ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল: নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ

ভারতের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানিকে নিয়োগ দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল অনিল চৌহানের মেয়াদ আগামী ৩০ মে শেষ হওয়ার পর তিনি এই শীর্ষ পদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এনডিটিভি জানিয়েছে, সুব্রামানি বর্তমানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।
দীর্ঘ ৪১ বছরের বর্ণাঢ্য সামরিক ক্যারিয়ারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রামানি উপ-সেনাপ্রধান এবং জিওসি-ইন-সি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৫ সালে 'দ্য গারওয়াল রাইফেলস'-এ কমিশন লাভের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। তিনি ভারতের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কমান্ডিং অফিসার হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি স্টাফ এবং প্রশিক্ষক পদেও দক্ষতাবিশিষ্ট অবদান রেখেছেন। তাঁর অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পরম বিশিষ্ট সেবা পদকসহ চারটি বিশেষ সামরিক সম্মাননা লাভ করেছেন।
শিক্ষাগতভাবে অত্যন্ত মেধাবী সুব্রামানি ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি ছাড়াও যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডন এবং জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ৩০ মে জেনারেল অনিল চৌহানের বিদায়ের পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ এই জেনারেল।
/আশিক
বাংলায় পালাবদল: তৃণমূলের বিদায়, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গের দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ঐতিহাসিক এই মুহূর্তের সাক্ষী হতে রাজভবনের পরিবর্তে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে বেছে নেওয়া হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়া বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহসহ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবীশের মতো হেভিওয়েট নেতারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, শুভেন্দু অধিকারী কেবল নিজের নন্দীগ্রাম আসনটিই ধরে রাখেননি, বরং ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শুভেন্দু ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রধান বিরোধী মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তার লাগাতার লড়াই এবং সাংগঠনিক দক্ষতাই তাকে মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য যে, মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য বিজেপির অভ্যন্তরে শমীক ভট্টাচার্য এবং স্বপন দাশগুপ্তের নাম নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা ছিল। স্বপন দাশগুপ্তকে দলের একটি অংশ বুদ্ধিজীবী মুখ হিসেবে দেখলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী জয় শুভেন্দুর দাবিকে চূড়ান্তভাবে জোরালো করে। এই জয়কে বাংলার রাজনীতিতে একটি বিশাল কৌশলগত মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
/আশিক
ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা: মমতার দীর্ঘ শাসনের অবসান
পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন অধ্যায়ের সূচনা করে রাজ্য বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আর এন রবি। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে রাজ্যে টানা ১৫ বছরের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের অবসান ঘটল এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এক চরম অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো।
সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর থেকেই ক্ষমতার পালাবদলের সুর শোনা যাচ্ছিল। তবে প্রথা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানালে রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট ঘনীভূত হয়। এই অচলাবস্থা নিরসনেই রাজ্যপাল আর এন রবি বর্তমান মন্ত্রিসভা ও বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেন। এখন নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং বিজেপির পক্ষ থেকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে রাজনৈতিক এই পালাবদলের মধ্যেই বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীর হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় ক্ষমতাসীন তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্তে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
/আশিক
তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠন নিয়ে বড় সংকট
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এখন শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা। থালাপতি বিজয়ের দল ‘তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) নির্বাচনে বাজিমাত করলেও ম্যাজিক ফিগারের অভাবে সরকার গঠন নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছেন জোহো’র (Zoho) সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বু।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে শ্রীধর ভেম্বু বর্তমান অবস্থাকে ‘অস্থিতিশীল’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, তামিলনাড়ুতে কোনো দলের হাতেই সরকার গঠনের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। জোট বেঁধে সরকার গঠন করলেও তা টেকসই হবে না। তাই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে পুনরায় নির্বাচনের আয়োজন করাই এখন একমাত্র যৌক্তিক সমাধান। তিনি আরও পরামর্শ দিয়েছেন যে, বিজেপির উচিত কোনো জোটে না গিয়ে এককভাবে লড়াই করা এবং জনগণকে নতুন রায় দেওয়ার সুযোগ দেওয়া।
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় থালাপতি বিজয়ের দল ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। বাকি ১০টি আসনের জন্য বিজয় এখন কংগ্রেস (৫ আসন), ভিসিকে (২ আসন) এবং বাম দলগুলোর সমর্থনের অপেক্ষায় রয়েছেন। এমনকি এআইএডিএমকে এবং পিএমকে-র মতো দলগুলোর সঙ্গেও পর্দার আড়ালে দরকষাকষি চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
এদিকে, বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানান বিজয়। তবে রাজ্যপাল বিজয়ের দাখিল করা সমর্থনপত্রের সপক্ষে পর্যাপ্ত নথিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন বলে জানা গেছে। ফলে থালাপতি বিজয়কে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য আরও কিছু সময় দেওয়া হতে পারে। রাজভবন থেকে সবুজ সংকেত না আসা পর্যন্ত তামিলনাড়ুর মসনদে কে বসছেন, তা নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত থাকছে।
/আশিক
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিশাল পটপরিবর্তন ঘটিয়ে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় বিজেপির একটি হাই-প্রোফাইল বৈঠকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হবে। বুধবার (৬ মে) এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র মতে, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সমিত ভট্টাচার্য শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করবেন এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে আইনসভা পার্টির নেতা হিসেবে ঘোষণা করবেন। এর মাধ্যমেই শুভেন্দুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পথ চূড়ান্ত হবে। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ৪ মে ঘোষণা করা হয়, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে বিজেপি।
ভবানিপুর আসনে মমতার খাসতালুকে তাকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে চমক দেখিয়েছেন শুভেন্দু। এছাড়া তিনি নন্দীগ্রাম আসনেও বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, আগামী ১০ দিনের মধ্যে তিনি যেকোনো একটি আসন ছেড়ে দেবেন। আগামী ৯ মে শুভেন্দু অধিকারী আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। তবে শপথের আগ পর্যন্ত সমর্থকদের কোনো ধরনের বিজয় উৎসব না করার আহ্বান জানিয়েছেন হবু এই মুখ্যমন্ত্রী।
সূত্র: এনডিটিভি, ইন্ডিয়া টুডে
রাহুল গান্ধীর সমর্থন পেলেন থালাপতি বিজয়: বদলে যাচ্ছে তামিলনাড়ুর রাজনীতির রঙ
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দ্বিমুখী আধিপত্য ভেঙে দিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। তাঁর রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) বিধানসভা নির্বাচনে অভাবনীয় সাফল্য পেলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে সেই জটিলতা কাটাতে এবার বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কংগ্রেস এমপি শশিকান্ত সেন্টিল নিশ্চিত করেছেন যে, দলটির পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটি টিভিকে-কে সরকার গঠনে সবুজ সংকেত দিয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাহুল গান্ধী শুরু থেকেই এই জোটের পক্ষে থাকলেও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সিদ্ধান্তটি তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটির ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন।
শেষ পর্যন্ত ভার্চুয়াল বৈঠকে টিএনসিসি-কে সমর্থনের অনুমতি দেওয়া হয়। বিনিময়ে বিজয়ের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভায় কংগ্রেস দুটি মন্ত্রণালয় পাওয়ার আশা করছে। তবে কংগ্রেস শর্ত দিয়েছে যে, টিভিকে কোনোভাবেই এনডিএ বা এআইএডিএমকের সঙ্গে জোট করতে পারবে না।
ঐতিহাসিক এই জয়ের পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান থালাপতি বিজয়। তিনি লেখেন, টিভিকের বর্তমান অবস্থানে পৌঁছানো মোটেও সহজ ছিল না। দল গঠনের পর অনেক সমালোচনা ও অপমানের শিকার হতে হলেও সাধারণ মানুষের ওপর বিশ্বাস হারাননি তিনি। বিজয়ের মতে, এই ফলাফল শুধু একটি দলের জয় নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের জয়। এখন রাজ্যপালের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দাবি জানানোর পরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন এই অভিনেতা।
সূত্র: এনডিটিভি
পরাজয় অস্বীকার মমতার: ভোট লুটের অভিযোগ উড়িয়ে যা জানাল কমিশন
পশ্চিমবঙ্গে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগণনা ও ফলাফল প্রকাশের পর এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তাঁর পরাজয় স্বীকার করেননি। উল্টো তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশোটি আসন তাদের কাছ থেকে ‘লুট’ করে নিয়েছে এবং সম্পূর্ণ ভোটগণনা প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগ কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা (সিইও) মনোজ কুমার আগরওয়াল। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ভোটগণনায় কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ ছিল না এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও যথাযথ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।
তৃণমূলনেত্রীর এই দাবিকে তিনি ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছ থেকে পাওয়া রিপোর্টের বরাত দিয়ে সিইও জানান, গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি বন্ধ রাখা বা এজেন্টদের বের করে দেওয়ার যে দাবি মমতা তুলেছেন, তার কোনো সত্যতা মেলেনি; বরং এসব অভিযোগ তাঁর ‘মনগড়া’ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের খাসতালুক ভবানীপুর আসন থেকেই ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন। গত সোমবার রাতে গণনাকেন্দ্র থেকে বেরিয়েই তিনি কারচুপির অভিযোগ তুলেছিলেন। তবে নির্বাচন কমিশনের অনড় অবস্থানের ফলে এই ফলাফল নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন।
কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় ইতিহাস গড়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তরুণ আইনজীবী ফাতিমা তাহিলিয়া। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামপন্থীদের দুর্ভেদ্য দুর্গ হিসেবে পরিচিত ‘পেরাম্ব্রা’ আসনে জয়ী হয়ে তিনি ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) প্রথম নারী বিধায়ক হিসেবে রাজ্য আইনসভায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। মঙ্গলবারের (৫ মে) এক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য উইক’ এই ঐতিহাসিক বিজয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কেরালার এই আসনটি দীর্ঘকাল ধরে বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। সেখানে ফাতিমা তাহিলিয়া সিপিআইএম-এর হেভিওয়েট নেতা তথা এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করে রাজনৈতিক মহলে চমক সৃষ্টি করেছেন। নির্বাচনে ফাতিমা মোট ৮১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়েছেন এবং ৫ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন। গত ২০২১ সালের নির্বাচনে এই একই আসনে রামকৃষ্ণন যেখানে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন, সেখানে ফাতিমার এই বিজয় বাম শিবিরের জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফাতিমার এই জয় কেরালা, বিশেষ করে মালাবার অঞ্চলের ভোটারদের মানসিক পরিবর্তনের এক বড় ইঙ্গিত। মূলত ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণী মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী শাখা ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ছাত্রজীবনে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতাদের হাতে নারী কর্মীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি দমে যাননি। এই হার না মানা মনোভাবই তাকে আজ ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে সাহায্য করেছে।
আইইউএমএল-এর মতো রক্ষণশীল দলে নারী প্রার্থীদের সুযোগ পাওয়ার ইতিহাস খুব একটা সুখকর ছিল না। এর আগে ১৯৯৬ এবং ২০২১ সালে মাত্র দুইজন নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও তারা জয়ের মুখ দেখেননি। ফলে ফাতিমা তাহিলিয়ার এই বিজয় কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং মুসলিম তরুণীদের রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো। নির্বাচনী প্রচারণায় তাকে সমর্থন জানাতে রাহুল গান্ধী নিজেই পেরাম্ব্রায় উপস্থিত হয়েছিলেন, যা তার জয়ের পথকে আরও প্রশস্ত করেছিল।
পেশায় কোঝিকোড জেলা আদালতের এই আইনজীবী দীর্ঘকাল ধরে বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে এবং মুসলিম নারীদের শিক্ষার অধিকার নিয়ে সোচ্চার। হিজাবকে নিজের পরিচয়ের অংশ হিসেবে রক্ষা করার পাশাপাশি সামাজিক সংস্কারের পক্ষেও তিনি অত্যন্ত সাহসী অবস্থান নিয়েছেন। ২০২০ সালে কাউন্সিলর হিসেবে যাত্রা শুরু করা ফাতিমা এবার সরাসরি রাজ্য আইনসভায় প্রবেশ করে প্রমাণ করলেন যে, আদর্শ ও সাহসের কাছে অভিজ্ঞতার অভাব বা রাজনৈতিক বাধা কোনোটিই বড় নয়।
/আশিক
হারিনি, ভোট লুট হয়েছে: পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানালেন মমতা
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে পদত্যাগ না করার বিষয়ে নিজের অনড় অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে এই পরাজয় কোনো স্বাভাবিক জনমতের প্রতিফলন নয়; বরং এর নেপথ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং কেন্দ্রীয় শক্তির পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও কারসাজি সক্রিয় ছিল। মঙ্গলবার (৫ মে) কলকাতার কালীঘাটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দলীয় এই অবস্থানের কথা ঘোষণা করেন।
নির্বাচনে পরাজয়ের পর সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী কবে পদত্যাগ করছেন— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি এখনই ইস্তফা দিচ্ছেন না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পদত্যাগের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন যে, কেন তিনি পদত্যাগ করবেন? তাঁর মতে, তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে হারেনি, বরং শক্তির অপব্যবহার করে ভোট লুট করা হয়েছে। ফলে পরাজয় মেনে নিয়ে সরে দাঁড়ানোর কোনো প্রশ্নই ওঠে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিদায়ী এই মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে, এই লড়াইটি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে ছিল না, বরং লড়াইটি ছিল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এমন অসম ও বৈরী পরিবেশে ময়দান ছেড়ে চলে যাওয়া মানে অন্যায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করা। তাই গণতান্ত্রিক লড়াইকে আরও বেগবান করতে এবং পরাজয়ের পেছনের প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে আনতে তিনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।
রাজনৈতিক মহলে তাঁর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ এবং ইস্তফা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চললেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশেও রাজপথ এবং আইনি লড়াই জারি রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য সিনিয়র নেতারা।
/আশিক
মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
প্রায় দেড় দশক ধরে চলা তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনের ইতি টেনে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। প্রাথমিক ফলাফলের ইঙ্গিত বলছে, এক সময় বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই রাজ্যে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই পরাজয়ের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল নির্বাচনী কৌশলে অতিরিক্তভাবে আই-প্যাকের ওপর নির্ভরতা।
অতীতে এই সংস্থার পরিকল্পনা দলকে সুবিধা দিলেও, এবার কার্যকর দিকনির্দেশনার অভাব পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। এছাড়া মুসলিম ভোটব্যাংকে ভাঙনও বড় একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে এই ভোটের বড় অংশ তৃণমূলের দখলে থাকলেও, এবার ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ও অন্যান্য ছোট দলের উত্থানে তা বিভক্ত হয়ে যায়, যার প্রভাব সরাসরি নির্বাচনের ফলে পড়ে। অন্যদিকে হিন্দু ভোটের একটি বড় অংশ বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি গ্রামীণ ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। বিজেপির এই সাফল্যের পেছনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গত কয়েক বছরে দলটি নীরবে নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করেছে এবং এবারের নির্বাচনে বহিরাগত নেতাদের বদলে স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা গেছে।
এছাড়া ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ‘ভুয়া’ ও ‘বহিরাগত’ ভোটার বাদ পড়াও নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নতুন সরকার গঠনের পর সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় এবং সীমান্তসংক্রান্ত নানা ইস্যুতে কী ধরনের অবস্থান নেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? ধারণা করা হচ্ছে, যদি শুভেন্দু অধিকারী গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পান, তাহলে তিনি এই দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারেন। এছাড়া রাজ্য বিজেপির আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রায়ই চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নেয়। তাই চূড়ান্ত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল: নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ
- বাংলায় পালাবদল: তৃণমূলের বিদায়, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
- আজ টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না যেসব এলাকায়
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যের পথে রাষ্ট্রপতি
- কবে থেকে কার্যকর হবে নবম পে-স্কেল? বাস্তবায়ন পরিকল্পনা জানাল অর্থ বিভাগ
- দুপুরের মধ্যে ধেয়ে আসছে ঝড়: দেশের ৪ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
- আব্বাসের জোড়া শিকারে ভাঙল প্রতিরোধ: লড়ছেন একা মুশফিক
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- ইরান যুদ্ধেই মুনাফার পাহাড় গড়ছে যেসব কোম্পানি
- যুদ্ধবিরতি বহাল, তবু ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি
- ‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
- বিশ্বজুড়ে নতুন আতঙ্ক হান্টাভাইরাস, কীভাবে ছড়ায়?
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ
- তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- ছুটির দিনে বন্ধ রাজধানীর যেসব মার্কেট
- আজ রাজধানী ও জেলায় যেসব বড় কর্মসূচি
- প্রবাসী আয় পাঠানোর আগে দেখে নিন মুদ্রার রেট
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- পাঁচদিনের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া অফিস
- ১৩ দিন যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা করে থাকবে না বিদ্যুৎ
- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
- ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ আখ্যা দিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
- বগুড়া এখন সিটি করপোরেশন! তালিকায় যুক্ত হলো ৫টি নতুন উপজেলা
- ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা: মমতার দীর্ঘ শাসনের অবসান
- কোচ হতে কত বেতন চেয়েছেন নেইমারের গুরু? বিস্তারিত জানাল বাফুফে
- সততা ও নিরপেক্ষতার ‘মূল্য’! বারবার বদলি ও বিতর্কে ডিআইজি গোলাম রউফ খান
- বিপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারি: ক্রিকেটার ও মালিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বিসিবির ব্যবস্থা
- বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বেইজিংয়ে বড় অঙ্গীকার
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায়
- জমি কেনার আগে জানুন জরুরি পরিভাষা: প্রতারণা এড়াতে বিশেষ টিপস
- খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
- শিক্ষার্থীদের রিডিং পড়াতে ব্যর্থ হলে বেতন মিলবে না শিক্ষকদের
- বেইজিং সফরের আগেই হার মানলেন ট্রাম্প? হরমুজ প্রণালি নিয়ে পিছু হটল ওয়াশিংটন
- কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের এমপির সাথে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর: কৃষি পুনর্বাসনে আসছে বড় ঘোষণা
- দেশে হামের তাণ্ডব: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, দিশেহারা অভিভাবকরা
- ৭ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৭ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৭ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে প্রস্তুত ইরান: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
- ওয়াকফ সম্পত্তির উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিশেষ বৈঠক
- ঘরোয়া টোটকা বনাম বাস্তবতা: চুল পড়া কমাতে পেঁয়াজের রস ব্যবহারের সুবিধা ও ঝুঁকি
- কার হাতে উঠছে ব্যালন ডি’অর? সেরা পাঁচের লড়াইয়ে বড় চমক
- ২০৩০ সালের টার্গেট ২০%: সৌরবিদ্যুতের হাত ধরে জ্বালানি বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ
- তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠন নিয়ে বড় সংকট
- ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা: ইসরায়েলি হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
- মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
- দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি ও বজ্রসহ ঝড়ের হানা: আবহাওয়া দপ্তরের জরুরি বার্তা
- আজ বৃহস্পতিবারের ব্যস্ত সূচি: জেনে নিন রাজধানীর প্রধান কর্মসূচিগুলো
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- গোপনে ও প্রকাশ্যে ষড়যন্ত্র করছে দুটি দল: নাম না নিয়ে কাদের ইঙ্গিত করলেন প্রধানমন্ত্রী?
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড








