তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৮ ১১:১০:১৮
তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেও দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ করেই লাফিয়ে বেড়েছে। একইসঙ্গে এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম একপর্যায়ে প্রায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। পরে শুক্রবার সকালে এশিয়ার বাজার চালু হলে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও দাম এখনও উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় রাত ৩টা পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য দাঁড়ায় ১০১ দশমিক ১২ ডলার। দিনের লেনদেনে একপর্যায়ে এটি ১০৩ দশমিক ৭০ ডলার পর্যন্ত উঠে যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণেই বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে যেকোনো ধরনের সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য তাৎক্ষণিক ঝুঁকি তৈরি করে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জাহাজকে লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং ছোট আক্রমণ নৌযান ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে মার্কিন বাহিনীও ইরানের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা পরিচালনা করে।

অন্যদিকে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তাদের দাবি, মার্কিন হামলায় একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ এবং কাছাকাছি থাকা আরেকটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি বেসামরিক এলাকাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বড় তেলবাহী ট্যাংকারগুলো সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় চলাচল সীমিত করেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জ্বালানি পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ইতোমধ্যেই প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শুক্রবার এশিয়ার বাজার খোলার পর জাপানের নিক্কেই ২২৫, দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি এবং হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক এক শতাংশের বেশি কমে যায়। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা বাড়তে শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটেও চাপ তৈরি হয়েছে। আগের দিন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে যায়। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন মন্দার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে সমুদ্রপথে রপ্তানিকৃত তেলের বড় একটি অংশ পরিবহন হয়। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শুধু তেলের দাম নয়, পরিবহন ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্যপণ্যের বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

-রাফসান


ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেল খরচ! ইরান যুদ্ধে কত ব্যয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৯:২০:০০
ধারণাকেও ছাড়িয়ে গেল খরচ! ইরান যুদ্ধে কত ব্যয় হলো যুক্তরাষ্ট্রের?
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৫১০ কোটি (৪৫.১ বিলিয়ন) ডলারে পৌঁছেছে। মার্কিন কংগ্রেসের কাছে দেওয়া পেন্টাগনের সাম্প্রতিক হিসাবের বরাতে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন। সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযানের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার; এর সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার যোগ হয়ে মোট ব্যয়ের অঙ্ক ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

তবে প্রতিরক্ষা ও বাজেট বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের দেওয়া এই পরিসংখ্যান যুদ্ধের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতির সম্পূর্ণ চিত্র নয়। কারণ এই হিসাবে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও আঞ্চলিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের খরচ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরোক্ষ ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পেন্টাগনের বর্তমান এই হিসাব কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) পূর্বানুমানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

সিবিও পূর্বাভাস দিয়েছিল যে আগস্টের পর যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ হতে পারে, যা সংঘাত বাড়লে আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। একই সঙ্গে এই বিপুল খরচের ধাক্কায় ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সিবিও।

সূত্র: সিএনএন


২৭ সেপ্টেম্বরের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ইমরান খানের বোন

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৯:০৬:৩৮
২৭ সেপ্টেম্বরের মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা, গ্রেপ্তার ইমরান খানের বোন
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে লাহোরে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে বলে রয়টার্সের বরাতে নিশ্চিত করেছেন পিটিআই পাঞ্জাবের এক মুখপাত্র।

গ্রেপ্তারের পর লাহোর জেলা প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে আলিমা খানকে ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, যেকোনো জনসমাগমে তাঁর উপস্থিতি জননিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করতে পারে।

কারাবন্দি ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে আগামী সপ্তাহে রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে গণমিছিলের ডাক দিয়েছে পিটিআই। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এর আগেই স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে এই কর্মসূচি প্রতিহত করতে প্রশাসন সম্ভাব্য সব ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এদিকে ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী জুলফি বুখারি এই আটকের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের আসন্ন গণবিক্ষোভ ঘিরে সরকার কতটা শঙ্কিত ও উদ্বেগে রয়েছে, আলিমা খানকে গ্রেপ্তারের ঘটনাই তার প্রমাণ।

সূত্র : রয়টার্স


রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২০ ১৭:০৬:২১
রাজধানী রিয়াদের আকাশে আগুনের শিখা! কী ঘটেছে আরামকো ও বিমানবন্দরে?
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিভিন্ন সংবেদনশীল স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকা থেকে তীব্র আগুনের শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী প্রত্যক্ষ করার কয়েক ঘণ্টা পর এ হামলার আনুষ্ঠানিক দায় স্বীকার করে গোষ্ঠীটি। রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিওচিত্রে বিমানবন্দর মহাসড়কের পাশে জ্বালানি ট্যাংকের কাছে আগুন ও ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।

হুতিদের দাবি অনুযায়ী, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শিল্পনগরী ইয়ানবুতে অবস্থিত সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনাতেও তারা যৌথ আক্রমণ চালিয়েছে। ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই এ আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে তারা উল্লেখ করে। তবে রিয়াদের সুনির্দিষ্ট কোন কোন স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি গোষ্ঠীটি। উল্লেখ্য, চলমান সংঘাত শুরুর পর এটিই রিয়াদে হুতিদের প্রথম হামলার দাবি।

অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট দাবি করেছে, শনিবার ভোররাতে রিয়াদের আকাশসীমায় হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বিশ ও ফারাসান, পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েফ এবং ইয়ানবু লক্ষ্য করে চালানো হামলার অপচেষ্টাও রুখে দেওয়া হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রিয়াদে দুই দফা নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হলে বাসিন্দারা দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান, যা ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিরোধমূলক বিস্ফোরণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

/আশিক


ইরান যুদ্ধে বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা, তথ্য ফাঁসে ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ২১:৪৭:৫১
ইরান যুদ্ধে বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা, তথ্য ফাঁসে ট্রাম্পের তীব্র ক্ষোভ
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬০ কোটি (৪৩.৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) আইনপ্রণেতাদের কাছে পাঠানো হালনাগাদ হিসাব অনুসারে, এই বিপুল খরচের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই চলে যাচ্ছে ব্যবহৃত সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণ করতে। হিসাব অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরাসরি সামরিক অভিযানে পেন্টাগনের ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ১২০ কোটি ডলার। এর বাইরে অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনঃস্থাপনে প্রায় ২ হাজার ৮১০ কোটি ডলার এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো সামরিক সরঞ্জাম প্রতিস্থাপনে আরও ৪৩০ কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত ক্ষতির আর্থিক অঙ্ক আরও ব্যাপক হতে পারে, কারণ হামলায় ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের ব্যয় সেন্টকমের এই হিসাবে আসেনি। পেন্টাগনের ইনস্পেক্টর জেনারেলের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শত শত ভবন, উন্নত রাডার ব্যবস্থা এবং বেশ কিছু যুদ্ধবিমান ও নজরদারি আকাশযান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণমতে, প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো ব্যয়বহুল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ইরানি আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশটির সামগ্রিক প্রতিরক্ষা শিল্পের পুনঃসরবরাহের দুর্বলতাকে সামনে এনেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক মজুতের ঘাটতি ও ব্যয় সংক্রান্ত ফাঁস হওয়া এসব প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে নস্যাৎ করেছেন।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস


তিব্বত-নেপালে বরফ ধস ও পাহাড়ি ঢল: চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ আট দেশ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ২১:৩১:৩০
তিব্বত-নেপালে বরফ ধস ও পাহাড়ি ঢল: চরম ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ আট দেশ
ছবি : সংগৃহীত

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক আকস্মিক বরফ ধস ও সর্বনাশা পাহাড়ি ঢল কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বা স্থানীয় দুর্যোগ নয়, বরং এটি সমগ্র হিমালয় অঞ্চলের পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নেমে আসা এক মারাত্মক অশনিসংকেত। হিমালয়ের পানির ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করে টিকে থাকা বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের আটটি দেশের জন্য এই বিপর্যয় এক তীব্র সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে হিমালয়ের হিমবাহগুলো আশঙ্কাজনক গতিতে গলতে থাকায় এ ধরনের চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির পৌনঃপুনিক ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

বিশেষ করে ভৌগোলিকভাবে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকার ভাটির প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় উজানের পাহাড়ি ঢল, আকস্মিক হিমবাহ হ্রদ বিস্ফোরণ (GLOF) কিংবা বরফ ধসের সরাসরি প্রভাব এসে পড়ে বাংলাদেশের ওপর। জলবায়ুর দ্রুত পরিবর্তনের কারণে নদীভাঙন, অসময়ে তীব্র পাহাড়ি ঢল এবং পূর্বাভাসবিহীন প্রলয়ঙ্করী বন্যার তীব্র ঝুঁকি আরও গভীর হচ্ছে।

এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে এ ধরনের বিপর্যয় সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে একমত হয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। বিপর্যয় কমাতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তানসহ সংশ্লিষ্ট আটটি দেশের মধ্যে অবিলম্বে একটি সমন্বিত আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উজানের পাহাড়ি আবহাওয়ার পূর্বাভাস, নদ-নদীর প্রবাহ এবং পানি বৃদ্ধির রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদানে যৌথ নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে যথাসময়ে আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কমিয়ে আনা যাবে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ।


রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর শতভাগ শুল্কের খাঁড়া? স্বাক্ষরিত হলো ট্রাম্পের নতুন বিল

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ২১:০৯:৪১
রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর শতভাগ শুল্কের খাঁড়া? স্বাক্ষরিত হলো ট্রাম্পের নতুন বিল
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা ভারতসহ অন্যান্য দেশের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপের এখতিয়ার দিয়ে একটি নতুন আইনে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বাক্ষরিত এই আইনটির নাম রাখা হয়েছে প্রয়াত রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা লিন্ডসে গ্রাহামের নামে। এর আগে গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে এবং পরবর্তীতে প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। তবে আইনটি স্বাক্ষরিত হওয়ার অর্থ এই নয় যে ভারতের ওপর এখনই এই ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়ে গেছে; বরং নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনকে এই শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই আইনের বিধান অনুযায়ী, আইনটি কার্যকর হওয়ার পূর্ববর্তী ১২ মাসে রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বা গ্যাস আমদানি করা শীর্ষ পাঁচটি দেশকে নজরদারিতে রাখা হবে। আইন কার্যকরের ৩০ দিন পরও যদি তারা জেনেশুনে রাশিয়ার তেল ক্রয় অব্যাহত রাখে, কিংবা মস্কোকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করে—তবেই তাদের ওপর এই কঠোর শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। তবে যেসব দেশ রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরতা লক্ষণীয়ভাবে কমিয়েছে অথবা যাদের আমদানির পরিমাণ রাশিয়ার মোট গ্যাস রপ্তানির ১৫ শতাংশের নিচে, তারা এই শুল্ক থেকে বিশেষ ছাড় পেতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ জোগাতে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি আয়ে আঘাত হানতেই মূলত ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিকে বিলটি মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়ার পর নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ‘বহুমুখী উৎস’ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের নীতিতেই অটল থাকবে ভারত।

সূত্র: স্ক্রল


ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেগা পদক্ষেপ, নতুন আইনে সই ট্রাম্পের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ১৮:০৫:১৮
ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেগা পদক্ষেপ, নতুন আইনে সই ট্রাম্পের
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর নতুন ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, অতিরিক্ত শুল্ক ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ সংক্রান্ত এক কঠোর আইনে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাঙ্কশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬’ বিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তা কার্যকর আইনে পরিণত করেছেন।

নতুন এই আইনের আওতায় ইরানের জ্বালানি খাতের বাণিজ্যিক লেনদেনে যুক্ত বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের ওপর সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের পেট্রোলিয়াম কেনাবেচা, আন্তর্জাতিক পরিবহন, অর্থায়ন, সামুদ্রিক বীমা সুবিধা এবং দেশটির তেল-গ্যাস প্রকল্পে বিনিয়োগকারী যে কোনো তৃতীয় পক্ষের ওপর মার্কিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিধি বিস্তৃত করা হয়েছে। ওয়াশিংটনের এই নিষেধাজ্ঞাকে সরাসরি ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান।

আইনটির মাধ্যমে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, শীর্ষ রুশ নীতি-নির্ধারক ও শীর্ষস্থানীয় ধনকুবেরদের (অলিগার্ক) লক্ষ্যবস্তু বানানোর পাশাপাশি রাশিয়ার একাধিক প্রধান বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন একতরফা ও আক্রমণাত্মক নিষেধাজ্ঞা চলমান ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক সমাধানের পথকে আরও জটিল ও দুরূহ করে তুলবে।

সূত্র: মিডলইস্ট আই


শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ল এআই-এর জাল গোয়েন্দা রিপোর্ট, রক্ষা পেল চীন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ১৭:৫৮:৪৮
শেষ মুহূর্তে ধরা পড়ল এআই-এর জাল গোয়েন্দা রিপোর্ট, রক্ষা পেল চীন-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
ছবি : সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) তৈরি একটি ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মধ্যপ্রাচ্যে চীনা একটি জাহাজে সরাসরি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছিল মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে অপারেশন শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তথ্যটির অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরাশক্তি দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য এক ভয়াবহ সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

চলতি বছরের বসন্তকালে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে একটি বিভ্রান্তিকর গোয়েন্দা রিপোর্ট পৌঁছায়, যেখানে দাবি করা হয়—মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অবস্থানরত একটি চীনা বাণিজ্যিক জাহাজে পারমাণবিক অস্ত্রের সংবেদনশীল সরঞ্জাম পরিবহন করা হচ্ছে। এমন সংবেদনশীল তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটি আটকে তল্লাশি চালাতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

এজন্য যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করার পাশাপাশি নৌ কমান্ডোরা জাহাজটিতে প্রবেশের লক্ষ্যে মোতায়েন হন। কিন্তু চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আগমুহূর্তে গোয়েন্দা নথিটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হলে মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন যে প্রতিবেদনটি কোনো মানবিক গোয়েন্দা সূত্রের নয়, বরং একটি এআই চ্যাটবটের ভুয়া ও কাল্পনিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তৈরি। এআই-এর এই মিসআইডেন্টিফিকেশন বা ভুল শনাক্তকরণের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় শেষ মুহূর্তে অভিযানটি স্থগিত করা হয়। এক শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন যে, এই ভুয়া তথ্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে দ্রুতগতিতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এর জন্য বিশেষ কৌশলগত নীতিমালাও প্রণয়ন করেছেন। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, সংবেদনশীল যুদ্ধক্ষেত্রে সামরিক ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণে এআই প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অত্যন্ত বিপজ্জনক। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রযুক্তির দেওয়া তথ্যের অন্ধ বাস্তবায়ন ভবিষ্যতে যে কোনো সময় বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে সামরিক বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে জোর সতর্কতা উচ্চারণ করা হয়েছে।

সূত্র: সিএনএন।


গাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৭ ২০:৩৫:৩৩
গাম্বিয়ার ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ব্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার গাম্বিয়ার ন‍্যাশনাল পার্লামেন্টের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার সিডি এস.কে. এনজি এমপি’র সাথে বর্তমানে গাম্বিয়া সফররত লন্ডন বারা অব নিউহ্যামের টানা তিন বারের সাবেক ডেপুটি স্পীকার ও ইক্বরা ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ আজ সকালে নির্ধারিত সময়ে পার্লামেন্টে পৌঁছলে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার সিডি এস.কে. এনজি এমপি তাকে স্বাগত জানান। সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়কালে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার গাম্বিয়ায় ইক্বরা ইন্টারন্যাশনালের বহুমুখী চ‍্যারিটি কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ গাম্বিয়াসহ অন্যান্য আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোতে ইক্বরা ইন্টারন্যাশনালের চ‍্যারিটি কার্যক্রম প্রসারিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ আরো বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মায়ানমার সরকার কর্তৃক চালানো ইতিহাসের নির্মম গণহত্যা নিয়ে বিশ্ব যখন নীরব তখন গাম্বিয়া সরকার মায়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে ঐতিহাসিক ও সাহসী ভূমিকা রেখেছে। এজন্য ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ গাম্বিয়ার জনগণ ও গাম্বিয়া সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

পরে ইক্বরা ইন্টারন্যাশনাল গাম্বিয়ার টীম প্রধান ও পার্লামেন্টের সদস্য মদৌ লামি বি. বাহ এমপি ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদকে পূরো পার্লামেন্টে ঘুরে ঘুরে দেখান। এরপরে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের আমন্ত্রণে ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ পার্লামেন্টের অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার সিডি এস.কে. এনজি এমপি অধিবেশনের শুরুতে ঘোষণা করেন “We have an important guest from London Barrister Nazir Ahmed with us who will be observing our session today” অর্থাৎ “লন্ডন থেকে আগত ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ আমাদের মাঝে একজন গুরুত্বপূর্ণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন; তিনি আমাদের আজকের এই অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করবেন”।

উল্লেখ্য, গাম্বিয়ার বর্তমান স্পিকার ফাবাকারি তোমবং জাতা এমপি রাষ্ট্রীয় কাজে সাউথ আফ্রিকা সফরে থাকায় ডেপুটি স্পিকার সিডি এস.কে. এনজি ভারপ্রাপ্ত স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পাঠকের মতামত: