কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়

পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশ দিন ইসলামে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী এই সময়কে বলা হয় নাজাতের দশক, অর্থাৎ জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি লাভের বিশেষ সময়। এই দশক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসলিমরা বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন লাইলাতুল কদর বা পবিত্র শবে কদরের সন্ধানের জন্য, যা ইসলামে বছরের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় রাত হিসেবে পরিচিত।
লাইলাতুল কদর কী
আরবি শব্দ “লাইলাতুল কদর” দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে “লাইলাতুল” অর্থ রাত এবং “কদর” অর্থ মর্যাদা, সম্মান বা মহাসম্মান। ইসলামী ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই রাত অত্যন্ত সম্মানিত ও বরকতময় একটি রজনী, যখন মহান আল্লাহ মানবজাতির ভাগ্য, রিজিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করেন।
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাত শুধু একটি পবিত্র রাতই নয়; বরং এটি এমন একটি সময় যখন আসমান থেকে আল্লাহর বিশেষ রহমত, ক্ষমা এবং বরকত নাজিল হয়। এজন্য মুসলমানদের কাছে এই রাত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব
পবিত্র কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা সূরা আল-কদরে ইরশাদ করেন:
“নিশ্চয়ই আমি এটি নাজিল করেছি কদরের রাতে। আর তুমি কীভাবে জানবে কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করেন। শান্তিময় সে রাত ফজরের সূচনা পর্যন্ত।”
এই আয়াতের আলোকে ইসলামী পণ্ডিতরা ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াবের অধিকারী। অর্থাৎ প্রায় ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের সমতুল্য সওয়াব অর্জনের সুযোগ এই এক রাতেই পাওয়া যায়।
লাইলাতুল কদরের ফজিলত
লাইলাতুল কদর ইসলামে অত্যন্ত মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত, যার গুরুত্ব পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। সূরা আল-কদরে উল্লেখ রয়েছে, লাইলাতুল কদরের এক রাতের ইবাদত প্রায় ১০০০ মাস বা প্রায় ৮৩ বছরেরও বেশি সময়ের ইবাদতের সমতুল্য সওয়াব এনে দিতে পারে। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত আত্মিক উন্নতি, পাপমুক্তি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।
এই পবিত্র রাতের আরেকটি বিশেষ মর্যাদা হলো এই রাতেই মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করেন। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, লাওহে মাহফুজ থেকে কুরআনকে দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ করা হয় লাইলাতুল কদরের রাতে, যা মানবজাতির জন্য আল্লাহর হেদায়েতের এক অনন্য নিদর্শন। ফলে এই রাত শুধু ইবাদতের রাতই নয়, বরং ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ঘটনা বহন করে।
ইসলামী শিক্ষায় আরও বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদরের রাতে আন্তরিক ঈমান ও সওয়াবের প্রত্যাশা নিয়ে ইবাদত করলে মানুষের অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এ কারণে মুসলমানরা এই রাতকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবার বিশেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে এই রাতে মানুষের আগামী এক বছরের জন্য রিজিক, আয়ু এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আল্লাহর নির্দেশে নির্ধারিত হয় বলে ইসলামী ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া লাইলাতুল কদরের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এই রাতে হযরত জিবরাঈল (আ.)-সহ অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন। তাদের আগমনের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি, রহমত ও বরকতের আবহ সৃষ্টি হয়, যা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এসব কারণেই লাইলাতুল কদর মুসলমানদের কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত।
কুরআন নাজিলের ঐতিহাসিক রাত
লাইলাতুল কদরের অন্যতম বিশেষত্ব হলো এই রাতে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, এই রাতে লাওহে মাহফুজ থেকে কুরআনকে দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ করা হয় এবং পরে ধীরে ধীরে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করা হয়।
এ কারণে এই রাতকে ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হিসেবে গণ্য করা হয়।
ভাগ্য নির্ধারণের রাত
ইসলামী ব্যাখ্যায় বলা হয়, লাইলাতুল কদরের রাতে মানুষের আগামী এক বছরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে মানুষের রিজিক, জীবন-মৃত্যু এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতাদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত হয়।
এই প্রসঙ্গে কুরআনের সূরা দুখানে বলা হয়েছে যে, বরকতময় এই রাতে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারণ করা হয় আল্লাহর নির্দেশে।
কখন হয় লাইলাতুল কদর
কুরআনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি লাইলাতুল কদর ঠিক কোন রাতে সংঘটিত হয়। তবে সহিহ হাদিসে এসেছে, রমজান মাসের শেষ দশ দিনের মধ্যে এই রাত অবস্থিত।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,“তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনে কদরের রাত তালাশ করো।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)
আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে, “রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খুঁজে নাও।” (বুখারি)।
এ কারণে ইসলামী আলেমরা বলেন, ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯ রমজানের রাতগুলোর মধ্যে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা বেশি। যদিও অধিকাংশ আলেমের মতে ২৭ রমজানের রাতে এই রাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
রাসুল (সা.)-এর আমল
হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইবাদতে আরও বেশি মনোযোগ দিতেন। তিনি নিজে ইতিকাফ করতেন এবং পরিবারকেও ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
এই সময় মুসলমানরা মসজিদে ইতিকাফ পালন করে বেশি বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করেন, যাতে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করা যায়।
লাইলাতুল কদরের রাতে করণীয়
ইসলামী শিক্ষায় এই রাতে বিশেষ কিছু আমলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
নফল নামাজ আদায় করা
পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা
জিকির, তাসবিহ ও তাহলিল পাঠ করা
আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা
নিজের ও পরিবারের জন্য দোয়া করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) এই রাতে পড়ার জন্য একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।”
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার গুরুত্ব
ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদর হলো ক্ষমা লাভের একটি বিশেষ সুযোগ। এই রাতে আন্তরিকভাবে তওবা করলে আল্লাহ মানুষের অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
খাঁটি তওবার কয়েকটি শর্ত রয়েছে:
১. পূর্বের গুনাহ থেকে ফিরে আসা
২. ভুলের জন্য আন্তরিক অনুতাপ করা
৩. ভবিষ্যতে সেই পাপ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করা
৪. অন্যের অধিকার নষ্ট করলে তা ফিরিয়ে দেওয়া
কেন এই রাত এত গুরুত্বপূর্ণ
ইসলামী দৃষ্টিতে লাইলাতুল কদর শুধু একটি রাত নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের সুযোগ। এই রাতে মানুষ তার অতীত ভুল থেকে ফিরে এসে নতুনভাবে আল্লাহর পথে জীবন পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে।
ইসলামী পণ্ডিতরা বলেন, এই রাতের প্রকৃত মর্যাদা উপলব্ধি করা তখনই সম্ভব, যখন মানুষ কুরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে।
মুসলমানদের বিশ্বাস, বছরে মাত্র একবার আসা এই রাতের বরকত লাভ করতে হলে রমজানের শেষ দশকে আন্তরিকভাবে ইবাদত করা প্রয়োজন।
মহান আল্লাহ যেন সবাইকে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করেন। আমিন।
বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী কিয়ামতের দিন এমন এক বিশেষ দল থাকবে যারা কোনো ধরনের হিসাব-নিকাশ বা শাস্তির মুখোমুখি না হয়েই সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করার সৌভাগ্য অর্জন করবে। সহীহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এই সৌভাগ্যবান দলের সংখ্যা হবে ৭০ হাজার।
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, এই ৭০ হাজার ব্যক্তির প্রত্যেকের সঙ্গে মহান আল্লাহ তাঁর অসীম দয়ার মাধ্যমে আরও ৭০ হাজার মানুষকে জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ প্রদান করবেন। এই হিসাব অনুযায়ী প্রথম ধাপে প্রায় ৪৯০ কোটি মুসলিম বান্দা একসঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করবে বলে ইসলামী বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
এই বিশেষ মর্যাদা লাভকারী মানুষদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কথা হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করবে এবং কোনোভাবেই শিরকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে না।
হাদিসে আরও বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা ভাগ্য গণনা, কুসংস্কার বা অশুভ লক্ষণ বিশ্বাসের মতো কোনো ধরনের বিশ্বাসে জড়াবে না। তারা রোগ-ব্যাধি বা কষ্টের সময়েও শুধুমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং তাঁর ওপরই সম্পূর্ণ নির্ভর করবে।
এই শ্রেণির মানুষদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা। সুখ কিংবা দুঃখ—যে পরিস্থিতিই আসুক না কেন, তারা সব সময় আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায় করে।
তাদের জীবনের আরেকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা। অর্থাৎ তারা বিশ্বাস করে যে জীবনের সবকিছু আল্লাহর ইচ্ছা ও পরিকল্পনার মধ্যেই ঘটে এবং তাই প্রতিটি অবস্থায় তারা তাঁর ওপরই নির্ভর করে।
এই বর্ণনা পাওয়া যায় সহীহ বুখারী (হাদিস নম্বর ৬৫৪১) এবং মিশকাতুল মাসাবিহ (হাদিস নম্বর ৫৫৫৬) গ্রন্থে। ইসলামী পণ্ডিতদের মতে, এসব হাদিস মানুষের মধ্যে ঈমান, আত্মবিশ্বাস এবং আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আস্থার শিক্ষা দেয়।
পবিত্র কুরআনেও এমন কিছু মানুষের কথা উল্লেখ রয়েছে যারা আল্লাহর নৈকট্য লাভে অগ্রগামী হবে। সূরা ওয়াকিয়ার ১০ থেকে ১৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:
“আর অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তী। তারাই হবে নৈকট্যপ্রাপ্ত। তারা থাকবে সুখময় জান্নাতে। তাদের মধ্যে পূর্ববর্তী যুগের মানুষ হবে অনেক এবং পরবর্তী যুগের মানুষ হবে তুলনামূলক কম।”
ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়, মানুষের অন্তরের নিয়ত যদি সৎ হয় এবং সে যদি আল্লাহর নির্দেশ মেনে জীবন পরিচালনা করে, তাহলে সে এই অগ্রগামীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করতে পারে।
এ কারণে আলেমরা সব সময় পরামর্শ দেন মানুষ যেন জীবনে সৎ নিয়ত বজায় রাখে, শিরকমুক্ত ঈমান ধারণ করে এবং যেকোনো ভালো কাজের সুযোগ পেলেই দ্রুত তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করে।
একই সঙ্গে তারা মনে করিয়ে দেন যে জীবনের প্রতিটি অবস্থায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা এবং তাঁর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা একজন মুমিনের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে একজন মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে এগিয়ে যেতে পারে এবং জান্নাতের অগ্রগামীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করতে পারে।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে ঈমান, নেক আমল এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন।
আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন পবিত্র রমজানের ১৯তম দিনের পূর্ণাঙ্গ আপডেট
আজ সোমবার (৯ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা এবং ১৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি। ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমান বা বিশ্বাসের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুমিনের জন্য একান্ত কর্তব্য। ঢাকার সময়ের সঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোর সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে, যা বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি অনুযায়ী জোহর দুপুর ১২:১৩ মিনিট, আসর বিকেল ৪:২৫ মিনিট, মাগরিব সন্ধ্যা ৬:০৮ মিনিট এবং এশা রাত ৭:২২ মিনিটে শুরু হবে। এ
ছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৬:১৩ মিনিটে। ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগের ক্ষেত্রে এই সময়ের সঙ্গে কিছু সময় যোগ অথবা বিয়োগ করতে হবে।
ঢাকার সময়ের চেয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে ০৫ মিনিট এবং সিলেট বিভাগে ০৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে, ঢাকার সময়ের সঙ্গে খুলনা বিভাগে ০৩ মিনিট, বরিশাল বিভাগে ০১ মিনিট, রাজশাহী বিভাগে ০৭ মিনিট এবং রংপুর বিভাগে ০৮ মিনিট যোগ করে নিতে হবে। পবিত্র রমজান মাসের এই ১৯তম দিনে সঠিক সময়ে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব।
/আশিক
রোজা ভেঙে কাফফারা আদায়ে অক্ষম? জেনে নিন ইসলামের সহজ সমাধান
ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে রমজানের রোজা ভেঙে ফেলেন, তবে তার ওপর কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়। কাফফারা হিসেবে টানা ৬০টি রোজা রাখা অথবা ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা পেট ভরে খাওয়ানো বাধ্যতামূলক। তবে কোনো ব্যক্তি যদি শারীরিক অসুস্থতা বা চরম দারিদ্র্যের কারণে এই দুইটির কোনোটিই পালনে সক্ষম না হন, তবে তার করণীয় কী—তা নিয়ে ফিকহশাস্ত্রের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শরিয়তের বিধান মতে, যদি কোনো ব্যক্তি বাস্তবেই কাফফারা আদায়ে অক্ষম হয়ে থাকেন, তবে তাকে মহান আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। তওবার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তাকে এই দায় থেকে মুক্তি দিতে পারেন। তবে ভবিষ্যতে সক্ষমতা ফিরে পেলে কাফফারা আদায়ের চেষ্টা করা উত্তম।
কাফফারা আদায়ে অক্ষম ব্যক্তির করণীয়: যা বলছে ইসলামি শরিয়ত
ইচ্ছাকৃত আল্লাহর আইন লঙ্ঘন করা নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ। তবে কেউ যদি রোজা ভেঙে ফেলার পর কাফফারা (৬০টি রোজা বা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো) আদায়ে পুরোপুরি অক্ষম হন, তবে তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াই একমাত্র পথ। এ বিষয়ে ফিকহশাস্ত্রের প্রামাণ্য গ্রন্থসমূহের উদ্ধৃতি নিচে দেওয়া হলো:
১. البحر الرائق شرح كنز الدقائق (আল-বাহরুর রায়িক শরহু কানযুদ দাকায়িক):
এই গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিদিয়া কেবল সেই রোজার পরিবর্তে দেওয়া যায় যা মূল রোজা, অন্য কোনো বদলি রোজা নয়।
البحر الرائق شرح كنز الدقائق – (2 / 308):"ولأن الفدية لاتجوز إلا عن صوم هو أصل بنفسه لا بدل عن غيره فجازت عن رمضان وقضائه والنذر، حتى لو نذر صوم الأبد فضعف عن الصوم لاشتغاله بالمعيشة له أن يطعم ويفطر، لأنه استيقن أن لايقدر على قضائه وإن لم يقدر على الإطعام لعسرته يستغفر الله تعالی"।"
অর্থাৎ, কেউ যদি অভাবের কারণে ফিদিয়া দিতেও না পারেন, তবে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন।
২. الدر المختار شرح تنوير الأبصار (আদ-দুররুল মুখতার শরহ তানওীরুল আবসার):
অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি বা যারা স্থায়ীভাবে সক্ষমতা হারিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
الدر المختار شرح تنوير الأبصار – (2 / 427):"• (وللشيخ الفاني العاجز عن الصوم الفطر ويفدي) وجوبًا ولو في أول الشهر وبلا تعدد فقير كالفطرة لو موسرًا و إلا فيستغفر الله"।"
সারসংক্ষেপ হলো, ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী সামর্থ্যহীন ব্যক্তির ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা সহজতা দান করেছেন। যদি কেউ রোজা রাখতে বা খাদ্য দান করতে—উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষম হন, তবে কায়মনোবাক্যে আল্লাহর কাছে তওবা ও ইস্তেগফার করাই তাঁর জন্য চূড়ান্ত আমল।
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত কখন শুরু
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং ইমান বা বিশ্বাসের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। তাই প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা ফরজ। শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
আজ রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৮ রমজান ১৪৪৭ হিজরি)। আজকের জন্য ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি তুলে ধরা হলো
আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)
জোহর: ১২:১৩ মিনিট
আসর: ৪:২৪ মিনিট
মাগরিব: ৬:০৬ মিনিট
এশা: ৭:২০ মিনিট
ফজর (আগামীকাল সোমবার, ৯ মার্চ): ৪:৫৭ মিনিট
ঢাকার সময়ের সাথে নির্দিষ্ট কিছু বিভাগের সময়ের পার্থক্য রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সময় যোগ বা বিয়োগ করে নিতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত কখন শুরু
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং ইমান বা বিশ্বাসের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। তাই প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করা ফরজ। শত ব্যস্ততার মাঝেও ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য।
আজ রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৮ রমজান ১৪৪৭ হিজরি)। আজকের জন্য ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি তুলে ধরা হলো
আজকের নামাজের সময়সূচি (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা)
জোহর: ১২:১৩ মিনিট
আসর: ৪:২৪ মিনিট
মাগরিব: ৬:০৬ মিনিট
এশা: ৭:২০ মিনিট
ফজর (আগামীকাল সোমবার, ৯ মার্চ): ৪:৫৭ মিনিট
ঢাকার সময়ের সাথে নির্দিষ্ট কিছু বিভাগের সময়ের পার্থক্য রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সময় যোগ বা বিয়োগ করে নিতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
/আশিক
১৭ রমজান: যে যুদ্ধে নির্ধারিত হয়েছিল ইসলামের আগামীর বিশ্বজয়
ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অনন্য ও মহিমান্বিত অধ্যায়, যা হিজরতের পরবর্তী ১৯ মাসের মাথায় ২য় হিজরির ১৭ রমজান (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ মার্চ) শুক্রবার সকালে সংঘটিত হয়। সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী এই লড়াইয়ে মুসলিম বাহিনীর পক্ষে ১৪ জন বীর যোদ্ধা শাহাদাতবরণ করেন, যাদের মধ্যে ৬ জন মুহাজির ও ৮ জন আনসার সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে, কুরাইশ বা কাফের বাহিনীর শোচনীয় পরাজয় ঘটে; তাদের পক্ষের ৭০ জন নিহত হয় এবং আরও ৭০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে বন্দি হিসেবে আটক করা হয়। প্রখ্যাত সীরাত গ্রন্থ ‘আর-রাহিকুল মাখতুুম’ (পৃষ্ঠা ২২৪)-এর তথ্যমতে, এই যুদ্ধের বিজয় ইসলামের অগ্রযাত্রা ও মুসলিম উম্মাহকে প্রাথমিক স্তর থেকে একটি পরিণত স্তরে উন্নীত করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিল।
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ এই দিনটিকে ‘ইয়াওমুল ফোরকান’ বা সত্য ও মিথ্যার মাঝে চূড়ান্ত ব্যবধান গড়ে দেওয়ার দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বদরের এই বিজয় কেবল একটি সামরিক জয় ছিল না, বরং এটি ছিল ইসলামের দাওয়াতের পথে থাকা প্রাথমিক সকল বাধা দূর করে একটি শক্তিশালী ইসলামী রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের সূচনা। ইতিহাসবিদদের মতে, ইয়াওমুল ফোরকান হিসেবে কিয়ামত পর্যন্ত এই যুদ্ধের প্রভাব অব্যাহত থাকবে এবং এটি হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে চিরন্তন সংগ্রামের এক অফুরন্ত প্রেরণা। মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা আলে ইমরান ও সূরা আনফালে এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, মুসলিম বাহিনীর প্রতি তাঁর অসীম অনুগ্রহ এবং অলৌকিক সাহায্যের বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, সূরা আনফাল মূলত বদর যুদ্ধ সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরায় যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, যুদ্ধবন্দিদের ব্যবস্থাপনা এবং ফেরেশতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, সূরা আলে ইমরানে মুসলমানদের তৎকালীন অবস্থা এবং মহান আল্লাহর বিশেষ সাহায্যের উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হয়েছে। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর জন্য ভবিষ্যতেও ঐশ্বরিক সাহায্যের ধারা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। বদর যুদ্ধের অবস্থা তুলে ধরে সূরা আলে ইমরানের ১২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন, অথচ তোমরা ছিলে ক্ষীণশক্তি।
এই সাহায্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সূরা আলে ইমরানের ১২৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আর আল্লাহ এটা করেছেন তোমাদেরকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য এবং যাতে এর দ্বারা তোমাদের অন্তর প্রশান্ত হয়; মূলত সাহায্য কেবল মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। এছাড়া সূরা আলে ইমরানের ১২৫ নম্বর আয়াতে ভবিষ্যতেও ধৈর্য ও তাকওয়া অবলম্বন করলে পাঁচ হাজার ফেরেশতার সুবিন্যস্ত বাহিনী দিয়ে সাহায্যের অঙ্গীকার করা হয়েছে। একইভাবে সূরা আনফালের ৬৬ নম্বর আয়াতেও মুমিনদের জন্য অনুরূপ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সূরা আনফালের ৪২ নম্বর আয়াতে বদর প্রান্তের রণকৌশলগত অবস্থানের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, স্মরণ করো যখন তোমরা ছিলে নিকট প্রান্তে এবং তারা ছিল দূর প্রান্তে, আর উষ্ট্রারোহী দল ছিল তোমাদের চেয়ে নিম্নভূমিতে।
মুমিনদের সাহস জোগাতে মহান আল্লাহ স্বপ্নের মাধ্যমে এক বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিলেন, যার বর্ণনা রয়েছে সূরা আনফালের ৪৩ নম্বর আয়াতে। সেখানে বলা হয়েছে, আল্লাহ আপনাকে স্বপ্নে দেখিয়েছিলেন যে তারা সংখ্যায় অল্প; যদি বেশি দেখানো হতো তবে তোমরা সাহস হারাতে এবং নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি করতে, কিন্তু আল্লাহ তোমাদের রক্ষা করেছেন। যুদ্ধের ময়দানে ফেরেশতাদের ভূমিকা সম্পর্কে সূরা আনফালের ৫০ নম্বর আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফেরেশতারা অবিশ্বাসীদের মুখে ও পিঠে আঘাত করে তাদের জীবন কেড়ে নিচ্ছিল। এছাড়া একই সূরার ৬৭ থেকে ৭১ নম্বর আয়াত পর্যন্ত যুদ্ধবন্দিদের মুক্তিপণ ও তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বদরের এই বিজয় সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর ঈমান, আল্লাহর ওপর আস্থা ও সাহসিকতাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। সরাসরি আল্লাহর প্রত্যক্ষ সাহায্য অবলোকন করার পর তাঁদের আত্মবিশ্বাস এতটাই বৃদ্ধি পায় যে, পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন তাঁরা অসীম সাহসের সঙ্গে নিজেদের আল্লাহর রাস্তায় সঁপে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। এই যুদ্ধের পর আরব উপদ্বীপে ইসলামী রাষ্ট্রের প্রভাব ও প্রতিপত্তি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কুরাইশরা ইসলামকে মক্কার অভ্যন্তরীণ সমস্যা মনে করলেও বদরের পরাজয় তাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। ফলে অনেক মানুষের হৃদয় ইসলামের জন্য প্রশস্ত হয় এবং জ্ঞানীদের সামনে ইসলামী রাষ্ট্রের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
/আশিক
শনিবার ০৭ মার্চ: ৫ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময় ও গুরুত্ব
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য সময়মতো নামাজ পড়া ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আজ শনিবার (০৭ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
জোহর-১২.১৪ মিনিট
আসর-৪:২৪ মিনিট।
মাগরিব-৬:০৫ মিনিট।
এশা-৭:২০ মিনিট।
ফজর (আগামীকাল রোববার)-৫টা ০৩ মিনিট।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো—
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট
সিলেট : ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে
খুলনা : ০৩ মিনিট
রাজশাহী : ০৭ মিনিট
রংপুর : ০৮ মিনিট
বরিশাল : ০১ মিনিট
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০৪ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৪ মিনিটে।
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ মার্চ ২০২৬
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর জন্য সময়মতো নামাজ পড়া ফরজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আজ শুক্রবার (০৬ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৬ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হল—
জুমা-১২টা ১৩ মিনিট
আসর-৪টা ২৪ মিনিট
মাগরিব-৬টা ০৪ মিনিট
এশা-৭টা ২০ মিনিট
ফজর (আগামীকাল শনিবার)-৫টা ০১ মিনিট।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হল—
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট
সিলেট : ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে
খুলনা : ০৩ মিনিট
রাজশাহী : ০৭ মিনিট
রংপুর : ০৮ মিনিট
বরিশাল : ০১ মিনিট
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৫ মিনিটে
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি: ৫ মার্চ ২০২৬
ইসলামের ৫টি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) ২০২৬ ইংরেজি, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ১৫ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো—
জোহর: ১২টা ১৪ মিনিট
আসর: ৪টা ২৩ মিনিট
মাগরিব: ৬টা ০৩ মিনিট
এশা: ৭টা ১৯ মিনিট
ফজর (আগামীকাল শুক্রবার): ৫টা ০৫ মিনিট।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো—
বিয়োগ করতে হবে:
চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট
সিলেট : ০৬ মিনিট
যোগ করতে হবে:
খুলনা : ০৩ মিনিট
রাজশাহী : ০৭ মিনিট
রংপুর : ০৮ মিনিট
বরিশাল : ০১ মিনিট
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০৫ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৬টা ১৭ মিনিটে।
পাঠকের মতামত:
- কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়
- ইরানের নতুন অধ্যায়ে রাশিয়ার সমর্থন; মোজতবা খামেনিকে পুতিনের বিশেষ বার্তা
- চান্দিনায় ৫টি ফুট ওভারব্রিজই অকেজো; জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার
- ডিজিটাল নীরবতায় ইরান: দশম দিনে পড়ল পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট
- ৯ মার্চ ডিএসই: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ৯ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- টানা বাড়ার পর সোনার দামে রেকর্ড পতন, নতুন দর ঘোষণা
- পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা প্রকাশ
- শিশুর টাং টাই কী? কখন চিকিৎসা জরুরি
- জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে জি৭র জরুরি পদক্ষেপ
- শত্রুপক্ষের সহযোগীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের হুঁশিয়ারি ইরানের
- প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- হাদি হত্যার আসামিদের দেশে আনতে পরিকল্পনার কথা জানালেন আইজিপি
- মক্কা-মদিনায় আটকা ৩৫০০ বাংলাদেশি: যুদ্ধের কবলে ওমরাহ যাত্রীদের কান্না
- ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় সেবকদের জন্য মাসিক সম্মানী চালু, পাবেন যত টাকা
- ক্ষমতা গ্রহণ করেই রণক্ষেত্রে নতুন নেতা: তেহরানের প্রথম বড় মুভমেন্ট
- বিনা হিসাবেই জান্নাতে প্রবেশ করবে যে ৭০ হাজার মানুষ
- অস্পষ্ট শব্দ ও ভিড়ে কথা শুনতে কষ্ট: জানুন শ্রবণশক্তি হ্রাসের লক্ষণ
- ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সংঘাত: উপসাগরীয় তিন দেশে ইরানের নজিরবিহীন আক্রমণ
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঢাবির নতুন সিদ্ধান্ত
- ঢাকার ৫টি বস্তিসহ দেশের ১৪ উপজেলায় পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু
- কড়াইল বস্তি থেকে শুরু ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, আর যারা পাবে
- যুদ্ধের ময়দানে এবার মুখোমুখি সৌদি-ইরান? রিয়াদের কড়া সতর্কবার্তা
- ঈদের ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন যেসব কর্মী ও সেবাখাত
- এরবিল ও বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা: ইরাকে উত্তপ্ত পরিস্থিতি
- আজ ৯ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন বাংলাদেশি টাকায় বিভিন্ন মুদ্রার রেট
- ইরানে হামলা: মসাদের সক্ষমতা নাকি মার্কিন গোয়েন্দা ছাতার ওপর নির্ভরতা
- ২৫শে মার্চ রাতে সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট
- টানা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বিশাল ধস: ভরিতে কমল ৯ হাজার টাকার বেশি
- বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: বিএনপিকে দিলেন ধন্যবাদ
- মোজতবা খামেনির নিয়োগ নিয়ে ট্রাম্পের রহস্যময় নীরবতা
- জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লব ফিরিয়ে আনছেন তারেক রহমান
- দেশে জ্বালানি রেশনিং শুরু: বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধি
- নিরাপত্তার জন্য সামান্য মূল্য: তেলের দাম নিয়ে ট্রাম্পের বার্তা
- দেশের তিন জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- রমজানে বিদ্যুৎ বিড়ম্বনা: আজ টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন পবিত্র রমজানের ১৯তম দিনের পূর্ণাঙ্গ আপডেট
- খামেনির উত্তরসূরি নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা: ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনীতি কোন পথে?
- ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার: কে এই মোজতবা খামেনি?
- বিএনপির চাপে একই দিনে দুই ভোট দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার: জামায়াত আমির
- মুরাদনগরে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ‘যুদ্ধ ঘোষণা’
- রোজা ভেঙে কাফফারা আদায়ে অক্ষম? জেনে নিন ইসলামের সহজ সমাধান
- ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি: টানা লম্বা ছুটির ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল সরকার
- ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে বিদ্রোহের সুর: বিসিবি নির্বাচনের তদন্তে তামিমের আলটিমেটাম
- ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল মাসুদ ভারতে গ্রেপ্তার
- যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ রূপ: তেহরানের আকাশে বিষাক্ত ধোঁয়ার পাহাড় ও কালো বৃষ্টি
- পারস্য উপসাগরে নতুন উত্তেজনা: এবার ইরানের অবকাঠামোতে আঘাত হানল আমিরাত
- স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া ও নারী ক্ষমতায়নের কারিগর খালেদা: রাষ্ট্রপতি
- ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন
- বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম
- বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন, ২ লাখ ১৯ হাজারে মিলবে এক ভরি
- ইরান যুদ্ধ, পরিচয়ের রাজনীতি এবং বৈশ্বিক সংকটের নতুন সমীকরণ
- টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
- রোববার থেকে দেশে চালু হচ্ছে নতুন নিয়মে তেল বিক্রি
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল ধস! ২২ ক্যারেটের নতুন দাম জানাল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন
- পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষিকাকে মারধর! সাতক্ষীরায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন
- মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
- আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
- রামাদান মাসে কোরানের হাফেজ দের নিয়ে মোস্তফা হাকিম ব্লাড ব্যাংকের সেহেরি আয়োজন
- ইফতারের প্রশান্তি কেড়ে নিচ্ছে মাথাব্যথা? জেনে নিন মুক্তির পূর্ণাঙ্গ গাইড
- খামেনি কি বেঁচে আছেন? সাহারা মরুভূমিতে থাকার ছবির আসল সত্য ফাঁস
- ১২ মার্চ কি নতুন ইতিহাস? প্রথম অভিশংসনের মুখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
- আজ ১৩ রমজান: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সঠিক সময়








