ইউনূস সরকারের আমলে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় কমানো, অপচয় রোধ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের বৈঠকের কার্যবিবরণী বিশ্লেষণে ভিন্ন চিত্র সামনে এসেছে।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেড় বছরে অন্তত ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অতিরিক্ত যোগ হয়েছে প্রায় ৭৯ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, এই সময়ে একনেকের ১৯টি বৈঠকে ৮৭টি চলমান প্রকল্প সংশোধন করা হয়। গড়ে প্রতি বৈঠকে প্রায় পাঁচটি প্রকল্পে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এর মধ্যে মাত্র সাতটি প্রকল্পে ব্যয় কমানো হয়েছে, মোট সাশ্রয় ৯৫০ কোটি টাকা। যা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর আগের ব্যয়ের তুলনায় মাত্র ২.৪৫ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরও ১৫টি প্রকল্পে ব্যয় অপরিবর্তিত থাকলেও সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।ঢ়এই ৬৫টি প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনের পর তা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ গড়ে প্রায় ৩৫.৬৭ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউনূস সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকেই গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১,৩০৫ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫৭১ কোটি টাকা করা হয়। একই বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর নারী ক্ষমতায়ন কর্মসূচির ব্যয় বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১,৬৩০ কোটি টাকা।
মেয়াদের শেষ দিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় সংশোধন করে ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০১৬ সালে অনুমোদিত প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। সংশোধনে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২২.৬৩ শতাংশ।
ঢাকার পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ব্যয় ৪,৫৯৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৬ হাজার ১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ বেড়েছে ১১ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা, যা প্রায় আড়াই গুণ।
সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এ অতিরিক্ত ৭,১৫৫ কোটি টাকা যোগ হয়েছে। মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে বেড়েছে ৬,৬০৪ কোটি টাকা। চট্টগ্রামের পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে ১,৪১০ কোটি টাকা এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার একটি প্রকল্পে ১,৩২৪ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের ছোট স্টেডিয়াম প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় ৪৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ওতবে একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম রয়েছে। ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয় ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৩২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকায় নামানো হয়েছে। এতে সাশ্রয় হয়েছে ৭৫৪ কোটি টাকা। মূলত স্টেশন এলাকা উন্নয়ন ও কিছু জমি অধিগ্রহণ বাদ দেওয়ার মাধ্যমে এই সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে ১৩৫টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যার মোট ব্যয় ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। এর বড় অংশ চট্টগ্রাম জেলায় বাস্তবায়িত হবে। অন্যদিকে ২১টি জেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রকল্প নেওয়া হয়নি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশি-বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। তাদের বিদায়ের সময় তা দাঁড়ায় ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় দেনার বোঝা রেখে যায় আগের সরকার।
এই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রত্যাশা ছিল বেশি। অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত শ্বেতপত্র কমিটি আগের সরকারের সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় পৌনে তিন লাখ কোটি টাকা অপচয়ের অভিযোগ তোলে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রকল্প অনুমোদনে কড়াকড়ি আরোপ ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ছোট কিন্তু উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন প্রকল্পে অগ্রাধিকার এবং বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্প দ্রুত যাচাইয়ের নীতিগত ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু বাস্তব পরিসংখ্যান বলছে, প্রকল্প সংশোধনের পুরনো সংস্কৃতি পুরোপুরি ভাঙা যায়নি। ব্যয় কমানোর অঙ্গীকারের বিপরীতে ৬৫টি প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি জনগণের অর্থ ব্যবস্থাপনায় নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এখন নজর থাকবে, বর্তমান সরকার প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সংস্কার আনতে পারে কি না।
-রফিক
কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে তিনি কারামুক্ত হন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল চারটার দিকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছায়। কারা কর্তৃপক্ষ নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তাকে মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। কারাফটক থেকে তার স্বজনরা তাকে গ্রহণ করে নিয়ে যান।
এর আগে একই দিন দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এই স্পিকারের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় তাকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি; তার আইনজীবীদের যুক্তি ও আইনি ব্যাখ্যা বিবেচনা করে আদালত এই আদেশ দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লালবাগ এলাকায় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
গত ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে আদালতে হাজির করা হলে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করে, তবে আদালত রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। গ্রেফতারের পাঁচ দিনের মাথায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামিন পেয়ে তিনি মুক্ত হলেন।
/আশিক
বিরোধী দল ভুল তথ্য দিচ্ছে: অধ্যাদেশ বিতর্কে কড়া জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, গুম, মানবাধিকার এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব আইন প্রণয়ন করা হবে।
নিজে গুমের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুম প্রতিরোধে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর আইন তৈরি করা হবে। সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী তারা এটি করতে পারেন, তবে যেসব ইস্যুতে তারা ওয়াকআউট করেছেন এবং বাইরে গিয়ে যে ধরনের ভুল তথ্য দিয়ে ব্রিফিং করছেন, তা মোটেও সঠিক নয়। তিনি আরও জানান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটরের পদের মতো কিছু বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সংশোধন এনেছে এবং প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে সংশোধিত বিল উপস্থাপন করা হবে।
গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই গণভোট হয়নি, বরং তার প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি আদেশ জারি করেছিলেন। যদিও রাষ্ট্রপতির এই ক্ষমতার বৈধতা নিয়ে আদালতে রিট হয়েছে, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন সম্পন্ন হওয়া গণভোটের বৈধতা আছে এবং আপাতত নতুন আইনের প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে গণভোটের প্রশ্ন এলে তখন নতুন করে আইন নিয়ে ভাবা যাবে। উল্লেখ্য, এই সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিও উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস! বদলে যাচ্ছে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি
দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া এক বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজমান। এই অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
আগামীকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে এবং বুধবার (১৫ এপ্রিল) রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই কয়েক দিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের ঝুঁকি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
সাধারণ দর্শকের বেশে বেইলি রোডে প্রধানমন্ত্রী! সপরিবারে দেখলেন শিশুদের নাটক
রাজধানীর বেইলি রোডে এক সাধারণ দর্শকের বেশে সপরিবারে শিশুদের নাটক উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতি মিলনায়তনে গিয়ে ‘কবি চিতাবাঘ’ নামক একটি নাটক দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সাদামাটা নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে পরিবার নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশ করেন। সাধারণ দর্শকদের মাঝেই তিনি আসন গ্রহণ করেন।
নিরাপত্তার কড়াকড়ি কম থাকায় এবং অত্যন্ত সাধারণ বেশে উপস্থিত হওয়ায় শুরুতে অনেক দর্শকই বুঝতে পারেননি যে দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের পাশেই বসে নাটক দেখছেন। তবে নাটক চলাকালীন বিষয়টি জানাজানি হলে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক বিস্ময় ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
নাটক শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সপরিবারে মঞ্চে ওঠেন এবং শিশুশিল্পীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ছোট ছোট শিল্পীদের সাবলীল অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিশুদের আরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। দীর্ঘ সময় পর বেইলি রোডের নাট্যপাড়ায় দেশের সরকার প্রধানের এমন সাধারণ উপস্থিতি সংস্কৃতিমনা মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
/আশিক
১১ উপজেলায় একযোগে যাত্রা শুরু! কৃষক কার্ড নিয়ে বড় ঘোষণা
আগামী ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষের দিনে দেশের কৃষি খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এদিন সকালে টাঙ্গাইল সদরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের প্রি-পাইলট কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১১ আগস্ট) তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে জানানো হয়, এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১১টি উপজেলায় একযোগে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হবে। উপজেলাগুলো হলো—টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়ের বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী।
এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, বীজ, সার এবং অন্যান্য কৃষি সহায়তা প্রদান সহজতর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে প্রকৃত কৃষকদের হাতে সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। টাঙ্গাইলের মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি অন্য ১০টি উপজেলাতেও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু করা হবে।
/আশিক
সড়কে রক্তক্ষয়ী মাস! লাশের মিছিলে যোগ হলো ৫৩২ প্রাণ
দেশে গত এক মাসে সড়ক দুর্ঘটনার এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক মাসে সারাদেশে মোট ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন।
নিহতদের মধ্যে ৬৬ জন নারী এবং ৯৮ জন শিশু রয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নয়টি জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সড়কপথের পাশাপাশি একই সময়ে রেলপথের ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন এবং নৌপথের ১৪টি দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছেন।
যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, যেখানে ২০৪ জন চালক ও আরোহী নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিন চাকার যানবাহনে ৯৪ জন, বাসে ৪৫ জন এবং প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ৪৬ জন মারা গেছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে (২৬৪টি) এবং জাতীয় মহাসড়কে (১৭১টি)। দুর্ঘটনার ধরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৩১টি এবং মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে; ১২৬টি দুর্ঘটনায় এখানে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩৭ জন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৬ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও মানসিক অসুস্থতা এবং সড়কের বেহাল দশাকে দায়ী করা হয়েছে। দুর্ঘটনার এই ঊর্ধ্বগতি রোধে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।
/আশিক
যুদ্ধবিরতি হলেও কাটবে না জ্বালানিসংকট: ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি হলেও দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানিসংকট থেকেই যাবে। এই উত্তাল সময়ে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে সম্মিলিত সম্পদ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার কাঠামো নতুন করে পর্যালোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রচলিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধারণাগুলো বদলে যাচ্ছে, তাই প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
এছাড়াও সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সাথে যুক্ত করতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে (এসএমই) শক্তিশালী করতে একটি ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ড. খলিলুর রহমান আরও জানান, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) যুগে তরুণ উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র শিল্পগুলোকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি নিশ্চিত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার জন্য তিনি ভারত মহাসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
/আশিক
বিল পাসের পর 'বুঝলাম না' বলা গ্রহণযোগ্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতীয় সংসদে বিল পাস হওয়ার পদ্ধতি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের আপত্তির কড়া জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, "বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলা হয় ‘আমি কিছু বুঝিলাম না’, তবে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান যে, সংসদীয় রীতি অনুযায়ী কোনো বিলের ওপর আপত্তি দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় থাকে। তিনি বলেন, বিল উত্থাপনের সময় এবং সেকেন্ড রিডিং বা বিবেচনার সময়ই মূলত ভিন্নমতের সুযোগ থাকে। আইন প্রণয়নের পুরো প্রক্রিয়ায় বিরোধীদলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মতামতের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে, বিলগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের উপস্থিতিতেই সর্বসম্মতিক্রমে পর্যালোচিত হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কিছু বিলে বিরোধীদল ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছিল এবং স্পিকার সেই আলোচনার জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় দিয়েছেন। তাই কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত ও সংসদীয় প্রক্রিয়া মেনেই বিলগুলো পাস করা হয়েছে। হঠাৎ করে সব প্রক্রিয়ার শেষে এসে ‘বুঝতে পারিনি’ বলাটা সংসদীয় শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
/আশিক
১৬ বছরের লুটপাটে ধ্বংসের মুখে অর্থনীতি: অর্থমন্ত্রী
গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বলে জাতীয় সংসদে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বিগত সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট এবং নীতিগত ব্যর্থতার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী বর্তমান অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা ও পরিসংখ্যানগত বৈপরীত্যগুলো বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন।
অর্থমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে দেখান যে, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি যেখানে ৬.৭৮ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.১৭ শতাংশের মধ্যে ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি কমে ৪.২২ শতাংশে নেমেছে এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৭৩ শতাংশে।
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তথাকথিত উন্নয়নের নামে মেগা প্রকল্পগুলোতে অতিমূল্যায়ন ও লুটপাট চালানো হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ বিনিয়োগের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। বিশেষ করে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ১০.৬৬ শতাংশ থেকে মাত্র ৩.৫১ শতাংশে নেমে আসায় কর্মসংস্থান মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী মুদ্রাবাজার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের নাজুক অবস্থা তুলে ধরে জানান, ২০০৫-০৬ সালে প্রতি ডলারের মান ছিল ৬৭.২ টাকা, যা বর্তমানে ১২১ টাকায় পৌঁছেছে। টাকার এই রেকর্ড অবমূল্যায়নের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ ছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৮.৩ শতাংশ থেকে কমে মাত্র ৬.৫ শতাংশে নেমে আসা এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বছরের পর বছর ৮.২ শতাংশে স্থির থাকাকে তিনি অর্থনীতির স্থবিরতার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, লুটপাটের মাধ্যমে লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে অকার্যকর করে দিয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৪ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের লোকসানে যেসব শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আমেরিকার জন্য অপেক্ষা করছে বড় বিপর্যয়! হরমুজ নিয়ে লড়াকু অবস্থানে তেহরান
- ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
- চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য
- হরমুজ সংকটে জাপানের হাই-অ্যালার্ট: পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর টোকিওর
- ১৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ: আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তায় দুঃসংবাদ!
- ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু: রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে পারস্য উপসাগর
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস! এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মিলছে মূল্যবান ধাতু
- সোমবার ঢাকার কোন কোন মার্কেট ও এলাকা বন্ধ? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজকের ঢাকা: কোথায় কী কর্মসূচি? বের হওয়ার আগে জেনে নিন
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার মাশুল! ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার
- ‘যুদ্ধ চাইলে যুদ্ধই হবে’: ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ইরানের
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- নানিয়ারচর সেনা জোনের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
- ছেঁড়া-ফাটা নোট নিতে বাধ্য ব্যাংক! অমান্য করলেই ব্যবস্থা
- এক দিনেই ইরানকে শেষ করে দেব: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- নাসায় একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যমৃত্যু: কেউ বারান্দায় খুন, কেউ নিখোঁজ!
- বিএনপি আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়: জামায়াত আমির
- হরমুজ প্রণালি কি এবার রণক্ষেত্র? ট্রাম্পের অবরোধের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক
- হরমুজে পেতে রাখা মাইন হারিয়ে ফেলেছে ইরান! নজিরবিহীন সংকটে বিশ্ব তেলপথ
- পুতিন-পেজেশকিয়ান ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যে কি নতুন মোড় ঘটাবে রাশিয়া?
- কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী
- হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের! এবার কি সরাসরি সামরিক সংঘাত?
- ধর্মমন্ত্রীর ঘোষণা: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সত্ত্বেও যথাসময়ে শুরু হচ্ছে হজের সফর
- বিরোধী দল ভুল তথ্য দিচ্ছে: অধ্যাদেশ বিতর্কে কড়া জবাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- বাইপাস রুটে সৌদি তেল: হরমুজ সংকটের মাঝেই বিকল্প পথ সচল করল রিয়াদ
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের বাস্তবতা: কার দখলে বিশ্বের প্রধান তেলপথ?
- ১২ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১২ এপ্রিল: শেয়ারবাজারে সেরা ১০ গেইনার শেয়ার তালিকা
- ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি! এবার কি সমুদ্রপথে অবরুদ্ধ হচ্ছে ইরান?
- ইরান-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট? অস্থির হতে শুরু করেছে তেলের দাম
- আগামী ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস! বদলে যাচ্ছে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি
- হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি: ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হলো বড় অভিযান
- তেলের লাইনে ভোগান্তি শেষ! বিপিসির নতুন অ্যাপ ‘ফুয়েল পাস’ এর চমক
- স্বর্ণের বাজারে বড় পতন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দাম
- আজকের টাকার রেট: প্রবাসীদের জন্য ৯ এপ্রিলের মুদ্রার বিনিময় হার
- হতাশ শাহবাজ শরিফ! বৃথাই গেলো পাকিস্তানের সব আয়োজন
- অভিযান এখনো শেষ হয়নি: মানচিত্র দেখিয়ে ইরানকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
- আজ ঢাকায় কোথায় কী কর্মসূচি, জানুন এক নজরে
- যেসব কারণে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র! নেপথ্যে বড় ৫ কারণ
- আজ রোববার: ঢাকার যেসব জনপ্রিয় মার্কেট ও এলাকা বন্ধ থাকবে
- রোববার ১২ এপ্রিল ২০২৬: ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলার নামাজের সময়
- ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা
- সাধারণ দর্শকের বেশে বেইলি রোডে প্রধানমন্ত্রী! সপরিবারে দেখলেন শিশুদের নাটক
- মার্কিন যুদ্ধজাহাজের পিছু নিল ইরান! হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি দুই পরাশক্তি
- বাজুসের নতুন ঘোষণা, স্বর্ণে রেকর্ড উত্থান
- শান্তির খোঁজে ইরানের সঙ্গে সৌদির যোগাযোগ
- আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ডসহ ৩০ আসামির সাজা ঘোষণা
- ৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- টানা দুই দিন ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- শেয়ারবাজারে চাঙ্গা দিন, লাভের শীর্ষে ১০ কোম্পানি
- ইরান যুদ্ধে কৌশলগত ব্যর্থতায় ইসরাইল, প্রশ্ন নেতৃত্বে
- এক রাতে তিন বড় ম্যাচ, টিভিতে আজকের যত খেলা
- মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা: নীরবতার বদলে জবাবদিহি দরকার
- শেয়ারবাজারে কমেছে ১০ কোম্পানির দর
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন নাটকীয়তা: যুদ্ধবিরতি ভেঙে ইরানে ইসরায়েলের হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় পাকিস্তান
- সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, স্থায়ী সমাধান চাই: যুক্তরাষ্ট্রকে শর্ত জানাল ইরান
- পর্দার আড়ালে কী ঘটেছিল? এপস্টেইন নথিতে জিজি হাদিদের নাম
- রাতে ইউরোপ মাতাবে হাইভোল্টেজ ফুটবল, জানুন আজকের খেলাধুলা সূচি








