ইউটিউবে আসছে বড় পরিবর্তন: এআই ভিডিও এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করবে অ্যালগরিদম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি কিংবা সম্পাদিত ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য একদম নতুন ও কঠোর এক ফিল্টারিং ব্যবস্থা চালু করছে বৈশ্বিক ভিডিও স্ট্রিমিং জায়ান্ট ইউটিউব। এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায়, এখন থেকে কোনো ভিডিওতে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এআই বা জেনারেটিভ টুলের ব্যবহার করা হলে দর্শকদের সুবিধার্থে সেখানে বিশেষ সতর্কতামূলক ডিজিটাল লেবেল দেখানো হবে।
তবে গুগলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, আপাতত এই হাইটেক সুবিধাটি শুধু ইউটিউবের মূল প্ল্যাটফর্মেই (Main App) কার্যকর করা হবে, শিশুদের জন্য তৈরি 'ইউটিউব কিডস' (YouTube Kids)-এ এখনই এটি আসছে না।
ইউটিউব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমান সময়ে অনলাইন দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিপফেক দিয়ে তৈরি নিখুঁত এআইনির্ভর ভিডিওর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকায় কনটেন্টের উৎস, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সত্যতা সম্পর্কে সাধারণ দর্শকদের আরও স্পষ্ট ও স্বচ্ছ তথ্য দেওয়ার জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে এআই দিয়ে কোনো ভিডিও বানালে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিজ উদ্যোগে বা ম্যানুয়ালি সেটি চিহ্নিত বা লেবেল করতে হতো। তবে নতুন ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় এআই লেবেলটি আরও দৃশ্যমানভাবে সরাসরি ভিডিওর প্রধান শিরোনামের (Title) পাশেই বড় করে প্রদর্শিত হবে। এছাড়া ইউটিউব শর্টসের (YouTube Shorts) ক্ষেত্রেও স্ক্রিনের একদম নিচে সাবটাইটেলের সাথে এই এআই লেবেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।
এদিকে এআই ভিডিও নির্মাতাদের আশ্বস্ত করে এক অফিশিয়াল ব্লগ পোস্টে টেক জায়ান্টটি জানিয়েছে, কোনো ভিডিওতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই লেবেল যুক্ত হওয়ার কারণে ভিডিওর অ্যালগরিদম, অর্গানিক রিচ বা সুপারিশ ব্যবস্থা (Recommendation System) এবং মনিটাইজেশন তথা আয় করার নিয়মিত সুযোগে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। দর্শকদের কাছে কনটেন্ট সম্পর্কে কেবল আরও স্বচ্ছ তথ্য পৌঁছে দেওয়াই এই এআই লেবেলিং উদ্যোগের একমাত্র ও মূল লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইন্টারনেটে এআই দিয়ে তৈরি অতি নিম্নমানের ভিডিও এবং দর্শকদের প্রতারিত করা বিভ্রান্তিকর এআই বিজ্ঞাপনের ছড়াছড়ি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ইউটিউব। প্ল্যাটফর্মের পরিচ্ছন্নতা ও সাইবার নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইতিমধ্যে জেনারেটিভ এআই নীতিমালার আওতায় বিপুলসংখ্যক এআই কনটেন্ট, বিজ্ঞাপনী ভিডিও এবং এআই চ্যানেল একযোগে ডিলিট ও টার্মিনেট করে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে এই সার্চ জায়ান্ট।
সূত্র: ম্যাশেবল
ভিডিওর জন্য ঘরে বসেই এআই দিয়ে ভয়েসওভার তৈরির সহজ উপায়
ভিডিওর ভয়েসওভার তৈরি, কনটেন্টে কণ্ঠ যোগ করা কিংবা লিখিত বক্তব্যকে অডিওতে রূপান্তর করার পুরো প্রক্রিয়াটি এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কল্যাণে অত্যন্ত সহজ হয়ে গেছে। নিজের গলায় রেকর্ড করার কোনো প্রয়োজন ছাড়াই টেক্সট থেকে নিখুঁত ও স্বাভাবিক শোনার মতো কণ্ঠস্বর তৈরি করা সম্ভব। এই কাজের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে ‘ইলেভেনল্যাবস’ (ElevenLabs) অন্যতম। কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট কিছু ধাপ অনুসরণ করে যেকোনো লিখিত অংশকে খুব সহজেই পছন্দের অডিওতে রূপান্তর করা যায়।
প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘ElevenLabs: AI Voice Generator’ অ্যাপটি ইনস্টল করে প্রয়োজনীয় অনুমতি দিতে হবে। অ্যাপ চালু করার পর মূল ইন্টারফেসে থাকা ‘Text to Speech’ ফিচারটি নির্বাচন করতে হবে, যার সাহায্যে লিখিত অংশ কণ্ঠে রূপান্তরিত হয়। এরপর সেটিংস বা গিয়ার আইকনে ক্লিক করে মডেল অপশন থেকে উপযুক্ত এআই মডেল বা সর্বশেষ সংস্করণ বেছে নিয়ে তা সংরক্ষণ করতে হবে।
পরবর্তী ধাপে ভয়েস নির্বাচনের অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট কণ্ঠ খুঁজে নিতে হয়। যেমন—সার্চ বারে ‘Bunty’ লিখে খোঁজার পর ‘Bunty Punchy’ পাওয়া গেলে সেটি সিলেক্ট করে কমান্ড নিশ্চিত করতে হয়। এরপর যে লেখাটিকে অডিওতে রূপান্তর করতে চান, তা নির্ধারিত টেক্সট বক্সে লিখে বা পেস্ট করে জেনারেট বাটনে ক্লিক করতে হবে। অল্প কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর তৈরি হওয়া অডিওটি শুনে উচ্চারণ ও স্পষ্টতা যাচাই করে নেওয়া যায়। সব ঠিকঠাক থাকলে ডাউনলোড আইকনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় ফরম্যাটে ফাইলটি ডিভাইসে সংরক্ষণ করা সম্ভব, যা পরবর্তীতে যেকোনো ভিডিও এডিটিং অ্যাপের মাধ্যমে রিলস বা অন্যান্য কনটেন্টে ব্যবহার করা যায়।
তবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের বিভিন্ন সংস্করণের কারণে অপশনের নাম এবং বিন্যাসে তারতম্য থাকতে পারে। এ ছাড়া ফ্রি এবং প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সময়সীমা, ডাউনলোড সুবিধা এবং মডেলের উপলব্ধতা ভিন্ন হতে পারে। তাই কাজ শুরু করার আগে অ্যাকাউন্টের নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধা ও উপলভ্য মডেলগুলো যাচাই করে নেওয়া উচিত।
/আশিক
প্রথম মাসে ফ্রিতে ব্যবহার করুন বাংলালিংকের স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল নেটওয়ার্ক
প্রথাগত মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্ক সীমানার বাইরেও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে স্টারলিংকের স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল সেবা। জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটর বাংলালিংকের মাধ্যমে দেশের গ্রাহকরা এখন থেকে প্রচলিত নেটওয়ার্কের বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় মোবাইল অ্যাপ ও লোকেশনভিত্তিক বিভিন্ন সেবা উপভোগ করার দারুণ সুযোগ পাচ্ছেন। প্রথম মাসে নির্দিষ্ট ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গে কোনো ধরনের অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই এই যুগান্তকারী সেবাটি দিচ্ছে অপারেটরটি, যা পরবর্তীতে দ্বিতীয় মাস থেকে নির্দিষ্ট মাসিক প্যাকের আওতায় পাওয়া যাবে।
এই নতুন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করার জন্য ব্যবহারকারীদের আলাদা কোনো ব্যয়বহুল স্যাটেলাইট ফোন, ডিশ, অ্যান্টেনা কিংবা বিশেষ কোনো জটিল যন্ত্র কেনার প্রয়োজন পড়বে না। কেবল একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ফোরজি (4G) স্মার্টফোন এবং একটি সচল বাংলালিংক সিম থাকলেই এই বিশেষ সুবিধা পাওয়া সম্ভব। তবে শর্ত হলো ফোনটিকে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট স্যাটেলাইট কাভারেজের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান করতে হবে। সেবাটি পরিচালনা বা চালুর জন্য আলাদা কোনো বাড়তি অ্যাপ ইনস্টল করার প্রয়োজন হয় না, বরং বাংলালিংকের অফিসিয়াল ‘মাইবিএল’ (MyBL) অ্যাপের মাধ্যমেই এর যাবতীয় তথ্য ও শর্ত যাচাই করে নেওয়া যায়।
প্যাকেজ ও খরচের দিক থেকে, চালুর প্রথম মাসে যেকোনো নির্ধারিত ইন্টারনেট বা মিশ্র বান্ডেল প্যাকের সঙ্গেই স্টারলিংক সংযোগ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে। এরপর দ্বিতীয় মাস থেকে নির্বাচিত মাসিক প্যাকগুলোর সঙ্গে এই সুবিধা যুক্ত হবে। অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ব্যবহারের জন্য প্রতি মাসে পাঁচটি করে এসএমএস সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলালিংক। তবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, এই স্যাটেলাইট সংযোগটিকে সাধারণ ফোরজি বা ফাইভজি ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না; কারণ এটি উচ্চগতির বা সীমাহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য নয়, বরং দুর্গম এলাকায় জরুরি ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে।
যখনই কোনো ব্যবহারকারী প্রচলিত মোবাইল টাওয়ারের নেটওয়ার্ক আওতার বাইরে চলে যাবেন, তখন উপযুক্ত ও সমর্থিত ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সচেষ্ট হবে। তবে এর জন্য খোলা আকাশের নিচে থাকা বাঞ্ছনীয়, কারণ উঁচু পাহাড়ি অঞ্চল, বড় কোনো ভবন বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা স্যাটেলাইট সংযোগের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে দেশের দূরবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা, গভীর সমুদ্রে কর্মরত মৎস্যজীবী, ভ্রমণকারী এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় যখন সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়ে, তখন এই প্রযুক্তি জীবনরক্ষাকারী ও অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের জরুরি বার্তা
আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের অবিলম্বে নিজ নিজ ডিভাইসের সফটওয়্যার হালনাগাদ করার তাগিদ দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। পুরোনো অপারেটিং সিস্টেমে মারাত্মক ধরনের একটি নিরাপত্তা ত্রুটি (জিরো-ডে ভালনারেবিলিটি) শনাক্ত হওয়ার পর এই জরুরি সতর্কবার্তা জারি করল প্রতিষ্ঠানটি।
অ্যাপল সূত্রে জানা গেছে, আইফোন ও আইপ্যাডের ছবি ও গ্রাফিক্স প্রদর্শনে ব্যবহৃত ‘কোরগ্রাফিকস’ নামের সফটওয়্যার উপাদানে এই গুরুতর প্রযুক্তিগত দুর্বলতাটি খুঁজে পাওয়া যায়। হ্যাকাররা বিশেষভাবে তৈরি কোনো ক্ষতিকারক ফাইল বা ছবি পাঠিয়ে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ডিভাইসে প্রবেশ করতে পারে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতিকর নির্দেশমালা (মেলিশিয়াস কোড) সক্রিয় করে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটি আরও আশঙ্কার কথা জানিয়েছে যে, এই ফাঁককে কাজে লাগিয়ে ইতোমধ্যে নির্দিষ্ট কিছু উচ্চপদস্থ বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ডিভাইসে অত্যন্ত জটিল সাইবার হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে কার ওপর বা কোন মাধ্যমে এই নির্দিষ্ট সাইবার হামলা চালানো হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তার স্বার্থে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি অ্যাপল।
কোন কোন ডিভাইসে এবং কীভাবে হালনাগাদ করবেন
সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় অ্যাপল পুরোনো সফটওয়্যার চালিত আইফোনের জন্য ‘আইওএস ২৬.৭.১’ এবং আইপ্যাডের জন্য ‘আইপ্যাডওএস ২৬.৭.১’ সংস্করণ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করেছে। আইফোন ১১ ও পরবর্তী সময়ে বাজারে আসা সব মডেলে এই নিরাপত্তা প্যাকেজ ইনস্টল করা যাবে। অন্যদিকে, সদ্য বাজারে আসা আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স মডেলের প্রাথমিক ত্রুটি সংশোধনে পৃথকভাবে ‘আইওএস ২৭.০.১’ সংস্করণের হালনাগাদ আনা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিভাইস হালনাগাদ করার পূর্বে ব্যক্তিগত ডেটার ব্যাকআপ রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর ডিভাইসটিকে চার্জারে যুক্ত করে এবং দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই সংযোগে রেখে Settings > General > Software Update অপশনে গিয়ে 'Download and Install' বোতামে চাপ দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংস্করণটি হালনাগাদ হয়ে যাবে।
/আশিক
মহাকাশ থেকে ভেসে এলো নতুন সংকেত: বহির্বিশ্বের গ্রহ থেকে প্রথম রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত
মহাবিশ্বের বিশালতায় মানুষের নিঃসঙ্গতা ভাঙতে এবং ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরেই মহাশূন্যের গভীর সংকেত পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সৌরজগতের বাইরের একটি এক্সোপ্ল্যানেট বা বহির্বিশ্বের গ্রহ থেকে প্রথমবারের মতো সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তবে গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক ইদো বার্জার পরিষ্কার করেছেন যে, এই বার্তাটি কোনো বুদ্ধিমান প্রাণীর পাঠানো সংকেত নয়; বরং এটি উক্ত গ্রহটির অস্বাভাবিক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের বৈজ্ঞানিক প্রমাণ।
পৃথিবী থেকে প্রায় ৬৩ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত ‘বিটা পিকটোরিস বি’ নামের একটি বিশাল এক্সোপ্ল্যানেট থেকে এই পুনরাবৃত্তিমূলক রেডিও বিস্ফোরণের তরঙ্গ ধরা পড়েছে। বিশালাকার এই গ্যাসীয় গ্রহটির ভর আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির চেয়ে অন্তত ১২ গুণ বেশি এবং এটি সূর্যের চেয়ে প্রায় ১.৭৫ গুণ বড় একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। লক্ষণীয় বিষয় হলো, গ্রহটি যে নক্ষত্রমণ্ডলীতে অবস্থান করছে তার বয়স মাত্র ২.৩ কোটি বছর, যেখানে আমাদের নিজস্ব সৌরজগতের আনুমানিক বয়স প্রায় ৪৫০ কোটি বছর।
দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থাপিত ৬৪টি বিশালাকার রেডিও টেলিস্কোপ ডিশের সমন্বয়ে গঠিত অত্যন্ত সংবেদনশীল ‘মিরক্যাট’ (MeerKAT) প্রযুক্তির সাহায্যে গবেষকরা এই তরঙ্গ শনাক্ত করেন। অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে সংকেতটিকে কেন্দ্রীয় নক্ষত্র থেকে নির্গত বলে মনে করা হলেও, সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণের পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে রেডিও তরঙ্গটি মূলত গ্রহটি থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে।
অধ্যাপক বার্জারের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পৃথিবীতে যেভাবে বায়ুমণ্ডলে মেরুপ্রভা বা ‘অরোরা’ সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনি উক্ত গ্রহটিতে চলমান তীব্র চৌম্বকীয় ঝড়ের ফলেই এই শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গের উদ্ভব ঘটছে। বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করে দিয়ে গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে যে, ‘বিটা পিকটোরিস বি’ গ্রহটির চৌম্বকক্ষেত্রের তীব্রতা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের চেয়েও অন্তত ২০০ গুণ বেশি শক্তিশালী।
সাধারণত বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সব গ্রহের প্রতিরক্ষামূলক চৌম্বকীয় আবরণ থাকে না, যা মঙ্গল বা অন্যান্য গ্রহের ক্ষেত্রে দেখা যায়; যেমন পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র ক্ষতিকারক সৌরঝড় থেকে বায়ুমণ্ডলকে সুরক্ষা দেয়। বিজ্ঞানীরা জানান, গ্রহের নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে এমন রেডিও সংকেতের সৃষ্টি ইতিপূর্বে সৌরজগতের বৃহস্পতি, শনি, এমনকি সূর্য ও বাদামি বামন নক্ষত্রে (ব্রাউন ডোয়ার্ফ) লক্ষ্য করা গেলেও, সৌরজগতের সীমানার বাইরে থাকা কোনো সুনির্দিষ্ট গ্রহ থেকে এটিই প্রথম স্পষ্ট ও প্রত্যক্ষ রেডিও সংকেত।
উৎস উন্মোচনের এই যুগান্তকারী আবিষ্কারটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কঠোর ‘পিয়ার রিভিউ’ বা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার অধীন রয়েছে। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, গবেষণার ফলাফল চূড়ান্তভাবে সমর্থিত হলে তা বহির্বিশ্বের গ্রহসমূহের অভ্যন্তরীণ গঠন ও তাদের চৌম্বকক্ষেত্রের আচরণ বুঝতে জ্যোতির্বিজ্ঞানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, এবং বর্তমানে গ্রহটির এই চরমমাত্রার শক্তি উৎপন্ন করার রহস্য উদঘাটন করাই বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
/আশিক
৯টি প্রাকৃতিক সীমানার ৭টিই অতিক্রম করেছে মানুষ, ধেয়ে আসছে অপূরণীয় পরিবেশ বিপর্যয়
পৃথিবীতে মানুষের নিরাপদে বেঁচে থাকার জন্য নির্ধারিত ৯টি প্রাকৃতিক ‘প্ল্যানেটারি বাউন্ডারি’ বা পরিবেশগত সীমানার মধ্যে ৭টিই ইতোমধ্যে অতিক্রম করেছে মানবজাতি। এভাবে পরিবেশের ওপর অনিয়ন্ত্রিত চাপ অব্যাহত থাকলে পৃথিবীর এমন স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে আর কখনোই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে না বলে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি পটসড্যাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট রিসার্চের ৬০ জনেরও বেশি বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী যৌথভাবে ‘২০২৬ প্ল্যানেটারি হেলথ চেক’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্যের বিলুপ্তি, ভূমির ব্যবহার পরিবর্তন, সুপেয় পানির চরম সংকট, মানবসৃষ্ট প্লাস্টিক ও রাসায়নিক দূষণ, সমুদ্রের অতিরিক্ত অম্লতা বৃদ্ধি এবং ভূ-রাসায়নিক প্রবাহ—এই গুরুত্বপূর্ণ ৭টি প্রাকৃতিক সীমানা ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ মাত্রায় লঙ্ঘিত হয়েছে। বর্তমানে কেবল ওজোন স্তরের স্থায়িত্ব এবং বায়ুমণ্ডলীয় অ্যারোসলের সীমানা সুরক্ষিত রয়েছে। ২০০৯ সালে চিহ্নিত এই আন্তর্জাতিক পরিবেশগত বৈজ্ঞানিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী, সীমানা অতিক্রম করার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক ধ্বংস ডেকে না আনলেও তা বৈশ্বিক ইকোসিস্টেমকে এক মহা বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বিশেষ করে আমাজন বন উজাড় এবং কার্বন শোষণের ক্ষমতার হ্রাসের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কায় বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সূচকে লাল তালিকাভুক্ত করেছেন। তবে প্রখ্যাত বৈশ্বিক জলবায়ু বিজ্ঞানী জোহান রকস্ট্রোম জানিয়েছেন, এককভাবে না দেখে সমন্বিত বৈশ্বিক পদক্ষেপে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস ও প্রকৃতি ধ্বংস অবিলম্বে রূদ্ধ করা গেলে বিশ্বকে আবারও মানবজাতির জন্য নিরাপদ সীমানায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
সূত্র: এনডিটিভি
অ্যাপ ইনস্টল না করেই সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর উপায় চালু করল ট্রুকলার
স্মার্টফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা ফোনকল শনাক্ত করার পাশাপাশি এখন ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা প্রতারণামূলক লিংক, ফোন নম্বর ও বার্তা যাচাইয়ের সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে ট্রুকলার। 'স্ক্যাম চেকার' নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট ও অ্যান্ড্রয়েড সেবা উন্মুক্ত করেছে সুইডেনভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে কোনো ধরনের অ্যাপ ইনস্টল করা কিংবা অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করা ছাড়াই ব্যবহারকারীরা সন্দেহজনক তথ্য পরীক্ষা করার সুবিধা পাবেন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই ফিচারটি প্রথম ধাপে ভারতে চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে লাতিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ধাপে ধাপে এটি সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারী যেকোনো সন্দেহজনক নম্বর, ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা সম্পূর্ণ মেসেজ কপি করে পেস্ট করে সরাসরি পরীক্ষা করতে পারবেন। কোনো লিংক স্ক্যান করার জন্য জমা দেওয়া হলে সার্ভিসটি সেটির মূল ইউআরএল বের করতে প্রয়োজনে ভেতরের রিডাইরেক্টগুলো একের পর এক খুলবে। এরপর ওয়েব ঠিকানাটির বিস্তারিত তথ্য ট্রুকলারের নিজস্ব ঝুঁকি শনাক্তকরণ ডেটাবেস এবং স্ক্যাম সম্পর্কিত সংকেতগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখে সেটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। একই পদ্ধতিতে কোনো বার্তা বা মেসেজ পরীক্ষা করার সময় সেটিতে থাকা ফোন নম্বর ও লিংক আলাদা করে বিশ্লেষণ করবে ট্রুকলার।
এই পুরো ঝুঁকি শনাক্তকরণ কার্যক্রমে ট্রুকলার ব্যবহারকারীদের প্রদান করা রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি 'স্ক্যামফিড' মুখ্য ভূমিকা রাখছে। ভারতে বর্তমানে এই স্ক্যামফিডে ২০ হাজারের বেশি সক্রিয় প্রতারণার তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে এবং প্রতি সপ্তাহে নতুন করে আরও অন্তত ১৩০০টি প্রতিবেদন সেখানে যুক্ত হচ্ছে। ট্রুকলারের অভ্যন্তরীণ হিসাব অনুযায়ী, ১৪ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১২.৯ বিলিয়ন মেসেজ পরীক্ষা করে প্রায় ২ কোটি ৩ লাখ বার্তাকে ভুয়া ও বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কোনো ফোন নম্বরের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির নির্দিষ্ট নাম দেখতে হলে ব্যবহারকারীকে ট্রুকলারের মূল অ্যাপ বা সার্ভিসে সাইন ইন করতে হবে।
ডিজিটাল জগতে সময়ের সঙ্গে প্রতারণার ধরন ও কৌশলে পরিবর্তন আসায় কেবল ফোনকল শনাক্ত করে ব্যবহারকারীকে শতভাগ সুরক্ষার আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ট্রুকলার জানিয়েছে, বর্তমানে কল ছাড়াও বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপ, এসএসএস ও লিংকের মাধ্যমে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হচ্ছে। ২০২৫ সালের জিএসএমএ জরিপের তথ্যমতে, ভারতের ৪৬ শতাংশ ভুক্তভোগী মেসেজিং অ্যাপ, ৩৭ শতাংশ এসএমএস এবং ৩২ শতাংশ ভয়েস কলের মাধ্যমে প্রতারকদের শিকার হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ বার ওয়েবে সন্দেহজনক লিংক ও ফোন নম্বর যাচাইয়ের কাজ চলে।
ভবিষ্যতে এই স্ক্যাম চেকারে নতুন ধরনের প্রতারণা শনাক্তকরণ ব্যবস্থার পাশাপাশি মেসেজের স্ক্রিনশট আপলোড করে তা সরাসরি বিশ্লেষণের সুবিধা যোগ করার প্রস্তুতি চলছে। ফলে কল আইডেন্টিফিকেশন সেবার পরিধি বাড়িয়ে ভুয়া কল, বার্তা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের বিরুদ্ধে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরক্ষাবলয় তৈরি করতে কাজ করছে ট্রুকলার।
/আশিক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যে ৫টি প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হতে পারে
প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের প্রভাব দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাধারণ কাজকর্ম সম্পন্ন করা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নানান অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও মানুষ এখন ক্রমবর্ধমানভাবে এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। তবে মনস্তাত্ত্বিক ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের নির্ভরতা নিয়ে চরম সতর্কতা জারি করেছেন। তাদের মতে, কোনো অবস্থাতেই এআই মানুষের বিকল্প কিংবা প্রকৃত বন্ধু হয়ে উঠতে পারে না। বিশেষ করে ব্যক্তিগত সৌন্দর্য, মানুষের আবেগ, বুদ্ধিমত্তা কিংবা অর্থসংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে এআইয়ের ওপর অন্ধভাবে ভরসা করা বিপজ্জনক হতে পারে।
প্রযুক্তির নানা সীমাবদ্ধতা ও ঝুঁকির কারণে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এআইয়ের মুখোমুখি হওয়া বা এর মতামত চাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে প্রথমেই আসে চেহারা ও সৌন্দর্যের মূল্যায়নের বিষয়টি। পোশাক বা ব্যক্তিগত আকর্ষণ নিয়ে এআই যা বলে, তা সবসময় বাস্তবসম্মত নয়। বেশিরভাগ এআই মডেলকেই ব্যবহারকারীর সঙ্গে ইতিবাচক ও মনোরম ভঙ্গিতে কথা বলার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, যা সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের বিকল্প হতে পারে না।
একইভাবে আবেগ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায় এআইয়ের মতামত চূড়ান্ত বলে ধরে নেওয়া যাবে না। কেউ আপনাকে ভালোবাসে কি না বা কারো মনে আপনার জন্য কী অনুভূতি রয়েছে—এ ধরনের প্রশ্নে এআই হয়তো সহানুভূতিশীল জবাব দেবে, কিন্তু মানুষের জটিল মানসিক অনুভূতি ও আচরণ অনুধাবন করার ক্ষমতা তার নেই। যেকোনো মানসিক সংকট বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে কৃত্রিম যন্ত্রের বদলে বিশ্বস্ত মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
এ ছাড়া নিজের ব্যক্তিগত বুদ্ধিমত্তা, যোগ্যতা কিংবা আত্মমর্যাদা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এআইয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ। বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করার সক্ষমতা থাকলেও এআই কোনো মানুষের ব্যক্তিত্ব, নিজস্ব ক্ষমতা ও সামগ্রিক মূল্যবোধ সঠিকভাবে পরিমাপ করতে পারে না। ফলে এর কোনো ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্যকে নিজের চূড়ান্ত মূল্যায়ন হিসেবে গ্রহণ করা উচিত হবে না।
জরুরি অর্থসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও এআইয়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিনিয়োগ, ঋণগ্রহণ বা সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে এআই যেসব পরামর্শ দেয়, তা যাচাই না করে প্রয়োগ করা মোটেও ঠিক নয়। কারণ ব্যক্তির নিজস্ব আর্থিক অবস্থা, স্থানীয় আইনি রূপরেখা এবং পরিবর্তনশীল বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে কেবল একজন পেশাদার আর্থিক পরামর্শকই সক্ষম।
একই সঙ্গে জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সামাজিক সহায়তার বিকল্প কখনো প্রযুক্তি হতে পারে না। কাজের নির্দেশনা বা তথ্য সরবরাহে এআই দক্ষ হলেও বিপদের মুহূর্তে সরাসরি পাশে দাঁড়ানো, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বা মানবিক সহানুভূতি প্রকাশের কাজগুলো এআইয়ের পক্ষে করা অসম্ভব। মূলত উপাত্ত ও অ্যালগরিদমের ওপর ভর করে চলা এআইয়ের নিজস্ব কোনো ইচ্ছা বা অনুভূতি নেই। তাই একে জীবনের প্রধান ভরসা না বানিয়ে শুধুমাত্র একটি সাধারণ সহায়তামূলক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পন্থা।
/আশিক
যুক্তরাষ্ট্রে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বড় আইনি পদক্ষেপ: আদালতের নতুন সিদ্ধান্ত
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ইস্যুতে ভোক্তাদের বিভ্রান্ত করার গুরুতর অভিযোগে বড় ধরনের আইনি চাপে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এবং টিকটকের মাদার কোম্পানি বাইটড্যান্স। তথ্য সুরক্ষায় নিউ মেক্সিকোর একটি জুরি ফেসবুককে ৪৩টি অঙ্গরাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অপরদিকে আলাবামায় বিচারিক শুনানির মুখে টিকটক ও বাইটড্যান্স ১০ কোটি ডলারের আর্থিক সমঝোতা করতে বাধ্য হয়েছে।
নিউ মেক্সিকো রাজ্যের দায়ের করা মামলাটি মূলত আলোচিত কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারি ও তথ্যের সার্বিক সুরক্ষা কেন্দ্রিক। জুরি বোর্ড দেখেছে যে, ফেসবুক তাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীকে বিভ্রান্ত করে তৃতীয় পক্ষের একটি পার্সোনালিটি কুইজের মাধ্যমে প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারীর ডেটা সংগ্রহ করতে সাহায্য করেছিল। এসব গোপন তথ্য রাজনৈতিক কনসাল্টিং ফার্ম কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, যা ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়।
আদালত নিশ্চিত করেছেন যে, কেলেঙ্কারি প্রকাশের পরেও ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহকারী থার্ড-পার্টি নিয়ে অনুসন্ধানের বিষয়ে মেটা সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করেছিল এবং কেবল নিউ মেক্সিকোরই প্রায় ২০ লাখ মানুষের সুরক্ষা ইস্যুতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছে। তবে মেটার মুখপাত্র অ্যালেক্স বার্গোস আদালতের এই রায় প্রত্যাখ্যান করে রায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
অপরদিকে, আলাবামায় অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ের করা মামলা এড়াতে শেষ পর্যন্ত ১০ কোটি ডলার দিয়ে আইনি সমঝোতায় সম্মত হয়েছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম টিকটক ও বাইটড্যান্স। আলাবামা রাজ্য প্রশাসনের অভিযোগ ছিল, টিকটকের অ্যালগরিদম অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ ব্যবহারকারীদের কাছে ক্রমাগত ক্ষতিকর ও সহিংস কনটেন্ট পৌঁছে দিয়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। এছাড়া মার্কিন নাগরিকদের তথ্য চীনা সরকারের হাতে পৌঁছানো এবং অ্যাপ স্টোরে ভুয়া রেটিং ব্যবহারের বিষয়ে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে অসত্য তথ্যের অভিযোগ আনা হয়।
মামলার সমঝোতার শর্তানুযায়ী, টিকটক রাজ্য প্রশাসনকে চুক্তি অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ আর্থিক অর্থ পরিশোধ করার পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মে পরিবর্তন আনছে। এখন থেকে দৈনিক অ্যাপ ব্যবহারের সময়সীমা সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টায় সীমিত করা, ১৫ মিনিট পরপর বিরতির সুযোগ এবং ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের কঠোর অ্যালগরিদম নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে টিকটক। পূর্বেও শিশুদের গোপনীয়তা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সাথে ৪০ কোটি ডলার পরিশোধ করে আইনি ঝামেলা চুকিয়েছিল ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপটি।
/আশিক
ভুয়া বিজ্ঞাপনের অভিযোগে গ্রাহকদের কোটি কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে আইফোন নির্মাতা
আইফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিচারের সক্ষমতা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগে গ্রাহকদের মোট ২৫ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের পক্ষ থেকে দায়ের করা একটি শ্রেণিভিত্তিক মামলা বা ‘ক্লাস অ্যাকশন স্যুট’ সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করার অংশ হিসেবে এই বিশাল অর্থ পরিশোধ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
মামলার মূল অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাপল তাদের বিজ্ঞাপনে নিজস্ব ভার্চুয়াল সহকারী ‘সিরি’র যেসব আকর্ষণীয় এআই সক্ষমতার প্রচার চালিয়েছিল, বাস্তব ক্ষেত্রে তার অনেক ফিচারই সচল বা উপস্থিত ছিল না। ফলে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হয়ে বিপুল সংখ্যক গ্রাহক আইফোন কিনতে উৎসাহিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়।
ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী ও নির্ধারিত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন ভিত্তিক আবেদন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে, যা আগামী ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। নির্দিষ্ট ও যোগ্য গ্রাহকেরা নির্ধারিত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের ক্ষতির সপক্ষে দাবি পেশ করার পাশাপাশি ইচ্ছে করলে মামলার প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
এই নিষ্পত্তির আওতায় কেবল তারাই আসবেন, যারা ২০২৪ সালের ১০ জুন থেকে ২০২৫ সালের ২৯ মার্চের মধ্যে আইফোন ১৬ সিরিজ, আইফোন ১৫ প্রো এবং আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেলের হ্যান্ডসেট কিনেছেন। তবে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রাথমিক শর্ত হিসেবে গ্রাহককে উক্ত আইফোনের প্রথম বা মূল ক্রেতা হতে হবে এবং ডিভাইসটি বাণিজ্যিক ব্যবহারের পরিবর্তে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কেনা হতে হবে।
শর্তপূরণকারী যোগ্য গ্রাহকেরা ফোনপ্রতি সর্বনিম্ন ২৫ ডলার থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ হিসেবে পেতে পারেন। তবে গ্রাহকভেদে প্রাপ্ত অর্থ বাবদ চূড়ান্ত অঙ্ক কত দাঁড়াবে, তা মোট কতজন গ্রাহক সঠিকভাবে আবেদন জমা দিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স ফাইভ নিউইয়র্কের তথ্য মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমাদান শেষে সম্পূর্ণ চুক্তিটি আইনিভাবে পরিমিত ও পর্যাপ্ত কি না তা খতিয়ে দেখতে আগামী ২০২৭ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে আনুষ্ঠানিক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
পাঠকের মতামত:
- নেপালি পর্যটকদের সরাসরি কক্সবাজার ভ্রমণে নতুন সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা
- দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত
- টিকটকের মোহে নতুন জীবনের খোঁজে ঘর ছেড়েছিল চার স্কুলছাত্রী
- সৌদি আরবে হামলায় ইরাকি ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সাভারের হেমায়েতপুরে মাদানী সুপার মার্কেটে ভয়াবহ আগুন
- সৌদি বিমানবন্দরে হামলার জেরে ঢাকা থেকে ১০০ ফ্লাইট বাতিল
- আগামীকাল আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- ভিডিওর জন্য ঘরে বসেই এআই দিয়ে ভয়েসওভার তৈরির সহজ উপায়
- বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সেশনে কমল স্বর্ণের দাম
- মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় যুদ্ধের আশঙ্কা দেখছে ইরান
- ইরানে নতুন করে হামলা চালানো এখন উপযুক্ত নয়: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- প্রথম মাসে ফ্রিতে ব্যবহার করুন বাংলালিংকের স্যাটেলাইটভিত্তিক মোবাইল নেটওয়ার্ক
- সরকারি চাকরি ও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টকে কেন্দ্র করে সারজিস-ফারুকের তীব্র বাকযুদ্ধ
- জ্বালানি সংকট নিরসনে জিটুজি চুক্তিতে ৯ কার্গো এলএনজি আনছে সরকার
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে জনপ্রিয় ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’
- অপারেশন ক্লিন হার্ট বা বিশেষ কোনো যৌথ অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- লোকসভার বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর আমন্ত্রণে বিশেষ বৈঠকে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা
- ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় শেখ হাসিনাকে দায়ী করলেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান
- বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা ও সহিংসতার বিচার চেয়ে সাদপন্থিদের ৬ দফা দাবি
- জেএফকে বিমানবন্দরে হেনস্তার পর ড. ইউনূসকে নিয়ে বড় আপডেট দিলেন লামিয়া মোর্শেদ
- সানায় আক্রমণের পাল্টা জবাবে সৌদির ৩ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হুথিদের হামলার হুশিয়ারি
- আত্মপ্রকাশের দুই বছরে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি
- বোলারদের ব্যর্থতা ও ক্যাচ মিসে জয় হাতছাড়া নাজমুল হোসেন শান্তদের
- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যে ফলগুলো ভিটামিন সি-এর ঘাটতি মেটায়
- ২০২৭ সালে কবে শুরু রোজা? সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত
- জনমতের আশঙ্কায় ইসরায়েলি সহায়তা নিতে নারাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
- আর কখনো ক্যাম্পাসে না ফেরার শর্তে চুয়েট ছাড়লেন নতুন উপাচার্য
- রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয়ের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা
- আবহাওয়ার নতুন বার্তায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস
- দিল্লিতে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ
- বিএনপি জনগণের সরকার হতে পারেনি, নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে: সারজিস আলম
- হামলার পূর্বভাস কেন দেওয়া হলো না? সৌদি সরকারের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন
- যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা: তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ ডা. শফিকুর রহমানের
- ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান
- দিল্লিতে ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনী আরও এক মাস রাখার সিদ্ধান্ত
- চোরের মন পুলিশ-পুলিশ: জামায়াত আমিরের রহস্যময় ফেসবুক পোস্টে তোলপাড়
- মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ন্যাটো ভূখণ্ডে হামলা হলে সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি কমান্ডারের
- বিচ্ছেদের পরও সাবেক স্ত্রীর নতুন জীবনের পাশে স্পাইডার-ম্যান
- মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানোর তদবির চলছে: ববি হাজ্জাজ
- ওজন ও ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু তিন ধরনের সালাদ
- রাশিয়ার ডিজেল চুক্তির পরও আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
- কত পুলিশ আনবেন আনুন, ভয় পাই না: অমিত শাহকে রাহুল গান্ধীর কড়া বার্তা
- সর্বকালের সেরা কে? নিজেই নিজের নাম ঘোষণা করলেন রোনালদো
- ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা পেতে পিএমটি স্কোর কত লাগবে?
- চুয়েটের ভিসি একজন গুন্ডা: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক হাসনাত আবদুল্লাহ
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
- জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথে রূপপুরের প্রথম ইউনিট
- ঢাবিতে শান্তি বৈঠক রূপ নিল সংঘর্ষে: সূর্যসেন ও জহুরুল হক হলের ৪ জন গুরুতর আহত
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
- ভোটাধিকার রক্ষায় দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিল ইন্ডিয়া জোট
- হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী সুপারট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুন
- বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয়ের সংকেত: সতর্কবার্তা দিল জাতিসংঘ
- রমজানে পণ্য সংকটের আশঙ্কা নেই: পর্যাপ্ত আমদানির আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর
- ভারতীয় চলচ্চিত্রে গভীর শোকের ছায়া: হঠাৎ থমকে গেল এক রূপালী পথচলা
- ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী ও রিজভীউল হাসান মুন্সী
- রাজশাহীর পুঠিয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে
- আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস: বর্ষার শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু?
- চম্পাফুলে তরুণ দলের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও আমের চারা বিতরণ
- ১১ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস: নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত








