আয়কর থেকে ভ্যাট: সব খাতেই রাজস্ব ঘাটতি, সংকটে সরকারি কোষাগার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ১৯ ০৯:৩১:৩২
আয়কর থেকে ভ্যাট: সব খাতেই রাজস্ব ঘাটতি, সংকটে সরকারি কোষাগার
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক গভীর স্থবিরতার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জাতীয় রাজস্ব আহরণে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) সরকারের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, এই সময়ের মধ্যে তিন প্রধান খাত—আয়কর, ভ্যাট এবং আমদানি শুল্ক—প্রতিটি ক্ষেত্রেই বড় ধরণের লক্ষ্যচ্যুতি ঘটেছে। অর্থবছরের প্রথমার্ধে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২০৫ কোটি টাকা, কিন্তু দিনশেষে আদায় হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ কোটি টাকার মতো। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে ৪৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক ব্যয় মেটানোর ক্ষেত্রে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই রাজস্ব ঘাটতি কেবল বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়, বরং আগামীতে দায়িত্ব নিতে যাওয়া নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের জন্যও এক কঠিন অর্থনৈতিক উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে আয়কর খাত থেকে, যেখানে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। এই খাতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৫ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা, কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ৬১ হাজার ৮৭৩ কোটি টাকা। ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকুচিত হওয়া এবং কোম্পানির অগ্রিম কর ও উৎসে কর প্রদানের হার কমে যাওয়া এই পতনের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি আমদানি পর্যায়েও ১২ হাজার ১৪০ কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। দেশে বড় বড় সরকারি প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়া এবং বিনিয়োগের অভাবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল আমদানি কমে যাওয়ায় সরকার কাঙ্ক্ষিত আমদানি শুল্ক পাচ্ছে না। ভ্যাট বা মূসক খাতেও একই ধরণের মন্দা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার ৩০৮ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার ফলে বাজারে ভোগের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে ভ্যাট আদায়ের ওপর।

দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা বর্তমান এই অর্থনৈতিক মন্থরগতিকে একটি অস্থির সময়ের স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে দেখছেন। বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকা এবং আয়ের উৎস সংকুচিত হওয়া বিনিয়োগ না আসার অন্যতম কারণ। ব্যবসায়ীরা এখন বিনিয়োগের চেয়ে আগামী নির্বাচনের দিকে বেশি তাকিয়ে আছেন। তারা মনে করছেন, একটি রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর করনীতি, জ্বালানি এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হলে পুনরায় ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরতে পারে। তবে আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করে জানিয়েছেন যে, নতুন সরকার এলেই রাতারাতি কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারবে না। তাঁর মতে, নতুন কোনো শিল্পায়ন বা কর্মসংস্থানের উদ্যোগ না নিয়ে কেবল পুরনো খাতগুলোতে কর বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ানোর চেষ্টা করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এটি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের সৃষ্টি করছে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিচ্ছে।

সামষ্টিক অর্থনীতির অন্যান্য সূচকগুলোও বর্তমানে বেশ উদ্বেগজনক। সরকারি হিসাবে গত ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৪৯ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৮.২৯ শতাংশ। বিশেষ করে বাসাভাড়া, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যয়ের চাপ বাড়ায় সাধারণ মানুষের সঞ্চয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক উচ্চ সুদের হার বজায় রেখে মূল্যস্ফীতি কমানোর নীতি গ্রহণ করলেও এর কাঙ্ক্ষিত সুফল এখনও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়নি। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ, যা গত কয়েক বছরের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক কম। এনবিআরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্থবির থাকলে জোর করে কর আদায় করা সম্ভব নয়; কারণ এতে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ ও বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের এই নাজুক পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ


মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ০৯:৪৫:০৭
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
ছবি : সংগৃহীত

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও আকাশচুম্বী হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয় যা ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে এবং আজ বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে গত শনিবার এবং সোমবারও দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল যার ফলে ভালো মানের স্বর্ণের দাম এর আগেই ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকায় পৌঁছেছিল। গত এক সপ্তাহে দুই দফায় স্বর্ণের দাম বেড়েছিল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা আর এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকারও বেশি। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ২৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১২ বার কমানো হয়েছে। এর আগে গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল যার মধ্যে ৬৪ বারই দাম বেড়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ১৭৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৮৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা এখন ৪ হাজার ৪৩২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বজায় থাকলে এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতা না কমলে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণ ও রুপার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


আজকের মুদ্রার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৩ মার্চের সর্বশেষ টাকার মান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ১২:৫১:০৪
আজকের মুদ্রার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৩ মার্চের সর্বশেষ টাকার মান
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং বর্তমানে দেশের কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সে ভর করেই মূলত সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেন এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের সুবিধার্থে মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬) মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আজকের বাজারে ইউএস ডলার কেনার দাম ১২২.৩০ টাকা এবং বিক্রির দাম ১২২.৩৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যার গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২.৩১ টাকা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে কেনা ও বেচা উভয় ক্ষেত্রেই ১৪২ টাকা ৯৬ পয়সা দাম ধরা হয়েছে। তবে বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

মুদ্রা বাজারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৩.৯৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪.০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বেচা হচ্ছে ০.৮০ টাকায় এবং ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১.৩৩ টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম জনপ্রিয় মুদ্রা সৌদি রিয়েলের ক্রয়মূল্য ৩২.৫৮ টাকা হলেও বিক্রয়মূল্য কিছুটা কমে ৩২.৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুর ডলারের ক্রয়মূল্য ৯৬.০৫ টাকা ও বিক্রয়মূল্য ৯৬.০৬ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ৮৬.৭৪ টাকা ও বিক্রয়মূল্য ৮৬.৭৭ টাকা রেকর্ড করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলারের ক্ষেত্রে বিনিময় হার কিছুটা ব্যবধানে কেনা হচ্ছে ৮৯.৪৪ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯.৪২ টাকায়।

প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য সঠিক মূল্যে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেলের এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের এই আপডেট তথ্য প্রবাসীদের তাদের কষ্টার্জিত আয় দেশে পাঠানোর সঠিক পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রার এই রিজার্ভ এবং বিনিময় হার পর্যবেক্ষণ করে থাকে যাতে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকে। আজকের এই নির্ধারিত রেট অনুযায়ী প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে লেনদেনের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বশেষ আপডেট রেট যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

/আশিক


রেকর্ডের পর রেকর্ড: বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দামী হলো আজ থেকে স্বর্ণ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ১০:০৫:০০
রেকর্ডের পর রেকর্ড: বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দামী হলো আজ থেকে স্বর্ণ
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশের বাজারে আবারও রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে স্বর্ণের দাম। সোমবার (২ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। সর্বশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সারা দেশে এই নতুন দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হবে।

বাজুসের তথ্যমতে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকায় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ২৯৯ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৩৩ টাকায়। বাজুস জানিয়েছে, গহনা কেনার ক্ষেত্রে এই মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যোগ করতে হবে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ১৭৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

/আশিক


মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৭:২৯:১৬
মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি

মার্চ মাসে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সোমবার (২ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা চলতি মার্চ মাসের জন্যও বহাল রাখা হলো। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রতি মাসেই বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে থাকে। বর্তমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যেও দাম না বাড়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:৫৮:২৭
স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে, যেখানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক লাফে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সোমবার (২ মার্চ) বিশ্ববাজারে লেনদেন শুরুর পরপরই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে ওঠায় এর দাম চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার গ্রিনিচ মান সময় ০২০১ অনুযায়ী স্পট গোল্ডের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫,৩২৯.৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের শুরুতে এক পর্যায়ে এই দাম ২ শতাংশ পর্যন্ত লাফিয়ে উঠেছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ১.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,৩৪২.৮০ ডলারে পৌঁছেছে। মূলত রবিবার তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন দফা হামলা এবং ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন।

আর্থিক বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা মনে করেন, বর্তমান সংঘাত আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও জোরালো হওয়ার প্রবণতা দেখাচ্ছে, যা স্বর্ণের দামকে আরও উসকে দিচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক হারে স্বর্ণ কেনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতিতে শিথিলতার প্রত্যাশা বাজারকে আগে থেকেই ঊর্ধ্বমুখী রেখেছিল, যা এখন যুদ্ধাবস্থার কারণে নতুন রেকর্ড গড়ছে।

জে পি মরগান ও ব্যাংক অব আমেরিকার মতো শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পূর্বাভাস দিচ্ছে যে, স্বর্ণের দাম খুব শীঘ্রই ৬,০০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে। এমনকি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এটি ৬,৩০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপা ও প্লাটিনামের বাজারে কিছুটা মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট সিলভার ১.২ শতাংশ কমে ৯২.৭২ ডলারে এবং প্লাটিনাম ১ শতাংশ কমে ২,৩৪৩.৫০ ডলারে নেমেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ১,৭৯৫.১১ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স


বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ২১:৫৫:০২
বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলা এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি হত্যার পর বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরণের ধস নেমেছে। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক লাফে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত শুক্রবারও ৭৩ ডলারে ছিল। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থা এবং তেলের প্রধান সরবরাহ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কাই এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, যদি ইরান সত্যিই হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়, তবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশেরও বেশি এই প্রণালী দিয়ে সম্পন্ন হয়। তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারির পর এরইমধ্যে অনেক বড় বড় ট্যাঙ্কার মালিক ও ট্রেডিং হাউস ওই পথে তেল ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে। নরওয়েভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রেস্টার্ড এনার্জি’র মতে, সরবরাহ ব্যবস্থার এই বিঘ্ন বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করছে।

এদিকে, তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ওপেক প্লাস (OPEC+) জোট এপ্রিল থেকে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য। হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অচলাবস্থা যদি না কাটে, তবে তেলের দাম ৯২ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এক বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১১:৫১:০৭
জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে এই দরের সামান্য পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলে। আজ রোববার (১ মার্চ) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ১২২ টাকা এবং ইউরো ১৪৪ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

ইউরোপীয় ও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৭৭ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে এশিয়ার শক্তিশালী মুদ্রা জাপানি ইয়েন প্রতি ইউনিট মাত্র ৭৮ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ টাকা ৩৪ পয়সা খরচ করলে বাংলাদেশি ১ টাকা পাওয়া যাচ্ছে এবং শ্রীলঙ্কান রুপির দর ২ টাকা ৫২ পয়সা।

কানাডিয়ান ডলার ও সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার যথাক্রমে ৮৯ টাকা ৫৬ পয়সা এবং ৯৬ টাকা ৫৭ পয়সা।

প্রবাসী ভাইবোনদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার হার। আজ ১ মার্চ সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৭ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩৯ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

বরাবরের মতো কুয়েতি দিনারের মান সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থান করছে, যার প্রতি ইউনিটের দাম ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা। ওমানি রিয়ালের দর ৩১৭ টাকা ৬৬ পয়সা।

উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই বিনিময় হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে, তাই বড় লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা শ্রেয়।

(সূত্র: গুগল)


স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:৪৪:৪০
স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন যেন সাধারণ মানুষের কাছে এক দুঃস্বপ্নের নাম। সবশেষ সমন্বয়ে ভরিতে আরও ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গতকাল শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয়, যা আজ রোববার (১ মার্চ) সকাল থেকেই কার্যকর হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম এভাবে লাফিয়ে বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মনে রাখা জরুরি, এই মূল্যের সাথে আরও ৫ শতাংশ সরকারি ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। ফলে ডিজাইনভেদে এক ভরি গয়না কিনতে ক্রেতাকে প্রায় ৩ লাখ টাকার কাছাকাছি খরচ করতে হতে পারে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, গতকাল শনিবার সকালেও একবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন এক ভরি ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। কিন্তু রাত পেরোতেই সেই দাম আরও ৩ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেল। চলতি বছরে এ নিয়ে মোট ৩৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ২২ বারই বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের ৯৩ বারের সমন্বয়ের রেকর্ড এবারও ভেঙে যাবে কি না, তা নিয়ে এখন জনমনে জল্পনা তুঙ্গে। বিয়ের মৌসুমে যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, এই দফায় দফায় দাম বৃদ্ধিতে তাদের মাথায় হাত পড়েছে।

/আশিক


আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত লাভ? জেনে নিন ২৮ ফেব্রুয়ারির আপডেট দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১১:৩৬:২৩
আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত লাভ? জেনে নিন ২৮ ফেব্রুয়ারির আপডেট দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত প্রসারিত হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রার গুরুত্ব বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিদেশি মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আজ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন শক্তিশালী ও জনপ্রিয় মুদ্রার বিনিময় হারে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই ওঠানামা সরাসরি দেশের আমদানি খরচ এবং প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে।

আজকের বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ইউএস ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি ১২২ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ২০ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতোই শীর্ষে রয়েছে, যার বর্তমান বিনিময় হার ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা। সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৭ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৭ টাকা ৬৬ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৪ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার কেবল বাণিজ্যিক লেনদেন সহজ করে না, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি বুঝতেও সাহায্য করে।

জাপানি ইয়েন বর্তমানে ৭৮ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে এবং চীনা ইউয়ানের মান ১৭ টাকা ৮৫ পয়সা।

উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হারগুলো যে কোনো সময় আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বড় ধরণের লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ বাজার দর যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নিচে আজকের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাসমূহের বিনিময় হারের তালিকাটি সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হলো যাতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

(সূত্র: গুগল)

পাঠকের মতামত: