জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ গড়বে বিএনপি: তারেক রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই বিভাগটি জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী ও তাদের পরিবারগুলোর দায়িত্ব নেবে এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির কাঠামোর মধ্যে তাদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ–এর মিলনায়তনে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী**সহ দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান–ও সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। সেই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, আহত ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর দেখভাল করা হতো।
তিনি বলেন, বিএনপি মনে করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতরাও রাষ্ট্র ও স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। তাই তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিশ্চিত করা নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব।
তারেক রহমান বলেন, “আমরা যারা হারিয়ে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনতে পারব না। কিন্তু যারা বেঁচে আছেন, যারা পরিবার নিয়ে কষ্টের মধ্যে রয়েছেন রাষ্ট্র হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।” তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন এবং সে কারণেই তাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই গণ্য করা উচিত।
এই যুক্তির ভিত্তিতে তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ভেতরেই একটি নতুন বিভাগ সৃষ্টি করা হবে, যার মূল দায়িত্ব হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারগুলোর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা।
বক্তব্যে তারেক রহমান ঐতিহাসিক তুলনা টেনে বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা জীবন দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর ২০২৪ সালে যারা রাজপথে নেমে লড়াই করেছেন, তারা সেই অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন। এই ধারাবাহিকতার কারণেই দুই প্রজন্মের যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে একই নৈতিক মর্যাদায় দেখার কথা বলেন তিনি।
-রফিক
সাড়ে ১২ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: নির্বাচনের পথরেখা নির্ধারণ করল জামায়াত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক রণকৌশল নির্ধারণে বড় ধরণের তৎপরতা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বিশেষ ও দীর্ঘকালীন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এই ম্যারাথন বৈঠকটি বিরতিহীনভাবে চলে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। অর্থাৎ টানা সাড়ে ১২ ঘণ্টা ব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আগামী নির্বাচন এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংগঠনের উচ্চপর্যায়ের প্রায় সকল শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন নায়েবে আমিরবৃন্দ, সেক্রেটারি জেনারেল এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দ। এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দও এই দীর্ঘ আলোচনায় অংশ নেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এবারের বিশেষ বৈঠকে কেবল রাজনৈতিক নেতারাই নন, বরং বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। নারী নেতৃত্ব এবং বিশেষজ্ঞ মহলের অন্তর্ভুক্তি দলটির নির্বাচনি প্রস্তুতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক রূপরেখা। এতে আসন্ন নির্বাচনের জন্য দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত নির্বাচনি ইশতেহার এবং একটি বিশেষ 'পলিসি পেপার' নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ও সংস্কার করা হয়। জামায়াত নেতারা মনে করছেন, একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ সহায়ক হবে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বর্তমান সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী প্রচারণায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও নেতারা তাদের উদ্বেগ ও প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে এই বৈঠকে আমিরে জামায়াতের দেশব্যাপী সফরের একটি আনুষ্ঠানিক সফরসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকায় সফরের মধ্য দিয়ে প্রচার কার্যক্রম শুরু করবেন ডা. শফিকুর রহমান। এরপর ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি তিনি উত্তরবঙ্গসহ সারা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় সাংগঠনিক সফরে যাবেন এবং দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে জামায়াতের এই সাড়ে ১২ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠক এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায় থেকে শুরু করে নারী বিভাগকে যুক্ত করা একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে ডিজিটাল নজরদারি বা সিসি ক্যামেরার দাবি এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে দলটির অনড় অবস্থান আগামী দিনের নির্বাচনি রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিতে পারে। বৈঠক শেষে দলটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও এসব আলোচনার সারসংক্ষেপ প্রচার করা হয়েছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে দলটির সক্রিয়তা বৃদ্ধির সংকেত দিচ্ছে।
ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরে তারেক রহমান, ছাড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পরিসরে নতুন এক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। সামাজিক মাধ্যম বিশ্লেষণভিত্তিক ওয়েবসাইট সোশ্যাল ব্লেড প্রকাশিত ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল ব্লেডের ‘টপ হান্ড্রেড ফেসবুক কনটেন্ট ক্রিয়েটরস বাই সোশ্যাল’ তালিকা অনুযায়ী, তারেক রহমানের অবস্থান ৬৪ নম্বরে। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ফেসবুকে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে কতটা কনটেন্ট তৈরি ও পোস্ট করা হচ্ছে সে তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে।
তালিকাটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ফেসবুকে কনটেন্ট পোস্টের সংখ্যার বিচারে তারেক রহমানের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর চেয়েও এগিয়ে। অর্থাৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার মাত্রা ও কনটেন্ট উৎপাদনের ক্ষেত্রে তিনি অনেক আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ছাড়িয়ে গেছেন।
সোশ্যাল ব্লেডের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ বলতে শুধু নিজে পোস্ট দেওয়া ব্যক্তিকে বোঝানো হয় না; বরং যাদের ঘিরে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি কনটেন্ট তৈরি, শেয়ার ও আলোচনা হয়তাদেরই এই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই হিসাবে, তারেক রহমান বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক নেতাদের একজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
-BNP Media Cell
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে যাবেন- নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখার আহবান

মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র (ইসি) বাতিল ঘোষণা করলেও আশা ছাড়েনি দলের নেতাকর্মী। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে তার প্রার্থিতা বাতিলের রায় দেয় (ইসি)।
তবে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা যায়, হাইকোর্টের রায়ে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে পারেন,তবে নেতাকর্মীদের ঐক্য বদ্ধ হয়ে থাকার আহবান করেন। মন্জুরুল আহসান মুন্সীর তার ভেরিফাই আইডি থেকে দেবীদ্বার বাসির উদ্দেশ্য লিখেন' প্রিয় দেবিদ্বারবাসী ও আমার দলের নেতাকর্মী ভাইয়েরা,দৃঢ় বিশ্বাস ও ধৈর্য রাখুন।
আল্লাহই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী।হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্সের করা পৃথক আবেদনের (লিভ টু আপিল) শুনানি নিয়ে ৮ জানুয়ারি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আট সপ্তাহের জন্য হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে মঞ্জুরুল আহসান আবেদন করেন, যা বুধবার চেম্বার আদালতে শুনানির জন্য ওঠে।
আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুস্তাফিজুর রহমান খান ও আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন শুনানিতে ছিলেন। আইডিএলসি ফাইন্যান্সের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের পক্ষে আইনজীবী বিভূতি তরফদার শুনানিতে ছিলেন।
পরে আইনজীবী মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মামুন বলেন, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স থেকে মাম পাওয়ার লিমিটেড ঋণ নেয়। মাম পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুরুল আহসান। প্রিমিয়ার ব্যাংককে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। ব্যাংক ঋণ পুনঃ তফসিল করেছে। আইডিএলসির সঙ্গেও সেটেলমেন্ট হয়েছে; এর অংশ হিসেবে ডাউনপেমেন্ট দেওয়া হয়েছে। এ মামলার সঙ্গে তাঁর (মঞ্জুরুল আহসান) মনোনয়নের সম্পর্ক নেই।এদিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় জেলা উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার রেজভিউল আহসান মুন্সী তার ভেরিফাই আইডি থেকে দেবীদ্বার বাসির উদ্যোগে বলেন- প্রিয় সহযোদ্ধারা,আশা হারাবেন না। এটা এখানেই শেষ নয়, এটা একটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ মাত্র।
আজ নির্বাচন কমিশনের যে সিদ্ধান্ত এসেছে,সেটাই চূড়ান্ত নয়। আমাদের মামলা এখন উচ্চ আদালতের বিবেচনায় রয়েছে, এবং মামলার মেরিটের ওপরই সত্যের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা বিশ্বাস করি, উচ্চ আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে এবং আমাদের মনোনয়ন পুনর্বহাল হবে। ধৈর্য রাখুন,ঐক্যবদ্ধ থাকুন। ষড়যন্ত্রের সামনে মাথা নত নয় আইনের পথেই আমরা এগোবো। সত্যের শক্তি আমাদের সঙ্গেই আছে। ইনশাআল্লাহ, বিজয় আমাদেরই হবে। এই আসনে ‘১০ দলীয় নির্বাচনী জোট’ থেকে নির্বাচন করছেন এনসিপির আলোচিত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেছিলেন।তার সে আপিল নামঞ্জুর হয়। ফলে হাসনাত আবদুল্লাহর প্রার্থিতা বহাল থাকছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এ আসনটিতে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, ইরফানুল হক সরকার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ); মোহাম্মদ মজিবুর রহমান (খেলাফত মজলিস); মো. আবু জসিম উদ্দিন (গণঅধিকার পরিষদ- জিওপি), মোফাজ্জল হোসেন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)। এই আসনে জামায়াতে ইসলামী,এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনী জোট হওয়ায় হাসনাত আব্দুল্লাকে আসন ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন,জামায়াতে ইসলামীর নেতা সাইফুল শহিদ।
নেপাল, ভুটান ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ শনিবার এক বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকসহ দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশ নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতরা। এই বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
দিনের শেষ ভাগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পৌঁছান। তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিএনপির মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অবগত হন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন।
এর আগে বিকেলের দিকে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতরা। নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি বিকেল ৪টার দিকে গুলশান কার্যালয়ে যান। বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দুই দেশের ভূমিকা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। নেপালের রাষ্ট্রদূতের বিদায়ের পরপরই সেখানে পৌঁছান ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাসো কর্মা হামু দর্জি। তারেক রহমানের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকগুলোতে বিএনপি নেতারা দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও জোরালো সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেন। বিশেষ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রতিবেশী দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তারেক রহমান। রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ভাবনা এবং রাজনৈতিক সংস্কার বিষয়ে বিএনপির পরিকল্পনাগুলো গভীর আগ্রহের সাথে শোনেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকগুলোতে বিএনপির পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং দলের যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির। বিশ্লেষকদের মতে, এক দিনে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দেশের প্রতিনিধিদের সাথে এই ধরণের বৈঠক আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিএনপির কূটনৈতিক অবস্থান এবং দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে তাদের সক্রিয় ভূমিকারই প্রতিফলন।
শুধু এক দেশের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না: মির্জা আব্বাস
দেশপ্রেম এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, কেবল একটি বিশেষ দেশের বিরুদ্ধে কথা বললেই কাউকে দেশপ্রেমিক হিসেবে গণ্য করা যায় না। দেশপ্রেমের মূল ভিত্তি হলো নিজের দেশকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসা। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচিকাঁচা ভবন মিলনায়তনে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আব্বাস স্পষ্টভাবে জানান যে, তিনি এবং তাঁর দল একটি বিশেষ দেশের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল ধরে সংগ্রাম করে আসছেন এবং আগামী দিনেও সেই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে, তবে এর অর্থ এই নয় যে কেবল এই বিরোধিতার মাধ্যমেই কেউ অনেক বড় দেশপ্রেমিক হয়ে যাবেন।
উপস্থিত তরুণ মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টারদের উদ্দেশ্য করে মির্জা আব্বাস বলেন, তরুণ বয়সেই চিনে রাখতে হবে এ দেশে প্রকৃত দেশপ্রেমিক কারা এবং কারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আগে নিজের দেশকে ভালোবাসতে শিখতে হবে এবং তারপরে অন্য দেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য বা অবস্থান নিতে হবে। নিজের দেশের প্রতি মমত্ববোধ না থাকলে অন্য দেশের বিরোধিতা অর্থহীন হয়ে পড়ে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একটি ঐতিহাসিক বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, দেশনেত্রী বলেছিলেন যে তিনি সবসময় দেশের স্বার্থ ও নিজের দেশ সম্পর্কে কথা বলবেন এবং সেই কথা বলতে গিয়ে যদি অন্য কারো স্বার্থে আঘাত লাগে, তবে তাতে তাঁর কিছুই করার নেই। মির্জা আব্বাস একই সুরে বলেন, অন্য দেশের বিরোধিতা করে কাউকে জোর করে দেশপ্রেম শেখানো সম্ভব নয়। নিজের দেশকে ভালোবেসে অন্য দেশের যৌক্তিক বিরোধিতা করায় কোনো আইনি বা নৈতিক অসুবিধা নেই।
দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত গণভোট বা ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়েও মির্জা আব্বাস তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, বিএনপি কখনোই ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের ধারণাকে অস্বীকার করে না। যার প্রয়োজন মনে হবে তিনি ‘হ্যাঁ’ সূচক ভোট দেবেন এবং যার প্রয়োজন তিনি ‘না’ সূচক ভোট দেবেন। এই স্বাধীনতা অর্জন করাই ছিল সংগ্রামের লক্ষ্য। তবে তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন যে, কোনো পক্ষ জোর করে মানুষের ওপর নির্দিষ্ট কোনো মত চাপিয়ে দিয়ে ভোটের দাবিদার হতে পারে না। জনগণের এই গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাকে মান্যতা দেওয়া এবং জোরপূর্বক প্রভাব বিস্তার না করা এখন সময়ের দাবি। মানুষকে নিজের ইচ্ছামতো ভোট দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে—এটাই হচ্ছে প্রকৃত গণতান্ত্রিক পরিবেশের বহিঃপ্রকাশ।
অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাস দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের সাহসিকতার সাথে সংবাদ পরিবেশন করার আহ্বান জানান এবং জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মনে করেন, সত্য সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমেই দেশের প্রকৃত শত্রু এবং মিত্রদের চিহ্নিত করা সম্ভব। মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক কর্মী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জে হারলেন মঞ্জুরুল মুন্সী
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৪ আসনে এক বড় ধরণের রাজনৈতিক রদবদল ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ শনিবার বিকেলে এক গুরুত্বপূর্ণ শুনানি শেষে এই আসনের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী ও বিএনপির মনোনীত প্রতিনিধি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। ঋণখেলাপির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কমিশন এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। আজ ১৭ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন ভবনের বেজমেন্ট-২-এর অডিটোরিয়ামে এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানেই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়।
কুমিল্লা-৪ আসনের এই আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইটি মূলত শুরু হয়েছিল দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর পাল্টা-পাল্টি আপিলের মধ্য দিয়ে। এই আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটের পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনসিপির আলোচিত প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর আগে হাসনাত আব্দুল্লাহ বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে তাঁর মনোনয়ন কেন বাতিল করা হবে না, সেই মর্মে নির্বাচন কমিশনে একটি আনুষ্ঠানিক আপিল দাখিল করেছিলেন। অন্যদিকে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও দমে যাননি; তিনিও হাসনাত আব্দুল্লাহর মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে পাল্টা আপিল করেছিলেন। উভয় প্রার্থীর শুনানি আজ কমিশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘ শুনানি এবং নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দেয় যে, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে আনা ঋণখেলাপির অভিযোগটি তথ্যপ্রমাণ দ্বারা সমর্থিত। এর ফলে আইন অনুযায়ী তাঁর প্রার্থিতা অযোগ্য বলে গণ্য করা হয় এবং তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেওয়া হয়। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণ পুরোপুরি পাল্টে গেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা হওয়া সত্ত্বেও এই আইনি জটিলতায় পড়ে ছিটকে যাওয়ায় ওই এলাকায় বিএনপি সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বিপরীতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর জন্য এই রায় একটি বড় ধরণের কৌশলগত জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এনসিপির এই প্রার্থীর মনোনয়ন শেষ পর্যন্ত বৈধ থাকায় এবং প্রধান প্রতিপক্ষের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় ভোটের মাঠে তাঁর অবস্থান আরও সুসংহত হলো। নির্বাচন কমিশন ভবনের আজকের এই শুনানি প্রক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত টানটান উত্তেজনাকর এবং রায়ের পর তাৎক্ষণিকভাবে হাসনাত আব্দুল্লাহর সমর্থকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষ থেকে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশনের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ফলে কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনী হাওয়া এখন নতুন মোড় নিল।
শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার মানুষদের স্মৃতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ—এ কথা স্পষ্ট ভাষায় উচ্চারণ করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর বক্তব্যে উঠে এলো শোক, ক্ষোভ এবং ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার। শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন–মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র-এ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, যারা শহীদ হয়েছেন, রাষ্ট্র কখনো তাদের ভুলে যেতে পারে না।
শনিবার সকাল সোয়া এগারোটায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিবারগুলোর বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা শুনে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং চোখের জল সংবরণ করতে পারেননি।
তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নির্যাতনের শিকার হাজারো মানুষ আজ তাঁর সামনে বসে আছেন। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে জানান, এই আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়, সে জন্য বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করবে। তাঁর ভাষায়, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা গুম হয়েছেন বা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের বুকের ভেতরের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার মূল প্রেরণা হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সরকারের শহীদদের প্রতি গভীর দায়-দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষে কখনোই এই মানুষদের বিস্মৃত হওয়া সম্ভব নয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাতে এই আত্মত্যাগ স্মরণে রাখে, সে লক্ষ্যে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম শহীদদের নামে নামকরণ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
গুপ্ত কৌশল বা সুপ্ত ভূমিকার রাজনীতিতে বিএনপি বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যে দলের নেতাকর্মীরা অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন থাকতে পারে, সেই দলকে ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচারের মাধ্যমে দমন করা যায় না। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড় লাখের বেশি মামলা এবং প্রায় ষাট লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানি চালানো হয়েছে। বহু মানুষকে বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে।
তারেক রহমানের মতে, প্রতিটি অন্যায়ের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। এই লক্ষ্যেই বিএনপি আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদীর লুনা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আমরা বিএনপি পরিবার-এর প্রতিনিধি আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।
সাজ্জাদ/২৩৪৫
নির্বাচনী মিশনে জামায়াত আমির: ঢাকা-১৫ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী সফর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামী বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী 'নির্বাচনী সফর' শুরু করতে যাচ্ছেন। রাজধানী ঢাকার ১৫ নম্বর নির্বাচনী আসনে গণসংযোগ এবং জনসভার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক কর্মসূচির সূচনা হবে। শুক্রবার রাতে দলের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্বাচনী সফরের বিস্তারিত সূচি জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা-১৫ আসনে জনসভার মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করার পর তিনি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে দুই দিনের সাংগঠনিক ও নির্বাচনী সফরে অংশ নেবেন।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, জামায়াত আমির আগামী ২৩ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন। সফরের প্রথম দিন অর্থাৎ শুক্রবার বেলা ২টায় তিনি দিনাজপুর জেলা জামায়াত আয়োজিত ঐতিহাসিক গোর-ই-শহীদ ময়দানে এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। এরপর একই দিন বিকেল ৪টায় ঠাকুরগাঁওয়ে এবং সন্ধ্যায় বিভাগীয় শহর রংপুরে আয়োজিত পৃথক জনসভায় তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই জনসভাগুলোতে স্থানীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতির প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।
সফরের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি সকালে ডা. শফিকুর রহমান পীরগঞ্জে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেই উত্তাল সময়ে আবু সাঈদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশেষ গুরুত্ব বহন করে, আর সেই বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোকেই এই সফরের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কবর জিয়ারত ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ওই দিন সকাল ১০টায় তিনি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরাই এই সফরের প্রধান লক্ষ্য। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের উত্তরাঞ্চলে এই সফরের মাধ্যমে জামায়াত আমির সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক দেবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত এই নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নির্বাচনী সফর চলবে বলে দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্লো পয়জন প্রয়োগ! খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে চিকিৎসকের বিস্ফোরক তথ্য
সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক দাবি উত্থাপন করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার নাগরিক শোকসভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অভিযোগ করেন যে, চিকিৎসায় চরম অবহেলা এবং মাত্রাতিরিক্ত মেথোট্রেক্সেট (এমটিএক্স) নামক ওষুধ প্রয়োগের ফলে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। ডা. সিদ্দিকী অত্যন্ত সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই ওষুধটি খালেদা জিয়ার বিদ্যমান ফ্যাটি লিভার সমস্যাকে আরও জটিল করে লিভার সিরোসিসে রূপান্তর করেছিল, যা মূলত তার যকৃতের জন্য একটি ‘স্লো পয়েন্ট’ বা ধীরগতির বিষক্রিয়া হিসেবে কাজ করেছে।
শোকসভায় উপস্থিত দেশি-বিদেশি বিশিষ্টজন ও কূটনীতিকদের সামনে ডা. সিদ্দিকী বলেন, খালেদা জিয়ার লিভারের সমস্যা নির্ণয় করা অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয় ছিল, যার জন্য বড় কোনো বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু অত্যন্ত অবিশ্বাস্য ও বেদনাদায়ক বিষয় হলো, বিগত সরকারের আমলে সরকারি মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার লিভার ফাংশন টেস্ট বা যকৃতের কার্যকারিতা পরীক্ষার ফলাফল খারাপ দেখার পরও ন্যূনতম একটি আলট্রাসনোগ্রাম পর্যন্ত করার প্রয়োজন মনে করেনি। এমনকি লিভারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত এমটিএক্স প্রয়োগও তারা বন্ধ করেননি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের নৈতিকতার চরম লঙ্ঘনের এই চিত্র তুলে ধরে তিনি দাবি করেন যে, বিষয়টি সাধারণ অবহেলা নয় বরং একে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা প্রয়োজন।
উদ্ভূত এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী সরকারের কাছে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসাজনিত অবহেলার তিনটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত আইনি তদন্ত হওয়া জরুরি। প্রথমত, সরকার কর্তৃক গঠিত সেই মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা কারা ছিলেন এবং কোন যোগ্যতার ভিত্তিতে তারা একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে হবে। দায়িত্ব পালনে তাদের ব্যর্থতার দায়ভার নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি। দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়া যখন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন কোন কোন চিকিৎসক তার সরাসরি চিকিৎসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং সেখানে চিকিৎসাগত কোনো অপরাধ বা অবহেলা ছিল কি না, তা খুঁজে বের করতে হবে। তৃতীয়ত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন খালেদা জিয়া আইনজীবীর মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানালেও কেন তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল এবং কারা এতে বাধা প্রদান করেছিল, সেই রহস্য উন্মোচন করা প্রয়োজন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, আজ দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে একটি বড় আফসোস রয়ে গেল। তিনি বলেন, “সারা জীবন যে মানুষটি গণতন্ত্রের জন্য এবং মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করলেন, তিনি যদি আর কিছুদিন বেঁচে থাকতেন তবে নিজ চোখে দেখতে পারতেন যে এ দেশের মানুষ আজ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবিলম্বে এই চিকিৎসাজনিত অবহেলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। খালেদা জিয়ার মতো একজন জাতীয় নেত্রীর চিকিৎসায় এমন চরম উদাসীনতা কোনোভাবেই ক্ষমাযোগ্য হতে পারে না বলে তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
পাঠকের মতামত:
- জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ গড়বে বিএনপি: তারেক রহমান
- ভালুকায় শিক্ষা বিপ্লব: রানার উদ্যোগে ঝরে পড়া শ্রমিকদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ই-লার্নিং একাডেমি
- কুমিল্লা ৪ এই সমস্যা সমাধানের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দরকার - নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস
- ১৮ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- শাবান ও শবেবরাত ২০২৬: জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনায় সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
- স্মৃতিশক্তি থাকবে অটুট; মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে বিশেষজ্ঞদের ৬ পরামর্শ
- তেতো স্বাদে লুকিয়ে সুস্থতার চাবিকাঠি; করলার রসের অবাক করা গুণ
- সাড়ে ১২ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: নির্বাচনের পথরেখা নির্ধারণ করল জামায়াত
- বিশ্বকাপ জট খুলতে আইসিসিকে এবার নতুন এক ফর্মুলা দিল বাংলাদেশ
- বোর্ড অব পিস-এ এরদোয়ান ও সিসিকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের; গাজায় নতুন মোড়
- ফেসবুকের শীর্ষ ১০০ কনটেন্ট ক্রিয়েটরে তারেক রহমান, ছাড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও
- ইপিএস ও ক্যাশ ফ্লোতে বড় উন্নতি লাভেলোর
- টেলিভিশন পর্দায় আজ যে সব গুরুত্বপূর্ণ খেলা দেখা যাবে
- একাধিক ডিএসই তালিকাভুক্ত কোম্পানির বোর্ড সভা ঘোষণা
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- ডিএসই পরিদর্শনে বন্ধ পাওয়া গেল কয়েকটি কারখানা
- প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ ফরচুন শুজের
- নামাজের সময়সূচি: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে আইবিপির প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
- আজ ঢাকায় কোথায় কোন কর্মসূচি, দেখে নিন এক নজরে
- আজ রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- চরভদ্রাসনে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান; ফেঁসে গেলেন দুই সাংবাদিক
- আজ থেকে টানা ৩ দিন বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- অস্থিতিশীল ইরান ও ভূ-রাজনীতি: খামেনির বক্তব্যে নতুন মোড়
- ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণে মেথি; গবেষণায় মিলল অবিশ্বাস্য সব তথ্য
- এক বছরে দুই বিপর্যয়; ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় নজিরবিহীন অন্ধকার
- মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে যাবেন- নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস রাখার আহবান
- বিএনপি নেতাকর্মী ও নারীদের ওপর হামলা উল্টো মামলা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ
- নেপাল, ভুটান ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক
- গ্রুপ বদল না ভেন্যু পরিবর্তন? বিশ্বকাপ সংকট কাটাতে বিসিবির নতুন প্রস্তাব
- পার্লার ছাড়াই উজ্জ্বল ও দাগহীন ত্বক: ঘরে বসে রূপচর্চার ৪টি সহজ উপায়
- শুধু এক দেশের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশপ্রেমিক হওয়া যায় না: মির্জা আব্বাস
- ফাহাদের বোলিং তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত; যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুভ সূচনা
- রেকর্ড লক্ষ্যমাত্রার পথে সৌদি আরব: নতুন খনি থেকে মিলল বিশাল স্বর্ণের মজুদ
- জুলাই সনদ লেখা হয়েছে রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে, কালি দিয়ে নয়: আলী রীয়াজ
- নীলনদ ইস্যুতে হোয়াইট হাউসের নতুন বার্তা; মধ্যস্থতায় ফিরছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ভারতীয় কর্মকর্তার ভিসা আটকে দিল বাংলাদেশ, কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের!
- হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জে হারলেন মঞ্জুরুল মুন্সী
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- ইসলামোফোবিয়া: বাংলাদেশে বাস্তবতার নাম, না রাজনৈতিক ঢাল
- চাকরি নিয়ে অসন্তুষ্টি? ৯০ মিনিটের এই সূত্র বদলে দিতে পারে আপনার জীবন
- ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: মার্কিন ডলার থেকে রুপি, জানুন আজকের বিনিময় হার
- নির্বাচনী মিশনে জামায়াত আমির: ঢাকা-১৫ থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী সফর
- সালাদে যে সবজিটি যোগ করলে লিভার থাকবে চর্বিমুক্ত
- কুমিল্লার একই পরিবারের তিনজনের প্রাণহানী
- প্রতিদিন মাত্র ১টি লবঙ্গ: নিয়মিত খেলে শরীরে ঘটে এই ১১টি চমকপ্রদ উপকার!
- স্লো পয়জন প্রয়োগ! খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে চিকিৎসকের বিস্ফোরক তথ্য
- বাতাসে শুধু ধূলিকণা নয়, ভাসছে মৃত্যুও: আইকিউএয়ারে শীর্ষে ঢাকা
- রণক্ষেত্রে ট্রমা ও নৈতিক আঘাত: ইসরায়েলি সেনাদের আত্মহত্যার হার বৃদ্ধি
- ফ্যাসিবাদ পরবর্তী বাংলাদেশের দিশারি যখন খালেদা জিয়ার আদর্শ
- ঢাকায় ব্যারিস্টার নাজির আহমদ এর দুটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠিত
- বাহরাইনের মানামায় বিএনপির নতুন পথচলা: ঘটা করে ঘোষণা হলো নতুন কমিটি
- জোট গঠনে অনেক ছাড় দিয়েছে এনসিপি লক্ষ্য এবার সরকার গঠন: আসিফ মাহমুদ
- ডিএসই পরিদর্শন/ডোমিনেজ চালু, অন্য চার কোম্পানির কারখানা বন্ধ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ডিএসইর আইনি সতর্কতা
- ব্রণের দাগ দূর করতে ঘরোয়া ফেসপ্যাকের কার্যকারিতা জানুন
- ১২ জানুয়ারি ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- সরকারি বন্ড বাজারে স্থগিতাদেশ ও ডিলিস্টিং একসঙ্গে
- শহীদদের ভুলে যাওয়ার সুযোগ রাষ্ট্রের নেই: গুম–খুনের শিকার পরিবারদের পাশে দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের অঙ্গীকার
- পরিমিত খেয়েও খেয়েও কমছে না ওজন যে সমাধান দিলেন চিকিৎসক
- ৩০টির বেশি মিউচুয়াল ফান্ডের এনএভি প্রকাশ, কোথায় সুযোগ
- রেকর্ড ডেট শেষে সরকারি বন্ড ও দুই কোম্পানীর লেনদেন শুরু
- বিনিয়োগকারী অভিযোগে ডিজিটাল সমাধান জোরদার ডিএসইর
- ডিএসইতে আজ প্রকাশিত সব মিউচুয়াল ফান্ড এনএভির বিশ্লেষণ








