নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬: কোন গ্রেডের মূল বেতন কত টাকা বাড়ছে? দেখে নিন তালিকা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই বেতন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে শুধু মূল বেতনই নয়, বরং সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিৎসা ও টিফিনের মতো নানা রকম ভাতা এবং পেনশন সুবিধাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নতুন পে-স্কেলের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।
তবে নতুন পে-স্কেলের প্রস্তাবিত খসড়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল তথ্য ও গাণিতিক হিসাবে বড় ধরনের কিছু অমিল রয়েছে। খসড়ার এক জায়গায় বলা হয়েছে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, অথচ শতাংশের হিসাবে ২০তম গ্রেডের প্রস্তাবিত নতুন বেতন ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা দাঁড়ায়, যা মূল বেতনের ঠিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। একইভাবে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা করার কথা বলা হলেও হিসাবে তা ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা আসে। মূলত পে-কমিশনের মূল সুপারিশে সর্বনিম্ন গ্রেড ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেড ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হলেও বাজেট বরাদ্দের চাপ সামলাতে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির এই বিকল্প খসড়াটি পর্যালোচনা করছে।
৫০ শতাংশ বৃদ্ধির এই খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী ১ম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। একইভাবে ২য় গ্রেডের বেতন ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ৯৯ হাজার টাকা, ৩য় গ্রেডের বেতন ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকা, ৪র্থ গ্রেডের বেতন ৫০ হাজার থেকে বেড়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ৫ম গ্রেডের বেতন ৪৩ হাজার থেকে বেড়ে ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা হবে। মধ্যম সারির গ্রেডগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ গ্রেডের বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা, ৭ম গ্রেডের বেতন ২৯ হাজার থেকে বেড়ে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা, ৮ম গ্রেডের বেতন ২৩ হাজার থেকে বেড়ে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, ৯ম গ্রেডের বেতন ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার টাকা এবং ১০ম গ্রেডের বর্তমান বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
নিম্নতর গ্রেডগুলোর ক্ষেত্রে ১১তম গ্রেডের বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা, ১২তম গ্রেডের বেতন ১১ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা, ১৩তম গ্রেডের বেতন ১১ হাজার থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা, ১৪তম গ্রেডের বেতন ১০ হাজার ২০০ থেকে বেড়ে ১৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং ১৫তম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪ হাজার ৫৫০ টাকা হবে। শেষের দিকের গ্রেডগুলোর মধ্যে ১৬তম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ৯৫০ টাকা, ১৭তম গ্রেডের বেতন ৯ হাজার থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা, ১৮তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৮০০ থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ২০০ টাকা, ১৯তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৭৫০ টাকা এবং সর্বশেষ ২০তম গ্রেডের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোয় গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নের পূর্বে সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ও চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের দিকে সাগ্রহে তাকিয়ে আছেন দেশের প্রায় ১৪ লাখ সক্রিয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগী।
/আশিক
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, একদিনেই বড় মূল্যহ্রাস
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম আরও ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস নতুন এই মূল্য তালিকার ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানায়, ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সারাদেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তন বিবেচনায় এনে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা।
১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে প্রতি ভরিতে গুনতে হবে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যই দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও নির্মাণ ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত মজুরি প্রযোজ্য হবে।
বাজুস স্পষ্ট করেছে, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ কিংবা পারচেজের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট, মজুরি ও ব্যবহৃত পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নীতিই বহাল থাকবে।
চলতি বছরে দেশের স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ এই সমন্বয়সহ ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৬ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
-রফিক
চারবার দাম কমিয়ে জুয়েলারি বাজারে স্বস্তির খবর দিল বাজুস
দেশের বাজারে টানা কয়েক দফা দর ওঠানামার পর অবশেষে সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বশেষ পাঁচবারের মূল্য সমন্বয়ে চারবারই কমানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুর দাম। যার মধ্যে সর্বশেষ টানা দুই দফায় প্রতি ভরিতে মোট ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে সংগঠনটি। সোমবার (১৩ জুলাই) দাম কমানোর পর মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে দ্বিতীয় দফায় নতুন করে ভরিতে আরো ২ হাজার ১৫৮ টাকা হ্রাস করা হয়েছে, যা সকাল ১০টা থেকেই দেশব্যাপী কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের মূল্য নির্ধারণ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে পাকা স্বর্ণের (তেজাবি স্বর্ণ) দাম কমার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই নতুন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবারের এই দফায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা থেকে আরও কমেছে। এর আগে সোমবার সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন দাম কমার ফলে দুই দফায় মোট দাম কমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।
নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৯ ০০০ ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য বহাল থাকবে। তবে স্বর্ণের অলঙ্কার ক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী নির্ধারিত মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে।
চলতি বছরে দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৬ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাটের হার সমন্বয় করা হয়েছে। তবে স্বর্ণের দামের ক্ষেত্রে এমন বড় পতন হলেও বাজারে রুপার দাম সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।
/আশিক
বিশ্ববাজারে ৩ শতাংশ কমল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশেও কি কমবে?
আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ পুনর্বহালের ঘোষণা দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমে গেছে। একই সময়ে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, সুদের হার এবং বিনিয়োগ বাজার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারেও পড়তে পারে এবং বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শিগগিরই নতুন মূল্য নির্ধারণ করতে পারে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৯৯৬ দশমিক ৭৬ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। এটি চলতি মাসের শুরু থেকে সর্বনিম্ন অবস্থান। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও দর কমেছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ, যেখানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫ দশমিক ৭০ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হলেও এবার বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ বেশি ছিল তেলের বাজার এবং সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির দিকে। সাধারণত সংকটের সময়ে স্বর্ণ নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হলেও, উচ্চ সুদের আশঙ্কা সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদাকে কমিয়ে দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ফরেক্স ডটকমের বিশ্লেষক ফাওয়াদ রাজাকজাদা বলেছেন, তেলের মূল্যবৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াতে পারে। এর ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে অথবা আরও বাড়াতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রথমে ৩ হাজার ৮০০ ডলার, পরে ৩ হাজার ৫০০ ডলার পর্যন্ত নেমে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এই দরপতনের পেছনে অন্যতম কারণ ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত। সোমবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ পুনর্বহাল করছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ অর্থ ফেরতের (রিবেট) পরিকল্পনার কথাও জানান। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে যায়।
অর্থনীতিবিদদের মতে, তেলের দাম বাড়লে পরিবহন, উৎপাদন ও জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি পায়, যা বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে সুদের হার কমানোর পরিবর্তে দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে হতে পারে। আর উচ্চ সুদের পরিবেশ সাধারণত স্বর্ণবাজারের জন্য নেতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
বাজারের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে। সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে প্রায় ৭৫ শতাংশ সম্ভাবনা ধরা হচ্ছে যে, আগামী সেপ্টেম্বর বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কংগ্রেসে মুদ্রানীতি নিয়ে যে বক্তব্য দেবেন, সেখান থেকেও ভবিষ্যৎ সুদের দিকনির্দেশনা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI), উৎপাদক মূল্যসূচক (PPI), জুন মাসের খুচরা বিক্রির তথ্য এবং সাপ্তাহিক বেকার ভাতা আবেদনসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এসব অর্থনৈতিক সূচক আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজার ও মূল্যবান ধাতুর দামে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ দশমিক ৫৫ ডলারে নেমেছে। একই সময়ে প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
বিশ্ববাজারে এই দরপতনের প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাজুস সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড ও রুপার দামের পরিবর্তন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
সবশেষ ১৩ জুলাই বাজুস প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
-রফিক
এক ঘোষণায় কমল স্বর্ণের দাম, কত হলো নতুন মূল্য?
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এ মূল্য সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে কার্যকর হয়েছে।
সোমবার সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের ক্রয়মূল্য হ্রাস পাওয়ায় আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে স্বর্ণ ক্রেতারা কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও কিছুটা স্বস্তি পেলেন।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা দরে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যই কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও নির্মাণ ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত মজুরি যোগ হবে। একই সঙ্গে স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ বা পুরোনো গহনা বিক্রির ক্ষেত্রেও আগের নীতিমালাই বহাল থাকবে।
উল্লেখ্য, এর মাত্র তিন দিন আগে ১০ জুলাই বাজুস প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দর কমে যাওয়ায় আবারও একই পরিমাণ অর্থ কমিয়ে নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্য ওঠানামা দেখা গেল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারের মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে পিওর গোল্ডের ক্রয়মূল্যের পরিবর্তন—এসব বিষয় দেশের স্বর্ণের দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য অস্থির থাকায় দেশীয় বাজারেও ঘন ঘন মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৯০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৫ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার মূল্য বৃদ্ধি এবং ২৯ বার মূল্য হ্রাস পেয়েছিল।
-রাফসান
স্বর্ণবাজারে নতুন ধাক্কা, এক লাফে বাড়ল ভরির দাম
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক দফায় ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।
বাজুসের প্রকাশিত সর্বশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এই দাম গত শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং সোমবারও দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি স্বর্ণের দর বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, এই মূল্য কেবল স্বর্ণের মূল্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও নির্মাণ ব্যয়ের ভিত্তিতে অতিরিক্ত মজুরি যুক্ত হতে পারে। তবে নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করার সুযোগ নেই।
স্বর্ণবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে মূল্য ওঠানামার প্রবণতা বেশ তীব্র। এর মাত্র একদিন আগে, ৯ জুলাই, বাজুস স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। কিন্তু বিশুদ্ধ স্বর্ণের দর বাড়ায় আবারও নতুন মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। এতে স্বর্ণের বাজারে অল্প সময়ের ব্যবধানে বড় ধরনের মূল্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
-রাফসান
সোনা-রুপার নতুন দাম কার্যকর, জানুন সর্বশেষ তালিকা
দেশের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হলো মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ ও রুপার দাম। স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) ও রুপার মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। গত শুক্রবার (১০ জুলাই) ঘোষিত এই নতুন দর একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে সেই মূল্যেই স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা, আর রুপার দাম বেড়েছে ১১৭ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামের পরিবর্তন এবং দেশীয় বাজারে পিওর গোল্ড ও সিলভারের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
শুধু স্বর্ণ নয়, রুপার বাজারেও নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৭২৪ টাকায়। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৯১৬ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য বহাল থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও মেকিং চার্জ আলাদাভাবে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রেও আগের নীতিমালা বহাল থাকবে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এর মাত্র একদিন আগে, অর্থাৎ ৯ জুলাই, বাজুস স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছিল। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
চলতি বছরে দেশের স্বর্ণের বাজারে মূল্য সমন্বয়ের হারও নজরকাড়া। এ পর্যন্ত ৮৯ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৪ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। একই সময়ে রুপার দাম ৫৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে।
-রাফসান
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিট সুবিধা, তবু কেন অনীহা ব্যাংকগুলোর?
দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা খেলাপি ঋণ কমানো এবং আটকে থাকা অর্থ দ্রুত পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি এককালীন ‘এক্সিট সুবিধা’ চালু করলেও বাস্তব প্রয়োগে কাঙ্ক্ষিত গতি দেখা যাচ্ছে না। নীতিমালা জারির প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও অনেক বেসরকারি ব্যাংক এখনো আবেদন গ্রহণ, সুদ সমন্বয় কিংবা ঋণ নিষ্পত্তির বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেয়নি। ফলে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিমালাটি খেলাপি ঋণ আদায়ে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ কিছু আর্থিক, আইনি ও নীতিগত জটিলতা রয়েছে। অন্যদিকে শিল্প উদ্যোক্তাদের দাবি, কেবল সুদ মওকুফ বা এককালীন ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে সহজ শর্তে নতুন অর্থায়নের ব্যবস্থা না হলে অধিকাংশ ঋণগ্রহীতার পক্ষে দায় পরিশোধ করা সম্ভব হবে না।
গত ২৯ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলারের মাধ্যমে ঘোষণা দেয়, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত 'মন্দ' ও 'ক্ষতিজনক' শ্রেণিতে থাকা ঋণ নির্দিষ্ট শর্তে এককালীন নিষ্পত্তির সুযোগ পাবে। তবে এই সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন, ঋণগ্রহীতার সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্ক এবং প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে যাচাইয়ের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, যোগ্য ঋণগ্রহীতাকে এককালীন পুরো বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পুনঃতফসিল করা ঋণ, স্বল্পমেয়াদি কৃষিঋণ এবং সিএমএসএমই (CMSME) খাতের ঋণ এই সুবিধার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
ব্যাংকারদের মতে, বছরের পর বছর খেলাপি হয়ে থাকা ঋণ থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা গেলে ব্যাংকগুলোর তারল্য বাড়বে এবং নতুন ঋণ বিতরণের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে একই সঙ্গে তারা বলছেন, বাস্তবায়নের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুদ মওকুফের বিষয়টি। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ঋণের সুদ মূলধনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন দায়ে পরিণত হয়। সেই সুদ ব্যাংকের আয় হিসেবে হিসাবভুক্ত হয়েছে, কর পরিশোধ করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশও বিতরণ করা হয়েছে। ফলে ইতোমধ্যে হিসাবভুক্ত আয় এখন মওকুফ করা আর্থিকভাবে সহজ নয় বলে মত দিচ্ছেন অনেক ব্যাংকার।
অন্যদিকে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর বক্তব্য ভিন্ন। তাদের মতে, বর্তমানে অধিকাংশ খেলাপি শিল্প উদ্যোক্তার হাতে এককালীন ঋণ পরিশোধের মতো অর্থ নেই। অর্থ থাকলে তারা আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালু করতেন। উৎপাদন বন্ধ থাকলে নতুন নগদ প্রবাহ তৈরি হয় না, ফলে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতাও সৃষ্টি হয় না।
ব্যবসায়ীরা তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সহজ শর্তে নতুন ঋণ দেওয়া হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং একই সঙ্গে খেলাপি ঋণও ধীরে ধীরে আদায় করা সম্ভব হবে।
শিল্প পুলিশ ও উদ্যোক্তা সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, উচ্চ সুদহার, উৎপাদন ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং কার্যকর মূলধনের অভাবে পাঁচ শতাধিক শিল্পকারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কর্মহীন হয়েছেন। শুধু তৈরি পোশাক শিল্পেই প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সম্প্রতি ২০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রাক-অর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে। ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত তারল্য ব্যবহার করে পরিচালিত এই তহবিলের লক্ষ্য হলো আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন কার্যকর মূলধন সরবরাহ করা, যাতে তারা পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারে।
বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, শুধু এককালীন নিষ্পত্তির সুযোগ দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। তার মতে, বন্ধ কারখানার মালিকদের হাতে যদি পর্যাপ্ত অর্থ থাকত, তাহলে তারা আগে উৎপাদন শুরু করতেন। তাই পুনরায় উৎপাদন চালুর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি আবেদন যথাযথভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নীতিমালার শর্ত পূরণ করলে গ্রাহকরা এককালীন নিষ্পত্তির সুবিধা পেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘদিনের অচল ঋণ নিষ্পত্তি সহজ করা এবং একই সঙ্গে যেসব উদ্যোক্তা পুনরায় ব্যবসা চালু করতে চান, তাদের জন্য বিশেষ তহবিল থেকে নতুন ঋণের সুযোগ তৈরি করা। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালার বাস্তবায়নও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, আটকে থাকা ঋণ পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে তারল্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের ঋণসংক্রান্ত মামলার জট কমাতে এককালীন এক্সিট সুবিধা ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে নীতিমালার কিছু বাস্তব ও নীতিগত দিক আরও স্পষ্ট করা প্রয়োজন, যাতে ব্যাংক ও গ্রাহক উভয় পক্ষই নির্ভয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
-রফিক
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
মাত্র একদিন আগে বড় অঙ্কে দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর আবারও দেশের স্বর্ণবাজারে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করে। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে নতুন এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং দেশীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়েই স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই বাজুস স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। গত ৯ জুলাই ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিপ্রতি দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমানো হয়েছিল। তবে বাজার পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এবার আবারও মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, অলঙ্কারের ঘোষিত দামের সঙ্গে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও ডিজাইনভেদে মেকিং চার্জ বা মজুরি পৃথকভাবে যুক্ত হবে, যা প্রতিটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ বা পারচেজ-এর ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি এবং ব্যবহৃত পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে স্বর্ণের বিনিময়মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
-রফিক
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, বাজুসের নতুন দামে বড় ছাড়
দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাফে ৩ হাজার ৩২৫ টাকা কমানো হয়েছে, যা স্বর্ণ ক্রেতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্যহ্রাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, সংশোধিত মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন দামে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ভ্যাটসহ স্বর্ণ বিক্রি করবে।
সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯২৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা।
বাজুসের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, বাজার পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর মাত্র কয়েকদিন আগেই ৬ জুলাই স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই দাম থেকে আরও ৩ হাজার ৩২৫ টাকা কমেছে, অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দফায় উল্লেখযোগ্য মূল্যহ্রাস ঘটেছে।
বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৮৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৪ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ঘন ঘন মূল্য পরিবর্তনের এই প্রবণতা আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার, ডলারের বিনিময় হার, কাঁচামালের মূল্য এবং স্থানীয় চাহিদা-সরবরাহ পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত হচ্ছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- নতুন পে-স্কেলে বাড়ছে বেতন-ভাতা, কারা পাবেন বেশি
- রাস্তায় প্রস্রাব করলেই ডিজিটাল পর্দায় ছবি!
- যৌন নিপীড়ন মামলায় আদালতের রায়ে ৫৬ লাখ ডলার দিলেন ট্রাম্প
- আজকের নামাজের সময়সূচি, এক নজরে দেখে নিন
- ট্যালকট পার্সন্সের Pattern Variable তত্ত্ব: আধুনিকতা ও উন্নয়ন ভাবনার রাজনীতি
- যেদিন থেকে শিশুদের টাইফয়েডের নতুন টিকা শুরু
- বিদ্যুৎকেন্দ্র-সেতু হতে পারে পরবর্তী লক্ষ্য, দাবি ট্রাম্পের
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ
- বাংলাদেশিদের ভালোবাসায় আবেগঘন বার্তা স্কালোনির
- আজ প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- স্বর্ণ কিনতে সুখবর, একদিনেই বড় মূল্যহ্রাস
- ১৪ জুলাইয়ের অদ্ভুত সমাপতন: ২০২৪-এ 'রাজাকার' আর ২০২৬-এ 'ফার্মের মুরগি' বিতর্ক
- হরমুজের পর এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধের হুমকি, বিশ্বজুড়ে চড়বে তেলের দাম
- সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে তৎপরতা নেই: নাহিদ ইসলাম
- শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই, গ্রেফতারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- মনে হচ্ছে এই বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার দিকেই পরিচালিত হচ্ছে: মিশরীয় কোচ
- বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মহারণ: স্প্যানিশদের রুখে দিতে প্রস্তুত আত্মবিশ্বাসী ফ্রান্স
- বিশ্বকাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সেমিফাইনাল: ফ্রান্সের তুরুপের তাস যখন এমবাপ্পে
- ইরানি জনগণের অধিকারকে সম্মান করাই হরমুজ প্রণালী সচলের একমাত্র পথ
- চারবার দাম কমিয়ে জুয়েলারি বাজারে স্বস্তির খবর দিল বাজুস
- শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনাকাঙ্ক্ষিত, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- হরমুজ প্রণালির আসল প্রহরী ইরানই, চিরকাল থাকবে: ট্রাম্পকে আরাগচির কড়া জবাব
- লক্ষণ খুব ভালো নয়, অপরাধীদের শাস্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ জামায়াত আমিরের
- সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পদত্যাগ ও ক্ষমা চাইতে হবে: শিক্ষামন্ত্রীকে আন্দোলনকারীদের আলটিমেটাম
- ইয়েমেনে হুতিদের দমনে সৌদি আরবকে ট্রাম্পের সবুজ সংকেত, মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের শঙ্কা
- দুর্যোগে পরীক্ষা দিতে না পারলে প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
- ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের, ‘আরও বড় হামলা আসছে’
- ফ্রান্স-স্পেন মহারণ, সুপারকম্পিউটার কাকে এগিয়ে রাখছে
- তারুণ্য ও উদ্ভাবনে জোর, ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সফর
- টানা বর্ষণ কবে কমবে? নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস
- মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
- ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না, কোন এলাকাগুলো জানুন
- ১৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- বিশ্ববাজারে ৩ শতাংশ কমল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশেও কি কমবে?
- বর্ষণ কমলেও সামনে অপেক্ষা করছে নতুন দফার বৃষ্টি
- সৌদি-হুথি সংঘাত ফের তীব্র, ভেঙে গেল যুদ্ধবিরতি
- আজকের খেলার সূচি, বিশ্বকাপে জমজমাট সেমিফাইনাল
- আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, জেনে নিন বিস্তারিত
- ২০২৬ বিশ্বকাপ কাঁপানো ৫ বড় বিতর্ক এক নজরে
- মঙ্গলবার ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বেশ কিছু এলাকায়
- বন্যায় মানুষ মরছে, আর প্রধানমন্ত্রী বরিশালে সফর করছেন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দুর্যোগেও কেন চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, কারণ ব্যাখ্যা করল শিক্ষা বোর্ড
- রাঙ্গামাটিতে ভারীবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ
- ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
- ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা: হরমুজ প্রণালির অভিভাবক হয়ে অর্থ আদায় করবে ওয়াশিংটন
- পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: কোন দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া?
- ইনস্টাগ্রাম থেকে রিয়াল মাদ্রিদের পরিচয় সরালেন ভিনিসিয়ুস, ফুটবল বিশ্বে তোলপাড়
- সবাই মিলে স্বৈরাচার হটিয়েছি, এবার আসুন দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ইউরোপের ফুটবল মাঠে মুসলিম তারকাদের সেজদা ও নতুন আত্মপরিচয়ের গল্প
- গাজার পুনর্বাসনে ইউরোপীয় কমিশনের ১০০ কোটি ডলারের বিশাল প্যাকেজ ঘোষণা
- শিক্ষকের মর্যাদা যখন প্রশ্নবিদ্ধ: সংকটে শিক্ষাঙ্গন, সংকটে আমাদের ভবিষ্যৎ
- ২০২৬ বিশ্বকাপ কাঁপানো ৫ বড় বিতর্ক এক নজরে
- ফন্টেইনের ৬৮ বছরের রেকর্ড ভাঙবেন মেসি?
- ওয়াল্ট রস্টোর আধুনিকীকরণ তত্ত্ব ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
- সোনা-রুপার নতুন দাম কার্যকর, জানুন সর্বশেষ তালিকা
- ৩৪ ম্যাচের অপরাজিত মরক্কোকে বিদায় দিল ফ্রান্স
- ফ্রান্স-স্পেন মহারণ, সুপারকম্পিউটার কাকে এগিয়ে রাখছে
- ‘আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলুন’- রেফারিকে মেসি
- বিশ্ববাজারে ৩ শতাংশ কমল স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশেও কি কমবে?
- স্পেন-বেলজিয়াম মহারণ, সেমির টিকিট কার হাতে
- টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়
- ১৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত
- নাহিদ, আসিফ ও পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নুরের
- এক ঘোষণায় কমল স্বর্ণের দাম, কত হলো নতুন মূল্য?
- ‘হত্যার তালিকায় আমি এক নম্বরে’- ট্রাম্প








