মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ১৭:২৯:১৬
মার্চে রান্নার গ্যাসের দাম কত? বড় সুখবর দিল বিইআরসি

মার্চ মাসে রান্নার গ্যাসের দাম নিয়ে গ্রাহকদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সোমবার (২ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই এই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সবশেষ দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা চলতি মার্চ মাসের জন্যও বহাল রাখা হলো। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রতি মাসেই বিইআরসি এলপিজির দাম নির্ধারণ করে থাকে। বর্তমান অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতির মধ্যেও দাম না বাড়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০২ ০৯:৫৮:২৭
স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা; এক বছরে দাম বাড়ল ৬৪ শতাংশ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা চরম আকার ধারণ করেছে। এই উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে, যেখানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক লাফে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সোমবার (২ মার্চ) বিশ্ববাজারে লেনদেন শুরুর পরপরই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা তুঙ্গে ওঠায় এর দাম চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে অবস্থান করছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার গ্রিনিচ মান সময় ০২০১ অনুযায়ী স্পট গোল্ডের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫,৩২৯.৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের শুরুতে এক পর্যায়ে এই দাম ২ শতাংশ পর্যন্ত লাফিয়ে উঠেছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার ১.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫,৩৪২.৮০ ডলারে পৌঁছেছে। মূলত রবিবার তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন দফা হামলা এবং ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন।

আর্থিক বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা মনে করেন, বর্তমান সংঘাত আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও জোরালো হওয়ার প্রবণতা দেখাচ্ছে, যা স্বর্ণের দামকে আরও উসকে দিচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাপক হারে স্বর্ণ কেনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতিতে শিথিলতার প্রত্যাশা বাজারকে আগে থেকেই ঊর্ধ্বমুখী রেখেছিল, যা এখন যুদ্ধাবস্থার কারণে নতুন রেকর্ড গড়ছে।

জে পি মরগান ও ব্যাংক অব আমেরিকার মতো শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পূর্বাভাস দিচ্ছে যে, স্বর্ণের দাম খুব শীঘ্রই ৬,০০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে। এমনকি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এটি ৬,৩০০ ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপা ও প্লাটিনামের বাজারে কিছুটা মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট সিলভার ১.২ শতাংশ কমে ৯২.৭২ ডলারে এবং প্লাটিনাম ১ শতাংশ কমে ২,৩৪৩.৫০ ডলারে নেমেছে। তবে প্যালাডিয়ামের দাম ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ১,৭৯৫.১১ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স


বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ২১:৫৫:০২
বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলা এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি হত্যার পর বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে বড় ধরণের ধস নেমেছে। আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক লাফে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ববাজারের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত শুক্রবারও ৭৩ ডলারে ছিল। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধাবস্থা এবং তেলের প্রধান সরবরাহ রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কাই এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, যদি ইরান সত্যিই হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়, তবে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশেরও বেশি এই প্রণালী দিয়ে সম্পন্ন হয়। তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারির পর এরইমধ্যে অনেক বড় বড় ট্যাঙ্কার মালিক ও ট্রেডিং হাউস ওই পথে তেল ও এলএনজি পরিবহন স্থগিত করেছে। নরওয়েভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রেস্টার্ড এনার্জি’র মতে, সরবরাহ ব্যবস্থার এই বিঘ্ন বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করছে।

এদিকে, তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ওপেক প্লাস (OPEC+) জোট এপ্রিল থেকে দৈনিক ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক চাহিদার তুলনায় এটি অত্যন্ত সামান্য। হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অচলাবস্থা যদি না কাটে, তবে তেলের দাম ৯২ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এক বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১১:৫১:০৭
জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে এই দরের সামান্য পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলে। আজ রোববার (১ মার্চ) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ১২২ টাকা এবং ইউরো ১৪৪ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

ইউরোপীয় ও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৭৭ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে এশিয়ার শক্তিশালী মুদ্রা জাপানি ইয়েন প্রতি ইউনিট মাত্র ৭৮ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ টাকা ৩৪ পয়সা খরচ করলে বাংলাদেশি ১ টাকা পাওয়া যাচ্ছে এবং শ্রীলঙ্কান রুপির দর ২ টাকা ৫২ পয়সা।

কানাডিয়ান ডলার ও সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার যথাক্রমে ৮৯ টাকা ৫৬ পয়সা এবং ৯৬ টাকা ৫৭ পয়সা।

প্রবাসী ভাইবোনদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার হার। আজ ১ মার্চ সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৭ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩৯ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

বরাবরের মতো কুয়েতি দিনারের মান সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থান করছে, যার প্রতি ইউনিটের দাম ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা। ওমানি রিয়ালের দর ৩১৭ টাকা ৬৬ পয়সা।

উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই বিনিময় হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে, তাই বড় লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা শ্রেয়।

(সূত্র: গুগল)


স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ০৯:৪৪:৪০
স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন যেন সাধারণ মানুষের কাছে এক দুঃস্বপ্নের নাম। সবশেষ সমন্বয়ে ভরিতে আরও ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গতকাল শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয়, যা আজ রোববার (১ মার্চ) সকাল থেকেই কার্যকর হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম এভাবে লাফিয়ে বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মনে রাখা জরুরি, এই মূল্যের সাথে আরও ৫ শতাংশ সরকারি ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। ফলে ডিজাইনভেদে এক ভরি গয়না কিনতে ক্রেতাকে প্রায় ৩ লাখ টাকার কাছাকাছি খরচ করতে হতে পারে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, গতকাল শনিবার সকালেও একবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন এক ভরি ২২ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। কিন্তু রাত পেরোতেই সেই দাম আরও ৩ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেল। চলতি বছরে এ নিয়ে মোট ৩৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো, যার মধ্যে ২২ বারই বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের ৯৩ বারের সমন্বয়ের রেকর্ড এবারও ভেঙে যাবে কি না, তা নিয়ে এখন জনমনে জল্পনা তুঙ্গে। বিয়ের মৌসুমে যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, এই দফায় দফায় দাম বৃদ্ধিতে তাদের মাথায় হাত পড়েছে।

/আশিক


আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত লাভ? জেনে নিন ২৮ ফেব্রুয়ারির আপডেট দর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১১:৩৬:২৩
আজ কোন দেশের মুদ্রায় কত লাভ? জেনে নিন ২৮ ফেব্রুয়ারির আপডেট দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত প্রসারিত হওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রার গুরুত্ব বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিদেশি মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানা ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আজ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন শক্তিশালী ও জনপ্রিয় মুদ্রার বিনিময় হারে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই ওঠানামা সরাসরি দেশের আমদানি খরচ এবং প্রবাসীদের পাঠানো আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে।

আজকের বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ইউএস ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি ১২২ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৪ টাকা ২০ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিনিময় হার ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতোই শীর্ষে রয়েছে, যার বর্তমান বিনিময় হার ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা। সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৭ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৭ টাকা ৬৬ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৪ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার এই বিনিময় হার কেবল বাণিজ্যিক লেনদেন সহজ করে না, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি বুঝতেও সাহায্য করে।

জাপানি ইয়েন বর্তমানে ৭৮ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে এবং চীনা ইউয়ানের মান ১৭ টাকা ৮৫ পয়সা।

উল্লেখ্য যে, এই বিনিময় হারগুলো যে কোনো সময় আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বড় ধরণের লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ বাজার দর যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নিচে আজকের গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রাসমূহের বিনিময় হারের তালিকাটি সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখ করা হলো যাতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

(সূত্র: গুগল)


আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম: জেনে নিন আজ ভরিপ্রতি লেটেস্ট রেট

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১০:২০:২৩
আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম: জেনে নিন আজ ভরিপ্রতি লেটেস্ট রেট
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে গয়না কেনা এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। আজ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত উভয়ের মধ্যেই অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট ছাড়াও অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও সমানুপাতিক হারে বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা। বাজুস আরও স্পষ্ট করেছে যে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ক্রেতাকে বাধ্যতামূলকভাবে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ, ভ্যাট ও মজুরি যোগ করলে এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাকে প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার কাছাকাছি গুনতে হবে।

স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারিও স্বর্ণের দাম একদফায় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুবার দাম বাড়ার ফলে স্বর্ণ এখন বিনিয়োগের সবচেয়ে ব্যয়বহুল খাতে পরিণত হয়েছে। তবে স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বী হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৭০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সামান্য হলেও স্বস্তির খবর।

/আশিক


এসএমই তহবিল শিল্পে না গিয়ে ট্রেজারি বন্ডে, মুনাফায় বিদেশ সফর

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৭ ১১:০৯:১৮
এসএমই তহবিল শিল্পে না গিয়ে ট্রেজারি বন্ডে, মুনাফায় বিদেশ সফর
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে সহজ শর্তে ঋণ সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে গঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পুনরর্থায়ন প্রকল্প নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, শিল্প খাতে অর্থায়ন না করে প্রকল্পের অব্যবহৃত তহবিল সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। সেই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার একটি অংশ দিয়ে কর্মকর্তাদের সুইজারল্যান্ড সফরের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন দেন বিদায়ি গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দায়িত্বে ছিলেন।

প্রকল্পটির নাম ‘সেকেন্ড স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম সাইজড এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বা এসএমইডিপি-২। এটি বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত একটি পুনরর্থায়ন কর্মসূচি। লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের স্বল্পসুদে ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও এসএমই খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পের একটি ঘূর্ণায়মান তহবিল অব্যবহৃত থাকায় তা বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে শিল্প খাতে বিতরণ না করে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। এই বিনিয়োগ থেকে উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জিত হয়। প্রায় ২৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয় এবং ১০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রাখা হয়। ওই হিসাবে জমা থাকা অর্থ থেকে বিনিয়োগ কমিটি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য ‘গ্লোবাল বেঞ্চমার্কিং ভিজিট অন এসএমই ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন ইকোসিস্টেম’ শীর্ষক বিদেশ সফরের প্রস্তাব দেয়।

ফেব্রুয়ারির শুরুতে অর্থ বিভাগে সরকারি আদেশ জারির জন্য চিঠি পাঠানো হয়। তবে সুইস দূতাবাসে ভিসার শিডিউল না পাওয়া এবং জিও ইস্যুতে বিলম্বের কারণে সফরটি অনিশ্চয়তায় পড়েছে বলে জানা গেছে।

সমালোচকদের মতে, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিল্প খাতে অর্থায়ন সম্প্রসারণ। সেই অর্থ বন্ডে বিনিয়োগ করে পরে মুনাফার অংশ বিদেশ সফরে ব্যয় করা প্রকল্পের নীতিগত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুতি। বিশেষ করে ডলার সংকট ও সরকারি ব্যয়ে সংযমের প্রেক্ষাপটে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিদেশ সফর সংক্রান্ত কড়াকড়ি নির্দেশনার সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক হতে পারে।

অন্যদিকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, বিনিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত ইনভেস্টমেন্ট পলিসি অনুসারেই নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মতে, অব্যবহৃত তহবিল সুদ ও বিনিময় হার কমে যাওয়ায় মূলধন ক্ষয়ের ঝুঁকিতে ছিল। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের পরামর্শে ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করা হয় এবং মুনাফা অর্জিত হয়। সেই মুনাফা থেকেই সক্ষমতা উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এতে কোনো অতিরিক্ত সরকারি ব্যয় জড়িত নয়।

বিদায়ি গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

-রাফসান


আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৭ ১০:৪১:০৬
আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় বাজারে আবারও স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। সোমবার সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন দর সোমবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং শুক্রবার পর্যন্ত সারাদেশে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর ওঠানামা এবং আমদানি ব্যয়ের প্রভাবও স্থানীয় দামে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা।

২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা।

১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা।

সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গয়নার নকশা, কারিগরি মান ও ওজনভেদে মজুরি বাড়তে বা কমতে পারে।

স্বর্ণের বিপরীতে রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি ভোক্তা ও গয়না ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে বিয়ে মৌসুম ও উৎসবের আগে দামের এই ঊর্ধ্বগতি ক্রেতাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ হিসেবেও স্বর্ণের চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ অনিশ্চিত অর্থনৈতিক পরিবেশে অনেকেই নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণে ঝুঁকছেন।

-রাফসান


খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজি শেষ: এলপিজি নিয়ে বড় ঘোষণা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ১৯:৩৪:৪৯
খুচরা বিক্রেতাদের কারসাজি শেষ: এলপিজি নিয়ে বড় ঘোষণা দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে সচিবালয়ে এলপিজি আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই সুখবর জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন যে, এলপিজির বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক হলেও বাজারে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে কিছু খুচরা বিক্রেতা বা রিটেলার বাড়তি দাম নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভোক্তা পর্যায়ে এই ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বাজার মনিটরিং বা নজরদারি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এর ফলে এলপিজির দাম দ্রুতই সরকার নির্ধারিত পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে আমদানিকারকরা তাঁদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার কথা তুলে ধরলে সরকার সেগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেক আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় বাজারে কিছুটা শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে।

যদিও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) নিজস্ব স্টোরেজ সক্ষমতা কিছুটা কম, তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আমদানিকারকদের দাবিগুলো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিচার করা হবে, তবে এই মুহূর্তে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় কোনোভাবেই এলপিজির দাম বাড়ানো হবে না। সরবরাহ চেইন ঠিক রেখে অসাধু ব্যবসায়ীদের মার্কেট অ্যাবিউজ বা কারসাজি রুখতে মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতা আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: