপর্যাপ্ত ঘুম, দ্রুত ওজন কমানোর কঠোর ক্র্যাশ ডায়েট কিংবা বড় কোনো শারীরিক অসুস্থতার ধাক্কায় ‘টেলোজেন ইফ্লুভিয়াম’ নামের ব্যাধি দেখা দিতে পারে। এই অবস্থায় মাথার স্বাভাবিক চয়ন পর্যায় থেকে বিপুল পরিমাণ চুল একযোগে ঝরে পড়ার ধাপে চলে যায়। উল্লেখ্য, কোনো মানসিক বা শারীরিক ধাক্কা খাওয়ার কয়েক মাস পর এই চুল পড়া পরিলক্ষিত হয় বিধায় সাধারণ গ্রাহক মূল কারণ শনাক্ত করতে বিভ্রান্ত হন।
ফিটনেস সচেতন তরুণদের মাঝে জিম সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত ক্রিয়েটিন নিয়ে এক ধরনের আতঙ্ক থাকলেও আধুনিক গবেষণায় ক্রিয়েটিন সরাসরি চুল পড়ার কারণ হিসেবে নিশ্চিত প্রমাণিত হয়নি। কিছু গবেষণায় ক্রিয়েটিন গ্রহণের পর ডিএইচটি হরমোনের মাত্রায় সাময়িক পরিবর্তনের কথা বলা হলেও কোনো হরমোনের সাধারণ ওঠানামাই সরাসরি টাক পড়ার প্রধান কারণ—এমন চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিমূলক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলেনি।
চতুর্থত, খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টি উপাদানের অভাব চুল ঝরার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রভাব ফেলে। প্রোটিনের অভাব, অতিরিক্ত অনিয়ন্ত্রিত ডায়েটিং এবং আয়রনসহ অপরিহার্য ভিটামিনের ঘাটতি চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি থমকে দেয়। তবে স্বপ্রণোদিত হয়ে যেকোনো সাপ্লিমেন্ট বা ভিটামিন গ্রহণ না করে চিকিৎসকের পরামর্শে সুনির্দিষ্ট রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক। তাই বয়স কম ভেবে অকাল চুল পড়াকে হেলাফেলা না করে খাদ্যাভ্যাস, ঘুম, মানসিক চাপ ও বংশগত ইতিহাস পর্যালোচনা করে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
চুল মূলত ত্বকেরই একটি বিশেষ অংশ, তবে বর্তমানে মাথার চুল ঝরে পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়ার সমস্যায় ভোগা মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন স্বাভাবিকের চেয়ে অর্থাৎ একশর বেশি চুল ঝরতে শুরু করলেই মাথা ফাঁকা হতে দেখা যায়। অল্প বয়সে চুল ঝরে যাওয়ার নেপথ্যে মূলত তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হলো হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, যেখানে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন রূপান্তরিত হয়ে ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরনে পরিণত হয় এবং চুলের ফলিকল সংকুচিত করে ফেলে। দ্বিতীয় কারণটি হলো অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অনিদ্রা, যা টেলোজেন এফ্লুভিয়াম নামক জটিলতা তৈরি করে প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরিয়ে দেয়। এছাড়া তৃতীয় কারণ হিসেবে প্রোটিন, বায়োটিন ও আয়রনের মতো পুষ্টির ঘাটতির পাশাপাশি শহরের ধুলোবালি ও শক্ত পানির ক্ষতিকর প্রভাব চুলের গোড়াকে দুর্বল করে তোলে।
অল্প বয়সে টাক পড়ার এই সমস্যা রোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। চুল ঘন ঘন ধোয়ার ক্ষেত্রে সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু বেছে নেওয়া উচিত এবং চুল ধোয়ার পর ঈষদুষ্ণ ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল দিয়ে স্ক্যাল্পে মাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। চুলের মূল উপাদান কেরাটিনের চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, সয়াবিন, পালং শাক ও বাদামের মতো বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা দরকার।
পাশাপাশি ঘরোয়া যত্নে ডার্মারোলার ব্যবহার করলে তা ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে এবং সিরাম বা ওষুধের শোষণ ক্ষমতা বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে ভূমিকা রাখে। কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি এবং আমলকীর মতো প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়া হলে হরমোনজনিত চুল পড়া অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া ধূমপান চুলের ফলিকলে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয় বলে তা বর্জন করা আবশ্যক এবং শরীর ও কোষ মেরামতের জন্য দৈনিক অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।
চুল পড়ার স্থায়ী প্রতিকারের জন্য চুলের পুষ্টি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যা আসে হেয়ার বালবের শিরা-উপশিরা থেকে। সঠিক পুষ্টি পৌঁছানোর জন্য হেয়ার ফলিকলের নিচে ত্বকের গভীরে হেয়ার বালবে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পরিস্থিতি ভেদে চিকিৎসকরা খাওয়ার ওষুধ, চুল ঝরা বন্ধের লোশন ও শ্যাম্পু প্রেসক্রাইব করে থাকেন। এছাড়া অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া বা বংশগত টাকের সমস্যা মোকাবেলায় মেসোথেরাপি ও পিআরপির মতো আধুনিক চিকিৎসা বেশ কার্যকর। তবে এ ধরনের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত সময় ও একাধিক সেশনের প্রয়োজন হয়, যার সফলতার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ধৈর্য এবং জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা বাধ্যতামূলক।
/আশিক
খাওয়ার টেবিলে শিশুর স্ক্রিন আসক্তি কি আসলেই ক্ষতিকর?
খাবার খাওয়ার সময় শিশুর সামনে টেলিভিশন চালু রাখা, মুঠোফোনে ব্যস্ত থাকা কিংবা ট্যাবলেটে গেম খেলা এখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাওয়ার টেবিলে ডিভাইসের উপস্থিতির কারণে শিশুরা প্রায়ই তাদের আহারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে না। এর ফলে তারা ঠিক কতটুকু খাবার গ্রহণ করছে, সে সম্পর্কে তাদের স্পষ্ট কোনো ধারণা থাকে না। তবে স্ক্রিনে সময় কাটালেই শিশুরা সরাসরি অতিরিক্ত খেতে শুরু করে—সমস্যাটিকে এতটা সহজভাবে দেখার সুযোগ নেই। বাস্তবে স্ক্রিন ব্যবহারের ধরণ, পরিবেশন করা খাবারের প্রকৃতি এবং শিশুর সার্বিক জীবনযাত্রার মেলবন্ধনেই এর ফলাফল নির্ধারিত হয়।
সাধারণ নিয়মে খাবার খাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি শারীরিক কিছু সংকেতের ওপর নির্ভর করে। খাওয়ার আগে তীব্র ক্ষুধা পাওয়া, চিবানোর সময় খাবারের স্বাদ ও গঠন উপভোগ করা এবং একপর্যায়ে পেট ভরে আসার অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমেই আহার শেষ হয়। কিন্তু খাবারের সময় শিশুর দৃষ্টি যদি পর্দায় আটকে থাকে, তবে সেই মনোযোগের বড় একটি অংশ অন্য দিকে চলে যায়। এর ফলে পেটে ক্ষুধা না থাকলেও অবচেতনভাবেই তাদের হাত চলতে থাকে। অনুষ্ঠান যত সময় ধরে চলতে থাকে, খাবারের তাগিদ না থাকা সত্ত্বেও কেবল সময় কাটানোর জন্যই তাদের খাওয়া অব্যাহত থাকে।
তবে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রক্রিয়াটি আরও কিছুটা ভিন্ন ও জটিল। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ওপর পরীক্ষাগারে পরিচালিত কিছু নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের সময় টেলিভিশন চলার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়েনি। এই ফলাফলের অর্থ স্ক্রিনের সামনে খাওয়া স্বাস্থ্যকর বা নিরাপদ—তা কিন্তু নয়। বরং এর থেকে বোঝা যায়, এই ধরনের অভ্যাসের চূড়ান্ত প্রভাব একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে এবং তা পরিস্থিতি ও ব্যক্তিগত আচরণের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
ডিভাইসে শিশু আসলে কী দেখছে, সেই বিষয়টির ভূমিকাও এখানে অত্যন্ত জোরালো। ভিডিও গেম বা সাধারণ টিভি অনুষ্ঠান দেখার সময় পরিবেশ পুরোপুরি খাদ্য-নিরপেক্ষ থাকে না। বিভিন্ন আকর্ষণীয় খাবারের বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডের প্রচারণা, ইনফ্লুয়েন্সারদের উপস্থাপন কিংবা সুস্বাদু খাবারের দৃশ্য শিশুদের মনে অজান্তেই খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে। খাবারের সময় স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে করা একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় অন্তর্ভুক্ত ৩৫টি গবেষণার মধ্যে ২৭টিতেই দেখা গেছে, খাবাবের বিজ্ঞাপন বা খাদ্য-সংক্রান্ত ইঙ্গিতের ফলে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ সরাসরি বৃদ্ধি পায়। তবে গবেষকরা এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, টেলিভিশনের তুলনায় মোবাইল বা ট্যাবলেট নিয়ে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তি তুলনামূলক কিছুটা দুর্বল।
স্ক্রিনের সামনে শিশুকে কোন ধরণের খাবার দেওয়া হচ্ছে, তাও বড় একটি বিবেচ্য বিষয়। যেমন, আধা ঘণ্টা ধরে কার্টুন দেখার সময় একটি শিশুর কাছে যদি এক বাটি বিস্কুট রেখে দেওয়া হয়, তবে খাবার টেবিলে বসে নির্দিষ্ট মাপে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতার সাথে তার বড় অমিল দেখা দেবে। প্রথম ক্ষেত্রে খাবারের কোনো নির্দিষ্ট শুরু বা শেষ থাকে না। পাত্রটি হাতের কাছে থাকায় শিশুটি আনমনে বারবার অল্প অল্প করে মুখে তুলতে থাকে এবং একপর্যায়ে সে মোট কতখানি খেয়ে ফেলেছে, তা আর তার নিজের হিসেবেও থাকে না।
এই আচরণটি একসময় দীর্ঘমেয়াদী অভ্যাসে রূপ নেয়। স্ক্রিনের সামনে বসা মানেই যদি প্রতিবার চিপস, বিস্কুট বা মিষ্টি পানীয়র জোগান পাওয়া নিশ্চিত হয়, তবে মস্তিষ্কে এই দুইয়ের মধ্যে একটি স্থায়ী সংযোগ তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে শারীরিকভাবে ক্ষুধা না পেলেও কেবল টেলিভিশনের সুইচ অন করাই শিশুর মনে ওই মুখরোচক খাবারগুলোর চাহিদা তৈরি করে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে শিশুদের মূল খাবার ও নাশতা খাবার টেবিলেই পরিবেশন করা সমীচীন। সম্পূর্ণ প্যাকেট বা বড় পাত্র শিশুর সামনে তুলে না দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাপে মেপে দেওয়া জরুরি। পানীয়র ক্ষেত্রে পানির প্রাধান্য থাকা প্রয়োজন এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকসের বদলে ফল, দই কিংবা পরিমিত বাদামের মতো পুষ্টিকর খাবার তাদের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো।
/আশিক
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ইসবগুলের ভুষি: সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
সকালে পেট পরিষ্কার না হওয়া, মলত্যাগের জটিলতা ও দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তির মতো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া সমাধান হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রাকৃতিক ফাইবার ‘ইসবগুলের ভুষি’ (সাইলিয়াম হাস্ক)। এটি মূলত ‘প্ল্যান্টাগো ওভাটা’ বীজের আবরণ থেকে প্রস্তুতকৃত একটি দ্রবণীয় আঁশ। এটি ওষুধের মতো কৃত্রিমভাবে অন্ত্রকে উত্তেজিত না করে প্রাকৃতিক ‘বাল্ক-ফর্মিং ল্যাক্সেটিভ’ হিসেবে কাজ করে; পানির সংস্পর্শে এলে জেলির মতো ফুলে ওঠে অন্ত্রে পানি ধরে রাখে এবং মল নরম ও ভারী করে সহজে নিঃসরণে সহায়তা করে। তবে এর যথাযথ কার্যকারিতা পেতে সঠিক মাত্রা ও গ্রহণের নিয়ম মেনে চলা জরুরি।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা প্রাথমিক অবস্থায় দৈনিক প্রায় ৫ গ্রাম বা ১ থেকে ২ চা-চামচ ইসবগুল দিয়ে শুরু করতে পারেন। অতিরিক্ত মাত্রা একবারে গ্রহণ করলে উপকারের বদলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অন্ত্রে ব্লকেজ তৈরির ঝুঁকি থাকে। এটি খাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করা।
প্রায় ২৪০ মিলিলিটার বা এক গ্লাস পানিতে ইসবগুল মিশিয়ে বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক পান করতে হবে এবং দিনভর প্রচুর পানি খেতে হবে; অন্যথায় এটি অন্ত্রের পানি শুষে নিয়ে মলকে উল্টো শক্ত করে ফেলতে পারে। দিনের যেকোনো সুবিধাজনক সময় বা সন্ধ্যায় এটি খাওয়া গেলেও যারা নিয়মিত অন্যান্য ওষুধ সেবন করেন, তাদের ওষুধের কার্যকারিতা ও পুষ্টি শোষণ ঠিক রাখতে ইসবগুল খাওয়ার মাঝে নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধান বজায় রাখা আবশ্যক।
তবে খাবার গিলতে সমস্যা, অন্ত্রে প্রতিবন্ধকতা, তীব্র পেটব্যথা, বমি ভাব কিংবা মলদ্বারে রক্তপাতের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত ইসবগুল গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি কিডনি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিয়মিত ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ইসবগুল খাওয়ার পর যদি তীব্র পেটব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা সমস্যা বেড়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অনতিবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
/আশিক
টানা ১৪ দিন গ্রিন টি পানে শরীরে যেসব পরিবর্তন ঘটে: বিশেষজ্ঞের তথ্য
সকালে এক কাপ গরম গ্রিন টি পান করার অভ্যাস এখন অনেকের দৈনন্দিন রুটিনের একটি পরিচিত অংশ হয়ে উঠেছে, তবে সাধারণ এই পানীয়টি মানবদেহে কতটা গভীর ইতিবাচক রূপান্তর ঘটাতে পারে তা অনেকেরই অজানা। সম্প্রতি হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট এবং হেপাটোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি উল্লেখ করেছেন যে, টানা ১৪ দিন বা দুই সপ্তাহ নিয়মিত পরিমিত মাত্রায় গ্রিন টি পান করলে শরীরে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞের অভিমত অনুযায়ী, টানা দুই সপ্তাহ গ্রিন টি পানের ফলে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব পড়ে মানুষের লিভারের ওপর। গ্রিন টিতে ‘ইজিসিজি’ (EGCG)-এর মতো অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যাটেকিন এবং কার্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা লিভারের ভেতরের প্রদাহ প্রশমিত করার পাশাপাশি সামগ্রিক মেটাবলিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এর বিভিন্ন সক্রিয় উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন লড়াই চালিয়ে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন ক্রনিক রোগের ঝুঁকি থেকে মানবদেহকে সুরক্ষিত রাখে।
লিভারের সুরক্ষার পাশাপাশি বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি ও শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণেও পানীয়টি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রিন টির উপাদানগুলো শরীরের স্বাভাবিক বিপাক হার বা মেটাবলিজম গতিশীল করে এবং অতিরিক্ত চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়া বা ফ্যাট মেটাবলিজমকে আরও ত্বরান্বিত করে। একই সাথে এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করতে ভূমিকা রাখে, যা স্বাস্থ্য সচেতন ও ফিটনেস বজায় রাখতে আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য দুই সপ্তাহের মধ্যে আশাব্যঞ্জক বিপাকীয় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
গ্রিন টি মানসিক কর্মক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের একাগ্রতা বাড়াতেও সহায়ক। সাধারণ কফি পানের পর অনেকের মধ্যে যে ধরনের অস্থিরতা বা নার্ভাসনেস দেখা দেয়, গ্রিন টির ক্ষেত্রে সেই ঝুঁকি থাকে না। এতে কফির চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম ক্যাফেইন থাকে এবং যুক্ত থাকে ‘এল-থিয়ানিন’ নামক এক বিশেষ অ্যামাইনো অ্যাসিড। এই দুই উপাদানের সম্মিলিত ক্রিয়া মস্তিষ্ককে শান্ত ও স্থির রাখে, যা অস্থিরতা তৈরি না করেই দীর্ঘক্ষণ নিরবচ্ছিন্ন মানসিক সতর্কতা, স্থায়িত্বশীল শক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে।
স্বাস্থ্যগত অসংখ্য গুণাবলি থাকা সত্ত্বেও গ্রিন টি গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু সতর্কতা এবং সঠিক নিয়ম মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন ডা. শেঠি। তিনি দৈনিক এক থেকে সর্বোচ্চ তিন কাপ গ্রিন টি পানের পরামর্শ দিয়েছেন এবং অতিরিক্ত ঘন গ্রিন টি নির্যাসের (Green Tea Extract) ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে পরিহার করার কড়া সতর্কতা দিয়েছেন। অতিরিক্ত মাত্রায় ঘন নির্যাস সেবনের ফলে বিরল ক্ষেত্রে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, যার কারণে পরিমিত ও নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় পান করাই এই অভ্যাসের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
বুকের ব্যথাই শেষ কথা নয়: হার্ট অ্যাটাকের এই লক্ষণগুলো জানেন কি?
সিনেমার মতো নাটকীয়ভাবে হঠাৎ বুকে চেপে ধরে লুটিয়ে পড়ার বাইরেও অত্যন্ত ধীর ও বিভ্রান্তিকর উপসর্গে বাস্তব জীবনে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময় সাধারণ অ্যাসিডিটি, বুকজ্বালা, অল্পতেই অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা সাধারণ পেশির ব্যথার আড়ালে প্রাণঘাতী এই সমস্যার প্রাথমিক সতর্কসংকেত লুকিয়ে থাকে। মানুষ প্রায়ই খাদ্যাভ্যাস বা কাজের চাপকে দায়ী করে এসব লক্ষণ অবহেলা করেন, যার ফলে হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘গোল্ডেন আওয়ার’ নষ্ট হয় এবং হৃৎপিণ্ডের স্থায়ী ক্ষতি বা মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হয়।
চিকিৎসকদের মতে, বুকে তীব্র ব্যথা না হয়ে কেবল মাঝখানে চাপ লাগা, ভারী ভাব, আঁটসাঁট লাগা কিংবা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে, যা কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়ে আবার ফিরে আসে। এই অস্বস্তি শুধু বুকেই সীমাবদ্ধ না থেকে স্নায়ুর মাধ্যমে এক বা দুই হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল কিংবা পেটের ওপরের অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, বমিভাব কিংবা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ ও ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বুকে তীব্র ব্যথার বদলে কেবল বমিভাব, পেটের সমস্যা কিংবা চরম ক্লান্তির মতো অপ্রচলিত উপসর্গ দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, কারণহীন যেকোনো বুকজ্বালা বা অস্বস্তিকে কেবল গ্যাস্ট্রিক ভেবে অ্যান্টাসিড খেয়ে সময়ক্ষেপণ করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এমন উপসর্গ দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সব শারীরিক পরিশ্রম বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে হবে এবং দ্রুততম সময়ে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে। রোগী অচেতন হয়ে পড়লে এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ থাকলে অবিলম্বে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) শুরু করা এবং প্রয়োজনে ডিফিব্রিলেটর (এইডি) ব্যবহার করে রোগীকে বাঁচানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- পূর্ণ ক্ষমতায় রামপালের দুই ইউনিট, জাতীয় গ্রিডে রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ
- ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি দুই সামরিক যানের সংঘর্ষ
- মহাকাশ থেকে ভেসে এলো নতুন সংকেত: বহির্বিশ্বের গ্রহ থেকে প্রথম রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত
- দক্ষিণ এশিয়ার মাটিতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা
- বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তাই এখন নতুন স্বাভাবিক: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
- ইসলামাবাদ লং মার্চ বাতিল ও ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে সরগরম পাকিস্তান রাজনীতি
- দলীয় পরিচয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা: আখতারুজ্জামানকে নেতা মানতে রাজি নয় জামায়াত
- শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রকাশ
- বয়স কেবল সংখ্যা মাত্র, বৈশ্বিক মঞ্চে ফের চমক প্রবীণ অভিনেত্রীর
- আওয়ামী লীগের সঙ্গে সরকারেরই গোপন যোগাযোগ রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- চ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রণালিতে চরম উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি
- ফুটবলের নতুন ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত কলকাতার ক্রীড়াঙ্গন
- একদিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি: ফের ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি ইলন মাস্ক
- দিল্লিতে ফের বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ ও বিক্ষোভ
- জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে মানবিক প্রয়াসে শীর্ষ নেতৃত্বের সহধর্মিণীরা
- ট্রাম্পের নৈশভোজের বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আমি সবসময় এরদোয়ানকে খুশি রাখব: নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
- ‘আমরা শেখ হাসিনাকে নিয়ে যাইনি’: ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর স্পষ্ট বক্তব্য
- বিশ্বজুড়ে ডিজেলের চরম সংকটের আশঙ্কা, বৈশ্বিক সরবরাহ ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের তড়িঘড়ি
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে তোলপাড় দিল্লি, যন্তর মন্তরে বন্ধ ইন্টারনেট
- পরমাণু অস্ত্রসহ সব ধরণের অস্ত্র ব্যবহারের হুঁশিয়ারি পুতিনের
- ফেডের সিদ্ধান্তের আগে ডলারের সূচকে পতন, স্বর্ণের বাজারে নতুন মোড়
- ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে ৩৫ যাত্রীকে রক্ষা, প্রাণ গেল চালকের
- লন্ডনে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের উপস্থিতিতে গ্রেটার চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের মতবিনিময়
- খানাখন্দে ভরা সড়কের দিন শেষ: এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর বরাদ্দে পাকা হচ্ছে ইউছুফপুর সড়ক
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সম্পদ ও মামলা নিয়ে এনসিপি নেতার বিস্ফোরক পোস্ট
- ১৪তম ওয়ানডে বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি ও ভেন্যু ঘোষণা
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে ইয়েমেনে নতুন করে বিমান হামলা শুরু
- 'বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধ ঠান্ডা মাথায় ভালো': রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার পর বোনের বিস্ফোরক মন্তব্য
- শপথ নেওয়ার পরের দিনগুলোর বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ড. আসিফ নজরুল
- ৯টি প্রাকৃতিক সীমানার ৭টিই অতিক্রম করেছে মানুষ, ধেয়ে আসছে অপূরণীয় পরিবেশ বিপর্যয়
- ৩ মাসের মধ্যে দেশ থেকে কিশোর গ্যাং উৎখাতের ঘোষণা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির
- জলপথ থেকে আকাশসীমা: ইরানকে ঘিরে ওয়াশিংটনের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
- ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শারীরিক অবস্থা ঘিরে শাশুড়ির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য
- ইউরেনিয়াম নিয়ে ঢাকার পথে রাশিয়ার বিশেষ বিমান
- বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
- ‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে’: ফেনী থেকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনা: কৃষি মন্ত্রী
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- দেশে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট রোধে ডিসিদের কড়া নির্দেশ
- রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুরে এমপি মিষ্টির নাম, তদন্তে অপরাধী মিললে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেহরানে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক জবাব
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষে প্রথমবার ড্রিলিং, ভূগর্ভে মিলল অস্বাভাবিক বস্তুর সংকেত
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- এশিয়ান গেমসের নকআউট পর্বের আগে বড় ধাক্কা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে
- চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- জাতীয় নাগরিক পার্টির বড় সিদ্ধান্ত: নতুন জাতীয় দায়িত্বে সারজিস আলম
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- 'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
- ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় খবর
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- ইরানে আর কখনো বিদেশি আধিপত্য ফিরবে না, আরব সাগর থেকেও তাড়ানো হবে শত্রুদের: খামেনি








