এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪ নির্দেশনা জারি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ২০ ১৪:৫৭:২৯
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪ নির্দেশনা জারি
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ করেছে দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলো। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রকাশিত এই রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে এবং চলবে ২০ মে ২০২৬ পর্যন্ত। এতে কয়েক লাখ পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতির একটি সুস্পষ্ট কাঠামো নির্ধারিত হলো।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড–এর ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। বোর্ড সূত্র জানায়, সাধারণ এসএসসির পাশাপাশি দাখিল ও ভোকেশনাল ধারার পরীক্ষাও একই সময়সূচির আওতায় অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী সিলেবাস সম্পন্ন হওয়ার সময়, রমজান ও অন্যান্য ধর্মীয় বিষয়, আবহাওয়া এবং কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়েই এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় নির্ধারণে যেন শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ না পড়ে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

পরীক্ষাকে সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত রাখতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪ দফা বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা পরীক্ষার আগে, চলাকালীন ও ফল প্রকাশ–পরবর্তী প্রতিটি ধাপকে কাঠামোবদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে নিজ নিজ পরীক্ষাকক্ষে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকবে না। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ীই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে এবং সময় ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না।

এ বছরও পরীক্ষার কাঠামোতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশ বহাল থাকছে। প্রথমে এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, এরপর কোনো বিরতি ছাড়াই সৃজনশীল পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। বোর্ড জানিয়েছে, এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, বিশ্লেষণ ও সময় ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা একসঙ্গে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

প্রবেশপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে বোর্ড কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে প্রবেশপত্র বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হলে তার দায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানকেই নিতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তরপত্র পূরণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না এবং ভুলভাবে পূরণ করা ওএমআর ফরম পরীক্ষার ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শিক্ষা বোর্ড আরও জানিয়েছে, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে বহুনির্বাচনী, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক—এই তিন অংশেই আলাদাভাবে পাস করতে হবে। কোনো একটি অংশে অকৃতকার্য হলে পুরো বিষয়ে অকৃতকার্য হিসেবে গণ্য করা হবে। এছাড়া, নিবন্ধনপত্রে উল্লেখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ নেই।

পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেন্দ্রসচিব ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি থাকবে। এ বিষয়ে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ব্যবহারিক পরীক্ষাগুলো নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে বোর্ডে পাঠাবে। এতে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা সাত দিনের মধ্যে অনলাইনে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবে। আবেদন প্রক্রিয়া, ফি ও সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়সূচি ও নির্দেশনাগুলো সময়মতো প্রকাশ পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন সুপরিকল্পিতভাবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে পারবে। একই সঙ্গে অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবে।

-শরিফুল


মেধা বিকাশে নতুন উদ্যোগ: এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেবে সরকার

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৮ ১৯:৫৫:২৩
মেধা বিকাশে নতুন উদ্যোগ: এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেবে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ‘গোল্ডেন জিপিএ-৫’ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, উচ্চশিক্ষা সহজীকরণ এবং ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়, যা গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) গণমাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে সব বিষয়ে এ-প্লাস পাওয়া মেধাবীদের এই উপহার প্রদান করা হবে। তবে কারা চূড়ান্তভাবে ল্যাপটপের জন্য নির্বাচিত হবেন, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে ল্যাপটপ বিতরণের নির্দিষ্ট সময়সূচি, আবেদনের পদ্ধতি এবং বিস্তারিত নীতিমালার শর্তাবলি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ (মাউশি) এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে কোনো নির্ধারিত লিংক বা ফরমের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক বা ভুয়া লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান কিংবা অর্থ লেনদেন করা থেকে বিরত থাকতে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই নির্দেশাবলি অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


টানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ দিন

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৯ ১৯:৩৫:০২
টানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ দিন
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের মাধ্যমিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত পাঁচ দিনের পূজার ছুটির সঙ্গে দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাৎসরিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৮ অক্টোবর রোববার থেকে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ছুটির পর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় শিক্ষার্থীরা টানা সাত দিন ছুটির আনন্দ উপভোগ করতে পারবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ছুটির সূচিও একই হওয়ায় প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরাও ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি পাবে।

শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও টানা পাঁচ দিন ছুটির সুযোগ তৈরি করেছে সরকার। সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে ছুটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এই দুই দিনের ছুটির পর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটির সুবিধা পাবেন।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান এই ধর্মীয় উৎসবের সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি বছর ১০ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গাপূজার আবহ শুরু হবে। মূল আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে। পূজার সার্বিক সূচি ও প্রাতিষ্ঠানিক ছুটির সমন্বয়ে এবার শিক্ষার্থী এবং সরকারি চাকুরিজীবী—উভয় পক্ষই দীর্ঘ সময় ছুটির সুযোগ পাচ্ছে।

/আশিক


প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৯ ২০:০৭:৩২
প্রকাশিত হলো একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফল, যেভাবে জানবেন মনোনীত কলেজ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এবং অনলাইনে আবেদনের সময় ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাঁদের চূড়ান্ত কলেজ মনোনয়ন ফলাফল জানতে পারবেন। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনা অনুসারে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনীত কলেজে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তির চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ধাপে মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৩৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন, যার মধ্যে ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন বিভিন্ন কলেজে প্রাথমিক মনোনয়ন পান। তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২ হাজার ২০৫ জনসহ মোট ১৪ হাজার ৪১৫ জন শিক্ষার্থী কলেজ পছন্দক্রমের জটিলতায় প্রথম ধাপে কোনো প্রতিষ্ঠানেই মনোনীত হতে পারেননি।

অন্যদিকে শিক্ষার্থী সংকটে পড়েছে দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠান। পছন্দের তালিকায় কোনো শিক্ষার্থী নাম না দেওয়ায় অনুমোদিত ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও মনোনীত হননি। পাশাপাশি আরও ৪১৬টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি; ফলে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এসব কলেজে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থী মেলেনি। গত ২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া অনলাইন আবেদন কার্যক্রম ১৩ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হওয়ার পর চূড়ান্ত এই ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে কলেজ মনোনয়নের ডিজিটাল ধাপ সম্পন্ন হলো।

/আশিক


একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৬ ২১:০৮:৫৪
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের প্রথম পর্যায়ের ফল বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাত আটটায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। নির্ধারিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (https://xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পারছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মেধার ভিত্তিতে পরিচালিত এই ভর্তি কার্যক্রমে চলতি বছর মোট ৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। নীতিমালা অনুযায়ী সর্বনিম্ন ৫টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দের সুযোগ ছিল। সারা দেশের কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রায় ২৫ লাখ আসন থাকায় বিপুলসংখ্যক আসন খালি থাকার সম্ভাবনা থাকলেও শীর্ষস্থানীয় কলেজগুলোতে আসন সীমাবদ্ধতার কারণে জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী প্রথম পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সুযোগ নাও পেতে পারে।

প্রথম পর্যায়ের ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে

ভর্তি নিশ্চিতকরণ ও ফি প্রদান

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত আটটার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চায়ন (কনফার্ম) করতে হবে; ব্যর্থ হলে প্রাথমিক নির্বাচন ও সম্পূর্ণ আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

মাইগ্রেশনের ফল

শিক্ষার্থীদের দেওয়া পছন্দক্রম অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় মাইগ্রেশনের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত আটটায়।

মূল ভর্তি কার্যক্রম

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

ক্লাস শুরু

যাবতীয় ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।

ফল দেখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘ভিউ রেজাল্ট’ অপশনে যেতে হবে। এরপর নির্ধারিত ঘরে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের সাল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর সঠিকভাবে ইনপুট করতে হবে। সবশেষে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ক্যাপচা কোডটি টাইপ করে ‘সাবমিট’ করলেই শিক্ষার্থী কোন কলেজের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা বিস্তারিতভাবে প্রদর্শিত হবে।

/আশিক


এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ কাল, জানা যাবে ৩টি উপায়ে

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৯ ২০:০৩:১৪
এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ কাল, জানা যাবে ৩টি উপায়ে
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর খাতা পুনঃনিরীক্ষণসহ সামগ্রিক মূল্যায়নের ফল আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করা হবে। ফলপ্রত্যাশী আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত তিনটি পৃথক মাধ্যমে এই ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুসারে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব সাধারণ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করা হবে। পাশাপাশি যেসব পরীক্ষার্থী ফলাফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় নিজস্ব বা অভিভাবকের সচল মোবাইল নম্বর যুক্ত করেছিলেন, সেই নম্বরে সরাসরি ক্ষুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফল পৌঁছে দেওয়া হবে।

শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল দেখতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, আবেদনপত্রে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে পাঠানো এসএমএসের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় নির্ধারিত ফলাফল পোর্টাল থেকেও প্রয়োজনীয় রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইনপুট দিয়ে বিস্তারিত ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে। ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীদের বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর থেকে এই তিনটির যেকোনো একটি বিকল্প বেছে নিয়ে দ্রুত ফলাফল দেখার প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ২১:২২:১৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রকাশিত নীতিমালায় পরীক্ষার মানবণ্টন ও বিষয়কাঠামোও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জানানো হয়, মোট ৪০০ নম্বরের ভিত্তিতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে মোট ৩০০ নম্বর এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে বাকি ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জানতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অফিসিয়াল পোর্টালে চোখ রাখতে বলা হয়েছে।

/আশিক


এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১২:০১:১১
এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বঘোষিত শিক্ষাপঞ্জির তুলনায় পরীক্ষা এক সপ্তাহ এগিয়ে এনে আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নতুন সূচি অনুযায়ী চার দিনে পাঁচ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং শেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সভায় সংশোধিত সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থীদের জন্য একই সূচিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, নতুন সূচি অনুযায়ী ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ মাঝে বিরতি রেখে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর শুরু করে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই শিক্ষাপঞ্জিতে ৩০ ডিসেম্বর সম্ভাব্য ফল প্রকাশের তারিখ রাখা হয়। নতুন সিদ্ধান্তে পরীক্ষার শুরুর দিন সাত দিন এগিয়ে এলেও ফল প্রকাশের সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে নতুন কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৪০০ নম্বরের মূল্যায়ন হবে। পরীক্ষার ফল ও নির্ধারিত নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিনটি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে থাকবে ১০০ নম্বর। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষার্থীরা তিন ঘণ্টা করে সময় পাবে। ফলে মূল তিন বিষয়ের সম্মিলিত নম্বর হবে ৩০০।

অন্যদিকে বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে থাকবে বাকি ১০০ নম্বর। এর মধ্যে বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে দেড় ঘণ্টা করে মোট তিন ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে। একই দিনে এই দুই বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন সূচি অনুসারে প্রথম পরীক্ষা বাংলা দিয়ে শুরু হবে মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর। এক দিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রোববার, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এবারের বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশোধিত সূচি প্রকাশের ফলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ পূর্বনির্ধারিত ১৫ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এখন ৮ ডিসেম্বর থেকেই পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুন সময়সূচি অনুসারে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

-রফিক


ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২২ ২০:০৭:২৯
ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষারত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন করে পড়ালেখা বন্ধ করা, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত না করে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ালে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে নতুন করে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও স্থায়ী জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দূতাবাসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। বার্তায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার যাবতীয় বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের আইনি ও বৈধ মর্যাদা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি নিজের পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে পড়ে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া নিজ পাঠ্যক্রম ত্যাগ করে, তবে তার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল করা হবে। পাশাপাশি এমন অনিয়ম ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত পূর্ণকালীন কোর্স চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। তবে কোনো বিশেষ বা জরুরি পরিস্থিতিতে কোর্সের চাপ কমাতে হলে বা অধ্যয়নের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন দেখা দিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পূর্বানুমোদন নেওয়া আবশ্যক।

অনুমোদন ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, নির্ধারিত ক্রেডিটের নিচে কোর্স ড্রপ করে কিংবা অনুমতি ব্যতীত কোনো কাজে যুক্ত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয় বাতিল হতে পারে। একই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এই পরিবর্তনগুলোর তথ্য ‘স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ইনফরমেশন সিস্টেম’ (SEVIS)-এ নথিবদ্ধ করতে বাধ্য থাকে।

এ ছাড়া পাসপোর্টে ভিসার মেয়াদ থাকা মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান বৈধ থাকা নয়। যুক্তরাষ্ট্রে একজন শিক্ষার্থীর বৈধভাবে থাকা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভিসার শর্ত পূরণ এবং নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার ওপর। যেকোনো কারণে শিক্ষার্থী মর্যাদা বা বৈধ অবস্থান নষ্ট হলে পরবর্তী সময়ে মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে রুদ্ধ হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, নির্ধারিত ক্রেডিট মেনে চলা এবং শিক্ষাক্রমে কোনো পরিবর্তন আনার আগে নিজ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে দূতাবাস থেকে ভিসার প্রতিটি শর্ত সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:০৩:৩৬
ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে। ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার সম্পূর্ণ নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্ধারিত শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট জায়গায় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রপ ডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল পৌঁছাবে। পরের ধাপে বিষয়ের তালিকা দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে 'ফি প্রদান করুন' বাটনে চাপ দিতে হবে। উল্লেখ্য, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।

ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া

বিষয় নির্বাচনের পর মোট ফি প্রদর্শিত হবে। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি প্রদান করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালে যুক্ত নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পুনরায় পোর্টালে এসে 'জমা দিন' বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বিষয় সংশোধন বা নতুন বিষয় যুক্ত করার নিয়ম

একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী যদি চান অন্য কোনো বিষয় যুক্ত করতে, তবে একই উপায়ে নতুন বিষয় যোগ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে 'মুছে ফেলুন' সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচিত বিষয় বাতিল করা যাবে। তবে একবার ফি পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না এবং জমা দেওয়া ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।

শিক্ষা বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এবার কোনো ম্যানুয়াল বা কাগুজে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কেবল নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: