রোজায় ক্লান্তি ও পানিশূন্যতা বিদায়! ইফতারে এই ৬টি পানীয়র জাদুকরী গুণ দেখুন 

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৮ ০৯:৪৩:২১
রোজায় ক্লান্তি ও পানিশূন্যতা বিদায়! ইফতারে এই ৬টি পানীয়র জাদুকরী গুণ দেখুন 
ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় উপবাসের ফলে শরীরে পানিশূন্যতা এবং ক্লান্তি আসা স্বাভাবিক। বিশেষ করে ২০২৬ সালের রমজান যেহেতু ফেব্রুয়ারি ও মার্চের মাঝামাঝি সময়ে (সম্ভাব্য ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু) পড়বে, তখন আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি। ইফতার ও সেহরিতে সঠিক পানীয় নির্বাচন কেবল তৃষ্ণা মেটায় না, বরং সারাদিনের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিও জোগায়।

পুষ্টিবিদদের মতে, ভাজাপোড়া খাবারের চেয়ে ইফতারে তরল জাতীয় পুষ্টিকর খাবারের প্রাধান্য দেওয়া উচিত। পানিশূন্যতা রোধ এবং সতেজ থাকতে কিছু কার্যকরী পানীয়র হলো

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু পানি শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায় এবং হজম প্রক্রিয়া সচল রাখে। চিনির বদলে সামান্য মধু বা গুড় মেশালে এটি আরও স্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে।

প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের খনি হলো ডাবের পানি। ইফতারে এটি পান করলে শরীরের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য দ্রুত ফিরে আসে এবং ক্লান্তি দূর হয়।

দুধে থাকা প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, টক দইয়ের লাচ্ছি বা মাঠা প্রো-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে, যা সেহরি বা ইফতারের ভারী খাবারের পর পেট ঠান্ডা রাখে।

পেটের সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেলের শরবতের জুড়ি নেই। রমজানে এটি একটি চিরাচরিত স্বাস্থ্যকর পানীয়।

চিয়া সিড বা তোকমা দানা, ফাইবারে ঠাসা এই দানাগুলো পানিতে ভিজিয়ে শরবতের সাথে খেলে দীর্ঘ সময় তৃষ্ণা কম লাগে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এছাড়াও ফলের টাটকা রস বা সাধারণ পানি অল্প অল্প করে বারবার পান করা উচিত। তবে অতিরিক্ত চা-কফি বা সোডাযুক্ত কোমল পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এগুলো শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তুলতে পারে।


ফেরী, নৌকা, গাড়ি, পথ- সফর নিরাপদ করতে রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৬ ০৯:৪৫:৫৭
ফেরী, নৌকা, গাড়ি, পথ- সফর নিরাপদ করতে রাসুল (সা.)-এর শেখানো দোয়া
ছবি: সংগৃহীত

মানুষের জীবনে ভ্রমণ একটি অনিবার্য বাস্তবতা। প্রতিদিনই মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করে। তবে ভ্রমণ যত সহজ হয়েছে, ততই বেড়েছে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা। তাই নিরাপদ সফর নিশ্চিত করতে ইসলাম কেবল শারীরিক সতর্কতার ওপরই জোর দেয়নি, বরং আধ্যাত্মিক সুরক্ষাকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছে।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ভ্রমণের প্রতিটি ধাপের জন্য নির্দিষ্ট কিছু দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা একজন মুমিনকে আল্লাহর সুরক্ষার ছায়ায় রাখে এবং মানসিক প্রশান্তি প্রদান করে।

১. বাড়ি থেকে বের হওয়ার দোয়া

ভ্রমণের সূচনা হয় ঘর থেকে বের হওয়ার মাধ্যমে। এই সময় মহানবী (সা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন-

আরবি:بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ وَ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি। আল্লাহর ওপরই ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি বা ক্ষমতা নেই।

গুরুত্ব: হাদিস অনুযায়ী, এই দোয়া পাঠ করলে আল্লাহ নিজেই বান্দার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান এবং শয়তান দূরে সরে যায়।

২. যানবাহনে ওঠার দোয়া

যানবাহনে আরোহনের সময় মহানবী (সা.) আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন-

আরবি:بسم الله الرحمن الرحيمسُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَوَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া-মা-কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবুন।

অর্থ: তিনি পবিত্র, যিনি এই বাহনকে আমাদের জন্য অনুগত করেছেন, অথচ আমরা নিজেরা তা আয়ত্ত করতে সক্ষম ছিলাম না। আমরা অবশ্যই আমাদের প্রভুর দিকে ফিরে যাব।

বিশ্লেষণ: এই দোয়া মানুষের মধ্যে কৃতজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করে, যা নিরাপদ আচরণে সহায়তা করে।

৩. সফরের পূর্ণাঙ্গ দোয়া

ভ্রমণকালীন নিরাপত্তা, সহজতা ও সুরক্ষার জন্য একটি দীর্ঘ দোয়া রয়েছে-

আরবি:

اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ فِي سَفَرِنَا هَذَا الْبِرَّ وَالتَّقْوَى وَمِنَ الْعَمَلِ مَا تَرْضَى

اللَّهُمَّ هَوِّنْ عَلَيْنَا سَفَرَنَا هَذَا وَاطْوِ عَنَّا بُعْدَهُ

اللَّهُمَّ أَنْتَ الصَّاحِبُ فِي السَّفَرِ وَالْخَلِيفَةُ فِي الأَهْلِ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ وَعْثَاءِ السَّفَرِ وَكَآبَةِ الْمَنْظَرِ

وَسُوءِ الْمُنْقَلَبِ فِي الْمَالِ وَالأَهْلِ

উচ্চারণ (সংক্ষেপে): আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা… (পূর্ণ উচ্চারণ উপরে বর্ণিত অনুযায়ী)

অর্থ (সারাংশ): হে আল্লাহ! আমাদের সফর সহজ করো, দূরত্ব কমাও, তুমি আমাদের সফরের সঙ্গী এবং পরিবারের রক্ষক। সফরের কষ্ট, খারাপ দৃশ্য ও ক্ষতি থেকে আমাদের রক্ষা করো।

গুরুত্ব: এই দোয়া সফরের শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক সব ঝুঁকিকে অন্তর্ভুক্ত করে।

৪. নৌকা, ফেরী বা জাহাজে ভ্রমণের দোয়া

নৌপথে যাত্রার সময় কোরআনে বর্ণিত দোয়া-

আরবি: بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَحِيمٌ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি মাজরিহা ওয়া মুরসাহা, ইন্না রাব্বি লা গাফুরুর রহিম।

অর্থ: আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। নিশ্চয়ই আমার প্রভু ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

৫. পথে কোথাও থামলে যে দোয়া

ভ্রমণের মাঝপথে অবস্থান করলে পড়তে বলা হয়েছে-

আরবি: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।

অর্থ: আমি আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমার মাধ্যমে সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।

এই দোয়া পড়লে ঘরে ফেরা পর্যন্ত কোনো ক্ষতি হবে না হাদিসে এমন নিশ্চয়তা এসেছে।

বর্তমান সময়ে সড়ক দুর্ঘটনা, নৌ দুর্ঘটনা এবং ভ্রমণ ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এসব দোয়ার গুরুত্ব নতুনভাবে উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা ভ্রমণের আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে এবং সচেতন থাকে, তারা তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে পড়ে।

ভ্রমণ কেবল শারীরিক চলাচল নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা। ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী, প্রতিটি যাত্রার শুরু, মাঝপথ এবং সমাপ্তিতে আল্লাহর ওপর নির্ভরতা মানুষের নিরাপত্তা ও প্রশান্তি নিশ্চিত করে। তাই ভ্রমণে বের হওয়ার সময় এই দোয়াগুলো পাঠ করা একজন মুমিনের জন্য শুধু আমল নয়, বরং একটি সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।


পুরুষের টাক পড়া রুখবে এসেনশিয়াল অয়েল; জেনে নিন ব্যবহারের জাদুকরী কৌশল

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৫ ১৯:৩৩:৪৫
পুরুষের টাক পড়া রুখবে এসেনশিয়াল অয়েল; জেনে নিন ব্যবহারের জাদুকরী কৌশল
ছবি : সংগৃহীত

ত্রিশ বা চল্লিশের কোঠায় পৌঁছালে অনেক পুরুষের মধ্যেই চুল ঝরে টাক পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়। ঘন চুল ঝরতে শুরু করলে মানসিক হতাশাও বাড়ে। বাজারচলতি অনেক প্রসাধনী চুল পড়া রোধের দাবি করলেও সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রায়ই সংশয় থাকে। এমন পরিস্থিতিতে রাসায়নিক উপাদানের বদলে প্রাকৃতিক এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করে পুরুষেরা চুলের বিশেষ যত্ন নিতে পারেন। তবে কোন তেল কীভাবে ব্যবহার করলে সঠিক ফল পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।

টাক পড়া রুখতে জেরেনিয়াম তেল অত্যন্ত কার্যকর। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণাগুণ চুল পড়া বন্ধের পাশাপাশি চুলের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখে। মাথার তালুর চুলকানি বা সংক্রমণ কমাতেও এটি বেশ সহায়ক। ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৫ ফোঁটা জেরেনিয়াম তেলের সঙ্গে ২ চা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট মাথার তালুতে মালিশ করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে এক্ষেত্রে অতিরিক্ত রাসায়নিক যুক্ত শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার এড়িয়ে চলাই ভালো।

চুল পড়া কমাতে টি ট্রি অয়েলও ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণাগুণ মাথার ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে। ব্যবহারের সহজ উপায় হলো নিয়মিত শ্যাম্পুর বোতলে ১০-১৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নেওয়া। শ্যাম্পু করার সময় এটি মেখে দুই-তিন মিনিট রেখে তারপর ধুয়ে ফেলতে হবে। এছাড়া মাথা ঠান্ডা রাখতে এবং দ্রুত চুল পড়া বন্ধ করতে পেপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েল বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

চুলের রুক্ষ ভাব দূর করতে এবং নতুন চুল গজাতে ল্যাভেন্ডার অয়েলের ব্যবহারও জনপ্রিয়। নারকেল তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে চুলে মালিশ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং অকালে টাক পড়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে।

/আশিক


গ্যাস্ট্রিকমুক্ত থাকতে চাইলে বদলান ৫টি অভ্যাস

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২৪ ১১:৪৫:৩৭
গ্যাস্ট্রিকমুক্ত থাকতে চাইলে বদলান ৫টি অভ্যাস
ছবি : সংগৃহীত

ভাজাপোড়া খাবার আর অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে গ্যাস্ট্রিক এখন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বুক জ্বালাপোড়া করলেই আমরা টপাটপ গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ফেলি, যা দীর্ঘমেয়াদে লিভার বা কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

অথচ পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্ল্যান্ড থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ কমানোর জন্য কেবল জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনাই যথেষ্ট। দীর্ঘ সময় খালি পেটে না থাকা, অতিরিক্ত চা-কফি বর্জন এবং পর্যাপ্ত ঘুম এই সমস্যা থেকে মুক্তির মূল চাবিকাঠি। এছাড়া রাতের খাবার দ্রুত শেষ করা এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে না পড়ার অভ্যাস গড়লে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে পুদিনা পাতা, মৌরি এবং টকদই জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। পুদিনা পাতা হজম শক্তি বাড়িয়ে বুক জ্বালাপোড়া কমায়, আর খাওয়ার পর মৌরি চিবিয়ে খেলে পেট ফাঁপা দূর হয়। টকদইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমতে বাধা দেয়।

এই সামান্য কিছু সচেতনতা আর ঘরোয়া টোটকা মেনে চললে ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। নিজেকে সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার ও ধূমপান থেকে দূরে থাকার কোনো বিকল্প নেই।

/আশিক


ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে একবেলার প্রশান্তি: ঢাকার কাছেই সেরা ৫টি পিকনিক স্পট

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ১৮:১৪:২৯
ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে একবেলার প্রশান্তি: ঢাকার কাছেই সেরা ৫টি পিকনিক স্পট
ছবি : সংগৃহীত

রোজার সংযম শেষে ঈদ মানেই পুনর্মিলন। আর এই আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে ঢাকার চারপাশেই গড়ে উঠেছে অসাধারণ সব পর্যটন কেন্দ্র। এবারের ঈদে দর্শনার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা স্থানগুলো হলো

গাজীপুরের নুহাশ পল্লী ও সাফারি পার্ক

প্রকৃতি ও সাহিত্যের মেলবন্ধন যারা খুঁজছেন, তাদের প্রথম পছন্দ প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের নুহাশ পল্লী। এখানে কৃত্রিমতাহীন গ্রামীণ স্নিগ্ধতা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। অন্যদিকে, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক অন্যতম আকর্ষণ। উন্মুক্ত পরিবেশে বাঘ, সিংহ ও বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ শিশুদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে।

বিলাসবহুল রিসোর্ট (সারাহ ও ড্রিম স্কয়ার)

গাজীপুরেই অবস্থিত সারাহ রিসোর্ট তার অত্যাধুনিক সুইমিং পুল ও সবুজ বাগানের জন্য পরিচিত। এছাড়া স্থাপত্য ও প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায় ড্রিম স্কয়ার রিসোর্টে। নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটাতে চাইলে জল ও জঙ্গলের কাব্য একটি অনন্য কাব্যিক গন্তব্য।

জিন্দা পার্ক, রূপগঞ্জ

পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের জন্য নারায়ণগঞ্জের জিন্দা পার্ক একটি আদর্শ উদাহরণ। সুপরিকল্পিত লেক, শত প্রজাতির গাছ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এটি বর্তমানে ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় পিকনিক স্পট।

ঐতিহাসিক সোনারগাঁও ও পানাম সিটি

ইতিহাস প্রেমীদের জন্য পানাম সিটি যেন টাইম মেশিনে অতীতে ফিরে যাওয়া। সারি সারি প্রাচীন ভবন আর তার পাশেই বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর বাংলার লোকজ ঐতিহ্যকে জীবন্ত করে রেখেছে।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি, মানিকগঞ্জ

স্থাপত্যশৈলী ও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। বিশাল দালান আর স্মৃতিময় পরিবেশ পর্যটকদের দারুণভাবে টানে।

ঢাকার ভেতরে বিনোদন কেন্দ্র

শহরের ভেতরে হাতিরঝিল এখন আধুনিক আড্ডার কেন্দ্রবিন্দু। সন্ধ্যার আলোকসজ্জা ও ওয়াটার বাস ভ্রমণ ঈদের আনন্দকে রাঙিয়ে দেয়। এছাড়া প্রাতঃভ্রমণকারীদের প্রিয় রমনা পার্ক এবং তরুণদের নতুন আড্ডাস্থল বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক এখন উৎসবমুখর।

ঈদের স্পেশাল রসনাবিলাস

ঘোরার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ায় ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরান ঢাকার হাজীর বিরিয়ানি। তবে আধুনিক রুচির তরুণদের ভিড় দেখা যাচ্ছে বনানীর যাত্রা বিরতি, টাগোর টেরেস কিংবা টেরাকোটা টেইলস-এর মতো নান্দনিক রেস্তোরাঁগুলোতে।

/আশিক


পেট ফাঁপা ও বুক ভার ভাব; ঈদের খাবারের পর অস্বস্তি দূর করার সহজ উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২২ ১০:৪০:৪১
পেট ফাঁপা ও বুক ভার ভাব; ঈদের খাবারের পর অস্বস্তি দূর করার সহজ উপায়
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই বাহারি সব খাবারের আয়োজন। সেমাই, পোলাও, রোস্ট থেকে শুরু করে খাসির রেজালা—কি নেই মেন্যুতে! তবে এই খুশির জোয়ারে নিজের ঘরের পাশাপাশি আত্মীয়র বাড়িতেও কবজি ডুবিয়ে খাওয়ার পর শুরু হয় আসল বিপত্তি।

অনেকেরই বুক ভার লাগা, পেট ফাঁপা বা হাঁসফাঁস অনুভূতির মতো অস্বস্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ বিরতির পর অতিরিক্ত খাবার খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়ায় এমনটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, এই অস্বস্তি থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে আপনি কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করতে পারেন। খাওয়ার পর পেটে গ্যাস বা ভারী ভাব অনুভূত হলে সাথে সাথেই শুয়ে না পড়ে ১০-১৫ মিনিট হালকা পায়চারি করুন।

এতে হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় হয়। টাইট পোশাক এড়িয়ে ঢিলেঢালা পোশাক পরলে পেটের ওপর চাপ কমবে এবং স্বস্তি মিলবে। এছাড়া আদা চা বা পুদিনা পাতা কুচি চিবিয়ে খেলে প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাসের সমস্যা দূর হয়। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় বা কার্বোনেটেড ড্রিংক সাময়িক আরাম দিলেও দীর্ঘমেয়াদে তা হজমের ক্ষতি করতে পারে।

/আশিক


মস্তিষ্কের জন্য ‘স্লো পয়জন’ এই ১১ অভ্যাস! আজই সতর্ক না হলে বিপদ

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১৯:৫৭:৫৭
মস্তিষ্কের জন্য ‘স্লো পয়জন’ এই ১১ অভ্যাস! আজই সতর্ক না হলে বিপদ
ছবি : সংগৃহীত

বাইরে না গিয়ে অন্ধকার ঘরে একা থাকা কিংবা সারাক্ষণ কানে হেডফোন গুঁজে রাখা—শুনতে আরামদায়ক মনে হলেও এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের স্লো পয়জন। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলসহ বিভিন্ন নামী প্রতিষ্ঠানের গবেষণা বলছে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু অনিয়মিত অভ্যাস তিলে তিলে ব্রেনকে অকেজো করে দিচ্ছে। আপনার মস্তিষ্ককে রক্ষা করতে এবং এর কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে যে ১১টি অভ্যাস দ্রুত বদলানো প্রয়োজন, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

ঘুমের অভাব

২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম মস্তিষ্কের জন্য বাধ্যতামূলক। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক নিজের বিষাক্ত পদার্থ পরিষ্কার করে নতুন কোষ তৈরি করে। কম ঘুমালে স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং ভবিষ্যতে অ্যালঝেইমার্স বা স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে সব গ্যাজেট বন্ধ রাখুন এবং অন্ধকার ও আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমানোর অভ্যাস করুন।

সকালের নাস্তা না খাওয়া

সারা রাত না খেয়ে থাকার পর মস্তিষ্ক চালানোর প্রধান জ্বালানি আসে সকালের নাস্তা থেকে। এটি বাদ দিলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের কোষের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।

পর্যাপ্ত পানি পান না করা

আমাদের মস্তিষ্কের ৭৫ শতাংশই পানি। শরীরে পানি কম হলে মস্তিষ্কের টিস্যু সংকুচিত হয়ে যায়, যা আপনার চিন্তা করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই সারাদিনে অন্তত ২ লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও বিশ্রামহীনতা

অসুস্থ অবস্থায় কাজ করা বা সারাক্ষণ স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে মস্তিষ্কের কোষ মারা যায়। যারা সব কাজ নিখুঁত করতে চান বা কাউকে 'না' বলতে পারেন না, তারা এই ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। শরীর খারাপ থাকলে জোর করে কাজ না করে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া উচিত।

অলস জীবনযাপন

সারাদিন শুয়ে-বসে থাকলে শুধু শরীর নয়, মস্তিষ্কও স্থবির হয়ে পড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। তাই সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটার অভ্যাস করুন।

প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা

ছোটখাটো হিসাব বা সাধারণ তথ্যের জন্য সবসময় গুগলের ওপর নির্ভর করবেন না। এতে ব্রেনের নিজস্ব ক্ষমতা কমে যায়। স্মৃতিশক্তি ধারালো রাখতে ধাঁধা মেলানো, বই পড়া বা ফোন নম্বর মুখস্থ রাখার চেষ্টা করুন।

হেডফোনে উচ্চশব্দে গান শোনা

হেডফোনে ৩০ মিনিটের বেশি জোরে গান শুনলে শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর শ্রবণশক্তি কমলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের টিস্যুর ওপর। ভলিউম সবসময় ৬০ শতাংশের নিচে রাখার চেষ্টা করুন।

একাকীত্ব ও অসামাজিক হওয়া

মানুষের সাথে মেলামেশা মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত রাখে। দীর্ঘ সময় একা থাকলে বিষণ্নতা বাড়ে এবং ব্রেন দ্রুত বুড়িয়ে যায়। তাই প্রিয়জন ও ইতিবাচক মানুষের সাথে সময় কাটান।

নেতিবাচক চিন্তা

"আমাকে দিয়ে কিছু হবে না"—এমন চিন্তা মস্তিষ্কে ক্ষতিকর প্রোটিন জমা করে, যা ডিমেনশিয়ার কারণ হতে পারে। নেতিবাচক খবর বা মানুষ এড়িয়ে ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করুন।

অন্ধকার ঘরে থাকা

মস্তিষ্কের জন্য সূর্যের আলো ও প্রাকৃতিক বাতাস খুব জরুরি। দীর্ঘ সময় অন্ধকার বা বদ্ধ ঘরে থাকলে ডিপ্রেশন বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় রোদে যান বা ঘরের জানালা খোলা রাখুন।

ভুল খাদ্যাভ্যাস ও অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম

অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড এবং মদ্যপান মস্তিষ্কের স্নায়ু সংকুচিত করে দেয়। এছাড়া মোবাইল বা ল্যাপটপের অতিরিক্ত ব্যবহার (বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে) মস্তিষ্কের গঠন পাতলা করে দেয়। ঘুমানোর সময় ফোন মাথা থেকে দূরে রাখুন এবং পরিমিত পুষ্টিকর খাবার খান।

সূত্র : বিবিসি বাংলা


ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ১২:৩৯:২০
ঈদ শপিংয়ে অনলাইন জালিয়াতি থেকে বাঁচবেন যেভাবে; ৬টি জরুরি টিপস
ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন কেনাকাটার জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রতারক চক্রের দৌরাত্ম্য। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে ফেসবুক বা বিভিন্ন ভুয়া ওয়েবসাইটে আকর্ষণীয় অফারের আড়ালে ওত পেতে থাকে জালিয়াতরা। একটু অসতর্ক হলেই শখের কেনাকাটা পরিণত হতে পারে দুঃস্বপ্নে। অনলাইন শপিংয়ে প্রতারণা এড়াতে এবং আপনার শপিংকে নিরাপদ করতে বিশেষজ্ঞরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রথমেই ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ‘https’ এবং একটি লক (Lock) আইকন আছে কি না তা দেখে নিন। ভুয়া বা ফিশিং সাইটে সাধারণত এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে না। এছাড়া অপরিচিত কোনো পেজ বা সাইট থেকে অর্ডারের আগে অবশ্যই তাদের কাস্টমার রিভিউ ও রেটিং যাচাই করে নেওয়া উচিত। অনেক সময় অবিশ্বাস্য ছাড়ের (যেমন: ৮০-৯০ শতাংশ ডিসকাউন্ট) প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা হয়, যা আসলে একটি বড় ফাঁদ।

লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। যেকোনো সাইটে নিজের কার্ডের তথ্য বা পিন নম্বর দেওয়ার আগে তার বিশ্বস্ততা যাচাই করুন। সম্ভব হলে ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা পণ্য হাতে পেয়ে টাকা দেওয়ার অপশনটি বেছে নিন। ডেলিভারি ও রিটার্ন পলিসি আগেভাগেই পড়ে রাখা ভালো, যাতে পণ্য পছন্দ না হলে বা ভুল পণ্য এলে ফেরত দেওয়া সহজ হয়। মনে রাখবেন, ই-মেইল বা মেসেজে আসা অজানা কোনো লিংকে ক্লিক করে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা মানেই নিজেকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া।

/আশিক


দৃষ্টিহীনের চোখে ফিরবে আলো! লিকুইড কর্নিয়ায় বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্য

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ১২:২৩:৫৮
দৃষ্টিহীনের চোখে ফিরবে আলো! লিকুইড কর্নিয়ায় বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্য
ছবি : সংগৃহীত

দৃষ্টিহীনের চোখের আলো ফেরাতে এবার বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিষ্কার হিসেবে হাজির হয়েছে ‘লিকুইড কর্নিয়া’। বয়সজনিত কারণে বা কোনো দুর্ঘটনায় যাদের দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে গেছে কিংবা যারা পুরোপুরি অন্ধত্বের শিকার, তাদের জন্য এটি হতে পারে এক নতুন আশার আলো। এতদিন এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিল কর্নিয়া প্রতিস্থাপন, যা অত্যন্ত জটিল, সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু বেঙ্গালুরুর বিজ্ঞানীদের তৈরি এই বায়ো-পলিমার চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে যাচ্ছে।

লিকুইড কর্নিয়া মূলত হাইড্রোজেল দিয়ে তৈরি এক ধরনের বিশেষ বায়ো-পলিমার। এতে কোলাজেন, ফাইব্রিনোজোন এবং স্টেম কোষের মিশ্রণ থাকে, যা চোখের ভেতরে নতুন কোষ তৈরি করতে সক্ষম। এটি ইনজেকশনের মাধ্যমে চোখে প্রবেশ করানো হবে এবং কর্নিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে গিয়ে তা ধীরে ধীরে আসল কর্নিয়ার মতোই একটি স্বচ্ছ স্তর গঠন করবে। এর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি রেটিনায় প্রবেশ করতে পারবে, ফলে দৃষ্টিহীন ব্যক্তি ফিরে পাবেন তাঁর স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি।

যাদের কর্নিয়া অস্বচ্ছ হয়ে গেছে, কর্নিয়াল আলসার হয়েছে কিংবা সংক্রমণের কারণে চোখে স্থায়ী দাগ পড়ে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে এই লিকুইড কর্নিয়া জাদুর মতো কাজ করবে। প্রচলিত কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে মৃত দাতার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা এবং নিখুঁত অস্ত্রোপচারের যে ঝুঁকি থাকে, লিকুইড কর্নিয়ার ক্ষেত্রে সেই ভয় নেই। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এটি অবিকল আসল কর্নিয়ার মতোই আচরণ করবে এবং কোনো জটিলতা ছাড়াই চোখের ভেতরেই নতুন কর্নিয়া তৈরি হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অভাবনীয় সাফল্য অন্ধত্ব নিবারণে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

/আশিক


ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৫ ১২:৪৮:২৮
ঈদের আগে চুলের জেল্লা ফেরাতে টক দই; ট্রাই করুন এই ৪টি জাদুকরী মাস্ক
ছবি : সংগৃহীত

সামনেই খুশির ঈদ। উৎসবের এই দিনটিতে নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত দেখাতে ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। ঈদের আগে চুলের হারানো স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে রান্নাঘরের সাধারণ উপকরণ টক দই হতে পারে আপনার সেরা সমাধান। টক দই দিয়ে তৈরি করা যায় এমন ৪টি কার্যকরী হেয়ার মাস্কের বিস্তারিত দেওয়া হলো

১. উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা ফেরাতে দই-মধু-অলিভ অয়েল

দইয়ের সঙ্গে মধু ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে একটি মাস্ক তৈরি করুন। এটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দই ও মধু চুলকে প্রাকৃতিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করে, আর অলিভ অয়েল চুলের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। এটি চুলকে কন্ডিশনড এবং চকচকে করে তোলে।

২. ভঙ্গুর চুলের যত্নে দই ও ডিম

দুর্বল ও ভেঙে যাওয়া চুলের জন্য প্রোটিন মাস্ক অত্যন্ত জরুরি। একটি আস্ত ডিমের সঙ্গে চার চামচ দই ভালো করে ফেটিয়ে নিন। চুলের ডগা বেশি শুষ্ক হলে শুধু ডিমের কুসুম ব্যবহার করা ভালো। মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। ডিমের ন্যাচারাল পেপটাইড চুলের ক্ষতি পূরণ করে চুলকে মজবুত করে। মনে রাখবেন, এই মাস্ক ব্যবহারের পর চুল অবশ্যই ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোবেন।

৩. মাথার ত্বকের অস্বস্তি কমাতে দই ও অ্যালোভেরা

গরমের ঘাম থেকে হওয়া মাথার ত্বকের চুলকানি বা ফোলা ভাব কমাতে ৩ চামচ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। অ্যালোভেরার এনজাইম মাথার ত্বকের মৃত কোষ মেরামত করে এবং দইয়ের সাথে মিলে ত্বককে ঠান্ডা রাখে। মিশ্রণটি ৩০-৪৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

৪. চুল পড়া বন্ধ করতে দই ও মেথি

যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ছে বা চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য মেথি ও দইয়ের মিশ্রণ আদর্শ। মেথিতে থাকা নিকোটিনিক অ্যাসিড ও প্রোটিন চুল পড়া আটকায়। ১ চামচ মেথি গুঁড়ো বা বাটা মেথির সঙ্গে ৩ চামচ দই মিশিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর এটি মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে ৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: