আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির কারণেই আসন ছাড়েননি জামায়াত আমির: রাশেদ খান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ২০:০০:৩৯
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির কারণেই আসন ছাড়েননি জামায়াত আমির: রাশেদ খান
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তাঁর দাবি, এনসিপি নেতা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির কারণেই স্বয়ং জামায়াতে ইসলামীর আমির ঢাকা-১০ আসন ছাড়েননি। আজ রবিবার (৩১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, সাংবাদিকরা যদি কখনো জামায়াত আমিরকে জিজ্ঞেস করেন, তাহলেই এই গোপন বিষয়ের আসল উত্তর পেয়ে যাবেন। জামায়াত আমির যদি প্রকৃত ইমানদার হন, তবে হয় তিনি বিষয়টি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাবেন কিংবা কোনো উত্তর দেবেন না। আসিফ মাহমুদের এই দুর্নীতির বিষয়টি এনসিপির নীতিনির্ধারণী মহলের সবাই খুব ভালো করেই জানে।

বিএনপির এই নেতা আরও উল্লেখ করেন, কৌশলগত বা রাজনৈতিক কারণে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আরেক শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলাম এই তথ্য অস্বীকার করতে পারেন। কিন্তু এটা শতভাগ সত্য এবং এতে বিন্দু পরিমাণ কোনো ভেজাল নেই। আমি একটি বিশেষ সূত্র বা ক্লু ধরে আসিফ মাহমুদ এবং তাঁর এপিএস (APS) মোয়াজ্জেমের এই সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির তথ্য পেয়েছিলাম। এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে আমি সরকারের আরেকজন উপদেষ্টার সঙ্গেও ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছিলাম; তিনিও পুরো ঘটনাটি শুনে চরম অবাক হয়েছিলেন।

শুধু আসিফ মাহমুদই নন, অন্যান্য শীর্ষ তরুণ নেতাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের আঙুল তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, বহুল আলোচিত ডিসি কেলেঙ্কারির তথ্যও মোটেও অসত্য নয় এবং হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম সরাসরি এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এই গোপন তথ্যটি আমি কিছু ক্লুসহ খোদ তাদেরই অত্যন্ত বিশ্বস্ত মানুষদের কাছ থেকে পেয়েছিলাম।

এমনকি এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সবসময় বলতো—আওয়ামী লীগের সম্পদ দখল এবং বিপুল টাকা-পয়সা ছাড়া আগামী দিনে কোনো রাজনীতি করা সম্ভব হবে না। নাহিদ ইসলামের মন্ত্রী পাড়ার সরকারি বাসভবনে বসে যখনই কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হতো, তখন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মুখ থেকে সবসময় এই টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার আলাপটাই সামনে আসত।

প্রশাসনিক দুর্নীতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ মূলত এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সরাসরি পরামর্শ ও সুপারিশেই এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগটি পেয়েছেন। কারণ তিনি আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে কাজ করতেন। ফলে মোহাম্মদ এজাজের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ টাকা-পয়সা সরাসরি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপির দলীয় তহবিলে যায়। এটা এখন রাজনৈতিক মহলে ওপেন সিক্রেট যে, এনসিপির শীর্ষ এক ডজন নেতা বর্তমানে দেশজুড়ে ব্যাপক দুর্নীতির সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।

সারজিস আলমের একটি পুরোনো প্রসঙ্গের অবতারণা করে রাশেদ খাঁন বলেন, দেশবাসী নিশ্চয়ই ভুলে যাননি, সারজিসের কাছে এক ভুক্তভোগী নারীর ৭ লাখ টাকা দেওয়ার সেই ভিডিওর কথা। বিভিন্ন দপ্তরে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৪৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

পোস্টের একদম শেষাংশে এনসিপির চরম সমালোচনা করে বিএনপি নেতা রাশেদ বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদি মৃত্যুর আগে এনসিপির প্রধান ৩টি বড় অপরাধ চিহ্নিত করে গিয়েছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম শীর্ষ অপরাধ হলো এনসিপি সুনির্দিষ্টভাবে দুর্নীতি করেছে। শহীদ ওসমান হাদি নিশ্চয়ই মিথ্যা বলে যাননি? যদি তিনি মিথ্যা বলে থাকেন, তবে এনসিপি সাহস করে প্রকাশ্যে বলুক যে শহীদ ওসমান হাদি মৃত্যুর আগে এনসিপি সম্পর্কে বিষোদগার বা অপপ্রচার করে গেছেন।

/আশিক


আগামীতে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে: ডা. আবদুল্লাহ তাহের

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ১৭:৪৬:১৮
আগামীতে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে: ডা. আবদুল্লাহ তাহের
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, প্রধান বিরোধীদল হিসেবে আগামী দিনে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে। আজ রবিবার (৩১ মে) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত এক বিশাল ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী ফলাফল ও দলীয় অবস্থানের খতিয়ান তুলে ধরে ডা. তাহের বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছে। তবে নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি এবং জোটগতভাবে মোট ৭৭টি আসন লাভ করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রধান বিরোধীদল মানেই হলো যারা আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবে। সেই সুবাদে আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করছি, আগামীতে জামায়াতে ইসলামীই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসবে।

নিজ নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এই এলাকার সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য আমি ১২০ কোটি টাকার মেগা বরাদ্দ এনেছিলাম। বর্তমান নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র তিন মাস পার হয়েছে, এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের জন্য আরও ১০০ কোটি টাকার নতুন বরাদ্দ আনতে সক্ষম হয়েছি। মাত্র তো সরকারের তিন মাস গেল। বিএনপি যদি পূর্ণ পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকে, তবে এই সুষম বরাদ্দের পরিমাণ আগামীতে আরও কয়েকগুণ বাড়বে।

চৌদ্দগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামাজিক অপরাধ প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, চৌদ্দগ্রামের প্রধান ও অন্যতম সমস্যা হলো কিশোর গ্যাং এবং মাদক কারবার। এই পবিত্র মাটিতে এসব অপরাধের কোনো স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের আমি স্পষ্ট ছয় মাসের সময় বেঁধে দিলাম, আপনারা ভালো হয়ে অন্য কোনো বৈধ পেশা বেছে নিন। এরপরও যদি আপনারা এই অন্ধকার পথে থাকেন, তবে ধরে নেওয়া হবে আপনারা ইচ্ছাকৃতভাবেই অপরাধ করছেন।

তিনি আরও বলেন, সমাজে ভালো মানুষের সংখ্যাই চিরকাল বেশি, অপরাধী মাত্র অল্প কয়েকজন। এই অপরাধীদের রুখতে সাধারণ জনগণ যদি একবার ঘর থেকে বের হয়, তবে সমাজ থেকে অপরাধ এমনিতেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। চৌদ্দগ্রামে আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চলবে, এখানে কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।

উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় এই গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় অন্যান্য শীর্ষ নেতারা। অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা এবং ১৩টি ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


জলাতঙ্ক রোগে ভুগছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ভ্যাকসিন না দিলে সুস্থ হবেন না: রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৭ ১৮:৩৭:৫১
জলাতঙ্ক রোগে ভুগছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ভ্যাকসিন না দিলে সুস্থ হবেন না: রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি মন্তব্য করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বর্তমানে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং দ্রুত প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন না দিলে তার সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, হয় কোনো কুকুর তাকে কামড়েছে, না হয় তিনি নিজেই কুকুরকে কামড়েছেন, যার ফলে তিনি এখন খ্যাপা কুকুরের মতো আচরণ করছেন। রাশেদ খাঁনের মতে, কোনো সুস্থ মানুষের আচরণ এমন হতে পারে না এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মানুষ রূপী জানোয়ারে পরিণত হয়েছেন।

আজ বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ খাঁন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন উন্নয়নমুখী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের মানুষের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে তার নেওয়া সামাজিক নিরাপত্তা বলয় ও পরিকল্পনা যেমন—ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগগুলো দেশজুড়ে সমাদৃত হচ্ছে। অথচ এই মানুষটিকে এবং তার কাজকে বিতর্কিত করার জন্য রাজনৈতিক ফাঁপড়বাজ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অবান্তর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, যিনি নিজে অন্যকে সম্মান দিতে জানেন না, তাকে সম্মানিত ভাষায় সম্বোধন করার কোনো সুযোগ নেই।

রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করছেন। একই সাথে তিনি উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক কারণেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতাদের আয়ের উৎস নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তোলেন এই বিএনপি নেতা। দলটির প্রধান আয়ের উৎস চাঁদাবাজি বলে সরাসরি অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দেশের পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির কোরবানি দেওয়া নিয়ে এনসিপি নেতারা প্রশ্ন তুলছেন, অথচ তারা নিজেরা ঢাকার রূপায়ণে বিলাসবহুল অফিস নিয়ে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা ভাড়া দিচ্ছেন। এই বিপুল অঙ্কের টাকা তারা কোথায় পাচ্ছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাশেদ খাঁন আরও বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দামী গাড়িতে চড়ে প্রটোকল নিয়ে ঘুরে বেড়ান। তিনি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা সারজিস আলম ও নাহিদ ইসলামের আয়ের আসল উৎস কী, তা জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানান।

এনসিপি নেতাদের আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক তৎপরতার সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামীর কোনো ধরনের ভূমিকা বা হাত নেই। এই চুক্তিটি সম্পূর্ণভাবে এনসিপি করিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘদিনের মিত্র রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীরও কঠোর সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াত কখনোই এককভাবে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে পারবে না, কারণ তারা এ দেশের স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি হিসেবে পরিচিত। তার দাবি, জামায়াত সব সময় অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে এবং এখন তারা বর্তমান বিএনপি সরকারকে পতনের ভয় দেখাচ্ছে। রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, জামায়াত এবং এনসিপি একত্রে মিলে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, তবে দেশের সচেতন মানুষ এই অপশক্তিকে আর কখনোই গ্রহণ করবে না।

উক্ত রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির হাসান, স্থানীয় উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা তবিবুর রহমান এবং এস এম সামছুল আলমসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


মন্ত্রিত্ব মানেই হীরা-জহরতের ছড়াছড়ি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৭ ১০:৪১:৩০
মন্ত্রিত্ব মানেই হীরা-জহরতের ছড়াছড়ি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ছবি : সংগৃহীত

ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও স্বৈরাচারী নেতাদের অবৈধ সম্পদ অর্জন, বিদেশে অর্থ পাচার এবং তাদের সন্তানদের জৌলুসপূর্ণ ও লাগামহীন বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিস্ফোরক ও কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির অন্যতম শীর্ষ নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই তীব্র আক্রমণ করেন। পোস্টটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়ে যায় এবং দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দেয়।

ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ‘বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব হইলো সোনার পাথরের বাটির মতো। ঘষা দিলেই কুরবানির পশু, ফ্ল্যাট, প্লট, জমি-জমা, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি-বাড়ি, রূপা-মুদ্রা, হীরা-জহরতের ছড়াছড়ি। নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়। কেউ আবার দেশের মাটিতে জায়গা না পেয়ে বিদেশে গিয়ে বাড়ি ক্রয় করে।’ মন্ত্রীদের সন্তানদের আয়হীন অথচ আকাশচুম্বী বিলাসী জীবনযাপন নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘তাদের সন্তানদের দিকে তাকাইলে প্রিন্স উইলিয়ামও লজ্জা পায়।

জিজ্ঞেস করলে— “আয়ের উৎস কী?” উত্তর দেয় -আব্বা। সূর্যের দিকে তাকাইলে যেমন চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, তেমনি এদের জৌলুস আর চাকচিক্যময় সামগ্রীর দিকে তাকাইলেও চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।’ দেশের সরকারি কোষাগার ও জনগণের রক্ত চোষা টাকায় মন্ত্রীদের সন্তানদের আমোদপ্রমোদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আরব শেখদের মতো বাঘ নিয়ে খেলা না করতে পারলেও বাঘিনী নিয়ে খেলা করে। এদের ছোট ছোট আয়েশি খাঁচায় কত ফুল ঝরে পড়ে! এদের ট্যাবলেট চিবানো দেখলে উৎপাদনকারী আরেকটা নতুন ফ্যাক্টরিতে বিনিয়োগ করার সাহস পায়।’

দলের প্রভাব খাটিয়ে এবং নিজস্ব মিডিয়া হাউস ব্যবহার করে যারা সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল বা ভয়ভীতি দেখান, তাদের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন এই নাগরিক নেতা। পোস্টে তিনি বলেন, ‘আবার কেউ কেউ মিডিয়া খুলে ভয় দেখায়— “খাইয়া দিমু”, “জেলে ভইরা দিমু”। এদের দুইটা শখের জায়গা আছে— অর্ধেক রাতারাতি খেলা-বিশেষজ্ঞ হইয়া উঠে, আরেক অর্ধেক সংস্কৃতির মান ইজ্জত ডুবিয়ে দেয়।’

তবে পোস্টের শেষাংশে দেশের হতাশ সাধারণ মানুষকে আশার বাণী শুনিয়ে এবং স্বৈরাচারীদের করুণ পরিণতির ইঙ্গিত দিয়ে পাটওয়ারী বলেন, ‘এতক্ষণ পড়ে মন খারাপ কইরেন না। শ্রীলঙ্কা আর সাম্প্রতিক নেপালে রাস্তায় রাস্তায় তাদের যেই পরিণতি হয়েছিল, ওই থ্রিলারগুলা নেট দুনিয়ায় একটু দেখলেই মন শান্তি হয়ে যাবে। যেখানেই রাজ-রাজ ভাব আর হাংকি-পাংকি দেখবেন, সেখানেই নেপালের উদাহরণ সেট করে দিবেন।’

/আশিক


শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি সস্তা ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয়: রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৬ ২০:২৬:৫৭
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দাবি সস্তা ‘স্ট্যান্ডবাজি’ ছাড়া আর কিছু নয়: রিজভী
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সাম্প্রতিক দাবিকে ‘স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বর’ ও সস্তা রাজনৈতিক ‘স্ট্যান্ডবাজি’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, যদি বিন্দুমাত্র সৎসাহস থাকে, তবে অপরাধ স্বীকার করে শেখ হাসিনার অনতিবিলম্বে দেশে ফিরে আসা উচিত এবং আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচারের মুখোমুখি হওয়া উচিত। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী দেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায় পেরিয়ে নির্বাচিত নতুন বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কাজের সাফল্য এবং ঈদুল আজহার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহীত কঠোর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে এবার দেশের মানুষ অত্যন্ত স্বস্তিতে ও শান্তিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করতে যাচ্ছে। অতীতে ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে যে চরম ভোগান্তি ও চাঁদাবাজির কারণে নিরাপত্তাহীনতা ছিল, এবার তা সম্পূর্ণ দূর করা হয়েছে।

মহাসড়কগুলোর অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দিনরাত তৎপর থাকায় এবার ঈদযাত্রায় কোথাও কোনো বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি।" ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সন্তোষজনক ও নিয়ন্ত্রিত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

নতুন সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রিজভী আরও বলেন, "নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনে আমাদের দল দেশবাসীকে দেওয়া নির্বাচনি ইশতেহার ও সংস্কারসমূহ বাস্তবায়নের যে অভাবনীয় গতি ও তৎপরতা দেখিয়েছে, তা আগামীতেও বজায় থাকবে। দেশের জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবেন।" সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি-সহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

/আশিক


চুক্তি করেছেন আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দায় কেন আমাদের?: আসিফ মাহমুদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৬ ১৯:৫৬:৩৭
চুক্তি করেছেন আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দায় কেন আমাদের?: আসিফ মাহমুদ
ছবি : সংগৃহীত

আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র) সাথে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান কাদা-ছোড়াছুড়ির মধ্যে এক বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়েছেন ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই অসম চুক্তি করার আগে এনসিপির সাথে কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করা হয়নি।

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বড় শরিক দল বিএনপিকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, "আমেরিকার সাথে চুক্তি করেছে আপনাদের (বিএনপির) বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। অথচ আপনারা বারবার জামায়াত, এনসিপি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং অন্যান্যদের ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে আসল অপরাধীদের আড়াল করতে চান।"

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ এই চুক্তির সময়কাল ও প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যখন আমেরিকার সাথে এই বাণিজ্য চুক্তি করা হয়, তখন সেই চুক্তির রূপরেখা বা ধারা সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা বা জানা ছিল না। রাজনৈতিক মহলে বলা হয়ে থাকে, চুক্তি চূড়ান্ত করার সময় নাকি সব রাজনৈতিক দলকে জানানো হয়েছে; কিন্তু আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) এ বিষয়ে বিন্দুমাত্র কিছুই জানানো হয়নি।"

তিনি চুক্তির পেছনে গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, "চুক্তিটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার জন্য আইনগতভাবে ৯০ দিনের একটি দীর্ঘ সময় ছিল। কিন্তু তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (যিনি বর্তমানে বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী) খলিলুর রহমান কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় মাত্র এক মাসের মধ্যেই তড়িঘড়ি করে এই চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আরও তো দুই মাস বাকি ছিল, তাহলে এত তাড়াহুড়ো কিসের ছিল?"

এনসিপির মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মূলত বিএনপির সাথে দীর্ঘদিনের একটি গোপন সমঝোতার ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, "বিএনপির করা চুক্তির দায় যেন বর্তমান নির্বাচিত সরকারের ওপর না পড়ে, সেই সুদূরপ্রসারী কৌশলের অংশ হিসেবেই কি খলিলুর রহমান নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে এই চুক্তিতে সই করেছিলেন? এমন প্রশ্ন এখন দেশের সচেতন জনমনে ঘুরপাক খাচ্ছে।"

আসিফ মাহমুদ স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা মনে করি, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে দিয়ে এই চুক্তি করিয়ে তা সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ঘাড়ে জোড়পূর্বক চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এখন ক্ষমতায় এসে সুকৌশলে বলা হচ্ছে—এই চুক্তি বর্তমান সরকার করেনি, আগের সরকার করেছে। এটা মূলত জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার একটি নোংরা রাজনৈতিক খেলা।"

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে উদ্দেশ্য করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, "খলিলুর রহমান তো এখন আপনাদেরই (বিএনপির) পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তার মানে সহজ কথায়, বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রীই এই চুক্তি করেছেন। এর বাইরে যদি অন্য কোনো সত্য থেকে থাকে এবং চুক্তির যেসব অংশ বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী বলে মনে হয়, তবে সেগুলো অনতিবিলম্বে বাদ দিন বা সংশোধন করুন।

প্রয়োজনে চুক্তিটি পুরোপুরি বাতিল করা হোক; কারণ এর আগে বিশ্বের দুটি দেশ আমেরিকার সাথে তাদের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সরাসরি বাতিল করেছে।" সংবাদ সম্মেলনের শেষ অংশে আসিফ মাহমুদ বিএনপিকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মানুষকে অনবরত ভুলের মধ্যে রাখার জন্য জামায়াত, এনসিপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অন্যায্য কায়দায় দায় চাপানোর এই রাজনৈতিক মনোভাব থেকে তাদের দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে।

/আশিক


নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকিতে এনসিপি নেতা: মতিঝিলের অস্থায়ী কার্যালয় তড়িঘড়ি বন্ধের সিদ্ধান্ত

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৬ ১৮:২২:৫০
নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকিতে এনসিপি নেতা: মতিঝিলের অস্থায়ী কার্যালয় তড়িঘড়ি বন্ধের সিদ্ধান্ত
ছবি : সংগৃহীত

নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে রাজধানী মতিঝিলের অস্থায়ী কার্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছেন ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ ও জরুরি পোস্টে তিনি এই সিদ্ধান্ত জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। এখন থেকে তাঁর সমস্ত রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নতুন একটি স্থায়ী কর্পোরেট ঠিকানায় পরিচালিত হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর ফেসবুক পোস্টে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "অনিবার্য ও গুরুতর নিরাপত্তাজনিত কারণে মতিঝিলের হোটেল পারাবাতের গ্যারেজে অবস্থিত আমাদের এতদিনের অস্থায়ী অফিস কার্যক্রম আজ থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করা হলো। এখন থেকে আমাদের সব ধরনের সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম রূপায়ণ টাওয়ারের ১৫ তলায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।" তিনি ঢাকা-০৮ (মতিঝিল-পল্টন) আসনের সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ, দলীয় নেতা-কর্মী এবং দেশের সব শুভাকাঙ্ক্ষীকে যেকোনো প্রয়োজনে এই নতুন ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিনীত ও আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের পূর্ণ আস্থা, রাজনৈতিক শালীনতা, নিরাপত্তা রক্ষা এবং গণমানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার নিয়েই তাঁদের এই রাজনৈতিক পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নতুন কার্যালয় স্থানান্তরের পাশাপাশি নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি কঠোর সতর্কবার্তাও জুড়ে দিয়েছেন এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "অফিস স্থানান্তরের এই প্রকাশ্য ঘোষণার পর কেউ যদি পুরোনো ঠিকানায় (হোটেল পারাবাতের গ্যারেজ) গিয়ে কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, সন্ত্রাসী হামলা, আইনি মামলা বা ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হন, তবে তার জন্য সেই ব্যক্তি নিজেই সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবেন। এর কোনো দায়ভার দল বা কর্তৃপক্ষ নেবে না।" উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবাইকে নিজেদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

/আশিক


আমি কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্য ছিলাম না: এনসিপি 

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৬ ১৮:০৩:২৭
আমি কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্য ছিলাম না: এনসিপি 
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের এক সাক্ষাৎকারে ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ (ছায় সরকার) থাকার গোপন তথ্য ফাঁসের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই কিচেন ক্যাবিনেটের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে যার দিকে সবচেয়ে বেশি অভিযোগের আঙুল উঠছিল, সেই ছাত্রনেতা থেকে উপদেষ্টা বনে যাওয়া এবং বর্তমান এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া অবশেষে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন।

আজ মঙ্গলবার (২৬ মে ২০২৬) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের সংশ্লিষ্টতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে উল্টো বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বড় শরিক দল বিএনপির ওপর সব দায় চাপিয়েছেন। একই সাথে রাজনীতি ও কূটনীতি ছাড়িয়ে ক্রিকেট প্রশাসন নিয়েও বিএনপির বিরুদ্ধে ‘পরিবারকরণ’-এর গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন সাবেক এই ক্রীড়া উপদেষ্টা।

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভেতর কোনো কিচেন ক্যাবিনেট বা বিশেষ চক্রের সদস্য তিনি কখনোই ছিলেন না। তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে যে কানাঘুষা ও গুঞ্জন চলছিল, তা ভিত্তিহীন। এছাড়া, অতি সম্প্রতি আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের যে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি সই হয়েছে, তার সাথেও নিজের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকার কথা দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন তিনি।

আসিফ মাহমুদের দাবি, এই বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তাঁর দল এনসিপির সাথে তৎকালীন বা বর্তমান সময়ে কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা করা হয়নি। তিনি অভিযোগের তির ছুড়ে বলেন, "বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (যিনি তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন) খলিলুর রহমান মূলত বিএনপির পরামর্শে ও প্রেসক্রিপশনে এখন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর এই চুক্তির দায় চাপাচ্ছেন।"

আসিফ মাহমুদ বিস্ফোরক তথ্য দিয়ে দাবি করেন, এই আমেরিকার সাথে চুক্তিটি আসলে পর্দার আড়ালে থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান করিয়েছেন। তিনি আরও যোগ করেন, "এই চুক্তির কোনো ধারা যদি বিতর্কিত মনে হয়, তবে তা সংশোধন করার দায়িত্ব বর্তমান বিএনপি সরকারের, তারা চাইলে এটি বাতিলও করতে পারে; কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বিশ্বের অনেক দেশই এর আগে চুক্তি বাতিল করেছে।"

কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ের পর আসিফ মাহমুদ দেশের ক্রীড়াঙ্গন, বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে ধনী ও জনপ্রিয় ক্রীড়া সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচন ও পুনর্গঠন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। সাবেক এই যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, এবারের বিসিবি নির্বাচনে যারা কাউন্সিলর হয়েছেন, তাদের একজনও নিজের ক্রিকেটীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতায় আসেননি; সবাই এসেছেন মূলত রাজনৈতিক ও ‘বাবার পরিচয়ে’।

ক্রীড়াঙ্গনকে পরিবারকরণ করার জন্য সরাসরি বিএনপিকে দায়ী করে তিনি বলেন, "আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আমরা বিসিবিসহ দেশের প্রতিটি ক্রীড়া ফেডারেশনে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে যোগ্য, দক্ষ ও সাবেক ক্রীড়াবিদদের কাউন্সিলর হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। অথচ এখন খেলাধুলাকে পারিবারিক সম্পত্তিতে রূপ দেওয়া হচ্ছে।" এনসিপির মুখপাত্রের এমন আক্রমণাত্মক বক্তব্যের পর রাজনৈতিক ও ক্রীড়া পাড়ায় নতুন করে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

/আশিক


আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বর্তমান সরকার: হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৫ ২০:২৫:১০
আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বর্তমান সরকার: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা এবং নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমান নির্বাচিত বিএনপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশ প্রশাসন ও দেশের বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতোই পুলিশকে নিজেদের দলীয় লাঠিয়াল বাহিনীতে পরিণত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আজ সোমবার (২৫ মে ২০২৬) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে স্থানীয় জেলা এনসিপি আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে (প্রেস কনফারেন্স) তিনি এসব কড়া বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ এনে বলেন, "জেলা আদালতগুলোতে কী রায় হবে, বা কে জামিন পাবে—তার সব কিছু এখন সরাসরি ঢাকা থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর সরকারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ শুরু হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।" তিনি আরও বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের সাধারণ জনগণ আশা করেছিল পুলিশ কোনো দলের নয়, বরং জনগণের প্রকৃত বাহিনী হবে। কিন্তু বাস্তবে অত্যন্ত দুঃখের সাথে দেখা যাচ্ছে যে, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখনো দলীয় সমর্থকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ মে ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এনসিপি ও ছাত্রদলের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি মামলা দায়েরের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ছাত্রদলের দায়ের করা মামলায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিবসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই মূলত আজ পায়রা চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ যেভাবে বিচার, আদালত ও পুলিশকে নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানিয়েছিল, বর্তমান সরকারও যদি একই পথে হাঁটে তবে দেশের সচেতন জনগণ তা কখনোই মেনে নেবে না। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আজ আমরা নিজেরাই ক্ষমতার লোভে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছি, অথচ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এমন ভ্রাতৃঘাতী পরিস্থিতি হওয়ার কথা ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা। সংবাদ সম্মেলন শেষেই এনসিপির কয়েক শত নেতাকর্মী ঝিনাইদহ শহরে একটি বিশাল প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

প্রসঙ্গত, ছাত্রদল নেতার দায়ের করা মামলায় গত রবিবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা তারেক রেজা; তবে আজ সোমবার সকালেই ঝিনাইদহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করায় তিনি কারামুক্ত হয়ে সরাসরি এই সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

/আশিক


হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে বেইমানির বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৫ ২০:০০:০১
হাসনাত-সারজিসের বিরুদ্ধে বেইমানির বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের ভেতরের সমীকরণ নিয়ে এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই শীর্ষ সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের বিরুদ্ধে জাতির সাথে বেইমানির এক গুরুতর ও বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। আন্দোলন চলাকালীন শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্য সমন্বয়কদের সাথে হাতাহাতি পর্যন্ত করেছিলেন এবং তাঁরা ডিবি কার্যালয়ে বিশেষ সুবিধা ভোগ করেছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি। আজ সোমবার (২৫ মে ২০২৬) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক চাঞ্চল্যকর পোস্টে তিনি এসব দাবি করেন এবং এর সপক্ষে একটি কথিত অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন।

রাশেদ খাঁন তাঁর ফেসবুক পোস্টে সরাসরি লেখেন, "শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে অন্য সমন্বয়কদের সাথে হাসনাত আব্দুল্লাহর হাতাহাতি পর্যন্ত হয়েছে! নাহিদ-আসিফ ডিবিতে মার খেতো, আর হাসনাত-সারজিস ডিবি কার্যালয়ের পুকুরপাড়ে জুস খেত।" এই জুস খাওয়ার নেপথ্যের কারণ ও গোপন সমঝোতা ফাঁস করার দাবি জানিয়ে পোস্টে একটি অডিও ক্লিপ আপলোড করেন তিনি। একই সাথে বিএনপির সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, "আমি বিএনপির এমপিদেরকে বলবো, সংসদে সে (হাসনাত) যখন বেশি কথা বলবে, তখন এই অডিওটা বেশি বেশি বাজাবেন।"

হাসনাত ও সারজিসকে 'আওয়ামী লীগের পক্ষের লোক' আখ্যা দিয়ে রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় নিজেদের অবক্ষয় ও দুর্বলতা লুকানোর জন্যই মূলত তারা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করে মাঠ গরমের চেষ্টা করছে। তিনি আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা শপথ নেওয়ার আগেই গত ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট রাত ২টার দিকে বলেছিলেন যে হাসনাত-সারজিস জাতির সাথে বেইমানি করেছে।

এই অডিও ক্লিপটি সেই বেইমানিরই কিঞ্চিৎ প্রমাণ। বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের লেখা বইয়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বইটিতে গণঅভ্যুত্থানের শুধুমাত্র ইতিবাচক দিকটা উঠে এসেছে, কিন্তু হাসনাত-সারজিসের বেইমানির ইতিহাসটা আড়াল করা হয়েছে। বইটির পরবর্তী সংস্করণে এই সত্য উঠে না এলে একাত্তরের মতো চব্বিশের ইতিহাসও বানোয়াট ইতিহাসে রূপ নেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এই বিএনপি নেতা। রাশেদ খাঁনের এই বিস্ফোরক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ও তোলপাড় শুরু হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬: কোন গ্রেডের মূল বেতন কত টাকা বাড়ছে? দেখে নিন তালিকা

নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬: কোন গ্রেডের মূল বেতন কত টাকা বাড়ছে? দেখে নিন তালিকা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা... বিস্তারিত