কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৯ ১৬:৫৬:৫৭
কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশ দিন ইসলামে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী এই সময়কে বলা হয় নাজাতের দশক, অর্থাৎ জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি লাভের বিশেষ সময়। এই দশক শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুসলিমরা বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন লাইলাতুল কদর বা পবিত্র শবে কদরের সন্ধানের জন্য, যা ইসলামে বছরের শ্রেষ্ঠ ও বরকতময় রাত হিসেবে পরিচিত।

লাইলাতুল কদর কী

আরবি শব্দ “লাইলাতুল কদর” দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে “লাইলাতুল” অর্থ রাত এবং “কদর” অর্থ মর্যাদা, সম্মান বা মহাসম্মান। ইসলামী ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই রাত অত্যন্ত সম্মানিত ও বরকতময় একটি রজনী, যখন মহান আল্লাহ মানবজাতির ভাগ্য, রিজিক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করেন।

ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাত শুধু একটি পবিত্র রাতই নয়; বরং এটি এমন একটি সময় যখন আসমান থেকে আল্লাহর বিশেষ রহমত, ক্ষমা এবং বরকত নাজিল হয়। এজন্য মুসলমানদের কাছে এই রাত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব

পবিত্র কুরআনে লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা সূরা আল-কদরে ইরশাদ করেন:

“নিশ্চয়ই আমি এটি নাজিল করেছি কদরের রাতে। আর তুমি কীভাবে জানবে কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। সে রাতে ফেরেশতারা ও রূহ (জিবরাইল) তাদের রবের অনুমতিক্রমে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করেন। শান্তিময় সে রাত ফজরের সূচনা পর্যন্ত।”

এই আয়াতের আলোকে ইসলামী পণ্ডিতরা ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াবের অধিকারী। অর্থাৎ প্রায় ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের সমতুল্য সওয়াব অর্জনের সুযোগ এই এক রাতেই পাওয়া যায়।

লাইলাতুল কদরের ফজিলত

লাইলাতুল কদর ইসলামে অত্যন্ত মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত, যার গুরুত্ব পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রজনীর ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। সূরা আল-কদরে উল্লেখ রয়েছে, লাইলাতুল কদরের এক রাতের ইবাদত প্রায় ১০০০ মাস বা প্রায় ৮৩ বছরেরও বেশি সময়ের ইবাদতের সমতুল্য সওয়াব এনে দিতে পারে। তাই মুসলমানদের কাছে এই রাত আত্মিক উন্নতি, পাপমুক্তি এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ হিসেবে বিবেচিত।

এই পবিত্র রাতের আরেকটি বিশেষ মর্যাদা হলো এই রাতেই মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করেন। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, লাওহে মাহফুজ থেকে কুরআনকে দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ করা হয় লাইলাতুল কদরের রাতে, যা মানবজাতির জন্য আল্লাহর হেদায়েতের এক অনন্য নিদর্শন। ফলে এই রাত শুধু ইবাদতের রাতই নয়, বরং ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক ঘটনা বহন করে।

ইসলামী শিক্ষায় আরও বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদরের রাতে আন্তরিক ঈমান ও সওয়াবের প্রত্যাশা নিয়ে ইবাদত করলে মানুষের অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এ কারণে মুসলমানরা এই রাতকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও তওবার বিশেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে এই রাতে মানুষের আগামী এক বছরের জন্য রিজিক, আয়ু এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আল্লাহর নির্দেশে নির্ধারিত হয় বলে ইসলামী ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া লাইলাতুল কদরের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এই রাতে হযরত জিবরাঈল (আ.)-সহ অসংখ্য ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন। তাদের আগমনের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তি, রহমত ও বরকতের আবহ সৃষ্টি হয়, যা ফজর উদয় হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এসব কারণেই লাইলাতুল কদর মুসলমানদের কাছে বছরের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত।

কুরআন নাজিলের ঐতিহাসিক রাত

লাইলাতুল কদরের অন্যতম বিশেষত্ব হলো এই রাতে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, এই রাতে লাওহে মাহফুজ থেকে কুরআনকে দুনিয়ার আসমানে অবতীর্ণ করা হয় এবং পরে ধীরে ধীরে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করা হয়।

এ কারণে এই রাতকে ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত হিসেবে গণ্য করা হয়।

ভাগ্য নির্ধারণের রাত

ইসলামী ব্যাখ্যায় বলা হয়, লাইলাতুল কদরের রাতে মানুষের আগামী এক বছরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারিত হয়। এর মধ্যে মানুষের রিজিক, জীবন-মৃত্যু এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতাদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য নির্ধারিত হয়।

এই প্রসঙ্গে কুরআনের সূরা দুখানে বলা হয়েছে যে, বরকতময় এই রাতে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারণ করা হয় আল্লাহর নির্দেশে।

কখন হয় লাইলাতুল কদর

কুরআনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি লাইলাতুল কদর ঠিক কোন রাতে সংঘটিত হয়। তবে সহিহ হাদিসে এসেছে, রমজান মাসের শেষ দশ দিনের মধ্যে এই রাত অবস্থিত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,“তোমরা রমজানের শেষ দশ দিনে কদরের রাত তালাশ করো।” (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আরেকটি হাদিসে বলা হয়েছে, “রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত খুঁজে নাও।” (বুখারি)।

এ কারণে ইসলামী আলেমরা বলেন, ২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯ রমজানের রাতগুলোর মধ্যে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনা বেশি। যদিও অধিকাংশ আলেমের মতে ২৭ রমজানের রাতে এই রাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

রাসুল (সা.)-এর আমল

হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইবাদতে আরও বেশি মনোযোগ দিতেন। তিনি নিজে ইতিকাফ করতেন এবং পরিবারকেও ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।

এই সময় মুসলমানরা মসজিদে ইতিকাফ পালন করে বেশি বেশি ইবাদত করার চেষ্টা করেন, যাতে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করা যায়।

লাইলাতুল কদরের রাতে করণীয়

ইসলামী শিক্ষায় এই রাতে বিশেষ কিছু আমলের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

নফল নামাজ আদায় করা

পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা

জিকির, তাসবিহ ও তাহলিল পাঠ করা

আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা

নিজের ও পরিবারের জন্য দোয়া করা

রাসুলুল্লাহ (সা.) এই রাতে পড়ার জন্য একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়েছেন। “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি।”

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার গুরুত্ব

ইসলামী শিক্ষায় বলা হয়েছে, লাইলাতুল কদর হলো ক্ষমা লাভের একটি বিশেষ সুযোগ। এই রাতে আন্তরিকভাবে তওবা করলে আল্লাহ মানুষের অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেন।

খাঁটি তওবার কয়েকটি শর্ত রয়েছে:

১. পূর্বের গুনাহ থেকে ফিরে আসা

২. ভুলের জন্য আন্তরিক অনুতাপ করা

৩. ভবিষ্যতে সেই পাপ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করা

৪. অন্যের অধিকার নষ্ট করলে তা ফিরিয়ে দেওয়া

কেন এই রাত এত গুরুত্বপূর্ণ

ইসলামী দৃষ্টিতে লাইলাতুল কদর শুধু একটি রাত নয়; এটি একটি আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণের সুযোগ। এই রাতে মানুষ তার অতীত ভুল থেকে ফিরে এসে নতুনভাবে আল্লাহর পথে জীবন পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে।

ইসলামী পণ্ডিতরা বলেন, এই রাতের প্রকৃত মর্যাদা উপলব্ধি করা তখনই সম্ভব, যখন মানুষ কুরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করে এবং মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে।

মুসলমানদের বিশ্বাস, বছরে মাত্র একবার আসা এই রাতের বরকত লাভ করতে হলে রমজানের শেষ দশকে আন্তরিকভাবে ইবাদত করা প্রয়োজন।

মহান আল্লাহ যেন সবাইকে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করেন। আমিন।


জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৭ ১০:৩৪:০৫
জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ (২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ/২০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় প্রকাশ করা হয়েছে। সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে।

আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৪ মিনিটে।

পবিত্র রমজান ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফজরের নামাজের সময় আগামীকাল সোমবার (৮ জুন) ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে শুরু হবে।

এ ছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১০ মিনিটে।

নির্ভরযোগ্য এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে দৈনন্দিন ইবাদত সম্পন্ন করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত এই সময়সূচি অনুসরণের অনুরোধ করা হয়েছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৬ ১০:২৪:৪২
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ শনিবার (৬ জুন) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে।

সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে। এরপর রাতের প্রধান জামাত অর্থাৎ এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৩ মিনিটে। অন্যদিকে, আগামী রোববার (৭ জুন) পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৬ মিনিটে।

আবহাওয়া ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল ভোরে সূর্যোদয় হবে ৫টা ১১ মিনিটে। দূরত্বের তারতম্যের কারণে ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজ আদায় করতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৪ ১০:১০:৪৩
জেনে নিন আজ বৃহস্পতিবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

আজ বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ (২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় আবহাওয়া ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করার সুবিধার্থে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য এই সময়সূচি প্রযোজ্য হবে।

পবিত্র জোহরের নামাজের সময় আজ দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে শুরু হচ্ছে।

এরপর বিকেলে পবিত্র আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩৬ মিনিটে।

আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬টা ৪৭ মিনিটে।

রাতের শেষ ওয়াক্ত অর্থাৎ পবিত্র এশার নামাজের সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১২ মিনিটে।

অন্যদিকে, আগামীকাল শুক্রবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সূর্যোদয়ের আগে ফজর নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

আজকের দিনে রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সূর্যাস্তের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে। একই সাথে আগামীকাল শুক্রবার ভোরের সূর্যোদয় হবে ৫টা ১০ মিনিটে। উল্লেখ্য, স্থান ও দূরত্ব ভেদে ঢাকার সময়ের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময় ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে। তাই ঢাকার সময়ের সাথে নিজ নিজ এলাকার সময় মিলিয়ে নামাজ আদায়ের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ১০:০৭:৫৩
জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

আজ বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

সময়সূচি অনুযায়ী আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে। আজ সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও ওয়াক্ত শুরু হবে ৬টা ৪৬ মিনিটে এবং এরপর রাতের এশা নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৮টা ১২ মিনিটে।

পরদিন অর্থাৎ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ফজর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫:১১ মিনিটে। তবে স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সময়ের সাথে কয়েক মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে নিতে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।


বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৩ ০৯:৩০:৫৯
বৃদ্ধ মায়ের অবহেলা, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর সব ভাষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার মানুষ একটি বিষয়ে একমত। সেটি হলো, ‘মা’ শব্দের মতো মধুর, আবেগময় ও হৃদয়স্পর্শী আর কোনো শব্দ নেই। মানুষ জীবনের প্রথম ভালোবাসা, প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক এবং নিঃস্বার্থ স্নেহের উৎস হিসেবে মাকেই খুঁজে পায়। ইসলামও মায়ের এই অনন্য মর্যাদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং তাঁর অধিকারকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

মা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের জন্য এক অসামান্য নিয়ামত। একজন সন্তান পৃথিবীতে আসার আগেই মা তাকে নিজের শরীরের অংশ হিসেবে ধারণ করেন। গর্ভধারণের দীর্ঘ কষ্ট, সন্তান জন্মদানের যন্ত্রণা, নির্ঘুম রাত এবং জীবনের অসংখ্য ত্যাগের মাধ্যমে তিনি সন্তানকে বড় করে তোলেন। তাই ইসলামে মায়ের মর্যাদা শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, বরং তাঁর ত্যাগ, কষ্ট এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কারণেও অতুলনীয়।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা নিজের ইবাদতের নির্দেশের পাশাপাশি মা-বাবার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা তাঁর ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। এমনকি তারা বার্ধক্যে উপনীত হলেও তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা বা ‘উফ’ শব্দটুকু উচ্চারণ করতেও নিষেধ করা হয়েছে। (সুরা বনি ইসরাঈল: ২৩)

এটি ইসলামে মা-বাবার মর্যাদার সর্বোচ্চ স্বীকৃতির অন্যতম উদাহরণ। কারণ আল্লাহর ইবাদতের পরপরই মানুষের প্রতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে মা-বাবার প্রতি সদ্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কোরআনের আরেক স্থানে আল্লাহ বিশেষভাবে মায়ের কষ্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সুরা লুকমানে বলা হয়েছে, মা কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাকে লালন-পালন করেন। তাই আল্লাহর কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি মা-বাবার প্রতিও কৃতজ্ঞ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা লুকমান: ১৪)

ইসলামের ইতিহাসে মায়ের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বহু হাদিস রয়েছে। সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোর একটি হলো সেই ঘটনা, যখন এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তার উত্তম আচরণের সবচেয়ে বেশি হকদার কে?

রাসুল (সা.) প্রথমবার বললেন, ‘তোমার মা।’

লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, এরপর কে?

তিনি আবার বললেন, ‘তোমার মা।’

তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, ‘তোমার মা।’

চতুর্থবারে তিনি বললেন, ‘তোমার বাবা।’ (সহিহ বুখারি)

এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, সন্তানের ওপর মায়ের অধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং ইসলাম মায়ের সেবাকে কত উঁচু মর্যাদা দিয়েছে।

মায়ের খিদমতের গুরুত্ব শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাসেও এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। ইসলামের অন্যতম প্রসিদ্ধ তাবেঈ উওয়াইস আল-কারনী (রহ.)-এর জীবন তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে জীবিত ছিলেন, কিন্তু অসুস্থ মায়ের সেবায় নিয়োজিত থাকায় মদিনায় গিয়ে মহানবীর সাক্ষাৎ লাভ করতে পারেননি। তবুও তাঁর মাতৃসেবার কারণে তিনি এমন মর্যাদা লাভ করেন যে, রাসুল (সা.) সাহাবিদের তাঁর কাছে দোয়া চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। (সহিহ মুসলিম)

এ ঘটনা প্রমাণ করে, মায়ের সেবা এমন একটি আমল যা একজন মানুষকে আল্লাহর কাছে অত্যন্ত মর্যাদাবান করে তুলতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।’ (নাসাঈ)

এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ হাদিসটি মুসলিম সমাজে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মায়ের মর্যাদার প্রতীক হয়ে রয়েছে। এর অর্থ হলো, মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের মধ্য দিয়েই একজন মানুষ জান্নাতের পথে অগ্রসর হতে পারে।

মায়ের খিদমতের আরেকটি বড় ফজিলত হলো তাঁর দোয়া। ইসলামী শিক্ষায় মা-বাবার দোয়াকে অত্যন্ত মূল্যবান মনে করা হয়। একজন সন্তানের জন্য মায়ের আন্তরিক দোয়া জীবনের বহু বিপদ দূর করতে পারে এবং আল্লাহর রহমত লাভের মাধ্যম হতে পারে।

অন্যদিকে মাকে কষ্ট দেওয়া, তাঁর অবাধ্য হওয়া কিংবা তাঁর অধিকার নষ্ট করা ইসলামে গুরুতর গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। বহু হাদিসে মা-বাবার অবাধ্যতাকে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।

দুঃখজনকভাবে আধুনিক ব্যস্ত জীবন, ভোগবাদী মানসিকতা এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতার কারণে অনেক বৃদ্ধ মা আজ অবহেলা ও একাকীত্বের শিকার হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে মায়ের পাশে থাকেন না। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন ঘটনাও ঘটেছে, যেখানে একাকী বসবাসরত বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর খবর দীর্ঘদিন পর্যন্ত কেউ জানতে পারেনি। এসব ঘটনা মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে।

ইসলামের দৃষ্টিতে মায়ের খিদমত কেবল সামাজিক দায়িত্ব নয়; এটি একটি মহান ইবাদত। মায়ের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ করা, তাঁর প্রয়োজন পূরণ করা, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, তাঁর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাঁর মানসিক প্রশান্তির খেয়াল রাখা এবং সম্মানের সঙ্গে তাঁর পাশে থাকা সবই নেক আমল হিসেবে গণ্য হয়।

মায়ের মৃত্যুর পরও সন্তানের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। তাঁর জন্য দোয়া করা, সদকা করা, তাঁর অসম্পূর্ণ নেক কাজগুলো সম্পন্ন করা এবং তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ কাজ।

তাই একজন মুমিনের জন্য মায়ের খিদমত শুধু একটি পারিবারিক কর্তব্য নয়; এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। যে ব্যক্তি মায়ের সেবা করে, আল্লাহ তার জীবনে বরকত দান করেন, মানুষের অন্তরে তার জন্য সম্মান সৃষ্টি করেন এবং আখিরাতে তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রাখেন। সেই কারণেই ইসলাম বারবার আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, পৃথিবীতে যদি কোনো মানুষের প্রতি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও দায়িত্ব থাকে, তবে তিনি হলেন মা।


২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০২ ১০:২৬:৩৮
২ জুন ২০২৬: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
ছবি : সংগৃহীত

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যার প্রতিটি বিধান মানুষের ইহকালীন কল্যাণ, সামাজিক শৃঙ্খলা ও আত্মিক প্রশান্তি নিশ্চিত করার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কর্তৃক প্রণীত হয়েছে। ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে নামাজ ও রোজা ধনী-গরিব, স্বাধীন-দাস নির্বিশেষে সামর্থ্যবান সবার জন্য দৈনন্দিন ও বাৎসরিক ফরজ ইবাদত। তাই জীবনের কর্মব্যস্ততা বা জটিলতা যতই থাকুক না কেন, পবিত্র কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য।

আজ মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ইংরেজি (২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বাংলা, ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অফিশিয়াল সময়সূচি দেওয়া হলো

জোহর: ১২টা ০০ মিনিট

আসর: ৪টা ৩৬ মিনিট

মাগরিব: ৬টা ৪৬ মিনিট

এশা: ৮টা ১০ মিনিট

ফজর (আগামীকাল বুধবার, ৩ জুন): ৩টা ৪৭ মিনিট

সূর্যোদয় (আগামীকাল বুধবার): ৫টা ২৭ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য সময় পরিবর্তন

বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: -৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: -৫ মিনিট

যোগ করতে হবে

রংপুর: +৮ মিনিট

রাজশাহী: +৭ মিনিট

খুলনা: +৩ মিনিট

বরিশাল: +১ মিনিট

/আশিক


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১ জুনের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১০:২৯:৩৪
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ১ জুনের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

আজ সোমবার (১ জুন, ২০২৬), ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ১৪ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি। রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার পবিত্র নামাজের সময়সূচি এবং সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ সোমবার জোহরের নামাজের ওয়াক্ত বা সময় শুরু হচ্ছে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে। বিকেলে আসরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৪টা ৩৫ মিনিটে।

সন্ধ্যার পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে ৬টা ৪৬ মিনিটে এবং রাতে এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ৮টা ১১ মিনিটে। এছাড়া আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) পবিত্র ফজরের নামাজের ওয়াক্ত বা সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের তথ্য অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে এবং আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১১ মিনিটে। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সাথে ১ থেকে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত সময় যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ১০:১৯:২১
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি জিলহজ মাসের পবিত্র দিনগুলোর মাঝেই আজ রবিবার (৩১ মে) ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঠিক সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, আজ ও আগামীকালকের জন্য নির্ধারিত নামাজের সময় নিচে দেওয়া হলো।

আজ রবিবার দুপুরের জোহরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০০ মিনিটে।

বিকেল গড়ালে আসরের নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে।

সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ও নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে এবং রাতের সর্বশেষ ওয়াক্ত এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৮টা ১০ মিনিটে।

অন্যদিকে, আগামীকাল সোমবার ভোররাতের ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৭ মিনিটে।

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে এবং আগামীকাল নতুন ভোরের সূর্য উদয় হবে সকাল ৫টা ১১ মিনিটে।

/আশিক


৩০ মে ২০২৬: ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সঠিক সময়ঘণ্টা

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩০ ১০:৩৯:০৪
৩০ মে ২০২৬: ঢাকা ও দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সঠিক সময়ঘণ্টা
ছবি : সংগৃহীত

মহান আল্লাহর অসীম সন্তুষ্টি, সান্নিধ্য ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তি অর্জনের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নিয়মিত নামাজের কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র দ্বীন ইসলামের প্রতিটি সুনির্দিষ্ট বিধান, নিয়মকানুন ও আমলের মাঝেই নিহিত রয়েছে পরম যৌক্তিকতা এবং মানবকল্যাণের এক অপূর্ব সৌন্দর্য। ইসলামে এমন কোনো কঠিন আমল বা বিধান দেওয়া হয়নি, যা একজন সাধারণ মুসলমানের জন্য দৈনন্দিন জীবনে পালন করা কষ্টকর বা অসম্ভব হতে পারে।

ইসলাম ধর্মে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের বাইরেও আত্মিক উন্নতির জন্য কিছু অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ নফল নামাজের বিধান রয়েছে। তবে শত ব্যস্ততা বা কর্মমুখর জীবনের মাঝেও, অন্তত ওয়াক্তমতো কেবল ফরজ নামাজটুকু হলেও সঠিক সময়ে আদায় করে নেওয়া প্রতিটি মুমিনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২৬ ইংরেজি; বাংলা ১৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৩ই জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি।

ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্যের আলোকে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো

জোহর: ১১:৫৯ মিনিট

আসর: ৪:৩৬ মিনিট

মাগরিব: ৬:৪১ মিনিট

এশা: ৮:০৭ মিনিট

ফজর (আগামীকাল রোববার, ৩১ মে): ৩:৪৬ মিনিট

বিভাগীয় শহরের জন্য সময়ের তারতম্য

ঢাকার সময়ের সাথে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের মুসল্লিদের নির্দিষ্ট কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে নামাজের সঠিক ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

উক্ত সময় থেকে যত মিনিট বিয়োগ করতে হবে

সিলেট: ০৬ মিনিট

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

উক্ত সময়ের সাথে যত মিনিট যোগ করতে হবে

রংপুর: ০৮ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

খুলনা: ০৩ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

/আশিক

পাঠকের মতামত: