বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী সংসদ সদস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ৪৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে এই নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেন।
নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মঈন উদ্দীন খান জানান, বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় ছিল। এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন না করায় সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯টি শূন্য পদের বিপরীতে জমা পড়া ৪৯টি মনোনয়নপত্রই বৈধ হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে। আইন অনুযায়ী, শূন্য পদের সমান প্রার্থী হওয়ায় তাদের সবাইকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
রিটার্নিং অফিসার আরও জানান যে, বেসরকারিভাবে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্যদের নাম ও ঠিকানাসহ চূড়ান্ত তালিকা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকা নির্বাচন কমিশনে উপস্থাপন করা হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার তাদের নাম উল্লেখ করে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচিত এসব সদস্যদের শপথ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইসি সচিবালয় থেকে সংসদ সচিবালয়ে গেজেটটি পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য যে, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী আসন বন্টন করা হয়েছিল। মনোনয়ন জমার সময় থেকেই একক প্রার্থী থাকায় এই নির্বাচনে ভোটাভুটির প্রয়োজন হয়নি। ফলে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াটি আজ সম্পন্ন হলো।
/আশিক
নারীর ক্ষমতায়নে নতুন দিগন্ত: ৩৭ হাজার পরিবার পাচ্ছে সরকারি নগদ সহায়তা
বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তায় সরকারের একগুচ্ছ বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি জানান, প্রান্তিক পরিবারের ‘নারী প্রধানদের’ আর্থিক সুরক্ষায় মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং শিশুদের সুরক্ষায় সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ১৩টি জেলা ও ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের ‘নারী প্রধানকে’ ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, গর্ভবতী মা ও শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এর আওতায় ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রসব-পরবর্তী সেবা এবং টিকাদান কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ওসিসি (One-stop Crisis Center), ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার এবং টোল ফ্রি হেল্পলাইন সেবা জোরদার করা হয়েছে।
সরকার বর্তমানে ৬৪টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা করছে, যেখানে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, গার্মেন্টসসহ সব শিল্প কারখানা এবং আদালত প্রাঙ্গণে ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ স্থাপনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
উপকূলীয় এলাকার নারীদের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের বিশেষ প্রকল্প চলমান রয়েছে। সাতক্ষীরা ও খুলনার বিভিন্ন উপজেলায় ১৩ হাজার ৩০৮টি পরিবারভিত্তিক রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলার নদী ভাঙন রোধে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে। ‘ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় দাকোপের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
/আশিক
ঢাকায় নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস! ক্লিন ও গ্রিন সিটির মেগা প্ল্যান জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক, স্বাস্থ্যকর এবং দৃষ্টিনন্দন ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার বিশাল কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ইলেকট্রিক বাস চালু এবং নগর বনায়ন নিয়ে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কথা জানান।
রাজধানী ঢাকাকে দূষণমুক্ত এবং সবুজে ঘেরা একটি তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকালে জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে বর্জ্যকে জ্বালানিতে রূপান্তর এবং নগর বনায়নের কাজ পুরোদমে চলছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে কোরিয়ান বিনিয়োগে একটি ‘সমন্বিত সার্কুলার ইকোনমি ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ কেন্দ্রে রূপান্তর করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ঢাকার সব বর্জ্যকে জ্বালানি ও সারে রূপান্তর করে ‘জিরো বর্জ্য’ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া আধুনিক এসটিএস (Secondary Transfer Station) সমূহে গ্রাফিতি ও সবুজায়নের মাধ্যমে পরিবেশসম্মত রূপ দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকাকে সবুজে ঢাকতে আগামী ৫ বছরে উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লক্ষ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গায় বিশেষ বনায়ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে সেখানে খোলা জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো এবং অবৈধ ইটভাটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বায়ুদূষণ রোধে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২৫০টি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক বাস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকার চারপাশের নদী ও খাল রক্ষায় ২৪৮টি কারখানায় ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং সেগুলোর কার্যক্রম আইপি ক্যামেরার মাধ্যমে রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
/আশিক
৩ বছর জ্বালানি দেবে রাশিয়া: রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়াম নিয়ে চিন্তা নেই
পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে পদার্পণ করেছে। রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় নির্মিত এই মেগা প্রজেক্টটি কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার এক দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক ক্লাবে নিজের অবস্থান সুসংহত করল। রাশিয়ার তৈরি এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আগামী ৬০ থেকে ৯০ বছর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছরের প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে রাশিয়া। ফলে শুরুর দিকে জ্বালানি আমদানি নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা থাকছে না। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সবথেকে বড় সুবিধা হলো এর জ্বালানি দক্ষতা। যেখানে ১০০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রে বছরে ৩০ লাখ টন কয়লা লাগে, সেখানে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ মিলবে মাত্র ২৭ টন ইউরেনিয়ামে! এছাড়া প্রতি দুই বছর অন্তর জ্বালানি পরিবর্তন করলেই কেন্দ্রটি সচল রাখা সম্ভব।
১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ হিসেবে দিয়েছে রাশিয়া, যা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য। শুরুতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা ধরা হলেও বর্তমানে তা প্রায় ১২ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্যাস বা কয়লা আমদানির বিশাল ব্যয়ের তুলনায় এটি দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী হবে।
রূপপুরে ব্যবহৃত হয়েছে রাশিয়ার সর্বাধুনিক ‘থ্রি প্লাস’ প্রজন্মের রি-অ্যাক্টর। এতে স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে যা যেকোনো দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক সুরক্ষা দেবে। এছাড়া তেজস্ক্রিয়তা রোধে ব্যবহৃত জ্বালানি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে সরাসরি রাশিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে, যা পরিবেশগত ঝুঁকি শূন্যে নামিয়ে আনবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রূপপুর কেবল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার এক অনন্য মাইলফলক।
/আশিক
সারাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
সারা দেশে বইছে কালবৈশাখীর দাপট। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, আগামী ৯৬ ঘণ্টায় সারা দেশে মাঝারি থেকে অতিভারি বর্ষণের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
টানা কালবৈশাখী আর বজ্রবৃষ্টির কবলে পড়তে যাচ্ছে সারা দেশ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত সারা দেশে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের সব বিভাগে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৭ মিলিমিটার রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। অতিভারি বৃষ্টির কারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস বা পাহাড় ধসের বিশেষ শঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস। সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আজ বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে বিদ্যুৎ চমকানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকলেও, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রতিদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। আগামীকাল বুধবারও দেশের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
/আশিক
৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে সাবধান! জালিয়াত চক্র থেকে বাঁচার উপায় জানাল ব্যাংক
আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কুরবানির পশুর হাটে বড় অংকের টাকা লেনদেনে জাল নোটের বিস্তার রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। হাটে গরু-ছাগল বেচাকেনার সময় ১০০০, ৫০০ ও ২০০ টাকার নোটের ব্যবহার সবথেকে বেশি হয়, আর এই সুযোগটিই নেয় জালিয়াত চক্র। তাই পশুর হাটে টাকা গোনার সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির পশুর হাটে জালনোটের বিস্তার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতি বছর কুরবানির সময় বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার সুযোগে সক্রিয় হয়ে ওঠে জালনোট উৎপাদনকারী চক্র। বড় অংকের লেনদেনে যেন সাধারণ মানুষ বা খামারিরা প্রতারিত না হন, সে লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
আসল নোট চিনবেন যেভাবে
লেনদেনের সময় ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আসল নোট চেনার মূল উপায়গুলো হলো:
আলোর বিপরীতে ধরলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।
নোটে একটি বিশেষ সুতা থাকে যা সাধারণ চোখে একরকম এবং আলোর বিপরীতে অন্যরকম দেখায়।
নোট নাড়াচাড়া করলে ওপরে থাকা নির্দিষ্ট কালির রং পরিবর্তিত হয়।
আসল নোটের খসখসে ভাব বা উঁচু-নিচু ছাপ আঙুলের স্পর্শে বোঝা যায়।
কোনো নোট নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে পশুর হাটে স্থাপিত ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ অথবা নিকটস্থ যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জালিয়াতি এড়াতে অপরিচিত বা সন্দেহজনক উৎস পরিহার করে সরাসরি ব্যাংক বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বড় লেনদেন করা বুদ্ধিমানের কাজ। আসল নোটের বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
ভারতীয় ভিসায় বড় পরিবর্তন! ভোগান্তি কমাতে সংসদে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি সহজ ও স্বাভাবিক করতে দিল্লি ইতিবাচক সংকেত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। সম্প্রতি ভারত সফরকালে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তাঁর সাম্প্রতিক ভারত সফরে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। প্রতিটি বৈঠকেই বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রদানের জটিলতা দূর করা এবং প্রক্রিয়াটি দ্রুত করার বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। ভারতীয় পক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, “বর্তমান সরকার সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক সম্মান এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর যোগাযোগ এবং ঐতিহাসিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষ এই পরিবর্তনের সুফল পাবেন।
/আশিক
১৬টি খাতে জাপানের দুয়ার উন্মুক্ত! ৩ লাখ জনশক্তি পাঠাতে মাস্টারপ্ল্যান সরকারের
জাপানের ক্রমবর্ধমান শ্রম সংকট মেটাতে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে ১৬টি খাতে প্রায় ৮ লাখ ২০ হাজার দক্ষ কর্মী (SSW) নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে টোকিও। বিশ্লেষকদের মতে, সঠিক প্রস্তুতি ও সরকারি সমন্বয়ের মাধ্যমে এই চাহিদার অন্তত ৪০ শতাংশ বা ৩ লাখেরও বেশি জনবল বাংলাদেশ থেকেই পাঠানো সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৪০ সাল নাগাদ জাপানে বিদেশি কর্মীর চাহিদা ১ কোটি ১০ লাখে পৌঁছাতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা।
আগে জাপানে মাত্র ছয়টি খাতে কর্মী পাঠানোর সুযোগ থাকলেও বর্তমানে ১৬টি খাতের সবকটিতেই দক্ষ জনবল পাঠাতে কাজ করছে সরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের মতে, জাপানি ভাষা ও প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে ভবিষ্যতে জাপানের মোট চাহিদার ৫০-৬০ শতাংশ কর্মী বাংলাদেশ থেকেই জোগান দেওয়া সম্ভব।
এই সুযোগ কাজে লাগাতে সরকার সারা দেশে ৫৩টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (TTC) জাপানি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে প্রায় ২০০টি ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র কাজ করছে। বর্তমানে ৯৫টি রিক্রুটিং এজেন্টকে জাপানে কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্টদের জন্য ১৫ লাখ টাকা জামানতের শর্ত শিথিল করে প্রক্রিয়াটি আরও সহজতর করা হয়েছে।
কেবল কর্মী নয়, ২০২৬ সালের মধ্যে ১০ হাজার শিক্ষার্থী জাপানে পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে মাথাপিছু ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাপানে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা কাজের সুযোগ পাবেন, যা তাদের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নেপাল, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। জাপানের এই বিশাল শ্রমবাজার ধরতে পারলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
/আশিক
সংসদের উত্তেজনা থামালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ইতিহাস নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করবেন না
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের জামায়াত-সংক্রান্ত এক বিস্ফোরক মন্তব্যে যখন সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক তখন ফ্লোর নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি অত্যন্ত শান্ত মেজাজে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা এখানে আলাপ-আলোচনা করি, মাঝেমধ্যে কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সংসদের স্বার্থে আমি নতুন কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চাই না।”
ফজলুর রহমানের বয়োজ্যেষ্ঠতার প্রতি সম্মান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছুটা রসিকতা করে বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য অত্যন্ত বয়স্ক এবং ইতিহাসে সমৃদ্ধ। কিন্তু আমরা এখন ভূগোলে আছি। আমরা বেশি ইতিহাস চর্চা করতে গেলে মাঝেমধ্যে ব্যত্যয় হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দলে অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন এবং খোদ জামায়াত আমির যখন নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান হিসেবে দাবি করেন, তখন সেটাকে ইতিবাচকভাবে ধারণ করাই শ্রেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে স্মরণ করিয়ে দেন যে, জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিলের বিল পাসের সময় বিরোধী দল কোনো প্রতিবাদ বা ওয়াকআউট করেনি। তিনি বলেন, “মৌনতা সম্মতির লক্ষণ। তারা তো স্বীকৃতি দিয়েছে। আমরা ওখানেই থাকি। নতুন করে বিভক্তি সৃষ্টি না করাই ভালো।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য সংসদে বিরাজমান গুমোট পরিস্থিতি অনেকটাই হালকা করে দেয়।
/আশিক
অর্থের অভাবে কেউ আর বিচারহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে শাহবাগের শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করে দেশের বিচারহীনতা ও আইনি বৈষম্য দূর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন দেখেছি অনেক মানুষ কেবল অর্থের অভাবে বছরের পর বছর বিনা বিচারে ধুঁকছেন। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিক সমান। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে যে, অর্থের অভাবে কোনো নাগরিক যেন আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন ও মানবাধিকার নেই, সেই রাষ্ট্র কখনো মানবিক হতে পারে না। দেড় দশক পর দেশের মানুষ যে গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে, তাকে সুসংহত করতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড” বা বিচারে বিলম্ব মানেই বিচার অস্বীকার। এই সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার ‘লিগ্যাল এইড’-এর মাধ্যমে মামলা শুরুর আগেই মধ্যস্থতা বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে হাজার হাজার বিরোধ আদালতের বাইরে স্বল্প সময়ে ও নামমাত্র খরচে নিষ্পত্তি হয়েছে। এতে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমেছে এবং রাষ্ট্রের খরচও সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আইন যেন মানুষের ওপর প্রয়োগের হাতিয়ার না হয়ে বরং তাদের মর্যাদা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যম হয়, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী সংসদ সদস্য
- আলোচনার সময় শেষ! ইরানকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট
- বিশ্ববাজারের অজুহাতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াল সরকার
- ২৯ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- নারীর ক্ষমতায়নে নতুন দিগন্ত: ৩৭ হাজার পরিবার পাচ্ছে সরকারি নগদ সহায়তা
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
- বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?
- যুদ্ধ কি আবার শুরু হবে? ইরানি জেনারেলের বিস্ফোরক মন্তব্যে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়
- ঢাকায় নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস! ক্লিন ও গ্রিন সিটির মেগা প্ল্যান জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩ বছর জ্বালানি দেবে রাশিয়া: রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়াম নিয়ে চিন্তা নেই
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- হামলা নয়, অবরোধ! ইরানকে কোণঠাসা করতে ট্রাম্পের ‘দীর্ঘমেয়াদী’ মাস্টারপ্ল্যান
- প্রতিদিন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়লে মিলবে যে উপকার
- আজই সিরিজ নিশ্চিতের মিশন! কিউইদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- আজ রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন তালিকা
- দেশজুড়ে ঝড়ের তাণ্ডব: ১৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও ৮ জেলায় কালবৈশাখীর রেড অ্যালার্ট
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ওয়াক্ত
- ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস! মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় সংকটে রিপাবলিকান পার্টি
- নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান! যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের নয়া ছক
- আমরা কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি : পার্থ
- রাডার এড়িয়ে গোপন যাত্রা! ২ মাস পর এলএনজি নিয়ে হরমুজ পার হলো বিশাল জাহাজ
- সারাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
- ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে সাবধান! জালিয়াত চক্র থেকে বাঁচার উপায় জানাল ব্যাংক
- ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত: সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা, উত্তাল তেলের বাজার!
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- ভারতীয় ভিসায় বড় পরিবর্তন! ভোগান্তি কমাতে সংসদে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১৬টি খাতে জাপানের দুয়ার উন্মুক্ত! ৩ লাখ জনশক্তি পাঠাতে মাস্টারপ্ল্যান সরকারের
- সংসদে ডা. শফিকের হুঙ্কার: ‘দল করতে কি উনার অনুমতি লাগবে?
- সংসদের উত্তেজনা থামালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ইতিহাস নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করবেন না
- মাঝসমুদ্রে নাটকীয় অভিযান! ইরানের তেলের ট্যাংকার জব্দ করল মার্কিন নৌবাহিনী
- অর্থের অভাবে কেউ আর বিচারহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে রণক্ষেত্র! ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও জামায়াত’ ইস্যুতে ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- পরমাণু যুগে লাল-সবুজের বাংলাদেশ: রূপপুরে জ্বলে উঠল শক্তির নতুন বাতিঘর
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
- ইতিহাসের ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!
- নিউজিল্যান্ডের পাহাড় ডিঙিয়ে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড
- টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন ২৮ এপ্রিলের বৈদেশিক মুদ্রার রেট
- হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় রেকর্ড উচ্চতায় তেলের দাম
- অসুস্থতার খবর ভুয়া! ইরানের শীর্ষ নেতার সক্রিয়তার প্রমাণ দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন
- আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দাপিয়ে বেড়াল রাশিয়ার সুপারইয়াট
- সব বাধা জয় করে এলিট ক্লাবে বাংলাদেশ: আজ রূপপুরে ঐতিহাসিক জ্বালানি লোডিং
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- আজ থেকেই আদানির বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমতে পারে লোডশেডিং
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস
- আজ নামাজের সময়সূচি দেখে নিন








