পাকিস্তানকে একঘরে করার মোদির ১০ বছরের নীতি ব্যর্থ ও বুমেরাং: আল-জাজিরা

ইসলামী বিশ্ব ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং ভারতের একঘরে করার নীতির অকার্যকারিতা নিয়ে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা এক চাঞ্চল্যকর বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ও ঘোষিত লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পূর্ণ একঘরে বা ‘ডিপ্লোম্যাটিক আইসোলেশন’-এ ফেলা। বিশেষ করে ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর এবং ২০১৬ সালের উরি হামলার পর থেকে দিল্লির এই আক্রমণাত্মক নীতি আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। দিল্লির কৌশল ছিল বিশ্বমঞ্চে পাকিস্তানকে “সন্ত্রাসবাদে মদদদাতা রাষ্ট্র” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করে দেওয়া।
তবে আল-জাজিরার সাম্প্রতিক এক গভীর বিশ্লেষণ বলছে, মোদি সরকারের গত এক দশকের এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি ভারতের জন্য উল্টো ফল বা ‘বুমেরাং’ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পাকিস্তান আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে উল্টো বিশ্বমঞ্চে নতুন নতুন শক্তিশালী অংশীদারিত্ব ও কূটনৈতিক জোট গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।
ভারত শুরু থেকেই চেষ্টা করেছে আন্তর্জাতিক বড় বড় ফোরামে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে। জাতিসংঘ (UN), জি-টোয়েন্টি (G20), সার্কসহ (SAARC) বিভিন্ন বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক-এর কার্যক্রম বর্তমানে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, কারণ ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৬ সালের পর ভারত ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিতব্য সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বর্জন করলে এই আঞ্চলিক সংগঠনটির মেরুদণ্ড আরও দুর্বল হয়ে পড়ে।
দিল্লির পাকিস্তান-কেন্দ্রিক কৌশলের মূল তিনটি দিক ছিল—প্রথমত, পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা; দ্বিতীয়ত, পরাশক্তিগুলোর কাছে পাকিস্তানের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে আনা; এবং তৃতীয়ত, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কূটনৈতিক কাঠামোয় ভারতের একক প্রভাব বৃদ্ধি করা। শুরুতে এই কৌশল অনেকটাই কার্যকর মনে হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।
আল-জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারতের এই নীতি ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম বড় চালিকাশক্তি হলো চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের অভাবনীয় গভীরতা ও মেগা বিনিয়োগ। চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI)-এর অংশ হিসেবে ‘চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (CPEC) প্রকল্প পাকিস্তানের অর্থনীতি ও অবকাঠামো খাতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের দুয়ার খুলে দেয়। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জ্বালানি, শক্তি খাত এবং গভীর সমুদ্রবন্দরের মতো যোগাযোগ ব্যবস্থায় পাকিস্তান ব্যাপক উন্নয়ন সহযোগিতা পায়। ফলে ইসলামাবাদের জন্য বেইজিংয়ের ভেটো ও সমর্থন আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি শক্তিশালী কূটনৈতিক ঢাল হিসেবে কাজ করছে।
অন্যদিকে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রও ভূ-রাজনৈতিক কারণে পাকিস্তানকে পুরোপুরি উপেক্ষা বা অবহেলা করতে পারেনি। আফগানিস্তানের জটিল পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং দীর্ঘদিনের সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতার কারণে ওয়াশিংটনকে সবসময়ই ইসলামের সঙ্গে একটি কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখতে হয়েছে। আল-জাজিরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল সবসময় ভারসাম্যপূর্ণ ছিল—ভারতকে কৌশলগত মূল অংশীদার হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হলেও পাকিস্তানকে তারা কখনোই পুরোপুরি ফেলে দেয়নি।
এই বৈশ্বিক মেরুকরণের মধ্যেই পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যের পরাশক্তি ও প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক আরও জোরদার করেছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং কাতারের মতো ধনী দেশগুলোর সঙ্গে বিশাল অর্থনৈতিক ও শ্রমবাজার-ভিত্তিক অংশীদারিত্ব ইসলামাবাদের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে। বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি রেমিট্যান্স যোদ্ধা মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত থাকায় এই সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক নয়, বরং অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে রূপ নিয়েছে। আল-জাজিরা স্পষ্ট করেছে যে—চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের এই তিনটি বড় আন্তর্জাতিক সংযোগই পাকিস্তানকে একটি “পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র” হওয়া থেকে রক্ষা করেছে।
ভারতের কৌশল ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি বড় তাত্ত্বিক কারণ হলো বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য পরিবর্তন। আজকের আন্তর্জাতিক বিশ্ব আর এককেন্দ্রিক (Unipolar) নয়; বরং এটি বহুকেন্দ্রিক বা মাল্টিপোলার (Multipolar) হয়ে উঠছে। ফলে আধুনিক বিশ্বে কোনো একটি দেশের পক্ষে অন্য কোনো সার্বভৌম দেশকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন বা অবরুদ্ধ করা প্রায় অসম্ভব। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এখন নিখাদ স্বার্থ এবং ‘চয়েস বেসড অ্যালায়েন্স’ বা সুবিধাভিত্তিক জোটের ওপর নির্ভরশীল, যেখানে দেশগুলো কোনো একক ব্লকে না থেকে একাধিক পক্ষের সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বজায় রাখে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত পাকিস্তানকে একঘরে করতে গিয়ে আঞ্চলিক কূটনীতিতে কিছুটা একক বা আইসোলেটেড অবস্থানে চলে গেছে, যা শেষ পর্যন্ত ভারতের নিজের কূটনৈতিক নমনীয়তা (Diplomatic Flexibility) অনেক কমিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামো ভেঙে পড়ায় ভারতের নিজের চারপাশেই দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল বা শ্রীলঙ্কার মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোও এখন বহুমাত্রিক কূটনীতি পছন্দ করছে।
২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলা এবং পরবর্তী সময়ে বালাকোট বিমান হামলার পর দুই দেশের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছালেও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো এই পরিস্থিতিতে সরাসরি ভারতের পক্ষ না নিয়ে বরং উভয় পক্ষকে সংযম ও আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিল। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ভারতের এই পাকিস্তান নীতি অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার পরিবর্তে তাৎক্ষণিক অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ফায়দা ও বার্তা তৈরির দিকে বেশি ঝুঁকেছিল।
আল-জাজিরা উপসংহারে বলেছে, মোদির এই নীতি পাকিস্তানকে দুর্বল করার বদলে তাকে নতুন কূটনৈতিক স্পেস ও সুযোগ তৈরি করতে পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছে। চীন, তুরস্ক, সৌদি আরব এবং কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক পাকিস্তানকে একটি বহুমাত্রিক কূটনৈতিক অবস্থানে নিয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক মুক্তি কোনো সংঘাত বা একঘরে করার নীতিতে নয়, বরং সংলাপ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ওপরই নির্ভর করবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
দিল্লিতে রেড অ্যালার্ট জারি, ১৫টি বিমান ঘুরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ
টানা ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের কারণে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় দিল্লির বিভিন্ন অঞ্চলে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোর থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিপাতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও নিম্নাঞ্চলে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার বড় প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলেও। দৃশ্যমানতা হ্রাস এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরমুখী অন্তত ১৫টি উড়োজাহাজ জরুরি ভিত্তিতে জয়পুর, চণ্ডীগড় ও লখনৌ বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে (ডাইভার্ট) দেওয়া হয়েছে।
জলাবদ্ধতার ফলে সঙ্গম বিহারের কাছে এমবি রোড, বিমানবন্দরমুখী প্রধান সড়ক এবং সাকেত কোর্ট সংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ১৮ থেকে ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে দিল্লির ছতরপুর অঞ্চলে। সারা দিন রাজধানীতে বজ্রসহ মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ এবং দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দিল্লির পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী গুরুগ্রাম ও ফরিদাবাদ অঞ্চলের জন্যও ‘কমলা সতর্কতা’ (অরেঞ্জ অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে।
সূত্র: আনন্দবাজার
বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্বের ঘোষণা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ধর্মীয় নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় আবেদন করা শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যেই ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার (২১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে তিনি এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে অমিত শাহ স্পষ্ট করেন, বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন সম্প্রদায়ের শরণার্থীরা আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব লাভ করবেন। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় রাজ্য প্রশাসনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ক্ষমতাও অর্পণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সিএএ-এর অধীনে জমা পড়া যোগ্য আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গের আটটি জেলার জেলা সংগ্রাহকদের বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সাথে আবেদনকারী সকল শরণার্থীকে পূর্ণ মর্যাদার সঙ্গে নাগরিকত্ব প্রদানের নিশ্চয়তা দেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বুধবার ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের আটটি সীমান্তবর্তী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জেলা সংগ্রাহকদের সিএএ সংক্রান্ত বিচারাধীন আবেদনগুলো সরাসরি যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তির কর্তৃত্ব প্রদান করে। পূর্বে এই আবেদনগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের শুমারি বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা (আইবি) ও ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হতো।
নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ও দলটির নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতীতের অবস্থানের সমালোচনা করে অমিত শাহ বলেন, অতীতে যখন এই আইন আনা হয়েছিল, তখন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা বাস্তবায়ন হতে না দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, বিরোধিতার কারণে তৃণমূল সরকারকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে এবং বর্তমানে রাজ্যে বিজেপি সরকার দায়িত্বে রয়েছে। এর পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাজ্য থেকে সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে বিতাড়িত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, দ্বিপক্ষীয় সফর ছাড়াও ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সফর নিয়ে বর্তমানে নতুন কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই এবং কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।
একই সঙ্গে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের দেওয়া চিঠি এবং অতিরিক্ত জ্বালানি চাহিদার আবেদন ভারত খতিয়ে দেখছে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়। বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে মুখপাত্র উল্লেখ করেন, ডিজেল সরবরাহের বিদ্যমান চুক্তিটি অব্যাহত রয়েছে। তবে নতুন করে অতিরিক্ত সরবরাহের বিষয়টি ভারতের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ চাহিদা, তেল শোধন সক্ষমতা এবং সার্বিক প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে পর্যালোচনা করা হবে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছে। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই সফরের জন্য উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত হওয়া জরুরি, যা ভারতকে স্পষ্টভাবে অবহিত করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের কারণে সফরের অনুকূল পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে বলে ঢাকা মনে করে। ফলে সফরের পরবর্তী পদক্ষেপে পারস্পরিক আস্থাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বাংলাদেশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার চর্চা না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মেনে সব রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখবে সরকার। প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
/আশিক
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে নয়া দিল্লির ইতিবাচক পদক্ষেপ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকের পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরের পাশাপাশি আসন্ন ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নয়া দিল্লিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ পাঠায় দিল্লি। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশ বর্তমানে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্বে থাকায় আগামী সেপ্টেম্বরে নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ‘আউটরিচ সেশন’-এ অংশগ্রহণের জন্য তাকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের মধ্যকার বৈঠককে গঠনমূলক ও ইতিবাচক অভিহিত করে জয়সওয়াল উল্লেখ করেন যে, আলোচনায় দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের আয়োজনে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ব্রিকসের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের প্রধানদের এই সম্মেলনে আমন্ত্রণের অংশ হিসেবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমসটেক সভাপতি হিসেবে তারেক রহমানকে এই আমন্ত্রণ জানান। গত ১৪ জুলাই ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংক্রান্ত কূটনৈতিক পত্রটি হস্তান্তরিত হয়।
/আশিক
হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে ইট-পাথর নিক্ষেপ, প্রাণরক্ষার দাবি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার হালিশহর এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়লে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ইট ও পাথর ছোড়ে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এনডিটিভির বরাতে জানা যায়, পুলিশের হেফাজতে মারা যাওয়া দলীয় এক কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে হালিশহরে যাচ্ছিলেন তিনি।
হালিশহরে পৌঁছানোর পর বিক্ষোভকারীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং ‘চোর ভাগাও’ স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় গাড়িতে কাদা ছোড়ার পাশাপাশি জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
ঘটনার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মমতা বলেন, গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে ইট ও পাথরের আঘাতে তাঁর মাথা ফেটে মারাত্মক অঘটন ঘটতে পারত। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই বাইরে থেকে আসা কিছু সমাজবিরোধী উপাদান তাঁর গাড়িতে পাথর ছুড়েছে এবং পুলিশ তাঁকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গাড়িতে থাকা তৃণমূলের লোকসভা সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সদস্য দোলা সেনও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে, পুলিশের সহায়তায় বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী পুরো বিষয়টি পরিচালনা করছেন।
তবে এই হামলার ঘটনায় দলীয় সম্পৃক্ততার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এ ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, তাঁদের দল এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত নয়। একই সঙ্গে ঘটনাটির তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারত সরকারের আলটিমেটামের মুখে নতিস্বীকার, ভুল স্বীকার করল মেটা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের প্রতি যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট প্রচার ও অন্যান্য পরিচালনাগত ত্রুটির দায়ে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ। বুধবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এক বিশেষ সূত্রের বরাত দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করে।
সংবাদটির তথ্যমতে, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িকভাবে মুছে দেয় মেটা। এই ঘটনার পরপরই মেটা কর্তৃপক্ষকে জরুরি তলব করে ভারত সরকার। সরকারের এই তলবের পেক্ষিতে মেটার একটি বৈশ্বিক প্রতিনিধি দল ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সাথে সাক্ষাৎ করে এবং তাঁর মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে জাকারবার্গের ক্ষমা প্রার্থনার বার্তাটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।
সূত্র থেকে জানা গেছে, উক্ত বৈঠকে মেটা প্রতিনিধি দলকে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের কিছু কঠোর দিক মনে করিয়ে দেওয়া হয়। ভারত সরকার স্পষ্ট করে জানায় যে, মেটা কেবল একটি 'মধ্যস্থতাকারী' (Intermediary) প্ল্যাটফর্ম হতে পারে না, কারণ অ্যালগরিদমের মাধ্যমে কোন কনটেন্ট কে দেখবে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সেই কারণে তারা আইটি আইনের 'সেইফ হারবার' বা আইনি সুরক্ষার সুবিধার আওতাভুক্ত হবে না।
আলোচনাকালে মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেন যে, বেশ কিছু বিতর্কিত ও নির্দিষ্ট কনটেন্টের প্রচার বাড়াতে প্রমোশন বা বুস্টিংয়ের কাজে বিপুল অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বেআইনি ও অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট প্রচারে নিজেদের গাফিলতি ও ভুল প্রকাশ্যে মেনে নিয়েছে মেটা।
তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হচ্ছে না, মেটার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরবর্তীতে পুনরায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তলব করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্রের খবর। এর পূর্বে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও মুছে ফেলার ইস্যুতে জাকারবার্গকে তিন দিনের চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত সরকার; এবং ওই সময়ের মধ্যে ক্ষমা চাওয়া অথবা দায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল।
/আশিক
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের আয়োজনে সম্পৃক্ততা নেই দিল্লির: রণধীর জয়সোয়াল
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ভারতের বেসরকারি সংগঠন ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া’ (এফসিসি সাউথ এশিয়া)-এর একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অডিও বক্তব্য প্রদান প্রসঙ্গে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব আয়োজন এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের প্রশাসনিক বা কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিল্লিতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, উক্ত ফোরামে ব্যক্ত করা কোনো মতামত বা রাজনৈতিক বক্তব্যকে ভারত সরকার সমর্থন করে না।
অন্যদিকে, একই দিনে সকালে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছেন, বিচারাধীন বিষয়ে আদালতের নির্দেশ মেনে কোনো দেশীয় গণমাধ্যম যেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচার না করে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো গণমাধ্যম যদি শেখ হাসিনার বক্তব্যের আগাম প্রচার বা পরবর্তীতে অডিও-ভিডিও সম্প্রচার করে, তবে তা আদালতের অবমাননা হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আরও যোগ করেন, বিচারালয়ের রায় বা নির্দেশনা কার্যকর রাখা প্রতিটি নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনো পক্ষ যদি আদালতের এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে চান, তবে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ রয়েছে; তবে স্থগিতাদেশ বহাল থাকা অবস্থায় তা অমান্য করার সুযোগ নেই।
/আশিক
প্রশ্নফাঁস আন্দোলনে সহিংসতার পেছনে জামায়াত ও বিদেশি শক্তির হাত: শুভেন্দু অধিকারী
ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত আন্দোলন ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় ‘বিদেশি মদদপুষ্ট ইসলামপন্থি মৌলবাদী’ গোষ্ঠীর ইন্ধন ও সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তিনি দাবি করেছেন, আন্দোলনে সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বড় অংশই কোনো শিক্ষার্থী নন; বরং তারা জামায়াতপন্থি মৌলবাদী চক্রের সদস্য। এসব নাশকতাকারীর পেছনে কোনো প্রভাবশালী বিদেশি শক্তির সমর্থন বা অর্থায়ন ছিল কি না, তা দেশটির তদন্তকারী সংস্থাগুলো খতিয়ে দেখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (২৬ জুলাই) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সহিংসতায় লিপ্ত হওয়া এই ব্যক্তিদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনোভাবেই শিক্ষার্থী নন, তারা মূলত জামায়াতি মৌলবাদী। তাদের পেছনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রত্যক্ষ মদদ ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।”
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার বিতর্কিত 'নিট' (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে বামপন্থি সমর্থিত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ একপর্যায়ে লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের পর সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের সদ্য প্রণীত কঠোর ‘অ্যান্টি-গুন্ডা’ আইন প্রয়োগ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে প্রশাসন। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যারা রাজপথে এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে, যা তাদের পরবর্তী তিন প্রজন্মও আজীবন মনে রাখবে।”
এর আগে বিধানসভার অধিবেশনেও তিনি দাবি করেছিলেন যে, সহিংস বিক্ষোভস্থল থেকে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৭০ জন ব্যক্তির কেউই প্রকৃত শিক্ষার্থী নন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী মূল আন্দোলনের সঙ্গে তাদের সুনির্দিষ্ট কোনো যোগসূত্র নেই।
শুভেন্দু অধিকারীর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, ওবিসি সনদ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশনাবলী বাস্তবায়ন, গবাদিপশু জবাই-সংক্রান্ত আইন জোরদার করা এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা উসকে দিয়ে থাকতে পারে।
বিক্ষোভ চলাকালীন পেশাগত দায়িত্ব পালনরত এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা টেনে তিনি অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের ইচ্ছাকৃতভাবে নিশানা করা হয়েছিল এবং এমনকি তাদের প্রাণনাশেরও চেষ্টা চালানো হয়েছিল।
অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান ছাত্র অসন্তোষের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার সোমবার লোকসভায় ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ উত্থাপনের জোর প্রস্তুতি নিয়েছে। এই প্রস্তাবিত আইনে পরীক্ষা সংক্রান্ত জালিয়াতির দ্রুত বিচারের স্বার্থে প্রতিটি রাজ্যে ডেডিকেটেড ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ আদালত গঠন, নির্ধারিত দুই মাসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা এবং দোষীদের ন্যূনতম ৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
সরকার পক্ষ জানিয়েছে, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে তরুণ শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই এই আইনি সংশোধনী আনা হচ্ছে। তবে আন্দোলন পরিচালনাকারী দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) শনিবার তাদের টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা প্রদান এবং তাদের অন্যান্য যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার কারণেই তারা আন্দোলন স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া
শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর এবার দিল্লিতে সরকার পতনের ডাক
ভারতে চলমান পরীক্ষাসংক্রান্ত অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দেশটির নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার সময় এসে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিক্ষোভের তোপের মুখে শনিবার (২৫ জুলাই) পদত্যাগপত্র জমা দেন শিক্ষামন্ত্রী।
শনিবার সকালে নয়াদিল্লিতে ১০ জনপথের নিজস্ব বাসভবনে আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থীর সঙ্গে কুশল বিনিময় ও বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি সংবিধান, গণতন্ত্র ও নিজেদের ক্যারিয়ার সুরক্ষায় রাজপথে নামা সব তরুণ শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান। রাহুলের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনাটি দেশটির শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে এক বিশাল সাফল্য।
শিক্ষামন্ত্রী সরে দাঁড়ালেও মূল আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি দাবি করে রাহুল গান্ধী জানান, তাদের প্রধান দুটি দাবি এখনো অপূরণীয়। প্রথমত, দেশটির সার্বিক ভবিষ্যৎ ও ছাত্রসমাজের সম্মানার্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর যে ধরনের সহিংসতা চালানো হয়েছে, তাতে জড়িত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমাজের অবহেলিত কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নবিত্তদের উদ্দেশে তিনি সংবিধানে দেওয়া অধিকারে অটল থাকার আহ্বান জানান এবং বর্তমান সরকারকে অপসারণের সময় এসেছে উল্লেখ করে কাউকে ভয় না পাওয়ার বার্তা দেন।
অন্য দিকে টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে শনিবার এক্সে নিজের পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জানান, দেশের কোটি তরুণের ভবিষ্যৎ রক্ষা এবং যন্তর মন্তরের বিদ্যমান উত্তাল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো রাষ্ট্রবিরোধী গোষ্ঠী যাতে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন। উল্লেখ্য, সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করার পরদিনই পদত্যাগের এই ঘোষণা এল।
শিক্ষামন্ত্রীর বিদায়ের পর যন্তর মন্তরের প্রতিবাদী মঞ্চ থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে ধন্যবাদ জানান সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত ১৫ মে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনি শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত তরুণদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন, তা থেকেই এই গণআন্দোলনের সূচনা হয়। প্রধান বিচারপতি পরবর্তীতে স্পষ্ট করেছিলেন যে তার বক্তব্যটি ভুয়া আইনি ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে ছিল এবং গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবে সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নজিরবিহীন ছাত্র অসন্তোষের জন্ম দেয়।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।
পাঠকের মতামত:
- ভাষা পরীক্ষা ছাড়াই কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের ই-৭-৪ ভিসা পাওয়ার সুযোগ
- নেদারল্যান্ডসের পরীক্ষাকেন্দ্রে ধরা পড়ল ট্রাম্পের মুখের ছাপযুক্ত বিপজ্জনক বড়ি
- ইরানের অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা
- নেপালে বন্যায় ৬৬৯ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ
- ছয় মাসে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, লোডশেডিং ও বেকারত্ব বাড়ছে: চরমোনাই পীর
- জ্বালানি সংকট বিগত ১৭ বছরের উত্তরাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তিতুমীর
- সামান্য ভুলেই বেহাত হতে পারে ফোনের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য
- মাঠে অনন্য এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
- বহু প্রতীক্ষিত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হচ্ছে অ্যাপল, রয়েছে বড় চমক
- রয়্যাল রিসোর্টে আমাকে হত্যার নীলনকশা করেছিল আওয়ামী লীগ: মামুনুল হক
- মাত্র আধা ঘণ্টাতেই নিশ্চিহ্ন জনপদ, ভয়াবহ দুর্যোগের বিবরণ ত্রাণকর্মীদের
- রাজধানীর ট্রাফিক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ কঠোর সিদ্ধান্ত
- নেপালে ১০ কর্মীকে উদ্ধারের পর নিখোঁজ বাকি ৯ জনের সন্ধানে দক্ষিণ কোরিয়া
- সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন আর্থিক রূপরেখা
- আন্তর্জাতিক বাজারে বড় দরপতন: ধাক্কা খেল মূল্যবান ধাতুর বাজার
- বিদ্যুৎ সংকট অব্যাহত: সন্ধ্যার পিক আওয়ার নিয়ে নতুন পূর্বাভাস
- আত্মত্যাগীদের পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
- নেপালে বিপর্যয়: শত শত মৃত্যু, নিখোঁজ ১৪০০
- দুদকের দুই মামলায় খালাস পেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন
- সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব: ১০ দিনের নতুন আবহাওয়া বার্তা
- অর্থসংকটে অনিশ্চিত মেডিকেল ভবিষ্যৎ: শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
- সংসদের অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা
- কম বয়সেই বাড়ছে নীরব ঘাতক রোগ: জেনে নিন সুরক্ষার উপায়
- বাঁধ ভাঙার অভিযোগ নাকচ চীনের: নেপালকে হিমবাহ ধসের তথ্য দিল ইউএসজিএস
- ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা ঘিরে নতুন জটিলতা: বড় তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
- নেপালে আরও একটি কৃত্রিম লেক ফেটে বন্যার শঙ্কা: চীনের সতর্কতা
- এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশ: চূড়ান্ত হলো গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ
- বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানালেন বিশ্বনেতা
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত: দ্রুত আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
- বিদ্যুৎ-গ্যাস এখন ‘টুকু আসে, টুকু যায়: রুমিন ফারহানা
- ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের প্রমাণ মেলেনি: আইএইএ প্রধান
- মক্কা চুক্তি মুসলিমদের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, উদ্বেগের কারণ নেই: খলিলুর রহমান
- এটা প্রশ্ন না পল্টনের বক্তৃতা: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২০১০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধ্বংসস্তূপে চলছে সন্ধান: প্রাণহানি ছাড়াল তিন শতাধিক
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাস
- বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান আযাদ
- ১০০ মিটারের স্প্রিন্টে অভাবনীয় কীর্তি: রোবটের দৌড়ে বিশ্ব তোলপাড়
- চার বছরের বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরে বক্স অফিসে ঝড়
- স্বামীকে প্রবাসে রেখে দেশে ফিরেই নতুন বিয়ে, চার সন্তানের জননীর
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষায় জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দিলেন শীর্ষ কূটনীতিকরা
- নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে প্রবল বন্যা: ৫৫ জনের প্রাণহানি ও শতাধিক নিখোঁজ
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় খবর: চূড়ান্ত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রজ্ঞাপন
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা: যেসব বিষয়ে নির্ভরতা বিপজ্জনক
- স্বর্ণের দামে নতুন মোড়, সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়
- চার বছর পর আবারও ঢাকায় আসছেন জনপ্রিয় বিদেশি সংগীতশিল্পী
- রাতের আকাশে দেখা যাবে রক্তিম রূপ: প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব
- খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়: মন্ত্রী
- বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বড় চাপ: প্রতিমন্ত্রী
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যে নতুন চাপ, নজর সিঙ্গাপুরেও
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছর: প্রত্যাবাসন কেন এখনো অনিশ্চিত
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- দুই দিনেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বহু এলাকায়
- নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে টিসিবির বড় পরিকল্পনা
- আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
- আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
- গার্ড অব অনারে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল








