ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে রদবদল: নতুন সেনাপ্রধান নিয়োগ

ভারতের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানিকে নিয়োগ দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল অনিল চৌহানের মেয়াদ আগামী ৩০ মে শেষ হওয়ার পর তিনি এই শীর্ষ পদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এনডিটিভি জানিয়েছে, সুব্রামানি বর্তমানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।
দীর্ঘ ৪১ বছরের বর্ণাঢ্য সামরিক ক্যারিয়ারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুব্রামানি উপ-সেনাপ্রধান এবং জিওসি-ইন-সি-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৫ সালে 'দ্য গারওয়াল রাইফেলস'-এ কমিশন লাভের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। তিনি ভারতের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কমান্ডিং অফিসার হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি স্টাফ এবং প্রশিক্ষক পদেও দক্ষতাবিশিষ্ট অবদান রেখেছেন। তাঁর অসামান্য সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পরম বিশিষ্ট সেবা পদকসহ চারটি বিশেষ সামরিক সম্মাননা লাভ করেছেন।
শিক্ষাগতভাবে অত্যন্ত মেধাবী সুব্রামানি ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি ছাড়াও যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডন এবং জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ৩০ মে জেনারেল অনিল চৌহানের বিদায়ের পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ এই জেনারেল।
/আশিক
ভারত সরকারের আলটিমেটামের মুখে নতিস্বীকার, ভুল স্বীকার করল মেটা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের প্রতি যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট প্রচার ও অন্যান্য পরিচালনাগত ত্রুটির দায়ে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক বিশেষ সূত্রের বরাত দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করে।
সংবাদটির তথ্যমতে, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে মুছে দেয় মেটা। এই ঘটনার পরপরই মেটা কর্তৃপক্ষকে জরুরি তলব করে ভারত সরকার। সরকারের এই তলবের পেক্ষিতে মেটার একটি বৈশ্বিক প্রতিনিধি দল ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তাঁর মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে জাকারবার্গের ক্ষমা প্রার্থনার বার্তাটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।
সূত্র থেকে জানা গেছে, উক্ত বৈঠকে মেটা প্রতিনিধি দলকে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের কিছু কঠোর দিক মনে করিয়ে দেওয়া হয়। ভারত সরকার স্পষ্ট করে জানায় যে, মেটা কেবল একটি 'মধ্যস্থতাকারী' (Intermediary) প্ল্যাটফর্ম হতে পারে না, কারণ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে কোন কনটেন্ট কে দেখবে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সেই কারণে তারা আইটি আইনের 'সেইফ হারবার' বা আইনি সুরক্ষার সুবিধার আওতাভুক্ত হবে না।
আলোচনাকালে মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেন যে, বেশ কিছু বিতর্কিত ও নির্দিষ্ট কনটেন্টের প্রচার বাড়াতে প্রমোশন বা বুস্টিংয়ের কাজে বিপুল অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বেআইনি ও অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট প্রচারে নিজেদের গাফিলতি ও ভুল প্রকাশ্যে মেনে নিয়েছে মেটা।
তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হচ্ছে না, মেটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরবর্তীতে পুনরায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তলব করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্রের খবর। এর পূর্বে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও মুছে ফেলার ইস্যুতে জাকারবার্গকে তিন দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত সরকার; এবং ওই সময়ের মধ্যে ক্ষমা চাওয়া অথবা দায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
/আশিক
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের আয়োজনে সম্পৃক্ততা নেই দিল্লির: রণধীর জয়সোয়াল
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ভারতের বেসরকারি সংগঠন ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ (এফসিসি সাউথ এশিয়া)-এর একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও বক্তব্য প্রদান প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব আয়োজন এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের প্রশাসনিক বা কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিল্লিতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, উক্ত ফোরামে ব্যক্ত করা কোনো মতামত বা রাজনৈতিক বক্তব্যকে ভারত সরকার সমর্থন করে না।
অন্যদিকে, একই দিনে সকালে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয়ে আদালতের নির্দেশ মেনে কোনো দেশীয় গণমাধ্যম যেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচার না করে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো গণমাধ্যম যদি শেখ হাসিনার বক্তব্যের আগাম প্রচার বা পরবর্তীতে অডিও-ভিডিও সম্প্রচার করে, তবে তা আদালতের অবমাননা হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আরও যোগ করেন, বিচারালয়ের রায় বা নির্দেশনা কার্যকর রাখা প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনো পক্ষ যদি আদালতের এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চান, তবে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে; তবে স্থগিতাদেশ বহাল থাকা অবস্থায় তা অমান্য করার সুযোগ নেই।
/আশিক
প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে সহিংসতার পেছনে জামায়াত ও বিদেশি শক্তির হাত: শুভেন্দু অধিকারী
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত আন্দোলন ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় ‘বিদেশি মদদপুষ্ট ইসলামপন্থি মৌলবাদী’ গোষ্ঠীর ইন্ধন ও সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি দাবি করেছেন, আন্দোলনে সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বড় অংশই কোনো শিক্ষার্থী নন; বরং তারা জামায়াতপন্থি মৌলবাদী চক্রের সদস্য। এসব নাশকতাকারীর পেছনে কোনো প্রভাবশালী বিদেশি শক্তির সমর্থন বা অর্থায়ন ছিল কি না, তা দেশটির তদন্তকারী সংস্থাগুলো খতিয়ে দেখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (২৬ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সহিংসতায় লিপ্ত হওয়া এই ব্যক্তিদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনোভাবেই শিক্ষার্থী নন, তারা মূলত জামায়াতি মৌলবাদী। তাদের পেছনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ মদদ ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।”
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিতর্কিত 'নিট' (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে বামপন্থি সমর্থিত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ একপর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের পর সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের সদ্য প্রণীত কঠোর ‘অ্যান্টি-গুন্ডা’ আইন প্রয়োগ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যারা রাজপথে এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, যা তাদের পরবর্তী তিন প্রজন্মও আজীবন মনে রাখবে।”
এর আগে বিধানসভার অধিবেশনেও তিনি দাবি করেছিলেন যে, সহিংস বিক্ষোভস্থল থেকে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৭০ জন ব্যক্তির কেউই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী মূল আন্দোলনের সঙ্গে তাদের সুনির্দিষ্ট কোনো যোগসূত্র নেই।
শুভেন্দু অধিকারীর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, ওবিসি সনদ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনাবলী বাস্তবায়ন, গবাদিপশু জবাই-সংক্রান্ত আইন জোরদার করা এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা উসকে দিয়ে থাকতে পারে।
বিক্ষোভ চলাকালীন পেশাগত দায়িত্ব পালনরত এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা টেনে তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ইচ্ছাকৃতভাবে নিশানা করা হয়েছিল এবং এমনকি তাদের প্রাণনাশেরও চেষ্টা চালানো হয়েছিল।
অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান ছাত্র অসন্তোষের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার সোমবার লোকসভায় ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের জোর প্রস্তুতি নিয়েছে। এই প্রস্তাবিত আইনে পরীক্ষা সংক্রান্ত জালিয়াতির দ্রুত বিচারের স্বার্থে প্রতিটি রাজ্যে ডেডিকেটেড ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ আদালত গঠন, নির্ধারিত দুই মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা এবং দোষীদের ন্যূনতম ৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
সরকার পক্ষ জানিয়েছে, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে তরুণ শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই এই আইনি সংশোধনী আনা হচ্ছে। তবে আন্দোলন পরিচালনাকারী দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শনিবার তাদের টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা প্রদান এবং তাদের অন্যান্য যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার কারণেই তারা আন্দোলন স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর এবার দিল্লিতে সরকার পতনের ডাক
ভারতে চলমান পরীক্ষাসংক্রান্ত অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দেশটির নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার সময় এসে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিক্ষোভের তোপের মুখে শনিবার (২৫ জুলাই) পদত্যাগপত্র জমা দেন শিক্ষামন্ত্রী।
শনিবার সকালে নয়াদিল্লিতে ১০ জনপথের নিজস্ব বাসভবনে আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থীর সঙ্গে কুশল বিনিময় ও বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি সংবিধান, গণতন্ত্র ও নিজেদের ক্যারিয়ার সুরক্ষায় রাজপথে নামা সব তরুণ শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান। রাহুলের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাটি দেশটির শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এক বিশাল সাফল্য।
শিক্ষামন্ত্রী সরে দাঁড়ালেও মূল আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি দাবি করে রাহুল গান্ধী জানান, তাদের প্রধান দুটি দাবি এখনো অপূরণীয়। প্রথমত, দেশটির সার্বিক ভবিষ্যৎ ও ছাত্রসমাজের সম্মানার্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর যে ধরনের সহিংসতা চালানো হয়েছে, তাতে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমাজের অবহেলিত কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নবিত্তদের উদ্দেশে তিনি সংবিধানে দেওয়া অধিকারে অটল থাকার আহ্বান জানান এবং বর্তমান সরকারকে অপসারণের সময় এসেছে উল্লেখ করে কাউকে ভয় না পাওয়ার বার্তা দেন।
অন্য দিকে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে শনিবার এক্সে নিজের পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দেশের কোটি তরুণের ভবিষ্যৎ রক্ষা এবং যন্তর মন্তরের বিদ্যমান উত্তাল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী গোষ্ঠী যাতে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করার পরদিনই পদত্যাগের এই ঘোষণা এল।
শিক্ষামন্ত্রীর বিদায়ের পর যন্তর মন্তরের প্রতিবাদী মঞ্চ থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনি শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তরুণদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, তা থেকেই এই গণআন্দোলনের সূচনা হয়। প্রধান বিচারপতি পরবর্তীতে স্পষ্ট করেছিলেন যে তার বক্তব্যটি ভুয়া আইনি ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে ছিল এবং গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবে সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র অসন্তোষের জন্ম দেয়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।
জয়ী ছাত্র আন্দোলন: যন্তর মন্তর ছেড়ে ঘরে ফেরার ডাক দিল সিজেপি
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উত্থাপিত সমস্ত দাবি পরিশেষে মেনে নিয়েছে দেশটির সরকার। দাবি আদায়ের পর চলমান আন্দোলন স্থগিত করে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ গৃহে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার তথ্যটি নিশ্চিত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনস্থলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাংকা ঘোষণা করেন, তাদের সংগঠনের প্রতিটি দাবি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। ফলে বিদ্যমান বিক্ষোভ কর্মসূচির সমাপ্তি টেনে অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানান তিনি।
আশুতোষ রাংকা আরও জানান, আন্দোলন স্থগিত হলেও তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
আন্দোলনের এই সফলতায় যৌথ সংহতি জানিয়ে আন্দোলনকারীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্যতম শীর্ষ মুখ সোনম ওয়াংচুক। শুরু থেকেই যারা এই দাবি তুলে মাঠের লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন, তাদের সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।
অন্য এক বক্তব্যে আশুতোষ রাংকা জোর দিয়ে বলেন, সিজেপির উত্থাপিত শর্তগুলো কখনোই চরমপন্থী বা অযৌক্তিক ছিল না; বরং তা ছিল সাধারণ ও মৌলিক অধিকারের দাবি। সরকারের সব দাবি মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্তেই সেটি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
/আশিক
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পরও থামছে না সিজেপির আন্দোলন, বাকি ২ দাবি
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও নিজেদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে রাজনৈতিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। প্রথম দাবিটি পূরণ হলেও বাকি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে দলটি। তথ্যটি নিশ্চিত করে সংবাদ প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
শনিবার (২৫ জুলাই) সিজেপির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছিল তাদের আন্দোলনের প্রাথমিক দাবি, যা ইতিমধ্যেই মেনে নিয়েছে সরকার। তবে তাদের তোলা বাকি দুটি মৌলিক দাবি এখনো অপূরণীয় রয়ে গেছে।
সিজেপির উত্থাপিত অপর দুটি দাবির মধ্যে প্রথমটি হলো—প্রশ্নফাঁসের জেরে মানসিক চাপে আত্মহত্যা করা প্রতিটি শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। দ্বিতীয় দাবিটি হলো—চলমান এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনো ধরনের আইনি বা প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে না।
দলটির নীতিনির্ধারকেরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, অবশিষ্ট এই দাবি দুটি পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের ওপর তাদের সর্বাত্মক আন্দোলন ও রাজনৈতিক চাপ বহাল থাকবে। তাদের মতে, পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করাই এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য।
/আশিক
১৪৪ ধারার অজুহাতে যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা
ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের পথে বাধা সৃষ্টি করেছে দিল্লি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার অটোরিকশায় করে যন্তর মন্তরের কর্মসূচিস্থলে যাওয়ার পথে একদল শিক্ষার্থীকে গন্তব্য থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার আগেই থামিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের আর সামনের দিকে অগ্রসর হতে দেয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
আটকে পড়া শিক্ষার্থীরা জানান, তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্নভাবে সাধারণ যাত্রীর মতো অটোতে করে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তবে কোনো কারণ ছাড়াই মাঝপথে তাদের পথ রোধ করে পুলিশ।
অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিএনএসএস আইনের আওতায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতেই শিক্ষার্থীদের যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় চলমান বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে সিজেপি এবং কয়েকটি ছাত্র সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। তবে প্রতিবাদস্থলে বড় ধরনের জনসমাগম ঠেকানোর লক্ষ্যে দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও পয়েন্টগুলোতে জোরদার করা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সূত্র: দ্য হিন্দু
মোদী সরকারের আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল সিজেপি, অনড় যন্তর মন্তরে
ভারতে চলমান বিতর্কিত প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আসা বৈঠকের আহ্বান সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির স্পষ্ট বক্তব্য, আলোচনা হতে হলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের আন্দোলনের মূল কেন্দ্র দিল্লির যন্তর মন্তরে আসতে হবে, নতুবা যেকোনো নিরপেক্ষ স্থানে এই বৈঠকের আয়োজন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা সিজেপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনার একটি প্রস্তাব পাঠান। তবে আন্দোলনকারী রাজনৈতিক দলটির পক্ষ থেকে সে প্রস্তাব সঙ্গে সঙ্গেই প্রত্যাখ্যান করা হয়।
সরকারের অনাগ্রহের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে সিজেপি নেতা অশুতোষ রাঙ্কা জানান, সাধারণ মানুষের ক্ষোভের কারণে মন্ত্রীরা যন্তর মন্তরে আসতে রাজি হচ্ছেন না বলে জানানো হয়েছে। তবে তিনি অনর্থক সময় নষ্ট না করার বার্তা দেন।
এর আগে আন্দোলনরত তরুণ নেতাদের আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি স্পষ্ট করেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও চলমান এই গণআন্দোলন সরকারের জন্য কোনো প্রেস্টিজ ইস্যু নয়। তিনি ও জে.পি. নাড্ডা যেকোনো সময় আলোচনায় বসতে তৈরি আছেন এবং এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়নি।
মন্ত্রীর এমন নমনীয় আশ্বাসের পরও নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সিজেপি নেতারা। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আলোচনা সম্পর্কিত শর্তে কোনো পরিবর্তন আসবে না এবং বৈঠক হতে হলে অবশ্যই তা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ জায়গায় হতে হবে।
অন্যদিকে, আন্দোলন পরিচালনায় অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করা সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক শারীরিক অসুস্থতার কারণে সাময়িক বিশ্রামে থাকার তথ্য জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি নিশ্চিত করেন, সাময়িকভাবে কিছুটা দূরে থাকলেও সন্ধ্যার মধ্যেই তিনি পুনরায় যন্তর মন্তরের প্রতিবাদী মঞ্চে যোগ দেবেন।
অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে আন্দোলনকারীরা দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য, বুধবার রাতে দিল্লিতে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের হটাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেয় এবং পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে। পুলিশ প্রশাসন দাবি করেছে, পার্লামেন্ট স্ট্রিটের অভিমুখে ধেয়ে আসা বিক্ষোভকারীদের একটি দল তাদের ওপর পাথর ও বোতল ছোঁড়ায় তারা প্রতিহত করতে বাধ্য হয়।
তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশ সম্পূর্ণ অহেতুক ও অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ন্যায়সংগত আন্দোলন নস্যাৎ করার চেষ্টা চালিয়েছে। অভিজিৎ দীপকও পুলিশের এই আগ্রাসী ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানান। আন্দোলনকারীদের যৌথ ঘোষণা—প্রশ্নপত্র ফাঁসের পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের শাস্তির আওতায় না আনা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না।
/আশিক
ককরোচ মুভমেন্টে উত্তাল দিল্লি: প্রশ্নফাঁস কাণ্ডেও কেন অনড় মোদি ও তাঁর শিক্ষামন্ত্রী?
ভারতে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গন। জেন-জি তরুণদের আন্দোলন ‘ককরোচ মুভমেন্ট’-এর হাজার হাজার সমর্থক গত এক মাস ধরে নয়া দিল্লিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন।
পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাসে শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হলেও তারা পিছু হটেননি। এত তীব্র বিক্ষোভ ও বিরোধীদের চাপের পরও মোদি সরকার শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত বা পদত্যাগে বাধ্য করেনি। আপাতদৃষ্টিতে এটি অস্বাভাবিক মনে হলেও নরেন্দ্র মোদির ১২ বছরের শাসনকালের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজপথ বা মিডিয়ার চাপের মুখে নিজের মন্ত্রীদের পদত্যাগ না করানো তাঁর বহু পুরোনো কৌশল।
মোদি সরকারের এই নীতি পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারের বিপরীত। কংগ্রেস আমলে কেলেঙ্কারি বা জনদাবিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের সরিয়ে দেওয়া হলেও, মোদি জমানায় এটিকে প্রশাসনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখা হয়। ২০১৫ সালের দাদরি গণপিটুনি কাণ্ডের পর মহেশ শর্মা, ২০১৬ সালে রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার পর স্মৃতি ইরানি ও বান্দারু দত্তাত্রেয় এবং ২০২১ সালে লখিমপুর খেরির ঘটনার পর অজয় মিশ্র তেনি—কাউকেই গণদাবির মুখে বরখাস্ত করা হয়নি।
১২ বছরে কেবল করোনা মহামারীর সময় কোভিড ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার দায়ে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষ বর্ধনের পদত্যাগই ছিল এর একমাত্র ব্যতিক্রম। রাজপথের চাপের সামনে নতি স্বীকার না করে বরং নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকাকেই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মোদি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ও আগামী সপ্তাহের আবহাওয়ার সার্বিক রূপরেখা
- ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া তাড়াতে সাংস্কৃতিক বিপ্লব প্রয়োজন: ডা. শফিকুর রহমান
- দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় আসছে বড় পরিবর্তন, নতুন আইনের রূপরেখা প্রকাশ
- আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয় মিত্র, তারা বিএনপির সঙ্গে মিশে যাবে: নাছির চৌধুরী এমপি
- ঘরে বসেই যেভাবে জানবেন এসএসসির ফলাফল, ১০ আগস্ট প্রকাশের ঘোষণা
- মার্কিন ইমিগ্রেশন সার্ভিস বিভাগে বড় পরিবর্তন, প্রবাসীদের জন্য জরুরি বার্তা
- ২০২৩ সালের ইসরায়েলি হামলার ক্ষত: আড়াই বছর পর উদ্ধার ৪০ শিশুর দেহাবশেষ
- জুলাই শহীদদের কবর বাঁধানোর বরাদ্দও মেরে খেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার: ইশরাক হোসেন
- শেয়ারবাজারে আর্থিক কেলেঙ্কারির তদন্তের বড় আপডেট জানাল দুদক
- যুদ্ধের বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, আকাশ প্রতিরক্ষা ও অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক আধুনিকায়ন
- চার বিভাগে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ্কায় আবহাওয়া দপ্তরের বিশেষ সতর্কতা
- হাসিনাকে মাইক দেওয়ায় ভারতকে কাঠগড়ায় তুললেন সালাহউদ্দিন
- বিশ্ববাজারের পথ ধরে দেশীয় বাজারেও স্বর্ণের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
- গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় নতুন আশার খবর দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী
- নদীদূষণ দূর করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাব দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তির জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি: মাহদী আমিন
- ইতিহাসের মালিকানা কারও একার নয়, ৫ আগস্টের বিজয় সাধারণ মানুষের: সাইদুর রহমান লিটল
- দেবিদ্বার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত মিজানুর রহমান মাস্টার
- জুলাইয়ের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে, যেন তা হারিয়ে না যায়: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
- ভারত সরকারের আলটিমেটামের মুখে নতিস্বীকার, ভুল স্বীকার করল মেটা
- লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে ভারতীয় কিংবদন্তির আগমন, মালিকানায় বড় চমক
- জুলাই কার-এ নিয়ে বিভাজন করলে অর্জন হারিয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- আগামী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার চিত্র: ঝোড়ো বৃষ্টি নিয়ে সতর্কবার্তা
- 'মানুষ ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছে, বিএনপিকে সত্য মেনে নিতে হবে': রুমিন ফারহানা
- ৫ আগস্টের ভরদুপুরে দেশত্যাগ: গণভবন থেকে ভারতের ফ্লাইট পর্যন্ত যা ঘটেছিল
- ভারতপ্রেমী হলে দাগি আসামির অপরাধও চোখ এড়িয়ে যায় দিল্লির: রুহুল কবির রিজভী
- বাংলাদেশ আর কোনো দেশের 'ক্লায়েন্ট স্টেট' থাকবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- এক ক্লিকেই ফোন-ল্যাপটপের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে হ্যাকাররা, পপ-আপ আপডেট নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি
- চাঁদের পৃষ্ঠে ফ্যালকন-৯ রকেটের অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত
- আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো ডকুমেন্টারি হতে পারে না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মজুত নিয়ে নতুন তথ্য, কী বলছে সিএনএন
- সালমানের অবয়ব পরিবর্তনের আসল কারণ ও ষাটোর্ধ্বদের ওজন কমানোর সঠিক নিয়ম
- ৫ আগস্ট বিজয়ের দিন, ভিন্নমত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- নিজস্ব অর্থায়নে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো বানিয়ে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ আলমগীর
- কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর উপস্থিতি ঘিরে চাঙ্গা দেবিদ্বার বিএনপি
- ফটিকছড়িতে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলার আসামি আজম নুর গ্রেপ্তার
- দেশের ১২ জেলার জন্য দুঃসংবাদ, নদ-নদীর পানি নিয়ে নতুন উদ্বেগ
- প্রশাসনিক সংকট ও আন্তর্জাতিক চাপ: ট্রাম্পের বড় রাজনৈতিক ধাক্কা
- ৩৪ বছর বয়সে আইপিএল খেলার স্বপ্ন, যে বিপদে পড়লেন মোহাম্মদ আমির
- পদত্যাগের হুমকি দিলে সরাসরি গ্রহণের হুঁশিয়ারি, পেজেশকিয়ান-খামেনি দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত ইরান
- ৫ আগস্ট ঘিরে সারা দেশে কঠোর নজরদারি, মাঠে নামানো হয়েছে একাধিক গোয়েন্দা দল
- বাদ পড়ছে ৭ মার্চের ভাষণ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি টাঙানোর বাধ্যবাধকতা
- সৌদি আরবের সাথে কৌশলগত দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- মার্কিন অর্থনীতি ও ফেডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক ধাতুর বাজার
- শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের আয়োজনে সম্পৃক্ততা নেই দিল্লির: রণধীর জয়সোয়াল
- সিট দখল ঘিরে আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
- স্বর্ণ কিনবেন আজ? দেখে নিন বাজুসের সর্বশেষ দর
- ৫ আগস্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বদলে গেল তেলের বাজার
- শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনে হামলা থামাল ইরান, কেন?
- ‘মানুষ হত্যা চাই না’, ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প
- স্বর্ণের সঙ্গে বাড়ল রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়াম
- তেলের দাম কমতেই লাফ দিল স্বর্ণের বাজার
- দুই বছর পর প্রকাশ্যে শেখ হাসিনা, কী বলবেন?
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি
- ডলারের দাম কেন বাড়ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে
- ৫ আগস্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির নির্দেশ
- ফের বাড়ল তেলের দাম
- আজ মঙ্গলবার বন্ধ যেসব মার্কেট, বের হওয়ার আগে দেখুন
- স্বর্ণ কিনবেন আজ? দেখে নিন বাজুসের সর্বশেষ দর
- মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মজুত নিয়ে নতুন তথ্য, কী বলছে সিএনএন








