ফকিন্নির বাচ্চা, বলে হাসনাত আব্দুল্লাহকে তীব্র আক্রমণ রুমিন ফারহানার

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র কথার লড়াই শুরু হয়েছে। এই দুই নেতা একে অপরের বিরুদ্ধে কড়া ও নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
এই কথার লড়াইয়ের সূত্রপাত হয় যখন হাসনাত আব্দুল্লাহ, রুমিন ফারহানাকে ‘বিএনপির আওয়ামী লীগবিষয়ক অন্যতম সম্পাদক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর জবাবে রুমিন ফারহানা সোমবার (২৫ আগস্ট) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘ফকিন্নির বাচ্চা’ বলে তীব্র সমালোচনা করেন।
ভাইরাল হওয়া সেই পোস্টে রুমিন ফারহানা লিখেছেন, ‘এটা ওই ফকিন্নির বাচ্চাটা (হাসনাত আব্দুল্লাহ) না, যে আমাকে আওয়ামী লীগ বিষয়ক সম্পাদক বলেছে?’ এই মন্তব্যের সঙ্গে তিনি হাসনাত আব্দুল্লাহর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিভিন্ন ছবি ও প্রমাণও জুড়ে দেন। দুই নেতার এই ধরনের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা এবং তোলপাড় শুরু হয়েছে।
এই ঘটনার শুরু রবিবার (২৪ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের শুনানির সময়। সেখানে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাদের ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এরপর বিকেলে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, এই হামলা ছিল আগামী নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র দখলের একটি ‘টেস্ট ম্যাচ’।
সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিএনপির এমন অনেক ‘আওয়ামী লীগবিষয়ক সম্পাদক’ আছেন, যারা আওয়ামী লীগ থেকেও বেশি আওয়ামী লীগ। তিনি রুমিন ফারহানার সমালোচনা করে বলেন, ‘বিএনপির আওয়ামী লীগবিষয়ক সম্পাদক যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম রুমিন ফারহানা। আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী, আওয়ামী লীগের ফ্ল্যাটভোগী এবং যারা গুণ্ডা দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঠাণ্ডা করে দিতে চায়, একটি প্রেসক্রিপটিভ ইলেকশনের দিকে আবার যেতে চায়, আমরা বিএনপির এই আওয়ামীবিষয়ক সম্পাদকদের বলব, আপনারা জনগণের পালসকে বুঝুন, ২৪-পরবর্তী জনগণের পালসকে বুঝুন। নতুবা আবার বাংলাদেশ সংকটের দিকে যাবে।’
/আশিক
প্রগতিশীলতার মুখোশ পরা লোকেরাই স্লাটশেমিং করে: হাসনাত আব্দুল্লাহ বিস্ফোরক মন্তব্য
নারীর রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে তার শরীর, সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত জীবনকে টেনে এনে 'স্লাটশেমিং' করা বা চরিত্র নিয়ে নোংরা মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেছেন।
সোমবার (২৫ আগস্ট) তিনি নারীদের প্রতি স্লাটশেমিংয়ের বিরুদ্ধে নিজের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি নিজে শ্রেণিঘৃণার শিকার হলেও রুমিন ফারহানাসহ যেকোনো নারীর প্রতি স্লাটশেমিংয়ের বিরুদ্ধে আমার স্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করছি।’
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কোনো নারী বিএনপির হোক, এনসিপির হোক, বামপন্থী বা ডানপন্থী হোক, কিংবা কোনো দলই না করুক—তার রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক না কেন, তার শরীর, সম্পর্ক, পোশাক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নোংরা মন্তব্য করা রাজনীতির অংশ নয়। এটি পুরুষতান্ত্রিক ঘৃণার সবচেয়ে জঘন্য রূপ। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘৃণ্য চর্চা প্রায়শই প্রগতিশীলতার মুখোশধারী মানুষের কাছ থেকে আসে, যারা একদিকে নারীর অধিকারের কথা বলে, আর অন্যদিকে কোনো নারী তাদের রাজনৈতিক মতের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করলেই তার চরিত্রে আঘাত করে।
তিনি উদাহরণ হিসেবে রুমিন ফারহানা, তাসনিম জারা, সামান্থা, উমামা, তাজনুভা কিংবা মানসুরার মতো নারীদের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারাও এই ঘৃণ্য ট্র্যাডিশনের বাইরে নন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, কোনো দল বা মতের পক্ষে থাকলে স্লাটশেমিংকে গুরুত্ব না দেওয়া, আর বিপক্ষে থাকলে তাতে উৎসাহ দেওয়া—এই ধরনের দ্বিচারিতা আমাদের রাজনীতিকে শুধু কুরুচিপূর্ণ করে তোলে না, বরং নারীবিদ্বেষকে সমাজে স্বাভাবিক করে তোলে।
তিনি এই ঘৃণার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে একটি জরুরি রাজনৈতিক লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, দল, মত, বা পরিচয় যা-ই থাকুক না কেন, এই লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
/আশিক
‘মোদির বিরুদ্ধে মিছিল করা বাহার এখন মেয়েকে নিয়ে কলকাতায়’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পূর্নিমা রানী শীল লগ্নজিতা নামে এক তরুণী দাবি করেছেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মিছিল করা কুমিল্লার সাবেক এমপি আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহার তার মেয়ে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র তাহসীন বাহার সূচনাকে নিয়ে কলকাতার রাজারহাট নিউটাউনে লুকিয়ে আছেন।
শনিবার (২৩ আগস্ট) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়েছিল। এবং ভারত সরকারের বিরুদ্ধে এই সেই কুকুর যে কি না আওয়ামী লীগের খেয়ে পরে মোদির সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় কাট মোল্লা নিয়ে মিছিল করে সে কেন ভারতের মাটিতে।”
ওই তরুণী আরও অভিযোগ করেন, “২০২১ সালে বাংলাদেশে দুর্গাপূজায় হামলার পেছনে বাংলাদেশি আওয়ামী লীগ নেতা বাহার উদ্দিন বাহার যিনি পূজা মণ্ডপে কোরআন রেখেছিলেন। তখন সারা বাংলাদেশে পুজোর বারোটা বাজিয়েছিল।” তিনি ভারত সরকার ও রাজ্য সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন, এই ধরনের ব্যক্তিকে সহযোগিতা করা ঠিক কি না। তিনি আরও বলেন, এই 'রাজাকার আলবদরকে' অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হোক।
/আশিক
আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক অঙ্গনে রাখতে হবে: নুরুল হক নুর
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, এক বছরে বর্তমান সরকার যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে, আওয়ামী লীগ তা ১৬ বছরে করেছিল। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সামনে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে। এই কারণে তিনি মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক অঙ্গনে রাখা প্রয়োজন।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টক শোতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, “কিছুদিন আগে বিআইজিডি ব্র্যাকের একটি জরিপে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের সমর্থন মাত্র ৭ শতাংশ। অর্থাৎ, একটি ন্যারেটিভ ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে যে, পরবর্তী চূড়ান্ত নির্বাচনের আগে দেখানো হবে আওয়ামী লীগের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জনসমর্থন আছে। সেক্ষেত্রে এই দলটিকে বাদ দিয়ে কীভাবে নির্বাচন সম্ভব?”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকাংশে পশ্চিমা বিশ্বের ওপর নির্ভরশীল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আমাদের যথাক্রমে ১০ বিলিয়ন ও ১৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। এ অবস্থায় বিদেশিরা যদি বলে, ‘তোমরা যদি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি না করো, তাহলে আমরা তোমাদের দেশে শার্ট-প্যান্ট কেনা কমিয়ে দেবো।’ তখন ড. ইউনূস বা অন্যান্য রাজনীতিবিদদের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং দেশকে পরিচালনা করতে হলে আওয়ামী লীগকে নিয়েই নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। এমন একটি পরিস্থিতি সামনে তৈরি হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
নুর বলেন, “আমরা যারা গণঅভ্যুত্থানের দাবিদার, তারা গত এক বছরে যে কাজগুলো করেছি, সেটি বাস্তবসম্মতভাবে আওয়ামী লীগকে আবার ফিরে আসার একটি সুযোগ করে দিয়েছে। এটিই বাস্তব।”
/আশিক
আদর্শ মা’র আশীর্বাদ: কাজ হারিয়ে এবার আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন চাইলেন জয়
অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় তার সাম্প্রতিক ফেসবুক স্ট্যাটাসের জেরে নতুন করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। আমেরিকায় অবস্থানরত জয় তার পোস্টে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাদ না রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তার এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
বুধবার (২০ আগস্ট) জয় তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিদেশের মাটিতে তার নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অনেকে পছন্দ করলেও বিএনপিকে আগামীতে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তিনি লেখেন, “আওয়ামী লীগের যতই দোষ থাকুক, একটা বিশাল শ্রেণির জনগণ আওয়ামী লীগের সাপোর্টার, তাদের বাদ রেখে ইলেকশন করলে সেই ইলেকশনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আসবে এবং ভবিষ্যতে বিভক্তি আরও বেশি তৈরি হবে।”
জয়ের এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। জাহিদ খান নামে একজন তার স্ট্যাটাসে লেখেন, “বিএনপি-জামায়াত ছাড়া ইতোপূর্বে যে নির্বাচনগুলো আওয়ামী লীগ সরকার করেছে, তখন তোমার এরকম প্রতিবাদী পোস্ট কোথায় ছিল?”
ইসমাইল হোসেন মন্তব্য করেন, “এটা একদম ক্লিয়ার, আপনি আওয়ামী লীগের কথা বলতেই এতো কিছু ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে লিখেছেন। আওয়ামী লীগ ছাড়া যা বলার বলেন সমস্যা নাই। আওয়ামী লীগ একটা সন্ত্রাসী সংগঠন, এরা সুযোগ পেলে দেশ আর দেশ রাখবে না।”
আবু তাহের চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী লীগ এখন আর কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের মানুষকে গুম, খুন, নির্যাতন আর লুটপাট করে অবশেষে গণহত্যা চালিয়ে পলায়ন করেছে।”
জাবের এইচ সুমন বলেন, “আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশের অধিকাংশ দলকে চারটা নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছে, আওয়ামী লীগকেও চারবার দূরে রাখতে হবে, প্রয়োজন হলে আইনের মাধ্যমে করা দরকার, তখন শিক্ষা হবে।”
দেলোয়ার হোসাইন ও মামুন হোসাইন-এর মতো অনেকেই জয়কে গত ১৬ বছরে সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার কারণে এখন আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের পক্ষে কথা বলছেন বলে অভিযোগ করেন। মুজাফ্ফার নামের একজন লেখেন, “আওয়ামী লীগের সময় তো বিড়ালের মতো চুপ করে ছিলি।”
টুটুল জহিরুল ইসলাম কটাক্ষ করে বলেন, “হা হা হা। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চাই।” তিনি আরও যোগ করেন, “আওয়ামী লীগ যখন ভোটারবিহীন একদলীয় নির্বাচন করেছিল, দিনের ভোট রাতে করেছিল তখন এই জাতীয় কোনো পোস্ট করে থাকলে প্লিজ এখানে স্ক্রিনশট যুক্ত করুন। শোনেন মিয়া ভাই, চামচামি একটা জন্মগত অসুখের নাম। আগে সুস্থ হতে হবে।”
সাদেকুল ইসলাম সরাসরি মন্তব্য করেন, “জয় আওয়ামী লীগের দালালের মতো কথা বলছো।” আহমেদ নুর বলেন, “জয় নিজের কথা বাইরের মানুষের নামে চালায়া দিয়েছে!”
এর আগে, ২০১৪ সালে জয় প্লট চেয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ‘উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ নেত্রী’ ও ‘আদর্শ মা’ বলে সম্বোধন করে চিঠি লিখেছিলেন। ওই চিঠিতে তিনি নিজেকে ‘আপনার সুযোগ্য পুত্রের নামের আরেক পুত্র’ হিসেবে উল্লেখ করে পূর্বাচলে একটি প্লট পাওয়ার আবদার জানান। সেই চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তিনি ব্যাপক সমালোচিত হন। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে তিনি কাজ হারাতে শুরু করেন এবং ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধা জানানোয় তাকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তার ছবিতে চুনকালি ও জুতা নিক্ষেপ করা হয়।
/আশিক
ফেসবুক পোস্টে রনির বিরুদ্ধে জুলকারনাইন সায়েরের ক্ষোভ
কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনিকে তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘পল্টিবাজ’ আখ্যায়িত করেছেন। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এ মন্তব্য করেন, যা দ্রুতই নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।
জুলকারনাইন সায়ের লিখেছেন, মৃত মা-বাবাকে নিয়ে নোংরা ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা অত্যন্ত অমানবিক এবং সভ্য সমাজে অগ্রহণযোগ্য কাজ। তার নজরে আসে, গোলাম মাওলা রনি প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের মৃত মাকে নিয়ে অবমাননাকর একটি পোস্ট দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ওই পোস্টে রনি যে ছবি ব্যবহার করেছেন সেটি আসলে পাকিস্তানি অভিনেত্রী মারিয়াম ওয়াহিদের ছবি। এভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করে মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করাকে তিনি একেবারেই নিন্দনীয় হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি রনির রাজনৈতিক অতীতের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। জুলকারনাইন সায়ের উল্লেখ করেন, রনি একসময় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন। ২০১৩ সালে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের দুই সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। তখনও তিনি একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না, তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে গোলাম মাওলা রনি বহুল পরিচিত একজন ‘পল্টিবাজ’ নামেই খ্যাত।
তার পোস্টে আরও বলা হয়, রাজনীতিতে থাকলে সমালোচনা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ। কিন্তু সেই সমালোচনার জবাবে যদি কেউ মৃত মা-বাবাকে নিয়ে এত জঘন্য মন্তব্য করেন, তবে তা রাজনৈতিক নৈতিকতার চরম অবক্ষয়। তার ভাষায়, “আপনি যেহেতু রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, আপনাকে নিয়ে সমালোচনা হবেই। কিন্তু সেই সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় মৃত ব্যক্তিকে টেনে এনে গালাগাল করা মানসিক দারিদ্র্যের পরিচায়ক। যদি সত্যিই এমন মনোভাব থাকে তবে রাজনীতি ছেড়ে নিষিদ্ধ পল্লীর তত্ত্বাবধায়ক ধাঁচের কোনো কাজ করা হয়তো আপনার জন্য বেশি উপযুক্ত।”
জুলকারনাইন সায়েরের এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত জীবনের মৃত মা-বাবাকে টেনে আনা শুধু অনৈতিকই নয়, এটি একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত। ফেসবুক ও অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকাটা স্বাভাবিক, কিন্তু মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে কটূক্তি করা কোনোভাবেই সভ্য সমাজের আচরণ হতে পারে না।
-রাফসান
‘মুজিব আমল ছিল স্বৈরতন্ত্রের অন্ধকার’: ইতিহাসের ভিন্ন চিত্র তুলে ধরলেন সায়ের
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের অভিযোগ করেছেন যে, ১৫ আগস্টের শ্রদ্ধা নিবেদনের আড়ালে একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্র হয়েছে। তিনি বলেন, এটি ছিল একটি ‘ওয়েল কো-অর্ডিনেটেড ক্যাম্পেইন’, যার উদ্দেশ্য ছিল জুলাই বিপ্লবের গণহত্যার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া এবং আওয়ামী লীগের অপকর্ম আড়াল করা।
জুলকারনাইন সায়েরের মতে, ১৫ আগস্টের শ্রদ্ধা নিবেদনের বেশিরভাগ পোস্টই আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের মিত্র, অর্থের বিনিময়ে কাজ করা বা বিজ্ঞাপন জগতের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে করা হয়েছে। এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য ছিল শেখ মুজিবকে এককভাবে মহিমান্বিত করা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬ বছরের ‘অত্যাচার, হত্যাযজ্ঞ ও অপকর্ম’ থেকে জনগণের মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া।
জুলকারনাইন সায়ের তার পোস্টে শেখ মুজিবের ১৯৭২-১৯৭৫ সালের শাসনকালের কঠোর সমালোচনা করে লেখেন, তার শাসন মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নকে ‘স্বৈরতন্ত্রের অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল’। তিনি রক্ষীবাহিনীর গঠন, প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে হত্যা, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু এবং দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের হত্যাকাণ্ড ছিল মুজিবের ব্যর্থতা ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জমা হওয়া ক্ষোভের বিস্ফোরণ।
জুলকারনাইন সায়ের অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা একটি সুপরিকল্পিত প্রচারণার মাধ্যমে এই কাজটি করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রচারণার অংশ হিসেবে এমন সেলিব্রেটিদের দিয়ে পোস্ট করানো হয়েছে যারা প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগপন্থি নন, যাতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়। তিনি কয়েকটি নির্দিষ্ট নামও উল্লেখ করেন এবং অভিযোগ করেন যে, একটি নির্দিষ্ট ইউটিউবার ও সাংবাদিকের মাধ্যমে এই প্রচারণা পরিচালিত হয়েছে। তিনি সরকারকে এই ষড়যন্ত্রের গভীরে তদন্ত করার আহ্বান জানান।
ফেসবুকে বিনা খরচে রিচ বাড়াবেন যেভাবে: জেনে নিন ৫ সহজ কৌশল
ফেসবুকে এখন অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করছেন যে তাদের পোস্ট আগের মতো মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, অর্থাৎ ‘রিচ’ কমে যাচ্ছে। ফলে হতাশায় ভুগছেন কনটেন্ট নির্মাতা ও উদ্যোক্তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক কৌশল জানা থাকলে কোনো খরচ ছাড়াই পোস্টের অর্গানিক রিচ বাড়ানো সম্ভব।
রিচ কমে যাওয়ার কারণ:
ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যাওয়া: ফেসবুক ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে এবং যদি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্টে ব্যবহারকারী আগ্রহ না দেখায়, তবে সেই কনটেন্ট তাদের কাছে আর পৌঁছায় না।
সময়: পোস্ট করার সময়ের ওপরও রিচ নির্ভর করে। মধ্যরাতে বা যখন ব্যবহারকারী সক্রিয় কম থাকেন, তখন পোস্ট করলে স্বাভাবিকভাবেই রিচ কম হয়।
কনটেন্টের বৈচিত্র্যহীনতা: একই ধরনের পোস্ট বারবার করলে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যায়।
ক্লিকবেইট ও স্প্যাম: ক্লিকবেইট বা স্প্যামধর্মী পোস্ট রিচ কমার একটি বড় কারণ। ফেসবুকের অ্যালগরিদম এসব সহজেই ধরে ফেলে।
বিনা খরচে রিচ বাড়ানোর ৫ কৌশল
১. মানবিক দিক রাখুন: শুধুমাত্র তথ্য না দিয়ে কনটেন্টে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ছোট গল্প বা অনুপ্রেরণামূলক বিষয় তুলে ধরুন।
২. কনটেন্টে বৈচিত্র্য আনুন: নিয়মিত ছবি, ভিডিও, রিল ও ইনফোগ্রাফিক্স ব্যবহার করুন। প্রশ্ন করে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
৩. ক্লিকবেইট থেকে দূরে থাকুন: এমন কোনো কিছু পোস্ট করবেন না যা শুধু ক্লিক বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
৪. ডেটা বিশ্লেষণ করুন: নিয়মিত ফেসবুক ইনসাইট পর্যবেক্ষণ করে কোন সময়ে পোস্ট দিলে বেশি রিচ পাওয়া যায়, তা বোঝার চেষ্টা করুন।
৫. নিয়মিত সক্রিয় থাকুন: শুধু নিজের কনটেন্ট পোস্ট না করে অন্যদের পোস্টে কমেন্ট ও শেয়ার করে সক্রিয়তা বাড়ান।
সূত্র : এইসময়
ইরাকে আলেমের চমক: কোরআনের আয়াতেই মুহূর্তে সুস্থ হচ্ছেন রোগীরা
ইরাকের কুর্দিস্তানের একজন আলেম, ড. মালা আলি কুর্দিস্তানি, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন রোগীকে সুস্থ করছেন—এমন কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ এই ভিডিওগুলো দেখছেন এবং একে ‘কোরআনের অলৌকিক শক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিজেদের বিশ্বাস ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।
ভিডিও ক্লিপগুলোতে দেখা যায়, ড. কুর্দিস্তানি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা করছেন। একটি ভিডিওতে তিনি একজন বাকপ্রতিবন্ধী নারীর মুখে হাত রেখে কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করছেন এবং কিছুক্ষণ পরেই ওই নারী কথা বলার চেষ্টা করছেন। অন্য একটি দৃশ্যে, একজন শ্রবণপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির কানের কাছে আয়াত পাঠ করার পর তিনি শব্দ শুনতে পাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। একইভাবে অসুস্থ ব্যক্তির মাথায় হাত রেখে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলার দৃশ্যও দেখা গেছে।
এই ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে ইসলামের আধ্যাত্মিক শক্তির বাস্তব উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন। সামাজিক মাধ্যমে বহু মানুষ পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলের ৮২ নম্বর আয়াতটি শেয়ার করছেন, যেখানে বলা হয়েছে: "আমি কোরআনে এমন বস্তু নাজিল করেছি যা মুমিনদের জন্য নিরাময় ও রহমত।" তাদের মতে, ড. কুর্দিস্তানির এই কাজ সেই আয়াতেরই প্রতিফলন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ড. মালা আলি কুর্দিস্তানি ইরাকের কুর্দিস্তান প্রদেশের এরবিল শহরের একজন সুপরিচিত আলেম। সেখানে তিনি "নবিব ক্লিনিক" নামে একটি চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনা করেন। আধ্যাত্মিক চিকিৎসার জন্য তার খ্যাতি রয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তার ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৫৭ লাখের বেশি, যা তার ব্যাপক প্রভাবের প্রমাণ দেয়।
ড. কুর্দিস্তানির এই কার্যক্রম একদিকে যেমন বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষের বিশ্বাসকে দৃঢ় করছে, তেমনই আধ্যাত্মিক উপায়ে রোগ নিরাময়ের কার্যকারিতা এবং এর প্রমাণ নিয়ে বিজ্ঞান ও চিকিৎসা মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে কারণ যা-ই হোক, এই ভিডিওগুলো যে ইন্টারনেট দুনিয়ায় এক অভূতপূর্ব আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
/আশিক
সুষ্ঠু নির্বাচনও একতরফা হতে পারে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নির্বাচনে রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকলেও তা পিছিয়ে যাবে বলে মনে করেন না এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, রাজনীতিতে নানা কৌশল থাকলেও তিনি আশা করেন, নির্বাচন শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই হবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, দলগুলোর মধ্যকার অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনও একতরফা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।
আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো প্রার্থী খুঁজে বের করা। তার মতে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও প্রার্থী সংকটের কারণে এটি একতরফা হতে পারে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে গভীর মতবিরোধ রয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, বিএনপি চাইছে আগামী সংসদ দুই বছরের মধ্যে এই সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে, কিন্তু অন্য দলগুলো এতে একমত নয়। বিশেষ করে জামায়াত ও এনসিপি পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতি নিয়ে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
ফুয়াদ বলেন, জামায়াত এবং এনসিপি বিএনপির পরে দেশের দুটি সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। তারা যদি পিআর পদ্ধতির মতো ইস্যুতে নির্বাচন বর্জন করে, তাহলে নির্বাচন একতরফা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কি এই দায়টা নিয়ে একটা ভালো নির্বাচন করবে কিনা?" তিনি মনে করেন, এই টেনশনগুলো সমাধানযোগ্য এবং বিএনপিকে এখন রাষ্ট্রনায়কের মতো নেতৃত্ব দেখাতে হবে।
পাঠকের মতামত:
- রোডম্যাপ গতানুগতিক ও বিভ্রান্তিকর: জামায়াত সেক্রেটারি
- জুলাইয়ে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ
- টি-টোয়েন্টিতে ২০০ রানের লক্ষ্য, অভ্যাস গড়তে চায় বাংলাদ: লিটন দাস
- ইয়েমেনের সানায় ইসরায়েলের হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি
- এআই দিয়ে তৈরি করা ছবির মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: ডিএমপি
- ডিএমপি কার্যালয় অভিমুখে মিছিল শেষে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের
- গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড: নতুন অধ্যাদেশের নীতিগত অনুমোদন
- ইসি’র রোডম্যাপে জাতির প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ
- ইসি’র রোডম্যাপকে স্বাগত জানিয়ে মির্জা ফখরুল: ‘বিএনপি সরকারের পাশে আছে’
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ
- ডিএসই ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আজকের লেনদেনের সামগ্রিক বিশ্লেষণ
- ২৮ আগস্ট দরপতনের তালিকায় শীর্ষ ১০ কোম্পানি
- ২৮ আগস্ট শীর্ষ ১০ গেইনার তালিকা
- ডিএসইতে শীর্ষ ২০ শেয়ারের তালিকায় আধিপত্য যে দুই কোম্পানির
- ডিআরইউতে লতিফ সিদ্দিকীসহ আ.লীগ নেতাদের অবরুদ্ধ করে রাখল ‘জুলাই যোদ্ধারা’
- সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আটকে আছে ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব: বিটিআরসি
- দিল্লির গোপন বৈঠক ফাঁস: হাসিনা ও এস আলমের ষড়যন্ত্র, নেপথ্যে ৪৫০০ কোটি টাকা
- পুলিশের পোশাকে বিড়াল, হৃদয় জয় করে থানায় রাজত্ব করছে ‘নারুতো’
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ প্রতিনিধির ছাত্রদলে যোগদান
- গাজার অবরোধের জবাবে ইয়েমেনের সামরিক অভিযান: আল-লিদ্দ বিমানবন্দরে হামলা
- পাকিস্তান-বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতায় দিল্লির উদ্বেগ
- বুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ফাঁকা ক্যাম্পাসে বন্ধ ক্লাস–পরীক্ষা
- বিকেলে ব্যাংকে ঢুকে লুকিয়ে ছিল যুবক, রাতে ডাকাতির চেষ্টার সময় আটক
- বেইজিংয়ের সামরিক কুচকাওয়াজে কিম ও পুতিন, বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা
- ছেলের আত্মহত্যার জন্য দায়ী ChatGPT’: কাঠগড়ায় OpenAI
- প্রতারণার অভিযোগে শাহরুখ ও দীপিকার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
- লুঙ্গি-গেঞ্জি পরে পালিয়েছেন শামীম ওসমান: যুবদল নেতা রনি
- এই এক ফলই যথেষ্ট: মাত্র এক সপ্তাহে দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য
- প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও নীরবতা
- যুক্তরাষ্ট্রে এনআইডি কার্যক্রম শুরু: ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ ৪ শহরে মিলবে সেবা
- ডিএসই টিমের তদন্তে অপ্রত্যাশিত তথ্য ফাঁস
- ডার্ক চকলেটের জাদু: মস্তিষ্ক সচল রাখার এক গোপন রহস্য
- বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ডিএসই’র নতুন উদ্যোগ
- শেয়ারবাজারে বিভ্রান্তি রুখতে ডিএসই বার্তা
- জোড়া গোল করে দলকে ফাইনালে তুললেন মেসি
- মূলধন বাজারে বিনিয়োগে সতর্কবার্তা দিলো বিএসইসি
- দেশের ৬ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়, বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- মার্কেটিং ও উদ্যোক্তাবৃত্তিতে গল্প বলার চার বৈজ্ঞানিক নীতি
- গাজায় দুর্ভিক্ষ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, ক্ষুধার বলি ৩১৩ জন
- গাজা সিটি খালি করার নির্দেশ: ট্যাংক নিয়ে নতুন এলাকায় ইসরায়েলি সেনারা
- প্রকৌশলীদের রেষারেষির নেপথ্যে ‘চাকরি সংকট’
- ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ হচ্ছে আজ
- অবৈধ সম্পদে জড়িত সাবেক খাদ্যমন্ত্রী রাজ্জাক পরিবার
- দেশের ইতিহাসে রিজার্ভের উত্থান-পতন: যা ছিল এবং এখন কী অবস্থা
- যেকোনো সময় ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন সংঘাত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি
- ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী দেখতে চান না ডাকসু ভিপি প্রার্থী উমামা
- অন্তর্বর্তী সরকারের ‘গায়েবানা জানাজা’ পড়লেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা
- বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের ভাষা এক, আমি কী করব?: মমতা
- আমাদের সময় বেশি দিন নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- ডিএসই প্রকাশ করল নতুন মার্জিন ঋণযোগ্য সিকিউরিটিজ তালিকা
- মাহাথির মোহাম্মদ ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তর: নীতি, সংস্কার ও উত্তরাধিকার
- অমীমাংসিত ইস্যু সরকারের বিষয়, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য শক্তিশালী করার আহ্বান জামায়াতের
- পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে ভাবতে চায় এনসিপি, ৭১-এর অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান
- ২৬ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- ২৭ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’: মেহের আফরোজ শাওন
- ২৭ আগস্টের বন্ড মার্কেট আপডেট: কিছু বন্ডে দরপতন, বেশিরভাগই স্থবির
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া বিপ্লব অসম্পূর্ণ: ডা. তাহের
- নাইজেরিয়ার বাজারে ডেরিকা: টমেটো পেস্ট থেকে মাপের এককে রূপান্তরের গল্প
- ২৬ আগস্ট শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৪ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- সার্কিট ব্রেকারে তালিকাভুক্ত দুই শীর্ষ কোম্পানি
- ডিএসইতে ব্যাংক শেয়ারের দাপট
- মাহফুজ আলমের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কে কনস্যুলেটে আওয়ামী সহিংসতা, নিন্দার ঝড়