আজ ৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ০৭ ১১:১৪:৪৫
আজ ৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে সর্বশেষ গত মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল এবং সেই ধারাবাহিকতায় রোববার ৭ ডিসেম্বরও অপরিবর্তিত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের বা বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভালো মানের স্বর্ণ ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এই হিসাবে আজ রোববার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নতুন দাম অনুযায়ী আজ বুধবার থেকে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১ হাজার ৪৯৬ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৭০৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায় গত মঙ্গলবার দাম কমানোর আগে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১২ হাজার ১৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ২ হাজার ৪৯৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪২৪ টাকা দরে বেচাকেনা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে এই দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। অর্থাৎ গহনা কিনতে গেলে ভরিপ্রতি খরচ তালিকাভুক্ত মূল্যের চেয়ে বেশি পড়বে।


তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সোহানুর রহমান
সোহানুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৬:৩১:২৪
তেল সংকটের গুজব নিয়ে সতর্কবার্তা: আতঙ্কে পাম্পে ভিড় না করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ফাইল ছবি।

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। তাই অযথা আতঙ্কিত হয়ে পেট্রোল পাম্পে ভিড় না করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আগামীকাল থেকে তেল মজুত বা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার কারণে মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই উদ্বেগের বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, “যে সংশয়টি জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ বিশ্ব পরিস্থিতিতে যুদ্ধের আবহ রয়েছে। কিন্তু আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। অযথা লাইনে দাঁড়ানোরও প্রয়োজন নেই।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, গত কয়েকদিনে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। অনেক ক্রেতাই স্বীকার করেছেন যে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। এই প্রবণতা পরিস্থিতিকে অকারণে জটিল করে তুলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত তেল মজুতের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ জন্যই আগামীকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির দিকেও ইঙ্গিত করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। তবে সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি আমাদের জন্য একটি চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ ক্ষেত্রে সমন্বয়ের প্রয়োজন হবে। তারপরও আমরা চেষ্টা করব যেন দেশের মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে এবং তেলের দাম বাড়াতে না হয়।”

শেষে প্রতিমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে ধৈর্য ও সচেতনতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অযথা আতঙ্ক ছড়িয়ে পরিস্থিতি জটিল না করে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি ব্যবহার করা উচিত। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।


আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১০:৪৭:৩১
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার: জেনে নিন কোন দেশের মুদ্রার কত দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেন পরিচালনার সুবিধার্থে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্গে দেশীয় মুদ্রার বিনিময় হার জানা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসী আয় এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য এই হিসাব প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল।

আজ শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার মূল্যে কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। আজকের বাজার দর অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর মান দাঁড়িয়েছে ১৪১ টাকা ৪১ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬২ টাকা ৯১ পয়সায় পৌঁছেছে।

এছাড়া এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৫৯ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩১ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি রিয়ালের মান আজ ৩২ টাকা ৫৯ পয়সা এবং কাতারি রিয়ালের মান ৩৩ টাকা ৫৯ পয়সা।

কুয়েতি দিনারের মান বরাবরের মতো বেশ চড়া, যা আজ ৩৯৬ টাকা ৪৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুদ্রা রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই মুদ্রার হারের সঠিক তথ্য জানা সংশ্লিষ্ট সবার জন্য অপরিহার্য।

/আশিক


বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ০৯:২৯:৩৪
বিশ্ববাজারে উত্তেজনা থাকলেও দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেই সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম।

টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর শনিবার (৭ মার্চ) ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর আগে, বুধবার (৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকেই কার্যকর হওয়া এই দামে আজ শনিবারও বিক্রি হবে স্বর্ণ।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। গত শনিবারের পর সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকায় দাড়ায়।

গত সপ্তাহে দুবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেবার দুই দফায় দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকার বেশি।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৩ দফা।

/আশিক


বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৬ ১০:৩১:৪৪
বাজার অস্থিরতায় বাজুসের বড় সিদ্ধান্ত: কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম
ছবি : সংগৃহীত

সবশেষ সমন্বয়ে দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।

গত বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৯ হাজার ২১৪ টাকা এবং রুপার দাম কমানো হয়েছে ৬৪১ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বুধবার সকাল ১০টা থেকে।

বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকায়।এর আগে গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা। সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২২ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

/আশিক


টাকা ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও: উত্তাল মতিঝিল

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১৬:২৭:০৫
টাকা ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও: উত্তাল মতিঝিল
ছবি : সংগৃহীত

হেয়ার কাট পদ্ধতি বাতিল করে মুনাফাসহ আমানতের সম্পূর্ণ টাকা দ্রুত ফেরত দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও করেছে একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মতিঝিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেন তারা।

পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের প্রধান ফটকে আটকে দেন। এর পরও আন্দোলনকারীরা প্রবেশের চেষ্টা করলে ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি চান এবং গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে ফিরে যাবেন না বলে ঘোষণা দেন।

পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে ফটকের সামনে থেকে সরে গেলেও কিছুক্ষণ পর আবার সেখানে অবস্থান নেন। পরে আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবেশ ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ফটকের সামনে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেন। আন্দোলনকারীরাও তাদের সামনে অবস্থান নেন।

চলমান আন্দোলনের আহ্বায়ক আলিফ রেজা বলেন, ‘হেয়ার কাট বাতিল করে এখন আমাদের মাত্র ৪ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হচ্ছে। আমরা পুরো মুনাফা চাই এবং দ্রুত আমাদের সব টাকা ফেরত দিতে হবে। গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা দিতে দেওয়া হয়নি।’

আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরেক আমানতকারী জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘আমার এক কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। এখন তারা মাত্র চার লাখ টাকা মুনাফা দিতে চায়, যা আমি মেনে নিতে পারি না। অথচ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ঠিকই বেতন-ভাতা ও বোনাস নিচ্ছেন।’

বেলা ২টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবেশ ফটকের সামনে আন্দোলনকারীদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর গ্রাহকেরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আমানত ফেরতের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। বৃহস্পতিবারের কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীরা ‘হেয়ার কাট’ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত দুই অর্থবছরের জন্য আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়, যা ‘হেয়ার কাট’ পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করার কথা ছিল। তবে আন্দোলনের মুখে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমানতকারীদের আন্দোলন যৌক্তিক। তবে বাস্তবতা হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে তারল্য সংকটে রয়েছে। সব টাকা একসঙ্গে পরিশোধ করলে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, ‘সব আমানত ফেরত দিতে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকের মূলধন রয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। সরকার ব্যাংকটির দায়িত্ব নিয়েছে, তাই আমানতকারীদের কাছে আমাদের অনুরোধ—সব টাকা ফেরত পেতে আরও কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে।’

/আশিক


দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়; অর্থবছর জুড়ে বড় অর্জনের পথে বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ১০:১৭:৩২
দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়; অর্থবছর জুড়ে বড় অর্জনের পথে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ৩ দিনে দেশে এসেছে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। সেই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা বছর ব্যবধানে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

/আশিক


টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৫ ০৯:৩৫:১৮
টানা ছয় দফা বৃদ্ধির পর স্বর্ণের দামে বড় স্বস্তি, নতুন দর কার্যকর আজ
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেই দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম। টানা ৬ দফা বাড়ানোর পর বুধবার (৪ মার্চ) ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

ওইদিন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকেই কার্যকর হওয়া এই দামে আজ বৃহস্পতিবারও বিক্রি হবে স্বর্ণ।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। গত শনিবারের পর সোমবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ফলে ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকায় দাড়ায়।

গত সপ্তাহে দুবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেবার দুই দফায় দাম বাড়ানো হয় ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকার বেশি।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৩ দফা।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৪ ০৯:৪৫:০৭
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের বাজারে আগুন: এক লাফে বাড়ল ৩ হাজার টাকা
ছবি : সংগৃহীত

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও আকাশচুম্বী হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করা হয় যা ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে এবং আজ বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে গত শনিবার এবং সোমবারও দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল যার ফলে ভালো মানের স্বর্ণের দাম এর আগেই ২ লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকায় পৌঁছেছিল। গত এক সপ্তাহে দুই দফায় স্বর্ণের দাম বেড়েছিল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা আর এবার এক দফায় বাড়ল ৪ হাজার টাকারও বেশি। চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৩৬ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে যার মধ্যে ২৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১২ বার কমানো হয়েছে। এর আগে গত ২০২৫ সালে রেকর্ড ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল যার মধ্যে ৬৪ বারই দাম বেড়েছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা এখন বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ১৭৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৮৮২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৮৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা এখন ৪ হাজার ৪৩২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা বজায় থাকলে এবং বিশ্ববাজারে অস্থিরতা না কমলে আগামী দিনগুলোতে স্বর্ণ ও রুপার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

/আশিক


আজকের মুদ্রার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৩ মার্চের সর্বশেষ টাকার মান

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৩ ১২:৫১:০৪
আজকের মুদ্রার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৩ মার্চের সর্বশেষ টাকার মান
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং বর্তমানে দেশের কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এই প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্সে ভর করেই মূলত সচল রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেন এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের সুবিধার্থে মঙ্গলবার (৩ মার্চ, ২০২৬) মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আজকের বাজারে ইউএস ডলার কেনার দাম ১২২.৩০ টাকা এবং বিক্রির দাম ১২২.৩৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে, যার গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২.৩১ টাকা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর ক্ষেত্রে কেনা ও বেচা উভয় ক্ষেত্রেই ১৪২ টাকা ৯৬ পয়সা দাম ধরা হয়েছে। তবে বাজার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে মুদ্রার এই বিনিময় হার যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

মুদ্রা বাজারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার মধ্যে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৩.৯৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৪.০২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপানি ইয়েন কেনা ও বেচা হচ্ছে ০.৮০ টাকায় এবং ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১.৩৩ টাকা।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম জনপ্রিয় মুদ্রা সৌদি রিয়েলের ক্রয়মূল্য ৩২.৫৮ টাকা হলেও বিক্রয়মূল্য কিছুটা কমে ৩২.৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুর ডলারের ক্রয়মূল্য ৯৬.০৫ টাকা ও বিক্রয়মূল্য ৯৬.০৬ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ৮৬.৭৪ টাকা ও বিক্রয়মূল্য ৮৬.৭৭ টাকা রেকর্ড করা হয়েছে।

কানাডিয়ান ডলারের ক্ষেত্রে বিনিময় হার কিছুটা ব্যবধানে কেনা হচ্ছে ৮৯.৪৪ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৮৯.৪২ টাকায়।

প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য সঠিক মূল্যে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকিং চ্যানেলের এই বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের এই আপডেট তথ্য প্রবাসীদের তাদের কষ্টার্জিত আয় দেশে পাঠানোর সঠিক পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রার এই রিজার্ভ এবং বিনিময় হার পর্যবেক্ষণ করে থাকে যাতে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকে। আজকের এই নির্ধারিত রেট অনুযায়ী প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে লেনদেনের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বশেষ আপডেট রেট যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: