‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে জুলকারনাইন সায়ের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস, যেখানে তিনি অতীতের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত স্মরণ করেছেন।
নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, শেষবার যখন তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখন মজা করে একটি সেলফি তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ পরবর্তী সময়ে তিনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অতিক্রম করে এমন স্বতঃস্ফূর্ত ছবি তোলা কঠিন হয়ে যাবে। সময়ের ব্যবধানে সেই কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা ও প্রটোকলের বলয় স্বাভাবিকভাবেই কঠোর হয়ে ওঠে। ফলে ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।
-রাফসান
দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
দীর্ঘ দেড় বছরের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গভীর অধ্যবসায়ের পর নতুন একটি বই প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন জনপ্রিয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ শিরোনামের এই গ্রন্থে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, একসময় বইয়ের প্রতি তাঁর গভীর নিমগ্নতা দেখে এক শিক্ষক তাঁকে মজা করে ‘জিন’ বলে ডাকতেন। নতুন এই বইটি রচনার সময় তিনি আবারও সেই পুরনো ‘বইপাগল’ ছাত্র হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি হয়ে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বইটির কাজ শেষ করেছেন। শুরুতে সামগ্রিক ইসলামকে এক মলাটে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, বিষয়ের গভীরতা ও ব্যাপ্তির কারণে তিনি শুধু ঈমান নিয়ে এই আলাদা গ্রন্থটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন।
বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এর নাম চূড়ান্ত করার আগে শায়খ আহমাদুল্লাহ পাঠকদের মতামত চেয়েছিলেন, যেখানে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতেই ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটিতে সমকালীন বিভিন্ন কুফর, নিফাকের লক্ষণ এবং বিশ্বাসগত সংকট থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ঈমান বিষয়ক এই বইয়ের পর পর্যায়ক্রমে ইবাদত, আখলাক ও লেনদেন নিয়ে পৃথক গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
/আশিক
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এক বিশাল উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ এবারের রমজানে ৩৩ হাজার ৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে। শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান যে, নির্বাচনের ছুটির মাঝেও আস-সুন্নাহ স্কিলের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দিনরাত এই ইফতার সামগ্রী প্যাকেজিংয়ের কাজ করে যাচ্ছেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার মোট ৬২৭টি নির্দিষ্ট স্পটে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ইফতার প্যাকেজে থাকছে ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি উন্নত মানের খেজুর এবং ১ কেজি মুড়ি। এটি গত কয়েক বছরের তুলনায় বড় একটি আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এবারের আয়োজনে বড় চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি। শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং রমজানের আমলকে সমৃদ্ধ করতে এবারই প্রথম প্রতিটি ইফতার প্যাকেজের সঙ্গে 'মাহে রমজানের ২৭ আমল' নামক একটি বই উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এই মানবিক ও ধর্মীয় উদ্যোগের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এবং বহু মানুষ এই সেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
/আশিক
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে নিজের সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে যেকোনো ইতিবাচক সংস্কারে তাঁর সমর্থন রয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। তবে এই সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই দেশের ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল পরিবর্তন নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার করা।
রাষ্ট্র ও নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধের সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে এবং জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর
রাষ্ট্র গঠনে ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দেশাত্মবোধক আহ্বান জানান।
নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ড. আজহারী উল্লেখ করেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে 'হ্যাঁ' দিন। তিনি ইংরেজি অক্ষরে লিখেছেন— "Say ‘YES’ for Future Bangladesh." তার এই আহ্বানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে তার এই অবস্থানকে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের ভোট উৎসবের ভিন্নতা হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি 'জুলাই সনদ' অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রত্যেক ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
১. সংসদীয় ব্যালট: এখানে ভোটাররা তাদের নিজ নিজ সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেবেন।
২. গণভোট ব্যালট: এই ব্যালটটি হবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। সেখানে প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন আছে কি না, সেই প্রশ্নে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল দেবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. আজহারীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই আহ্বান সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল
জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করেন এক তরুণ। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে যায় স্কুলজীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে। সেই মুহূর্তেই তার পেশাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় তরুণকে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কোথায় বা কবে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও ভিডিওটি ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত সড়কের সিগন্যালে স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই তরুণ। পেছনে পিজ্জা রাখার ডেলিভারি বক্স। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন তার স্কুলের বান্ধবী। তরুণকে দেখামাত্রই তিনি হাসতে শুরু করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে তরুণীকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে শোনা যায়, স্কুলজীবনে ওই তরুণ নাকি বন্ধুদের অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও পাঠাতেন। অথচ এখন ৩০ বছর বয়সে তিনি পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করছেন। ভিডিওটি তিনি অন্যদেরও দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন। এসব কথা শুনে তরুণকে বিব্রত ও লজ্জিত অবস্থায় হাসতে দেখা যায়।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট তরুণ ও তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, পুরো ঘটনাটি সাজানো ছিল। তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। তাদের মতে, জনমতের চাপে পড়েই বিষয়টিকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে X–এর একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যার নাম ‘স্যাফরন চার্জার্স’। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিপুল সংখ্যক দর্শক দেখেন। লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই তরুণের পক্ষে গেছে। বহু ব্যবহারকারী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তরুণীর আচরণকে নিন্দনীয় ও শিক্ষার অভাবের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন।
একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কোনও কাজই ছোট নয়। সংসার চালাতে অনেককেই ডেলিভারি বয়ের কাজ করতে হয়। কাউকে এভাবে অপমান করা মানসিক দীনতার পরিচয়।”
আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। কখনও দায়িত্ব হঠাৎ কাঁধে এসে পড়ে। তখন স্বপ্ন থেমে গেলেও দায়িত্ব পালন করাটাই আসল। এই তরুণ বাস্তব জীবনের নায়ক।”
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, সামাজিক মর্যাদা কি শুধু পেশার সঙ্গে যুক্ত? পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের সংগ্রামের মধ্যকার এই বৈপরীত্য সমাজের শ্রেণিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই সামনে এনেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এই ভাইরাল ভিডিওটি সত্য হোক বা সাজানো এটি একটাই প্রশ্ন সামনে এনেছে: জীবিকা নির্বাহের জন্য পরিশ্রম করা মানুষকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও আছে কি না?
সূত্র:আনন্দবাজার
কুচক্রী মহল থেকে সাবধান: ফেসবুক পোস্টে জরুরি বার্তা দিলেন আজহারি
বর্তমান সময়ের আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে চালানো সুসংগঠিত ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ও জরুরি এক সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দেশের ভেতরে ও দেশের বাইরে থেকে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন কুচক্রী প্রতারক মহলের বিরুদ্ধে এই ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ বা চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আজহারি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কণ্ঠস্বর বা ‘ভয়েস ক্লোন’ (AI Voice Cloning) করা হচ্ছে এবং তাঁর ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নানা ধরণের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অনৈতিকভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আজহারি তাঁর পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই প্রতারক চক্রগুলো ওষুধি পণ্য এবং বিভিন্ন ধরণের ভুয়া বিউটি বা হেলথ প্রোডাক্ট প্রমোশনে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি কণ্ঠস্বর ও ছবি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত অবৈজ্ঞানিক ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে তাঁর সম্পৃক্ততা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির এই অপব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন না, এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ এসব বিজ্ঞাপন দেখে আর্থিকভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। এর ফলে কেবল সাধারণ মানুষের ক্ষতিই হচ্ছে না, বরং এই ইসলামি বক্তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রতি মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও আস্থাও চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, এ ধরণের কোনো বাণিজ্যিক পণ্য বা ওষুধের প্রচারণার সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।
এই জালিয়াতির প্রভাব ড. আজহারির প্রতিষ্ঠিত ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’ (Hasanah Foundation)-এর ওপরও পড়েছে বলে জানা গেছে। আজহারি উল্লেখ করেছেন যে, এসব ভুয়া পণ্য বা ওষুধের ব্যাপারে খোঁজ নিতে প্রতিদিন অগণিত মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নাম্বারে ফোন করছেন। এর ফলে ফাউন্ডেশনের দৈনন্দিন দাপ্তরিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে চরম বিঘ্ন ঘটছে। তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিক্রির চেষ্টা করা হলে তা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং এটি জালিয়াতির অংশ। ইতোমধ্যে তাঁর টিম এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বিভিন্ন মিডিয়া ও ফেসবুক পেজগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করেছে। এই তালিকাটি অতি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশ বা বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
পরিশেষে, ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তারা কোনো বিজ্ঞাপন দেখে সহজেই বিভ্রান্ত না হন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, যেকোনো প্রচারণার সত্যতা যাচাই করতে হলে যেন তাঁর অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সোর্সগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতারকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি অনতিবিলম্বে এসব কন্টেন্ট রিমুভ না করা হয়, তবে তিনি আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যারা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনৈতিক উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন, আল্লাহ যেন তাদের মেধাকে হালাল ও পজিটিভ কাজে ব্যবহার করে রিজিক অন্বেষণের তাওফিক দান করেন। ভক্তদের সুবিধার্থে তিনি তাঁর পোস্টে সবকটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মের লিংকও সংযুক্ত করে দিয়েছেন।
এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ তোমাকে দিশেহারা করার অপেক্ষায়: আজহারী
রাষ্ট্রীয় শোক আর পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীর আকাশ যখন আতশবাজির ঝলকানিতে রঙিন, ঠিক তখনই পরকালের ভয়ংকর আগুনের স্মারক মনে করিয়ে দিলেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই বিকট উল্লাস নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তাঁর এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ড. আজহারী তাঁর পোস্টে লিখেছেন—যে বিকট শব্দ আর আগুনের ঝলকানি মানুষকে আজ উল্লাসে মাতাচ্ছে, এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ আর তীব্র আগুন পরকালে মানুষকে দিশেহারা করার অপেক্ষায় রয়েছে। মানুষের এই ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, “তবুও তুমি বুঝবে না?” তাঁর এই বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন রাজধানীর অসুস্থ রোগী এবং ছোট শিশুরা পটকার বিকট শব্দে চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অভিভাবক তাঁদের শিশু সন্তানদের কান্নাকাটি আর আতঙ্কের কথা শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে হাসপাতালে থাকা হৃদরোগী ও বয়স্কদের জন্য এই উচ্চশব্দ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে অনেক অসহায় মানুষ নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ডিএমপির পক্ষ থেকে ফানুস ও পটকা ফাটানোয় স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা কার্যকর না হওয়ায় অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ড. আজহারীর এই আধ্যাত্মিক সতর্কবার্তা ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিবেক জাগ্রত করার এক বিশেষ ডাক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা সংবাদপত্রের ওপর আঘাত: শশী থারুর
বাংলাদেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের লোকসভা সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থাকে বহুমাত্রিক সমাজের ভিত্তির ওপর চরম আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন। বিশেষ করে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে পরিকল্পিত হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শশী থারুর তার পোস্টে সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামসহ অন্যান্য সাহসী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে সংবাদকর্মীদের জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে বার্তা দিতে হবে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি মনে করেন যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরণের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতার পরিবেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি অত্যন্ত অশুভ সংকেত। থারুর স্পষ্ট জানিয়েছেন যে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং উগ্র জনতার শাসনের বদলে গঠনমূলক সংলাপের পথ বেছে নিতে হবে।
বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতির প্রভাবে খুলনা ও রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ভিসা পরিষেবা স্থগিত হওয়াকে তিনি একটি বড় বিপত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর ফলে দুই দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী, রোগী এবং যারা জরুরি প্রয়োজনে সীমান্ত পার হতে চেয়েছিলেন তারা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। থারুরের মতে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অবশ্যই নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে সুরক্ষা দিতে হবে এবং আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা দূতাবাসগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।
বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে শশী থারুর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা কেবল দেশটির নিজস্ব বিষয় নয় বরং এটি পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কণ্ঠস্বর যেন কোনো সহিংসতা বা হুমকির মুখে চাপা না পড়ে এবং ব্যালটের মাধ্যমে প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তার বক্তব্য শেষ করেন এই জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা।
হাদির মৃত্যুতে শায়খ আহমাদুল্লাহ ও আজহারীর আবেগঘন বার্তা
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় দুই ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা পৃথক শোকবার্তা প্রকাশ করেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
জনপ্রিয় আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ তার শোকবার্তায় হাদিকে ‘বিপ্লবী’ আখ্যা দিয়ে তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাদির যে অকুতোভয় সাহসিকতা ছিল, তা থেকে যেন তরুণ প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হতে পারে এবং আল্লাহ যেন সবাইকে সেই তৌফিক দান করেন।
অন্যদিকে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী তার প্রতিক্রিয়ায় হাদিকে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের দুই আইকন আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি আবেগঘন বার্তায় মন্তব্য করেন, আবরার ফাহাদ ও আবু সাঈদের কাতারে এবার যুক্ত হলেন ওসমান হাদি। আজহারী হাদির আত্মত্যাগ কবুল করে তাকে শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান এবং জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করার জন্য দোয়া করেন। উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হন এবং বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার এই অকাল মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোক ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি হয়েছে।
পাঠকের মতামত:
- ‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
- সালাহউদ্দিন আহমদ ও মির্জা ফখরুল পাচ্ছেন যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন
- ১৭ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ার
- ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ গেইনার কারা
- বেতনের বাইরে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের কী কী সুবিধা
- তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগোবে দেশ: মির্জা ফখরুল
- নতুন মন্ত্রিসভায় শপথের আমন্ত্রণ পেলেন যাঁরা
- পুরানো দপ্তরেই ফিরছেন মির্জা আব্বাস: অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলো নতুন সরকার
- যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
- অর্থনীতির সংস্কারে অভিজ্ঞ আমীর খসরুর ওপর ভরসা রাখলো বিএনপি
- তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
- সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমেদ
- ৭ পাক সেনাকে আটক করে বিএলএ-র মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি
- দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতিতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সম্পন্ন
- ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা
- রমজানের প্রস্তুতি: এক মাসের বাজার নিশ্চিন্তে গুছিয়ে রাখার উপায়
- শপথের প্রস্তুতিতে এমপিদের সংসদে আগমন
- সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান
- আবহাওয়া আপডেট: যেমন থাকবে রাজধানী
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া কেন হয় জানুন কারণ
- সারা দেশে আজ থেকে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি; জেনে নিন নির্দিষ্ট পণ্যের দাম
- আজ কেনাকাটায় যাওয়ার আগে জেনে নিন রাজধানীর বন্ধ মার্কেটের তালিকা
- একই পরিবারের তিন সরকার প্রধান: বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল নজির
- অধীনতার চুক্তি করে বিদায় নিচ্ছেন ড. ইউনূস: আনু মুহাম্মদ
- আজ বিকেল থেকে দীর্ঘ সূর্যগ্রহণ, দৃশ্যমান হবে যেসব দেশে
- ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ আজ
- ফুটবল-ক্রিকেটে জমজমাট ক্রীড়া সূচি
- আজ টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বৈশ্বিক বাণিজ্যে টাকার বিনিময় হার আপডেট
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- নামাজ ও সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত সময় জানুন আজ
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- ভিসা ছাড়াই ৩৭ দেশে ভ্রমণ সুবিধা বাংলাদেশিদের
- আজ নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন যিনি
- শপথ ঘিরে ঢাকায় বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিতে এসেছি: প্রধান উপদেষ্টা
- দেশে আবার ভূমিকম্প অনুভূত
- সংসদীয় রাজনীতির নবযুগের অপেক্ষায় দেশ: জামায়াত আমির
- রাষ্ট্র সংস্কারের দলিলে চূড়ান্ত সই: নতুন সূর্যের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
- বিভেদ ভুলে রাজপথে সক্রিয় হওয়ার শপথ নিলেন কালিগঞ্জের বিএনপি নেতারা
- মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্বের শক্তিশালী প্রমাণ পেল নাসা
- ব্রণমুক্ত ত্বক পেতে ঘরোয়া ৪টি সহজ টিপস
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন
- মুসলিমদের জন্য রমজান মাসের সূচনা: চাঁদ দেখার নিয়ম ও তারিখ
- বগুড়া-৬ আসন ত্যাগ করলেন তারেক রহমান
- বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বয়সে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান
- আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম, কী কারণ?
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- জুয়েলারি দোকানে যাওয়ার আগে সাবধান: স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- এবার সোনার দামে রেকর্ড উত্থান
- ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের শুভ সূচনা: প্রথম কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে
- কালিগঞ্জের ফতেপুরে দখলমুক্ত হল দুই দোকান, মালিক পরিবারের হাতে চাবি
- রুপা স্থির, তবে কেন অস্থির শুধু সোনা
- ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াত আমিরের দাপুটে সূচনা: প্রথম কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে লিড
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর








