রক্তক্ষয়ী বড় সংঘাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১০:৩৬:০৪
রক্তক্ষয়ী বড় সংঘাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তান
গাড়িতে রকেট লঞ্চার নিয়ে সতর্ক অবস্থানে তালেবান সেনারা। গতকাল আফগানিস্তানের তোরখাম সীমান্ত এলাকায় (বাঁয়ে), পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজাউর এলাকার হাসপাতালে আহত এক তরুণী -এএফপি

প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এখন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতভর আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন শহরে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ একে ‘সরাসরি যুদ্ধ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে দাবি করেছেন যে, এই হামলায় অন্তত ২৭৪ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় তারা কাবুল এবং তালেবানের মূল ঘাঁটি কান্দাহারে এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। অন্যদিকে, তালেবান সরকারও দমে থাকেনি। তাদের দাবি অনুযায়ী, পাল্টা আক্রমণে কয়েক ডজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে এবং তারা বেশ কিছু পাকিস্তানি সামরিক পোস্ট দখল করে নিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় সীমান্ত এলাকা এখন এক জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরিতে পরিণত হয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই অভিযানের পেছনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মাতৃভূমি রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। ইসলামাবাদের দাবি, তাদের হামলায় তালেবানের ২৭টি সামরিক পোস্ট ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র ধ্বংস হয়েছে। এর বিপরীতে তালেবান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ১৯টি পাকিস্তানি সামরিক পোস্ট ও দুটি ঘাঁটি দখল করেছে এবং লড়াইয়ে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা প্রাণ হারিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই সংখ্যাটি অনেক কম বলে দাবি করেছে। যুদ্ধের এই ডামাডোলের মধ্যেও তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন, তারা এখনো সংলাপের মাধ্যমে সমাধান চান। কিন্তু পাকিস্তানের অভিযোগ—আফগানিস্তানের বর্তমান সরকার টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) গোষ্ঠীকে মদত দিয়ে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ ছড়াচ্ছে।

আন্তর্জাতিক মহলে এই যুদ্ধ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ইরান এবং সৌদি আরবসহ বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পরিস্থিতিকে ‘গভীর পর্যবেক্ষণ’ করছেন বলে জানিয়েছেন। বিশেষ করে চীন মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছে এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম রমজান মাসের এই সহিংসতাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে অভিহিত করেছেন। আফগানিস্তানের ভেতরে তোরখাম সীমান্তের শরণার্থী শিবিরে থাকা হাজারো পরিবার এখন যুদ্ধের ভয়ে ঘরবাড়ি ছাড়ছে। সীমান্তে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং উভয় পক্ষই ভারী গোলাবারুদ নিয়ে একে অপরের মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাতের নেপথ্যে রয়েছে টিটিপি গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড এবং দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের আস্থার সংকট। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, আফগানিস্তান থেকে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছে, যা অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের মাধ্যমে রুখে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই হুংকার দিয়ে বলেছেন, আফগানরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের মাতৃভূমি রক্ষা করবে। যুদ্ধের এই ডামাডোল দীর্ঘস্থায়ী হলে তা কেবল এই দুই দেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে এক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। দুই হাজার ৫৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাহাড়ি সীমান্তে এখন শান্তির বদলে বারুদের গন্ধ ভাসছে।

/আশিক


ইরানে হামলা মানে তুরস্কের ওপর হামলা: এরদোগান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ২০:৪৪:১৪
ইরানে হামলা মানে তুরস্কের ওপর হামলা: এরদোগান
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ইসরায়েলকে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, লেবানন বা ইরানের ওপর যেকোনো হামলাকে তুরস্কের ওপর হামলা হিসেবেই বিবেচনা করবে আঙ্কারা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এরদোগান সতর্ক করেন যে, পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত ভয়াবহ এবং ইসরায়েলকে অবিলম্বে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ বন্ধ করতে হবে।

এরদোগান বলেন, আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করার জন্য ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে। তিনি আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দিলেও হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হয়, তবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে উঠবে। বিশেষ করে তিনি তুরস্কের অতীত সামরিক অভিযানের উদাহরণ টেনে বলেন, আঙ্কারা যেভাবে কারাবাখ ও লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করেছে, প্রয়োজনে ইসরায়েলের ক্ষেত্রেও তেমন পদক্ষেপ নিতে তুরস্ক পিছপা হবে না।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রশংসা করে এরদোগান উল্লেখ করেন যে, ইসলামাবাদ যদি এই শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত না থাকত, তবে তুরস্ক হয়তো ইতিমধ্যেই বড় কোনো পদক্ষেপ নিয়ে ফেলত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, নেতানিয়াহু রক্ত নিয়ে হোলি খেলছেন এবং ঘৃণা ছড়াচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির সময়েও লেবাননে নিরস্ত্র ও নিরীহ মানুষ হত্যার তীব্র সমালোচনা করে এরদোগান জানান, এর জন্য নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হবে।

সূত্র: সামা টিভি


ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা! হরমুজ প্রণালিতে শনাক্ত ৪টি রহস্যময় জাহাজ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ২০:২৫:২৮
ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা! হরমুজ প্রণালিতে শনাক্ত ৪টি রহস্যময় জাহাজ
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নৌ-অবরোধের হুঁশিয়ারি আর সেন্টকমের কড়া নজরদারির তোয়াক্কা না করেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। গতরাত থেকে অন্তত চারটি বড় জাহাজের চলাচল শনাক্ত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, এই জাহাজগুলোর চলাচল নতুন করে রহস্য ও উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মেরিন ট্র্যাফিকের ট্র্যাকিং ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া চারটি জাহাজই মূলত তেল, গ্যাস বা রাসায়নিকবাহী ট্যাঙ্কার। যদিও এই জাহাজগুলোর সাথে ইরানের কোনো সরাসরি বাণিজ্যিক বা কৌশলগত সংযোগ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি কোনো জাহাজই তাদের গন্তব্য হিসেবে ইরানি বন্দরের নাম উল্লেখ করেনি। ফলে এগুলো ঠিক কোন উদ্দেশ্যে এবং কার অনুমোদনে এই উত্তপ্ত জলপথ অতিক্রম করছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে চাওয়া জাহাজগুলোকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরান আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। সেন্টকমের সময়সীমা পার হওয়ার পর এই জাহাজগুলোর অবস্থান শনাক্ত হওয়ায় পারস্য উপসাগরে এখন চরম স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র কি এই জাহাজগুলোকে আটক করবে, নাকি এগুলোকে ছেড়ে দেবে—তা এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি


ব্যর্থতার মাঝেও আশার আলো: আবারও কি আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১৯:৩৬:০৫
ব্যর্থতার মাঝেও আশার আলো: আবারও কি আলোচনায় বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান?
ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হলেও, এখনই আশা ছাড়ছেন না মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ব্রিটিশ বিশ্লেষক এইচ. এ. হেলিয়ার। সিএনএন-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছেন, বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু না হওয়াটা ইতিবাচক এবং আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে দুই সপ্তাহের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে, যা আলোচনার সুযোগ টিকিয়ে রেখেছে।

তবে হেলিয়ার সতর্ক করেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নৌ-অবরোধের কৌশল হিতে বিপরীত হতে পারে। তার মতে, ইরানিরা চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে লড়াই করে টিকে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। এদিকে, লোহিত সাগরের বাব-এল-মানদেব প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। হেলিয়ারের আশঙ্কা, মার্কিন অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এই জাহাজগুলোতে পুনরায় হামলা চালাতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।

গত ২৮ মার্চ হুতিরা ইসরাইলের দিকে মিসাইল ছুড়ে যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। ফলে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি এখন বাব-এল-মানদেব প্রণালি নিয়েও বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সূত্র: সিএনএন।


ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১৫:০০:২৪
ব্যর্থ শান্তি বৈঠক, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বহু প্রতীক্ষিত এই বৈঠক চুক্তির একেবারে কাছাকাছি পৌঁছেও সমঝোতায় রূপ নিতে পারেনি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে এই ব্যর্থতার জন্য দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, আলোচনার পুরো প্রক্রিয়ায় ওয়াশিংটন কোনো ধরনের নমনীয়তা দেখায়নি এবং বারবার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে সমঝোতার পরিবেশ নষ্ট করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত প্রায় পাঁচ দশকের মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সংলাপ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান পূর্ণ সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সদিচ্ছার প্রতিদান সদিচ্ছা হওয়া উচিত, কিন্তু যদি শত্রুতার পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে তার জবাবও একইভাবে দেওয়া হবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-ও একই সুরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের একতরফা ও কর্তৃত্ববাদী অবস্থান থেকে সরে এসে ইরানের সার্বভৌম অধিকারের প্রতি সম্মান দেখায়, তাহলে এখনো সমঝোতার সুযোগ রয়েছে।

আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরপরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন। তার এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত সময় থেকে ইরানের সব বন্দরের ওপর এই অবরোধ কার্যকর হবে, যদিও কিছু নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু থাকার সুযোগ রাখা হবে।

এই ঘোষণার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, এ ধরনের চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে কোনোভাবেই নত করা সম্ভব নয়।

গালিবাফের ভাষায়, আলোচনার টেবিলে তেহরান ইতিবাচক প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি সরাসরি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পথ বেছে নেয়, তাহলে ইরানও সেই পথেই প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ইরানের সক্ষমতা পরীক্ষা করার চেষ্টা করলে এর ফলাফল আরও কঠোর হতে পারে। এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

-রাফসান


ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১১:৩৮:১৮
ধর্মগুরু বনাম প্রেসিডেন্ট: পোপ লিও’র সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ লিও’র মধ্যে শুরু হয়েছে নজিরবিহীন বাকযুদ্ধ। পোপের বৈদেশিক ও অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প তাকে অত্যন্ত ‘দুর্বল’ ও ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করে সরাসরি আক্রমণ করেছেন।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে ট্রাম্প এই কড়া মন্তব্য করেন।

ট্রাম্পের অভিযোগ, অপরাধ দমনে পোপ অত্যন্ত নমনীয় এবং তার অভিবাসন নীতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পোপের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়ার বিষয়টি যিনি সমর্থন করেন, এমন কোনো ধর্মগুরুকে আমি পোপ হিসেবে দেখতে চাই না।’ হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালেও তিনি একই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করেন।

এই বাদানুবাদ এমন এক সময়ে শুরু হলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর হতে যাচ্ছে। পোপ লিও মানবিক দিক বিবেচনা করে ট্রাম্পের কিছু কঠোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় প্রেসিডেন্ট এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখালেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক মন্তব্য ভ্যাটিকান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কে এক নতুন ফাটল তৈরি করল। এই ঘটনায় ধর্মীয় মহলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।

সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল


চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১১:৩১:৩০
চুক্তির খুব কাছে গিয়েও কেন ফিরল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র? পর্দার আড়ালের রহস্য
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ায় নতুন করে ঘনীভূত হয়েছে যুদ্ধের মেঘ। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান এখনও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেনি। বিবিসিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন যে তেহরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক শক্তি অর্জন করতে দেওয়া হবে না।

ট্রাম্পের মতে, আলোচনার টেবিলে ইরান তাদের পারমাণবিক লক্ষ্য অর্জনের ব্যাপারে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। তিনি জানান, সরাসরি আলোচনায় ব্যর্থতার প্রধান কারণই ছিল তেহরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে অনাগ্রহ। ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থানের পর পারস্য উপসাগরে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও তীব্র হয়েছে।

পাল্টা জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, দুই পক্ষ একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে তার দাবি অনুযায়ী, মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবি, বারবার শর্ত পরিবর্তন এবং নতুন করে অবরোধ আরোপের হুমকি’র কারণেই শেষ মুহূর্তে আলোচনা ভেস্তে গেছে। দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে।

/আশিক


হরমুজ সংকটে জাপানের হাই-অ্যালার্ট: পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর টোকিওর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১১:২৪:০৯
হরমুজ সংকটে জাপানের হাই-অ্যালার্ট: পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর টোকিওর
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে জাপান। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিমাসা কিহারা জানিয়েছেন, টোকিও পরিস্থিতির প্রতিটি দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে সব পক্ষ কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত একটি শান্তিময় সমাধানে পৌঁছাবে।

হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য মাইন অপসারণ বা কোনো সামরিক অভিযানে জাপানি বাহিনীর অংশগ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কিহারা জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে জ্বালানি আমদানির জন্য হরমুজ প্রণালি জাপানের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দেশটি বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। অন্যদিকে, এই সংকট দীর্ঘমেয়াদী হওয়ার আশঙ্কায় এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোও বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধান শুরু করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যেই তাদের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় হিলিয়াম চড়া দামে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করছে। পাশাপাশি তারা সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানের সাথে আলোচনা চালাচ্ছে যেন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সরাসরি তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। এশিয়ার অর্থনীতিগুলো এখন আর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বসে না থেকে নিজ নিজ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিকল্প পথে হাঁটছে।

/আশিক


ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু: রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে পারস্য উপসাগর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১১:১৩:২২
ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ শুরু: রণক্ষেত্রে রূপ নিচ্ছে পারস্য উপসাগর
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন খাদের কিনারায়। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনী আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে ইরানের সব সমুদ্রবন্দরে অবরোধ কার্যকর করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, আজ সকাল থেকেই ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী যেকোনো দেশের জাহাজ কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের মুখে পড়বে।

এই অবরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে তারা শুধুমাত্র ইরান-গামী বা ইরান থেকে আসা জাহাজগুলোকে বাধা দেবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী অন্য দেশের জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

যদিও এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুরো হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তবে সামরিক বাহিনীর এই ‘সীমিত’ অবরোধের সিদ্ধান্ত কিছুটা নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবুও এই ঘোষণার সাথে সাথেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা শুরু হয়েছে; মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে।

তেহরান এই পদক্ষেপকে সরাসরি যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের জলসীমার কাছে কোনো বিদেশি সামরিক জাহাজ এলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। পারস্য উপসাগরের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে, কারণ বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই রুটটির ওপর নির্ভরশীল।

/আশিক


যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার মাশুল! ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৩ ১০:১৪:৫৯
যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার মাশুল! ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বন্দরগুলো অবরোধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আজ লেনদেনের শুরুতেই তেলের দাম এক লাফে ৭ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবং ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪.২৪ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১০২.২৯ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি মাত্র ৭০ ডলার, যা যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে ১১৯ ডলারও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। শুক্রবার শান্তি আলোচনার খবরের মাঝে দাম কিছুটা কমে ৯৫ ডলারে নামলেও, এখন তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ সল কাভোনিক সতর্ক করে বলেছেন, বাজার এখন আবার যুদ্ধকালীন উত্তজনাপূর্ণ অবস্থায় ফিরে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানের দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল তেলের প্রবাহ আটকে দেয়, তবে দাম আরও বাড়তে পারে।

স্বয়ং ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত তেল ও পেট্রোলের দাম চড়া থাকতে পারে। তবে এই উত্তজনার মাঝেও কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে সৌদি আরব; তারা তাদের ১,২০০ কিমি দীর্ঘ পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে দৈনিক ৭০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলনের পূর্ণ সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার দাবি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

পাঠকের মতামত:

১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

১৪ এপ্রিল: লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের শেয়ারবাজারে আজকের লেনদেনে নির্বাচিত কিছু কোম্পানি উল্লেখযোগ্য মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ নতুন করে বাড়িয়েছে। দিন শেষে প্রকাশিত... বিস্তারিত