জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০১ ১১:৫১:০৭
জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি ও রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে এই দরের সামান্য পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলে। আজ রোববার (১ মার্চ) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে।

আজকের বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ১২২ টাকা এবং ইউরো ১৪৪ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে।

ইউরোপীয় ও অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ড ১৬৪ টাকা ৫৫ পয়সা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৭৭ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে এশিয়ার শক্তিশালী মুদ্রা জাপানি ইয়েন প্রতি ইউনিট মাত্র ৭৮ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ টাকা ৩৪ পয়সা খরচ করলে বাংলাদেশি ১ টাকা পাওয়া যাচ্ছে এবং শ্রীলঙ্কান রুপির দর ২ টাকা ৫২ পয়সা।

কানাডিয়ান ডলার ও সিঙ্গাপুর ডলারের বিনিময় হার যথাক্রমে ৮৯ টাকা ৫৬ পয়সা এবং ৯৬ টাকা ৫৭ পয়সা।

প্রবাসী ভাইবোনদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার হার। আজ ১ মার্চ সৌদি রিয়াল ৩২ টাকা ৫৭ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকা ৩৯ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে।

বরাবরের মতো কুয়েতি দিনারের মান সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থান করছে, যার প্রতি ইউনিটের দাম ৩৯৮ টাকা ৪৫ পয়সা। ওমানি রিয়ালের দর ৩১৭ টাকা ৬৬ পয়সা।

উল্লেখ্য যে, ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ ভেদে এই বিনিময় হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে, তাই বড় লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করা শ্রেয়।

(সূত্র: গুগল)


সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ, যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ২০:৩৪:৪২
সন্ধ্যা ৭টার পর মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ, যে ব্যাখ্যা দিল বিদ্যুৎ বিভাগ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম আরও জোরদার ও কার্যকর করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব শপিংমল, বিপণিবিতান, মার্কেট ও খুচরা দোকানপাট আবারও প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে খোলা রাখার যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার (১ জুন) থেকে নতুন করে এই নির্দেশনা পুরো দেশে কার্যকর করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। এই বিশেষ নির্দেশনাটি অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সফলভাবে কার্যকর ছিল। তবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল পরিধি ও সাধারণ মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করে রাত ১০টা পর্যন্ত করা হয়েছিল।

নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ঈদ উৎসব ও উৎসব-পরবর্তী বিশেষ সুবিধার নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও সরকারের আগের মূল সিদ্ধান্তটি পুনর্বহাল করা হলো। এর ফলে এখন থেকে রাত ১০টার পরিবর্তে দেশের সব ধরণের ছোট-বড় শপিংমল, সুপার শপ, মার্কেট ও কাঁচাবাজারকে ঠিক সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তাদের সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ অপচয় রোধ ও সাশ্রয় নিশ্চিত করতে শপিংমলের পাশাপাশি আরও কিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নতুন আদেশ অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের বাণিজ্যিক বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল আলোকসজ্জা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করতে হবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় মেলা, জাতীয় বাণিজ্য মেলা এবং যেকোনো ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কনসার্টও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনাটি শতভাগ বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

/আশিক


মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় হাটে বিপুল পশু উদ্বৃত্ত, লোকসানের মুখে খামারিরা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১১:২৬:৫০
মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমায় হাটে বিপুল পশু উদ্বৃত্ত, লোকসানের মুখে খামারিরা
ছবি : সংগৃহীত

উচ্চ মূল্যস্ফীতির করাল গ্রাসে দেশের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর যে পরিমাণ কোরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করেছিল, বাস্তবে দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় তার চেয়ে অনেক কম পশু বিক্রি ও কোরবানি হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

ফলে কোরবানিযোগ্য পশুর একটি বড় অংশই অবিক্রিত ও উদ্বৃত্ত থেকে গেছে, যা চাষী, খামারি ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের ঠেলে দিয়েছে চরম লোকসানের মুখে। কৃষি অর্থনীতিবিদদের প্রাথমিক ধারণা, সরকারের বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার দেশজুড়ে অন্তত ১০ লাখ কম পশু কোরবানি হয়েছে।

সাধারণত প্রতি বছর ঈদের পর দেশজুড়ে কোরবানি হওয়া ও উদ্বৃত্ত থাকা পশুর চূড়ান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশ করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। তবে গতকাল পর্যন্ত তারা পূর্ণাঙ্গ কোনো তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অফিস এবং খামারিরা বলছেন, এবার পশুর উৎপাদন ও সরবরাহ ভালো থাকলেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিক্রি অনেক কম হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য মোট পশু প্রস্তুত ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এর বিপরীতে দেশব্যাপী চাহিদা নিরূপণ করা হয়েছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর। সেই হিসাবে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকার প্রাক্কলন করা হলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, প্রকৃত উদ্বৃত্তের সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি।

বিভাগ ও জেলাভিত্তিক প্রাথমিক চিত্র

ময়মনসিংহ বিভাগ

এই বিভাগে কোরবানিযোগ্য পশু ছিল ৫ লাখ ৬০ হাজার এবং চাহিদা ধরা হয়েছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার। তবে বিভাগীয় পশুপালন দপ্তরের পরিচালক ডা. মনোরঞ্জন ধর জানিয়েছেন, প্রাথমিক হিসাবে এবার কোরবানি হয়েছে আনুমানিক ৩ লাখ ৭০ হাজারটি পশু, যা গত বছরের (৩ লাখ ৮৩ হাজার) তুলনায় ১৩ হাজার কম। ময়মনসিংহ জেলায় ১ লাখ ৮০ হাজার চাহিদার বিপরীতে কোরবানি হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৩৫ হাজারটি পশু।

খুলনা বিভাগ

বিভাগে ১০ লাখ ৭৯টি পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রাথমিক হিসাবে কোরবানি হয়েছে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি পশু। অর্থাৎ প্রাণিসম্পদ অফিসের নির্ধারিত চাহিদার চেয়ে ২ লাখ ৩৩ হাজার কম পশু কোরবানি হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. গোলাম হায়দার জানান, এখানকার উৎপাদিত পশুর একটি বড় অংশ ঢাকার হাটে সরবরাহ হওয়ায় উদ্বৃত্তের সুনির্দিষ্ট হিসাব করতে কিছুটা সময় লাগবে।

রংপুর ও চট্টগ্রাম জেলা

রংপুর জেলায় ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৬টি চাহিদার বিপরীতে কোরবানি হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৬ হাজার পশু, যা চাহিদার চেয়ে প্রায় ২১ হাজার কম। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম জেলা ও নগর মিলিয়ে ৮ লাখ ১৬ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও কোরবানি অনেক কম হয়েছে। বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলাটিতে মাত্র ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৪০ পিস চামড়া সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। বিক্রি করতে না পেরে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া সড়ক ও ভাগাড়ে ফেলে দিয়েছেন।

বগুড়া জেলা

চলতি বছর এই জেলায় ৭ লাখ ৪০ হাজার ৫৩৭টি পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানির চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪ লাখ Calibri ৭ হাজার ৫৮০টি, যা গত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮০টি কম।

সার্বিক বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান বলেন, "মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য মন্ত্রণালয় আমাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়ে যাবে।"

ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস ও ভাগে কোরবানির প্রবণতা

অর্থনীতিবিদ ও খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আকাশচুম্বী হয়েছে। অন্যদিকে পশুখাদ্য ও ওষুধের দাম বাড়ায় খামারিদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে, যা মাংসের কেজিতে গড়ে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত প্রভাব ফেলেছে।

ফলে অনেকেই এবার কোরবানি দিতে পারেননি। যারা দিয়েছেন, তাদের মধ্যেও বড় বা একক গরুর চেয়ে শরিক বা ভাগে কোরবানি দেওয়ার প্রবণতা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ঢাকার নর্থ বেঙ্গল ডেইরি ফার্মের এমডি ইঞ্জিনিয়ার মকবুল হোসেন এবং চুয়াডাঙ্গার কৃষক আনিসুল ইসলামের মতো অনেকেই জানান, আর্থিক চাপের কারণে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তরা এবার কোরবানি থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে বাধ্য হয়েছেন।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এই অর্থনৈতিক মন্দা প্রসঙ্গে বলেন, "দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত মজুরি বাড়েনি, ফলে ক্রয়ক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে ভোক্তারা তাদের জমানো অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসাব-নিকাশ করছেন। এই মানসিক ও আর্থিক প্রভাবই কোরবানির বাজারে স্পষ্ট প্রতিফলিত হয়েছে।"

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম মনে করেন, গত বছর যেখানে ৯১ লাখের কিছু বেশি পশু কোরবানি হয়েছিল, এবার বাস্তবে তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ লাখের মতো কমে গেছে।

সৌজন্যে: বণিক বার্তা


১ জুনের মুদ্রা বাজার: জেনে নিন ডলার, রিয়াল ও রুপির আজকের সর্বশেষ রেট

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১১:১৬:৪২
১ জুনের মুদ্রা বাজার: জেনে নিন ডলার, রিয়াল ও রুপির আজকের সর্বশেষ রেট
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। প্রবাসী আয় বৈধ পথে দেশে পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সুবিধার্থে প্রতিদিনই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আজ সোমবার (১ জুন) প্রবাসী ও ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে বিশ্বের প্রধান প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার অফিসিয়াল বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম মার্কিন ডলারের (US Dollar) বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর (Euro) বিনিময় হার আজ ১৪২ টাকা ২৪ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের (UK Pound) দাম দাঁড়িয়েছে ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সায়।

আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির (Indian Rupee) বিনিময় হার আজ ১ টাকা ৩১ পয়সা।

এ ছাড়া এশিয়ার অন্যতম বড় শ্রমবাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের (Malaysian Ringgit) দাম আজ ৩০ টাকা ৩৮ পয়সা এবং সিঙ্গাপুরি ডলারের (Singapore Dollar) বিনিময় হার ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা রাখা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী থাকা সৌদি রিয়ালের (Saudi Riyal) বিনিময় হার আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা।

অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের (Kuwaiti Dinar) রেট আজ ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (Australian Dollar) বিনিময় হার আজ ৮৫ টাকা ০১ পয়সা।

তবে ব্যাংকিং খাত ও মানি এক্সচেঞ্জ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের পূর্বে নিকটস্থ ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নেওয়াই শ্রেয়।

/আশিক


আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০১ ১০:৩২:১৯
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সোনা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আজ সোমবার (১ জুন) রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা। ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। গত ২৫ মে দাম বাড়ানোর পর থেকে দেশের বাজারে এই ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ দামেই সোনা বিক্রি হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুস জানায়, নতুন করে দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায় বিক্রি হবে। এর পাশাপাশি ভালো মানের রুপার দামও বাড়তি রয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম রাখা হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।

অন্যদিকে, সোনার দামের সাথে পাল্লা দিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে যাচ্ছে রুপার দামও। বাজারে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম রাখা হচ্ছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতিভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতিভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে দামের উর্ধ্বগতির কারণেই বাজুস এই মূল্য নির্ধারণ করেছে।

/আশিক


নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬: কোন গ্রেডের মূল বেতন কত টাকা বাড়ছে? দেখে নিন তালিকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ১১:৫৭:৫৩
নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬: কোন গ্রেডের মূল বেতন কত টাকা বাড়ছে? দেখে নিন তালিকা
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই বেতন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। নতুন এই পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে শুধু মূল বেতনই নয়, বরং সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিৎসা ও টিফিনের মতো নানা রকম ভাতা এবং পেনশন সুবিধাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নতুন পে-স্কেলের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

তবে নতুন পে-স্কেলের প্রস্তাবিত খসড়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল তথ্য ও গাণিতিক হিসাবে বড় ধরনের কিছু অমিল রয়েছে। খসড়ার এক জায়গায় বলা হয়েছে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে, অথচ শতাংশের হিসাবে ২০তম গ্রেডের প্রস্তাবিত নতুন বেতন ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা দাঁড়ায়, যা মূল বেতনের ঠিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। একইভাবে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৬ হাজার টাকা করার কথা বলা হলেও হিসাবে তা ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা আসে। মূলত পে-কমিশনের মূল সুপারিশে সর্বনিম্ন গ্রেড ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেড ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হলেও বাজেট বরাদ্দের চাপ সামলাতে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির এই বিকল্প খসড়াটি পর্যালোচনা করছে।

৫০ শতাংশ বৃদ্ধির এই খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী ১ম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হবে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। একইভাবে ২য় গ্রেডের বেতন ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ৯৯ হাজার টাকা, ৩য় গ্রেডের বেতন ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকা, ৪র্থ গ্রেডের বেতন ৫০ হাজার থেকে বেড়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ৫ম গ্রেডের বেতন ৪৩ হাজার থেকে বেড়ে ৬৪ হাজার ৫০০ টাকা হবে। মধ্যম সারির গ্রেডগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ গ্রেডের বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৫৩ হাজার ২৫০ টাকা, ৭ম গ্রেডের বেতন ২৯ হাজার থেকে বেড়ে ৪৩ হাজার ৫০০ টাকা, ৮ম গ্রেডের বেতন ২৩ হাজার থেকে বেড়ে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, ৯ম গ্রেডের বেতন ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৩৩ হাজার টাকা এবং ১০ম গ্রেডের বর্তমান বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

নিম্নতর গ্রেডগুলোর ক্ষেত্রে ১১তম গ্রেডের বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা, ১২তম গ্রেডের বেতন ১১ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা, ১৩তম গ্রেডের বেতন ১১ হাজার থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা, ১৪তম গ্রেডের বেতন ১০ হাজার ২০০ থেকে বেড়ে ১৫ হাজার ৩০০ টাকা এবং ১৫তম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪ হাজার ৫৫০ টাকা হবে। শেষের দিকের গ্রেডগুলোর মধ্যে ১৬তম গ্রেডের বর্তমান বেতন ৯ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ৯৫০ টাকা, ১৭তম গ্রেডের বেতন ৯ হাজার থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা, ১৮তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৮০০ থেকে বেড়ে ১৩ হাজার ২০০ টাকা, ১৯তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৭৫০ টাকা এবং সর্বশেষ ২০তম গ্রেডের বর্তমান মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ হাজার ৩৭৫ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোয় গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নের পূর্বে সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ও চূড়ান্ত গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের দিকে সাগ্রহে তাকিয়ে আছেন দেশের প্রায় ১৪ লাখ সক্রিয় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগী।

/আশিক


বড় ধরনের মোড়ে বিশ্ববাজার: স্বর্ণের দাম কি আরও কমবে নাকি বাড়বে?

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩১ ১০:৩০:৩৩
বড় ধরনের মোড়ে বিশ্ববাজার: স্বর্ণের দাম কি আরও কমবে নাকি বাড়বে?
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বর্তমানে এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি মন্দা নাকি নতুন কোনো চাঙ্গা ভাব—স্বর্ণের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা মূলত নির্ধারণ হতে পারে আগামী কয়েক দিনের বাজার পরিস্থিতির ওপর। রয়টার্সের বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ বছরের শুরুতেই স্বর্ণের বাজারে একটি বড় ধাক্কা লেগেছিল। গত ৩০শে জানুয়ারি হঠাৎ করেই স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণে বেড়ে যায়, কিন্তু তার পরপরই তা আবার হুড়মুড় করে কমে যায়। বাজারের পরিভাষায় একে ‘ব্লো-অফ টপ’ (Blow-off Top) বলা হয়।

সহজ কথায়, কোনো সম্পদের দাম যখন একদম সর্বোচ্চ সীমানায় পৌঁছে হঠাৎ ধপাস করে পড়ে যায়, তখন তাকে এমনটা বলা হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পতনের পর থেকে স্বর্ণের দাম যতবারই একটু বাড়ার চেষ্টা করেছে, প্রতিবারই তা আগের বারের চেয়ে কম দামে গিয়ে আটকে গেছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা একে স্পষ্ট মন্দাভাবের লক্ষণ বা ‘বেয়ারিশ ট্রেন্ড’ হিসেবে দেখছেন।

লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের (LSEG) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, টানা দরপতনের কারণে স্বর্ণের দাম এখন তার ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের (দীর্ঘমেয়াদি গড় মূল্য) কাছাকাছি নেমে এসেছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স প্রায় ৪ হাজার ৩৯৪ ডলার। বাজারের সাময়িক অনাকাঙ্ক্ষিত ওঠানামা বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি গতি-প্রকৃতি বুঝতে ব্যবসায়ীরা মূলত এই সূচকটি ব্যবহার করেন।

বর্তমানে এই ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে এর কাছাকাছি অবস্থান করা আরও দুটি শক্তিশালী প্রযুক্তিগত সূচক। এর একটি হলো গত অক্টোবর মাসের সর্বোচ্চ চূড়া (৪ হাজার ৩৮১.২১ ডলার) এবং অন্যটি স্বর্ণের ‘লোয়ার বলিঞ্জার ব্যান্ড’ (৪ হাজার ৪১৭ ডলার)। কারিগরি বিশ্লেষকদের কাছে অতীতের এই সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন রেকর্ডগুলো বাজারের বড় ধরণের সাপোর্ট বা প্রতিরোধ স্তর হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দাম যদি এই ২০০ দিনের মুভিং অ্যাভারেজ এবং অক্টোবরের সর্বোচ্চ চূড়ার সাপোর্ট ভেঙে নিচে নেমে যায়, তবে দাম আরও কমে গত মার্চ মাসের সর্বনিম্ন স্তর ৪ হাজার ৯৭.৯৯ ডলার কিংবা তারও নিচে চলে যেতে পারে।

তবে আশার কথা হলো, বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সূচক ইঙ্গিত দিচ্ছে, এই মুহূর্তে বিশ্ববাজারে ক্রেতা (বুলস) ও বিক্রেতাদের (বেয়ারস) মধ্যে একটি তীব্র মনস্তাত্ত্বিক ও বাণিজ্যিক লড়াই চলছে। স্বর্ণের দাম যদি কোনোভাবে চলতি মাসের সর্বোচ্চ স্তর ৪ হাজার ৭৭৩.১৪ ডলারের রেজিস্ট্যান্স বা বাধা ভেঙে ওপরে উঠে যেতে পারে, তবে বড় ধরণের দরপতনের আশঙ্কা কেটে যাবে এবং বাজার আবার নতুন করে চাঙ্গা হওয়ার পথ সুগম হবে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স


বিয়ের মৌসুমে সোনা ও রুপার বাজারে আগুন, অলঙ্কার কিনতে পকেটে টান ক্রেতাদের

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ৩০ ১০:৪৮:৩১
বিয়ের মৌসুমে সোনা ও রুপার বাজারে আগুন, অলঙ্কার কিনতে পকেটে টান ক্রেতাদের
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতুর দরপতনের খবরের মাঝেই দেশের বাজারে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। গত ২৫শে মে সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে এই নতুন কার্যকর মূল্যে সোনা কেনাবেচা চলছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশন বা নতুন দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত দেশজুড়ে ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা এই ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকাতেই বিক্রি হবে। এর পাশাপাশি দেশের বাজারে অন্যান্য মানের সোনার দামও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনার বাজারদর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা গ্রাহকদের কিনতে হচ্ছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায়।

সোনার পাশাপাশি দেশের বাজারে এবার রুপার দামও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম রাখা হচ্ছে ৫ fine হাজার ৭৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতিভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি রুপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বিয়ের মৌসুম ও সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে।

/আশিক


বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধস, দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আন্তর্জাতিক দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৭ ২৩:১৯:১৮
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় ধস, দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে আন্তর্জাতিক দর
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির গভীর উদ্বেগ এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার মূল্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরান সংঘাতের স্থায়ী কোনো কূটনৈতিক সমাধান না হওয়ায় বিশ্ব বাজারে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা এখন আরও তীব্র রূপ নিয়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়ে গত দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

আজ বুধবার (২৭ মে) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪৪.৬৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত ২৭ মার্চের পর আন্তর্জাতিক বাজারে সর্বনিম্ন দর। অন্যদিকে, আগামী জুন মাসে ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার বাজারদর ১.২ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪,৪৪৫.২০ ডলারে নেমে এসেছে।

বিশ্বখ্যাত বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান জেনার মেটালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট পিটার গ্রান্ট এই পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে জানান, মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘায়িত সামরিক সংঘাতই বর্তমান বিশ্ব বাজারের ওপর সবচেয়ে বড় ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা বিশ্বজুড়ে নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় ব্রেন্ট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়, যা সার্বিক বিশ্ব মুদ্রাস্ফীতিকে মারাত্মকভাবে উসকে দিয়েছে। একই সঙ্গে এর ফলে বিশ্ববাজারে সুদের হার আরও বাড়তে পারে এমন আশঙ্কাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জোরালো হচ্ছে।

তবে সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের একটি খবর আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য খসড়া চুক্তির আওতায় ইরান আগামী এক মাসের মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে স্বাভাবিক বাণিজ্যিক নৌচলাচল পুনরায় উন্মুক্ত করে দেবে এবং এর বিনিময়ে ওই অঞ্চল থেকে সমস্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে। ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রে ইতিবাচক এই খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সামনে আসার পরপরই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদায় সাময়িক ভাটা পড়ে এবং এর দামে পতন দেখা যায়।

এদিকে, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের অন্যতম নীতি নির্ধারক ও মিনিয়াপোলিস ফেড প্রেসিডেন্ট নীল কাশকারি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেড চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের বেঞ্চমার্ক সুদের হার আরও ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণ অর্থনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী, উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সুদবিহীন ধাতু হিসেবে স্বর্ণের ওপর বিনিয়োগের বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। আগামী বৃহস্পতিবার মার্কিন ব্যক্তিগত ভোগব্যয়ের (পিসিই) গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের পর ফেডারেল রিজার্ভের মুদ্রানীতির ভবিষ্যৎ আরও স্পষ্ট হবে বলে বিশ্বজুড়ে বড় বড় বিনিয়োগকারীরা এখন গভীর অপেক্ষায় রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও এই দরপতনের ধারা স্পষ্ট লক্ষ্য করা গেছে। স্পট রুপার দাম এক ধাক্কায় ২.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৪.৮২ ডলারে নেমে এসেছে। তবে বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক অব আমেরিকা এক দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী মাসগুলোতে স্বর্ণের দাম পুনরায় বৃদ্ধি পেলে রুপার দাম আবারও আউন্সপ্রতি ১০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে যেতে পারে, যদিও দীর্ঘ মেয়াদে সেই রেকর্ড উচ্চমূল্য ধরে রাখা বেশ কঠিন হবে। এছাড়া, শিল্পে ব্যবহৃত মূল্যবান ধাতু প্লাটিনামের দামও আন্তর্জাতিক বাজারে ২ শতাংশ কমে ১,1১৯.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

/আশিক


উৎসবের মুখে ফের চড়া স্বর্ণের বাজার, জেনে নিন ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন ভরি কত

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ২৭ ১১:৩৬:২৭
উৎসবের মুখে ফের চড়া স্বর্ণের বাজার, জেনে নিন ২১ ও ১৮ ক্যারেটের নতুন ভরি কত
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ঈদ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী সোনার দাম। ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। আজ বুধবার (২৭ মে) থেকে দেশের বাজারে এই নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী সোনা কেনাবেচা চলছে। তবে সাধারণ মানের বা সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার দাম পুনর্নির্ধারণ করে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা করা হয়েছে।

গত সোমবার (২৫ মে) সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে এই সংশোধিত মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের স্থানীয় বাজারে পাকা সোনা বা তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) সরবরাহ ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নতুন এই সমন্বয় অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতিভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের ভালো মানের সোনা কিনতে ক্রেতাদের খরচ করতে হবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা মূল্যে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি সোনার নতুন বাজারদর ঠিক করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।

উল্লেখ্য, এই দফায় দাম বাড়ার ঠিক আগেই গত শনিবার সোনার মূল্য কিছুটা কমিয়েছিল জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেই সময় ভরিপ্রতি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা হ্রাস করা হলেও মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে সমপরিমাণ টাকা বাড়িয়ে আবার নতুন মূল্য ধার্য করল বাজুস।

/আশিক

পাঠকের মতামত: