Banner

শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ

১৯ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনের সারসংক্ষেপ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ নভেম্বর ১৯ ১৫:২৩:১২
১৯ নভেম্বর ডিএসই লেনদেনের সারসংক্ষেপ

বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) লেনদেন শেষে বাজারের সামগ্রিক চিত্রে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের এই দিনেও লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। দিনশেষে ৩১০টি প্রতিষ্ঠানের দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর কমেছে মাত্র ৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির।

মোট ৩৭৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায় সব ক্যাটাগরিতেই ছিল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। 'A' ক্যাটাগরিতে ১৫৮টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২৯টির। 'B' ক্যাটাগরিতে ৬৬টি ইস্যু এগিয়েছে এবং কমেছে মাত্র ৪টি। বিশেষ করে 'Z' ক্যাটাগরিতে ৮৬টি কোম্পানির দর বাড়লেও পতন হয়েছে মাত্র ৩টির।

মিউচুয়াল ফান্ড (MF) খাতে ১৬টি ফান্ডের দর বৃদ্ধি ও ২টির দর হ্রাস পেয়েছে। তবে এই খাতে ১৭টি ফান্ডের দর অপরিবর্তিত ছিল যা বাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। সরকারি সিকিউরিটিজ (G-Sec) বিভাগে ৩টির দরপতন হয়েছে।

এদিন বাজারে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪,২০৫.৫৫ মিলিয়ন টাকা (প্রায় ৪২০ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা)। মোট ১,৫৪,০৮৫টি ট্রেডের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৬১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৮২টি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।

ব্লক মার্কেটে ১৮১ মিলিয়নের লেনদেন

মূল বাজারের পাশাপাশি ব্লক মার্কেটে আজ ১৮১.৭৮১ মিলিয়ন টাকার (প্রায় ১৮ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা) লেনদেন হয়েছে। মোট ১৭টি স্ক্রিপের লেনদেন হয় এখানে।

ব্লক মার্কেটে লেনদেনের শীর্ষে ছিল KBPPWBIL যার ৫৫.৪২৫ মিলিয়ন টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দ্বিতীয় স্থানে থাকা DOMINAGE ৩৭.০২০ মিলিয়ন এবং তৃতীয় স্থানে NBL ২০.৮০০ মিলিয়ন টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য লেনদেনের মধ্যে LOVELLO ১৬.৭৯৩ মিলিয়ন এবং MONNOCERA ১৪.০২৮ মিলিয়ন টাকার লেনদেন সম্পন্ন করে।

দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মোট বাজার মূলধন (Total Market Capitalisation) বৃদ্ধি পেয়ে ৬,৮৫৩,৯৭৪.২৯ মিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে প্রদত্ত তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও বাজার বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই যোগ্য পরামর্শকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

/আশিক


ব্যাংক হলিডের প্রভাব, বাজারে নেতিবাচক চিত্র

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৩ ১১:৪৪:১৩
ব্যাংক হলিডের প্রভাব, বাজারে নেতিবাচক চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

‘ব্যাংক হলিডে’ পালনের কারণে বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর দেশের শেয়ারবাজারে কোনো লেনদেন হয়নি। এর ফলে বিদায়ী সপ্তাহে ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ মাত্র চারটি কার্যদিবসে লেনদেনের সুযোগ পায়। সীমিত এই সময়ে বাজারের দরপতনের চিত্রে স্পষ্টভাবে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর প্রাধান্য দেখা গেছে, যদিও শতাংশের হিসাবে সর্বোচ্চ পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে আইএলএফএসএল।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, আলোচ্য সপ্তাহে আইএলএফএসএল শেয়ারের দর সবচেয়ে বেশি কমেছে। মাত্র চার কর্মদিবসের লেনদেনেই কোম্পানিটির শেয়ারদর ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যেখানে শেয়ারটির ক্লোজিং দর ছিল ৬৭ পয়সা, সেখানে সপ্তাহ শেষে তা নেমে এসেছে ৬১ পয়সায়।

দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যমুনা অয়েল কোম্পানি। সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর কমেছে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ দিন যমুনা অয়েলের শেয়ারদর ছিল ১৮৪ টাকা ৭০ পয়সা, যা বিদায়ী সপ্তাহ শেষে নেমে দাঁড়িয়েছে ১৬৮ টাকা ২০ পয়সায়।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দরপতনের তালিকায় রয়েছে জিল বাংলা সুগার মিল। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ কমেছে। এর ফলে এক সপ্তাহ আগে ১৪৯ টাকা ৪০ পয়সায় থাকা শেয়ারটি সপ্তাহ শেষে ১৩৭ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে।

এর পরপরই দরপতনের তালিকায় টানা তিনটি অবস্থান দখল করে নেয় মিউচুয়াল ফান্ডগুলো। চতুর্থ অবস্থানে থাকা আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড উভয়ের দরই সমান হারে ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ করে কমেছে। দুই ফান্ডের শেয়ারদরই ২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে নেমে ২ টাকা ৪০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

একই হারে দরপতনের মুখে পড়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডও। সপ্তাহ শেষে ফান্ডটির শেয়ারদর কমে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সায়, যা আগের সপ্তাহে ছিল ২ টাকা ৬০ পয়সা। ফলে সাপ্তাহিক লোকসানের তালিকায় মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়েছে।

দরপতনের তালিকায় পরবর্তী অবস্থানগুলোতেও ছিল উল্লেখযোগ্য পতন। ফার্স্ট ফাইন্যান্সের শেয়ারদর কমেছে ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের দর হ্রাস পেয়েছে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। এছাড়া আরামিট লিমিটেডের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংক হলিডের কারণে লেনদেনের দিন কমে যাওয়ায় বাজারে স্বাভাবিক চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটগুলোর ক্ষেত্রে বিক্রির চাপ তুলনামূলক বেশি থাকায় দরপতনের তালিকায় তাদের উপস্থিতি বেশি চোখে পড়েছে।

-রাফসান


শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০২ ১৫:৪৭:০৯
শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি সপ্তাহে সূচকের গতি ছিল মিশ্র। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সামান্য বেড়েছে, তবে মোট লেনদেন ও ভলিউম কমেছে। বাজারের বিস্তারেও বেশ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে যে বাড়তি শেয়ারের সংখ্যা কমতির চেয়ে বেশি, যদিও কয়েকটি বড় সূচক ও শরিয়াহ সূচক দুর্বল ছিল। ডিএসই’র সাপ্তাহিক “মার্কেট পালস” অনুযায়ী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইএক্স দাঁড়ায় ৪,৯১০.৬১ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের ৪,৮৮৩.৫৭ পয়েন্টের তুলনায় ২৭.০৪ পয়েন্ট বেশি। শতাংশের হিসাবে এটি ০.৫৫ শতাংশ উত্থান। তবে বছর শুরুর পর থেকে ডিএসইএক্স এখনো আগের বছরের শেষ মানের তুলনায় ৫.৮৬ শতাংশ নিচে অবস্থান করছে, যা বাজারে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জকে ইঙ্গিত করে।

অন্যদিকে ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ এই সপ্তাহে কমেছে। ডিএস৩০ নেমে এসেছে ১,৮৬৯.৪২ পয়েন্টে, আগের সপ্তাহে ছিল ১,৮৮২.৫৫। অর্থাৎ ১৩.১৩ পয়েন্ট বা ০.৭০ শতাংশ পতন। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএসও সামান্য দুর্বল ছিল, ১,০০৬.০০ পয়েন্টে নেমে ০.২৬ শতাংশ কমেছে। তুলনায় এসএমই সূচক DSMEX ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী, ২.৯৭ শতাংশ বেড়ে ৮৭৬.৬১ পয়েন্টে উঠেছে, যা ছোট মূলধনী শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

লেনদেনের গতি কিন্তু সূচকের সঙ্গে পুরোপুরি তাল মেলাতে পারেনি। গড় দৈনিক লেনদেন (টাকার অঙ্কে) হয়েছে ৩,৫৪৩.১৪ মিলিয়ন টাকা, আগের সপ্তাহের ৩,৫৮৬.৬৮ মিলিয়নের তুলনায় ১.২১ শতাংশ কম। গড় দৈনিক ভলিউমও কমেছে, ১১৯.১১ মিলিয়ন থেকে ১১৩.৯৪ মিলিয়নে নেমে ৪.৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। চার কার্যদিবসে মোট লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১৪,১৭২.৫৫ মিলিয়ন টাকা, আগের সপ্তাহে ছিল ১৪,৩৪৬.৭০ মিলিয়ন। অর্থাৎ বাজারে অর্থপ্রবাহ সামান্য সংকুচিত হয়েছে।

যদিও লেনদেন কমেছে, বাজার মূলধন বেড়েছে। এই সপ্তাহে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬,৮০৭,৭৯২.১৪ মিলিয়ন টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৬,৭৬৮,৭৩৪.১৩ মিলিয়নের তুলনায় ০.৫৮ শতাংশ বেশি। ডলারে বাজার মূলধন ০.৫৭ শতাংশ বেড়ে ৫৫,৬৪২ মিলিয়ন ডলারে উঠেছে। ডলার রেট কার্যত অপরিবর্তিত ছিল, ১২২.৩৫ টাকা বনাম আগের সপ্তাহে ১২২.৩৪ টাকা।

বাজারের সামগ্রিক অংশগ্রহণ চিত্রও তুলনামূলক ইতিবাচক। সপ্তাহজুড়ে দর বেড়েছে ২৩১টি শেয়ারের, অপরিবর্তিত ছিল ৪৫টি, আর কমেছে ১১৩টি। অ্যাডভান্স ডিক্লাইন রেশিও (ADR) ছিল ২.০৪, অর্থাৎ পতনশীলের তুলনায় উত্থানশীল শেয়ারের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। তবে ২৪টি শেয়ার লেনদেনেই আসেনি, যা বাজারের কিছু অংশে স্থবিরতার ইঙ্গিত দেয়।

বোর্ডভিত্তিক লেনদেনে ব্লক মার্কেট ছিল উল্লেখযোগ্য। সাপ্তাহিক টার্নওভারে ব্লক মার্কেটে হয়েছে ১,২৩৩.০৪ মিলিয়ন টাকা, এসএমই বোর্ডে ১৪৬.২৭ মিলিয়ন এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ৮৩.৩৬ মিলিয়ন টাকা। ATB বোর্ডে লেনদেন ছিল খুবই সামান্য, ০.০৭ মিলিয়ন টাকা।

খাতভিত্তিক চিত্রে টাকার অঙ্কের হিসাবে টেক্সটাইল ছিল সর্বোচ্চ অংশীদার। টেক্সটাইলে গড় দৈনিক লেনদেন মূল্য ৫৯৪.৭৫ মিলিয়ন টাকা, যা মোটের ১৬.৮৯ শতাংশ। ব্যাংক খাত দ্বিতীয় অবস্থানে, ৫১৪.২৯ মিলিয়ন টাকা এবং মোটের ১৪.৬০ শতাংশ। ফার্মা ও কেমিক্যালস খাতের লেনদেনও শক্ত ছিল, ৪০২.৭৭ মিলিয়ন টাকা, যা মোটের ১১.৪৩ শতাংশ। খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে হয়েছে ৩৫৪.৫২ মিলিয়ন টাকা, মোটের ১০.০৭ শতাংশ।

ভলিউমের দিক থেকে টেক্সটাইল খাত আরও এগিয়ে ছিল। গড় দৈনিক ভলিউম ২৬.১৯ মিলিয়ন, যদিও আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে। ব্যাংক খাতেও ভলিউম বেড়েছে, যা এই খাতে তুলনামূলক সক্রিয় ট্রেডিংকে নির্দেশ করে। টেলিকম খাতে গড় দৈনিক লেনদেন মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় ১০৫.২৮ শতাংশ, যদিও খাতটি মাত্র তিনটি কোম্পানির হওয়ায় প্রভাব সীমিত পরিসরে থাকে।

খাতভিত্তিক ব্রেডথে সাধারণ বীমা খাতে উত্থানশীল শেয়ারের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। এ খাতে ৩৭টি কোম্পানি বেড়েছে, ৫টি কমেছে এবং ১টি অপরিবর্তিত ছিল। ব্যাংক খাতেও ২৭টি বেড়েছে, কমেছে মাত্র ২টি। টেক্সটাইল খাতে বেড়েছে ২৮টি, কমেছে ১৯টি এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টি, অর্থাৎ খাতটি সক্রিয় হলেও দিকনির্দেশনায় বিভক্ত ছিল।

বাজারের মূল্যায়নে এ সপ্তাহে সামগ্রিক বাজার রিটার্ন দেখানো হয়েছে ০.৩৬ শতাংশ এবং মার্কেট পিই ছিল ৮.৬৬। কম পিই সাধারণভাবে মূল্যায়ন তুলনামূলক নিচে থাকার ইঙ্গিত দিলেও, বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে কোম্পানি-নির্দিষ্ট আয়, ঝুঁকি, নগদপ্রবাহ ও বাজার পরিস্থিতি একসঙ্গে বিবেচনা করা জরুরি।

সপ্তাহের শীর্ষ টার্নওভার শেয়ারে সিটিব্যাংক ছিল সর্বাগ্রে। সিটিব্যাংকের ক্লোজিং প্রাইস ছিল ২৪.৭০ টাকা এবং টার্নওভার ১৬৬.৯৯ মিলিয়ন টাকা। এরপর ছিল ORIONINFU (৩৫৭.১০ টাকা, ১১৬.৪০ মিলিয়ন) এবং UTTARABANK (২৩.৭০ টাকা, ১০৬.১২ মিলিয়ন)। তালিকায় আরও ছিল RAHIMAFOOD, SONALIPAPR, SIMTEX, BSC, SAIHAMCOT, SQURPHARMA এবং FINEFOODS, যা বাজারে ব্যাংক, টেক্সটাইল, ফার্মা ও কিছু নির্বাচিত ম্যানুফ্যাকচারিং শেয়ারের সক্রিয়তা নির্দেশ করে।

ব্লক ট্রেডের ক্ষেত্রেও সিটিব্যাংক শীর্ষে ছিল, টার্নওভার ১৭২.৫৫ মিলিয়ন টাকা। বড় বাজার মূলধনী শেয়ারের মধ্যে GP ব্লক ট্রেডে দ্বিতীয় অবস্থানে, টার্নওভার ১১২.৭০ মিলিয়ন টাকা এবং বাজার মূলধন ৩৪৬,৩৫১.৯৬ মিলিয়ন টাকা। এছাড়া CITYGENINS, GREENDELT, BERGERPBL, PTL ও APEXSPINN সহ কয়েকটি শেয়ারে উল্লেখযোগ্য ব্লক লেনদেন হয়েছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান পরিবর্তন বা বড় অর্ডারের উপস্থিতি বোঝাতে পারে।

দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে ছিল BDWELDING, সপ্তাহজুড়ে ২৮.৩৮ শতাংশ বেড়ে ১৯.০০ টাকায় ওঠে। TALLUSPIN ২৫.৪৫ শতাংশ, ISLAMICFIN ১৭.৮৬ শতাংশ এবং APEXSPINN ১৬.৩২ শতাংশ বেড়েছে। পাশাপাশি REGENTTEX, GENNEXT, PENINSULA, AAMRATECH, SAIHAMTEX এবং BDFINANCE উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে, যা মূলত অপেক্ষাকৃত ছোট ও মাঝারি শেয়ারে দামের গতি বাড়ার প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

অন্যদিকে দরপতনে ILFSL ছিল শীর্ষে, ৮.৯৬ শতাংশ কমে ০.৬১ টাকায় নামে। JAMUNAOIL ৮.৯৩ শতাংশ, ZEALBANGLA ৭.৯০ শতাংশ কমেছে। কয়েকটি মিউচুয়াল ফান্ড যেমন IFIC1STMF, POPULAR1MF এবং TRUSTB1MF প্রতিটিই ৭.৬৯ শতাংশ করে কমেছে। FIRSTFIN, DBH1STMF, ARAMIT এবং NORTHERNও উল্লেখযোগ্য পতনের তালিকায় ছিল।

সামগ্রিকভাবে, সপ্তাহজুড়ে বাজারে সূচকের সামান্য উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের গতি কমেছে এবং বড় সূচকগুলোর মধ্যে ভিন্নমুখী প্রবণতা ছিল। ব্যাংক ও টেক্সটাইল খাতে লেনদেনের আধিপত্য, এসএমই সূচকের শক্তিশালী উত্থান এবং ব্লক ট্রেডে বড় শেয়ারের উপস্থিতি মিলিয়ে বাজারে সিলেক্টিভ অ্যাক্টিভিটির ইঙ্গিত মিলেছে।

-রাফসান


 ১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৫:২৫:১৮
 ১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা গেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেন শেষে দেখা যায়, বাজারে দরবৃদ্ধি পাওয়া শেয়ারের সংখ্যা দরপতন হওয়া শেয়ারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৩৯১টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৬৩টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, বিপরীতে মাত্র ৬৬টির দর কমেছে এবং ৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই চিত্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন বছরের শুরুতে আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এ ক্যাটাগরিতে বাজারের গতি সবচেয়ে বেশি ছিল। এই শ্রেণিতে ১৪২টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে দর কমেছে ৩৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টি। মোট ২০৯টি এ ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। বিশ্লেষকদের মতে, তুলনামূলকভাবে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতেই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।

বি ক্যাটাগরিতে ৫৯টি শেয়ারের দর বেড়েছে এবং মাত্র ৮টির দর কমেছে। এই শ্রেণিতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮৫টি শেয়ারে, যা বাজারের সামগ্রিক ইতিবাচক ধারাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

জেড ক্যাটাগরিতেও সক্রিয়তা লক্ষণীয় ছিল। এখানে ৬২টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ২০টি দর হারিয়েছে এবং ১৫টি অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট ৯৭টি জেড ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও তুলনামূলকভাবে ভালো চিত্র দেখা গেছে। এ খাতে ১১টি ইউনিটের দর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ১৭টি অপরিবর্তিত রয়েছে। করপোরেট বন্ড খাতে সীমিত পরিসরে লেনদেন হলেও একটি বন্ডের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।

দিনভিত্তিক লেনদেন চিত্রে দেখা যায়, মোট ১ লাখ ২০ হাজার ৩৯৯টি লেনদেনের মাধ্যমে ১১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনের মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় বাজারে সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। দিন শেষে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ইকুইটির বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডে প্রায় ২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা এবং ঋণপত্রে প্রায় ৩৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন ছাড়িয়েছে ৬৮ লাখ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটেও উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। এদিন ১৫টি কোম্পানির শেয়ারে ব্লক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ১৯৭ কোটি টাকার বেশি লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ORIONINFU, FINEFOODS, GP ও APEXSPINN–এর শেয়ারে তুলনামূলকভাবে বড় অঙ্কের লেনদেন লক্ষ্য করা গেছে, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

সব মিলিয়ে, বছরের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে দরবৃদ্ধির প্রাধান্য, লেনদেনের গতি এবং বাজার মূলধনের উল্লম্ফন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

-রাফসান


১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০টি শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৫:২১:৩১
১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০টি শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে বিক্রয়চাপ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেন শেষে আগের দিনের সমাপনী দর (YCP) বিবেচনায় শীর্ষ ১০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে।

দিনের সবচেয়ে বড় দরপতনের মুখে পড়েছে ARAMIT। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের ১৮৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১৭৪ টাকা ৬০ পয়সায়, যা প্রায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১৮৬ টাকা ৩০ পয়সা, তবে দিন শেষে বিক্রয়চাপ বাড়ায় দর উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসে।

ক্ষুদ্র মূলধনি ও দুর্বল মৌলভিত্তির শেয়ারগুলোতেও চাপ দেখা গেছে। TUNGHAI–এর শেয়ারদর প্রায় ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ১ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। একই ধারাবাহিকতায় NURANI শেয়ারেও প্রায় ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ দরহ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের একাধিক ইউনিটও দিনের লেনদেনে নেতিবাচক তালিকায় রয়েছে। IFIC1STMF, 1JANATAMF, FBFIF ও DBH1STMF–এর ইউনিট মূল্যে ৩ থেকে ৪ শতাংশের বেশি পতন দেখা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের বিক্রয় প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের PHOENIXFIN শেয়ারও দরপতনের তালিকায় রয়েছে। শেয়ারটির দাম আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় নেমেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এ খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি এখনও পুরোপুরি কাটেনি।

বীমা ও খাদ্য খাতেও সীমিত মাত্রার দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। CITYGENINS শেয়ার প্রায় ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমে ৮৪ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে BDTHAIFOOD–এর শেয়ারদর কমেছে প্রায় ২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

-রাফসান


১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৫:১৪:২৯
১ জানুয়ারি শেয়ারবাজারে দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০টি শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্পষ্টভাবে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) লেনদেন শেষে আগের দিনের সমাপনী দর ও আগের ক্লোজিং প্রাইসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধির মাধ্যমে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত হয়েছে।

দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে APEXSPINN। কোম্পানিটির শেয়ার আগের দিনের ১৭৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে ১৯৩ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর ছিল ১৯৫ টাকা ২০ পয়সা।

ব্যাংক খাতেও ইতিবাচক গতি দেখা গেছে। RUPALIBANK–এর শেয়ারদর প্রায় ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৫০ পয়সায়। একইভাবে UTTARABANK ও NRBCBANK–এর শেয়ারেও মাঝারি মাত্রার দরবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতের মধ্য থেকে EBL1STMF ও NCCBLMF1 উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি অর্জন করেছে। EBL1STMF–এর ইউনিট মূল্য বেড়ে হয়েছে ৩ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। NCCBLMF1–এর ইউনিট দর বেড়েছে প্রায় ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বস্ত্র ও স্পিনিং খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। SAIHAMTEX, MONOSPOOL এবং DSHGARME শেয়ারগুলো দিনের লেনদেনে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে MONOSPOOL–এর শেয়ারদর প্রায় ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ বেড়ে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

শিল্প ও অবকাঠামো খাতের প্রতিনিধিত্বকারী ORIONINFU শেয়ারের দরও দিনের ব্যবধানে প্রায় ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ বেড়ে ৩৫৭ টাকার ঘরে পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

-রাফসান


ওরিয়ন ফার্মা ও ইনফিউশনের নতুন ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১৩:১১:০৯
ওরিয়ন ফার্মা ও ইনফিউশনের নতুন ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওরিয়ন গ্রুপের দুই প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং ওরিয়ন ইনফিউশনস লিমিটেডের সর্বশেষ ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ক্র্যাব)। সাম্প্রতিক এই রেটিং মূল্যায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা ও দায় পরিশোধের সামর্থ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ঘোষিত তথ্যানুযায়ী, ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড দীর্ঘমেয়াদে ‘A1’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘ST-4’ ক্রেডিট রেটিং অর্জন করেছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটির রেটিং আউটলুক ‘স্টেবল’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আর্থিক অবস্থার স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে।

অন্যদিকে, ওরিয়ন ইনফিউশনস লিমিটেড–এর ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি ক্রেডিট রেটিং ‘ST-4’ এবং সার্ভেইলেন্স এন্টিটি রেটিং ‘A3’ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি রেটিং এই মূল্যায়নে প্রযোজ্য নয় বলেও জানিয়েছে রেটিং সংস্থা। এখানেও আউটলুক ‘স্টেবল’ রাখা হয়েছে।

ক্র্যাব জানিয়েছে, এই রেটিং নির্ধারণে ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরের (৩০ জুন সমাপ্ত) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক দায়সংক্রান্ত তথ্য এবং রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাত্ত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

-রাফসান


পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক এনএভি প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১২:৩৫:০০
পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক এনএভি প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত বিপুলসংখ্যক ওপেন ও ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তাদের দৈনিক নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত এই তথ্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্থিরতা, বাজারদরের চাপ এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা আস্থার সংকট। অধিকাংশ ফান্ডের ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ইউনিটপ্রতি এনএভি মুখমূল্যের অনেক নিচে অবস্থান করছে, যদিও ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে অন্তর্নিহিত সম্পদের মান তুলনামূলকভাবে শক্ত রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, CAPMIBBLMF, CAPMBDBLMF, NCCBLMF1, MBL1STMF, AIBL1STIMF, GREENDELMFসহ বহু ফান্ডে বাজারদরে এনএভি ৭ থেকে ৯ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অথচ একই ফান্ডগুলোতে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি ১১ টাকার ওপরে অবস্থান করছে। এই ব্যবধান মূলত বাজারে ইউনিটের চাহিদা কমে যাওয়া, তারল্য সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত বহন করে।

অন্যদিকে তুলনামূলকভাবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট ফান্ড। বিশেষ করে GRAMEENS2 ফান্ডে বাজারদরে ইউনিটপ্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ১৫.৪৬ টাকা, যা মুখমূল্যের অনেক ওপরে। একই সঙ্গে এ ফান্ডের মোট নিট সম্পদের পরিমাণ বাজারমূল্যে প্রায় ২,৮২০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ফান্ডের পোর্টফোলিওতে শক্তিশালী ব্লু-চিপ শেয়ার ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কাঠামো থাকায় বাজারের চাপ সত্ত্বেও এটি ইতিবাচক অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।

এদিকে RELIANCE1, CAPITECGBF, SEMLLECMF, ICBAGRANI1, ICBSONALI1 এবং ICBAMCL2ND–এর মতো ফান্ডগুলোতে বাজারদরে এনএভি মুখমূল্যের কাছাকাছি বা সামান্য নিচে অবস্থান করছে। এতে বোঝা যায়, এসব ফান্ডে বাজার আস্থার ঘাটতি থাকলেও সম্পদভিত্তি এখনও তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।

তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে কিছু বড় আকারের ফান্ডে। TRUSTB1MF, POPULAR1MF, PHPMF1, EBLNRBMF, EBL1STMF, ABB1STMF, 1JANATAMF এবং FBFIF ফান্ডে বাজারদরে এনএভি নেমে এসেছে ৬ থেকে ৭ টাকার ঘরে। এসব ফান্ডে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে এনএভি দ্বিগুণের কাছাকাছি থাকলেও বাজারে ইউনিটের দাম সে অনুযায়ী প্রতিফলিত হচ্ছে না। ফলে বিনিয়োগকারীরা কাগজে লাভ দেখলেও বাস্তবে তা নগদায়ন করতে পারছেন না।

-রফিক


রেকর্ড ডেটের আগে দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে বিধিনিষেধ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১২:২৬:০৪
রেকর্ড ডেটের আগে দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে বিধিনিষেধ
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মাকসনস স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড–এর শেয়ার লেনদেনে সাময়িক বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্র জানায়, নির্ধারিত রেকর্ড ডেটকে কেন্দ্র করে উভয় প্রতিষ্ঠানের শেয়ার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শুধু স্পট মার্কেটে লেনদেনযোগ্য থাকবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে ৬ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই দুই কোম্পানির শেয়ার কেবল স্পট মার্কেটেই কেনাবেচা করা যাবে। একই সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া ব্লক ট্রানজ্যাকশনও স্পট সেটেলমেন্ট সাইকেল অনুযায়ী নিষ্পত্তি হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও রেকর্ড ডেট প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া, ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রেকর্ড ডেট থাকায় ওই দিন মাকসনস স্পিনিং মিলস ও অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ–এর শেয়ার লেনদেন সম্পূর্ণভাবে স্থগিত থাকবে। রেকর্ড ডেট পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত নিয়মে পুনরায় স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হবে।

-রফিক


নতুন বছরের প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে শক্ত উত্থান

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০১ ১২:২০:১৮
নতুন বছরের প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে শক্ত উত্থান
ছবি: সংগৃহীত

নতুন বছরের প্রথম লেনদেন দিবসে দেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনে প্রধান সূচকসহ সব গুরুত্বপূর্ণ সূচকই ঊর্ধ্বমুখী অবস্থান ধরে রেখেছে।

বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে ৪,৯০২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। আগের কার্যদিবসের তুলনায় সূচকটি প্রায় ৩৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, যা শতকরা হিসেবে প্রায় শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিকে নির্দেশ করে।

একই সময়ে শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএসও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। সূচকটি ৬ দশমিক ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০০৭ পয়েন্টে। এতে শরিয়াহভিত্তিক শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস-৩০-ও দিনের শুরু থেকে উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রেখেছে। এই সূচকটি প্রায় ১১ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১,৮৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা বাজারের বড় মূলধনী শেয়ারে ইতিবাচক গতি নির্দেশ করে।

লেনদেন পরিস্থিতির দিক থেকেও বাজার ছিল বেশ সক্রিয়। দুপুর পর্যন্ত মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১ কোটি ৯৬ লাখ শেয়ারের বেশি। এতে মোট লেনদেন মূল্য ছাড়িয়েছে প্রায় ১,৪৭০ কোটি টাকা, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন।

আজকের লেনদেনে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে ২৭৫টির দর কমেছে এবং ৫৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত